চার মাস পর দেশে ফিরলেন খালেদা জিয়া




কুয়াকাটায় অনুমোদনহীন ৬ হোটেল নির্মাণ বন্ধ

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই নির্মিত ছয়টি বহুতল আবাসিক হোটেলের নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। সোমবার (৫ মে) বিকেলে কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে পরিচালিত এক অভিযানে এসব নির্মাণ কাজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে সংশ্লিষ্ট হোটেলগুলোর সামনে ‘নির্মাণ কাজ বন্ধ ঘোষিত’ লেখা সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ইয়াসীন সাদেক এবং মহিপুর থানা পুলিশের সদস্যরা।

যেসব হোটেলগুলোর নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো—হোটেল মেরিন বে, সাম্পান রিসোর্ট, হোটেল অলিম্পাস, হোটেল মারওয়া এবং স্টার প্যাসিফিক। এছাড়াও আরেকটি নির্মাণাধীন হোটেলের নাম এখনও জানা যায়নি।

এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রবিউল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, কুয়াকাটা পর্যটন এলাকায় বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের অনুমোদন ব্যতিরেকে কোনো ভবন বা স্থাপনা নির্মাণ করা আইনসিদ্ধ নয়। অনুমোদনবিহীন এমন নির্মাণকাজ শুধু আইন লঙ্ঘনই নয়, বরং পর্যটন এলাকার পরিবেশ ও সৌন্দর্যের জন্য হুমকিস্বরূপ।

প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কুয়াকাটা একটি জাতীয় পর্যায়ের সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্র। তাই এই অঞ্চলে অবকাঠামোগত যে কোনো উন্নয়ন কার্যক্রম অবশ্যই নির্ধারিত আইন ও নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও নিয়মভঙ্গকারী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানানো হয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



আগামীকাল দেশে ফিরছেন খালেদা জিয়া




বাউফলে দুর্বৃত্তের আগুনে পুড়ে ছাই গোয়ালঘর, প্রাণ গেল গরু-ছাগলসহ শতাধিক প্রাণীর

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দুর্বৃত্তের দেওয়া আগুনে একটি গোয়ালঘর সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে দুটি গরু, দুটি খাসি ছাগল ও অর্ধশতাধিক হাঁস-মুরগি পুড়ে মারা গেছে। ভয়াবহ এ ঘটনা ঘটে শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর গ্রামে।

অগ্নিকাণ্ডে বাড়ির মালিক ও অটোরিকশা চালক নিজাম উদ্দিন (৫০) গুরুতর আহত হয়েছেন। আগুন নেভাতে গিয়ে তার মুখমণ্ডল, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে পোড়ার চিহ্ন রয়েছে।

নিজাম উদ্দিন জানান, গভীর রাতে গোয়ালঘর থেকে গবাদিপশুর ডাক শুনে ঘর থেকে বের হয়ে তিনি দেখতে পান গোয়ালঘরে আগুন লেগেছে। চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এসে চেষ্টা করলেও মুহূর্তেই আগুন গোয়ালঘর গ্রাস করে। আগুনে পুড়ে মারা যায় দুটি গরু, দুটি ছাগল ও অর্ধশতাধিক হাঁস-মুরগি। প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, এর আগেও তাদের বাড়িতে একাধিকবার চুরির ঘটনা ঘটেছে। তাদের ধারণা, পূর্বপরিকল্পিতভাবে দুর্বৃত্তরা এ আগুন লাগিয়েছে। আগুনে তাদের সংসার ধ্বংস হয়ে গেছে বলে দাবি করেন তারা।

বাউফল থানার ওসি আখতারউজ্জামান সরকার জানান, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্তের মাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করার আশ্বাস দেন তিনি।

মো. আল-আমিন
স্টাফ রিপোর্টার, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




নিরাপত্তা পরিষদের ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক আজ




পটুয়াখালীতে বিয়ের আলোচনায় রক্তাক্ত সংঘর্ষ, প্রাণ গেল বৃদ্ধের

পটুয়াখালী সদর উপজেলার লোহালিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে একটি বিয়ের প্রসঙ্গকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বারেক ফকির (৬৫) নামের এক বৃদ্ধ নির্মমভাবে মারধরের শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। ঘটনাটি ঘটে শনিবার (৩ মে) জোহরের নামাজ শেষে স্থানীয় মোল্লা বাড়ি মসজিদের সামনে।

প্রত্যক্ষদর্শী এবং নিহতের পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা যায়, নামাজ শেষে আজহার খানের বড় ছেলে আব্দুর রহমানের বিয়ের বিষয়ে মেয়েপক্ষ বারেক ফকিরের কাছে জানতে চাইলে তিনি শান্তভাবে উত্তর দেন। কিন্তু বারেক ফকিরের কথায় রহমান ক্ষিপ্ত হয়ে কিল-ঘুষি মারতে শুরু করেন। এরপর তার ভাই আরিফ লাঠি ও রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করে বৃদ্ধকে গুরুতর আহত করেন।

তাকে তাৎক্ষণিকভাবে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন দেখে বরিশালের শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় রবিবার (৪ মে) দুপুরে পরিবারের লোকজন তাকে বাড়িতে নিয়ে আসছিলেন। কিন্তু ফেরার পথে বিকেল ৫টার দিকে বারেক ফকির মারা যান।

নিহতের ছেলে সুমন ফকির বলেন, “আমার বাবা অত্যন্ত সৎ ও শান্ত স্বভাবের মানুষ ছিলেন। শুধুমাত্র একটি বিয়ের আলোচনায় মতামত দেওয়ার কারণেই রহমান ও আরিফ মিলে তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। তারা পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। চিকিৎসা করিয়ে তাকে বাড়ি ফেরাতে চেয়েছিলাম, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচাতে পারিনি। আমি চাই, এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্ত হোক এবং দোষীদের এমন শাস্তি দেওয়া হোক যেন কেউ ভবিষ্যতে এমন নৃশংসতা ঘটাতে সাহস না পায়।”

ঘটনার বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা অভিযানে নেমে অভিযুক্ত আজহার খানকে গ্রেপ্তার করেছি। মামলার অন্যান্য আসামিদের ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় শোক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকাবাসী দোষীদের দ্রুত বিচার দাবি করেছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



বরিশালে ডায়াবেটিসবান্ধব ব্রি ধান-১০৫ চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপযোগী ব্রি ধান-১০৫ এখন বরিশালের কৃষকদের মাঠেও সাফল্যের মুখ দেখছে। আশানুরূপ ফলন পাওয়ায় এই নতুন জাতের ধান চাষে উৎসাহিত হচ্ছেন দক্ষিণাঞ্চলের কৃষকরা।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রী) উদ্ভাবিত ব্রি ধান-১০৫ হচ্ছে দেশের প্রথম কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) সম্পন্ন ধান, যা বিশেষভাবে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নিরাপদ। বরিশালে এই জাতের ধান এ বছর প্রথমবার চাষ করা হয়েছে এবং কৃষকরা এর উৎপাদনে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

বরিশাল ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আশিক ইকবাল খান জানান, “ব্রি ধান-১০৫-এর আন্তর্জাতিক গ্লাইসেমিক ভ্যালু ৫৫-এর নিচে। ফলে এই চালের ভাত খাওয়ার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়ে না, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। বর্তমানে ধানটির উৎপাদন ও সম্প্রসারণ বাড়াতে কৃষি বিভাগ কাজ করছে।”

চাষের অনুমোদন পাওয়া ব্রি ধান-১০৫-এর গড় ফলন হেক্টরপ্রতি ৭.৮ টন হলেও সঠিক পরিচর্যা ও অনুকূল পরিবেশে ফলন হতে পারে ৮.৫ টন পর্যন্ত। এই ধানের জীবনকাল ১৪৮ দিন। কৃষকরা জানান, প্রথমবার চাষ করেই তারা ভালো ফলন আশা করছেন, ফলে ভবিষ্যতে এ ধানের চাষ আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়বে।

বরিশাল অঞ্চলের কৃষকদের মতে, ধানটি শুধু লাভজনকই নয়, জনস্বাস্থ্যের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা যেহেতু দিন দিন বাড়ছে, তাই এমন ধানের উৎপাদন বাড়লে তা খাদ্যনিরাপত্তার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসুরক্ষাতেও অবদান রাখবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




বরিশালে মাদ্রাসার ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

বরিশাল নগরীর বাজার রোড এলাকায় অবস্থিত খাজা মইনুদ্দিন মাদ্রাসার ছাদ থেকে পড়ে শেখ রাফি (১২) নামের এক ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে গত ১ মে। মাদ্রাসার তিনতলার ছাদ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয় রাফি। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার (৪ মে) তার মৃত্যু হয়।

রাফির মৃত্যুর বিষয়টি তার মামা মনিরুল ইসলাম নিশ্চিত করেন।

নিহত রাফির পরিবার অভিযোগ করেছে, মাদ্রাসার ছাদে কোনো ধরনের রেলিং বা নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। এমনকি শিশুদের ছাদে যাওয়া নিয়ন্ত্রণে কোনো তদারকি ছিল না বলেও দাবি করেন তারা।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হালিম হুজুর বলেন, “ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা শিশুটির চিকিৎসা নিশ্চিত করেছি এবং পরিবারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়েছি।”

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিশু শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকার আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




 গাজায় ফের ইসরায়েলি হামলা, একদিনেই নিহত ৪৫ ফিলিস্তিনি

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের সামরিক হামলা অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ শনিবার (৩ মে) দিনভর চালানো হামলায় আরও ৪৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। নিহতদের মধ্যে তিন শিশু রয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে।

রোববার (৪ মে) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

চলমান আগ্রাসনে গাজায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫২ হাজার ৫০০ জনে, আহত হয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজারের বেশি মানুষ। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, গত ৪৮ ঘণ্টায় ৭৭ জন নিহত এবং ২৭৫ জন আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে বহু মানুষ এখনও আটকে আছেন, যাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজা অঞ্চলে প্রাণহানির সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। যদিও চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র এবং মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর চাপে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এসেছিল, কিন্তু সেটি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।

গত ১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ফের নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। এই দ্বিতীয় দফার হামলায় ইতোমধ্যে নিহত হয়েছেন ২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি এবং আহত হয়েছেন ৫ হাজারের বেশি

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বারবার যুদ্ধবিরতি ও মানবিক সহায়তার আহ্বান জানালেও গাজায় সহিংসতা থামার কোনো লক্ষণ নেই। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি এখন এই সংকটের টেকসই সমাধানের দিকে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




 চোট পেয়ে ‘সিসিটি’ থেকে ছিটকে গেলেন তৌসিফ মাহবুব

জনপ্রিয় অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব চোটের কারণে এবারের ‘সেলিব্রিটি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি’ (সিসিটি) ক্রিকেট টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারছেন না। প্র্যাকটিস সেশনে কাঠের বলে আঘাত পেয়ে তার ডান হাতের আঙুল মারাত্মকভাবে জখম হয়েছে। সঙ্গে এসেছে জ্বরও।

শোবিজ তারকাদের নিয়ে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টটি বসুন্ধরা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হচ্ছে আগামীকাল ৫ মে থেকে এবং চলবে ১২ মে পর্যন্ত। টুর্নামেন্টের মোট ম্যাচ সংখ্যা ৭টি এবং সব ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করবে টি স্পোর্টস।

টাইটানস দলের হয়ে খেলার কথা ছিল তৌসিফের। গত দুই দিন তিনি প্র্যাকটিস সেশনে অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু শনিবার এক অনুশীলনে কাঠের বল সরাসরি তার আঙুলে আঘাত করে। প্রাথমিক চিকিৎসায় স্বস্তি না আসায় তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়।

তৌসিফ মাহবুব বলেন, “কাঠের বলে খেলার অভ্যাস আমার নেই। সর্বোচ্চ টেনিস বল দিয়ে খেলেছি। এবার কাঠের বলে খেলতে গিয়ে হাতের দুই আঙুলেই আঘাত পেয়েছি। আঙুল ফুলে গেছে, ব্যথা এখনও তীব্র, সঙ্গে জ্বরও এসেছে।”

তিনি আরও জানান, “গতকাল থেকে কেবল পেইন কিলার খেয়ে টিকে আছি। এই অবস্থায় আর খেলা সম্ভব নয়। টিমকে কিছুক্ষণের মধ্যেই জানিয়ে দেব। যদিও খেলতে পারছি না, দর্শক হিসেবে মাঠে যাব।”

এবারের সিসিটিতে চারটি দলের নেতৃত্ব দেবেন নির্মাতারা মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ, গিয়াস উদ্দিন সেলিম, তানিম রহমান অংশু এবং প্রবীর রায় চৌধুরী।

তারকাদের এই জমকালো টুর্নামেন্টে তৌসিফ মাহবুবের অংশগ্রহণ নিয়ে ভক্তদের মধ্যে ছিল বিশেষ আগ্রহ। তবে চোটের কারণে মাঠের বাইরে থাকলেও, তার প্রতি সহানুভূতি ও শুভকামনায় ভরে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /