৪৪তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, ১ হাজার ৬৯০ জন সুপারিশপ্রাপ্ত ক্যাডার

৪৪তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এতে ১ হাজার ৭১০টি শূন্যপদের বিপরীতে মোট ১ হাজার ৬৯০ জন প্রার্থীকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। সোমবার (৩০ জুন) রাত সাড়ে ১১টার পর পিএসসির ওয়েবসাইটে এই ফল প্রকাশ করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান।

পিএসসির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিভিন্ন ক্যাডারে মনোনয়নের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তবে কারিগরি ও পেশাগত ক্যাডারের ২০টি পদে যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব হয়নি।

কমিশনের ওয়েবসাইট (www.bpsc.gov.bd) এবং টেলিটক ওয়েবসাইট (http://bpsc.teletalk.com.bd)-এ ফলাফল ও মনোনয়ন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে। পিএসসি জানিয়েছে, প্রকাশিত ফলে কোনো যুক্তিসংগত কারণে সংশোধনের প্রয়োজন হলে তা সংশোধনের অধিকার কমিশন সংরক্ষণ করে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, যেসব প্রার্থী লিখিত ও মৌখিক উভয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও ক্যাডার পদে মনোনয়ন পাননি, তাদের নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকারের কাছ থেকে শূন্য পদের চাহিদা পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট বিধি অনুসারে পর্যায়ক্রমে সুপারিশ করা হবে।

৪৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছিল ২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর। এতে মোট ১ হাজার ৭১০টি ক্যাডার পদে নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পদ ছিল শিক্ষা ক্যাডারে—৭৭৬টি।

বাকি পদগুলোর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২৫০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ৫০ জন, পররাষ্ট্রে ১০ জন, আনসার ক্যাডারে ১৪ জন, নিরীক্ষা ও হিসাব ক্যাডারে ৩০ জন এবং পরিবার পরিকল্পনা ক্যাডারে ২৭ জন নেওয়ার কথা বলা হয়।

এই ফলাফলের মাধ্যমে দেশের সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতামূলক চাকরি বিসিএস পরীক্ষার আরেকটি ধাপ সম্পন্ন হলো।




জুলাই কর্মসূচিতে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের অন্তর্ভুক্তি থাকবে : রিজভী

গণ-অভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আগামীকাল (১ জুলাই) আয়োজিত বিএনপির আলোচনা সভায় দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বার্তা পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

সোমবার (৩০ জুন) বিকেলে জুলাই কর্মসূচি ঘিরে শৃঙ্খলা কমিটির বৈঠক শেষে গুলশানে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

রিজভী বলেন, “চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিতব্য এই কর্মসূচিতে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বার্তা থাকবে। এটি একটি মহিমান্বিত ও সফল কর্মসূচি হবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি। এখানে জাতীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিসহ শহীদ ও নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন।”

তিনি আরও বলেন, “কর্মসূচির শৃঙ্খলা রক্ষায় যেসব নেতাকর্মী দায়িত্বে থাকবেন, তাদের নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। অনুষ্ঠানে আসা শহীদ পরিবারের সদস্য, গুম-খুন হওয়া পরিবারের সদস্যদের যথাযথ সম্মান ও সেবা নিশ্চিত করতে হবে।”

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কর্মসূচির শৃঙ্খলা কমিটির আহ্বায়ক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সদস্যসচিব আমিনুল হক, ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক মোরশেদ হাসান খান, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক সাংবাদিক আতিকুর রহমান রুমন, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম ও ডা. জাহাঙ্গীর আলমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার দাবিকে আরও শক্তিশালী করা হবে।




জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা গণঅধিকার পরিষদের

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ। সোমবার (৩০ জুন) বিকেল ৪টায় গুলশানে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব কর্মসূচি প্রকাশ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান, সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, যিনি মাসব্যাপী কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরেন।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী:

  • ১ জুলাই: “কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে রাষ্ট্র সংস্কার (২০১৮–২০২৪)” শীর্ষক আলোচনা সভা।
  • ১৬ জুলাই: ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে জেলা পর্যায়ে গণহত্যার বিচারের দাবিতে পদযাত্রা।
  • ১৮ জুলাই: “কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন” শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী।
  • ২০ জুলাই: কারাবন্দি ও আহত যোদ্ধাদের স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভা।
  • ২৫ জুলাই: শহীদদের স্মরণে উপজেলা পর্যায়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল।
  • ২৬ জুলাই: “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রবাসীদের ভূমিকা” শীর্ষক আলোচনা সভা।
  • ৩১ জুলাই: “গণঅভ্যুত্থানে পেশাজীবীদের ভূমিকা” শীর্ষক আলোচনা সভা।
  • ১ আগস্ট: শহীদ মিনারে ‘ঐক্য ও সংহতি সমাবেশ’।
  • ৫ আগস্ট: গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন।
  • ৮ আগস্ট: “জুলাইয়ের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি” শীর্ষক আলোচনা সভা।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য আবু হানিফ, শাকিল উজ্জামান, শহিদুল ইসলাম ফাহিম, আব্দুজ জাহের, অ্যাডভোকেট সরকার নুরে এরশাদ সিদ্দিকী ও মাহফুজুর রহমান প্রমুখ।

দলটির নেতারা জানান, এসব কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জনগণের অধিকার, রাজনৈতিক সংস্কার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে গণঅধিকার পরিষদের ভূমিকা স্মরণ ও অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হবে।




ইরানের ইউরেনিয়ামের অবস্থান অজানা: জাতিসংঘের পরমাণু সংস্থা

ইরানের মজুত রাখা ৪০০ কেজিরও বেশি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বর্তমানে কোথায় রয়েছে, তা নিশ্চিতভাবে জানে না জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি এজেন্সি (আইএইএ)। রোববার (২৯ জুন) কানাডিয়ান টেলিভিশন নেটওয়ার্ক সিবিএস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য জানিয়েছেন সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি।

তিনি বলেন, “ইরানের ইউরেনিয়াম কোথায় আছে কিংবা ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের ১২ দিনে তা ধ্বংস হয়েছে কি না— সেটা আমরা বলতে পারি না।”

গ্রসি জানান, ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানে বিমান হামলা শুরু করার সময় ইরানের কাছে কমপক্ষে ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম মজুত ছিল, যার বিশুদ্ধতার মাত্রা ছিল ৬০ শতাংশ। উল্লেখ্য, পরমাণু বোমা তৈরির জন্য অন্তত ৯০ শতাংশ বিশুদ্ধ ইউরেনিয়াম প্রয়োজন হয়। তার মতে, ৬০ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশে উন্নীতকরণ খুব কঠিন নয়।

আইএইএ প্রধান আরও বলেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের পারমাণবিক প্রকল্পের কিছুটা ক্ষয়ক্ষতি হলেও তা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছে— এমনটা মনে করার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, “সংঘাত শুরুর পর ইসরায়েলের এক সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে আমার কথা হয়। তিনি জানান, ইরান তাদের ইউরেনিয়াম মজুত সরিয়ে ফেলার মতো সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। আমাদের ধারণা, সংঘাতের শুরুর দিকেই ফার্দো থেকে বড় একটি অংশ সরিয়ে ফেলা হয়েছে।”

গ্রসির মতে, ইরান যদি ইউরেনিয়াম মজুত রাখতে সক্ষম হয়ে থাকে, তাহলে কয়েক মাসের মধ্যেই তাদের পরমাণু প্রকল্প ফের সচল হতে পারে। আর যদি সেই মজুত ধ্বংস হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলেও নতুনভাবে প্রকল্প চালুর সক্ষমতা ইরানের রয়েছে।

তিনি বলেন, “ইরান জানে কীভাবে পরমাণু বোমা তৈরি করতে হয়। কাজেই তাদের প্রকল্প বন্ধ হয়ে গেলেও তা আবার চালু হবে— এমনটাই আমাদের ধারণা।”




দ্রুত নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করতে চায় চীন: মির্জা ফখরুল

চীন বাংলাদেশে দ্রুত একটি নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ শুরু করার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সম্প্রতি চীন সফর শেষে সোমবার (৩০ জুন) বিকেলে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল চীন সফরে গিয়ে চীনের ক্ষমতাসীন দল চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে। সফরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতাসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আলোচনায় উঠে আসে।

তিনি বলেন, “আমরা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গা নাগরিকদের নিরাপদ, স্বেচ্ছা ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে চীনের আরও সক্রিয় ও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছি। চীনের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে যে, তারা মিয়ানমার সরকারকে রাজি করানোর চেষ্টা করছেন এবং অত্যন্ত আগ্রহ ও আন্তরিকতার সঙ্গে এ বিষয়ে কাজ করছেন।”

সফরে বিএনপি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে যাদের সাক্ষাৎ হয়েছে, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন—চীনের কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য এবং ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্থায়ী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান লি হংসং, সিপিসির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ জিয়ানচাও এবং ভাইস মন্ত্রী সান হাইয়ান।

চীন-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে চীনা নেতারা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অবদানকে স্মরণ করেন বলেও জানান ফখরুল।

তিনি আরও বলেন, “পলিটব্যুরোর সদস্য লি হংসং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে চীন সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। পাশাপাশি, দ্রুত একটি নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে নতুন করে দ্বিপাক্ষিক কার্যক্রম শুরু করার আগ্রহ চীনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।”

বিএনপির পক্ষ থেকে চীনের সঙ্গে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্র হিসেবে ডিজিটাল প্রযুক্তি, সেমিকন্ডাক্টর, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, মেডিকেল ও স্বাস্থ্যসেবা, উচ্চশিক্ষা, আধুনিক কৃষি, ব্লু ইকোনমি এবং এসএমই খাতে উন্নত প্রযুক্তি হস্তান্তরের ওপর জোর দেওয়া হয়। এসব ক্ষেত্রে চীন ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বলে জানান ফখরুল।

তিনি বলেন, সফরের দ্বিতীয় দিনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাইস মিনিস্টার সুং ওয়ে ডং-এর সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশে অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও পরিবেশ উন্নয়নে সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি, শ্রমশক্তির সক্ষমতা বাড়ানো, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা এবং বিনিয়োগ নিরাপত্তার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

ফখরুল বলেন, গত ১৭ বছরে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতিকে সহনীয় করতে চীন থেকে নেওয়া ঋণের পরিশোধ সময়সীমা বৃদ্ধি, বিভিন্ন ফি পুনর্বিবেচনা এবং অনুদানের সম্ভাব্যতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। চীনের পক্ষ থেকে এসব বিষয় সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির পক্ষ থেকে দুই বছর মেয়াদি একটি রাজনৈতিক সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যা বিএনপি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে।




আসিফ মাহমুদের অস্ত্রের লাইসেন্স নিয়ে মুখ খুললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের সঙ্গে বিমানবন্দরে যে ম্যাগাজিন পাওয়া গেছে, সেটি একে-৪৭ এর নয়। এটি একটি পিস্তলের খালি ম্যাগাজিন, যা ভুলবশত তাঁর সঙ্গে থেকে গিয়েছিল।

সোমবার (৩০ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “অনেকে বলছেন তিনি একে-৪৭-এর লাইসেন্স পেয়েছেন, কিন্তু এটি একে-৪৭ নয়। এটি একটি পিস্তলের খালি ম্যাগাজিন, যা ভুল করে সঙ্গে থেকে গেছে। অনেক সময় এমন হয়, আপনি চশমা নিতে চান কিন্তু ভুল করে মোবাইল নিয়ে বের হন। ঠিক তেমনই এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। উনি যদি আগে জানতেন, অবশ্যই এটি সঙ্গে নিতেন না।”

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের অস্ত্রের বৈধ লাইসেন্স থাকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, কারণ আইন অনুযায়ী অস্ত্রের লাইসেন্স পেতে হলে আবেদনের সময় অন্তত ৩০ বছর বয়স হতে হয়। তবে আসিফ মাহমুদের বয়স ত্রিশ না হওয়ায় লাইসেন্সটি তিনি কীভাবে পেলেন, সে প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “আমি যেহেতু ওই আইনটা দেখিনি, তাই এই বিষয়ে মন্তব্য করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।”

বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যর্থতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে, কারণ স্ক্যানিংয়ের প্রথম দুই ধাপে ম্যাগাজিনটি ধরা পড়েনি। এ বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, “আমার ভাই যদি একজন নেতা হন, তাহলে তিনি অনেক সময় কিছু প্রিভিলেজ পান। কিন্তু এই ধরনের প্রিভিলেজ যেন আর কেউ না পান, সে জন্যই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সবার ক্ষেত্রে যেন আইন সমানভাবে প্রয়োগ হয়, সেটিই মূল বিষয়।”

এদিনের কোর কমিটির বৈঠকে ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের অনুষ্ঠান নিরাপদভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে আলোচনা হয়। উপদেষ্টা জানান, অনুষ্ঠানের সময় এখন পর্যন্ত কোনো নিরাপত্তা হুমকির তথ্য নেই এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে থাকবে।




জুলাই ঘোষণাপত্রে ব্যর্থতা: সরকার দুইবার সময় নিয়েও প্রতিশ্রুতি রাখেনি — নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান উদযাপন কমিটির প্রধান মুখপাত্র নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন, সরকার দুইবার সময় দিয়েও ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ প্রণয়নে ব্যর্থ হয়েছে। এ ব্যর্থতার কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যাও সরকার দেয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি।

সোমবার (৩০ জুন) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেন, “জুলাই ঘোষণাপত্র হচ্ছে ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, শহীদদের আত্মত্যাগ, আহতদের অবদান, নেতৃত্বের ভূমিকা এবং রাজনৈতিক নিরাপত্তা ও আকাঙ্ক্ষার সংজ্ঞায়ন নিশ্চিত করতে একটি জাতীয় দলিল। পরবর্তীতে এটি আইনি ও সাংবিধানিক ভিত্তি পাবে।”

নাহিদ ইসলাম জানান, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর ছাত্রনেতৃত্ব ঘোষণাপত্র দেওয়ার প্রস্তুতি নিলেও সরকার সব রাজনৈতিক দলকে যুক্ত করে একটি সমন্বিত ঘোষণাপত্র দিতে চেয়েছিল। এ কারণে ছাত্রনেতৃত্ব তাদের স্বতন্ত্র উদ্যোগ থেকে সরে আসে।

তিনি আরও বলেন, “সরকার বিভিন্ন পক্ষের কাছ থেকে খসড়া চেয়ে নিয়েছিল। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকেও একটি খসড়া জমা দেওয়া হয়। কিন্তু সরকার একাধিকবার সময় নিয়েও তা বাস্তবায়ন করেনি বা কোথায় বাধা ছিল—তা জনগণের কাছে পরিষ্কার করেনি।”

নাহিদ ইসলাম জোর দিয়ে বলেন, “সরকার যদি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ঘোষণাপত্র না দেয়, আমরা বসে থাকব না। আমরা আমাদের পক্ষ থেকে ইশতেহার প্রকাশ করব এবং অন্য পক্ষগুলোকেও আহ্বান জানাব তাদের ইশতেহার তৈরি করতে। সম্মিলিতভাবে দলিল তৈরি করে তা সরকারকে দিতে বাধ্য করব।”

তিনি জানান, জুলাই ঘোষণাপত্র শহীদ পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে পাঠ করা হবে এবং এটি একটি জাতীয় ঐকমত্যের প্রতিফলন হিসেবে তৈরি করা হবে।

জুলাই সনদের প্রসঙ্গে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, “জুলাই সনদে রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কারের রূপরেখা থাকবে। সংবিধানের কোন কোন জায়গায় পরিবর্তন আনা হবে তা নির্ধারণ করে একটি রাজনৈতিক ঐকমত্যের দলিল তৈরি করা হবে, যেখানে সব দল স্বাক্ষর করবে। এই সনদ গণভোট, গণপরিষদ অথবা সংসদীয় সংশোধনীর মাধ্যমে কার্যকর হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “৫ আগস্ট তথা ৩৬ জুলাইয়ের মধ্যে আমরা জুলাই ঘোষণাপত্র এবং জুলাই সনদ—উভয় দলিল রচনার লক্ষ্যে কাজ করছি। সরকার যদি কোনো পক্ষের দলীয় স্বার্থে ঐকমত্য প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে দেয়, তবে জনগণকে সাথে নিয়ে বাকিরা এ ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করবে।”

শেষে তিনি জানান, ১ জুলাই থেকে ‘জুলাই পদযাত্রা’ শুরু হচ্ছে। তিনি দেশবাসীকে এই কর্মসূচিতে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান এবং বলেন, “পথে প্রান্তরে জনগণের সঙ্গে কথা হবে, তাদের মতামত থেকেই গড়ে উঠবে আগামী বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ দলিল।”




পিরোজপুরে যুবদলের দুই নেতার পদ স্থগিত, কমিটি গঠনের তিন দিনেই সিদ্ধান্ত

পিরোজপুর জেলা যুবদলের নতুন কমিটি ঘোষণার মাত্র তিন দিন পরেই কমিটির এক যুগ্ম আহ্বায়ক ও এক সদস্যের পদ স্থগিত করেছে কেন্দ্রীয় যুবদল।

রোববার (২৯ জুন) রাতে যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুইয়ার স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সংগঠনের আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে যুগ্ম আহ্বায়ক মো. অলিউল ইসলাম মিলন এবং সদস্য মো. আরিফুল হক-এর প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

এছাড়া, নেতৃদ্বয়কে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত যুবদলের সকল কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, ২৬ জুন নতুন কমিটি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কমিটির আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ রাসেল খান ডালিমের পদও স্থগিত করা হয়েছিল।

নতুন ঘোষিত ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে কামরুজ্জামান তুষারকে আহ্বায়ক এবং এমদাদুল হক মাসুদকে সদস্য সচিব করা হয়। এতে ১৩ জনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়।

জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান তুষার বলেন, “দলের অভ্যন্তরে শৃঙ্খলা বজায় রাখাই আমাদের অগ্রাধিকার। প্রমাণ সাপেক্ষে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই পদ স্থগিত করা হয়েছে।”

প্রসঙ্গত, এর আগে ২০২৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ৮ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে আহ্বায়ক মারুফ হাসান, যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান রুবেলরিয়াজ সিকদারকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় কমিটি। এরপর সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুজ্জামান তুষারকে আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




তালগাছ কেটে বাবুইছানা হত্যায় প্রধান আসামি গ্রেফতার

ঝালকাঠির পূর্ব গুয়াটন এলাকায় তালগাছ কেটে শতাধিক বাবুই পাখির ছানা ও ডিম ধ্বংসের ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি মো. মোবারেক ফকির (৬৫)-কে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ

রোববার (২৯ জুন) সন্ধ্যায় তাকে পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ থানা এলাকা থেকে আটক করা হয়।

গত শুক্রবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় ঝালকাঠি সদর উপজেলার পূর্ব গুয়াটন গ্রামে একটি তালগাছ কেটে ফেলার সময়, গাছের শাখা-প্রশাখায় থাকা অসংখ্য বাবুই পাখির বাসা ধ্বংস হয়ে পড়ে যায়। এতে শতাধিক ছানা ও ডিম পানিতে ডুবে মারা যায় বা নষ্ট হয়। গাছ কাটার সঙ্গে সঙ্গে অনেক বাসা ভেঙে নিচে পড়ে যায়। প্রাপ্তবয়স্ক কিছু পাখি উড়ে গেলেও ছানা ও ডিম রক্ষা করা যায়নি।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় দেশজুড়ে। পরিবেশপ্রেমীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পরে, শেখেরহাট ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মাসুদুর রহমান বাদী হয়ে তিনজনের বিরুদ্ধে ঝালকাঠি সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ গ্রহণের মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যে মোবারেক ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঝালকাঠির পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায় জানিয়েছেন, “বাবুই পাখির ছানা হত্যা ও পরিবেশ ধ্বংসের ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের ধরতেও অভিযান চালানো হচ্ছে।”

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোও প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে উঠেছে। তারা বলছেন, এরকম কাজ যেন আর কেউ না করতে সাহস পায়, তার জন্য আইনি ব্যবস্থা কঠোর হতে হবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ে চালককে হত্যা, যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নেত্রকোনায় মোটরসাইকেল ছিনতাই করতে গিয়ে চালককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করার ঘটনায় মো. সাদেকুল ইসলাম (২৩) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (৩০ জুন) বিকেলে নেত্রকোনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। তবে রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত সাদেকুল ইসলাম নেত্রকোনা পৌর শহরের পূর্ব কাটলী এলাকার মো. আব্দুস সাত্তারের ছেলে। নিহত মোটরসাইকেল চালক ঝিনুক মিয়া (২৩) সদর উপজেলার পশ্চিম মেদনী গ্রামের বাসিন্দা ও সোহরাব হোসেনের ছেলে।

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি সাদেকুল মোটরসাইকেল ভাড়া করে মদন উপজেলায় ষাঁড়ের লড়াই দেখতে যান। ফেরার পথে নানা জায়গায় ঘুরিয়ে সে ঝিনুক মিয়াকে পূর্বধলার শ্যামগঞ্জ এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে বাজারসংলগ্ন স্থানে গিয়ে সাদেকুল পেছন থেকে ছুরিকাঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

স্থানীয় লোকজন আহত ঝিনুককে উদ্ধার করে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সময় শ্যামগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির চেকপোস্টের নিকটবর্তী এলাকায় হওয়ায় সাদেকুল পালিয়ে যেতে বাধ্য হয় এবং মোটরসাইকেলটি ফেলে রেখে যায়।

নিহতের ভাই মো. টিটু মিয়া পূর্বধলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে পুলিশ তদন্ত শেষে আসামি সাদেকুলকে গ্রেফতার করে। তবে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে সে পলাতক।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবুল হাসেম। তিনি রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “এই রায়ের মাধ্যমে বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতি মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় হবে।”

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫