ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ইরানের, পাল্টা জবাব ইসরায়েলের

ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। পাল্টা জবাবে ইসরায়েলও তেহরানসহ ইরানের একাধিক স্থানে আঘাত হানে। মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি একপ্রকার যুদ্ধাবস্থার রূপ নিয়েছে।
সোমবার (২৩ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ও ইরানি সংবাদ সংস্থা তাসনিমের বরাতে জানা যায়, ইরান থেকে উৎক্ষেপণ করা ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ইসরায়েলের অন্তত পাঁচটি শহরে আঘাত হানে। লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে সাফাদ, তেল আবিব, আশকেলন, আশদোদ এবং বেইসানের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকা রয়েছে।
হামলার সময় ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বাজতে শুরু করে, যার ফলে আতঙ্কে মানুষজন তেল আবিবসহ বিভিন্ন শহরের ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটে যান। ইসরায়েলি সরকার নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে নির্দেশ দিয়েছে এবং নতুন করে বিমান হামলার সতর্কতা জারি করেছে।
তাসনিম সংবাদমাধ্যমের দাবি, হামলায় কঠিন ও তরল জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের পাশাপাশি এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে যা ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করতে সক্ষম।
এদিকে ইরানের হামলার কিছুক্ষণের মধ্যেই ইসরায়েল পাল্টা আঘাত হানে। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তেহরানের অধ্যাপক ফোয়াদ ইযাদি জানান, একটি হাসপাতালের পাশে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে এবং সেখানে ধোঁয়া দেখা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত হতাহত সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে আরও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের আশঙ্কা রয়েছে এবং জনগণকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এই সংঘাতে পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা আশঙ্কা করছেন, এ ধরনের পাল্টাপাল্টি হামলা পুরো অঞ্চলকে অনিয়ন্ত্রিত সংঘর্ষের দিকে ঠেলে দিতে পারে।








