আরাফায় হজের মূল পর্ব আজ, নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় নজিরবিহীন প্রস্তুতি

আজ বৃহস্পতিবার ( ৬ জুন ) সৌদি আরবের আরাফাতের ময়দানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে পবিত্র হজের প্রধান পর্ব। হিজরি ১৪৪৬ সনের হজ পালন করছেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত লাখো মুসল্লি। হজের অন্যতম প্রধান রোকন ‘ওকুফে আরাফা’ পালনের জন্য হাজিরা আজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতে অবস্থান করবেন।
হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছিল মিনায় রাত যাপনের মধ্য দিয়ে। আজ ভোরে মিনায় রাত কাটিয়ে হজযাত্রীরা আরাফার উদ্দেশে যাত্রা করেন। মিনার ১৫ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত এই পবিত্র ভূমিতে দাঁড়িয়ে তারা মহান আল্লাহর দরবারে মোনাজাতে রত থাকবেন। সূর্যাস্তের পর তারা ৯ কিলোমিটার দূরের মুজদালিফার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন, যেখানে তারা রাতযাপন করবেন এবং শয়তানকে পাথর মারার জন্য পাথর সংগ্রহ করবেন।
আরাফাতের ময়দানে আজ জোহর ও আসরের নামাজ একত্রে আদায় করা হবে এবং মসজিদে নামিরা থেকে হজের খুতবা প্রদান করা হবে, যা হাজিরা গভীর মনোযোগে শুনবেন।
সৌদি হজ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১৫ লাখেরও বেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। হজের সময় ঘন ঘন তাপপ্রবাহের সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে সৌদি সরকার ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
সৌদি হজমন্ত্রী তৌফিক রাবিয়া জানিয়েছেন, এ বছর ২ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি কর্মী হজ ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত রয়েছেন। পাশাপাশি ৫০ হাজার বর্গমিটার ছায়াযুক্ত এলাকা তৈরি, হাজার হাজার চিকিৎসাকর্মীর মোতায়েন এবং ৪০০-এরও বেশি শীতলীকরণ ইউনিট চালু করা হয়েছে।
আনাদোলু বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, গত বছর (১৪৪৫ হিজরি / ২০২৪ সাল) বিশ্বজুড়ে ১৮ লাখ ৩৩ হাজার ১৬৪ জন হজ পালন করেন। এর মধ্যে ২ লাখ ২১ হাজার ৮৫৪ জন ছিলেন সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ হজযাত্রী।
এ বছর হজের নিয়মাবলিতে বেশ কিছু কঠোরতা দেখা গেছে। ১২ বছরের নিচের শিশুদের হজে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি, অনুমতিপত্র ছাড়া কেউ হজ পালনের চেষ্টা করলে তাকে ৫ হাজার মার্কিন ডলার জরিমানা এবং পরবর্তী ১০ বছরের জন্য সৌদি আরবে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে হবে।
হজমন্ত্রী আরও জানান, গত বছর হজে অংশ নিয়ে যাঁরা মৃত্যুবরণ করেন, তাঁদের ৮০ শতাংশই ছিলেন অবৈধ বা নিবন্ধনবিহীন। তারা পর্যাপ্ত আবাসন, পরিবহন ও চিকিৎসা সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। অনেকের মৃত্যুর কারণ ছিল চরম তাপদাহ, যা ৫১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছেছিল। মৃতদের মধ্যে শত শত মিশরীয় ও ইন্দোনেশীয়ও ছিলেন।
ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের অন্যতম হজ, মুসলিমদের জীবনে শারীরিক ও আর্থিক সামর্থ্য থাকলে একবার হলেও তা পালন করা ফরজ। হজের বিভিন্ন ধাপে পুরুষরা ইহরাম পরিধান করেন—সাদা দুটি কাপড়, আর নারীরা পরেন শালীন পোশাক ও মাথা ঢাকা থাকে। হাজিরা কাবা শরিফ তাওয়াফ করেন, সাফা-মারওয়া সাঈ করেন, মিনায় রাত কাটান এবং আরাফায় অবস্থান করেন।
আজ সেই আরাফার দিন—যেদিন নবী মুহাম্মদ (সা.) বিদায় হজে তাঁর ঐতিহাসিক খুতবা দিয়েছিলেন। ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত এখন আরাফার পবিত্র ভূমি, যেখানে লাখো মুসলিম মহান স্রষ্টার নিকট প্রার্থনায় নিবিষ্ট।
সৌদি আরবের আরাফাতের ময়দানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে পবিত্র হজের প্রধান পর্ব। হিজরি ১৪৪৬ সনের হজ পালন করছেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত লাখো মুসল্লি। হজের অন্যতম প্রধান রোকন ‘ওকুফে আরাফা’ পালনের জন্য হাজিরা আজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতে অবস্থান করবেন।
হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছিল মিনায় রাত যাপনের মধ্য দিয়ে। আজ ভোরে মিনায় রাত কাটিয়ে হজযাত্রীরা আরাফার উদ্দেশে যাত্রা করেন। মিনার ১৫ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত এই পবিত্র ভূমিতে দাঁড়িয়ে তারা মহান আল্লাহর দরবারে মোনাজাতে রত থাকবেন। সূর্যাস্তের পর তারা ৯ কিলোমিটার দূরের মুজদালিফার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন, যেখানে তারা রাতযাপন করবেন এবং শয়তানকে পাথর মারার জন্য পাথর সংগ্রহ করবেন।
আরাফাতের ময়দানে আজ জোহর ও আসরের নামাজ একত্রে আদায় করা হবে এবং মসজিদে নামিরা থেকে হজের খুতবা প্রদান করা হবে, যা হাজিরা গভীর মনোযোগে শুনবেন।
সৌদি হজ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১৫ লাখেরও বেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। হজের সময় ঘন ঘন তাপপ্রবাহের সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে সৌদি সরকার ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
সৌদি হজমন্ত্রী তৌফিক রাবিয়া জানিয়েছেন, এ বছর ২ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি কর্মী হজ ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত রয়েছেন। পাশাপাশি ৫০ হাজার বর্গমিটার ছায়াযুক্ত এলাকা তৈরি, হাজার হাজার চিকিৎসাকর্মীর মোতায়েন এবং ৪০০-এরও বেশি শীতলীকরণ ইউনিট চালু করা হয়েছে।
আনাদোলু বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, গত বছর (১৪৪৫ হিজরি / ২০২৪ সাল) বিশ্বজুড়ে ১৮ লাখ ৩৩ হাজার ১৬৪ জন হজ পালন করেন। এর মধ্যে ২ লাখ ২১ হাজার ৮৫৪ জন ছিলেন সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ হজযাত্রী।
এ বছর হজের নিয়মাবলিতে বেশ কিছু কঠোরতা দেখা গেছে। ১২ বছরের নিচের শিশুদের হজে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি, অনুমতিপত্র ছাড়া কেউ হজ পালনের চেষ্টা করলে তাকে ৫ হাজার মার্কিন ডলার জরিমানা এবং পরবর্তী ১০ বছরের জন্য সৌদি আরবে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে হবে।
হজমন্ত্রী আরও জানান, গত বছর হজে অংশ নিয়ে যাঁরা মৃত্যুবরণ করেন, তাঁদের ৮০ শতাংশই ছিলেন অবৈধ বা নিবন্ধনবিহীন। তারা পর্যাপ্ত আবাসন, পরিবহন ও চিকিৎসা সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। অনেকের মৃত্যুর কারণ ছিল চরম তাপদাহ, যা ৫১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছেছিল। মৃতদের মধ্যে শত শত মিশরীয় ও ইন্দোনেশীয়ও ছিলেন।
ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের অন্যতম হজ, মুসলিমদের জীবনে শারীরিক ও আর্থিক সামর্থ্য থাকলে একবার হলেও তা পালন করা ফরজ। হজের বিভিন্ন ধাপে পুরুষরা ইহরাম পরিধান করেন—সাদা দুটি কাপড়, আর নারীরা পরেন শালীন পোশাক ও মাথা ঢাকা থাকে। হাজিরা কাবা শরিফ তাওয়াফ করেন, সাফা-মারওয়া সাঈ করেন, মিনায় রাত কাটান এবং আরাফায় অবস্থান করেন।
আজ সেই আরাফার দিন—যেদিন নবী মুহাম্মদ (সা.) বিদায় হজে তাঁর ঐতিহাসিক খুতবা দিয়েছিলেন। ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত এখন আরাফার পবিত্র ভূমি, যেখানে লাখো মুসলিম মহান স্রষ্টার নিকট প্রার্থনায় নিবিষ্ট।








