কলকাতার অস্থিরতা পেছনে ফেলে হায়দরাবাদে স্বস্তির হাসি মেসির

ভারতের তিন দিনের সফরে এসে প্রথম দিনেই সম্পূর্ণ ভিন্ন দুই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। সফরের সূচনা হয়েছিল কলকাতা দিয়ে। তবে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে আয়োজকদের চরম অব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তার ঘাটতির কারণে সেই দিনটি রূপ নেয় তিক্ত স্মৃতিতে। ওই বিশৃঙ্খলার রেশ কাটিয়ে অবশেষে হায়দরাবাদে গিয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন ইন্টার মায়ামি তারকা।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে হায়দরাবাদে পৌঁছান মেসি। সন্ধ্যা ৮টার দিকে তিনি হাজির হন শহরের উপল স্টেডিয়ামে, যেখানে একটি প্রদর্শনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। ম্যাচ শেষে মাঠে নামেন মেসি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন আর্জেন্টিনার সতীর্থ রদ্রিগো দি পল ও উরুগুইয়ান ফরোয়ার্ড লুইস সুয়ারেজ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি। গ্যালারিভর্তি দর্শক মেসিকে দেখেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে। মেসিও হাত নেড়ে ভক্তদের শুভেচ্ছার জবাব দেন। মাঠে মুখ্যমন্ত্রী ও শিশুদের সঙ্গে পাসিং খেলায় মেতে ওঠেন তিনি। কয়েকটি শট নেন গ্যালারির দিকে, যা দর্শকদের আনন্দ আরও বাড়িয়ে দেয়।

মাঠ প্রদক্ষিণের পাশাপাশি প্রদর্শনী ম্যাচের বিজয়ী দলের হাতে ‘গোট কাপ’ ট্রফি তুলে দেন মেসি। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী মেসি ও লুইস সুয়ারেজকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন। পরে সংবর্ধনা পর্বে মেসি রাহুল গান্ধীকে নিজের সই করা একটি জার্সিও উপহার দেন।

কলকাতার অভিজ্ঞতার সঙ্গে হায়দরাবাদের আয়োজন ছিল একেবারেই বিপরীত। যুবভারতী স্টেডিয়ামে মেসি মাঠে নামতেই কয়েক শ মানুষ তাকে ঘিরে ধরায় পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। নিরাপত্তাহীনতার কারণে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। হাজার হাজার দর্শক মেসিকে সামনে থেকে দেখতে না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এক পর্যায়ে ভাঙচুর, সীমানা প্রাচীর ও খেলোয়াড়দের টানেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কোথাও কোথাও আগুন লাগানোর চেষ্টাও চলে।

এই ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে ক্ষমা চান। পরে মূল আয়োজককে গ্রেপ্তার করা হয় বলেও জানা যায়।

এর বিপরীতে হায়দরাবাদের উপল স্টেডিয়ামে ছিল কড়া নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল আয়োজন। দর্শকেরা নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে ছবি তোলার সুযোগ পান। বিমানবন্দর থেকে হোটেল ও স্টেডিয়াম—সবখানেই ছিল কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ফলে নির্বিঘ্নেই পুরো অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

হায়দরাবাদ পর্ব শেষে মেসির ‘গোট ট্যুর’-এর পরবর্তী গন্তব্য মুম্বাই। সেখানে ক্রিকেট ক্লাব অব ইন্ডিয়ায় একটি প্যাডেল ম্যাচ এবং ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ৭ বনাম ৭ জনের একটি প্রদর্শনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এসব আয়োজনে শচীন টেন্ডুলকারসহ বলিউডের একাধিক তারকার উপস্থিতির সম্ভাবনাও রয়েছে।

কলকাতার বিশৃঙ্খলার কালো ছায়া কাটিয়ে হায়দরাবাদের শৃঙ্খলাবদ্ধ আয়োজন মেসির ভারত সফরে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এখন অপেক্ষা মুম্বাই পর্বে ফুটবলের এই মহাতারকা কী নতুন চমক দেখান।

“এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫”




মান্তা শিশুদের শিক্ষায় পাশে দাঁড়াল বসুন্ধরা শুভসংঘ (ববি)

শিক্ষা থেকে বঞ্চিত ভাসমান মান্তা সম্প্রদায়ের শিশুদের ভবিষ্যৎ আলোকিত করতে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। নদীকেন্দ্রিক জীবনযাত্রার কারণে যেসব শিশু নিয়মিত শিক্ষার সুযোগ থেকে পিছিয়ে পড়ছে, তাদের শিক্ষায় আগ্রহী করে তুলতেই এই মানবিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন খয়রাবাদ নদীর তীরে বসবাসরত মান্তা সম্প্রদায়ের শিশুদের মাঝে এসব শিক্ষা ও সহায়ক সামগ্রী বিতরণ করা হয়। কর্মসূচিতে বই, খাতা, কলম, পেন্সিল, কাটার, রাবারসহ বিভিন্ন শিক্ষাসামগ্রীর পাশাপাশি শিশুদের মানসিক বিকাশে সহায়ক ইনডোর খেলনা ও খাবার দেওয়া হয়।

বসুন্ধরা শুভসংঘ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিচালনায় ‘বাতিঘর’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ মান্তা শিশুদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। সেই বাতিঘরে নিয়মিত পড়তে আসা শিশুদের সহায়তায় বসুন্ধরা শুভসংঘ এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে।

অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা শুভসংঘ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি তানজিদ শাহ জালাল ইমন, সাধারণ সম্পাদক মেহরাব হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ হোসেন, অর্থ সম্পাদক আবু উবাইদা, দফতর সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুনসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বাতিঘরের সভাপতি আশা মনি, সাধারণ সম্পাদক হিসরাত নেহা, সহ-সভাপতি ফাত্তাহুর রাফি ও অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত থেকে উদ্যোগটির প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

উপহার পেয়ে মান্তা শিশুরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইসা জানায়, নতুন বই ও খেলনা পেয়ে তারা খুব খুশি হয়েছে। অভিভাবকরাও এই উদ্যোগকে শিশুদের শিক্ষায় বড় সহায়তা হিসেবে দেখছেন।

বসুন্ধরা শুভসংঘ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক মেহরাব হোসেন বলেন, ‘শুভ কাজে সবার আগে—এই স্লোগানকে সামনে রেখে আমরা কাজ করছি। সমাজের কোনো শিশু যেন শিক্ষায় পিছিয়ে না পড়ে, সেটিই আমাদের লক্ষ্য। সামর্থ্যের মধ্যে থেকে আগামীতেও এই ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’

“এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫”




বাবুগঞ্জে ১৭ দিনেও খোঁজ নেই অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সামিয়ার

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজের ১৭ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো সন্ধান মেলেনি অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান সামিয়ার (১৪)। কিশোরীটির কোনো খোঁজ না পাওয়ায় পরিবারসহ স্থানীয়দের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের লোহালিয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. মজিবুর হাওলাদারের মেয়ে নুসরাত জাহান সামিয়া গত ২৬ নভেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। এরপর আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজের পরদিন পরিবারের পক্ষ থেকে বাবুগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। সামিয়া বাবুগঞ্জ পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।

পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘ সময় পার হলেও মেয়ের কোনো হদিস না পাওয়ায় তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ নানা উপায়ে খোঁজ চালানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. এহতেশামুল হক জানান, নিখোঁজ সংক্রান্ত জিডি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে কিশোরীটির সন্ধানে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে নিখোঁজ সামিয়ার পরিবার তার সন্ধান পেলে বা তথ্য দিতে পারলে নগদ ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। কোনো তথ্য জানা থাকলে ০১৮৩৭৭-৭১০৭৪ অথবা ০১৭১৬৭৯০৩৬২ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

“এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫”




নতুন নতুন মাফিয়ার গন্ধ পাচ্ছি : নৌ পরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন

দায়িত্ব গ্রহণের পর বিভিন্ন খাতে জড়িত অনেক মাফিয়াকে সরানো হলেও নতুন করে আবারও মাফিয়া চক্র মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নগরিক প্ল্যাটফর্মের আয়োজনে ‘বাংলাদেশ রিফর্ম ট্র্যাকার’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নৌ উপদেষ্টা বলেন, তিনি যে মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্ব নিয়েছেন, সেখানেই দুর্নীতির ব্যাপক চিত্র দেখতে পেয়েছেন। এসব অনিয়ম রাতারাতি দূর করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেক মাফিয়াকে তাড়ানো গেলেও এখন নতুন করে আবার তাদের তৎপরতার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, কমিশনের পক্ষ থেকে দেওয়া শতাধিক প্রস্তাবের একটিও এখন পর্যন্ত সরকার বাস্তবায়ন করেনি। সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রসঙ্গে তিনি জানান, কমিশন আইনটির একটি খসড়া প্রস্তুত করে দিলেও কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই সেটি বাতিল করা হয়েছে।

এছাড়া তিনি বলেন, স্থায়ী ও স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের প্রস্তাবও গ্রহণ করা হয়নি। এর পরিবর্তে সরকারনির্ভর ও কার্যকারিতা হারানো প্রেস কাউন্সিল পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য সহায়ক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মিডিয়া সংস্কার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরকারের আরও কার্যকর ও আন্তরিক উদ্যোগ প্রয়োজন বলে বক্তারা অনুষ্ঠানে মত প্রকাশ করেন।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




মাহমুদিয়া মাদ্রাসার মাহফিলে রহমাতুল্লাহ: আলেম-ওলামা ও ইসলামের পক্ষে ছিলেন খালেদা জিয়া

বরিশাল নগরীর ঐতিহ্যবাহী মাহমুদিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক মাহফিলে হাজার হাজার মুসল্লির উপস্থিতিতে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সবসময় আলেম-ওলামা, ইসলাম ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন।

মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের মসজিদ-মাদ্রাসা, আলেম সমাজ ও ইসলামী আদর্শের ওপর যখনই আঘাত এসেছে, তখনই বেগম খালেদা জিয়া তার প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আলেম-ওলামাদের ওপর হামলা, মামলা ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের হত্যাকাণ্ড এবং মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর রায়ের পর ধর্মপ্রাণ মানুষের ওপর নিপীড়নের বিরুদ্ধেও তিনি প্রকাশ্যে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

রহমাতুল্লাহ আরও বলেন, আলেম-ওলামা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশে দাঁড়াতে বিএনপির নেতাকর্মীদের তিনি সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছিলেন। বেগম খালেদা জিয়া কখনোই ইসলামবিদ্বেষী শক্তির সঙ্গে আপোষ করেননি। তার রাজনৈতিক বক্তব্যে ইসলামের প্রতি সম্মান স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে এবং তিনি সবসময় মুসলমানদের অবমাননাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম মুসলিম নারী প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ সময় তিনি উপস্থিত আলেম-ওলামা ও মুসল্লিদের কাছে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া করার আহ্বান জানান, যাতে তিনি সুস্থ হয়ে আবার দেশ, জাতি ও ইসলামের খেদমতে আত্মনিয়োগ করতে পারেন।

মাহফিলে বক্তারা আগামী দিনে যেন কোনো ইসলামবিদ্বেষী শক্তি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসতে না পারে, সে জন্য আলেম-ওলামাদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মাহমুদিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম হযরত মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহবুব, ঢালকানগরের পীর সাহেব হযরত মাওলানা শাহ আলম মতিন বিন হোসাইন, ঢাকার সাইন্স ল্যাবরেটরি জামে মসজিদের খতিব হযরত মাওলানা হাসান জামিল, ঢাকার জামিয়া তালীমিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম হযরত মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিকসহ অন্যান্য আলেম-ওলামা ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




গুমের মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনের অভিযোগ গঠন ১৮ ডিসেম্বর, পেছাল আদেশ

জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে (জেআইসি) গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সেনা কর্মকর্তাসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশের তারিখ পিছিয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আগামী ১৮ ডিসেম্বর এ বিষয়ে আদেশ দেওয়ার দিন ধার্য করেছেন।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ সিদ্ধান্ত দেন।

এর আগে জেআইসি-তে সংঘটিত গুমের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় শেখ হাসিনা ও অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ হয়। শুনানি শেষে ১৪ ডিসেম্বর আদেশ দেওয়ার কথা থাকলেও ট্রাইব্যুনাল তা পিছিয়ে নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি শেষ হয় গত ৭ ডিসেম্বর এবং আসামিপক্ষের শুনানি শেষ হয় ৯ ডিসেম্বর।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর থেকে গত বছরের ৬ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের মধ্যে একাধিক ব্যক্তিকে গুম করার অভিযোগ আনা হয়েছে। এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে।

মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষা বিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক লে. জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আকবর হোসেন, সাবেক ডিজি মেজর জেনারেল (অব.) সাইফুল আবেদিন, লে. জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আলম, লে. জেনারেল (অব.) তাবরেজ শামস চৌধুরী, মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হক, মেজর জেনারেল তৌহিদুল ইসলাম, মেজর জেনারেল কবির আহাম্মদ এবং লে. কর্নেল (অব.) মখসুরুল হক।

এদের মধ্যে বর্তমানে তিনজন গ্রেফতার রয়েছেন। তারা হলেন— ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী।

ট্রাইব্যুনালের আদেশের মাধ্যমে এ মামলার বিচার প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপ এগিয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




শ্রদ্ধা নিবেদন ঘিরে বরিশালে বিএনপির দুই পক্ষের উত্তেজনা ও সংঘর্ষ

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শ্রদ্ধা নিবেদনকে কেন্দ্র করে বরিশালে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা, হাতাহাতি ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় ফুলের চাক ভাঙচুর ও ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বিপরীতে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের বেদিতে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বরিশাল-৫ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার মহানগর বিএনপির ব্যানারে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) বিলকিস আক্তার জাহান। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তারা স্থান ত্যাগ করছিলেন।

ঠিক একই সময়ে মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিন তাঁর অনুসারীদের নিয়ে একই ব্যানারে শ্রদ্ধা জানাতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও উত্তেজনায় রূপ নেয়।

অভিযোগ রয়েছে, এ সময় আফরোজা খানম নাসরিনকে লক্ষ্য করে প্রতিপক্ষের কয়েকজন নেতাকর্মী চড়াও হন। তাঁকে হেনস্তা করা হয় এবং সঙ্গে আনা ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হয়। এছাড়া শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য আনা ফুলের চাক ভেঙে ফেলার ঘটনাও ঘটে। পরে ভাঙা ফুলের চাক দিয়েই শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

ঘটনার একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে।

এ বিষয়ে আফরোজা খানম নাসরিন বলেন, একই সময়ে শ্রদ্ধা নিবেদনকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তিনি জানান, এ ঘটনায় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে আইনি পদক্ষেপ না নিয়ে দলের সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধানের পথে হাঁটবেন।

কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল) বিলকিস আক্তার জাহান মুঠোফোনে বলেন, কর্মীদের মধ্যে একটি তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিষয়টি দল গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং পরবর্তীতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদন

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :  আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এ উপলক্ষ্যে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৭টার পর তিনি বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এরপর সেখানে তিনি কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসের সবচেয়ে মর্মন্তুদ দিন। এ দিন, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বিজয়ের ঊষালগ্নে দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হারানোর দুঃসহ বেদনার দিন।




বাউফলে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, নিজের সম্মান রক্ষায় ওই নারী পুকুরে ঝাঁপ দিলেও শেষ পর্যন্ত হামলার হাত থেকে রক্ষা পাননি।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের বড় ডালিমা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

ভুক্তভোগী গৃহবধূর পরিবার জানায়, অভিযুক্ত মো. শুভর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তাদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন সকালে বিরোধপূর্ণ জমির পাশে থাকা পুকুরে ঘাটলা নির্মাণ করতে গেলে গৃহবধূ বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত ও তার সহযোগীরা তাকে জাপটে ধরে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে জোরপূর্বক হাত দেওয়ার চেষ্টা করে।

পরিবারের অভিযোগে আরও বলা হয়, সম্মান রক্ষার জন্য গৃহবধূ পুকুরে ঝাঁপ দিলে অভিযুক্ত মো. শুভ সেখানেও নেমে একই ধরনের নির্যাতন চালান। এ সময় তার পোশাক ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং একপর্যায়ে পানিতে চুবিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার সময় আরও কয়েকজন জামায়াত কর্মী ঘটনাস্থলে পাহারা দিচ্ছিলেন।

ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে তার মা এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় মা ও মেয়েকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী মো. আক্কাস মুন্সী অভিযোগ করে বলেন, নাজিরপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি মো. শুভ ও তার সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে তার স্ত্রীকে লাঞ্ছিত করেছে। তিনি দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নুরজাহান বেগম জানান, ভুক্তভোগী গৃহবধূ ও তার মা মানসিকভাবে চরম বিপর্যস্ত ছিলেন। গৃহবধূর শ্বাসকষ্ট দেখা দেওয়ায় দুজনকেই হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মো. শুভ সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রমাণ সাপেক্ষে আইন যা শাস্তি দেবে তিনি তা মেনে নেবেন। তবে জামায়াতের কোনো দায়িত্বশীল পদে তিনি আছেন কি না—এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. খালিদুর রহমান জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি কোন পদে আছেন তা তার জানা নেই এবং ঘটনাটি সম্পর্কেও তিনি অবগত নন।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলার জন্য হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পিরোজপুরে ডুবোচরের কারণে ফেরি চলাচল ব্যাহত, হাজারো যাত্রীর ভোগান্তি

শীতকালে পিরোজপুরের টগরা–চরখালী ফেরিঘাটে ডুবোচরের কারণে ফেরি চলাচল স্থবির হয়ে হাজারো যাত্রী ও চালক সমস্যার মুখে পড়ছেন। নদীর ভাটার সময় জেগে ওঠা ডুবোচর ফেরি চলাচল বাধাগ্রস্ত করছে, ফলে যাত্রীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা নদীর পাড়ে অপেক্ষা করতে হয়।

দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগের এ ফেরিঘাট বরগুনা, পাথরঘাটা, মঠবাড়িয়া, ভান্ডারিয়া, পিরোজপুর, বাগেরহাট ও খুলনা থেকে ঢাকাগামী অন্তত ৮–১০টি রুটের যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের জন্য অপরিহার্য। শীতকালে বলেশ্বর ও কঁচা নদীর মোহনায় ডুবোচর জেগে ওঠার ফলে ফেরি থমকে যায়, আর এর প্রভাবে অফিস, বাজার ও পণ্য পরিবহন ব্যাহত হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা নদীর পাড়ে অপেক্ষা করতে হয়। ভাটার সময় ফেরি মাঝ নদীতে আটকে গেলে যাত্রীদের জীবনযাত্রা ও ব্যবসা বিপর্যস্ত হয়। ট্রাকচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, “মালামাল সময়মতো পৌঁছাতে না পারলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ি। কর্তৃপক্ষ দ্রুত নদী খনন করে সমস্যার সমাধান করুন।”

যাত্রী আউয়াল শেখ বলেন, “দিনে দুইবার ভাটার সময় নদীতে ডুবোচর জেগে ওঠে। দুই ভাটায় আমাদের পাঁচ-ছয় ঘণ্টা বসে থাকতে হয়। আয় অর্ধেক হয়ে গেছে, সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে।”

পিরোজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আবু জাফর মো. রাশেদ খান জানান, টগরা–চরখালী ফেরিঘাটের দুই পাশের নদী খননের জন্য মেকানিক্যাল ডিভিশনে চিঠি পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়রা দাবি করছেন, নিয়মিত ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নাব্যতা বজায় রাখতে হবে, নাহলে এ রুটে চলাচলকারীদের দুর্ভোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫