কুয়াকাটা সৈকতে বছরের প্রথম সূর্যোদয় দেখলেন পর্যটকরা

বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদযাপন উপলক্ষে বছরের প্রথম দিনেই পর্যটকে মুখরিত হয়ে ওঠে দেশের একমাত্র সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি এই সৈকতে একসঙ্গে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার সুযোগ পর্যটকদের কাছে বরাবরের মতোই বাড়তি আকর্ষণ হিসেবে কাজ করে।

সোমবার (১ বৈশাখ) সকালে কুয়াকাটার আকাশে ভেসে ওঠা নতুন বছরের প্রথম সূর্য দেখতে দেশি-বিদেশি হাজারো পর্যটক ভিড় করেন সৈকতে। তারা বছরের প্রথম আলোকে সাক্ষী রেখে এক অনন্য অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন। কারও কারও চোখে ছিল আনন্দের উচ্ছ্বাস, আবার কেউবা নিরবে উপভোগ করেছেন সেই স্নিগ্ধ সকাল।

তবে প্রত্যাশার তুলনায় কিছুটা কম উপস্থিতি থাকায় হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, বাংলা ১৪৩১ সালের শেষ সূর্যাস্ত এবং বাংলা ১৪৩২ সালের প্রথম সূর্যোদয় এক নজরে দেখতে অর্ধলক্ষাধিক পর্যটক আসবেন— এমনটাই ছিল তাদের আশা। বাস্তবে সেই সংখ্যা আশানুরূপ না হওয়ায় আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কাও করছেন অনেকেই।

রাজশাহী থেকে আসা পর্যটক মোঃ মানিক মিয়া বলেন, “বন্ধুদের সঙ্গে বছরের প্রথম সূর্যোদয় দেখতে কুয়াকাটা এসেছি। নতুন সূর্যোদয়ের সঙ্গে নতুন বছরের শুরু এ এক অনন্য অনুভূতি। জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করলাম।”

প্রতিবছরই পহেলা বৈশাখে কুয়াকাটা হয়ে ওঠে ভ্রমণপ্রেমীদের মিলনমেলা। তীব্র গরম, দীর্ঘ যাত্রা কিংবা সময়ের কষ্ট উপেক্ষা করে মানুষ ছুটে আসে এই সমুদ্রসৈকতে। ভোরবেলার শান্ত বাতাস, ঢেউয়ের ছন্দ, আর সূর্যের প্রথম রশ্মি— সব মিলিয়ে নববর্ষের প্রথম দিন হয়ে ওঠে স্মরণীয় এক মুহূর্ত।

স্থানীয় হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরাও এই দিনে বাড়তি কর্মব্যস্ততায় থাকেন। তবে তারা আশা করছেন, সামনে আরও বড় কোনো উৎসব কিংবা ছুটির দিনে পর্যটকদের আগমন বাড়বে।

নববর্ষের প্রথম দিনে এই সৌন্দর্য উপভোগ করে অনেকেই নতুন উদ্যমে বছরের সূচনা করেছেন। কুয়াকাটার এই দৃশ্য, অনুভূতি আর পরিবেশ সবার মন ছুঁয়ে গেছে— এমনটাই জানিয়েছেন অনেক পর্যটক।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



পবিপ্রবিতে নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তার ঘটনায় উত্তাল ক্যাম্পাস

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) কর্মকর্তা কর্তৃক নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তা এবং বাস ড্রাইভার কর্তৃক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসদাচরণের প্রতিবাদে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। ঘটনার পরদিনই শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসজুড়ে বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

রবিবার (১৩ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে পবিপ্রবির ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) থেকে শুরু হয়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয় প্রতিবাদ মিছিলটি। বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষার্থীরা মিছিলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে প্রশাসনের বিরুদ্ধে নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

প্রতিবাদী শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর ৮ দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল: কৃষি গুচ্ছ পরীক্ষার দিন কর্মকর্তাদের অসদাচরণের তদন্ত, সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বাস স্টাফদের হেনস্তা বন্ধ, বহিরাগতদের বাসে যাতায়াতের সুযোগ বন্ধ, টাকার বিনিময়ে সিট বরাদ্দের অভিযোগ, বাসে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত আসন সংরক্ষণ, এবং ‘ডিরেক্টর অব স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স’ পদ চালু করা।

আইন ও ভূমি প্রশাসন অনুষদের শিক্ষার্থী অমিয় জামান বলেন, “আমাদের একজন নারী সহপাঠীকে বিনা কারণে বাস থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি শুধু অপমানজনক নয়, বরং একটি ভয়ানক দৃষ্টান্ত। আমরা আর চুপ থাকতে চাই না।”

ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের শিক্ষার্থী ফাতেমা জাহান মেঘলা বলেন, “বাসে শিক্ষার্থীদের জন্য আসন না থাকা সত্ত্বেও টাকার বিনিময়ে বহিরাগতদের সিট দেওয়া হয়। প্রতিবাদ করলে আমাদের সঙ্গেও খারাপ আচরণ করা হয়।”

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আবুল বাশার খান বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, “তোমাদের সব দাবিই যৌক্তিক। অনেক দিন ধরেই এসব অভিযোগ শুনছি। দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান বলেন, “ঘটনার পরই ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলেছি। তার নিরাপত্তা ও মানসিক স্বস্তির বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনায় নিয়েছি।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, “একজন বাস ড্রাইভারের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে। ইতোমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করে তিন কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে যেন সত্য উঠে আসে, সে জন্য শিক্ষার্থীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রয়োজন।”

উল্লেখ্য, গত ১২ এপ্রিল (শনিবার) পটুয়াখালী থেকে ক্যাম্পাসমুখী একটি বাসে একজন নারী শিক্ষার্থী ও কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আসা কয়েকজন পরীক্ষার্থীকে বাস থেকে নামিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠে। একইদিন বাবুগঞ্জ থেকে ক্যাম্পাসমুখী বাসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন এক বাস চালক। এই ঘটনাগুলো শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



বাউফলে ৯টি সড়ক সংস্কারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়নের ভাঙাচোরা ও চলাচলের অনুপযোগী ৯টি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দ্রুত সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

রবিবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে উপজেলার ল্যাঙড়া মুন্সির পুল এলাকায় ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দা ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আজম চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন মৃধা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার মৃধা, সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবর আকন এবং স্থানীয় আটোরিকশা চালক মো. রহিম হোসেন।

বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দাশপাড়া ইউনিয়নের অন্তর্গত ৯টি সড়ক খানাখন্দে ভরে গেছে। বর্ষার সময় হলে এসব সড়কে চলাচল করা যেন মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে পথ চলার মতো। রোগী, শিক্ষার্থী ও বৃদ্ধরা প্রতিনিয়ত বিপাকে পড়ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছানো দুঃসাধ্য হয়ে পড়ছে। এরই মধ্যে একাধিক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন অনেক পথচারী ও যানবাহনের যাত্রীরা।

তারা আরও বলেন, বর্ষা মৌসুমের আগেই যদি এই সড়কগুলো সংস্কার না করা হয়, তাহলে পুরো এলাকার মানুষ দুর্ভোগে পড়বে। তাই সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাউফল উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী শ্যামল কুমার গাইন বলেন, “বিভিন্ন সড়ক মেরামতের জন্য আমরা তালিকা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। প্রকল্প অনুমোদন পেলেই সংস্কার কাজ শুরু হবে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



গভীর রাতে মগডালে উঠে অজ্ঞান যুবক, নামাল ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা

পিরোজপুরের নাজিরপুরে গভীর রাতে মগডালে উঠে অজ্ঞান হয়ে আটকে থাকা সাহিনুর মোল্লা (৩৫) নামক এক যুবককে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। শনিবার রাতে উপজেলার শাঁখারীকাঠী ইউনিয়নের হোগলাবুনিয়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।

সাহিনুর মোল্লা একই এলাকার মালেক মোল্লার ছেলে। স্থানীয়রা জানান, সাহিনুর শনিবার রাতে বাড়ির পেছনের নারিকেল গাছে উঠেন। এ সময় বাড়ির লোকজন তাকে বাধা দিলেও তিনি কারো কথা না শুনে পাশের রেইনট্রি গাছের মগডালে চড়ে বসেন। কিছুক্ষণ পর সেখানে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন এবং চিকন একটি ডালে আটকে যান।

পরিবারের সদস্যরা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে, রাতের অন্ধকারে একটি দল সেখানে পৌঁছে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টায় সাহিনুরকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। উদ্ধারকৃত সাহিনুরকে পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মো. সোহাইব হোসেন মুন্সি বলেন, “স্থানীয়দের ফোন পেয়ে আমরা দ্রুত সেখানে গিয়ে যুবককে উদ্ধার করি। ঘণ্টাব্যাপী প্রচেষ্টায় তাকে নিরাপদে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।”




সালমান খানের ক্যারিয়ার নিয়ে শঙ্কা

বলিউডের সুপারস্টার সালমান খানের ক্যারিয়ারের বর্তমান অবস্থা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তার সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা সিকান্দার বক্স অফিসে তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি। মাত্র দুই সপ্তাহে সিনেমাটি আয় করেছে ১১০ কোটি টাকা, যা ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত সালমানের সিনেমার জন্য একেবারে অপ্রত্যাশিত। একসময় ঈদ মানেই ছিল সালমানের সিনেমা আর বক্স অফিসে ঝড়, কিন্তু এখন সেই দিনগুলো পেছনে পড়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সিকান্দার ছবির ব্যর্থতার পর অনেকেই তার ক্যারিয়ার নিয়ে শঙ্কিত হচ্ছেন।

২০০৯ সালে ওয়ান্টেড সিনেমা দিয়ে তার নতুন যাত্রা শুরু হলেও, পরবর্তী বছরগুলোতে দাবাং, রেডি, বডিগার্ড, এক থা টাইগার, জয় হো, কিক, বজরঙ্গি ভাইজান, সুলতান, টাইগার জিন্দা হ্যায় ইত্যাদি সিনেমাগুলো বক্স অফিসে বিশাল সাফল্য পায়। তবে ২০১৮ সালের পর থেকে তার সিনেমাগুলোর ব্যবসা ধীরে ধীরে কমতে থাকে, এবং অন্তিম, রাধে, কিসি কা ভাই কিসি কী জান, টাইগার ৩, ও সিকান্দার-এর মতো সিনেমাগুলো প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি।

সালমানের একগুঁয়েমি?
সমালোচকদের মতে, সালমান খানের বক্স অফিসে ব্যর্থতার একটি বড় কারণ তার একগুঁয়েমি। তিনি অনেক সময় ভালো চিত্রনাট্য এবং পরিচালকের পরিবর্তে তার ‘কাছের মানুষ’দের সঙ্গে কাজ করতে পছন্দ করেছেন, যার ফলে কিছু কাজ তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি। উদাহরণ হিসেবে অন্তিম সিনেমার কথা বলা যায়, যেখানে তার ভগ্নিপতি আয়ুশ শর্মা নায়ক ছিলেন। সালমান অনেক সময়ই সিনেমার কাস্টিং, গান, এমনকি অন্যান্য কাজের সিদ্ধান্তে ব্যক্তিগত পছন্দকে প্রাধান্য দেন।

‘দ্য বুল’ সিনেমায় সালমানের বাদ পড়া
সালমান খানকে নিয়ে করণ জোহরের ধর্মা প্রোডাকশন দ্য বুল সিনেমা বানাতে চেয়েছিল। কিন্তু সালমানের একগুঁয়েমির কারণে তার সিনেমায় থাকাটা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। সিনেমাটির দুটি সেনা কর্মকর্তার চরিত্রে একজনের জন্য সালমান এবং অন্যটিতে সিদ্ধার্থ মালহোত্রার নাম প্রস্তাবিত ছিল, কিন্তু সালমান অন্য চরিত্রে সিদ্ধার্থকে নিতেই রাজি হননি। তার পছন্দ ছিল নিজের দেহরক্ষীর সন্তানকে সিনেমায় নেওয়ার। কিন্তু করণ বা পরিচালক বিষ্ণু বর্ধন এ প্রস্তাব মেনে নিতে পারেননি এবং সালমান সিনেমাটি থেকে বাদ পড়েন।

নতুন সিনেমার সম্ভাবনা কম
গত বছর শোনা গিয়েছিল, জওয়ান নির্মাতা অ্যাট লির সঙ্গে সালমান একটি সিনেমা করবেন। তবে সম্প্রতি জানা গেছে, সেই সিনেমাও হচ্ছে না। শোনা যাচ্ছে, সিনেমাটির বিনিয়োগ জটিলতায় আটকে গেছে, কারণ সালমানের বর্তমান বাজারের অবস্থান অনুযায়ী বড় বাজেটের সিনেমায় বিনিয়োগ করতে কেউই আগ্রহী নয়।

সালমানের বর্তমান অবস্থা
সব মিলিয়ে, সালমান খানের ক্যারিয়ার এখন একটি বড় অনিশ্চয়তায় রয়েছে। তার সর্বশেষ সিনেমা সিকান্দার-এর সমালোচকরা প্রশংসা করেছেন তার অ্যাকশন দৃশ্যের জন্য, তবে অন্য দৃশ্যগুলোর জন্য তার অভিনয় ছিল সাধারণ মানের, এমন মন্তব্য এসেছে। একদিক থেকে তার পর্দায় উপস্থিতি কিছুটা ক্লান্তও মনে হয়েছে, যা তার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের জন্য উদ্বেগজনক হতে পারে।

এখন প্রশ্ন হলো, সালমান কি অতিমানবীয় কোনো পারফরম্যান্স দিয়ে আবার নিজেকে প্রমাণ করতে পারবেন, নাকি তার ক্যারিয়ার আসলেই শেষ হয়ে যাবে ।




পিরোজপুরে ডায়রিয়ার প্রকোপ, হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়ে দ্বিগুণ

পিরোজপুরে প্রচণ্ড গরমের কারণে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে গেছে। সদর হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে বর্তমানে রোগীর সংখ্যা দু’গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা হাসপাতালের ধারণক্ষমতার বাইরে। বিশেষ করে শিশুদের সংখ্যা বেশি হওয়ায়, বেড সংকটের কারণে মেঝেতেও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ফলে হাসপাতালের নার্স ও চিকিৎসকরা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে হাসপাতালে অপরিচ্ছন্নতা ও সেবা না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ঈদুল ফিতরের পর থেকেই জেলায় ডায়রিয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বর্তমানে এর তীব্রতা বেড়েছে। হাসপাতালে লোকবল সংকট এবং সেবার ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সকালে পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল পরিদর্শন করে জানা যায়, ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ২৬টি বেডের বিপরীতে ৫২ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছে, এবং ১৬ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এক সপ্তাহে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে মোট ২১৮ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।


মাকসুদা বেগম, যিনি সদর উপজেলার হুলারহাট গ্রাম থেকে তার মেয়েকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য এসেছেন, ঢাকা পোস্টকে বলেন, “গত এক সপ্তাহ ধরে আমার মেয়ে অসুস্থ, তিন দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি আছি। প্রথমে বেড পাইনি, ফ্লোরে থাকতে হয়েছে। এক দিন পর বেড পেয়েছি, হাসপাতালের চাপ অনেক বেশি।”

কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠি থেকে আসা রহিমা বেগম বলেন, “চার দিন ধরে আমার মেয়ে অসুস্থ, তবে আজকে হাসপাতালে এসেছি, কিন্তু বেড পাচ্ছি না। রোগীর চাপ অনেক বেশি।”

পাশের জেলা বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ থেকে আসা নাদিরা আক্তার বলেন, “এখানে দুই দিন ধরে ভর্তি আছি, কিন্তু হাসপাতাল থেকে সব ওষুধ দেওয়া যাচ্ছে না, বাইরে থেকেও কিনতে হচ্ছে।”

পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের নার্স অঞ্জলি রায় বলেন, “ঈদের পর থেকেই রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। আমাদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য মাত্র একজন কর্মী রয়েছে, আর নার্সের সংখ্যাও কম। লোকবলের তুলনায় রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি, ফলে সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছি।”

পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. নিজাম উদ্দীন বলেন, “ডায়রিয়া ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৫২ জন রোগী ভর্তি হয়েছে, এবং গত সাত দিনে ২১৮ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে আমাদের পর্যাপ্ত চিকিৎসা সামগ্রী মজুদ রয়েছে।”


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ায় যুবদল নেতাকে মারধরের অভিযোগ

ঝালকাঠির রাজাপুরে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি এবং আওয়ামী দোসরদের পুনর্বাসনসহ বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে বক্তব্য দেওয়ায় যুবদল নেতা মো. হালিম গাজীকে মারধর এবং অবরুদ্ধ করার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৩ এপ্রিল) ঝালকাঠি প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

হালিম গাজী বলেন, গত ১১ এপ্রিল বিকেল ৪টায় রাজাপুর উপজেলার মঠবাড়ি মাহামুদিয়া মাদরাসার মাঠে ৬নং মঠবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় সভাপতিত্ব করার কথা ছিল ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আবুল কালাম হায়দার সিকদারের, কিন্তু তাকে বাদ দিয়ে সভাটি পরিচালনা করেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাসুম বিল্লাহ পারভেজ। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম জামাল, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজাপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি তালুকদার আবুল কালাম আজাদ এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

হালিম গাজী তার বক্তব্যে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি এবং আওয়ামী দোসরদের পুনর্বাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। তিনি বলেন, “এ সময় আমি যখন এসব বিষয় নিয়ে বক্তব্য দিতে যাই, তখন আমার কাছ থেকে মাইক কেড়ে নিয়ে আমাকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। এরপর আমাকে মাদরাসার লাইব্রেরিতে ডেকে নিয়ে দরজা বন্ধ করে নাসিম উদ্দিন আকন ও তার অনুসারীরা আমার ওপর হামলা চালায়। আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে, মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় এবং দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে।”

হালিম গাজী আরও বলেন, ঘটনার পর তিনি প্রধান অতিথি মো. রফিকুল ইসলাম জামালের কাছে অভিযোগ করেন, কিন্তু তিনি তার অভিযোগ আমলে না নিয়ে বরং হুমকি দেন, “নাসিম আকনের বাইরে কেউ রাজনীতি করতে পারবে না।” এর পরও হালিমের রাজনীতি শেষ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

হালিম দাবি করেন, ঘটনার পর থেকে নাসিম আকন ও তার অনুসারীরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




৩ হাজার ১শ কোটি টাকার বিনিয়োগ ঘোষণা, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধি

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) আয়োজিত সামিটে একে একে ৩ হাজার ১শ কোটি টাকার বিনিয়োগের ঘোষণা এসেছে। এই তথ্য জানিয়েছেন বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। রোববার (১৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য প্রকাশ করেন।

চৌধুরী আশিক মাহমুদ বলেন, “এখন পর্যন্ত সম্মেলন থেকে ৩ হাজার ১শ কোটি টাকার বিনিয়োগের ঘোষণা এসেছে। তবে এই সম্মেলনকে বিনিয়োগের সফলতার পেছনের মূল কারণ হিসেবে দেখানো যাবে না। অনেকটা আগের আলোচনা ও প্রস্তুতির ফলস্বরূপ এই বিনিয়োগের ঘোষণা এসেছে।”

তিনি আরও বলেন, সম্মেলনের খরচ প্রায় ৫ কোটি টাকা হলেও, তার মধ্যে সরকারের খরচ ছিল ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। তবে, সম্মেলনের সফলতা শুধু খরচের পরিমাণ দিয়ে নির্ধারণ করা যাবে না।

এবারের সম্মেলনে ৬টি কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য ছিল। ৫০টি দেশ থেকে ৪১৫ জন বিদেশি ডেলিগেট সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন, যা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহকে নির্দেশ করে। বিদেশি অংশগ্রহণের হার ছিল প্রায় ৫৮ শতাংশ।

বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বলেন, “এই সামিটের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা তুলে ধরা। আমাদের দেশের মানুষের সহনশীলতা এবং বিনিয়োগের সম্ভাবনা দেখে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা উচ্ছ্বসিত।”

উল্লেখ্য, এই সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমও উপস্থিত ছিলেন।


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে বাড়ছে অপরাধ, পুলিশের নিরবতায় জনমনে উদ্বেগ

বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে অপরাধ। চুরি, ডাকাতি, দস্যুতা, খুন, অপহরণ ও জমি-সংক্রান্ত সহিংসতা এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এসব অপরাধ বৃদ্ধির পেছনে পুলিশের নিরবতা ও মাঠপর্যায়ে কার্যকর তৎপরতার অভাবকে দায়ী করছেন সচেতন নাগরিকরা।

বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ছয় জেলায় মোট ৪৮০টি অপরাধ সংগঠিত হয়। কিন্তু আগস্ট ২০২৪ থেকে জানুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৮০টিতে। এর মধ্যে রয়েছে ৮১টি হত্যাকাণ্ড, ১৪৬টি ধর্ষণ ও ধর্ষণ চেষ্টা, ১৪টি অপহরণ, ২৬টি ডাকাতি, ২১টি দস্যুতা এবং ২৯২টি চুরির ঘটনা।

নগরীর কাশীপুর এলাকার ইছাকাঠী থেকে উদ্ধার হওয়া এক নারীর মরদেহের সাতটি অংশ আজও অজ্ঞাত রয়েছে। উজিরপুরে ঘাট ইজারাকে কেন্দ্র করে ভাতিজার হাতে চাচা খুন, ঝালকাঠিতে ব্যবসায়ী সুদেব হত্যাকাণ্ড, গৌরনদীতে জমি বিরোধে ভাসুর নিহত, হোসনাবাদে শিশুকে খুন এবং স্কুলছাত্রী ধর্ষণের মতো একের পর এক ভয়াবহ ঘটনার তদন্তে ধীরগতি ও অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে জনমনে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

মানবাধিকার কর্মী দীপু হাফিজুর রহমান বলেন, “৫ আগস্টের পর দেশে কার্যকর সরকার না থাকায় পুলিশের মনোবল ভেঙে পড়ে। সেই সুযোগে বাড়তে থাকে অপরাধ।” তিনি পুলিশের পাশে দাঁড়িয়ে মনোবল ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান।

টিআইবি-সংশ্লিষ্ট সংগঠন ‘সুজন’-এর বরিশাল জেলা সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, “খুন, নারী নির্যাতন, চাঁদাবাজি যেভাবে বেড়েছে, তা নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের আন্তরিকতা ও জনগণের সচেতন অংশগ্রহণ জরুরি।”

সনাক বরিশালের সভাপতি অধ্যক্ষ গাজী জাহিদ হোসেন বলেন, “পুলিশ যদি নিরপেক্ষ না হয়, তাহলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠবে। তাদের পেশাদারিত্ব ও দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করতে হবে।”

অন্যদিকে, বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মঞ্জুর মোর্শেদ আলম জানান, “৫ আগস্টের পর কিছুটা ধীরতা ছিল, তবে এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক, ছাড় দেওয়া হবে না।”

জনগণের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ সমাজব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসনের আরও সক্রিয় এবং জবাবদিহিমূলক ভূমিকাই এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




মহিপুরে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে নির্যাতন, হাসপাতালে ভর্তি

পটুয়াখালীর মহিপুরে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে চার সন্তানের জননী অন্তঃসত্ত্বা এক নারীকে (৩০) নির্মমভাবে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি একই এলাকার বাসিন্দা সেলিম খাঁ (৩৫)। শুক্রবার দুপুরে বিপিনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী নারী বর্তমানে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মারধরের ফলে তার ডান চোখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়েছে।

ওই নারী জানান, তার স্বামী একটি মামলায় গত দুই মাস ধরে কারাগারে রয়েছেন। এ সময় চার সন্তানকে নিয়ে তিনি মৎস্য শ্রমিক হিসেবে কাজ করে সংসার চালাচ্ছেন। স্বামী জেলে যাওয়ার পর থেকেই প্রতিবেশী সেলিম খাঁ তাকে একাধিকবার কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, শুক্রবার দুপুরে সেলিম খাঁ তার ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি বাধা দিলে সেলিম ক্ষিপ্ত হয়ে বেধড়ক মারধর করেন। চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এলে সেলিম পালিয়ে যায়। পরে অজ্ঞান অবস্থায় ওই নারীকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, “এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, একা ও অসহায় অবস্থার সুযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ওই নারীকে উত্যক্ত করে আসছিল সেলিম খাঁ। এলাকাবাসীর দাবি, অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক।


মো: আল-আমিন
স্টাফ রিপোর্টার, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম