যুদ্ধবিরতিতে সম্মত ভারত-পাকিস্তান

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : টানা কয়েকদিনের হামলা পাল্টা হামলার পর যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। দুই দেশই যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

যুদ্ধবিরতিটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে জানিয়ে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বলেছেন “পাকিস্তান সবসময় এ অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য সংগ্রাম করেছে। তবে এক্ষেত্রে আমরা আমাদের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা নিয়ে কখনো আপস করিনি।”

অপরদিকে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, আজ দুপুরে পাকিস্তানের মিলিটারি অপারেশন্সের মহাপরিচালক ভারতীয় মিলিটারি অপারেশন্সের মহাপরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর তাদের মধ্যে একটি চুক্তি হয়।




আন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত: নিষিদ্ধ হলো আওয়ামী লীগের রাজনীতি

গত বছরের জুলাই-অগাস্টের আন্দোলনে সংঘটিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। শনিবার (১০ মে) রাতে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের এক জরুরি বৈঠক থেকে এ সিদ্ধান্ত আসে।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন থাকা পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সব ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম, অনলাইন ও অফলাইনে—সাইবার জগৎসহ—সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আসিফ নজরুল।

তিনি জানান, “জুলাই আন্দোলনের নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বাদী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” পাশাপাশি জানানো হয়, এ সংক্রান্ত একটি সরকারি পরিপত্র পরবর্তী কর্মদিবসে জারি করা হবে।

এদিকে সদ্য গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গত দুই দিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করে আসছে। এনসিপি-সহ একাধিক সংগঠন দাবি করে, আন্দোলনের সময় সংঘটিত সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করতে হবে এবং বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

বৈঠকে আরও জানানো হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সংশোধনী অনুযায়ী, এখন থেকে কোনো রাজনৈতিক দল, তার অঙ্গসংগঠন বা সমর্থক গোষ্ঠীও ট্রাইব্যুনালের আওতায় আসবে এবং তাদের শাস্তির বিধান রাখা হবে।

বৈঠকে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে—জুলাই ঘোষণাপত্র আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত করে প্রকাশ করা হবে।

এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ভবিষ্যতে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সে বিষয়ে গভীর পর্যবেক্ষণে রয়েছে বিশ্লেষকরা।

মো: আল-আমিন
স্টাফ রিপোর্টার, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



পটুয়াখালীতে বরিশাল বিভাগের রোভারমেট ও সমাজ উন্নয়ন অ্যাওয়ার্ড বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালী সরকারি কলেজের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার রোভার স্কাউটদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী রোভারমেট ও সমাজ উন্নয়ন অ্যাওয়ার্ডবিষয়ক কর্মশালা। বাংলাদেশ স্কাউটস, রোভার অঞ্চলের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মশালাটি শনিবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়, যাতে অংশ নেন বরিশাল বিভাগের পটুয়াখালী, বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর ও বরগুনা জেলার শতাধিক রোভার স্কাউট সদস্য।

কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ছিল অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে নেতৃত্বের দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রেসিডেন্টস রোভার স্কাউট (পিআরএস) ও সমাজ উন্নয়ন (সিডি) অ্যাওয়ার্ড অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও নিয়ম-কানুন সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর মো: নজরুল ইসলাম খান, এল.টি., যিনি বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চলের আঞ্চলিক উপ-কমিশনার (প্রোগ্রাম ও আন্তর্জাতিক) এবং মোহাম্মদপুর সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকার অধ্যক্ষ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক ছিলেন পটুয়াখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ড. মো: আমিনুল ইসলাম টিটু, যিনি পটুয়াখালী জেলা রোভার স্কাউটসের সম্পাদক ও পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার।

পুরো কর্মশালাজুড়ে স্কাউটদের দক্ষ নেতৃত্ব গড়ে তোলার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এতে কার্যকর যোগাযোগ কৌশল, টিম ম্যানেজমেন্ট, সমস্যা সমাধানের কৌশল, পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও রিপোর্ট তৈরি সংক্রান্ত নানা দিক তুলে ধরা হয়। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় প্রেসিডেন্টস অ্যাওয়ার্ড ও সমাজ উন্নয়ন অ্যাওয়ার্ডের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া, মানদণ্ড ও সময়কাল সম্পর্কে বিশদ ধারণা প্রদানে।

বক্তারা বলেন, স্কাউটিং শুধু একটি আন্দোলন নয়, এটি তরুণ সমাজকে শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার শিক্ষায় শিক্ষিত করার কার্যকর মাধ্যম। তারা জানান, করোনা পরিস্থিতি, দুর্যোগ ও অন্যান্য সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে স্কাউটদের অবদান অত্যন্ত গৌরবময়। তারা আশা প্রকাশ করেন, এমন কর্মশালা রোভারদের আরও দায়িত্ববান করে তুলবে এবং ভবিষ্যতের নেতৃত্বে প্রস্তুত করবে।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী রোভার স্কাউটরা জানান, এই কর্মশালা থেকে তারা বাস্তব জীবনের সমস্যা মোকাবিলার কৌশল ও নেতৃত্বগুণ অর্জনের বাস্তব অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন। তারা নিজেদের এলাকায় স্কাউটিং কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ এবং সমাজ উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

আয়োজকেরা জানান, রোভারদের নেতৃত্বগুণ বিকাশ ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা জোরদারে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নিয়মিত আয়োজন করা হবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



বরিশাল-কুয়াকাটা ছয় লেন মহাসড়ক ও মীরগঞ্জ সেতু প্রকল্প শুরু ডিসেম্বরেই

বরিশালবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে এক বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই শুরু হচ্ছে ভাঙ্গা-কুয়াকাটা ছয় লেন মহাসড়ক এবং বরিশালের বহু প্রতীক্ষিত মীরগঞ্জ সেতু নির্মাণ কাজ।

শনিবার (১০ মে) বিকেল ৪টায় বরিশাল সার্কিট হাউজের ধানসিঁড়ি মিলনায়তনে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এই ঘোষণা দেন সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশালের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন এবং উপস্থিত ছিলেন শ্রম মন্ত্রণালয়ের সচিব এএইচএম সফিকুজ্জামান।

উপদেষ্টা জানান, ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পর্যন্ত ছয় জেলার ওপর দিয়ে ছয় লেনের এই মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প সরকারের অনুমোদন পেয়েছে। প্রথম ধাপে ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত কাজ শুরু হবে, এরপর ধাপে ধাপে বাকি অংশ বাস্তবায়ন হবে।

মীরগঞ্জ সেতু প্রকল্প নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। বলেন, “এই সেতু দীর্ঘদিন ধরে বরিশালবাসীর একটি বড় দাবি ছিল। ডিসেম্বরের মধ্যেই এর নির্মাণ কাজ শুরু হবে।”

বরিশালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “গত ১৭ বছরে এই অঞ্চলের তেমন উন্নয়ন হয়নি। ঢাকার সঙ্গে তুলনা করলে এখানকার রাস্তাঘাট এখনো অনেক পিছিয়ে। বরিশাল উন্নয়নের জন্য আরও বেশি মনোযোগ পাওয়ার দাবিদার।”

তিনি আরও বলেন, বরিশাল স্টেডিয়ামের উন্নয়ন কাজ চললেও অগ্রগতি ধীর। তবে বিসিবির চেয়ারম্যান ও সিইওর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে ডিসেম্বরের মধ্যে মাঠ খেলার উপযোগী হবে বলে আশ্বাস পাওয়া গেছে।

বরিশালের নৌপথ উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি জানান, হিজলার মৌলভীর হাট লঞ্চঘাট পুনরায় চালু করা হয়েছে এবং সেখানে ড্রেজিং কার্যক্রম চলছে। পাশাপাশি ৭-৮টি আধুনিক লঞ্চঘাট নির্মাণ এবং নতুন নৌরুট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। ঐতিহ্যবাহী স্টিমার সার্ভিস ফের চালুর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দুটি স্টিমারের সংস্কার কাজ চলমান, যা আগামী ৫-৭ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া খাল পুনঃখনন, বিশুদ্ধ পানির জন্য শোধনাগার নির্মাণ, মেহেন্দিগঞ্জে নদীভাঙন প্রতিরোধে ৬০০ কোটি টাকার প্রকল্পসহ আরও বেশ কিছু উন্নয়ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি।

বরিশালের পুরনো বিনোদনকেন্দ্র ‘বেল্স পার্ক’ পুনরুদ্ধার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটি একসময় বরিশালের প্রাণ ছিল। আমরা এটিকে আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ পার্ক হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। থাকবে ফুড জোন, থাকবে পারিবারিক পরিবেশ।”

মতবিনিময় সভায় বরিশালের সাংবাদিকরা বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে মতামত ও প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।


মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম


 




বগা সেতু নির্মাণের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

পটুয়াখালীর বাউফলের জনসাধারণ দীর্ঘদিন ধরে যে দুর্ভোগের মুখোমুখি হচ্ছেন, তার অবসানে ‘বগা সেতু’ নির্মাণের জোর দাবি জানিয়ে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে ‘বগা সেতু বাস্তবায়ন পরিষদ’-এর ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বাউফল, গলাচিপা, দশমিনা ও কলাপাড়া—চার উপজেলার বিপুলসংখ্যক মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, লোহালিয়া নদীর ওপর একটি সেতু নির্মিত হলে দক্ষিণাঞ্চলের লাখো মানুষের জীবনযাত্রা বদলে যাবে। বর্ষাকালে নৌপথের ওপর নির্ভরশীল এই জনপদের শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ মানুষকে যেভাবে দুর্ভোগ পোহাতে হয়, তা একটি সেতুই দূর করতে পারে। বক্তারা দাবি জানান, বছরের পর বছর ধরে নির্বাচন এলেই সেতুর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, অথচ বাস্তবায়নের কোনো অগ্রগতি নেই। এই অবহেলার চিত্র পাল্টাতে হলে সরকারের এখনই পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

আন্দোলনকারীরা জানান, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে বাউফলসহ আশপাশের এলাকার অর্থনীতি, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষা খাতে ব্যাপক পরিবর্তন সম্ভব। তারা আরও বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে ‘বগা সেতু’ একটি অপরিহার্য অবকাঠামো হয়ে উঠবে।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বগা সেতু বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক ও এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন। বক্তব্য দেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বাউফল উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম ফারুক তালুকদার, বাউফল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও জামায়াতের ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, শহীদ জিয়া পরিষদের আহ্বায়ক আনিসুর রহমান আনিস, বগা সেতু বাস্তবায়ন পরিষদের সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার রুমান, আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান আনিস, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর মো. মাহফুজুর রহমান, সবুজ দাসপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আজম চৌধুরী, বাউফল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জি এম ফারুক হোসেন, ব্যবসায়ী মো. হেলাল উদ্দিন, ইউনুস চৌধুরী, রমিজ উদ্দিন হাওলাদারসহ আরও অনেকে। মানববন্ধনটি সঞ্চালনা করেন মারুফ আল মুজাহিদ।

বক্তারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “বছরের পর বছর ধরে আমরা সেতুর আশায় দিন গুনছি। সময় এসেছে বাস্তবায়নের। জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে দ্রুত বগা সেতু নির্মাণে সরকারের সুস্পষ্ট ঘোষণা ও বরাদ্দ দাবি করছি।”

“মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”



কুয়াকাটা সৈকতে ঢেউয়ের তোড়ে প্রাণ গেল পর্যটকের

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে গোসলে নেমে ঢেউয়ের তোড়ে ডুবে গিয়ে রাজেশ কুমার পাল (৪০) নামে এক পর্যটকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার বেলা আনুমানিক এগারোটার দিকে সৈকতের জিরো পয়েন্টের পশ্চিম পাশে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত রাজেশ রাজশাহী জেলার পুটিয়া উপজেলার শরৎ কুমার পালের ছেলে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, রাজেশ কুমার পাল তার এক চাচাতো ভাই ও ভগ্নিপতিকে সঙ্গে নিয়ে কুয়াকাটা ঘুরতে এসেছিলেন। তারা কুয়াকাটার হোটেল সাগর নীড়ে অবস্থান করছিলেন। সকালে সকলে মিলে সৈকতে গোসল করতে নামেন।

গোসলের সময় ঢেউয়ের প্রচণ্ড তোড়ে রাজেশ কিছুটা গভীরে চলে যান এবং হঠাৎ করেই ডুবে যেতে থাকেন। সঙ্গে থাকা আত্মীয়দের চিৎকারে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, “দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই এবং লাশ উদ্ধার করি। এরপর আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।”

এই ঘটনায় সৈকতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় প্রশ্ন তুলেছেন পর্যটক ও স্থানীয়রা। কুয়াকাটার মতো জনপ্রিয় একটি পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে কর্তৃপক্ষকে আরও সক্রিয় হওয়ার দাবি উঠেছে।

“মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”

 




অপার সম্ভাবনার নিদ্রা সমুদ্র সৈকত: একটি নতুন পর্যটন কেন্দ্র

বরগুনার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নে অবস্থিত নিদ্রা সমুদ্র সৈকত, যা স্থানীয়ভাবে ‘নিদ্রার চর’ নামেও পরিচিত, বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই সৈকতটি পর্যটকদের জন্য এক বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠছে।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য:
নিদ্রা সৈকত তার অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত। একদিকে সাগর, অন্যদিকে নদী এবং মাঝখানে সবুজ কেওড়া ও ঝাউবনের পরিবেশ দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। এখানে জোয়ার-ভাঁটার খেলা, শ্বাসমূলের সমারোহ এবং বিস্তীর্ণ সবুজ প্রান্তর পর্যটকদের কাছে এক অপূর্ব দৃশ্য উপস্থাপন করে।

পার্শ্ববর্তী পর্যটন স্থান:
নিদ্রা সৈকত তার আশেপাশে আরও কয়েকটি আকর্ষণীয় পর্যটন স্থান সমৃদ্ধ। এর কাছেই রয়েছে শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত, যেখানে প্রতি বছর জোছনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া, বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন টেংরাগিরি, ফাতরার চর এবং সোনাকাটা ইকোপার্ক এই এলাকায় অবস্থিত। নিদ্রা সৈকত এবং এর আশপাশের এলাকা পর্যটকদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতার প্যাকেজ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

অধিকারী ব্যক্তির মতামত:
স্থানীয় পর্যটন উদ্যোক্তা আরিফ রহমান বলেন, নিদ্রা সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং বৈচিত্র্য পর্যটকদের সহজেই আকর্ষণ করতে সক্ষম। তিনি আরও উল্লেখ করেন, যদি এখানে পর্যটন অবকাঠামো উন্নত করা যায়, তবে এটি খুব শীঘ্রই দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হতে পারে।

এছাড়া, তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে সালমা বলেন, নিদ্রা সৈকতকে কেন্দ্র করে সরকারের পক্ষ থেকে পর্যটন শিল্পের বিকাশে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সুবিধা নিশ্চিত করতে তারা কাজ করছেন।

কীভাবে যাবেন:
ঢাকা থেকে সড়কপথে সরাসরি বাসে বা নিজের গাড়িতে তালতলী উপজেলা হয়ে নিদ্রা সৈকতে যাওয়া যায়। নৌপথে বরগুনা বা আমতলীর লঞ্চে এসে ভাড়া গাড়ি বা মোটরসাইকেলে তালতলী হয়ে সোনাকাটা ইউনিয়নে অবস্থিত নিদ্রা সৈকতে পৌঁছানো সম্ভব।

তালতলী শহরের বিভিন্ন আবাসিক হোটেল এবং জেলা পরিষদ ডাক বাংলোয় রাত কাটানোর ব্যবস্থাও রয়েছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম




নাসুমের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসে বাংলাদেশের লড়াকু পুঁজি

বাংলাদেশ ‘এ’ দল ওয়ানডে সিরিজ আগেই জয় করে নিয়েছিল, কিন্তু এবার ছিল ধবলধোলাইয়ের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে আজ মিরপুরে অনুষ্ঠিত সিরিজের শেষ ম্যাচে নেমেছিল নুরুল হাসান সোহান নেতৃত্বাধীন দল। যদিও ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভালো ছিল না, তবে শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ের মতো স্কোর দাঁড় করিয়ে বাংলাদেশ দল ২২৭ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়।

মিরপুরের মাঠে শুরুতেই বড় চাপের মুখে পড়ে বাংলাদেশ। মাত্র ১০৪ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে দুর্দশায় পড়ে স্বাগতিকরা। আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা নুরুল হাসান সোহানও এদিন খুব বেশিদিন টিকতে পারেননি। এরপর ইয়াসির আলী রাব্বি ও নাসুম আহমেদের দৃঢ়তায় বাংলাদেশের ইনিংস ঘুরে দাঁড়ায়। ইয়াসির ৬৩ রানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন এবং নাসুম আহমেদ তার লিস্ট ‘এ’ ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি পূর্ণ করেন। তিনি ৯৭ বল খেলে ৬৭ রান করেন।

এই জুটির উপর নির্ভর করেই বাংলাদেশ দল লড়াইয়ের মতো পুঁজি পায়। শেষ উইকেটে ইবাদতকে নিয়ে ৪৬ রানের একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্টনারশিপে স্কোর ২০০ পার করেন নাসুম। নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন লেগ স্পিনার আদিত্য আশোক, যিনি ৩টি উইকেট নেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ ‘এ’ দল: ৪৭.৩ ওভারে ২২৭/১০ (সাইফ ৩১, ইয়াসির ৬৩, নাসুম ৬৭; অশোক ৩/৪৪, ফক্সক্রফট ২/৩২, লেনক্স ২/৩৫)

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম




তীব্র গরমে সুস্থ থাকতে মেনে চলুন এই সহজ অভ্যাসগুলো

দেশজুড়ে চলমান তীব্র গরমে জনজীবনে নেমে এসেছে অস্বস্তি ও ক্লান্তি। এই সময়ে সামান্য অবহেলাও শরীরের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাই গরমের এই মৌসুমে সতর্কতা অবলম্বন করে চলা অত্যন্ত জরুরি।

তীব্র গরমে সুস্থ ও সতেজ থাকতে যা করণীয়:

প্রচুর পানি পান করুন
এই গরমে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে পানি দ্রুত বের হয়ে যায়। ফলে ডিহাইড্রেশনের আশঙ্কা থাকে। প্রতিদিন অন্তত ২.৫ থেকে ৩ লিটার পানি পান করা জরুরি। পাশাপাশি ফলের রস, ডাবের পানি ও লেবু-শরবতও খেতে পারেন।

হালকা ও আরামদায়ক পোশাক পরুন
সূর্যের তাপ থেকে বাঁচতে হালকা রঙের সুতির এবং ঢিলেঢালা পোশাক ব্যবহার করুন। বাইরে বের হলে ছাতা, সানগ্লাস ও টুপি পরার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলুন
দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সূর্যের তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে। এই সময় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়াই ভালো। যেতে হলে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন এবং ছায়াযুক্ত স্থানে অবস্থান করুন।

খাবারে সচেতন হোন
গরমে বেশি তেল-মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। সহজে হজম হয় এমন হালকা খাবার খান। তরমুজ, বাঙ্গি, শসার মতো পানিযুক্ত মৌসুমি ফল খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন
তাপমাত্রা বেশি থাকলে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম ও মাঝে মাঝে বিশ্রাম নেয়া জরুরি।

শিশু ও বৃদ্ধদের বাড়তি যত্ন দিন
এই বয়সভিত্তিক দুই শ্রেণি গরমের ঝুঁকিতে বেশি থাকে। তাই তাদের পর্যাপ্ত পানি পান ও রোদ থেকে দূরে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

স্বাস্থ্য সমস্যা হলে অবহেলা নয়
অতিরিক্ত ঘাম, মাথা ঘোরা, বমি ভাব বা দুর্বল লাগলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এগুলো হিটস্ট্রোকের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে এই তীব্র গরমেও নিজেকে সুস্থ রাখা সম্ভব।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




দীপ্ত স্টার হান্টে বাজিমাত করলেন মিষ্টি ও শাকিব

২০২৫ সালের দীপ্ত স্টার হান্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়নের মুকুট জিতেছেন কিশোরগঞ্জের মিষ্টি ঘোষ ও বরিশালের শাকিব হোসেন। প্রথম রানার্সআপ হয়েছেন যশোরের ফারিহা রহমান এবং বরিশালের শফিউল রাজ। দ্বিতীয় রানার্সআপ হয়েছেন সিলেটের সানজিদা চৌধুরী ও বরিশালের হাফিজ রহমান।

গতকাল শুক্রবার রাত ১০টায় দীপ্ত টিভিতে প্রচারিত হয় এই রিয়েলিটি শোর গ্র্যান্ড ফিনালে। টপ ৬ প্রতিযোগীর অংশগ্রহণে আয়োজিত হয় নাচ, কমেডি স্কিট ও মিউজিক ম্যাশআপ। এতে পারফর্ম করেন শিল্পী সন্ধি, সভ্যতা ও কর্নিয়া।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিচারক তারিক আনাম খান, শিহাব শাহীন ও রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। এছাড়া দীপ্ত টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জাহেদুল হাসান, পরিচালক কাজী জাহিন হাসান, সিইও তাসনুভা আহমেদ টিনা, নির্মাতা গিয়াসউদ্দিন সেলিম, অনিমেষ আইচ, চয়নিকা চৌধুরীসহ চলচ্চিত্র ও নাট্যজগতের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।

প্রতিযোগিতায় শুরুতে অংশ নিয়েছিলেন তিন হাজারেরও বেশি প্রতিযোগী। নানা বাছাইপর্ব পার হয়ে বিচারকমণ্ডলী চূড়ান্তভাবে বেছে নেন সেরা দশ জনকে। তাদের মধ্যে ছিলেন— শফিউল রাজ, হাফিজ রহমান, শাকিব হোসেন, শিমুল বিশ্বাস, এম এস এইচ লাবন, সানজিদা চৌধুরী, নূপুর আহসান, মিষ্টি ঘোষ, ফারিহা রহমান ও শেখ ফারিয়া হোসেন।

দুই বছরের বিশেষ চুক্তির আওতায় চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপরা কাজের সুযোগ পাবেন সিনেমা, ওয়েব ফিল্ম, সিরিজ এবং টিভি নাটকে। প্রযোজনা ও প্রচারে থাকবে কাজী মিডিয়া লিমিটেড। সুপারস্টার হওয়ার পথে এটি তাদের জন্য বড় এক মঞ্চ।

চ্যাম্পিয়ন শাকিব হোসেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের শিক্ষার্থী। ক্যামেরার পেছনে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলেও অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ ছিল কম। কিন্তু দীপ্ত স্টার হান্টের একটি পোস্ট দেখে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। শাকিব বলেন, “আমি জানি আমি সেরা। স্টেজে অনেকবার উঠেছি, তাই নার্ভাস হইনি। আমি সামনে-পেছনে, দুই জায়গাতেই নিজেকে প্রমাণ করতে চাই।”

অপর বিজয়ী মিষ্টি ঘোষ ঢাকার একটি ফ্যাশন হাউসে ডিজিটাল বিপণন বিভাগে কর্মরত। একবার বাদ পড়েও বিচারকদের সিদ্ধান্তে ফিরে আসেন প্রতিযোগিতায়। সেই প্রত্যাবর্তনে সেরা পারফর্ম করেই জয় ছিনিয়ে নেন। মিষ্টি বলেন, “আশা করিনি। ফিরে আসার পর প্রচণ্ড চাপ ছিল। যখন আমার নাম ঘোষণা হলো, তখন বিশ্বাসই করতে পারিনি—আমি চ্যাম্পিয়ন!”

এই প্রতিযোগিতা যেমন নতুন প্রতিভার খোঁজ দিয়েছে, তেমনি তাদের দিয়েছে স্বপ্ন পূরণের পথ। দীপ্ত স্টার হান্ট এর মাধ্যমে উঠে আসা এই মুখগুলোই হতে পারে আগামী দিনের তারকা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /