বরিশাল নগরজুড়ে শতাধিক সড়ক-ড্রেন উন্নয়ন শুরু হচ্ছে, নাগরিক দুর্ভোগ কমার আশা

বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) অবশেষে নগরীর বিধ্বস্ত সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে বড় পরিসরের উদ্যোগ নিয়েছে। নগরজুড়ে ১৬টি প্যাকেজে শতাধিক সড়ক ও বিপুল সংখ্যক ড্রেন নির্মাণ ও পুনঃনির্মাণ কাজ শুরুর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

বিসিসি সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে দরপত্র গ্রহণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে। বড় কোনো প্রতিবন্ধকতা না থাকলে আগামী আগস্টের মধ্যেই কার্যাদেশ প্রদান এবং ডিসেম্বরে নগরজুড়ে উন্নয়ন কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছে নগর ভবনের প্রকৌশল বিভাগ।

প্রায় ৬০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের বরিশাল মহানগরীতে বহু সড়ক রয়েছে যা বিটুমিনাস কার্পেটিং, এইচবিবি, সিসি, আরসিসি কিংবা আধাপাকা অবস্থায় রয়েছে। বছরের পর বছর ধরে এসব রাস্তার অবস্থা ভয়াবহ।

২০১৮-২০২৩ মেয়াদের নগর পরিষদে অর্থ সংকট এবং রাজনৈতিক বৈরিতার কারণে বিভিন্ন ওয়ার্ডে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ড্রেন সংস্কার হয়নি। মেয়রের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ কাউন্সিলরদের এলাকাগুলো ছিল সবচেয়ে অবহেলিত।

অর্থাভাব ছিল অন্যতম প্রধান সমস্যা। উল্লেখ্য, এই সময়কালে বরিশাল মহানগরীর কোনো উন্নয়ন প্রকল্পই সরকারের কাছ থেকে অনুমোদন বা অর্থ ছাড় পায়নি। ফলে জনদুর্ভোগ দিন দিন বেড়েছে।

তবে সাবেক মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ দায়িত্ব ছাড়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই একনেকে ৮০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন করে। পরে দায়িত্ব গ্রহণ করেন নতুন মেয়র আবুল খায়ের, যিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর নগর ভবনে শৃঙ্খলা ফেরান এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দরপত্র আহ্বান করেন।

বর্তমানে চলতি অর্থবছরে বরাদ্দকৃত ১৭০ কোটি টাকার আওতায় কিছু কাজ শেষ হয়েছে এবং কিছু চলছে। একই প্রকল্প থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অতিরিক্ত ৩৫০ কোটি টাকা ছাড় চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।

সর্বশেষ উদ্যোগে যে শতাধিক সড়ক উন্নয়ন করা হচ্ছে, তার মধ্যে দীর্ঘদিন অবহেলিত ২২ নম্বর ওয়ার্ডের জিয়া সড়ক ও রাজকুমার ঘোষ রোড রয়েছে। রাজকুমার ঘোষ রোডের দুরাবস্থার চিত্র ভয়াবহ—মাত্র ৩শ মিটার দীর্ঘ এ সড়কে ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকলেও ১৫ বছর ধরে কোনো সংস্কার হয়নি।

সড়কটির বিটুমিনাস কার্পেটিং উঠে গিয়ে ম্যাকাডমও নষ্ট হয়ে গেছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়ক গর্তে পরিণত হয়ে পানি জমে জনদুর্ভোগের চরম উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, “এই নতুন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২২ নম্বর ওয়ার্ডের জিয়া সড়ক ও রাজকুমার ঘোষ রোডসহ শতাধিক রাস্তা সংস্কার ও পুনঃনির্মাণ করা হবে। আশা করা যায়, আগামী জুনের মধ্যে নগরজুড়ে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে।”

এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বরিশাল নগরবাসী দীর্ঘ দিনের নাগরিক দুর্ভোগ থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি পাবে—এমনটাই আশা সংশ্লিষ্টদের।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরিশালের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার পঞ্চগড়ে

বরিশালের একটি মামলায় এক বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মির্জা আব্দুল বাকিকে পঞ্চগড় থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৩০ জুন) দুপুরে পঞ্চগড়-তেঁতুলিয়া মহাসড়কের পাশ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত মির্জা আব্দুল বাকি ঢাকার শ্যামলী-আগারগাঁও এলাকায় বসবাস করলেও তিনি বরিশাল শহরের ইসলামবাগ এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জেলায় একাধিক মামলা রয়েছে।

বরিশাল আদালতের পরোয়ানা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১৪ মার্চ বরিশালের গ্রোঘবাড়ি এলাকার আবু জাফর মো. জহিরুল ইসলামের করা একটি ব্যাংক চেক জালিয়াতি সংক্রান্ত মামলায় তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। মামলার রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।

২০২৪ সালের ৫ মে আদালত থেকে তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়। সোমবার পঞ্চগড় জেলা জজ আদালতে অন্য একটি মামলার কাজে গেলে, আদালত চত্বর থেকে বের হওয়ার সময় পুলিশের একটি দল উপ-পরিদর্শক মানিক রায়ের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ হিল জামান জানান, গ্রেপ্তারের পর আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় দীর্ঘদিন পলাতক থাকা এক সাজাপ্রাপ্ত আসামি অবশেষে গ্রেপ্তার হওয়ায় স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




ব্রজমোহন কলেজে পাঁচ দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

বরিশালের ঐতিহ্যবাহী সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজে শিক্ষক সংকটসহ পাঁচ দফা দাবিতে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। সোমবার (৩০ জুন) দুপুরে কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা জানান, শিক্ষক সংকট, পর্যাপ্ত ক্লাসরুমের অভাব, একাডেমিক ও অবকাঠামোগত দুরবস্থা, ক্যাম্পাসে নিরাপত্তার অভাব এবং মানসম্মত শিক্ষা না থাকায় দীর্ঘদিন ধরেই তারা দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

বিক্ষোভ কর্মসূচির শুরুতে শিক্ষার্থীরা একটি মিছিল নিয়ে পুরো ক্যাম্পাস ঘুরে পরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন। সেখানে তারা দাবিগুলো বাস্তবায়নে কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও দীর্ঘ বছরের অব্যবস্থাপনার তীব্র সমালোচনা করেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান,

“অল্প বৃষ্টিতেই ক্যাম্পাস ডুবে যায়, অধিকাংশ ছাত্রাবাস বসবাসের অনুপযোগী। শিক্ষক সংকটের কারণে নিয়মিত ক্লাস হয় না। একাডেমিক ভবন ও শ্রেণিকক্ষের সংকট চরমে পৌঁছেছে।”

তাদের দাবি পাঁচ দফা:
১. পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ
২. একাডেমিক ভবন ও ক্লাসরুমের সংখ্যা বৃদ্ধি
৩. ক্যাম্পাসের অবকাঠামো উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন
৪. নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা
৫. মানসম্মত শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করা

শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “দাবি না মানা পর্যন্ত আমরা ক্লাসে ফিরব না। প্রয়োজনে আমরণ অনশন ও ক্যাম্পাসের সব দপ্তরে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হবে।”

এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে এর আগেও শিক্ষার্থীরা বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় তারা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান শিক্ষার্থীরা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫

 




বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে দুই ট্রাকের সংঘর্ষে প্রাণ গেল হেলপার ও পথচারীর

বরিশালের উজিরপুরে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি টাইলসবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে বেপরোয়া গতির আমবোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন ট্রাকের হেলপার সোহেল (২০) এবং পথচারী সবুজ হাওলাদার (৩০)।

সোমবার (৩০ জুন) ভোর রাত আনুমানিক ৩টার দিকে উজিরপুর উপজেলার পূর্ব ধামসর গ্রামের সোনার বাংলা স্কুলসংলগ্ন এলাকায় এই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা টাইলসবোঝাই ট্রাকটিকে পেছন থেকে দ্রুতগতির আমবোঝাই ট্রাকটি ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই আমবোঝাই ট্রাকের হেলপার সোহেল নিহত হন এবং পথচারী সবুজ হাওলাদার গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা সবুজকে উদ্ধার করে প্রথমে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকালেই সবুজ মারা যান।

নিহত সবুজ হাওলাদার বরিশালের উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের মাদারশী এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য দুলাল হাওলাদারের ছেলে। হেলপার সোহেল কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বর্গির চর এলাকার বাসিন্দা।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উজিরপুর স্টেশনের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ পরিচালনা করে এবং ট্রাকের ভেতর থেকে হেলপার সোহেলের মৃতদেহ উদ্ধার করে।

গৌরনদী হাইওয়ে থানার এসআই মো. শরীফ জানান, দুর্ঘটনাকবলিত টাইলসবোঝাই ট্রাকটি ঢাকার মিরপুর থেকে বরিশালের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল, আর আমবোঝাই ট্রাকটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে বরিশালের দিকে আসছিল। ঘটনার পর উভয় ট্রাকের চালক ও হেলপার পালিয়ে যায়। ট্রাক দুটি পরে মহাসড়ক থেকে অপসারণ করা হয়েছে।

গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি আমিনুর রহমান জানান, ঘটনাস্থলে একজনের মরদেহ পাওয়া গেছে এবং আহত অবস্থায় উদ্ধারকৃত পথচারী হাসপাতালে মারা যান।

এদিকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার আবুল কালাম জানান, সবুজ হাওলাদারের মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫

 




বরিশাল বেলতলা খেয়াঘাটের ভাড়া নিয়ে যাত্রী-ঠিকাদার দ্বন্দ্ব

বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর বেলতলা খেয়াঘাটে ইজারা নিয়ে চরম সংকটে পড়েছেন ঠিকাদার। জেলা পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত জনপ্রতি ৮ টাকার ভাড়া আদায় করতে গিয়ে প্রায় প্রতিদিনই যাত্রীদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়াচ্ছে খেয়াঘাটের ইজারাদার প্রতিষ্ঠান তাকওয়া এন্টারপ্রাইজ-এর নিয়োজিত কর্মীরা।

সরকারিভাবে ১ কোটি ৮ লাখ টাকায় ইজারা নেওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি ভাড়া আদায়ের ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। সাধারণ যাত্রীরা ৮ টাকা ভাড়া দিতে রাজি না হয়ে ৫ টাকার নিচে দিতে চাইছেন।

ঘাট ব্যবহারকারী এক স্থানীয় বাসিন্দা রাকিব খন্দকার জানান, “এখানে যাতায়াত করে গরিব ও খেটে খাওয়া মানুষ। তাদের জোর করে ৮ টাকা আদায় করা হচ্ছে। আমরা এর প্রতিবাদ করেছি, মানববন্ধন করেছি। প্রয়োজনে জেলা পরিষদ ঘেরাও করা হবে।”

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী রিয়াজ মাতুব্বর হীরা বলেন, “ইজারা নেওয়ার সময় সরকারই জনপ্রতি ভাড়া ৮ টাকা নির্ধারণ করে দেয়। কিন্তু যাত্রীরা তা দিতে চায় না। এমনকি ভাড়া চাইলে মারধর পর্যন্ত করা হয়। দুদিন আগেই আমার এক কর্মীর মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “ভাড়ার বিষয়ে চরমোনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান একতরফা সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। আমি জেলা পরিষদ, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ কমিশনার বরাবর আবেদন করেছি। এই অবস্থায় ইজারার অর্থ আদায় সম্ভব নয়।”

বরিশাল জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী বিপ্লব কুমার বিশ্বাস জানান, “এই ভাড়া মন্ত্রণালয় ও বিভাগীয় কমিশনার কর্তৃক নির্ধারিত। আমরা শুধু বাস্তবায়ন করি। ঠিকাদার যদি সরকারি ভাড়া তুলতে সমস্যায় পড়ে, জেলা পরিষদ তার পাশে থাকবে।”

তিনি আরও জানান, ভাড়া উত্তোলন ঘিরে যাতে কোনো অঘটন না ঘটে, সে জন্য কোতোয়ালি মডেল থানা ও কাউনিয়া থানা পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রতিদিন বেলতলা খেয়াঘাট দিয়ে প্রায় পাঁচ হাজার যাত্রী চলাচল করেন। দীর্ঘদিন জেলা পরিষদ নিজেই ভাড়া আদায় করলেও এবার ইজারা দিয়ে ঘাট পরিচালনা শুরু করে। তবে যাত্রী-ঠিকাদার দ্বন্দ্বে এই ইজারা ঘাটটি বর্তমানে উত্তপ্ত একটি ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫

 




বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গুতে তরুণরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে

বরিশাল বিভাগে চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীরা। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত বিভাগের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২,৬৮৪ জন ডেঙ্গু রোগী। এর মধ্যে একাই ৬১২ জন ২১-৩০ বছর বয়সী, যা মোট আক্রান্তের প্রায় ২৩ শতাংশ।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্ত বয়সসীমা ৩১-৪০ বছর—এই বয়সী ৫৫৭ জন (২১ শতাংশ) আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া ১১-২০ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীর সংখ্যা ৫৫২ জন (২১ শতাংশ)।
৪১-৬০ বছর বয়সীদের মধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮২ জন (১৮ শতাংশ)।
এক বছর থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে আক্রান্ত ৩৪২ জন (১৩ শতাংশ)।
অন্যদিকে, ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে ১৩০ জন ডেঙ্গু রোগী পাওয়া গেছে, যা মোট আক্রান্তের ৪ শতাংশ।

বরগুনার কাকচিড়া গ্রামের ২৫ বছর বয়সী হাসান ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তার বাড়ির আশেপাশে ছোট ছোট ডোবা ও মশার আধিক্যের কারণেই এই অবস্থা বলে তিনি জানিয়েছেন। হাসানের বাবা উদ্বেগ জানিয়ে বলেন, “মশার কামড়ে হাত ফুলে গেছে, আমারও ডেঙ্গু হতে পারে।”

শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের একজন চিকিৎসক জানান, তাদের হাসপাতালে বর্তমানে বেশি রোগীই তরুণ বয়সের। কিছু শিশু ও বৃদ্ধ থাকলেও মাঝ বয়সী আক্রান্তের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম।

এডিস মশার আক্রমণ এবং তরুণদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনার ব্যাখ্যা দিয়ে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তাজকিয়া সিদ্দিকাহ বলেন, “তরুণরা বেশি উন্মুক্ত স্থানে থাকে, খেলাধুলা করে, ঘোরাঘুরি করে। এসব জায়গায় এডিস মশার উপস্থিতি বেশি থাকায় তারা বেশি আক্রান্ত হয়।”

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগের সাবেক সহকারী পরিচালক ডা. খান মোশতাক বলেন, “শিশু ও তরুণরা সাধারণত মশারি ছাড়া ঘুমায় এবং দিনের বেলায়ও বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে। ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা দিনের বেলায় কামড়ায়, তাই তারাই বেশি ঝুঁকিতে থাকে।”

বিভাগের ছয় জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী বরগুনায়—সংক্রমণের হার ৬২.৬০ শতাংশ। অন্য পাঁচ জেলার মোট রোগীর সংখ্যা ৩৭.৪০ শতাংশ।

চলতি বছরের শুরু থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে ৪,৫৮২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ১২ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ৪১৬ জন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




গোপনে ৬ বিদেশি তারকা দলে নিল ফরচুন বরিশাল

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশাল আগামী আসরের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে একদম নতুনভাবে। এবার দলটি কৌশলগত কারণে সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে হাঁটছে—গোপনে তারা ইতোমধ্যে ছয়জন বিদেশি তারকা ক্রিকেটারের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করেছে, তবে কারো নাম প্রকাশ করা হয়নি।

ফরচুন বরিশালের কর্ণধার মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, কুমিল্লা বা রংপুরের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষ যাতে তাদের পরিকল্পনায় হস্তক্ষেপ করতে না পারে, সে কারণে এখনই কোনো ক্রিকেটারের পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।“আমরা ছয়জন আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড়ের সঙ্গে চুক্তি করেছি। কিন্তু এখনই কারো নাম প্রকাশ করব না। কারণ, নাম জানালে প্রতিপক্ষ দলগুলো কৌশলগতভাবে সেই খেলোয়াড়কে প্রলুব্ধ করে নিতে পারে – ১৫-২০ হাজার ডলার বাড়িয়ে অফার দিতে পারে,” – বলেন মিজানুর রহমান।

গত আসরে বরিশালের স্কোয়াডে ছিলেন শাহীন শাহ আফ্রিদি, মোহাম্মদ নবি, কাইল মায়ার্স এবং ফাহিম আশরাফের মতো অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়রা। নতুন মৌসুমে গোপনীয়তার এমন কৌশল দেখে ধারণা করা হচ্ছে, এবার আরও বড় চমক নিয়ে আসছে চ্যাম্পিয়ন বরিশাল।

এছাড়া মিজানুর রহমান স্পষ্ট করেছেন কেন গত আসরে জিমি নিশাম খেলেননি। তিনি বলেন, “নিশাম স্কোয়াডে থাকলেও ম্যাচের কম্বিনেশনের কারণে তাকে একাদশে রাখা হয়নি। প্রতিপক্ষ যদি খুলনা হতো, তাহলে সে খেলত। তবে চট্টগ্রাম হওয়ায় কম্বিনেশন মেলেনি।”

তবে তিনি আরও যোগ করেন, নিশাম পুরো দলের সঙ্গে ছিলেন এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকা পালন করেছেন দলের আভ্যন্তরীণ পরিবেশে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /


 




বরগুনায় তিন ভুয়া ডাক্তারকে জরিমানা, একজনের বিরুদ্ধে মামলা

বরগুনা শহরে ভুয়া ডাক্তারচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড এবং একজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করেছে প্রশাসন।

শনিবার (২৮ জুন) রাতে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. শরিয়ত উল্লাহ্ এর নেতৃত্বে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। অভিযানে চারজন ভুয়া ডাক্তারকে আটক করা হয়।

অভিযানে দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—

  • বিধান চন্দ্র সরকার
  • ইদ্রিস আলম
  • জাহাঙ্গীর হোসেন

তাদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে মোট তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এছাড়া জহিরুল ইসলাম সৌরভ নামের একজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে, কারণ তার অপরাধের মাত্রা তুলনামূলক বেশি ছিল।

বরগুনা জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইকরাম হোসেন জানান, অভিযুক্তরা কেউই বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)-এর স্বীকৃত ডাক্তার নন। তবুও তারা চিকিৎসকের পদবী ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন।

তিনি আরও বলেন, “আইন অনুযায়ী, তারা ডাক্তার পরিচয়ে কাজ করার যোগ্যতা রাখেন না। তাই তাদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং একজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

জনস্বাস্থ্য হুমকিতে, প্রশাসনের হুঁশিয়ারি

এ ধরনের প্রতারকচক্রের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ে। প্রশাসন জানিয়েছে, সারাদেশে ভুয়া ডাক্তারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সরকার। বরগুনায় এই অভিযান তারই অংশ।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




‘সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান রক্ষা না হলে গণতন্ত্র টিকবে না’ — মান্না

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, দেশের গণতন্ত্র রক্ষা করতে হলে প্রথমেই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। রোববার (২৯ জুন) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে চলমান সংলাপের সপ্তম দিনের দ্বিতীয় পর্ব শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, “যদি আমরা এখনই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো রক্ষা করতে না পারি, তাহলে গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না।”

মান্না জানান, সংলাপে মূলত দুটি বিষয় ঘিরে আলোচনা হয়েছে। প্রথমত, সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে একটি সরকারি প্রভাবমুক্ত কমিটি গঠনের প্রস্তাব। এই সাত সদস্যবিশিষ্ট কমিটির উদ্দেশ্য হলো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা এবং সরকারের প্রভাব কমানো।

তবে বিএনপি এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে। তারা বলেছে, এতে নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা একরকম শূন্য হয়ে যাবে। এ বিষয়ে মান্না বলেন, “আমরা মনে করি এটি সঠিক নয়। সরকারের স্বাধীনভাবে দেশ পরিচালনার অধিকার রয়েছে, কিন্তু কিছু নির্দিষ্ট জায়গায় দায়িত্ব ভাগাভাগি করা জরুরি।”

কমিটির জন্য প্রস্তাবিত নাম ছিল—‘সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ কমিটি’। তবে এ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য তৈরি হয়নি এবং বিএনপি তাদের আগের অবস্থানেই অনড় রয়েছে।

সংলাপে উচ্চকক্ষ গঠনের প্রক্রিয়া নিয়েও ভিন্নমত উঠে আসে। বিএনপির প্রস্তাব অনুযায়ী, উচ্চকক্ষ গঠিত হবে নিম্নকক্ষের দলগত আসনসংখ্যার আনুপাতিক ভিত্তিতে। অর্থাৎ নিম্নকক্ষে যে দল যত আসন পাবে, উচ্চকক্ষেও সে অনুপাতে তাদের প্রতিনিধিত্ব থাকবে।

এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে মান্না বলেন, “উচ্চকক্ষ যদি নিম্নকক্ষের প্রতিফলন হয়, তাহলে ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা সম্ভব হবে না। একটি দল চাইলেই সংবিধান পরিবর্তন করতে পারবে। কিন্তু আনুপাতিক ভিত্তিতে না হলে আলোচনা ও সমঝোতার প্রয়োজন হবে, যা গণতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।”

নাগরিক ঐক্যের প্রস্তাব অনুযায়ী, সংবিধান সংশোধনে নিম্নকক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ এবং উচ্চকক্ষে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা (৫/৪) যথেষ্ট হবে।

তিনি বলেন, “বিশেষত সংবিধান সংশোধন কিংবা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে যদি একটি দল এককভাবে কর্তৃত্ব পায়, তাহলে স্বেচ্ছাচারিতার ঝুঁকি তৈরি হয়।”

সংলাপের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে মান্না বলেন, “এখন পর্যন্ত কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আলোচনা চলছে এবং আমরা আবার বসবো। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ।”




মুরাদনগরে উপদেষ্টার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ফখরুলের

কুমিল্লার মুরাদনগরে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং এক নারীকে শ্লীলতাহানির ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার (২৯ জুন) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “একজন উপদেষ্টা নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য মুরাদনগরে ক্রমাগত ক্ষমতার অপব্যবহার করে যাচ্ছেন।”

মির্জা ফখরুল জানান, কুমিল্লার মুরাদনগরের রামচন্দ্রপুর দক্ষিণ ইউনিয়নে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক প্রবাসীর স্ত্রীর ওপর শ্লীলতাহানি ও নির্যাতন চালিয়েছে এক দুর্বৃত্তচক্র। তিনি এ ঘটনাকে “নির্মম, কলঙ্কজনক ও ঘৃণ্য” আখ্যা দিয়ে বলেন, “এই বর্বরোচিত ঘটনায় দেশের মানুষ ব্যথিত ও মর্মাহত। অথচ একটি কুচক্রী মহল ঘটনাটিকে রাজনৈতিকভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার গভীর চক্রান্তে লিপ্ত।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “ফ্যাসিবাদী শাসনের মতোই এখনো সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি দখল ও নির্যাতন করে দায় অন্যের ঘাড়ে চাপানোর প্রবণতা চলছে। মুরাদনগরের একজন উপদেষ্টা ব্যক্তি–নিজের পদ ব্যবহার করে এলাকায় ক্রমাগতভাবে প্রভাব বিস্তার ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে যাচ্ছেন।”

বিএনপি মহাসচিব দাবি করেন, এই উপদেষ্টা আওয়ামী লীগ এমপিদের মতো এলাকায় আধিপত্য বিস্তারে ব্যস্ত রয়েছেন এবং তার আশ্রয়-প্রশ্রয়ে সমাজবিরোধী অপকর্ম বাড়ছে। “এরা দেশ-বিদেশ থেকে মদত পাচ্ছে, যার ফলে এলাকায় শান্তি ও সম্প্রীতি বিঘ্নিত হচ্ছে,” বলেন তিনি।

ঘটনার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে তিনি বলেন, “হিন্দু নারীর ওপর পাশবিক নির্যাতন একটি মনুষ্যত্বহীন ও অমানবিক আচরণ, যার পেছনে রয়েছে একটি মহলের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য। এটি আওয়ামী লীগের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার নোংরা কৌশলের পুনরাবৃত্তি।”

নারী নির্যাতনকারীদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এরা মানবসভ্যতার শত্রু। আমি অবিলম্বে দুষ্কৃতিকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

মুরাদনগরের সাম্প্রতিক এই ঘটনায় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক মহল থেকে নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত ঘটনার তদন্ত বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।