বরিশাল-কুয়াকাটা ছয় লেন মহাসড়ক ও মীরগঞ্জ সেতু প্রকল্প শুরু ডিসেম্বরেই

বরিশালবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে এক বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই শুরু হচ্ছে ভাঙ্গা-কুয়াকাটা ছয় লেন মহাসড়ক এবং বরিশালের বহু প্রতীক্ষিত মীরগঞ্জ সেতু নির্মাণ কাজ।

শনিবার (১০ মে) বিকেল ৪টায় বরিশাল সার্কিট হাউজের ধানসিঁড়ি মিলনায়তনে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এই ঘোষণা দেন সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশালের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন এবং উপস্থিত ছিলেন শ্রম মন্ত্রণালয়ের সচিব এএইচএম সফিকুজ্জামান।

উপদেষ্টা জানান, ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পর্যন্ত ছয় জেলার ওপর দিয়ে ছয় লেনের এই মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প সরকারের অনুমোদন পেয়েছে। প্রথম ধাপে ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত কাজ শুরু হবে, এরপর ধাপে ধাপে বাকি অংশ বাস্তবায়ন হবে।

মীরগঞ্জ সেতু প্রকল্প নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। বলেন, “এই সেতু দীর্ঘদিন ধরে বরিশালবাসীর একটি বড় দাবি ছিল। ডিসেম্বরের মধ্যেই এর নির্মাণ কাজ শুরু হবে।”

বরিশালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “গত ১৭ বছরে এই অঞ্চলের তেমন উন্নয়ন হয়নি। ঢাকার সঙ্গে তুলনা করলে এখানকার রাস্তাঘাট এখনো অনেক পিছিয়ে। বরিশাল উন্নয়নের জন্য আরও বেশি মনোযোগ পাওয়ার দাবিদার।”

তিনি আরও বলেন, বরিশাল স্টেডিয়ামের উন্নয়ন কাজ চললেও অগ্রগতি ধীর। তবে বিসিবির চেয়ারম্যান ও সিইওর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে ডিসেম্বরের মধ্যে মাঠ খেলার উপযোগী হবে বলে আশ্বাস পাওয়া গেছে।

বরিশালের নৌপথ উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি জানান, হিজলার মৌলভীর হাট লঞ্চঘাট পুনরায় চালু করা হয়েছে এবং সেখানে ড্রেজিং কার্যক্রম চলছে। পাশাপাশি ৭-৮টি আধুনিক লঞ্চঘাট নির্মাণ এবং নতুন নৌরুট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। ঐতিহ্যবাহী স্টিমার সার্ভিস ফের চালুর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দুটি স্টিমারের সংস্কার কাজ চলমান, যা আগামী ৫-৭ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া খাল পুনঃখনন, বিশুদ্ধ পানির জন্য শোধনাগার নির্মাণ, মেহেন্দিগঞ্জে নদীভাঙন প্রতিরোধে ৬০০ কোটি টাকার প্রকল্পসহ আরও বেশ কিছু উন্নয়ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি।

বরিশালের পুরনো বিনোদনকেন্দ্র ‘বেল্স পার্ক’ পুনরুদ্ধার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটি একসময় বরিশালের প্রাণ ছিল। আমরা এটিকে আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ পার্ক হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। থাকবে ফুড জোন, থাকবে পারিবারিক পরিবেশ।”

মতবিনিময় সভায় বরিশালের সাংবাদিকরা বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে মতামত ও প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।


মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম


 




বগা সেতু নির্মাণের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

পটুয়াখালীর বাউফলের জনসাধারণ দীর্ঘদিন ধরে যে দুর্ভোগের মুখোমুখি হচ্ছেন, তার অবসানে ‘বগা সেতু’ নির্মাণের জোর দাবি জানিয়ে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে ‘বগা সেতু বাস্তবায়ন পরিষদ’-এর ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বাউফল, গলাচিপা, দশমিনা ও কলাপাড়া—চার উপজেলার বিপুলসংখ্যক মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, লোহালিয়া নদীর ওপর একটি সেতু নির্মিত হলে দক্ষিণাঞ্চলের লাখো মানুষের জীবনযাত্রা বদলে যাবে। বর্ষাকালে নৌপথের ওপর নির্ভরশীল এই জনপদের শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ মানুষকে যেভাবে দুর্ভোগ পোহাতে হয়, তা একটি সেতুই দূর করতে পারে। বক্তারা দাবি জানান, বছরের পর বছর ধরে নির্বাচন এলেই সেতুর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, অথচ বাস্তবায়নের কোনো অগ্রগতি নেই। এই অবহেলার চিত্র পাল্টাতে হলে সরকারের এখনই পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

আন্দোলনকারীরা জানান, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে বাউফলসহ আশপাশের এলাকার অর্থনীতি, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষা খাতে ব্যাপক পরিবর্তন সম্ভব। তারা আরও বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে ‘বগা সেতু’ একটি অপরিহার্য অবকাঠামো হয়ে উঠবে।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বগা সেতু বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক ও এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন। বক্তব্য দেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বাউফল উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম ফারুক তালুকদার, বাউফল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও জামায়াতের ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, শহীদ জিয়া পরিষদের আহ্বায়ক আনিসুর রহমান আনিস, বগা সেতু বাস্তবায়ন পরিষদের সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার রুমান, আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান আনিস, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর মো. মাহফুজুর রহমান, সবুজ দাসপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আজম চৌধুরী, বাউফল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জি এম ফারুক হোসেন, ব্যবসায়ী মো. হেলাল উদ্দিন, ইউনুস চৌধুরী, রমিজ উদ্দিন হাওলাদারসহ আরও অনেকে। মানববন্ধনটি সঞ্চালনা করেন মারুফ আল মুজাহিদ।

বক্তারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “বছরের পর বছর ধরে আমরা সেতুর আশায় দিন গুনছি। সময় এসেছে বাস্তবায়নের। জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে দ্রুত বগা সেতু নির্মাণে সরকারের সুস্পষ্ট ঘোষণা ও বরাদ্দ দাবি করছি।”

“মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”



কুয়াকাটা সৈকতে ঢেউয়ের তোড়ে প্রাণ গেল পর্যটকের

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে গোসলে নেমে ঢেউয়ের তোড়ে ডুবে গিয়ে রাজেশ কুমার পাল (৪০) নামে এক পর্যটকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার বেলা আনুমানিক এগারোটার দিকে সৈকতের জিরো পয়েন্টের পশ্চিম পাশে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত রাজেশ রাজশাহী জেলার পুটিয়া উপজেলার শরৎ কুমার পালের ছেলে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, রাজেশ কুমার পাল তার এক চাচাতো ভাই ও ভগ্নিপতিকে সঙ্গে নিয়ে কুয়াকাটা ঘুরতে এসেছিলেন। তারা কুয়াকাটার হোটেল সাগর নীড়ে অবস্থান করছিলেন। সকালে সকলে মিলে সৈকতে গোসল করতে নামেন।

গোসলের সময় ঢেউয়ের প্রচণ্ড তোড়ে রাজেশ কিছুটা গভীরে চলে যান এবং হঠাৎ করেই ডুবে যেতে থাকেন। সঙ্গে থাকা আত্মীয়দের চিৎকারে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, “দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই এবং লাশ উদ্ধার করি। এরপর আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।”

এই ঘটনায় সৈকতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় প্রশ্ন তুলেছেন পর্যটক ও স্থানীয়রা। কুয়াকাটার মতো জনপ্রিয় একটি পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে কর্তৃপক্ষকে আরও সক্রিয় হওয়ার দাবি উঠেছে।

“মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”

 




অপার সম্ভাবনার নিদ্রা সমুদ্র সৈকত: একটি নতুন পর্যটন কেন্দ্র

বরগুনার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নে অবস্থিত নিদ্রা সমুদ্র সৈকত, যা স্থানীয়ভাবে ‘নিদ্রার চর’ নামেও পরিচিত, বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই সৈকতটি পর্যটকদের জন্য এক বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠছে।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য:
নিদ্রা সৈকত তার অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত। একদিকে সাগর, অন্যদিকে নদী এবং মাঝখানে সবুজ কেওড়া ও ঝাউবনের পরিবেশ দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। এখানে জোয়ার-ভাঁটার খেলা, শ্বাসমূলের সমারোহ এবং বিস্তীর্ণ সবুজ প্রান্তর পর্যটকদের কাছে এক অপূর্ব দৃশ্য উপস্থাপন করে।

পার্শ্ববর্তী পর্যটন স্থান:
নিদ্রা সৈকত তার আশেপাশে আরও কয়েকটি আকর্ষণীয় পর্যটন স্থান সমৃদ্ধ। এর কাছেই রয়েছে শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত, যেখানে প্রতি বছর জোছনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া, বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন টেংরাগিরি, ফাতরার চর এবং সোনাকাটা ইকোপার্ক এই এলাকায় অবস্থিত। নিদ্রা সৈকত এবং এর আশপাশের এলাকা পর্যটকদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতার প্যাকেজ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

অধিকারী ব্যক্তির মতামত:
স্থানীয় পর্যটন উদ্যোক্তা আরিফ রহমান বলেন, নিদ্রা সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং বৈচিত্র্য পর্যটকদের সহজেই আকর্ষণ করতে সক্ষম। তিনি আরও উল্লেখ করেন, যদি এখানে পর্যটন অবকাঠামো উন্নত করা যায়, তবে এটি খুব শীঘ্রই দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হতে পারে।

এছাড়া, তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে সালমা বলেন, নিদ্রা সৈকতকে কেন্দ্র করে সরকারের পক্ষ থেকে পর্যটন শিল্পের বিকাশে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সুবিধা নিশ্চিত করতে তারা কাজ করছেন।

কীভাবে যাবেন:
ঢাকা থেকে সড়কপথে সরাসরি বাসে বা নিজের গাড়িতে তালতলী উপজেলা হয়ে নিদ্রা সৈকতে যাওয়া যায়। নৌপথে বরগুনা বা আমতলীর লঞ্চে এসে ভাড়া গাড়ি বা মোটরসাইকেলে তালতলী হয়ে সোনাকাটা ইউনিয়নে অবস্থিত নিদ্রা সৈকতে পৌঁছানো সম্ভব।

তালতলী শহরের বিভিন্ন আবাসিক হোটেল এবং জেলা পরিষদ ডাক বাংলোয় রাত কাটানোর ব্যবস্থাও রয়েছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম




নাসুমের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসে বাংলাদেশের লড়াকু পুঁজি

বাংলাদেশ ‘এ’ দল ওয়ানডে সিরিজ আগেই জয় করে নিয়েছিল, কিন্তু এবার ছিল ধবলধোলাইয়ের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে আজ মিরপুরে অনুষ্ঠিত সিরিজের শেষ ম্যাচে নেমেছিল নুরুল হাসান সোহান নেতৃত্বাধীন দল। যদিও ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভালো ছিল না, তবে শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ের মতো স্কোর দাঁড় করিয়ে বাংলাদেশ দল ২২৭ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়।

মিরপুরের মাঠে শুরুতেই বড় চাপের মুখে পড়ে বাংলাদেশ। মাত্র ১০৪ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে দুর্দশায় পড়ে স্বাগতিকরা। আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা নুরুল হাসান সোহানও এদিন খুব বেশিদিন টিকতে পারেননি। এরপর ইয়াসির আলী রাব্বি ও নাসুম আহমেদের দৃঢ়তায় বাংলাদেশের ইনিংস ঘুরে দাঁড়ায়। ইয়াসির ৬৩ রানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন এবং নাসুম আহমেদ তার লিস্ট ‘এ’ ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি পূর্ণ করেন। তিনি ৯৭ বল খেলে ৬৭ রান করেন।

এই জুটির উপর নির্ভর করেই বাংলাদেশ দল লড়াইয়ের মতো পুঁজি পায়। শেষ উইকেটে ইবাদতকে নিয়ে ৪৬ রানের একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্টনারশিপে স্কোর ২০০ পার করেন নাসুম। নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন লেগ স্পিনার আদিত্য আশোক, যিনি ৩টি উইকেট নেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ ‘এ’ দল: ৪৭.৩ ওভারে ২২৭/১০ (সাইফ ৩১, ইয়াসির ৬৩, নাসুম ৬৭; অশোক ৩/৪৪, ফক্সক্রফট ২/৩২, লেনক্স ২/৩৫)

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম




তীব্র গরমে সুস্থ থাকতে মেনে চলুন এই সহজ অভ্যাসগুলো

দেশজুড়ে চলমান তীব্র গরমে জনজীবনে নেমে এসেছে অস্বস্তি ও ক্লান্তি। এই সময়ে সামান্য অবহেলাও শরীরের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাই গরমের এই মৌসুমে সতর্কতা অবলম্বন করে চলা অত্যন্ত জরুরি।

তীব্র গরমে সুস্থ ও সতেজ থাকতে যা করণীয়:

প্রচুর পানি পান করুন
এই গরমে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে পানি দ্রুত বের হয়ে যায়। ফলে ডিহাইড্রেশনের আশঙ্কা থাকে। প্রতিদিন অন্তত ২.৫ থেকে ৩ লিটার পানি পান করা জরুরি। পাশাপাশি ফলের রস, ডাবের পানি ও লেবু-শরবতও খেতে পারেন।

হালকা ও আরামদায়ক পোশাক পরুন
সূর্যের তাপ থেকে বাঁচতে হালকা রঙের সুতির এবং ঢিলেঢালা পোশাক ব্যবহার করুন। বাইরে বের হলে ছাতা, সানগ্লাস ও টুপি পরার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলুন
দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সূর্যের তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে। এই সময় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়াই ভালো। যেতে হলে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন এবং ছায়াযুক্ত স্থানে অবস্থান করুন।

খাবারে সচেতন হোন
গরমে বেশি তেল-মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। সহজে হজম হয় এমন হালকা খাবার খান। তরমুজ, বাঙ্গি, শসার মতো পানিযুক্ত মৌসুমি ফল খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন
তাপমাত্রা বেশি থাকলে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম ও মাঝে মাঝে বিশ্রাম নেয়া জরুরি।

শিশু ও বৃদ্ধদের বাড়তি যত্ন দিন
এই বয়সভিত্তিক দুই শ্রেণি গরমের ঝুঁকিতে বেশি থাকে। তাই তাদের পর্যাপ্ত পানি পান ও রোদ থেকে দূরে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

স্বাস্থ্য সমস্যা হলে অবহেলা নয়
অতিরিক্ত ঘাম, মাথা ঘোরা, বমি ভাব বা দুর্বল লাগলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এগুলো হিটস্ট্রোকের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে এই তীব্র গরমেও নিজেকে সুস্থ রাখা সম্ভব।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




দীপ্ত স্টার হান্টে বাজিমাত করলেন মিষ্টি ও শাকিব

২০২৫ সালের দীপ্ত স্টার হান্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়নের মুকুট জিতেছেন কিশোরগঞ্জের মিষ্টি ঘোষ ও বরিশালের শাকিব হোসেন। প্রথম রানার্সআপ হয়েছেন যশোরের ফারিহা রহমান এবং বরিশালের শফিউল রাজ। দ্বিতীয় রানার্সআপ হয়েছেন সিলেটের সানজিদা চৌধুরী ও বরিশালের হাফিজ রহমান।

গতকাল শুক্রবার রাত ১০টায় দীপ্ত টিভিতে প্রচারিত হয় এই রিয়েলিটি শোর গ্র্যান্ড ফিনালে। টপ ৬ প্রতিযোগীর অংশগ্রহণে আয়োজিত হয় নাচ, কমেডি স্কিট ও মিউজিক ম্যাশআপ। এতে পারফর্ম করেন শিল্পী সন্ধি, সভ্যতা ও কর্নিয়া।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিচারক তারিক আনাম খান, শিহাব শাহীন ও রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। এছাড়া দীপ্ত টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জাহেদুল হাসান, পরিচালক কাজী জাহিন হাসান, সিইও তাসনুভা আহমেদ টিনা, নির্মাতা গিয়াসউদ্দিন সেলিম, অনিমেষ আইচ, চয়নিকা চৌধুরীসহ চলচ্চিত্র ও নাট্যজগতের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।

প্রতিযোগিতায় শুরুতে অংশ নিয়েছিলেন তিন হাজারেরও বেশি প্রতিযোগী। নানা বাছাইপর্ব পার হয়ে বিচারকমণ্ডলী চূড়ান্তভাবে বেছে নেন সেরা দশ জনকে। তাদের মধ্যে ছিলেন— শফিউল রাজ, হাফিজ রহমান, শাকিব হোসেন, শিমুল বিশ্বাস, এম এস এইচ লাবন, সানজিদা চৌধুরী, নূপুর আহসান, মিষ্টি ঘোষ, ফারিহা রহমান ও শেখ ফারিয়া হোসেন।

দুই বছরের বিশেষ চুক্তির আওতায় চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপরা কাজের সুযোগ পাবেন সিনেমা, ওয়েব ফিল্ম, সিরিজ এবং টিভি নাটকে। প্রযোজনা ও প্রচারে থাকবে কাজী মিডিয়া লিমিটেড। সুপারস্টার হওয়ার পথে এটি তাদের জন্য বড় এক মঞ্চ।

চ্যাম্পিয়ন শাকিব হোসেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের শিক্ষার্থী। ক্যামেরার পেছনে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলেও অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ ছিল কম। কিন্তু দীপ্ত স্টার হান্টের একটি পোস্ট দেখে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। শাকিব বলেন, “আমি জানি আমি সেরা। স্টেজে অনেকবার উঠেছি, তাই নার্ভাস হইনি। আমি সামনে-পেছনে, দুই জায়গাতেই নিজেকে প্রমাণ করতে চাই।”

অপর বিজয়ী মিষ্টি ঘোষ ঢাকার একটি ফ্যাশন হাউসে ডিজিটাল বিপণন বিভাগে কর্মরত। একবার বাদ পড়েও বিচারকদের সিদ্ধান্তে ফিরে আসেন প্রতিযোগিতায়। সেই প্রত্যাবর্তনে সেরা পারফর্ম করেই জয় ছিনিয়ে নেন। মিষ্টি বলেন, “আশা করিনি। ফিরে আসার পর প্রচণ্ড চাপ ছিল। যখন আমার নাম ঘোষণা হলো, তখন বিশ্বাসই করতে পারিনি—আমি চ্যাম্পিয়ন!”

এই প্রতিযোগিতা যেমন নতুন প্রতিভার খোঁজ দিয়েছে, তেমনি তাদের দিয়েছে স্বপ্ন পূরণের পথ। দীপ্ত স্টার হান্ট এর মাধ্যমে উঠে আসা এই মুখগুলোই হতে পারে আগামী দিনের তারকা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস ২০২৫: নগর হোক পাখিরও আশ্রয়

দূর দিগন্ত পেরিয়ে প্রতিবছর কোটি কোটি পাখি হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দেয় নতুন আশ্রয় খোঁজে। এই অসাধারণ পরিযাণ শুধু প্রকৃতির খেলা নয়, বরং জীবন বাঁচানোর এক নিরন্তর লড়াই। কিন্তু আজ সেই পাখিদের জন্য নিরাপদ আশ্রয় ক্রমেই কমছে মানুষের নগরায়ণের দাপটে। তাই ২০২৫ সালের বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস-এ নতুন করে আহ্বান জানানো হয়েছে: “অংশীদারিত্বের স্থান: পাখিবান্ধব নগর ও সমাজ গঠন”

প্রতিবছর মে মাসের দ্বিতীয় শনিবার পালিত হয় এই দিবস। এ বছরের প্রতিপাদ্য মানুষ ও পাখির সহাবস্থানের গুরুত্বকে সামনে এনেছে। পরিযায়ী পাখি কেবল সৌন্দর্য নয়, বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায়, ফসল রক্ষা, পরাগায়ন ও বীজ বিস্তারে অনন্য ভূমিকা রাখে। অথচ, জলাভূমি ভরাট, গাছ কাটাসহ নানা কারণে পাখিরা হারাচ্ছে তাদের প্রাকৃতিক আশ্রয়স্থল।

অপরিকল্পিত নগরায়ণ, আলো ও শব্দ দূষণ, রাসায়নিকের ব্যবহার, বিদ্যুতের খুঁটি ও যানবাহনের ধাক্কায় প্রতিনিয়ত পাখির জীবন ঝুঁকিতে পড়ছে। শহরের শিশুরা কখনো কৌতূহলে, আবার কেউ কেউ শিকার করতেও পাখিদের ক্ষতি করছে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে গুলশান লেক, হাতিরঝিল, রমনা উদ্যান, সংসদ ভবন এলাকায় পরিযায়ী পাখি আসে, কিন্তু নিরাপদ নয় তারা।

পরিবেশবিদরা বলছেন, পাখিবান্ধব শহর মানে শুধু পাখির নিরাপত্তা নয়— এটি পরিবেশবান্ধব, বাসযোগ্য ও মানসিকভাবে শান্তিপূর্ণ সমাজের প্রতিচ্ছবি।
এ জন্য প্রয়োজন—

  • শহরের পরিকল্পনায় সবুজ বেল্ট ও গাছ সংরক্ষণ
  • কাচ ও আলো ব্যবহারে সচেতনতা
  • শিশুকিশোরদের বার্ড ওয়াচিংয়ের মাধ্যমে সচেতন করা
  • স্থানীয় প্রজাতির গাছ রোপণ
  • জলাশয় সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ
  • শব্দ ও আলোক দূষণ হ্রাসে কঠোর ব্যবস্থা
  • পাখির খাদ্যের জন্য বিষমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা

বাংলাদেশের বন অধিদপ্তর ইতোমধ্যেই পরিযায়ী পাখি সংরক্ষণে পদক্ষেপ নিয়েছে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন প্রয়োগ, অবৈধ পাখি বাজারে অভিযান, কমিউনিটি প্যাট্রল দল, সংরক্ষিত অঞ্চল ঘোষণা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে তারা।

ব্যক্তিগত পর্যায়ে আমরা কী করতে পারি?

  • বারান্দা ও ছাদে পানির পাত্র রাখা
  • কীটনাশক এড়িয়ে জৈব বাগান করা
  • আহত পাখিকে সাহায্য করা
  • পাখি নিয়ে শিক্ষামূলক প্রচারণায় অংশ নেওয়া

এই দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়— আমরা প্রকৃতির অংশ, পাখি শুধু সৌন্দর্যের বাহক নয়, টেকসই পৃথিবীর রক্ষাকর্তাও। আসুন, শহর গড়ি পাখির জন্য, প্রকৃতির জন্য, নিজেদের জন্য।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




ভারত-পাকিস্তান পরমাণু নীতি: কতটা মানা হয় যুদ্ধের সময়

পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভারত ও পাকিস্তানের অবস্থান দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্ব রাজনীতিতে বিতর্কিত বিষয়। যদিও ভারতের একটি সুস্পষ্ট পরমাণু নীতি রয়েছে, পাকিস্তান এখনও পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট নীতি ঘোষণা করেনি। তবে সাম্প্রতিক সংঘাত এবং ‘ড্রোন’ ব্যবহার নিয়ে দু’দেশেই নতুন করে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা ও নীতির বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

২০০৩ সালে ভারত ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ নীতি ঘোষণা করে। এ নীতির মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞ কে সুব্রামানিয়াম, যিনি বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের পিতা। নীতিমতে, কেবলমাত্র প্রধানমন্ত্রীরই পারমাণবিক হামলার অনুমতি দেওয়ার অধিকার রয়েছে। ভারতের পরমাণু নীতিতে বলা হয়েছে, দেশটি কখনোই প্রথমে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করবে না এবং কেবলমাত্র প্রতিরোধমূলক হামলার জন্য তা ব্যবহার করবে।

তবে বাস্তবে এই নীতি কতটা কার্যকর? ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এ বিষয়ে বলেন, পরমাণু নীতি পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে। অর্থাৎ যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নীতির সঠিক প্রয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যায়।

অন্যদিকে পাকিস্তান কখনোই আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পরমাণু নীতি ঘোষণা করেনি। দেশটির ন্যাশনাল কমান্ড অথোরিটির উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) খালিদ আহমেদ কিদওয়াই জানিয়েছেন, পাকিস্তানের পরমাণু প্রতিক্রিয়া নির্ভর করে চারটি বিষয়ের ওপর— রাষ্ট্রীয় ভূখণ্ড হারানোর আশঙ্কা, সেনা স্থাপনাগুলোর ধ্বংস, বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং রাজনৈতিক বিপর্যয়।

ভারতের পরমাণু ইতিহাস শুরু হয় শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে। জওহরলাল নেহেরুর সময় মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদনে গুরুত্ব দেওয়া হয়। তবে ১৯৭৪ সালে প্রথম পরমাণু পরীক্ষা এবং ১৯৯৮ সালের বিস্ফোরণের মাধ্যমে ভারত নিজেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরমাণু শক্তিধর দেশ হিসেবে ঘোষণা দেয়। একই বছর পাকিস্তানও সফলভাবে পরমাণু পরীক্ষা চালায়।

পরমাণু শক্তির হিসাব
সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (CSIS) জানায়, ভারতের কাছে বর্তমানে প্রায় ১৮০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে। রাশিয়ার সহায়তায় এগুলোর দূরপাল্লার ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি আরও উন্নত হয়েছে। অপরদিকে পাকিস্তানের রয়েছে প্রায় ১৭০টির বেশি ওয়ারহেড, যার কারিগরি উন্নয়নে কাজ করেছে চীনের সাথে।

সাম্প্রতিক সংঘাত ও উদ্বেগ
২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে বন্দুকধারীদের গুলিতে ২৬ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় পাকিস্তানকে দায়ী করে ভারত। এর পরিণতিতে ভারত সিন্ধু নদ চুক্তি বাতিলসহ একাধিক কূটনৈতিক ও সামরিক পদক্ষেপ নেয়। পাল্টা পদক্ষেপ নেয় পাকিস্তানও। পরে ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ এবং পাকিস্তান ‘অপারেশন বুনিয়ান-উন-মারসুস’ নামে পাল্টা হামলা শুরু করে।

এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন থেকেই যায়— পারমাণবিক অস্ত্রের নীতিমালা বাস্তবে কতটা মানা হয়? উত্তপ্ত উপমহাদেশে সামান্য উত্তেজনাও বড় ধরনের সংঘাতে রূপ নিতে পারে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




হজ শেষে ১১ জুন থেকে চালু হচ্ছে উমরা ভিসা: সৌদি হজ মন্ত্রণালয়

মক্কা: এবছর হজ মৌসুম শেষ হওয়ার পরই ১৪ জিলহজ (১১ জুন) থেকে আবারও চালু হচ্ছে উমরা ভিসা। সৌদি আরবের হজ ও উমরা মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর ফলে যারা রমজানে উমরা পালন করতে পারেননি, তারা হজ-পরবর্তী সময়ে উমরা পালনের সুযোগ পাবেন।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১ শাওয়াল থেকে উমরা ভিসা বন্ধ হয়ে যায়, এবং এরপর কেবল ইস্যুকৃত ভিসাধারীরা ১৫ শাওয়াল পর্যন্ত সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারেন। হজ নিরাপত্তা ও যাত্রী সেবার স্বার্থে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

আল আরাবিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছর হজ শেষ হওয়ার পর থেকেই বিদেশি উমরা যাত্রীদের জন্য আবারও ভিসা প্রদান শুরু হবে। তবে যাত্রীরা কবে থেকে সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন, তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।

সৌদি মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, আগামী ১৪৪৭ হিজরি সালের ১৫ জিলকদ (হজ মৌসুমের পূর্ববর্তী সময়) এর মধ্যে সব উমরা পালনকারীদের নিজ নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে।

এর আগে রমজানের মাঝামাঝি সময় থেকে সৌদি সরকার বিদেশি নাগরিকদের জন্য উমরা ও ভিজিট ভিসা ইস্যু অস্থায়ীভাবে স্থগিত করেছিল। এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য ছিল হজযাত্রীদের চলাফেরা ও ইবাদতে আরাম নিশ্চিত করা এবং পবিত্র স্থানগুলোতে অপ্রয়োজনীয় ভিড় ও যানজট কমানো।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /