গলাচিপায় ট্রলার ডুবিতে যুবকের মৃত্যু

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার বুড়াগৌরাঙ্গ নদে ট্রলার ডুবির ১৮ ঘণ্টা পর জামাল (২৫) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত জামাল রতনদী-তালতলী ইউনিয়নের দক্ষিণ নিমহাওলা গ্রামের কালাম শরীফের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে একদল যুবক ফুটবল খেলতে পাশের উপজেলা দশমিনার পাতারচরে যান। খেলা শেষে ট্রলারে করে ফেরার পথে পাতাবুনিয়া গ্রামের কাছে নদীতে প্রবল ঢেউয়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। ট্রলারে থাকা ২০-২৫ জন যাত্রীর মধ্যে সবাই সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও জামাল নিখোঁজ হন।

স্থানীয়রা প্রথমে উদ্ধারকাজ শুরু করলেও রাতভর চেষ্টা করেও জামালের সন্ধান মেলেনি। বুধবার সকালে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

রতনদী-তালতলী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মাসুম জানান, ট্রলারটি অতিরিক্ত যাত্রী বহন করছিল, যা দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

গলাচিপা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) হিরন শিকদার বলেন, “জামালের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




গলাচিপায় সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু

পটুয়াখালীর গলাচিপায় সড়ক দুর্ঘটনায় তামিম তালুকদার (২০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার দেওয়ানবাজার সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত তামিম তালুকদার কালিকাপুর মাটিভাঙ্গা এলাকার এনামুল তালুকদারের ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, তামিম মোটরসাইকেলে করে দেওয়ানবাজার যাচ্ছিলেন। মোটরসাইকেলে আরও দু’জন আরোহী ছিলেন। দ্রুতগতির কারণে তারা সামনের টমটমটি দেখতে পেলেও গতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি, ফলে সংঘর্ষ ঘটে।

দুর্ঘটনায় তিনজনই গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে গলাচিপা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তামিমকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

গলাচিপা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) হিরন শিকদার জানান, এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




মিয়ানমারে ভূমিকম্পে প্রাণহানি ছাড়াল ২৭০০, খাদ্য-ওষুধের হাহাকার

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : কয়েক দশকের অন্যতম ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রতিবেশী মিয়ানমারে প্রাণহানির সংখ্যা ২ হাজার ৭০০ ছাড়িয়ে গেছে। ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের নিচে এখনও শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ভূমিকম্পে দেশটিতে সবচেয়ে ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি হওয়া এলাকায় কাজ করছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা। তারা বলছে, মিয়ানমারে ভূমিকম্পের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে মানুষের আশ্রয়, খাদ্য ও পানি জরুরি হয়ে পড়েছে। কিন্তু দেশজুড়ে গৃহযুদ্ধ চলায় ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের কাছে সহায়তা পৌঁছানো কঠিন।

মঙ্গলবার টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা প্রধান মিন অং হ্লেইং বলেছেন, ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা ২ হাজার ৭১৯ জনে পৌঁছেছে। স্মরণকালের ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কার করা হচ্ছে। তিনি বলেছেন, ভূমিকম্পে ৪ হাজার ৫২১ জন আহত হয়েছেন এবং নিখোঁজ আছেন আরও ৪৪১ জন।

গত শুক্রবার দুপুরের দিকে মিয়ানমারে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পড আঘাত হানে। দেশটিতে এক শতাব্দির বেশি সময়ের মধ্যে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পে শত শত বছরের প্রাচীন গির্জা ও আধুনিক ভবনও ধসে যায়।

ভূমিকম্পে মিয়ানমারের প্রতিবেশী থাইল্যান্ডেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দেশটির রাজধানী ব্যাংককে ধসে পড়া আকাশচুম্বী একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া কয়েক ডজন মানুষকে জীবিত উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে উদ্ধারকারীরা বলেছেন, উদ্ধার কাজ জটিল হওয়ায় চাপা পড়া লোকজনকে জীবিত উদ্ধারের আশা ক্ষীণ হয়ে আসছে।

জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা বিষয়ক সমন্বয়কের কার্যালয় বলেছে, মিয়ানমারের মান্দালয় শহরে জাতিসংঘের পরিচালিত একটি প্রাক-বিদ্যালয় ভেঙে ৫০ শিশু ও দু’জন শিক্ষক নিহত হয়েছেন।




মির্জাগঞ্জে জামায়াতে ইসলামী’র ঈদ পুনর্মিলনী ও কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’র উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) সকালে উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

জানা গেছে, অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মুহাম্মদ সিরাজুল হক। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমীর অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান।

সম্মেলনে জামায়াতের সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম কায়সারী, যিনি দলীয় ঐক্য ও সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা সিরাজুল হক বলেন, “সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সমাজে ন্যায়বিচার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইসলামী মূল্যবোধকে প্রাধান্য দিতে হবে।”

অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা শাহ জাহান। এতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পর্যটকের ভিড়ে মুখরিত কুয়াকাটা

দীর্ঘ এক মাস পর্যটকশূন্য থাকার পর পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সৈকত আবারও পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে। ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে লাখো পর্যটক ভিড় জমিয়েছেন এই সমুদ্রসৈকতে।

ঈদের আমেজে পর্যটকদের ঢল ঈদের দিন বিকেল থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত সৈকতের প্রতিটি প্রান্তে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, পর্যটকরা সমুদ্রের নোনা জলে গা ভাসিয়ে হৈ-হুল্লোড় করছেন, ছবি ও সেলফি তুলছেন স্মৃতি ধরে রাখার জন্য। অনেকে বাহারি বাহনে চড়ে পুরো সৈকত ঘুরে দেখছেন, আবার কেউবা বেঞ্চে বসে ঢেউয়ের গর্জন উপভোগ করছেন।

পর্যটনকেন্দ্রগুলোর ব্যস্ততা কুয়াকাটার ক্র্যাব আইল্যান্ড, চর গঙ্গামতি, ঝাউবন, তিন নদীর মোহনা, লেম্বুর বন, শুটকি পল্লিসহ বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে বিপুল সংখ্যক পর্যটকের আনাগোনা লক্ষ করা গেছে। হোটেল-মোটেলগুলো বেশিরভাগ আগেই বুকিং হয়ে গেছে। পর্যটকদের আগমনে উচ্ছ্বাসিত ব্যবসায়ীরা, বিশেষ করে খাবার, প্রসাধনী ও ভ্রমণসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

পর্যটকদের অভিজ্ঞতা ঢাকা থেকে আসা পর্যটক তৈয়ব হোসেন বলেন, “সকালে কুয়াকাটায় এসেছি, সৈকতের মনোরম পরিবেশ ও ছোট ছোট ঢেউ আমাদের মুগ্ধ করেছে। জোয়ারের সময় সবাই মিলে সমুদ্রে সাঁতার কাটব।”

ফুলবাড়িয়া থেকে আসা এক দম্পতি বলেন, “মেঘলা আকাশে দখিনা হাওয়া আর সৈকতের ঢেউ যেন এক স্বর্গীয় অনুভূতি। ঈদের ছুটিতে কুয়াকাটা ঘুরতে এসে দারুণ সময় কাটাচ্ছি।”

ব্যবসায়ীদের আশা প্রসাধনী দোকানি সুলতান আকন জানান, “গতকাল পর্যটকদের ভিড় ছিল, বিক্রি মোটামুটি ভালো হয়েছে। আশা করছি, আজ আরও বেশি পর্যটক আসবে।”

ভ্রাম্যমাণ আচার বিক্রেতা মোসলেম মিয়া বলেন, “রমজানে ব্যবসা ভালো ছিল না। গতকাল বিক্রি ভালো হয়েছে, আজ আরও ভালো হবে বলে আশা করছি।”

নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশ, থানা পুলিশ, নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তৎপর রয়েছেন। ট্যুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান জানান, “সাদা পোশাকের পুলিশ সদস্যসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা কাজ করছেন। আশা করছি, পর্যটকরা নিরাপদে কুয়াকাটা ভ্রমণ উপভোগ করতে পারবেন।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বাউফলে ঈদের আনন্দে ভাটা, এটিএম বুথে টাকা নেই

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার পাঁচটি এটিএম বুথ বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় গ্রাহকরা, বিশেষ করে ঈদ উপলক্ষে ঘরে ফেরা মানুষজন। বুথগুলোতে টাকা শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে কর্তৃপক্ষ সেগুলো বন্ধ রেখেছে বলে জানা গেছে।

উপজেলায় চারটি ব্যাংকের পাঁচটি এটিএম বুথ রয়েছে—মার্কেন্টাইল ব্যাংকের দুটি (কালাইয়া বন্দর ও কালিশুরী বাজার), ইসলামী ব্যাংক, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংকের একটি করে বুথ। কিন্তু ঈদের দিন সোমবার (৩১ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে সবগুলো বুথই বন্ধ ছিল।

কালাইয়া বন্দর শাখার মার্কেন্টাইল ব্যাংকের বুথের শার্টারে ‘আউট অব সার্ভিস’ সাইনবোর্ড ঝুলতে দেখা গেছে, যা গত শুক্রবারই লাগানো হয়েছে। এছাড়া উপজেলা সদরের ইসলামী ব্যাংক, ফাস্ট সিকিউরিটি ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংকের বুথেও নিরাপত্তাকর্মীরা উপস্থিত থাকলেও টাকা লেনদেন বন্ধ ছিল।

ঢাকা থেকে পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে আসা মাহফুজা জুঁই বলেন, “ছিনতাইয়ের ভয়ে নগদ টাকা না এনে এটিএম কার্ড নিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু বুথগুলো বন্ধ থাকায় এখন বিপাকে পড়েছি। ভাবতেও পারিনি এমন পরিস্থিতি হবে।”

বরিশাল থেকে নিজ বাড়ি কালাইয়া বন্দরে আসা ডা. আহসানুল ইসলাম কেবু জানান, “আমি এটিএম কার্ড নিয়ে এসেছিলাম, কিন্তু কোথাও টাকা নেই। এখন চরম দুর্ভোগে পড়তে হলো।”

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের কালাইয়া বন্দর শাখার ব্যবস্থাপক মো. আল মামুন বলেন, “ব্যাংক বন্ধ থাকায় ভল্ট থেকে টাকা বের করা সম্ভব নয়। আগামী ৬ এপ্রিল ব্যাংক খোলার পরই বুথ চালু করা যাবে। গ্রাহকদের সাময়িক ভোগান্তির জন্য আমরা দুঃখিত।”

ঈদের সময়ে নগদ টাকার সংকট সৃষ্টি হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পটুয়াখালীর ঈদের মাঠে ব্যতিক্রমী আয়োজন, মধুতে আপ্যায়ন

পটুয়াখালীর বাউফলের নাজিরপুর ইউনিয়নের ধানদী বোর্ড অফিস জামে মসজিদ ময়দানে এবারের ঈদুল ফিতরে দেখা গেল এক ব্যতিক্রমী দৃশ্য। ঈদের নামাজ আদায় করতে আসা শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের মধু দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়, যা ঈদের আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

সোমবার (৩১ মার্চ) পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পরিবেশ ও প্রকৃতি বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সেভ দ্য বার্ড অ্যান্ড বি’ এ আয়োজন করে। সংগঠনের পরিচালকমণ্ডলীর এক সদস্য শামসুন নাহার বলেন, “মধু মহান সৃষ্টিকর্তার এক অনন্য নিয়ামত। বর্তমানে ভেজাল খাদ্যের কারণে মানুষের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে। তাই ঈদের আনন্দে মধু বিতরণের মাধ্যমে সুস্থতার বার্তা পৌঁছে দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

ঈদের নামাজের ইমাম মু. মুজাহিদুল ইসলাম জানান, মসজিদ কমিটির উদ্যোগে মাঠের পাশে দুটি স্টল স্থাপন করা হয়। এসব স্টল থেকে ‘সেভ দ্য বার্ড অ্যান্ড বি’ সংগঠনের মধু বিতরণের পাশাপাশি শিশুদের চকলেট ও রঙিন বেলুন দেওয়া হয়। বয়োবৃদ্ধদের জন্য চা, কফি ও পান-সুপারির আয়োজন ছিল।

তিনি আরও বলেন, “সময় বদলেছে, মানুষের জীবনযাত্রার ধরন পরিবর্তন হয়েছে। তবে ঈদের আনন্দ, শান্তি ও ভালোবাসা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য এই ব্যতিক্রমী আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়। আশা করি, ভবিষ্যতেও এমন আয়োজন মানুষকে একত্রিত করবে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পটুয়াখালী কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালী পৌরসভা নিয়ন্ত্রিত কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত এ জামাতে প্রায় ১০ হাজার মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।

নামাজ শুরুর আগে ঈদগাহ মাঠে প্যান্ডেল ও নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। ঈদগাহের ভেতরে জায়গা না হওয়ায় বাইরেও প্যান্ডেলে মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করেন।

নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এ সময় পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ঈদের দিন যানজট এড়াতে শহরের বিভিন্ন রাস্তা ওয়ানওয়ে করা হয়। আনন্দ-বিনোদনের জন্য পৌরসভার পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর ছিল।

এছাড়া শহরের চরপাড়ায় জেলা প্রশাসক ঈদগাহ এবং মির্জাগঞ্জের ইয়ার উদ্দিন খলিফার মাজার সংলগ্ন ঈদগাহে দুটি বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলার ৫১১টি ঈদগাহ এবং ১৭৪১টি মসজিদেও ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম এর পক্ষ থেকে ঈদ শুভেচ্ছা

 

পবিত্র ঈদুল ফিতরের এই মহান দিনে, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম এর সকল পাঠক, দর্শক, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং তাদের পরিবারকে জানাই রইল ঈদের অন্তরঙ্গ শুভেচ্ছা। ঈদ হোক সুখ, শান্তি, সম্প্রীতি এবং প্রাচীন ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার একটি বিশেষ সময়।

ঈদ আমাদের জীবনে সুখ, শান্তি এবং একতার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। এই শুভ দিনে, আমরা সকলের জন্য একটি ভালো, শান্তিপূর্ণ এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের কামনা করি। ঈদ আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার এবং একে অপরকে সহানুভূতির সাথে গ্রহণ করার বার্তা দেয়।

আমরা সবাই ঈদের খুশি ও আনন্দে একযোগিতায় থাকি, সবার জীবন সুখে ভরে ওঠুক এবং সকল সমস্যার সমাধান হোক। ঈদের মন্ত্র হচ্ছে, একে অপরকে ভালোবাসা, সহমর্মিতা, এবং মানবিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা।

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম এর পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাই এবং প্রত্যাশা করি এই ঈদ সবার জীবনে নতুন সুখ এবং সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক।

(ঈদ মোবারক)

শুভেচ্ছান্তে,
“মো. তারিকুল ইসলাম মনির
সম্পাদক ও প্রকাশক, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”

 




ঈদে গোলাপের শরবত: তীব্র গ্রীষ্মে স্বস্তির এক চুমুক

ঈদ, ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে আনন্দের উৎসব। এই উৎসব মানেই নানা রকম খাবারের সমারোহ। তবে, ভারী ও মশলাদার খাবারের মাঝে গরম আবহাওয়ায় শরীরের তাপ কমাতে যে জিনিসটি প্রয়োজন, তা হলো ঠান্ডা শরবত। এই ঈদে, গোলাপের শরবত হতে পারে আপনার সেরা পানীয়। গোলাপের শরবত গ্রীষ্মের তীব্র তাপ কাটিয়ে, শরীরে সতেজতা এবং স্বস্তি এনে দিতে পারে।

গোলাপের শরবত কেবল স্বাদেই নয়, বরং ত্বককে ঠান্ডা রাখতেও সাহায্য করে। একসাথে গোলাপ, পুদিনা, পেস্তা ও লেবুর সংমিশ্রণ, আপনার শরীর এবং মনকে সুস্থ রাখতে সক্ষম। চলুন, দেখে নেয়া যাক গোলাপের শরবত তৈরির সহজ উপায়:

গোলাপ এবং পুদিনা শরবত:

১। ১ কাপ গোলাপ জলের সাথে ২ কাপ ঠান্ডা জল এবং ১/৪ কাপ চিনি মিশিয়ে নিন।
২। চিনি এবং এক মুঠো তাজা পুদিনা পাতা হালকা কুঁচি করে বা গুঁড়া করে শরবতের দ্রবণে মিশিয়ে নিন।
৩। পছন্দমতো বরফ টুকরো যোগ করুন এবং পুদিনা পাতা বা ফুলের পাপড়ি দিয়ে সাজান। পুদিনার শীতলতা এবং গোলাপের সুবাস সম্মিলিত এই শরবত আপনাকে দেবে সতেজতা।

গোলাপ ও পেস্তা স্মুদি:

১। ১/২ কাপ গোলাপ পানি ৩ কাপ ঠান্ডা দুধের সাথে মিশিয়ে নিন।
২। বাদাম কুঁচকানোর জন্য ২ টেবিল চামচ পেস্তা কুঁচকানো মিশিয়ে নিন।
৩। মিষ্টি বেশি পছন্দ করলে ১ টেবিল চামচ চিনি যোগ করুন।
৪। চিনি গলে না যাওয়া পর্যন্ত সবকিছু ভালোভাবে নেড়ে, তারপর বরফের টুকরো দিয়ে পরিবেশন করুন এবং উপরে কয়েকটি আছড়ে পেস্তা ছিটিয়ে দিন।

গোলাপ ও লেবুর শরবত:

১। ১ কাপ গোলাপ জলের সাথে ৪ কাপ ঠান্ডা জল মিশিয়ে নিন।
২। ১/৪ কাপ তাজা লেবুর রস এবং ১/৪ কাপ মধু বা চিনি যোগ করুন। স্বাদ অনুযায়ী চিনি বা মধুর পরিমাণ কম বা বেশি হতে পারে।
৩। সবকিছু ভালোভাবে নেড়ে বরফের টুকরো দিন এবং লেবুর টুকরো দিয়ে পরিবেশন করুন।

এবার ঈদে আপনার অতিথিদের জন্য প্রিয় এই গোলাপের শরবতগুলো প্রস্তুত করুন, যা তাদের স্বস্তি দেবে এবং স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

মো: আল-আমিন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম