ভোলায় লবণ শিল্পে প্রাণ ফেরাচ্ছেন তরুণ ইয়াদ

দ্বীপজেলা ভোলার ঐতিহ্যবাহী লবণ শিল্প প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছিল। নদীভাঙন, সরকারি উদ্যোগের ঘাটতি ও আধুনিক প্রযুক্তির প্রভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল শত বছরের পুরনো সনাতন পদ্ধতির লবণ উৎপাদন। কিন্তু সেই শিল্পে আবারও প্রাণ ফিরিয়ে আনতে এগিয়ে এসেছেন তরুণ উদ্যোক্তা মো. ইয়াদ হোসেন।

এক সময় ভোলা সদর উপজেলার কালীনাথ রায়ের বাজার এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলার মির্জাকালু বন্দর ছিল দেশের লবণ ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। সারি সারি লবণ কারখানায় প্রতিদিন উৎপাদন হতো শত শত টন লবণ, যা সারা দেশে সরবরাহ করা হতো। কিন্তু ক্রমাগত নদীভাঙন ও অবহেলায় সেই চাকা থেমে যায়।

এই মৃতপ্রায় শিল্পে নতুন করে সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছেন ইয়াদ। তিনি তার পিতার প্রতিষ্ঠিত কারখানায় আবারও সনাতন পদ্ধতিতে লবণ উৎপাদন শুরু করেছেন। কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম থেকে ট্রলারে করে আনা কাঁচা লবণ জলীয় পদ্ধতিতে পরিশোধন করে র্ক্যাশিং মেশিনে শুকিয়ে তা আয়োডিন মিশ্রিত ভোজ্য লবণ ও শিল্পে ব্যবহার উপযোগী লবণে রূপ দিচ্ছেন।

ইয়াদের কারখানায় এখন প্রতিদিনই চলছে উৎপাদন। তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন প্যাকেটজাত লবণ, যা স্থানীয় আড়তদারদের কাছে সরবরাহ করা হচ্ছে। তার উৎপাদিত লবণ গুণগত মানসম্পন্ন ও দামেও সাশ্রয়ী—প্রতি কেজি মাত্র ১৪ টাকা। যেখানে বাজারে অন্যান্য ব্র্যান্ডের লবণ বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪২ টাকা কেজি দরে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইয়াদ বিসিক শিল্পনগরীতে জমি বরাদ্দ নিয়ে আধুনিক ভ্যাকুয়াম পদ্ধতির একটি উন্নত লবণ কারখানা গড়ার কাজ শুরু করেছিলেন। তবে আর্থিক সংকটে সেই কাজ আপাতত থমকে আছে। তিনি আশাবাদী, সরকারি ঋণ বা পৃষ্ঠপোষকতা পেলে খুব শিগগিরই সেই কারখানার কাজ শেষ করে জাতীয় পর্যায়েও লবণ সরবরাহ করতে পারবেন।

এদিকে কোরবানি ঈদের আগে ইয়াদের মিল থেকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জেলা প্রশাসন ৬০ টন লবণ কিনে নেয়, যা তার উদ্যোগের প্রতি সরকারের আস্থার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ভোলা বিসিক শিল্পনগরীর জেলা কর্মকর্তা এসএম সোহাগ হোসেন বলেন, “ভোলায় লবণ উৎপাদনের পুরনো গৌরব ফিরিয়ে আনতে সরকার আন্তরিক। আগ্রহী উদ্যোক্তাদের সরকারিভাবে সহায়তা দেওয়া হবে।”

তরুণ উদ্যোক্তাদের এই সাহসী উদ্যোগ হয়তো আবারও ফিরিয়ে আনবে ভোলার লবণ শিল্পের হারানো গৌরব।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




কাঁঠালিয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নিখোঁজ, পরিবারের উৎকণ্ঠা

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়ে পড়েছে। নিখোঁজ শিশুর নাম হাসান মাহমুদ, তার পিতা জিয়াউর রহমান। পরিবারের দাবি, গত রাত সাড়ে ৩টার দিকে ছেলেটিকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, হাসান কাঁঠালিয়া উপজেলার আশরাফুল উলুম নুরিয়া মাদ্রাসার ছাত্র। ভোররাতে মাদ্রাসা থেকে সে নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবারের লোকজন আত্মীয়-স্বজন ও আশপাশের এলাকায় বহু খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। এ ঘটনায় পরিবারে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

নিখোঁজ শিক্ষার্থীর সন্ধানে এলাকার মানুষও সহায়তা করছেন। যেকোনো ব্যক্তি যদি ছেলেটির খোঁজ পান বা কোথাও দেখে থাকেন, তাহলে ০১৬২০-৫৫৫১৮৮ নম্বরে যোগাযোগ করতে পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরগুনা ডেঙ্গুর হটস্পটে পরিণত, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৯৩ জন

উপকূলীয় জেলা বরগুনায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব থাকলেও বরগুনা এখন একপ্রকার হটস্পটে পরিণত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ জুন) দুপুরে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, হাসপাতালজুড়ে রোগীর উপচে পড়া ভিড়, শয্যা সংকট এবং চিকিৎসাসেবায় চরম দুর্ভোগ।

স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ধস, মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগীরা

বরগুনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালসহ জেলার অন্যান্য হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা। শয্যার সংকটে অনেক রোগী বারান্দা ও করিডোরে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। নারীদের ও শিশুদের ওয়ার্ডেও একই চিত্র।

২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৯৩, মৃত্যুও বাড়ছে

সিভিল সার্জন অফিসের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বরগুনায় নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৩ জন। এর মধ্যে বরগুনা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮০ জন এবং বাকি ১৩ জন জেলার অন্যান্য হাসপাতালে।
উপজেলা ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী:

  • আমতলী: ১ জন
  • বেতাগী: ২ জন
  • বামনা: ৬ জন
  • পাথরঘাটা: ৪ জন

বর্তমানে বরগুনার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ২৪২ জন। এ বছর জানুয়ারি থেকে ১১ জুন পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২,৪৯৫ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২,২৫৩ জন।

সরকারি হিসেবে বরগুনা সদর হাসপাতালে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা ৬ জন। তবে বেসরকারিভাবে জানা গেছে, বরগুনা সদর উপজেলার অন্তত ১৬ জন রোগী বরিশাল ও ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

সংকটে চিকিৎসাসেবা, সচেতনতার তাগিদ

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রেজোয়ানুর আলম বলেন, “চিকিৎসক ও নার্সরা নিরলসভাবে কাজ করছেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় চিকিৎসা উপকরণ দ্রুত সরবরাহ না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।”

বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ জানান, “ডেঙ্গু রোগী প্রতিদিনই বাড়ছে। স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। মশার উৎসস্থল ধ্বংস, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম ছাড়া এই সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়।”

তিনি আরও জানান, সংকট মোকাবেলায় ইতিমধ্যে ২৫০ শয্যার হাসপাতালে ৮ জন চিকিৎসক ও ১০ জন নার্স পদায়ন করা হয়েছে। স্যালাইন ও রক্ত পরীক্ষার কিট সরবরাহে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

উপসংহার

ডেঙ্গুতে বরগুনার বিপর্যস্ত চিত্র স্বাস্থ্যখাতের চরম দুর্বলতাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে। দ্রুত সচেতনতা, জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি এবং পর্যাপ্ত চিকিৎসা সরঞ্জামের সংস্থান না হলে এই হটস্পট আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




পিরোজপুরে বেইলি ব্রিজ ধসে যান চলাচল বন্ধ, জনদুর্ভোগ চরমে

পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নে একটি বেইলি ব্রিজ ধসে পড়েছে কয়লাবোঝাই একটি ট্রাকসহ। এতে করে কলারন-সন্ন্যাসী-মোড়েলগঞ্জ-পিরোজপুর সড়কে সকল ধরনের যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। দুর্ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও, হাজারো মানুষের যোগাযোগে বিপর্যয় নেমে এসেছে।

দুর্ঘটনার বিস্তারিত

ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (২০ জুন) ভোররাত ৪টার দিকে। ইন্দুরকানী উপজেলার মালবাড়ি এলাকার খালের উপর নির্মিত স্টিলের বেইলি ব্রিজ দিয়ে পার হচ্ছিল একটি অতিরিক্ত মালবোঝাই কয়লার ট্রাক। অতিরিক্ত ওজনের চাপে ব্রিজটি ভেঙে ট্রাকসহ খালের মধ্যে পড়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বহু পুরনো এই ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরেই দুর্বল ও ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। বারবার সতর্ক করা হলেও যথাসময়ে সংস্কার না করায় এখন তার মূল্য দিচ্ছে সাধারণ মানুষ।

ব্রিজের ওজনসীমা উপেক্ষা করে বিপদ

স্থানীয় সূত্র জানায়, ব্রিজটির ওপর পাঁচ টনের বেশি ওজনের যান চলাচল নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু দুর্ঘটনার সময় ট্রাকটিতে থাকা কয়লার ওজন সেই সীমা অনেকটাই ছাড়িয়ে যায়। ব্রিজের উপর উঠতেই সেটি ভেঙে পড়ে খালে।

প্রশাসনের পদক্ষেপ

ঘটনার পরপরই সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পিরোজপুর সওজ-এর নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ জানান, “ব্রিজ ধসের খবর পেয়ে আমরা তৎপর হয়েছি। ট্রাকটি উদ্ধারের পর দ্রুত সংস্কার কার্যক্রম শুরু করা হবে।”

জনদুর্ভোগ চরমে

ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় ইন্দুরকানী, কলারন, সন্ন্যাসী, মোড়েলগঞ্জ ও আশপাশের এলাকায় সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, রোগী ও ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। বিকল্প কোনো সেতু বা রাস্তা না থাকায় এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন।

উপসংহার

যথাসময়ে সংস্কার এবং নিয়মিত তদারকি না থাকায় এমন দুর্ঘটনা বারবার ঘটছে। এ ঘটনায় দ্রুত ব্রিজ পুনঃনির্মাণ এবং ভবিষ্যতে ওজনসীমা নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




গঙ্গামতি চর: কুয়াকাটার বুকে এক নিসর্গের জাদুকাব্য

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের মাত্র ১০ কিলোমিটার পূর্বে বিস্তৃত গঙ্গামতি চর—একটি স্থান যেখানে সমুদ্রের গর্জন, লেকের শান্ত জলরাশি আর সবুজ বন মিলে সৃষ্টি করেছে এক অপার্থিব সৌন্দর্য। প্রকৃতিপ্রেমী আর ভ্রমণপিপাসুদের কাছে দিনদিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এই চর, যেখানে প্রতিটি সকাল শুরু হয় সূর্যের স্নিগ্ধ আলো আর কাঁকড়ার রঙিন নৃত্যে।

সূর্যোদয়ে রঙিন এক নাট্যাভিনয়

গঙ্গামতির লালচে বেলাভূমিতে ভোরের আলো পড়তেই শুরু হয় কাঁকড়ার দৌড়ঝাঁপ। সূর্যোদয়ের মুহূর্তগুলো যেন ক্যানভাসে আঁকা কোনো শিল্পকর্ম। এই দৃশ্য দেখে পল্লীকবি জসিমউদ্দিনের কবিতার মাঠগুলো মনে পড়ে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়।

বনজীবনের জীবন্ত নিদর্শন

চরজুড়ে বিস্তৃত কেওড়া, গেওয়া, বাইন ও ছইলার বনে নানা ধরনের বন্যপ্রাণীর বিচরণ পর্যটকদের মুগ্ধ করে। এখানে পাখির কলতান, বানরের লাফালাফি, শেয়ালের নিঃশব্দ পথচলা আর বুনো শুকরের মাটির নিচে কন্দ খোঁজার দৃশ্য সবই যেন প্রকৃতির নিজ হাতে আঁকা একটি ভ্রাম্যমাণ জাদুঘর।

লেকের হৃদয়স্পর্শী সৌন্দর্য

গঙ্গামতির লেক যেন চরটির প্রাণ। জোয়ার-ভাটার প্রভাবে প্রতিনিয়ত এর রূপ বদলায়। পর্যটকরা ট্রলার, ডিঙি নৌকা কিংবা হেঁটে এই লেক আর আশপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করেন। ভাটার সময় গাছ থেকে ঝরে পড়া পাতা ও ফুল মিলে তৈরি করে অনন্য এক প্রাকৃতিক শিল্প।

যাতায়াতে সহজতা, অথচ উন্নয়ন নেই

কুয়াকাটা জিরোপয়েন্ট থেকে সহজেই মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, অথবা ভ্যানে গঙ্গামতিতে যাওয়া যায়। ভাটার সময় যাওয়া যায় মাইক্রোবাসেও। তবুও পর্যটন সুযোগ-সুবিধার অভাবে এই চর এখনও অবহেলিত। নেই পর্যাপ্ত সড়ক উন্নয়ন, নিরাপত্তা কিংবা পরিচ্ছন্নতা।

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক দম্পতি সাদমান ও সিলভি বলেন, “এটা যেন এক অন্য জগৎ। লেক, বন আর কাঁকড়া মিলিয়ে অভিজ্ঞতাটা ছিল অসাধারণ।”

ঘুমিয়ে থাকা সম্ভাবনার গন্তব্য

স্থানীয়দের মতে, সরকারি উদ্যোগ ও বিনিয়োগের অভাবে গঙ্গামতির সম্ভাবনা এখনও অচর্চিত। যদিও কিছু হাউজিং কোম্পানি ইতোমধ্যে এখানকার জমিতে বিনিয়োগ শুরু করেছে এবং আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র গড়ার পরিকল্পনা করছে। এখানে সাগরভাঙনের ঝুঁকি কম, ভূমির স্বাভাবিক ভারসাম্যও অনেক বেশি—সব মিলিয়ে পরিকল্পিত উন্নয়নের জন্য এটি একটি আদর্শ স্থান।

উপসংহার

গঙ্গামতি শুধু একটি চর নয়—এটি ভবিষ্যতের এক সম্ভাবনাময়, টেকসই, পরিবেশবান্ধব আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র হতে পারে। দরকার শুধু দৃষ্টি প্রসারিত করা, পরিকল্পনা গ্রহণ এবং আন্তরিক সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫

 




ছাত্রদল নেত্রীর মৃত্যুতে উত্তাল ভোলা, তদন্ত দাবিতে ছাত্রদের লাগাতার বিক্ষোভ

ভোলায় লঞ্চ থেকে নদীতে পড়ে মৃত্যু হওয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী ও ছাত্রদল কর্মী সুকন্যা আক্তার ইপ্সিতার (২২) মৃত্যুর ঘটনায় ধোঁয়াশা ও রহস্য ঘনীভূত হয়েছে। এই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের দাবিতে সহপাঠী ও ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ ও মানববন্ধনে উত্তাল হয়ে উঠেছে।

গত ১৭ জুন এমভি কর্ণফুলি-৪ লঞ্চের তৃতীয় তলা থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন ইপ্সিতা। নিখোঁজের চার দিন পর, ২১ জুন লক্ষ্মীপুর সংলগ্ন মেঘনা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। পরিচয় শনাক্তে দেরি হওয়ায় ২২ জুন আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে মরদেহ দাফন করা হয়। ছবি ও পোশাক দেখে ইপ্সিতার বাবা মাসুদ রানা মরদেহটি শনাক্ত করেন।

মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবিতে ছাত্রদল ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ২৪ জুন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভোলা সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসসহ শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতীকী শোক ও ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে সকাল ১০টায় কলেজ ছাত্রদল, বিকেল ৫টায় পৌর ছাত্রদল এবং সন্ধ্যা ৭টায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়।

তাদের প্রশ্ন, ইপ্সিতা কী স্বেচ্ছায় নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন, নাকি তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলা হয়েছে? যদি আত্মহত্যা করে থাকেন, তাহলে কি কেউ তাকে প্ররোচিত করেছে? ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে কি না, কিংবা প্রেমঘটিত বা রাজনৈতিক কারণে হত্যা করা হয়েছে কি না—এই সব বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ইতিমধ্যে ভিকটিমের বাবা মাসুদ রানা অজ্ঞাতনামা আসামি করে লক্ষ্মীপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করছে লক্ষ্মীপুর থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং ভোলা থানা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

লঞ্চ কেবিন ইনচার্জ রাসেল হৃদয়ের ভাষ্যমতে, ইপ্সিতা তৃতীয় তলার একটি কেবিন ভাড়া নিতে চেয়েছিলেন। ভাড়া বেশি হওয়ায় তিনি জানান তার কাছে মাত্র ৩০০ টাকা রয়েছে, বাকি দেবে ‘জসিম’ নামে কেউ। কিন্তু লঞ্চের অন্য কর্মকর্তা ‘জসিম’ নামে কাউকে চিনতে পারেননি। ইপ্সিতার পরিবারের দাবি, তাদের পরিচিত কারও নাম জসিম নয়—এতে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।

এদিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল, ভোলা জেলা ও কলেজ ছাত্রদল পৃথক বিবৃতি দিয়ে ইপ্সিতার মৃত্যুতে শোক ও নিন্দা প্রকাশ করেছে এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।

এদিন ছাত্রদলের প্রতিনিধি দল ভোলা সদর মডেল থানার ওসি আবু শাহাদাত মোহাম্মদ হাসনাইন পারভেজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সঠিক তদন্ত ও বিচার দাবিতে স্মারকলিপি পেশ করে।

ওসি হাসনাইন পারভেজ জানান, লঞ্চটি চাঁদপুর অতিক্রম করার সময় মেয়েটি নদীতে পড়ে যান বলে জানা গেছে। বর্তমানে মামলার তদন্ত করছে লক্ষ্মীপুর থানা ও নৌ পুলিশ। ভোলা থানাসহ ডিবি পুলিশও তাদের সহায়তা করছে।

ভোলা জেলা ডিবি পুলিশের ওসি মো. ইকবাল হোসেন বলেন, “ছাত্রী ইপ্সিতার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে আমরা গুরুত্বসহকারে তদন্ত শুরু করেছি। শিগগিরই তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।”

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা করছে চীন: মির্জা ফখরুল

চীন সফরের দ্বিতীয় দিনে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী সান ওয়েইডংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল।

মঙ্গলবার (২৪ জুন) সকালে বাংলাদেশ সময় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, বৈঠকটি ছিল সৌহার্দ্যপূর্ণ ও গঠনমূলক পরিবেশে।

বৈঠক শেষে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের জানান, চীনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রত্যাশা প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি তারা ভবিষ্যতের নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

তিনি আরও জানান, কৃষি, শিল্প, গার্মেন্টস, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো উন্নয়নে চীন তার সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়েছে।

এর আগে সোমবার (২৩ জুন) চীনের পিপলস গ্রেট হলে সিপিসি কেন্দ্রীয় কমিটির পলিটব্যুরো সদস্য এবং ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস স্ট্যান্ডিং কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান লি হংঝংয়ের সঙ্গেও বৈঠক করেন ফখরুল। সেখানে তিনি আঞ্চলিক রাজনীতিতে চীনের নেতৃত্বের ভূমিকাকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে সেটিকে বহুপাক্ষিক পর্যায়ে বিস্তারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ সফর থেকে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে চীন সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।




নগর ভবনে হামলাকারীরা বিএনপির কেউ নয়, উপদেষ্টা আসিফের ঘনিষ্ঠ কেউ: ইশরাক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) নগর ভবনে হামলার ঘটনায় জড়িতদের সঙ্গে স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, হামলাকারীরা বিএনপি বা শ্রমিক দলের কেউ নয়। দলকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে বিএনপির স্লোগান ব্যবহার করে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ জুন) বিকেলে নগর ভবনে হামলায় আহতদের দেখতে এসে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

ইশরাক জানান, গত দুই দিন ধরে নগর ভবন ও এর আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোতে নাগরিক সেবা পুরোদমে চালু হয়েছে। আন্দোলনের মধ্য দিয়েই স্থবিরতা কাটিয়ে জনতার সহযোগিতায় এ সেবা কার্যক্রম পুনরায় সচল করা সম্ভব হয়েছে। তবে এ অগ্রগতি ব্যাহত করতেই বহিরাগত অস্ত্রধারী ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের দিয়ে নির্মম হামলা চালানো হয়েছে।

তিনি বলেন, এ হামলায় অন্তত তিনজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি এবং আরও ১০ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। হামলাকারীদের কাছে স্ক্রু ড্রাইভার, হাতুড়ি, দেশীয় অস্ত্র এবং একজনের কাছে পিস্তলও ছিল। একজন নেতাকর্মীর ফুসফুসে ছুরি মেরে গুরুতর আহত করা হয়েছে।

ইশরাক বলেন, “এই হামলা ছিল দুইটি উদ্দেশ্য নিয়ে পরিচালিত—প্রথমত, আমার নাম ব্যবহার করে আন্দোলনের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব হিসেবে তুলে ধরা; দ্বিতীয়ত, জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে সেবা কার্যক্রম বন্ধ করা।”

তিনি সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া রুবেল ও কর্মচারী আরিফুজ্জামান প্রিন্সকে হামলার নেতৃত্বে থাকার জন্য দায়ী করেন। এরা দুজনই অতীতে মেয়র সাঈদ খোকন ও মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের ঘনিষ্ঠ হিসেবে নানা সুবিধা আদায় করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ইশরাক বলেন, কিবরিয়া রুবেল উপদেষ্টা আসিফের গাড়ি ব্যবহার করতেন এবং দুর্নীতি, টেন্ডার ভাগাভাগি ও লুটপাটের মাধ্যমে বিপুলভাবে লাভবান হয়েছেন। সেই সুবিধা ধরে রাখতেই ‘বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন’ নামে হামলা সংগঠিত করেছেন তারা।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, “এই হামলার নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। নগর ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ, গণমাধ্যম ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভিডিও বিশ্লেষণ করে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, যতক্ষণ না হামলাকারীদের বিচার সম্পন্ন হচ্ছে, ততক্ষণ আন্দোলন চালিয়ে যাবেন তারা। একই সঙ্গে নগরবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, “এই ভবন আপনাদের। নির্ভয়ে আসুন, আপনাদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব।”




জনগণ এখন সচেতন, তারা প্রতীক নয় দলীয় কর্মকাণ্ড দেখে ভোট দেবে: জামায়াত নেতা বুলবুল

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, জনগণ এখন আর শুধু নির্বাচনী প্রতীক দেখে ভোট দেয় না, বরং দলীয় কর্মকাণ্ড ও আদর্শ বিবেচনা করেই ভোট প্রদান করে।

মঙ্গলবার (২৪ জুন) রাজধানীর গেন্ডারিয়া সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্রে ঢাকা-৬ আসনে জামায়াতের ভোটকেন্দ্রভিত্তিক নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্বশীলদের সমাবেশ ও ঈদ পুনর্মিলনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বুলবুল বলেন, “কারা হত্যা, ধর্ষণ, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও লুটপাট করেছে, তা এখন জাতির সামনে দিবালোকের মতো পরিষ্কার। তরুণ প্রজন্ম বলছে—বয়কট সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দখলবাজি।”

তিনি আরও বলেন, শহীদ ও আহতদের পরিবারের ন্যায্য দাবি পূরণ না হলে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে না, বরং ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান ঘটবে। শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা এবং আহতদের সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

বুলবুল জানান, জামায়াত প্রকৃত শহীদ পরিবারকে দুই লাখ টাকা করে সহায়তা দিয়েছে এবং শহীদদের আত্মত্যাগের ইতিহাস সংরক্ষণে ১৫০০ পৃষ্ঠার দশ খণ্ডের বই প্রকাশ করেছে।

দেশে বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে তরুণদের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, “কিছু রাজনৈতিক দল শুধু নির্বাচনের কথা বলছে, কিন্তু রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কার ও গণহত্যার বিচার চায় না। তারা বরং ফ্যাসিবাদী শাসনের পথে হাঁটছে।”

জামায়াত রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে নিরাপত্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং দ্রব্যমূল্যের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করবে বলেও আশ্বাস দেন বুলবুল।

তিনি আহ্বান জানান, দলমত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে “নতুন বাংলাদেশ” গড়ার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বকে সামনে এগিয়ে আনতে।




জামায়াত আমির ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।

মঙ্গলবার (২৪ জুন) রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পক্ষের মধ্যে বৈঠকটি ছিল আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে।

বৈঠকে সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছাড়াও পারস্পরিক আগ্রহের নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সাক্ষাতে জামায়াতের পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন দলটির নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।

বৈঠকটি নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে কূটনৈতিক মহলে এ ধরনের বৈঠককে রাজনৈতিক সংলাপ ও সম্পর্ক রক্ষার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।