সমালোচনার মুখে বাতিল, পালিত হচ্ছে না ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’

৮ আগস্টকে ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে অবশেষে সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

রোববার (২৯ জুন) উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এক ফেসবুক পোস্টে জানান,

“উপদেষ্টা পরিষদ ১৬ জুলাই শহীদ দিবস এবং ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান দিবস হিসেবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে ৮ আগস্টের জন্য কোনো বিশেষ উদযাপন হবে না।”

এর আগে ৮ আগস্টকে ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছিল সরকার। কারণ, ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নেয়। সেই দিনকে ‘নতুন বাংলাদেশের যাত্রা’ হিসেবে চিহ্নিত করে দিবস পালনের জন্য ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত জাতীয় দিবস হিসেবে পরিপত্রও জারি করা হয়েছিল।

এই সিদ্ধান্তের পরপরই ছাত্র সংগঠনসহ বিভিন্ন মহল থেকে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। বিশেষ করে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী ছাত্ররা জানান,

“নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছিল ৫ আগস্ট, ৮ আগস্ট নয়। তাই এই দিনকে ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা বাস্তবতা ও ইতিহাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।”

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ অবশেষে বিতর্কিত ঘোষণা থেকে সরে এসে ৮ আগস্ট দিবস হিসেবে না পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। এতে সাময়িকভাবে ক্ষোভ প্রশমিত হলেও বিতর্কের রেশ সমাজ-রাজনীতিতে কিছুদিন থাকতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝালকাঠি পৌরসভার সচেতনতামূলক কর্মসূচি উদ্বোধন

বাঁচতে হলে জানতে হবে, ডেঙ্গু কীভাবে এড়াতে হবে’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাপক সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালু করেছে ঝালকাঠি পৌরসভা।
রোববার (২৯ জুন) সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. আশরাফুল রহমান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়, পৌরসভার প্রশাসক কাওছার হোসেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান শাহরিয়ার এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলাম।

কর্মসূচির আওতায় পৌর এলাকার নয়টি ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করছে পৌরসভার কর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় নয়টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। পাশাপাশি বাসিন্দাদের মাঝে লিফলেট বিতরণ, সচেতনতামূলক প্রচার, এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

ডেঙ্গুবিরোধী এই সচেতনতামূলক অভিযানে অংশ নিয়েছে—

  • ঝালকাঠি সিটি ক্লাব
  • বিডি ক্লিন
  • ক্লিন রিভার
  • ইয়ুথ অ্যাকশন সোসাইটি
  • ভিবিডি
  • রেড ক্রিসেন্ট
  • রোভার স্কাউট
  • গার্ল ইন রোভার
    সহ আরও কয়েকটি সংগঠনের তিন শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক

এই কর্মসূচিতে স্বেচ্ছাসেবীরা প্রত্যেক ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানাচ্ছেন। তারা স্থানীয়দের বুঝিয়ে দিচ্ছেন—ডেঙ্গু প্রতিরোধে কোন পরিবেশ এডিস মশার জন্য উপযোগী এবং কীভাবে তা ধ্বংস করা যায়।

পৌর প্রশাসক কাওছার হোসেন জানান,

“এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ডেঙ্গু বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। আমরা শুধু একটি দিনের কর্মসূচি চালাচ্ছি না, বরং এই অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।”

পৌরসভা আশাবাদী, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা রোধ সম্ভব হবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫

 




বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার, হাসপাতালগুলোতে শয্যা সংকট

বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গত এক মাসের বেশি সময় ধরে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে, কিন্তু স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো সেই তুলনায় অপ্রস্তুতই থেকে গেছে। শয্যার সংকট, টেস্ট সুবিধার অভাব ও চিকিৎসাসেবার সীমাবদ্ধতায় ভুগছে রোগী ও স্বজনরা।

শনিবার (২৮ জুন) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৪১ জন। এর মধ্যে ৬৮ জনই বরগুনা জেলার। এ নিয়ে বিভাগে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪৪৬ জন। এর মধ্যে বরগুনা জেলাতেই আক্রান্ত ২ হাজার ৭০০ জন, যা পরিস্থিতির ভয়াবহতা স্পষ্ট করে তুলেছে।

শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৬০০ ছাড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এখানে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যা চলতি মৌসুমে মৃত্যুর সংখ্যা ৫ জনে পৌঁছেছে। রোগীদের অভিযোগ, এখনো ডেঙ্গু টেস্ট করাতে হচ্ছে বাইরে থেকে, যদিও স্যালাইন সরবরাহ কিছুটা স্বাভাবিক। হাসপাতালজুড়ে শয্যা সংকট এতটাই প্রকট, যে অনেক রোগী মেঝে, করিডর ও সিঁড়ির পাশে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

বরগুনা জেলা হাসপাতালে বর্তমানে ভর্তি রয়েছেন ১৫৪ জন রোগী। নতুন ভর্তি ৭৬ জনমোট আক্রান্ত ২৮৫৫ জন। হাসপাতালের সাধারণ ওয়ার্ডে আর জায়গা নেই। অনেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন নিজ নিজ বাড়িতে, অবস্থার অবনতি হলে গন্তব্য বরিশাল বা ঢাকা।

পটুয়াখালীতে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪ জন নতুন আক্রান্ত। মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সর্বাধিক আক্রান্ত, সেখানে ২৮ জন ভর্তি। তবে জেলার কোথাও পৃথক ডেঙ্গু ওয়ার্ড নেই। চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে মেডিসিন ও শিশু ওয়ার্ডে। এ পর্যন্ত ৫৯৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

  • বরিশাল সদর হাসপাতালে নতুন ভর্তি: ১০ জন
  • পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে: ১৬ জন
  • ভোলা: ৩ জন
  • পিরোজপুর: ৯ জন
  • ঝালকাঠি: নতুন কেউ ভর্তি হয়নি

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে বর্তমানে ৪৫৪ জন রোগী চিকিৎসাধীন। তারা স্বীকার করেছে, অব্যবস্থাপনা এবং চিকিৎসা সুবিধার ঘাটতির কারণে রোগীদের ভোগান্তি বাড়ছে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতির ভয়াবহতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সময়মতো ডায়াগনোসিস ও চিকিৎসা নিশ্চিত না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এখনই পৃথক ডেঙ্গু ওয়ার্ড স্থাপন, পর্যাপ্ত বেড ও মেডিকেল সরঞ্জাম সরবরাহ, এবং টেস্ট সুবিধা বিনামূল্যে নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫

 




ভাঙ্গা-কুয়াকাটা ছয় লেন মহাসড়কের দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ

ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত ছয় লেন বিশিষ্ট মহাসড়ক নির্মাণ এবং বরিশাল-বাউফল সড়কের অসমাপ্ত নেহালগঞ্জ ও গোমা সেতুর কাজ দ্রুত শেষ করার দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২৯ জুন) দুপুরে বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয় ও সড়ক ও জনপথ বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয়ের সামনে এই সমাবেশের আয়োজন করে বরিশাল বিভাগ উন্নয়ন ও স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটি। পরে জেলা প্রশাসক ও সড়ক বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, পদ্মা সেতু চালুর পর দক্ষিণাঞ্চলের যানবাহনের চাপ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত ছয় লেনের এক্সপ্রেসওয়ে থাকলেও সেখান থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত দীর্ঘ ১৯৫ কিলোমিটার সড়ক এখনো দুই লেনের। এতে প্রতিদিন ভয়াবহ যানজট ও দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে মানুষ।

তারা আরও বলেন, বরিশাল-বাউফল সড়কের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু—নেহালগঞ্জ ও গোমা এখনো অসমাপ্ত। ফলে বরিশালের সঙ্গে পটুয়াখালী, বাউফলসহ উপকূলীয় এলাকার আন্তঃজেলা যোগাযোগ চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতি উন্নয়নের গতি থমকে দিচ্ছে।

সংগঠনের সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, “পদ্মা সেতুর সুফল থেকে এখনো বঞ্চিত দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। একদিকে গড়িমসি, অন্যদিকে প্রকল্প বাতিল ও স্থবিরতা এই এলাকার উন্নয়নে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “নদীঘেরা অঞ্চলটি যুগ যুগ ধরে অবহেলিত। মহাসড়ক প্রশস্ত না হওয়ায় শিল্পায়ন হয়নি, বাড়েনি অর্থনৈতিক উন্নয়ন। আমরা চাই বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক দ্রুত ছয় লেনে উন্নীত করা হোক।”

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সহসভাপতি আমিনুর রহমান, সদস্য নজরুল হক, ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল হক হাওলাদার, সমাজকর্মী কামরুন নাহার বেগম এবং বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহ

স্মারকলিপি গ্রহণ করে বরিশালের জেলা প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন বলেন, “দাবিগুলো অত্যন্ত যৌক্তিক। ইতোমধ্যে এসব বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে। স্মারকলিপি দ্রুত মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।”

সড়ক বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী আতিকুল ইসলাম জানান, গোমা সেতুর কাজ চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে এবং নেহালগঞ্জ সেতু নিয়েও মন্ত্রণালয় সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন ও নিরাপদ যোগাযোগব্যবস্থার জন্য এই দাবিগুলো এখন সময়ের অনিবার্য দাবি হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫

 




তারেক রহমানের পক্ষ থেকে কেক ও ফুল পাঠিয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা

আজ শনিবার ৮৫তম জন্মদিনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলীয় পক্ষ থেকে কেক ও ফুল পাঠিয়ে তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন তিনি।

বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে জন্মদিনের কেক ও ফুলের তোড়া নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’য় পৌঁছান।

প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে কেক ও ফুল গ্রহণ করেন তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল ফেরদৌস হাসান সেলিম। এ সময় তিনি শুভেচ্ছা জানানোর জন্য তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান।

এর আগে বিএনপির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, তারেক রহমান দেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পথপ্রদর্শক ড. ইউনূসের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং তার অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।




৩১ দফা সংস্কারই ভবিষ্যতের পথনির্দেশক: সালাহউদ্দিন আহমেদ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন আমরা ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছি, এটাই ভবিষ্যতের পথনির্দেশক।  তিনি আরো বলেছেন, ‘হে সংস্কার, তোমাকে পাওয়ার জন্য আর কতকাল আলাপ-আলোচনা করব, খানাপিনা করব?’ – এই বাক্য দিয়েই তিনি বর্তমান রাজনৈতিক সংস্কারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা ও অনিশ্চয়তার প্রতি ইঙ্গিত করেন।

শনিবার (২৮ জুন) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যানালাইসিস নেটওয়ার্ক (ব্রেইন) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে স্মরণ করে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন ও স্মারক গ্রন্থ উন্মোচনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।

সালাহউদ্দিন বলেন, “জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাব যদি সবার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে সেটা কিসের ঐকমত্য? আলোচনা করে জাতির মঙ্গল হয় এমন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।”

তিনি উল্লেখ করেন, “সংবিধান কোনো ধর্মগ্রন্থ নয়, বাইবেল নয়। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চাহিদার ভিত্তিতে পরিবর্তন সম্ভব হওয়া উচিত। সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া—এটা স্থায়ী কিছু নয়।”

সংবিধান সংশোধনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ সংবিধানের এমন কিছু ধারা সংশোধন করেছে, যেন তা কখনো আর পরিবর্তনযোগ্য না থাকে। এটি গ্রহণযোগ্য নয়।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা এমন সংস্কার চাই, যা সময়ের প্রয়োজনে পরিবর্তিত হতে পারে। বিএনপিই সংস্কারের পথিকৃৎ। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতিষ্ঠার দেড় বছর আগেই আমরা ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছি, যা রাজনৈতিক মহলে মহাকাব্যে পরিণত হয়েছে।”

নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “জিয়াউর রহমানের সৎ ও কর্মময় জীবন অনুসরণ করাই হবে তাদের জন্য শ্রেষ্ঠ পথ।”

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, প্রেস ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ, রাজনৈতিক বিশ্লেষক জাহেদ উর রহমান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন, সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস, লেখক মুসা আল হাফিজ, কবি তুহিন খান, ‘ভয়েস ফর রিফর্ম’ প্ল্যাটফর্মের সহ আহ্বায়ক ফাহিম মাশরুর প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ব্রেইনের সাঈদ আবদুল্লাহ। ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন ব্রেইনের প্রতিষ্ঠাতা রুমি আহমেদ।




একদলীয় নির্বাচনের দোসর তারাও ফ্যাসিবাদের অংশ: রহমাতুল্লাহ

আওয়ামী লীগের একদলীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়া নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলো ফ্যাসিবাদের দোসর বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ।

শনিবার (২৮ জুন) বরিশাল নগরীর চাঁদমারী এলাকায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। একই সময় তিনি বিএনপির ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি চালান।

রহমাতুল্লাহ বলেন, “বিনা ভোটে সরকার গঠন শুধু আওয়ামী লীগের একার দায় নয়, নির্বাচনে অংশ নিয়ে সেই প্রক্রিয়াকে বৈধতা দিয়েছে আরও কিছু নিবন্ধিত দল। এদের কেউ কেউ এখন নিজেদের বিপ্লবী সাজিয়ে জনতার সামনে আসতে চাইছে, অথচ একসময় তারা শাসকগোষ্ঠীর অংশ ছিল।”

তিনি বলেন, “যারা আওয়ামী লীগের একদলীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে জনগণের ভোটাধিকার হরণের সহযোগী হয়েছে, তারা সরাসরি না হলেও পরোক্ষভাবে ফ্যাসিবাদের অংশীদার। তাই অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এইসব শক্তির ভূমিকাও তদন্ত করে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।”

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা রূপরেখার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “এই প্রস্তাবে নাগরিক অধিকার, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে। বিএনপিই একমাত্র দল, যারা গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কার্যকর পথনকশা দিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে এই ৩১ দফার গুরুত্ব বোঝাচ্ছি। এটা বাস্তবায়ন করতে পারলেই বাংলাদেশ হবে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র।”

সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় নেতা মো. নুর ইসলাম হাওলাদার। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং মহিলা দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫

 




জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে জামায়াতের মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা

জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে মাসব্যাপী ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (২৮ জুন) দুপুরে রাজধানীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, ১ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত দেশব্যাপী বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার জনগণকে সম্পৃক্ত করে দোয়া, সমাবেশ, আলোচনা সভা, সেমিনার ও গণমিছিলসহ নানা আয়োজনে পালিত হবে এই কর্মসূচি।

কর্মসূচির বিস্তারিত:

  • ১ জুলাই: গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ, আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের স্মরণে দেশব্যাপী শাখা পর্যায়ে দোয়া অনুষ্ঠান।
  • ২–৪ জুলাই: দরিদ্র, অসহায়, দুস্থ ও এতিমদের মধ্যে খাবার বিতরণ।
  • ৮–১৫ জুলাই: শহীদ ও আহতদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়।
  • ১৬ জুলাই: অকুতোভয় প্রথম শহীদ আবু সাঈদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া (রংপুরে)।
  • ১৯ জুলাই: সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশ এবং শহীদ পরিবারের উদ্যোগে আয়োজিত স্মরণানুষ্ঠানে জামায়াত আমিরের অংশগ্রহণ।
  • ২০–২৪ জুলাই: গণ-আন্দোলনের উদ্দেশ্য ও প্রত্যাশা নিয়ে সেমিনার-সিম্পোজিয়াম।
  • ২৫–২৮ জুলাই: গণ-অভ্যুত্থান বিষয়ক ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
  • ২৯–৩০ জুলাই: নারী ও ছাত্র সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা।
  • ১ আগস্ট: জাতীয় সেমিনার, যেখানে শহীদদের স্মরণে প্রকাশিত ১০ খণ্ডের স্মারকের ইংরেজি ও আরবি অনুবাদ মোড়ক উন্মোচন করা হবে।
  • ১–৩ আগস্ট: ছাত্র সংগঠনের উদ্যোগে আলোকচিত্র প্রদর্শনী।
  • ৫ আগস্ট: “গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক বিজয়ের দিন” উপলক্ষে ঢাকাসহ দেশব্যাপী গণমিছিল।
  • ৬–৮ আগস্ট: সাংবাদিক, শিক্ষক, চিকিৎসক, আইনজীবী, প্রকৌশলী ও আলেম-ওলামাদের অংশগ্রহণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ৫ আগস্ট দিনটি একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক, যেদিন পতিত স্বৈরাচার দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছিল। সেই বিজয়কে স্মরণ করতেই দলটি ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছে।

তিনি দেশের গণমাধ্যম, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার জনগণের প্রতি এসব কর্মসূচি সফল করতে সহযোগিতার আহ্বান জানান।

এসময় জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের উপস্থিত ছিলেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “গণমাধ্যম অতীতে যেমন নিরপেক্ষ ভূমিকা রেখেছে, ভবিষ্যতেও গণতন্ত্র ও জাতীয় স্বার্থে তেমন অবদান রাখবে বলে আমরা আশাবাদী।”




কার্যকর ঐক্য গড়লে রাষ্ট্রক্ষমতা ইসলামপন্থীদের হাতেই আসবে: চরমোনাই পীর

দেশের ইসলামপন্থী ও দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে কার্যকর ঐক্য গড়ে উঠলে রাষ্ট্রক্ষমতা তাদের হাতেই আসবে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাইর পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।

শনিবার (২৮ জুন) বিকেলে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইসলামী আন্দোলন আয়োজিত মহাসমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “আমরা বহুবার রক্ত দিয়েছি, ত্যাগ স্বীকার করেছি, কিন্তু সফল হইনি। কারণ, আমরা বারবার ভুল নেতৃত্ব ও নীতির পেছনে ছুটেছি। এবার জনগণের মধ্যে ইসলামপন্থীদের ঐক্য নিয়ে নতুন আশাবাদ তৈরি হয়েছে। যদি এই ঐক্য গঠন করা যায়, তাহলে ইনশাআল্লাহ, ইসলামপন্থীরাই হবে দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তি এবং রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বও আমাদের হাতেই আসবে।”

চরমোনাই পীর আরও বলেন, “আমি বহু আগেই বলেছিলাম ইসলামি সব দলের ভোট এক বাক্সে আনতে হবে। শুধু ইসলামপন্থী নয়, বরং দেশপ্রেমিক অন্যান্য দলও আমাদের সঙ্গে নির্বাচনী ঐক্যে আসতে পারে। সুষ্ঠু ও প্রতিনিধিত্বশীল নির্বাচনের জন্য পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতির নির্বাচন এখন সময়ের দাবি। এই দাবি শুধু আমাদের না, বরং বহু রাজনৈতিক দলের।”

তিনি বিএনপিকেও পিআর পদ্ধতির নির্বাচনে অংশগ্রহণের পরামর্শ দেন।

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’-এর পর গঠিত সংস্কার কমিশনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দ্বিতীয় দফা আলোচনায় দেখা যাচ্ছে কেউ কেউ মৌলিক সংস্কারের বিষয়ে আপত্তি জানাচ্ছে। এটা দ্বিমুখী আচরণ। যদি সংস্কার না হয়, তবে গণভোট আয়োজন করতে হবে।”

চরমোনাইর পীর আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “তারা দেশকে একটি জুলুমের রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। গুম, খুন, চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব—সবই তাদের অপরাধের অংশ। এসব অপরাধের বিচার অবশ্যই করতে হবে। কোনো ক্ষমা নেই।”

তিনি বলেন, “ইসলামী দল ক্ষমতায় গেলে কেউ গুম হবে না, খুন হবে না, চাঁদা দিতে হবে না। বাংলাদেশে থাকবে শান্তি, থাকবে ধর্মীয় সহনশীলতা। মসজিদও থাকবে, মন্দিরও থাকবে।”

শেষে মুফতি রেজাউল করীম বলেন, “যারা দাড়ি-টুপি নিয়ে কটাক্ষ করে, মোল্লাদের অবমাননা করে, তাদের আমরা রাষ্ট্রক্ষমতায় যেতে দেব না। বাংলাদেশের মানুষ কারো গোলামি করার জন্য জীবন দেয়নি। আমরা মাথা নত করব না। যদি এই মঞ্চে থাকা দলগুলো এক থাকেন, এক নীতিতে থাকেন, তাহলে ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতে ইসলামপন্থীরাই দেশের নেতৃত্ব দেবে।”

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫

 




পিরোজপুরে বিয়ের বাস ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অন্তত ৩০

পিরোজপুর সদর উপজেলার ব্রাহ্মণকাঠী এলাকায় বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরার পথে একটি বাস ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের, আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন।

শুক্রবার (২৭ জুন) বিকেল ৫টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত ব্যক্তি আব্দুল হান্নান হাওলাদার (৫৫) পিরোজপুর সদর উপজেলার মূলগ্রাম এলাকার বাসিন্দা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্গাপুর চুঙ্গাপাশা থেকে বৌভাত শেষে মেয়ের পক্ষের আত্মীয়স্বজনরা বাসযোগে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথিমধ্যে ব্রাহ্মণকাঠী এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে বাসটি উল্টে যায় এবং ইজিবাইকটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে পাঠান।

পিরোজপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. মতিউর রহমান জানান, “একজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। এ ছাড়া ২৪ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং ৮ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত ৪ জনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।”

পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, “বাস ও ইজিবাইকের সংঘর্ষে একজন নিহত ও অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার তৎপরতা চালায়। ঘটনাস্থলে যান চলাচল কিছু সময়ের জন্য ব্যাহত হয়।”

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফুল আলম খান বলেন, “দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর আশপাশের উপজেলার সব এম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। আহতদের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”

এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় প্রশাসন দুর্ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫