শ্রীলঙ্কার কাছে লজ্জাজনক ইনিংস ব্যবধানে হার টাইগারদের

তীব্র ব্যাটিং ব্যর্থতায় ইনিংস ও ৭৮ রানের ব্যবধানে কলম্বো টেস্টে শ্রীলঙ্কার কাছে পরাজিত হলো বাংলাদেশ। সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে হেরে ১-০ ব্যবধানে সিরিজও হাতছাড়া হলো টাইগারদের। গলে প্রথম ম্যাচ ড্র হলেও কলম্বোয় আর ঘুরে দাঁড়াতে পারল না সফরকারীরা।

তৃতীয় দিনের খেলা শেষে যখন বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৬ উইকেটে ১১৫, তখনই ম্যাচের ভাগ্য অনেকটা নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে তখনো ৯৬ রানে পিছিয়ে ছিল বাংলাদেশ, হাতে মাত্র ৪ উইকেট। লড়াইয়ের শেষ ভরসা ছিলেন লিটন দাস। তবে চতুর্থ দিনের শুরুতেই সেই আশাও শেষ হয়ে যায়। দিনের চতুর্থ বলেই প্রবাথ জয়াসুরিয়ার বলে উইকেটকিপার কুশল মেন্ডিসের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন লিটন (১৪ রান)। এরপর একে একে আউট হন নাঈম হাসান, তাইজুল ইসলাম এবং এবাদত হোসেন। চতুর্থ দিনে বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় মাত্র ৩৪ বলের মধ্যে।

এর আগে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ অলআউট হয় মাত্র ২৪৭ রানে। জবাবে শ্রীলঙ্কা পাথুম নিশাঙ্কার ১৫৮ রানের দুর্দান্ত ইনিংসের উপর ভর করে ৪৫৮ রানে পৌঁছে যায়। ফলে ২১১ রানের বিশাল লিড পায় স্বাগতিকরা।

দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাট হাতে ব্যর্থতার পরিচয় দেয় বাংলাদেশ। ওপেনার এনামুল হক বিজয় গলে দুই ইনিংসেই ব্যর্থ হওয়ার পরেও কলম্বোয় সুযোগ পান, তবে এবারও হতাশ করেন। ১৯ রান করে ফিরে যান তিনি। ৩ বল পর বিদায় নেন আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম (১২ রান)। এরপর মুমিনুল হক (১৫), শান্ত (১৯), মুশফিক (২৬), ও মিরাজ (১১) সবাই থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন।

শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ২১১ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। টপ অর্ডার থেকে টেল এন্ড পর্যন্ত ব্যর্থতায় টেস্টে চরমভাবে পর্যুদস্ত হয় সফরকারীরা।

এই হারে শুধু ম্যাচই নয়, সিরিজটাও হাতছাড়া করলো বাংলাদেশ। গলে ভালো লড়াই করলেও কলম্বো টেস্টে পুরোপুরি ছন্দহীন ছিল টাইগাররা — ব্যাটিং ব্যর্থতাই মূল ভরাডুবির কারণ।

শেষ ফলাফল:
বাংলাদেশ: প্রথম ইনিংস ২৪৭, দ্বিতীয় ইনিংস ২১১
শ্রীলঙ্কা: একমাত্র ইনিংস ৪৫৮
ফল: শ্রীলঙ্কা জয়ী ইনিংস ও ৭৮ রানে
সিরিজ ফলাফল: শ্রীলঙ্কা ১-০ ব্যবধানে জয়ী




ইসলামী আন্দোলনের মহাসমাবেশের প্রথম অধিবেশন শুরু, হাজারো নেতাকর্মীদের আগমন

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জাতীয় মহাসমাবেশের প্রথম অধিবেশন রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শুরু হয়েছে। শনিবার (২৮ জুন) সকাল ১০টায় পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে এই অধিবেশনের সূচনা হয়।

জাতীয় নির্বাচন সংস্কার, বিচার ও প্রতিনিধিত্বমূলক (পিআর) পদ্ধতিতে আয়োজনের দাবিতে আয়োজিত এই মহাসমাবেশে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশ নিচ্ছেন। সকালের দিকে মৎস্যভবন, শাহবাগসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে উপস্থিত হন। অনেকে পায়ে হেঁটেই সমাবেশে যোগ দেন।

সমাবেশের প্রথম অধিবেশনে জেলা ও মহানগর পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখছেন। উপস্থিত রয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ।

এর আগে শুক্রবার (২৭ জুন) সমাবেশস্থল পরিদর্শন করেন মহাসমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও দলের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম। তিনি জানান, দেশব্যাপী কয়েক হাজার গাড়ি রিজার্ভ করা হয়েছে এবং লঞ্চ ও ট্রেনযোগে লাখো মানুষের ঢাকায় আগমনের প্রত্যাশা রয়েছে।

দলের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান জানিয়েছেন, এই মহাসমাবেশ থেকে আগামী রাজনীতির জন্য একটি নতুন বার্তা দেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পিআর পদ্ধতিনির্ভর নির্বাচন এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী অবস্থানে ঐকমত্য পোষণকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের এই সমাবেশে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। দুপুর ২টা থেকে মূল অধিবেশন শুরু হবে, যেখানে সভাপতিত্ব করবেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।




নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জন্মদিন আজ

আজ ২৮ জুন, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জন্মদিন। তিনি ১৯৪০ সালের এই দিনে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের বাথুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত এই অর্থনীতিবিদ ২০০৬ সালে ‘গ্রামীণ ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনের এক নতুন মডেল উপস্থাপন করে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন। তিনিই প্রথম বাংলাদেশি যিনি এই মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেন। ইউনূস ও তার গ্রামীণ ব্যাংকের মডেল বিশ্বের অন্তত ৪০টি দেশে অনুসরণ করা হচ্ছে।

ড. ইউনূসের পিতা দুলা মিঞা সওদাগর ছিলেন একজন মহুরী এবং মাতা সুফিয়া খাতুন। তার স্ত্রী অধ্যাপক দিনা আফরোজ এবং তাদের রয়েছে দুই কন্যা।

ছাত্রজীবনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। চট্টগ্রাম কলিজিয়েট স্কুল থেকে মেট্রিকুলেশনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ৩৯ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৬তম স্থান অর্জন করেন। এরপর চট্টগ্রাম কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে স্নাতক সম্পন্ন করেন। ১৯৬১ সালে চট্টগ্রাম কলেজে অর্থনীতির প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন এবং পরে অধ্যাপক হন।

১৯৬৫ সালে ফুলব্রাইট স্কলারশিপে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা লাভের সুযোগ পান তিনি। ১৯৭১ সালে আমেরিকার ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রে ‘বাংলাদেশ ইনফরমেশন সেন্টার’ গঠন করে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ তাকে নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করে। তিনি দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য শুরু করেন ‘গ্রামীণ অর্থনৈতিক প্রকল্প’। ১৯৭৬ সালে জোবরা গ্রামে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা এই উদ্যোগ ১৯৮৩ সালে পূর্ণাঙ্গ ‘গ্রামীণ ব্যাংক’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি পেয়েছেন স্বাধীনতা পদক (১৯৮৭), যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম এবং কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেলসহ বহু পুরস্কার ও সম্মাননা।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন ড. ইউনূস। গত বছরের জুলাই মাসে কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশের ছাত্র-জনতার বৃহত্তর আন্দোলন শুরু হয়, যা পরে একদফা শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে রূপ নেয়। প্রধানমন্ত্রীর দেশত্যাগের পর, ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। বর্তমানে তিনি সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন।

আজ তার জন্মদিনে দেশ-বিদেশে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।




সরকারি দাবি প্রত্যাখ্যান, ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ও ‘মার্চ টু এনবিআর’ চলবে

অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঘোষণার পরও ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ও ‘মার্চ টু এনবিআর’ কর্মসূচি প্রত্যাহার না করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ। তারা বলছে, আগামীকাল শনিবার (২৮ জুন) থেকে ট্যাক্স, কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের সব দপ্তরে লাগাতার কর্মবিরতি চলবে।

শুক্রবার রাতে ঐক্য পরিষদের সভাপতি হাছান মুহম্মদ তারেক রিকাবদার ও মহাসচিব সেহেলা সিদ্দিকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, “২৬ জুন অর্থ উপদেষ্টার কার্যালয়ে যে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেখানে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। আলোচনায় আমন্ত্রণ না জানানোয় ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগও ছিল না। তাই পূর্বঘোষিত কর্মসূচি চলবে।”

অন্যদিকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলাম সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অর্থ উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় এনবিআর সংস্কার আন্দোলন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সভায় তিনটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়: ১. এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে ঘোষিত কমপ্লিট শাটডাউন ও মার্চ টু এনবিআর কর্মসূচি প্রত্যাহার।
২. জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাম্প্রতিক দুটি বদলি আদেশ পুনর্বিবেচনা।
৩. আগামী ১ জুলাই বিকাল ৪টায় এনবিআর সংস্কার সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে রাজস্ব আইন সংশোধন বিষয়ে আলোচনা সভা।

তবে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ জানায়, “দেশ ও রাজস্বের স্বার্থে আমরা আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। তবে দাবি বাস্তবায়নের আগে আন্দোলন থেকে পিছু হটার প্রশ্নই আসে না। আমরা প্রধান উপদেষ্টার সানুগ্রহ হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”

সংগঠনটি জানায়, শাটডাউন কর্মসূচির আওতায় আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা ব্যতীত ট্যাক্স, কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের সব দপ্তরে কাজ বন্ধ থাকবে। একইসঙ্গে এনবিআরের প্রতি শান্তিপূর্ণ ‘মার্চ টু এনবিআর’ কর্মসূচিও চলবে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চলমান কর্মসূচির কারণে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, আমদানি-রপ্তানি ও জনসেবায় অচলাবস্থা সৃষ্টি হচ্ছে। তাই সকল কর্মকর্তাকে নিজ নিজ দপ্তরে ফিরে কার্যক্রমে মনোনিবেশ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।




ভারতের বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা: ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বাংলাদেশি বস্ত্র খাত

বাংলাদেশ থেকে কাপড়, পাট ও সুতার পণ্যের আমদানিতে বড় ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ভারত। শুক্রবার (২৭ জুন) দেশটির বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এক বিবৃতিতে জানান, এসব পণ্য আর স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে পারবে না।

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, “বাংলাদেশ থেকে পাটজাত পণ্য, একাধিক ভাঁজের বোনা কাপড়, একক শণ সুতা, ব্লিচ না করা পাটের কাপড়সহ নির্দিষ্ট কিছু পণ্য শুধুমাত্র মহারাষ্ট্রের নহভা শেভা সমুদ্রবন্দর দিয়ে আমদানি করা যাবে। স্থলবন্দর দিয়ে এসব পণ্য প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।”

এর আগে গত মে মাসেও একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ভারত। সেসময় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক আমদানিতে স্থলবন্দরের পথ বন্ধ রেখে শুধুমাত্র নহভা শেভা ও কলকাতা বন্দরের মাধ্যমে আমদানির অনুমতি দেয় দেশটি। বাংলাদেশ থেকে বছরে প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক ভারতে রপ্তানি হয়ে থাকে। ওই সিদ্ধান্তে তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

তবে নতুন নিষেধাজ্ঞায় নেপাল ও ভুটানে বাংলাদেশ থেকে সরাসরি রপ্তানি হওয়া পণ্যের ওপর এই বিধিনিষেধ কার্যকর হবে না বলে জানায় ভারতের বাণিজ্য দপ্তর। যদিও এ ক্ষেত্রে শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে— এসব পণ্য যেন পুনরায় ভারতে প্রবেশ করতে না পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, সম্প্রতি ভারত-বাংলাদেশ রাজনৈতিক সম্পর্কে টানাপড়েন এবং আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দিল্লি এই ধরনের বাণিজ্যিক কড়াকড়ি আরোপ করছে।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণআন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করে ভারত পালিয়ে যান বলে রাজনৈতিক মহল সূত্রে জানা যায়। এরপর থেকেই নয়াদিল্লি বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে শীতল এবং শত্রুভাবাপন্ন অবস্থানে রয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে।




ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানা

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, “ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতেই আমাদের সংগ্রাম।” তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৭ বছর ধরে দেশের জনগণ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত এবং নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে পারেনি।

শুক্রবার (২৭ জুন) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত এক কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

রুমিন বলেন, “বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। অনেকে স্বজন হারানোর পরও জানাজায় অংশ নিতে পারেননি। অথচ এসব নিপীড়নের মধ্যেও আমরা মাথা নত করিনি।”

তিনি দাবি করেন, “বিএনপির দুঃসময়ে, যখন কেউ কথা বলতে সাহস করতো না, আমি সেই সময় শেখ হাসিনার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে দেশের স্বার্থে কথা বলেছি— দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মঞ্চে।”

স্থানীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে রুমিন ফারহানা বলেন, “যারা আজ আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন, অনেকেই সেই কঠিন সময়ে গা ঢাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু যারা দুঃসময়ে পাশে ছিলেন, তাদের ভুলে গেলে চলবে না।”

তিনি বলেন, “সামনে জাতীয় নির্বাচন। এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে— আপনি শিক্ষিত, জনবান্ধব প্রার্থী চান, নাকি আবার টেন্ডারবাজ, সন্ত্রাসী ও দখলদারদের হাতে দেশ তুলে দিতে চান?”

ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি দিয়ে রুমিন বলেন, “জনগণের রায়ে নির্বাচিত হতে পারলে দুর্গাপুরসহ আশেপাশের এলাকায় গ্যাস সংযোগ নিশ্চিত করা হবে এবং তরুণদের কর্মমুখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে টেকসই কর্মসংস্থান গড়ে তোলা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “তরুণদের জন্য রাজনীতিকে আদর্শভিত্তিক করতে হবে, যাতে তারা স্বপ্ন দেখতে পারে, নেতৃত্ব দিতে পারে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।”

সভায় সভাপতিত্ব করেন দুর্গাপুর ইউনিয়ন তরুণদলের সভাপতি আজিম রানা। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম খোকন, সহ-সভাপতি এবিএম মুমিনুল হক, গোলাম সারোয়ার খোকন, সাবেক জেলা সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার মাস্টার, জেলা তরুণদলের সভাপতি আজিজুর রহমান হেলালসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা।




ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক বাতিল, পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ

ইরান জানিয়েছে, পারমাণবিক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে কোনো আলোচনা বা বৈঠকের পরিকল্পনা নেই। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এক রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, “আমরা যখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ছিলাম, তখন তারা ইসরায়েলকে সমর্থন দিয়ে আমাদের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা চালানোর সুযোগ করে দেয়। এমন আচরণ কূটনীতির পরিপন্থী এবং এটি আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ।”

বার্তাসংস্থা আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আরাগচি আরও অভিযোগ করেন, “সম্প্রতি আলোচনার সময়ে যুক্তরাষ্ট্র আমাদের জাতীয় অধিকার খর্ব করতে চেয়েছিল এবং ইচ্ছাকৃতভাবে যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়। এমনকি ইসরায়েলি দখলদার শক্তিকে হামলার জন্য উস্কে দেয়।”

তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের ঘটনা ঘটেছে, যা ইরানের ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করবে। তবুও তিনি বলেন, “আমরা কূটনৈতিক যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ করছি না। এখনও অনেক দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি।”

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি মন্তব্য করেছিলেন, “আগামী সপ্তাহে ইরানের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে।” তবে আরাগচি তা পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, “এ ধরনের কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা বা উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্যে পরস্পরবিরোধিতা রয়েছে।”

প্রসঙ্গত, গত ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানের সামরিক, পারমাণবিক ও বেসামরিক স্থাপনাগুলোর ওপর বিমান হামলা চালায়। এতে দুই দেশের মধ্যে টানা ১২ দিন ধরে সংঘর্ষ চলে। ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এতে ৬০৬ জন নিহত ও ৫ হাজার ৩৩২ জন আহত হন।

উল্টোভাবে, ইরানও ইসরায়েলে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাবে এতে ২৯ জন নিহত এবং আহত হন প্রায় ৩ হাজার ৪০০ জন।

পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যাওয়ার আগেই গত ২৪ জুন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় উভয় দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পন্ন হয়। তবে পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতিকে সাময়িক শান্ত করলেও কূটনৈতিক সমাধান এখনও অনিশ্চিত।




ভারতে মুসলিম নির্যাতন, আতঙ্কে বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানেরা

ভারত থেকে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের বিনা বিচারে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। মানবাধিকার সংগঠন ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর দাবি—এই বিতাড়ন প্রক্রিয়া আইনবহির্ভূত ও ধর্মীয় বিদ্বেষপ্রসূত। ইতোমধ্যে দুই দেশের কর্মকর্তারাও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন হিন্দু জাতীয়তাবাদী সরকার দীর্ঘদিন ধরেই অভিবাসন ইস্যুতে, বিশেষ করে বাংলাদেশি মুসলমানদের ব্যাপারে কঠোর নীতি অনুসরণ করছে। বিভিন্ন সময় সরকারি ভাষ্যে অভিবাসীদের ‘উইপোকা’ ও ‘অনুপ্রবেশকারী’ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

এমন অবস্থার প্রেক্ষাপটে ভারতজুড়ে প্রায় ২০ কোটির মতো মুসলমান, বিশেষ করে বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

মুসলমানরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে

ভারতের বিশিষ্ট মানবাধিকারকর্মী হর্ষ মন্দার বলেন, “দেশের পূর্বাঞ্চলে বসবাসরত মুসলমানদের মধ্যে ভীষণ ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তাদের অনেকেই মনে করছেন, তারা যেন এখন নিজের দেশেই অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে গেছেন।”

তিনি বলেন, “এই বিতাড়ন প্রক্রিয়া শুধু বেআইনিই নয়, এটি একটি সুপরিকল্পিত জাতিগত টার্গেটিং, যেখানে ধর্মীয় পরিচয়কে প্রধান বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।”

কাশ্মির হামলার পর দমন-পীড়ন জোরদার

গত ২২ এপ্রিল ভারতশাসিত কাশ্মিরে এক হামলায় ২৬ জন নিহত হন, যাদের বেশিরভাগই হিন্দু তীর্থযাত্রী। ভারত এই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করলেও ইসলামাবাদ তা সরাসরি অস্বীকার করে। এরপর থেকেই ভারতজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা অভিযান শুরু হয়।

এই অভিযানে হাজার হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, অনেক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুসলিমকে সীমান্তে নিয়ে গিয়ে বন্দুকের মুখে জোর করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ভারত সরকারের দাবি: ‘অবৈধ অভিবাসী’

ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, যাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে তারা ‘অবৈধ অভিবাসী’। তবে মানবাধিকারকর্মী ও আইনজীবীদের মতে, কোনো প্রকার বিচার বা আইনানুগ প্রক্রিয়া ছাড়াই মানুষদের এভাবে বিতাড়ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের সামিল।

ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে টানাপোড়েন

২০২৪ সালে বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের পর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়। অতীতে ভারত ঘনিষ্ঠ মিত্র থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কেও অস্বস্তির সুর দেখা দিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও জাতিগত উত্তেজনার প্রভাবে ভারতের এই ধরণের পদক্ষেপ দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।




সোশ্যাল বিজনেস কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সহায়ক : অধ্যাপক ইউনূস

নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, সামাজিক ব্যবসার (সোশ্যাল বিজনেস) মাধ্যমে জনগণের জন্য টেকসই ও কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব। তিনি মনে করেন, এই ধারণা একটি নতুন সভ্যতা গঠনের পথ তৈরি করতে পারে।

শুক্রবার (২৭ জুন) সকালে সাভারের জিরাবোতে অবস্থিত সামাজিক কনভেনশন সেন্টারে দুইদিনব্যাপী ১৫তম সোশ্যাল বিজনেস ডে’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. ইউনূস বলেন, “সোশ্যাল বিজনেস ডে একটি পারিবারিক পুনর্মিলনের মতো দিন। বিগত সরকারের আপত্তির কারণে এই দিনটি বাংলাদেশে পালন করা সম্ভব হয়নি। এবার প্রথমবারের মতো ৫ আগস্টের পর আমরা এ আয়োজনে অংশ নিতে পেরেছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা একটি সুন্দর ও মানবিক বিশ্ব গড়তে চাই। এজন্য প্রতিটি জাতিকে এগিয়ে আসতে হবে। বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থাটি স্বার্থপরতার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে, যা শেষ পর্যন্ত ধ্বংসের মুখে পড়বে। তাই আমাদের এখনই সঠিক পথ বেছে নিতে হবে।”

শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “স্বপ্ন ছাড়া কিছুই সম্ভব নয়। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রথমেই স্বপ্ন দেখতে শেখাতে হবে। গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় সেই নতুন সভ্যতা গঠনে ভূমিকা রাখবে।”

তিনি জানান, এবারের সোশ্যাল বিজনেস ডে উপলক্ষে আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিশ্বের ২৫টিরও বেশি দেশ থেকে ১৮০ জনের বেশি বিদেশি প্রতিনিধির অংশগ্রহণ রয়েছে। সম্মেলনে পাঁচটি পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন ও আটটি ব্রেকআউট সেশন অনুষ্ঠিত হবে।

অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি অতিথিরা সামাজিক ব্যবসার নীতি, প্রয়োগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করবেন বলে আয়োজক সূত্রে জানা গেছে।




বিএনপির নাম ভাঙিয়ে আন্দোলন করছে এক সুবিধাভোগী চক্র  : রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) বিএনপির নাম ব্যবহার করে একটি সুবিধাভোগী চক্র ব্যক্তিস্বার্থে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, এই আন্দোলনের সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

শুক্রবার (২৭ জুন) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে ঢাকা মহানগর পূজা উদযাপন ফ্রন্ট আয়োজিত রথযাত্রা উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘দলের অনুমতি ছাড়া কেউ বিএনপির নাম ব্যবহার করে যদি কোনো সরকারি দপ্তরে আন্দোলন করে, তাহলে তার দায় বিএনপি নেবে না। যারা ইনকাম ট্যাক্স অফিসে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে, তারা কেউ বিএনপির সংগঠনের সঙ্গে জড়িত নয়।’

তিনি দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘রক্ত ও সংগ্রামের ভেতর দিয়ে যে রাজনৈতিক সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা ভবিষ্যতের জন্য একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক পরিবেশ গড়তে সহায়ক হবে।’

আলোচনায় রিজভী আরও দাবি করেন, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার হাবিবুল আউয়ালের বক্তব্য থেকেই প্রমাণিত হয় যে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে অনুষ্ঠিত প্রতিটি নির্বাচন ছিল অনিয়ম ও অবৈধতায় পরিপূর্ণ। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারকে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার করে যৌক্তিক সময়েই একটি অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।’

সভায় দলের অন্যান্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।