পবিপ্রবিতে প্রথমবারের মতো ‘গবেষণা উৎসব

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ‘গবেষণা উৎসব ২০২৫’। ১৮ মে, রবিবার দিনব্যাপী এই ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজনে উপকূলীয় সংকট, সম্ভাবনা ও টেকসই উন্নয়ন নিয়ে গবেষণামূলক ভাবনা সামনে আসে। পবিপ্রবি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের উদ্যোগে এই আয়োজন হয়, যেখানে অংশগ্রহণ করে দেশের খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ, গবেষক, নীতিনির্ধারক ও শিক্ষার্থীরা।

উৎসবের উদ্বোধন করেন মাননীয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, যিনি ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে বলেন—“বিশ্ববিদ্যালয় হলো জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র। শিক্ষক ও গবেষকদের উচিত নিয়মিত গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা এবং তা শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া।”
অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বক্তব্য দেন পবিপ্রবির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন—“শিক্ষকেরা কেবল পাঠদানে সীমাবদ্ধ না থেকে নিয়মিত গবেষণার মধ্য দিয়ে জাতির অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখবেন। অনেক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও আমাদের শিক্ষকরা প্রশংসনীয় গবেষণা করে চলেছেন।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মাসুমা হাবিব, যিনি বলেন—“দক্ষিণাঞ্চলের এই বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে বিপুল সম্ভাবনা। এখানকার গবেষণার মান সন্তোষজনক। পবিপ্রবি শিগগিরই ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে বলে আমার বিশ্বাস।”
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান, যিনি বলেন—“গবেষণার গুণগত মান ও সমাজে প্রাসঙ্গিকতা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।”

আয়োজক ও অনুষ্ঠানের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. মামুন-উর-রশিদ বলেন—“এই গবেষণা উৎসব কেবল আয়োজন নয়, বরং এটি উপকূলীয় অঞ্চলের সংকট-সম্ভাবনার আলোকে নতুন প্রজন্ম গঠনের একটি ভিত্তি।”
উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও আইকিউএসি সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. ইকতিয়ার উদ্দিন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষকমণ্ডলী ও বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী।

‘Research for Coastal Resilience’ এই প্রতিপাদ্যে উৎসবে ইউজিসির ২০২২–২৩ অর্থবছরের অনুদানে পাঁচটি অনুষদের দশটি গবেষণা প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের দুটি বিশেষ গবেষণা প্রকল্পও প্রদর্শিত হয়।
উপকূলীয় জীবনের বাস্তবতা, সমস্যা ও সম্ভাবনা ঘিরে এগুলো ছিল সম্পূর্ণ ক্ষেত্রভিত্তিক ও ব্যবহারিক গবেষণা। এতে শিক্ষার্থীদের মাঝে গবেষণার আগ্রহ ও অংশগ্রহণ বাড়ানোর ব্যাপারে ইতিবাচক সাড়া মেলে।

উৎসব শেষে নির্বাচিত গবেষণা প্রতিবেদন নিয়ে একটি স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ ও একটি সংগঠনিক প্রতিবেদন প্রস্তুতের উদ্যোগ নেওয়া হয়। গবেষণায় বিশেষ অবদান রাখায় গবেষকদের হাতে সম্মাননা স্মারক, ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

গবেষণা উৎসব ২০২৫ পবিপ্রবির ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের টেকসই গবেষণা ও উপকূলীয় উন্নয়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



সাকিবকে পেয়ে উচ্ছ্বসিত লাহোর, বললেন ‘বাংলাদেশি ভাই ও সেরা অলরাউন্ডার’

পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) লাহোর কালান্দার্সে যোগ দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে যাত্রা শুরু করেছেন সাকিব আল হাসান। পাকিস্তানে পৌঁছানোর পর তাকে ‘বাংলাদেশি ভাই’ এবং ‘পৃথিবীর সেরা অলরাউন্ডার’ বলে বরণ করে নিয়েছে লাহোর টিম ম্যানেজমেন্ট। বিশেষ করে দলে তার আগমন ঘিরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন দলের মালিক সামিন রানা।

সামিন রানা বলেন, “আমি এবং লাহোর কালান্দার্স পরিবার অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছি, আমাদের ভাই এবং পৃথিবীর অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান আমাদের দলে যোগ দিয়েছেন। তার পরিসংখ্যান ও পারফরম্যান্সই তার শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ।”

যদিও সাকিব এর আগেও পিএসএলে খেলেছেন, তবে লাহোর কালান্দার্সের হয়ে এবারই প্রথম মাঠে নামতে যাচ্ছেন তিনি। বিশেষ করে প্লে-অফের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ের ঠিক আগে সাকিবকে দলে পেয়ে খুশি ম্যানেজমেন্ট। সামিন জানান, আগেও তারা সাকিবকে দলে নিতে চেয়েছিলেন। ষষ্ঠ আসরে ড্রাফট থেকে নেওয়া হলেও সময়ের অভাবে সাকিব খেলতে পারেননি। এবার সেই অপূর্ণতা পূরণ হলো।

তিনি আরও বলেন, “অনেকে জানে না, ষষ্ঠ মৌসুমেই আমরা তাকে ড্রাফট থেকে বেছে নিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি তখন ব্যস্ত থাকায় আসতে পারেননি। এবার যখন সুযোগ এল, সাকিব কোনো দ্বিধা না করেই রাজি হয়ে গেলেন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে দীর্ঘ ভ্রমণ করে পাকিস্তানে এসেছেন তিনি।”

আজ রোববার, বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় লাহোর কালান্দার্স মাঠে নামবে পেশোয়ার জালমির বিপক্ষে। এই ম্যাচে সাকিব আল হাসান একাদশে জায়গা পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




বিমানবন্দর থেকে আটক, ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হলো নুসরাত ফারিয়াকে

ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়াকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আটক করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। পরে তাকে ভাটারা থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং সেখান থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

রবিবার (১৮ মে) দুপুরে থাইল্যান্ডগামী একটি ফ্লাইটে ওঠার সময় ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে তাকে আটক করা হয়। পরে ভাটারা থানার একটি মামলার ভিত্তিতে তাকে গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ডিবি-দক্ষিণ) মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, “নুসরাত ফারিয়াকে ভাটারা থানার একটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

সূত্র জানিয়েছে, ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালীন ফারিয়ার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়, তিনি ওই আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষে অর্থ সহায়তা দিয়েছেন। মামলায় তাকে ওই ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত বলে দাবি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম জানান, “তার বিরুদ্ধে মামলা থাকায় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। এরপর প্রক্রিয়াগতভাবে থানায় হস্তান্তর করা হয়। গ্রেফতার দেখানো হবে কি না, তা তদন্ত ও পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত হবে। আপাতত তাকে আটক রাখা হয়েছে।”

এ বিষয়ে নুসরাত ফারিয়ার কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




বরিশাল জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বে তারেক আল ইমরান

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বরিশাল জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি অ্যাডভোকেট তারেক আল ইমরান। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি রোববার দুপুরে নিশ্চিত করা হয়।

গত ১৭ মে তারিখে স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সংগঠনের কার্যক্রমে গতিশীলতা বজায় রাখতে সিনিয়র সহসভাপতি তারেক আল ইমরানকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।

এর আগে, গত ২৭ মার্চ বরিশাল জেলা ছাত্রদলের তৎকালীন সভাপতি মাহফুজ আলম মিঠুকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সাংগঠনিক পদ থেকে তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ কর্মীকে বালুমহালের ইজারা পাইয়ে দিতে এক সেনা সদস্যকে হোটেল কক্ষে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই বরিশাল জেলা ছাত্রদলে নেতৃত্ব সংকট দেখা দিয়েছিল। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তারেক আল ইমরানের নেতৃত্বে সংগঠনটি পুনরায় সক্রিয় ও গতিশীল হবে বলে আশা করছেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




সন্ধ্যা নদীর ভাঙনে ৮ বসতঘর বিলীন, হুমকিতে শতাধিক স্থাপনা

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের পূর্ব ভূতেরদিয়া এলাকায় সন্ধ্যা ও আড়িয়াল খাঁ নদীর ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে ৮টি বসতবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকিতে রয়েছে স্থানীয় মোল্লারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ শতাধিক ঘরবাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।

গত ১৬ মে শুক্রবার বিকেলে নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আড়িয়াল খাঁ নদীর মোহনায় শুরু হয় আকস্মিক ভাঙন। সন্ধ্যার মধ্যে শাহাবুদ্দিন আকন, আলী চৌকিদার, রাসেল মাঝি, হাচেন মাঝি, সাইফুল ঘরামীসহ মোট ৮ পরিবারের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, দিনভর ফাটল দেখা দেওয়ার পর সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ করেই মাটি দেবে যেতে থাকে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকে অন্যত্র আশ্রয় নেন।

বর্তমানে মোল্লারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ ভূতেরদিয়ার একটি মসজিদ, তাবলিকুল ইবতেদায়ি মাদ্রাসা, কমিউনিটি ক্লিনিক এবং ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র সরাসরি ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে। নদীর তীরে বসবাসরত পরিবারগুলো এখন চরম আতঙ্কের মধ্যে রাত কাটাচ্ছেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, “দুই বছর আগে ভাঙন ঠেকাতে পাউবো জরুরি প্রকল্পের নামে অর্থ খরচ করলেও কাজের কাজ কিছু হয়নি।”
ক্ষতিগ্রস্ত মোহাম্মদ আলী চৌকিদার বলেন, “দুপুরে ফাটল দেখা দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই আমাদের ঘরসহ সব কিছু নদীতে চলে যায়। দিন হওয়ায় প্রাণে বেঁচে গেছি, তবে এখন সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসেছি।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, আড়িয়াল খাঁ ও সুগন্ধা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণেই ভাঙন দিন দিন ভয়াবহ হচ্ছে।
তারা জানান, কয়েক বছর আগে পাউবো ৩০ লাখ টাকার প্রকল্পে বালুর বস্তা ফেললেও কার্যকর কোনো ফল হয়নি।

বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জাবেদ ইকবাল জানান, “চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ চেয়ে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। ভাঙনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের জন্য একটি কারিগরি কমিটি গঠন করা হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর স্থায়ী প্রকল্প পাঠানো হবে।”


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




ডিএমপির শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক সার্জেন্ট নির্বাচিত হলেন বাবুগঞ্জের তানভীর

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় এপ্রিল মাসের শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক সার্জেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন ওয়ারী ট্রাফিক জোনে কর্মরত সার্জেন্ট তানভীর মাহমুদ সুমন। উত্তম আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন ও জনসেবামূলক কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি এই পুরস্কারে ভূষিত হন।

গত বৃহস্পতিবার (১৫ মে) সকালে রাজধানীর রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এ সভায় ডিএমপি কমিশনার শেখ মোঃ সাজ্জাত আলী, এনডিসি সার্জেন্ট তানভীরের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

সার্জেন্ট তানভীর মাহমুদ সুমনের বাড়ি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ভুতেরদিয়া গ্রামে। নিজ কর্মদক্ষতা, সততা ও জনসেবার প্রতি আন্তরিকতার মাধ্যমে তিনি নিজ এলাকা তথা বরিশালের মুখ উজ্জ্বল করেছেন।

সভাটি সঞ্চালনা করেন যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মোঃ ফারুক হোসেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ সরওয়ার, বিপিএম-সেবা; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) ফারুক আহমেদ; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) এস এন মোঃ নজরুল ইসলাম, পিপিএম; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মোঃ মাসুদ করিম এবং অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস্, ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট) হাসান মোঃ শওকত আলী। এছাড়াও ডিএমপির বিভিন্ন ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সভায় অংশ নেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




আমতলীতে বাসের সাইট নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৪

বরগুনার আমতলীতে সাইট দেওয়া নিয়ে শ্যামলী পরিবহন ও বিসমিল্লাহ মিনি বাসের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও দুই বাসকর্মীসহ মোট চারজন আহত হন। উত্তেজিত স্থানীয় জনতা শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস ভাঙচুর করে। পরে পুলিশ ও নৌবাহিনী ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার দুপুরে বরগুনার আমতলী চৌরাস্তার পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কে।

কী হয়েছিল?

জানা গেছে, বরিশাল ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০ জন শিক্ষার্থী ও ৩ শিক্ষক রোভার স্কাউট প্রশিক্ষণ শেষে দুটি শ্যামলী পরিবহন বাসে করে কুয়াকাটার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। পথে আমতলী চৌরাস্তায় যানজটে পড়ে বাসগুলো। একই জায়গায় ছিল বিসমিল্লাহ পরিবহনের একটি মিনি বাসও।

শ্যামলী পরিবহনের হেল্পার বিসমিল্লাহ বাসকে সাইট দিতে বললে হেল্পারদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে শ্যামলী বাসের হেল্পারকে ধাক্কা দেন বিসমিল্লাহ বাসের হেল্পার সালমান। এর জেরে শিক্ষার্থীরা বাস থেকে নেমে এসে সালমানকে মারধর করে। বিষয়টি ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় জনতা পাল্টা হামলা চালায় শিক্ষার্থীদের ওপর। পরে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে শিক্ষার্থীরা বাসে উঠে পড়লেও উত্তেজিত জনতা বাস ভাঙচুর করে।

ঘটনায় ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী, বিসমিল্লাহ বাসের হেল্পার ফয়সাল ও সুপারভাইজার বিকাশ ধুপী আহত হন। শিক্ষার্থীরা আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে যান। অন্যদিকে গুরুতর আহত ফয়সাল ও বিকাশকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বিকাশ ধুপীর দাবি, হেল্পার সালমান এখনও অচেতন।

বিসমিল্লাহ বাসের সুপারভাইজার বিকাশ বলেন, “জ্যামের কারণে সাইট দেওয়া সম্ভব হয়নি, তবুও আমাদের কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। স্থানীয় জনতা প্রতিক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়।”

একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষার্থী বলেন, “ভুলটা আমাদেরই হয়েছে। সহপাঠীরা মারধর না করলে এই বিশৃঙ্খলা হতো না।”

আমতলী থানার এসআই জলিলুর রহমান জানান, দুই বাসের কর্মীদের মধ্যে সাইট নিয়ে সংঘর্ষ হয়েছে এবং বাস ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।
থানার ওসি মোঃ আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, “ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বাস দুটি থানায় হেফাজতে রয়েছে। এখনও কেউ অভিযোগ করেনি, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বরগুনা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির লাইন সম্পাদক মো. হাসান মৃধা বলেন, “শিক্ষার্থীরা যদি হেল্পারদের মারধর না করত, এমন ঘটনা হতো না। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।”


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




গলাচিপায় সাংবাদিক ও স্থানীয়দের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, প্রতিবাদে উত্তাল জনপদ

পটুয়াখালীর গলাচিপায় সাংবাদিক ও এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৮ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধনে অংশ নেন ভুক্তভোগী স্থানীয়রা ও সাংবাদিক সমাজ। পরে বিক্ষোভকারীরা একটি মিছিল বের করে এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ডাকুয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোসা. কহিনুর বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সাংবাদিক সোহেল রানা ও সাধারণ মানুষদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। এই মামলাটি সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ বলেও মন্তব্য করেন তারা। বক্তারা আরও বলেন, কহিনুরের মামলার পেছনে পুরনো জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হয়রানি করার উদ্দেশ্য ছিল। তারা বলেন, একতরফাভাবে এমন মামলা দায়ের করে একজন সাংবাদিক ও এলাকাবাসীর সম্মানহানি করা হয়েছে যা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

বক্তারা অনতিবিলম্বে এই হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান এবং অভিযুক্ত মোসা. কহিনুর ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানান। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দাবি মানা না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ৮ এপ্রিল মোসা. কহিনুর ডাকুয়া ইউনিয়নের ৫ জন ব্যক্তিকে আসামি করে গলাচিপা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নম্বর-০৬, তারিখঃ ০৮/০৪/২০২৫)। এলাকাবাসীর অভিযোগ, মামলা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ডাকুয়া ইউনিয়নের সজল মাস্টার, ফজলে আলী প্যাদা, সুশেন চন্দ্র ভূইয়া, মিনারা বেগম, অশোক চন্দ্র ভূইয়া, অবিনাশ চন্দ্র ভূইয়া, সজল চন্দ্র বিশ্বাস, স্বপন চন্দ্র বিশ্বাস, তপন চন্দ্র বিশ্বাস, আসিফ মাঝি, মাসুম হাওলাদার, বিপুল চন্দ্র ভূইয়া, মো. রবিউল ইসলাম, সোহেল রানা, ফারুক প্যাদা, ফজলু মৃধা সহ আরও অনেকে। মানববন্ধন শেষে তারা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও গলাচিপা-দশমিনা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



 আমন্ত্রণ পেয়েও ওশেন কনফারেন্সে যাচ্ছেন না প্রধান উপদেষ্টা

জাতিসংঘ আয়োজিত তৃতীয় ওশেন কনফারেন্সে অংশ নিতে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ-এর আমন্ত্রণ পেলেও সেখানে যাচ্ছেন না বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানায়, আমন্ত্রণ পাওয়ার পর বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট ম্যাখোঁর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের অনুরোধ জানানো হয়েছিল। তবে ফ্রান্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সম্মেলনে আগ্রহী বিভিন্ন দেশের অনুরোধ থাকায় আপাতত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের সুযোগ নেই। এ অবস্থায় শুধুমাত্র অংশগ্রহণের ভিত্তিতে ড. ইউনূসের ফ্রান্স সফর মূল্যায়নের কথা জানানো হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, ফ্রান্সের পক্ষ থেকে বোঝানো হয়েছে, যদি সম্মেলনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি বা অর্থনৈতিক অগ্রগতি সংক্রান্ত কোনো বিষয় থাকে, যেমন— স্যাটেলাইট ক্রয়, এয়ারবাস উড়োজাহাজ ক্রয় বা জলবায়ু অর্থায়ন, তাহলে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে বাংলাদেশের আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে ফ্রান্স পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয় যে এসব প্রকল্পের অর্থায়নে তারাই ঋণ দিতো।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনকূটনীতি অনুবিভাগ এক আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় জানায়, “বাংলাদেশ এখনও কনফারেন্সে দেশের প্রতিনিধিত্ব কে করবেন, তা চূড়ান্ত করেনি। প্রস্তুতি চলমান রয়েছে।”

জানা গেছে, প্রধান উপদেষ্টার সফর বাতিলের আনুষ্ঠানিক কারণ হিসেবে ঢাকা প্যারিসকে জানিয়েছে দেশে জরুরি দায়িত্ব পালনের বিষয়টি। একইসঙ্গে তাঁর অনুপস্থিতিতে দুঃখ প্রকাশও করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, তৃতীয় ওশেন কনফারেন্স আগামী ৯ জুন থেকে ফ্রান্সের নিস শহরে শুরু হবে। সম্মেলনের আগের দিন অর্থাৎ ৮ জুন, অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদের জন্য রাষ্ট্রপতি ম্যাখোঁ আয়োজিত এক নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হবে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




পাচার করা অর্থে বিদেশে সামিট গ্রুপের বিপুল সম্পদ

দেশের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি শিল্পগোষ্ঠী সামিট গ্রুপ এবং এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আজিজ খান ও তার পরিবারের সদস্যরা বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করেছেন বলে একাধিক তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এই পাচার করা অর্থ দিয়ে তারা বিভিন্ন দেশে বিলাসবহুল বাড়ি, শিপিং ব্যবসা, হোটেল ও বাণিজ্যিক স্থাপনায় বড় বিনিয়োগ করেছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের আইনে, বিদেশে বিনিয়োগ করতে হলে পূর্বানুমতি আবশ্যক। তবে সামিট গ্রুপ এই নিয়ম না মেনে অনুমতি ছাড়াই বিভিন্ন দেশে বিনিয়োগ করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) যৌথভাবে বিষয়টি তদন্ত করছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামিটের পক্ষ থেকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে প্রায় ৮০ শতাংশ অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এই অর্থ ব্যবহার করে তারা সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, দুবাই, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কেনিয়া, শ্রীলঙ্কা, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে ভিলা, অ্যাপার্টমেন্ট, বিলাসবহুল হোটেল ও বিপণিবিতান প্রতিষ্ঠা করেছে।

ফোর্বস ম্যাগাজিনের ২০২৪ সালের তালিকা অনুযায়ী, আজিজ খান বর্তমানে সিঙ্গাপুরের ৪১তম ধনী ব্যক্তি। তার সম্পদের পরিমাণ ১.১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আজিজ খান সিঙ্গাপুরের স্থায়ী বাসিন্দা এবং তার পরিবারের সদস্যরাও একই দেশের নাগরিক।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের পানামা পেপারস কেলেঙ্কারিতে আজিজ খানের নাম উঠে আসে। তবে সে সময় দুর্নীতির অভিযোগে কার্যকর তদন্ত শুরু হলেও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে তা স্থগিত হয়ে যায়। ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর পুনরায় তদন্ত শুরু হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, “বিদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অনুমতি না নেওয়া এবং ব্যাংক চ্যানেলে মিথ্যা তথ্য দিয়ে অর্থ পাঠানো সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।” তিনি আরও জানান, এ ধরনের পাচারের মাধ্যমে দেশে আর্থিক ঝুঁকি বাড়ছে এবং বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয়ন কমে যাচ্ছে।

সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজিজ খান রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী একটি পরিবারের সদস্য। তার ভাই ফারুক খান ছিলেন আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী। এছাড়া সামিট কমিউনিকেশনের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ফরিদ খান আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম বর্তমানে নিষিদ্ধ) প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে পরিচিত।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)–এর নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “সামিট গ্রুপ অর্থ পাচার ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে প্রচুর আর্থিক অনিয়ম করেছে। বর্তমান সরকারের উচিত তাদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়া এবং প্রকৃত তদন্ত নিশ্চিত করা।”

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সরকারিভাবে মাত্র ২০টি প্রতিষ্ঠানকে বৈধভাবে বিদেশে বিনিয়োগের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সামিট গ্রুপের বিপুল বিনিয়োগ কোথা থেকে এসেছে, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে কোনো তথ্য নেই। সরকারের প্রকাশিত শ্বেতপত্র অনুসারে, গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবৈধভাবে পাচার হয়েছে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /