পুরান ঢাকায় অপরিকল্পিত ভবন, আতঙ্কে মানুষ

রাজধানীর পুরান ঢাকার বেশির ভাগ ভবন নির্মাণ করা হয়েছে অপরিকল্পিতভাবে। মানা হয়নি রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) নির্দেশনা। ভূমিকম্প কিংবা অগ্নিকাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটলে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষতির আশঙ্কা করছেন এই এলাকার বাসিন্দারা।

গতকাল শুক্রবার সকালে ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে পুরান ঢাকার সূত্রাপুর, গেন্ডারিয়া, কোতোয়ালি, বংশাল, লালবাগসহ এলাকার অধিকাংশ ভবন। মসজিদে দেওয়া হয় আজান, মন্দিরে বেজে ওঠে ঘণ্টা। এলাকাবাসীর মধ্যে দেখা দেয় আতঙ্ক। পরিবার-স্বজন নিয়ে খোলা স্থানে আশ্রয় নিতে নিচে নেমে আসেন ভবনের বাসিন্দারা।

সূত্রাপুরের চায়ের দোকানি জোনায়েদ ঘরামী বলেন, অন্য দিনের মতো পরিবারের সঙ্গে সকালের নাশতা করতে বসেছিলাম। হঠাৎ জিনিসপত্র এদিক-সেদিক পড়ে যাচ্ছিল। শুরুতে সেভাবে না বুঝলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই বুঝতে পারি ভূমিকম্প শুরু হয়েছে। দ্রুত স্ত্রী-সন্তান নিয়ে নেমে দেখি নিরাপদ স্থানের আশায় হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমেছে। কিন্তু আশপাশে কোনো খালি জায়গা নেই। পুরো এলাকাতেই রয়েছে পুরোনো ও গাদাগাদি ভবন।

ঢাকায় ভূমিকম্পের ঝুঁকি নতুন নয়, তবে সাম্প্রতিক সমীক্ষা আরও আতঙ্ক বাড়িয়েছে বাসিন্দাদের মধ্যে। রাজধানীজুড়ে প্রায় ২১ লাখ ৪৬ হাজার ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংস্থাগুলো। এসব ভবনের বেশির ভাগ নির্মাণ করা হয়েছে নিয়ম না মেনে, পুরোনো নকশায় বা দুর্বল ভিত্তির ওপর। বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে রাজধানীতে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে সতর্ক করছেন নগর পরিকল্পনাবিদরা।

‎ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় থাকা ভবনগুলোর ওপর করা জরিপে দেখা গেছে, অধিকাংশ ভবন ২০ থেকে ৩০ বছর আগে নির্মিত। অনেক জায়গায় রড-সিমেন্টের মান নিয়ন্ত্রণ হয়নি। আবার কোথাও অতিরিক্ত ভবন তৈরি করা হয়েছে অনুমোদিত নকশার বাইরে। ফলে সামান্য কম্পনে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

গতকাল সরেজমিন সূত্রাপুর এলাকার পাতলাখান লেনে চোখে পড়ে বেশ কয়েকটি বহুতল ভবন। তবে স্থানীয়রা অনেকেই বলছেন, এমন অনেক বাড়ি রয়েছে, যাদের রাজউকের ছাড়পত্র নেই।
ওই এলাকার ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডে কথা হয় কবি নজরুল কলেজের শিক্ষার্থী পার্থ সাহার সঙ্গে। তিনি জানান, মেসের বাসায় ছিলেন তিনি। ভূমিকম্পের পর তাঁর মেসের দেয়ালে ফাটল ধরায় আতঙ্কিত বাসিন্দারা। শুধু ভূমিকম্প নয়, আগুন ধরলে বা অন্য কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে নেই তেমন নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

এ ছাড়া কাঁচা-পাকা বাড়িতে সয়লাব সূত্রাপুরের অধিকাংশ ভবনের বাসিন্দারা আতঙ্কে দিন পার করছেন। এই এলাকার বাসিন্দা সৈয়দ সালেকুজ্জামান বলেন, কতগুলো রাজউকের নিয়ম মানছে? ছয় তলার অনুমোদন থাকলেও ১০ তলা বাড়ি করছেন মালিকরা। এতে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে ব্যাপক প্রাণহানির শঙ্কা রয়েছে।

এরপর বংশালের আরমানিটোলায় যান এই প্রতিবেদক। যেখানে বাড়ির রেলিং পড়ে মারা গেছেন তিনজন। এরপর বিখ্যাত তারা মসজিদ হয়ে মাহুতটুলী দিয়ে নাজিমুদ্দিন রোডের দিকে গিয়ে দেখা যায়, অধিকাংশ বাড়ি খুপরির মতো। গ্যাস ও বিদ্যুতের লাইন বিপজ্জনক অবস্থায়।

এলাকার বাসিন্দারা জানান, প্রায়ই অগ্নিকাণ্ড ঘটলে স্বাভাবিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয় ফায়ার সার্ভিস। শুকলাল সাহা নামে ওই এলাকার একজন জানান, তাঁর ৫৩ বছর বয়সে ভবনে এত বড় ঝাঁকুনি কখনও দেখেননি। তিনি বলেন, ‘আমগো মহল্লার পোলাপাইনডি চিক্কুর মারতাছিল, আমরা বইয়া আছিলাম। বিল্ডিংডি এমুন কইরা লাড়াচাড়া দিল, আমাওরা যে যেইহানে আছিলাম দৌড় দিয়া পালাইছি। তবে একখান খালি মাঠ-মুঠ থাকলে ওইহানে যাইবার পারতাম।’

বিকেলে নবাবপুরে গিয়ে দেখা যায়, শত শত তারের আবরণে বেষ্টিত একেকটি ভবন। কোনোটি দ্বিতল, কোনোটি বহুতল। কোনোটি আবার ভেঙেচুরে পড়ার মতো অবস্থা। ধোলাইখাল, দয়াগঞ্জ ও গেন্ডারিয়ার সাধনা ঔষধালয় থেকে লোহারপুল হয়ে কাঠেরপুল মোড় পর্যন্ত চোখে পড়ে অনেক ভবন। তবে কোনোটির উচ্চতা ১০ তলা আবার কোনোটি ৫-৭ তলা। এসব ভবন একটা থেকে আরেকটার দূরত্ব খুব সামান্য।

কথা বেসরকারি ব্যাংকের চাকরিজীবী রিয়াল ইবনে আরহামের সঙ্গে। তিনি জানান, প্রায় দুই যুগ ধরে বসবাস করছেন পুরান ঢাকায়। তবে গতকালের মতো ভূমিকম্প আগে দেখেননি।




উৎপত্তিস্থলে তীব্রতা ছিল বেশি, ফেটে গেছে মাটি-সড়ক

‘এক ভয়ংকর সময়। এমন ঝাঁকুনি আর দেখিনি। ঘরের দেয়াল কয়েক স্থানে ফেটে গেছে। বাইরে বের হতে গিয়ে স্বামী গুরুতর আহত হয়েছে। এখনও মনে হলে শরীর কাঁপে।’ এসব কথা বলেন নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ওয়াপদা গেট এলাকার গৃহবধূ সামসুন নাহার মলি। গতকাল শুক্রবার সকালে আঘাত হানা ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল এই জেলা।

দেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল নরসিংদীর মাধবদীতে। যুক্তরাষ্ট্রের ইউএসজিএস বলছে, কেন্দ্রস্থল নরসিংদী সদর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণ পশ্চিমে।

গুগল ম্যাপ অনুযায়ী, কেন্দ্রস্থল পলাশ উপজেলার ডাংগা গ্রাম। স্থানটি শীতলক্ষ্যা নদীর পারে। এটি পলাশ উপজেলার অধীন ঘোড়াশাল পৌর শহরের কাছাকাছি। মাধবদীও পলাশ উপজেলার পাশে।
গতকাল দুপুরে সরেজমিন দেখা গেছে, ভূমিকম্পে পলাশ রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের প্রধান ফটকের সামনের রাস্তায় ফাটল দেখা দিয়েছে। কাছাকাছি একটি গরুর খামারের মাটি ফাঁকা হয়ে গেছে। অনেক ভবনে দেখা দিয়েছে ফাটল। হেলে পড়েছে বহুতল ভবন। ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কিছু যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়েছে। আগুনও ধরেছিল। শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর পুরোনো রেলসেতুতে ফাটল দেখা দিয়েছে। দুজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২০ জন।

ডাংগা-কালীগঞ্জ খেয়াঘাটের মাঝি সুবাদ ভৌমিক জানান, ভূমিকম্পের সময় নদীর পানি অনেক ওপরে উঠে প্রচণ্ড ঢেউ তুলেছিল। ভয় পেয়েছিলাম। অনেকক্ষণ পর বুঝতে পেরেছি, ভূমিকম্প হয়েছে। তবে আমার জীবনে এমন কম্পন এটাই প্রথম।

ডাংগা প্রাণ-আরএফএল কারখানার পাশে ইসলামপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী ফয়সাল বলেন, ‘আমরা প্রথমে বুঝতে পারিনি। মনে করেছিলাম, বাইরে কোনো ভারী লরি যাচ্ছে। পরে দেখি পাশের কারখানার সব ভবন কাঁপছে। শ্রমিকরা মুহূর্তে বাইরে বের হয়ে আসেন। তেমন ক্ষয়ক্ষতি না হলেও ভয়ে কয়েকজন জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।’

পলাশ রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের পাশের দোকানদার ফজলু মিয়া বলেন, ভূমিকম্পের সময় হঠাৎ বিকট শব্দে মাটিসহ সব কাঁপতে থাকে। কিছুক্ষণ পরই কলেজের গেটের ভেতর মাটি সরে গিয়ে ফাটল দেখতে পাই। এমন ঘটনা আর কোনোদিন দেখিনি।

ওয়াপদা গেট-সংলগ্ন নূর নবী সানির স্ত্রী তামান্না বলেন– বলে বোঝানো যাবে না, কেমন ছিল ওই সময়টা। বাচ্চাদের নিয়ে নিচে নামার সুযোগ পাইনি। শুধু আল্লাহকে ডেকেছি। এ সময় আমার ঘরে থাকা ফ্রিজ, টিভিসহ ঘরের আসবাব ভেঙে যায়।

শিশু আয়ান জানায়, সে খুব ভয় পেয়েছে। এখনও ভয় পাচ্ছে– যদি আবার এমন হয়!
ঘোড়াশাল মিয়াপাড়া গ্রামের প্লে শ্রেণিপড়ুয়া মুনতাসির আয়াত বলে, আমি ভয়ে কেঁদেছি। ঘরের ভেতর বই-খাতাসহ সবকিছু নিচে পড়ে গিয়েছিল। মা-বাবা আমাকে নিয়ে দৌড়ে বাইরে বের হয়েছিল।
ঘোড়াশাল বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দোকানের তাকে রাখা মালপত্র নিচে পড়ে আছে। সবার চোখেমুখে আতঙ্ক। জুতা দোকানি আলম মিয়া বলেন, আমার দোকানে জুতাসহ বিভিন্ন ধরনের মালপত্র ছিল। ভূমিকম্প শুরু হলে সবকিছু পড়ে গিয়ে আসবাব ভেঙে গেছে।

এই বাজারের মুদি দোকানদার আসলাম মিয়া বলেন, কাচের মালপত্র সব ভেঙে গেছে। প্রথমে মনে হয়েছে, কেউ হামলা করেছে। পরক্ষণে বুঝতে পেরেছি, এটি হামলা নয়; ভূমিকম্প। বেশ ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছি।

বাজার ঈদগাহ সড়কে মারকাসুল সুন্নাহ তাহফিজুল কোরআন সুন্নাহ মাদ্রাসার পরিচালক মুফতি সালাউদ্দিন আনসারী বলেন, আমাদের ছয়তলা ভবনের চার-পাঁচ জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা ভয় পেয়েছে; আতঙ্কিত ছিল।

এ ভবনের মালিক আমানউল্লাহ বলেন, ভূমিকম্পে আমার ভবনে কয়েক জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে। দোকানপাট বন্ধ। কেউ ভয়ে দোকান খুলছে না।
সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের একজন ঘোড়াশাল বাজারের ছয়তলা ভবনের এসএ প্লাজার নিচতলার মোবাইলের দোকানদার মোবারক হোসেন। তিনি বলেন, হঠাৎ সব কাঁপাকাঁপি শুরু করে। মনে হলো, সব ভেঙে পড়ছে। আমরা সবাই বাইরে বের হয়ে পড়ি। তিনি আরও বলেন, মার্কেটের ওপরতলা থেকে নারী-পুরুষ দৌড়াদৌড়ি করে নিচে নামার সময় অনেকে সিঁড়িতে পড়ে যান। কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা গেছে অনেককে।

বাজারের আল জিলানী মার্কেটের তিনতলার রেলিং ভেঙে পড়ে পাশের মুরগির খাদ্যের দোকানের ওপর। দোকানি তাজুল ইসলাম বলেন, ‘পুরো দেয়ালটা আমার দোকানের ওপর পড়ে। দোকানটা তছনছ হয়ে যায়। আমি কীভাবে বেঁচে গেলাম, এক আল্লাহ জানে। কাঁপুনি ও ঝাঁকুনি ছিল ভয়াবহ।’
আরটিভির জেলা প্রতিনিধি নূরে আলম রনি জানান, তিনি সকালে পলাশের বাসায় ছিলেন। হঠাৎ কাঁপুনি শুরু হলে দোতলা থেকে বাচ্চাকে নিয়ে বের হওয়ার সময় সিঁড়িতে পড়ে মুখে আঘাত পান। পরে তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পলাশের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু বক্কর সিদ্দিকী বলেন, ভূমিকম্পের পর বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সার কারখানা পরিদর্শন করেছি। সরকারি খাদ্যগুদামের ভেতরে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দ্রুত চাল স্থানান্তর করতে হবে। ভুক্তভোগীদের সহায়তার জন্য আমরা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খুলেছি। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের চেষ্টা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে।




ঢাকায় ভূমিকম্পে আহতদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হবে : ঢাকা জেলা প্রশাসন

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : গত কাল দেশে এক  শক্তিশালী ভুমিকম্প আঘাত হানে। রিকটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল  ৫.৭ ।

এ ভুমিকম্পে দেশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রান হানি ঘটে। এ যাবত ১০ জন নিহত ও ৬০০মানুষ আহত হবার খবর পাওয়া গেছে।

ঢাকার জেলা প্রশাসক মো. রেজাউল করিম শুক্রবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান ভূমিকম্পে আতঙ্কিত হয়ে বা দুর্ঘটনার শিকার হয়ে ঢাকায় যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের চিকিৎসার জন্য জরুরি আর্থিক সহায়তা দেবে  ঢাকা জেলা প্রশাসন। আহত ব্যক্তিদের প্রত্যেককে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকায় বসবাসরত অথবা ঢাকায় কাজে এসে যাঁরা ভূমিকম্প চলাকালে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে আহত হয়েছেন, তাঁরা এই সরকারি সহায়তা পাবেন। তবে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের সুপারিশ থাকতে হবে।

আহত ব্যক্তি নিজে অথবা তাঁর পক্ষে হাসপাতালে অবস্থানরত পরিচর্যাকারী (অ্যাটেনডেন্ট) বা কোনো নিকটাত্মীয় জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুমের নম্বরে যোগাযোগ করে সহায়তা নিতে পারবেন।

সহায়তার জন্য ঢাকা জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুমের +৮৮০১৭০০৭১৬৬৭৮ নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ভূমিকম্পে আহত চিকিৎসাধীন রোগী বা তাঁদের স্বজনদের কাছে বার্তাটি পৌঁছে দিতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।




এক সপ্তাহও ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চালাতে সক্ষম নয় ইসরাইল

ইরানের সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ দাবি করেছেন, গত জুন মাসে ১২ দিনের আগ্রাসনে ইসরাইলি শাসকগোষ্ঠী শাস্তি পেয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা ছাড়া তারা ইরানের বিরুদ্ধে এক সপ্তাহও যুদ্ধ টিকিয়ে রাখতে পারবে না।

শুক্রবার ইমাম খোমেনি সমাধিস্থলে বসিজ স্বেচ্ছাসেবী বাহিনীর এক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে গালিবাফ বলেন, জুনে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যে ১২ দিনের যুদ্ধ শুরু করেছিল, সেই প্রেক্ষাপটে ইরানের শক্তি শুধু ক্ষেপণাস্ত্র থেকে আসে না; বরং জনগণের ব্যাপক সমর্থনই দেশকে শক্তিশালী করে।

তিনি বলেন, ‌‌‘যদি মানুষের হৃদয় আমাদের সঙ্গে থাকে, আমরা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ। কিন্তু যদি তারা সঙ্গে না থাকে, তবে আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও যুদ্ধের সময়ের মতো কার্যকর হবে না।’

গালিবাফ দাবি করেন, ইরানি জনগণ এবং তাদের সশস্ত্র বাহিনীর হাতে ইসরাইলি শাসকগোষ্ঠী ও তাদের মার্কিন সমর্থকরা যুদ্ধে পরাজিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রথম দিনে যে ক্ষতি হয়েছিল, তা ছাড়া যুদ্ধের ছয়দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট (জেডি ভ্যান্স) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে সংঘাত থামানোর জন্য আলোচনার চেষ্টা করছিলেন।’

গালিবাফ যোগ করেন, ‘শত্রু সামরিক শক্তি নিয়ে আক্রমণ করেছিল, আর আমরাও সামরিক শক্তি দিয়ে তাকে সতর্ক করেছি এবং শাস্তি দিয়েছি।’

তিনি বলেন, জায়নিস্ট শাসকগোষ্ঠী যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর সমর্থন ছাড়া ইরানের সঙ্গে এক সপ্তাহের বেশি যুদ্ধ চালাতে পারে না। ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর সহায়তায়ই তারা কয়েকদিন টিকে ছিল,’ মন্তব্য করেন তিনি।

১২ দিনের যুদ্ধে ব্যর্থতার পরও শত্রুপক্ষ ইরানের বিরুদ্ধে নানা রূপে শত্রুতা অব্যাহত রেখেছে উল্লেখ করে গালিবাফ বলেন, তারা মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধসহ বিভিন্ন কৌশলে জনগণকে ইসলামি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে।

সংসদ স্পিকার আরও জোর দিয়ে বলেন, জনগণকে ইসলামি প্রতিষ্ঠানের পাশে রাখা—শত্রুকে মোকাবিলায় ধারাবাহিক সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।




রাতভর ‘অপারেশন ফার্স্ট লাইট’, গ্রেপ্তার ২৩

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অপরাধ দমন ও নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের বিশেষ নির্দেশনায় নওগাঁর পোরশায় শুরু হয়েছে ‘অপারেশন ফার্স্ট লাইট’। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) মধ্যরাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

রাজশাহী রেঞ্জের একজন অতিরিক্ত ডিআইজির নেতৃত্বে দুটি বিশেষ দল গঠন করা হয়। শতাধিক পুলিশ সদস্য রাতভর নওগাঁর পোরশা উপজেলাসহ আশপাশের এলাকায় অভিযান চালায়। চোর-ডাকাত, অস্ত্র ও মাদক কারবারিদের পাশাপাশি বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামিদের ধরতে বাড়ি-বাড়ি তল্লাশি, সড়কপথে চেকপোস্ট স্থাপন এবং অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়।

অভিযানে পোরশা থানায় ১৪ জন, নিয়ামতপুর থানায় ৯ জন এবং নওগাঁ সদর থানা এলাকায় দুইজনসহ মোট ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত মধ্যে রয়েছে ৮ জন চিহ্নিত ডাকাত ও কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী। এ সময় দেশীয় অস্ত্র ও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদকদ্রব্যও উদ্ধার করা হয়।

নিয়ামতপুর ও পোরশা উপজেলার স্থানীয় বেশ কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে চুরি-ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদকের বিস্তার নিয়ে জনমনে উদ্বেগ দেখা দিয়েছিল। রাতভর অভিযান পরিচালনার ফলে মানুষের মনে স্বস্তি ফিরেছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, অপরাধ দমনে এমন অভিযান নিয়মিত হলে পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক হবে।

পোরশা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, পোরশা এলাকায় সম্প্রতি বেশ কয়েকটি চুরি-ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এসব মামলার আসামি ছাড়াও মাদক কারবারিদের ধরতে আমরা বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছি। অপারেশন ফার্স্ট লাইট এখনো চলমান।, গ্রেপ্তারের সংখ্যা বাড়তে পারে।

নওগাঁর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ শফিউল সারোয়ার বলেন, পোরশা-নিয়ামতপুর এলাকায় সাম্প্রতিক চুরি-ডাকাতির ঘটনা এবং জাতীয় নির্বাচনের আগে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছি। অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। পুরো জেলার নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।




অ্যাশেজে আম্পায়ারিংয়ে বাংলাদেশের শরফুদ্দৌলা

বাংলাদেশের আম্পায়ারিং জগতে চেনা নাম শরফুদ্দৌলা ইবনে শহিদ সৈকত। দেশকে বিশ্ব দরবারে প্রতিনিধিত্ব করা দেশের খ্যাতনামা এই আম্পায়ার এবার দায়িত্ব পেয়েছেন ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার অ্যাশেজেও।

পার্থে মাঠের আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নিতিন মেনন ও আদ্রিয়ান হোল্ডস্টক। শরফুদ্দৌলা আছেন টিভি আম্পায়ারের দায়িত্বে। তবে ব্রিসবেনে অ্যাশেজের দ্বিতীয় টেস্টে পাল্টে যাবে তার ভূমিকা। ব্রিসবেনে মাঠের আম্পায়ার হিসেবে দেখা যাবে তাকে।

উল্লেখ্য, সৈকত গত বছরের মার্চে বাংলাদেশের প্রথম আম্পায়ার হিসেবে জায়গা করে নেন আইসিসির আম্পায়ারদের এলিট প্যানেলে। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি—দুই সংস্করণের বিশ্বকাপেই মাঠের আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করেছেন। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতেও ছিলেন তিনি




ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তীব্র ভূকম্পন অনুভূত

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫ দশমিক ৭ বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আগের একই মাত্রার ভূমিকম্পগুলোর চেয়ে আজকের কম্পনের তীব্রতা অনেক বেশি ছিল।

শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ থেকে ১০টা ৩৯ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন নেসা আমার দেশকে জানান, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭ এবং এর কেন্দ্রস্থল নরসিংদীর মাধবদী এলাকায়।

এতে রাজধানীর বিভিন্ন অঞ্চলের বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে রাস্তায় নেমে আসে।

প্রাথমিকভাবে গুগল আর্থকোয়াক অ্যালার্ট সিস্টেম জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তি নরসিংদীর ঘোড়াশাল থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে।




ভূমিকম্পে হতাহতের ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টার শোক

দেশে ভূমিকম্পে ঘরবাড়ি ধসে এবং অন্যান্য দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

শুক্রবার দুপুরে এক শোকবার্তায় নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।

শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এরইমধ্যে এক শিশুসহ কমপক্ষে পাঁচজনের মৃত্যু এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, গাজীপুরে কারখানা শ্রমিক ও ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একশর কাছাকাছি ব্যক্তি আহত হওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।

তিনি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশ দেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ বিবরণ সংগ্রহের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’

তিনি দৃঢ় আশা প্রকাশ করেন যে, দেশের জনগণ ধৈর্য ও সাহস ধরে এই ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবিলা করবেন।

এর আগে সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫ দশমিক ৭ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এর কেন্দ্রস্থল ছিল নরসিংদীর মাধবদী।




বরিশাল-১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে মানববন্ধন

ব্যুরো চীফ, বরিশাল : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও দলের দুর্দীনের নেতাকর্মীদের একমাত্র আশ্রয়স্থল ক্লিন ইমেজের নেতা ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহানকে বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের মনোনয়ন দেয়ার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে দশটায় বরিশাল বিভাগের সবচেয়ে বেশি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা আগৈলঝাড়া উপজেলা সদরে হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যানারে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়।

কর্মসূচিতে নির্বাচনী এলাকার বিএনপি ও তার সকল অঙ্গ সংগঠনের বৃহত অংশের নেতাকর্মীসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের শত শত নারী ও পুরুষ অংশগ্রহন করেন।

মানববন্ধন চলাকালীন সময় বক্তারা বলেন, বিএনপির ঘোষিত খসরা তালিকায় যাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে তিনি বিগত ওয়ান ইলেভেনের সময় জিয়াউর রহমানের পরিবার ও দলকে নিয়ে চরম বিষোধগার করেছেন। এছাড়াও তিনি সংসদ সদস্য থাকাকালীন সময় এ আসনে সবচেয়ে বেশি সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। ওইসময় এ আসনের অসংখ্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষকে জীবন রক্ষা করতে রামশীলে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়েছে। তাকে পূণরায় এ আসনে মনোনয়ন দেয়ায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে ফের আতঙ্ক ছড়িয়ে পরেছে। পাশাপাশি বিগত পতিত সরকারের সময়ে তাকে রাজপথে কোন আন্দোলন সংগ্রামে পাওয়া যায়নি।

অপরদিকে ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান দীর্ঘদিন থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে একাধিকবার হামলা, অসংখ্য মামলায় কারাভোগ করেছেন। এছাড়াও কারাভোগ করা দলীয় নেতাকর্মীদের নিজ অর্থে তিনি (সোবহান) জামিনে মুক্ত করিয়েছেন। দলের চরম দুর্দীনে নেতাকর্মীদের পাশে থেকে এবং এ আসনের হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়িয়ে ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের একমাত্র আশ্রয়স্থল হিসেবে সবার কাছে আস্থা অর্জন করেছেন।

হিন্দু সম্প্রদায়ের নারী ও পুরুষ নিশ্চিন্তে বাড়ি ঘরে থাকার জন্য অতিদ্রুত বরিশাল-১ আসনে যাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে তা বাতিল করে ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহানকে মনোনয়ন দেয়ার দাবি করেন।

মানববন্ধন চলাকালীন অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা নবীন সরকারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন-রবীন্দ্রনাথ গাইন, দীলিপ ঘটক, বিধান সরকার, হরিপদ বাড়ৈ, হাসি মধু, শিখা রাণী, প্রমিলা মধুসহ অন্যান্যরা।

এসময় আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান কমিটির যুগ্ন সম্পাদক ডা. মাহবুবুল ইসলামসহ বিএনপি ও তার সকল সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করা হয়।

কর্মসূচিতে বরিশাল-১ আসনের বিএনপির নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষ, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ ও হিন্দু সম্প্রদায়ের শত শত নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।




বরিশালে তারেক রহমানের জন্মবার্ষিকী পালিত

ব্যুরো চীফ, বরিশাল : জনগনই সকল ক্ষমতার উৎস শ্লোগানে বরিশালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৬১ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, রক্তদান ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হল চত্বরে এ কর্মসূচির আয়োজন করেন প্রজন্ম জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল বরিশাল জেলা ও মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দরা।

প্রধান অতিথি হিসেবে রক্তদান ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধণ করেছেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৫ আসনের বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার।

আলোচনা সভায় জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের বরিশাল মহানগর শাখার আহবায়ক নুরুল আলম ফরিদের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল হক আক্কাস, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসরাইল পন্ডিতসহ বিএনপি ও তার সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।