“ভারতকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সৌদির টি-টোয়েন্টি লিগ চালুর পরিকল্পনা”

সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরব বৈশ্বিক ক্রীড়াঙ্গনে বড় একটি নাম হয়ে উঠেছে। ফুটবল, কার রেসিং এবং গলফের ক্ষেত্রে তাদের সাফল্যের পর, এবার তারা ক্রিকেটেও বড় কিছু করার পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। বিশেষত, ভারতীয় প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সৌদি আরব প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলারের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট লিগ চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ান গণমাধ্যম দ্য এজ সূত্রে জানা যায়, সৌদি আরবের এই লিগে মোট আটটি দল অংশগ্রহণ করবে। এই দলগুলো পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বছরের পর বছর টেনিসের গ্র্যান্ড স্লামের মতো খেলা চালিয়ে যাবে। তাদের লক্ষ্য হল ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বাড়ানো, বিশেষত ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বাইরে ক্রিকেটের আধিপত্য বিস্তার করা।

এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছেন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ নীল ম্যাক্সওয়েল। এই লিগের অর্থায়ন করবে সৌদি আরবের স্পোর্টস ইনভেস্টমেন্ট গ্রুপ, এসআরজে স্পোর্টস ইনভেস্টমেন্ট। তারা প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত।

লিগের মাধ্যমে সৌদি আরব নতুন আয়ের বিকল্প তৈরি করতে চায় এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো সংগ্রাম করা দলগুলিকে সহায়তা করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে, এই লিগ চালু করতে আইসিসির অনুমোদন প্রয়োজন, যেখানে জয় শাহ প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। যদি এই লিগ চালু হয়, তা সৌদি আরবের বৈশ্বিক ক্রীড়া ভাবমূর্তি বদলাতে সহায়তা করবে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




‘ভারতে এসো না, চেষ্টা করলেও পারবে না’

ভারতের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জয়ের অন্যতম নায়ক বরুণ চক্রবর্তী। ডানহাতি স্পিনার হিসেবে তিনি বিশেষ বৈচিত্র্যময় বোলিং করে ভারতকে জয় এনে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।

ফাইনালে যখন ভারত নিউ জিল্যান্ডের উইকেট নিতে হিমশিম খাচ্ছিল, তখন বরুণ ব্রেকথ্রু এনে দেন। পরবর্তীতে আরও ২ উইকেট নেন। সব মিলিয়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে তার শিকার ছিল ৯ উইকেট। বরুণ অনেক পরিশ্রমের মাধ্যমে শূন্য থেকে অসাধারণ বোলারে পরিণত হয়েছেন।

২০২১ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তার অভিষেক হয়েছিল, কিন্তু সেই বছর ভারত গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে সেমিফাইনাল খেলতে পারেনি। এতে প্রবল সমালোচনা হয় এবং বরুণও বাদ পড়েন। তিনি জানান, ওই সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছিল এবং বলা হয়েছিল, ‘‘ভারতে এসো না, চেষ্টা করলেও পারবে না।’’ বরুণ বলেন, ‘‘লোকেরা আমার বাড়ির কাছে এসে আমাকে খুঁজে বের করত, মাঝে মাঝে আমাকে লুকিয়ে থাকতে হতো। বিমানবন্দর থেকে ফিরলে কিছু লোক বাইকে করে আমার পিছু নিত।’’

এই কঠিন সময় পেরিয়ে আজ বরুণ যে অবস্থানে রয়েছেন, তাতে তিনি সন্তুষ্ট। তিনি বলেন, ‘‘যখন আমি সেইসব কঠিন সময় এবং বর্তমানে যে প্রশংসা পাচ্ছি, তার দিকে ফিরে তাকাই, তখন আমি খুশি হই। আমি বিশ্বাস করতে পারছি না যে এত ভালো জিনিস একসাথে ঘটে।’’

নিজের ওপর যে আস্থা জন্মেছে, তা নিয়েও তিনি আত্মবিশ্বাসী। বরুণ বলেন, ‘‘চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আমার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। আমি মাত্র চারটি ম্যাচ খেলেছি, আর যখন আমি ভালো খেলেছি, তখন মনে হয়েছে, আমি এখানেই থাকবো এবং আমার জন্য একটা জায়গা আছে। তবে সাফল্য আমি এমনটা আশা করিনি।’’


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠকে রাজনৈতিক নেতারা

বাংলাদেশে সফররত জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নিয়েছে দেশের বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতারা।

শনিবার (১৫ মার্চ) দুপুর ১টায় রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এই বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ার, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, আমার বাংলাদেশ পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না প্রমুখ।

এর আগে সকালে রাজধানীর গুলশানে জাতিসংঘ হাউজ উদ্বোধন করেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। উদ্বোধন শেষে তিনি জাতিসংঘের কার্যালয় পরিদর্শন করেন এবং আলোকচিত্র প্রদর্শনীর ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন আলোকচিত্র ঘুরে ঘুরে দেখেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয় ও গৃহায়ণ এবং গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।

বিকালে, জাতিসংঘ মহাসচিব এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেবেন বলেও জানা গেছে।


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




পাকিস্তান থেকে ২৬ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল আসলো

পাকিস্তান থেকে ২৬ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন আতপ চাল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। এই চালের নমুনা পরীক্ষা শেষে খালাসের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমদাদ ইসলামের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৩১ জানুয়ারি সম্পাদিত জি টু জি চুক্তির আওতায় এমভি মরিয়ম জাহাজটি পাকিস্তান থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এর আগে গত ৫ মার্চ পাকিস্তান থেকে চাল নিয়ে ‘এমভি সিবি’ নামের একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছিল। পাকিস্তানি পতাকাবাহী এই জাহাজটি বন্দরে ভিড়েছিল।

খাদ্য অধিদফতর জানায়, পাকিস্তান থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল আমদানি করা হচ্ছে, এর মধ্যে এমভি সিবি দিয়ে প্রথম চালান এসেছে এবং বাকি চাল শিগগিরই বন্দরে পৌঁছাবে।


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় পড়তে পারে ৪৩ দেশ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদে ৪৩টি দেশের ওপর বিভিন্ন মাত্রায় ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারেন বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের সুপারিশের ভিত্তিতে তৈরি খসড়া তালিকাটি তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার ধাপ:

  1. রেড লিস্ট (পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা)
    প্রথম ভাগের দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশ একেবারে নিষিদ্ধ করা হবে। এই তালিকায় ১১টি দেশ রয়েছে:

    • আফগানিস্তান, ভুটান, কিউবা, ইরান, লিবিয়া, উত্তর কোরিয়া, সোমালিয়া, সুদান, সিরিয়া, ভেনেজুয়েলা, ইয়েমেন।
  2. অরেঞ্জ লিস্ট (আংশিক নিষেধাজ্ঞা)
    দ্বিতীয় ভাগের দেশগুলোর ওপর নতুন ভিসা প্রদান বন্ধ করা হবে এবং কিছু ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক ভ্রমণকারীদের প্রবেশে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ হতে পারে। এই তালিকায় ১০টি দেশ অন্তর্ভুক্ত:

    • বেলারুশ, ইরিত্রিয়া, হাইতি, লাওস, মিয়ানমার, পাকিস্তান, রাশিয়া, সিয়েরা লিওন, দক্ষিণ সুদান, তুর্কমেনিস্তান।
  3. ইয়েলো লিস্ট (৬০ দিন সময়)
    তৃতীয় ধাপে ২২টি দেশকে ৬০ দিনের সময় দেওয়া হবে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ দূর করার জন্য। এই দেশগুলো যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সমস্যাগুলোর সমাধান না করে, তাহলে তাদের ওপর পূর্ণ বা আংশিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ হতে পারে। তালিকায় থাকা দেশগুলো হলো:

    • অ্যাঙ্গোলা, অ্যান্টিগুয়া এবং বারবুডা, বেনিন, বুরকিনা ফাসো, কম্বোডিয়া, ক্যামেরুন, কেপ ভার্দে, চাদ, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, ডমিনিকা, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, গাম্বিয়া, লাইবেরিয়া, মালাউই, মালি, মৌরিতানিয়া, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সাও টোমে অ্যান্ড প্রিন্সিপ, ভানুয়াতু, জিম্বাবুয়ে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ::

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানুয়ারিতে পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, কোন দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিত তা নির্ধারণ করতে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তালিকা হোয়াইট হাউজে পৌঁছানোর আগে কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে এবং নিষেধাজ্ঞার চূড়ান্ত রূপ এখনও নিশ্চিত নয়।


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




শ্রমিকনেতা মোশারফ হোসেনের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

বরিশালের সোনারগাঁও টেক্সটাইল শ্রমিক কর্মচারী সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেনের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে আজ সোনারগাঁও টেক্সটাইল গেটে একটি বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সোনারগাঁও টেক্সটাইল শ্রমিক-কর্মচারী সংগ্রাম পরিষদের সহসভাপতি জসিম হাওলাদারের সভাপতিত্বে এই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বিক্ষোভ সমাবেশে সোনারগাঁও টেক্সটাইল শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক খুকু মনি, সহসভাপতি ইমরান হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দুলাল মল্লিক, বাসদ বরিশাল জেলার সদস্য শহিদুল শেখ, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট বরিশাল জেলার দপ্তর সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, বরিশাল রিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদক আব্দুল রাজ্জাক, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট বরিশাল মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক সুজন আহমেদ, ইজিবাইক চালক সংগ্রাম পরিষদ দপদপিয়া ইউনিয়নের সভাপতি রমজান আকন, বরিশাল রিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের ২৪ নং ওয়ার্ডের সভাপতি মো: আরিফ, সাধারণ সম্পাদক রিপন হাওলাদার সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

নেতৃবৃন্দ জানান, গত ১৪ মার্চ সকাল ১১ টায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে জামাল গাজীর নেতৃত্বে সন্ত্রাসী বাহিনী মোশারফ হোসেনের বাড়িতে হামলা চালিয়ে বাড়ি ভাঙচুর করে এবং তার পরিবারের সদস্যদের আহত করে। সন্ত্রাসীরা মোশারফ হোসেনের বাসা থেকে টাকা, কাগজপত্র ও মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়। পরে মোশারফ হোসেনের ভাবি সুখী এই ঘটনায় কোতয়ালী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ দায়েরের পর, রাত আনুমানিক ৮ টায় জামাল গাজীর নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা সোনারগাঁও টেক্সটাইল কারখানায় কর্মরত মোশারফ হোসেনকে ডেকে নিয়ে দপদপিয়া ব্রিজের কাছে হামলা চালিয়ে তাকে রক্তাক্ত করে। আহত অবস্থায় শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে শেরেবাংলা মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, এই সন্ত্রাসী হামলা শ্রমিকদের জন্য সহ্য করার মতো নয়। তারা হুশিয়ারি দেন, জামাল গাজী রূপাতলীর প্রভাবশালী নেতার সাহায্যে এই হামলা চালিয়েছে, কিন্তু শ্রমিকদের একতার সামনে কোনো শক্তিই টিকবে না। বক্তারা দাবি করেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেফতার না করা হলে বরিশালের সকল কারখানা এক হয়ে বৃহৎ আন্দোলন ঘোষণা করবে।

বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে, এক বিক্ষোভ মিছিল রূপাতলি এলাকা প্রদক্ষিণ করে।


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস না পাওয়ায় শিল্পে দুরবস্থা 

বর্তমানে বাংলাদেশে শিল্পখাতে গ্যাসের অপ্রতুল সরবরাহের কারণে উৎপাদন ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কমে গেছে, যা শিল্পকারখানাগুলোর জন্য এক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গ্যাসের সরবরাহ ব্যবস্থা আরও উন্নত করতে এবং ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) নতুন গ্যাস ট্যারিফ বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছে। তবে এই প্রস্তাবটি দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, বিশেষত এটি নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে।

গ্যাস ট্যারিফ বৃদ্ধির প্রস্তাব:

পেট্রোবাংলার প্রস্তাব অনুসারে, নতুন গ্রাহকদের জন্য গ্যাসের দাম ৩০ থেকে ৩১.৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৭৫.৭২ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যমান গ্রাহকদের অতিরিক্ত গ্যাস ব্যবহারে একই দামে বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। এই প্রস্তাব শিল্পের জন্য এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে, যার প্রভাব দেশের অর্থনীতি এবং কর্মসংস্থানের উপর পড়তে পারে।

ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ:

গ্যাসের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহের সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি যদি বাস্তবায়িত হয়, তবে তা বেসরকারি খাতের জন্য খুবই ক্ষতিকর হবে এবং দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়বে। বর্তমানে গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে অপচয়ও বেশি, বিশেষ করে তিতাস গ্যাসের সিস্টেম লস ১৩.৫৩ শতাংশে পৌঁছেছে। সুতরাং, সরবরাহ বৃদ্ধির জন্য গ্যাস কোম্পানির দক্ষতা বাড়ানো এবং অপচয় কমানোর উপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

শিল্প খাতে বিরূপ প্রভাব:

গ্যাস সংকট এবং জ্বালানির খরচ বৃদ্ধি শিল্পের উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে, বিশেষ করে গাজীপুর, আশুলিয়া, সাভার, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, ভালুকা ও নরসিংদী অঞ্চলের শিল্পকারখানায়। সিরামিক ও স্টিল শিল্পের উৎপাদন কমেছে ৫০ শতাংশ। এছাড়া, ২০২৩ সালে নতুন গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে খরচের চাপ আরও বেড়েছে, যা বিশেষ করে ছোট এবং মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কঠিন পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।

উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি:

জ্বালানি খরচ ২০২২ সালে প্রতি গজ কাপড় উৎপাদনে ছিল ১৮ টাকা, যা ২০২৩ সালে বেড়ে ২৬ টাকা হয়ে গেছে। একইভাবে নিট শিল্পে সুতা উৎপাদনে খরচ ২.৪৫ ডলার প্রতি কেজি দাঁড়িয়েছে, যখন পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে নিট কাপড় আমদানি করতে খরচ হচ্ছে ২.১৮ ডলার প্রতি কেজি। এই কারণে ২০২৪ সালে নিট সেক্টরে কাপড় আমদানি ৩৯ শতাংশ বেড়েছে।

অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং কর্মসংস্থান:

এছাড়া, শিল্পের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩.৫৭ শতাংশে নেমে গেছে, এবং বিদেশি বিনিয়োগও ৭১ শতাংশ কমেছে। বেকারত্বের হারও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দেশের শ্রমবাজারের জন্য বড় একটি সংকেত। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও কর্মসংস্থান সুরক্ষিত রাখতে ব্যবসায়ী নেতারা সরকারের কাছে গ্যাস ট্যারিফ বৃদ্ধির প্রস্তাব বাতিলের দাবি জানিয়েছেন এবং গ্যাস সরবরাহের উন্নয়নসহ অপচয় কমানোর জন্য ব্যবস্থা নিতে পরামর্শ দিয়েছেন।

বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, “গ্যাস ট্যারিফ বৃদ্ধির প্রস্তাব শিল্পের জন্য বিপজ্জনক হবে এবং এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার পথে একটি বড় বাধা সৃষ্টি করতে পারে।”

এখন ব্যবসায়ী নেতারা আশা করছেন, সরকার গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, যাতে শিল্পখাত টিকে থাকতে পারে এবং নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠতে পারে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ইসলামে গুরুত্বপূর্ণ দান ও কেন এটি আদায় করা প্রয়োজন

ফিতরা বা ফিতরাহ হলো ইসলামের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দান, যা ঈদুল ফিতরের আগে অবশ্যই আদায় করতে হয়। এটি যাকাতুল ফিতর বা সাদাকাতুল ফিতর নামে পরিচিত এবং এটি রোজার ত্রুটিবিচ্যুতি মার্জনা করার একটি মাধ্যম হিসেবে আদায় করা হয়।

ফিতরা শব্দটি আরবি শব্দ, যার অর্থ হলো ‘রোজা ছাড়া’। এটি মূলত রমজান মাসের শেষে, ঈদুল ফিতরের দিন সকালে অসহায় ও গরিবদের সাহায্য করার জন্য দান করা হয়। এই দানের মাধ্যমে ঈদ উৎসবে গরিবদেরও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়, যাতে তারা আনন্দের সময় ধনীদের মতো ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারে।

ফিতরা কী?::

ফিতরা বা সাদকাতুল ফিতর হলো ঈদের নামাজের আগে গরিব-দুঃখীদের দেওয়া নির্ধারিত সাদকা। এর মাধ্যমে রোজা পালনের ত্রুটির পরিপূরক হিসেবে আত্মশুদ্ধি এবং পবিত্রতা অর্জন হয়। যারা নিসাব পরিমাণ সম্পদ, যেমন সোনা বা রুপার সমমূল্যের মালিক, তাদের জন্য ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব। এটি মূলত ব্যক্তি ও তার পরিবারের সকল সদস্যের পক্ষ থেকে আদায় করতে হয়।

ফিতরা কেন আদায় করতে হয়?::

ফিতরা আদায় করার উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। রমজানের রোজা পালনকালে যদি কোনো ত্রুটি বা ভুল ঘটে, তবে তার সংশোধন করতে ফিতরা দেওয়া হয়। এটি গরিব ও অসহায়দের মধ্যে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করে, যাতে তারা ঈদের দিন ভালো খাবার ও পোশাক পায় এবং তাদের মনও আনন্দিত হয়।

এছাড়া, ফিতরা মানুষের আত্মশুদ্ধির একটি উপায় হিসেবে কাজ করে, কারণ এটি আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং মানবিক মূল্যবোধের উন্নয়ন ঘটায়।

ফিতরা আদায়ের উপকারিতা:

ফিতরা আদায়ের মাধ্যমে রোজার যে কোনো ভুল বা ত্রুটি থেকে মুক্তি পাওয়া যায় এবং এটি আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। হাদিসে এসেছে, “রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুসলিমদের জন্য সাড়ে ৩ কেজি খেজুর বা যব খাদ্য আদায় ফরজ করেছেন।” (বুখারি, মুসলিম)

ফিতরা দিয়ে গরিবদের মাঝে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়া যায়, যাতে তারা ঈদ উদযাপন করতে পারে, এবং এটি তাদের জন্য এক প্রকার উপহার বা দানের মতো কাজ করে।

ফিতরা আদায় করার নিয়ম:

ফিতরা আদায় করার সময়, এটি ঈদুল ফিতরের নামাজের আগে করা উচিত। মুসলিম পরিবারের নাবালক ছেলে-মেয়ের পক্ষ থেকে তাদের বাবা-মা ফিতরা আদায় করে দেবেন। ঈদের দিন গরিবদের মধ্যে ফিতরা পৌঁছে দেওয়ার জন্য এটি অবশ্যই যথাসময়ে আদায় করা জরুরি।

এটি কেবল রোজার ত্রুটি-বিচ্যুতি মেটানোর জন্য নয়, বরং গরিব-দুঃখী মানুষের মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেও করা হয়। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে রমজানে সাধ্যমতো ফিতরা আদায় করার তাওফিক দান করুন, যাতে আমরা তাঁর সন্তুষ্টি লাভ করতে পারি।


মোঃ আব্দুল কুদ্দুস,
জেনারেল ম্যানেজার, সোনালী ব্যাংক পিএলসি

 




২৫ কোটি টাকার প্রকল্প কাজে আসছে না, কৃষকের জীবন বিপর্যস্ত

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার মেরামতপুর-পিরোজপুর খালে ২৫ কোটি টাকার একটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, যার লক্ষ্য ছিল জলাবদ্ধতা নিরসন এবং কৃষকদের সেচ সুবিধা প্রদান। তবে বাস্তবে এই প্রকল্পটি কৃষকদের জন্য কোনো কার্যকরী সমাধান হয়ে উঠেনি। বরং কৃষকরা বর্ষাকালে জলাবদ্ধতায় এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাবে সমস্যায় পড়ছেন।

এই প্রকল্পটির আওতায় খনন করা হয়েছে ২১ দশমিক ৫০ কিলোমিটার খাল, নির্মাণ করা হয়েছে এক হাজার ৫৩৫ কিলোমিটার খালপাড়ে রিটেইনিং ওয়াল, চারটি ফুটওভারব্রিজ, ২০টি সৌরচালিত পাতকুয়া এবং ১০টি সৌর এলএলপি। প্রকল্পটি উদ্বোধন করা হয় ২০১৯ সালের মে মাসে এবং খাল খনন কাজ শেষ হয় ২০২১ সালের শেষে। তবে এসব সুবিধা কৃষকদের কাছে পৌছাচ্ছে না, বরং স্থানীয় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

কৃষকদের অভিযোগ, খালগুলোর অধিকাংশ অংশে পানি নেই, বরং অনেক স্থানই পুকুর বা ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে মুর্শিদপুর-নওটিকা, ইউসুফপুর-পবার কাঁটাখালী খালের পরিস্থিতি বেশ খারাপ। খালের মাঝে আবর্জনা ও মাটি জমে খালগুলো ভরাট হয়ে গেছে, যার ফলে পানি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

এছাড়া, প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, প্রকল্পটি তড়িঘড়ি এবং প্রয়োজনীয় জরিপ ছাড়া বাস্তবায়ন করা হয়েছে, যার ফলে কৃষকরা কোনো সুফল পাচ্ছেন না। কিছু খাল দখল হয়ে গেছে এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাবে কৃষকরা কৃষিকাজ করতে পারছেন না।

বিএমডিএ (বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) এর প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. নাজিরুল ইসলাম দাবি করেছেন, জলাবদ্ধতা দূরীকরণের জন্য প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল সফল, তবে খাল ভরাট হয়ে গেলে সে দায় তাদের নয়। তবে অনেক স্থানেই খাল দখল হয়ে গিয়েছে এবং খালের পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে, যা কৃষকদের জন্য বড় বিপদ।

বাঘার মুর্শিদপুর ও পিরোজপুরের কৃষকরা বলেন, প্রকল্পের কারণে জলাবদ্ধতার সমস্যা বেড়েছে এবং খাল খননের সময় নষ্ট হয়েছে দেড় কোটি টাকার সড়ক।

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) জেলা সভাপতি সফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিশেষজ্ঞদের মতামত এবং জনমত উপেক্ষা করে তড়িঘড়ি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে এবং প্রকল্পের বাস্তব কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা হয়নি।

এ প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে, যেন ভবিষ্যতে এমন প্রকল্পের যথাযথ পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা যায়।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”




বরগুনায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টায় ঝালমুড়ি বিক্রেতা গ্রেপ্তার

বরগুনায় এক পথশিশুকে ধর্ষণচেষ্টার পর হাসপাতালে লুকিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। ঘটনার সাত দিন পর শিশুটিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মোসলেম (৬৫) নামে এক ঝালমুড়ি বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শনিবার (১৫ মার্চ) রাত ২টার দিকে পৌরশহরের নয়াকাটা এলাকার ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্ত বৃদ্ধ মোসলেম সদর উপজেলার হেউলিবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা।

ভুক্তভোগী শিশুর নাম ফাহিমা (৮) (ছদ্মনাম)। বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার আয়লা পাতাকাটা ইউনিয়নের বৈকালীন বাজার এলাকার বাসিন্দা। শিশুটির বাবা ভিক্ষুক ও মা মানসিক প্রতিবন্ধী। তিনি শহরের বিভিন্ন জনবহুল স্থানে এবং বরগুনা সদর হাসপাতাল এলাকায় ভাসমান অবস্থায় থাকত।

জানা গেছে, অভিযুক্ত মোসলেম বরগুনা সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে ঝালমুড়ি বিক্রি করতেন। গত ৭ মার্চ বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের দক্ষিণ পাশের গেটের কাছে পথশিশু ফাহিমাকে চকোলেটের লোভ দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় তার পাশবিক নির্যাতনের ফলে শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তাকে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

স্থানীয়দের মধ্যে ঘটনাটি নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লে খোঁজ করলে একপর্যায়ে হাসপাতালে দেখা যায়, শিশুটিকে কোনো রেজিস্ট্রারে ভর্তি করা হয়নি। পরে পঞ্চম তলার একটি ওয়ার্ডে তার সন্ধান মেলে।

শনিবার (১৫ মার্চ) রাত ২টার দিকে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে। এ সময় তার সঙ্গে তার ছোট বোনও ছিল। সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে গেলে শিশুটি নিজেই অভিযুক্ত মোসলেমকে শনাক্ত করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোসলেম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন বলে জানায় পুলিশ।

বরগুনা থানা ওসি দেওয়ান জগলুল হাসান মো. আবদুল হালিম বলেন, খবর পেয়ে সারারাত অভিযান চালিয়ে আমরা নির্যাতিত শিশুটিকে উদ্ধার করি এবং তার দেওয়া বর্ণনা অনুযায়ী তিনজনকে আটক করি। এদের মধ্যে এক বৃদ্ধকে শিশুটি শনাক্ত করেছে এবং আমরা তাকে গ্রেপ্তার করেছি। তার বিরুদ্ধে মেয়ের বক্তব্য অনুযায়ী বৃদ্ধের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম