কলাপাড়ায় খালে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একটি খাল থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি বুধবার (৭ মে) সকাল সাড়ে আটটার দিকে ঘটে পৌর শহরের রহমতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের জীন খালে। হঠাৎ এমন ঘটনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য।

স্থানীয়রা জানায়, প্রতিদিনের মতো খালে ময়লা ফেলতে গিয়েই লাশটি ভেসে থাকতে দেখেন তারা। এরপর সাথে সাথে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। নিহত নারীর বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাঁর পরনে ছিল লাল ও খয়েরি রঙের মেক্সি।

লাশটির মুখ ও শরীরের কিছু অংশ ইতোমধ্যেই পোকায় খেয়ে ফেলায় তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয়দের ধারণা, ওই খালে জোয়ার-ভাটার পানি না থাকায় কেউ হয়তো পরিকল্পিতভাবে এই নারীকে হত্যা করে মরদেহ এখানে ফেলে রেখে গেছে।

এদিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ চলছে।

কলাপাড়া থানার ওসি (তদন্ত) ইলিয়াস তালুকদার বলেন, “ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই আমরা পুলিশ পাঠিয়েছি। লাশটি উদ্ধার করে তদন্ত শুরু হয়েছে।”

এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অজ্ঞাত এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য দ্রুত উদঘাটনের দাবি জানাচ্ছেন স্থানীয়রা।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



কুয়াকাটায় পর্যটককে মারধর ও অর্থ ছিনতাই, যুবদল নেতাসহ আটক ৩

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় হোটেল ব্লু-বার্ডে এক পর্যটককে মারধর করে ৪০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে যুবদল নেতাসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৬ মে) মহিপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—কুয়াকাটা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি ও হোটেল ব্লু-বার্ডের ভাড়াটিয়া মালিক মো. বেল্লাল হোসেন (৪৫), তার সহযোগী রিয়াজ (২৪) এবং শাকিল (২৪)। পলাতক রয়েছেন মামলার অপর আসামি ইউসুফ হাওলাদার (২৭)।

পুলিশ সূত্র জানায়, ঢাকা মিরপুরের বাসিন্দা পর্যটক তুহিন চার দিন আগে হোটেল ব্লু-বার্ডে ওঠেন। চুক্তি অনুযায়ী প্রতিদিন ১ হাজার টাকার ভিত্তিতে থাকার কথা থাকলেও হোটেল কর্তৃপক্ষ চার দিনের জন্য ১২ হাজার টাকা দাবি করে। এ নিয়ে আপত্তি জানালে সোমবার রাত ৩টার দিকে তুহিনকে হোটেলের একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর করা হয় এবং জোর করে তার কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা আদায় করা হয়।

পরে আরও ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে কক্ষটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়। এই অবস্থায় তুহিন ৯৯৯-এ ফোন করলে মহিপুর থানা পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে এবং তিনজনকে গ্রেফতার করে।

মহিপুর থানার ওসি তারিকুল ইসলাম জানান, “ভুক্তভোগীর ফোন পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। তাকে উদ্ধার করে অভিযুক্তদের আটক করা হয়। মামলা হয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।”

এদিকে স্থানীয়দের দাবি, হোটেল ব্লু-বার্ডে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ কর্মকাণ্ড চলছিল, যার মধ্যে রয়েছে পতিতাবৃত্তি। তবে হোটেলটির মালিক বেল্লাল হোসেন দাবি করেন, “ভুক্তভোগী তুহিন আগে থেকেই হোটেলে পতিতা সরবরাহ করতেন। আর্থিক লেনদেন নিয়েই মূল ঘটনা ঘটে।”

এ বিষয়ে কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মো. ফারুক বলেন, “যদি কেউ যুবদলের নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিগত অপকর্মে লিপ্ত থাকে, তাহলে দল তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



চিন্ময়কে দেওয়া জামিন স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত




চার মাস পর দেশে ফিরলেন খালেদা জিয়া




কুয়াকাটায় অনুমোদনহীন ৬ হোটেল নির্মাণ বন্ধ

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই নির্মিত ছয়টি বহুতল আবাসিক হোটেলের নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। সোমবার (৫ মে) বিকেলে কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে পরিচালিত এক অভিযানে এসব নির্মাণ কাজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে সংশ্লিষ্ট হোটেলগুলোর সামনে ‘নির্মাণ কাজ বন্ধ ঘোষিত’ লেখা সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ইয়াসীন সাদেক এবং মহিপুর থানা পুলিশের সদস্যরা।

যেসব হোটেলগুলোর নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো—হোটেল মেরিন বে, সাম্পান রিসোর্ট, হোটেল অলিম্পাস, হোটেল মারওয়া এবং স্টার প্যাসিফিক। এছাড়াও আরেকটি নির্মাণাধীন হোটেলের নাম এখনও জানা যায়নি।

এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রবিউল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, কুয়াকাটা পর্যটন এলাকায় বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের অনুমোদন ব্যতিরেকে কোনো ভবন বা স্থাপনা নির্মাণ করা আইনসিদ্ধ নয়। অনুমোদনবিহীন এমন নির্মাণকাজ শুধু আইন লঙ্ঘনই নয়, বরং পর্যটন এলাকার পরিবেশ ও সৌন্দর্যের জন্য হুমকিস্বরূপ।

প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কুয়াকাটা একটি জাতীয় পর্যায়ের সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্র। তাই এই অঞ্চলে অবকাঠামোগত যে কোনো উন্নয়ন কার্যক্রম অবশ্যই নির্ধারিত আইন ও নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও নিয়মভঙ্গকারী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানানো হয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



আগামীকাল দেশে ফিরছেন খালেদা জিয়া




বাউফলে দুর্বৃত্তের আগুনে পুড়ে ছাই গোয়ালঘর, প্রাণ গেল গরু-ছাগলসহ শতাধিক প্রাণীর

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দুর্বৃত্তের দেওয়া আগুনে একটি গোয়ালঘর সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে দুটি গরু, দুটি খাসি ছাগল ও অর্ধশতাধিক হাঁস-মুরগি পুড়ে মারা গেছে। ভয়াবহ এ ঘটনা ঘটে শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর গ্রামে।

অগ্নিকাণ্ডে বাড়ির মালিক ও অটোরিকশা চালক নিজাম উদ্দিন (৫০) গুরুতর আহত হয়েছেন। আগুন নেভাতে গিয়ে তার মুখমণ্ডল, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে পোড়ার চিহ্ন রয়েছে।

নিজাম উদ্দিন জানান, গভীর রাতে গোয়ালঘর থেকে গবাদিপশুর ডাক শুনে ঘর থেকে বের হয়ে তিনি দেখতে পান গোয়ালঘরে আগুন লেগেছে। চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এসে চেষ্টা করলেও মুহূর্তেই আগুন গোয়ালঘর গ্রাস করে। আগুনে পুড়ে মারা যায় দুটি গরু, দুটি ছাগল ও অর্ধশতাধিক হাঁস-মুরগি। প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, এর আগেও তাদের বাড়িতে একাধিকবার চুরির ঘটনা ঘটেছে। তাদের ধারণা, পূর্বপরিকল্পিতভাবে দুর্বৃত্তরা এ আগুন লাগিয়েছে। আগুনে তাদের সংসার ধ্বংস হয়ে গেছে বলে দাবি করেন তারা।

বাউফল থানার ওসি আখতারউজ্জামান সরকার জানান, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্তের মাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করার আশ্বাস দেন তিনি।

মো. আল-আমিন
স্টাফ রিপোর্টার, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




নিরাপত্তা পরিষদের ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক আজ




পটুয়াখালীতে বিয়ের আলোচনায় রক্তাক্ত সংঘর্ষ, প্রাণ গেল বৃদ্ধের

পটুয়াখালী সদর উপজেলার লোহালিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে একটি বিয়ের প্রসঙ্গকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বারেক ফকির (৬৫) নামের এক বৃদ্ধ নির্মমভাবে মারধরের শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। ঘটনাটি ঘটে শনিবার (৩ মে) জোহরের নামাজ শেষে স্থানীয় মোল্লা বাড়ি মসজিদের সামনে।

প্রত্যক্ষদর্শী এবং নিহতের পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা যায়, নামাজ শেষে আজহার খানের বড় ছেলে আব্দুর রহমানের বিয়ের বিষয়ে মেয়েপক্ষ বারেক ফকিরের কাছে জানতে চাইলে তিনি শান্তভাবে উত্তর দেন। কিন্তু বারেক ফকিরের কথায় রহমান ক্ষিপ্ত হয়ে কিল-ঘুষি মারতে শুরু করেন। এরপর তার ভাই আরিফ লাঠি ও রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করে বৃদ্ধকে গুরুতর আহত করেন।

তাকে তাৎক্ষণিকভাবে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন দেখে বরিশালের শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় রবিবার (৪ মে) দুপুরে পরিবারের লোকজন তাকে বাড়িতে নিয়ে আসছিলেন। কিন্তু ফেরার পথে বিকেল ৫টার দিকে বারেক ফকির মারা যান।

নিহতের ছেলে সুমন ফকির বলেন, “আমার বাবা অত্যন্ত সৎ ও শান্ত স্বভাবের মানুষ ছিলেন। শুধুমাত্র একটি বিয়ের আলোচনায় মতামত দেওয়ার কারণেই রহমান ও আরিফ মিলে তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। তারা পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। চিকিৎসা করিয়ে তাকে বাড়ি ফেরাতে চেয়েছিলাম, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচাতে পারিনি। আমি চাই, এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্ত হোক এবং দোষীদের এমন শাস্তি দেওয়া হোক যেন কেউ ভবিষ্যতে এমন নৃশংসতা ঘটাতে সাহস না পায়।”

ঘটনার বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা অভিযানে নেমে অভিযুক্ত আজহার খানকে গ্রেপ্তার করেছি। মামলার অন্যান্য আসামিদের ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় শোক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকাবাসী দোষীদের দ্রুত বিচার দাবি করেছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



বরিশালে ডায়াবেটিসবান্ধব ব্রি ধান-১০৫ চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপযোগী ব্রি ধান-১০৫ এখন বরিশালের কৃষকদের মাঠেও সাফল্যের মুখ দেখছে। আশানুরূপ ফলন পাওয়ায় এই নতুন জাতের ধান চাষে উৎসাহিত হচ্ছেন দক্ষিণাঞ্চলের কৃষকরা।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রী) উদ্ভাবিত ব্রি ধান-১০৫ হচ্ছে দেশের প্রথম কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) সম্পন্ন ধান, যা বিশেষভাবে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নিরাপদ। বরিশালে এই জাতের ধান এ বছর প্রথমবার চাষ করা হয়েছে এবং কৃষকরা এর উৎপাদনে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

বরিশাল ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আশিক ইকবাল খান জানান, “ব্রি ধান-১০৫-এর আন্তর্জাতিক গ্লাইসেমিক ভ্যালু ৫৫-এর নিচে। ফলে এই চালের ভাত খাওয়ার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়ে না, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। বর্তমানে ধানটির উৎপাদন ও সম্প্রসারণ বাড়াতে কৃষি বিভাগ কাজ করছে।”

চাষের অনুমোদন পাওয়া ব্রি ধান-১০৫-এর গড় ফলন হেক্টরপ্রতি ৭.৮ টন হলেও সঠিক পরিচর্যা ও অনুকূল পরিবেশে ফলন হতে পারে ৮.৫ টন পর্যন্ত। এই ধানের জীবনকাল ১৪৮ দিন। কৃষকরা জানান, প্রথমবার চাষ করেই তারা ভালো ফলন আশা করছেন, ফলে ভবিষ্যতে এ ধানের চাষ আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়বে।

বরিশাল অঞ্চলের কৃষকদের মতে, ধানটি শুধু লাভজনকই নয়, জনস্বাস্থ্যের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা যেহেতু দিন দিন বাড়ছে, তাই এমন ধানের উৎপাদন বাড়লে তা খাদ্যনিরাপত্তার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসুরক্ষাতেও অবদান রাখবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /