গাইবান্ধা থেকে ‘নতুন দেশ গড়ার’ আন্দোলন শুরু করল এনসিপি

গাইবান্ধা থেকে ‘নতুন দেশ গড়ার’ আন্দোলনের ঘোষণা দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জুলাই পথযাত্রা’ কর্মসূচি শুরু করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। মঙ্গলবার (১ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় গাইবান্ধা পৌরপার্কে আয়োজিত এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, “২০২৪ সালে আমরা শেখ হাসিনার সরকার উৎখাতের আন্দোলনে রাজপথে নেমেছিলাম। সরকার পতন হয়েছে, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত নতুন রাষ্ট্র এখনও গড়া হয়নি। এবার সেই নতুন দেশ গড়ার আন্দোলন শুরু করেছি গাইবান্ধা থেকে।”

তিনি জানান, গাইবান্ধার মানুষ বহুদিন ধরে বৈষম্যের শিকার। জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানে গাইবান্ধার ছয়জন শহীদ হয়েছেন—তাদের আত্মত্যাগ নতুন স্বাধীনতার ভিত্তি রচনা করেছে। “এই আত্মত্যাগ এনসিপি ও দেশের মানুষ চিরকাল স্মরণ রাখবে,” বলেন তিনি।

নাহিদ আরও বলেন, “২০২৪ সালেই আমরা ভয়ভীতির সংস্কৃতি ভেঙে দিয়েছি। এবার কথা বলার স্বাধীনতা নিশ্চিত করতেই আমরা রাস্তায় নেমেছি। বাংলাদেশে আর কোনোদিন ভয়ভিত্তিক শাসনের সুযোগ দেওয়া হবে না।”

জনগণকে সাহসের সঙ্গে নিজেদের দাবি ও সমস্যার কথা প্রকাশ করতে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আপনারা নির্ভয়ে মতপ্রকাশ করুন, এনসিপি আপনাদের পাশে আছে।”

এর আগে সকালে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা রংপুরে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন। পরে সাদুল্লাপুরে সংক্ষিপ্ত পথসভা এবং গাইবান্ধা শহরে জনসংযোগ কর্মসূচি পালন করেন তারা। শহরের শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানান নেতৃবৃন্দ।

এবারের ‘জুলাই পথযাত্রা’ কর্মসূচির মূল দাবি হচ্ছে—জনতার অধিকার প্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কার এবং নতুন সংবিধান প্রণয়ন। এটি এনসিপির সারাদেশব্যাপী আন্দোলনের অংশ হিসেবে শুরু হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, সাইফুল্লাহ হায়দার, আসাদুল্লাহ আল গালিব, আবু সাঈদ লিয়ন, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, মোহাম্মদ আতাউল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী এবং সদস্য ফিহাদুর রহমান দিবস।

এ ছাড়া গাইবান্ধার সাত উপজেলার এনসিপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দও কর্মসূচিতে অংশ নেন।




স্বৈরাচারের আর কোনো ঠাঁই হবে না: প্রধান উপদেষ্টা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধনী আয়োজনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “স্বৈরাচার যেন আর কখনো মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, এজন্য প্রতিবছর জুলাই-আগস্ট মাসজুড়ে গণজাগরণমূলক এই কর্মসূচি পালন করা হবে।”

মঙ্গলবার (১ জুলাই) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পুনরুত্থান কর্মসূচি’র উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “যে লক্ষ্য নিয়ে তরুণ ছাত্র, রিকশাচালক, শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষ শহীদ হয়েছেন— সেই লক্ষ্যকে বাস্তবায়ন করতে নতুন করে শপথ নেব। আমরা আর কোনো স্বৈরশাসকের উত্থানের সুযোগ দেব না।”

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “গত বছরের জুলাই আমাদের স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় গণজাগরণ ছিল। এটি ছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ন্যায়ের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পুনর্গঠন এবং ফ্যাসিবাদের অবসানের শপথ।”

তিনি বলেন, “অভ্যুত্থানের তাৎক্ষণিক লক্ষ্য পূরণ হয়েছে ঠিকই, কিন্তু তার গভীরে ছিল নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থার স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে।”

তিনি আরও বলেন, “১৬ বছর পর যে বিদ্রোহ সম্ভব হয়েছিল, তা যেন আমাদের আবার অপেক্ষা করতে না হয়— এজন্য আমরা প্রতিবছর এই সময়টিকে গণচেতনার উৎসবে রূপ দেব। স্বৈরাচারের ছায়া দেখলেই তাকে প্রতিরোধ করবো। আর এক মুহূর্ত দেরি নয়।”

ড. ইউনূস বলেন, “আমরা এই মাসকে শুধু স্মরণ নয়, বরং নতুন শপথের মাস হিসেবে দেখছি। সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের ঐক্যের মাধ্যমে আমরা এই যাত্রাকে শক্তিশালী করতে চাই।”

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া সকল শহীদ, আহত ও সংগ্রামীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আমি শ্রদ্ধা জানাই সেই সাহসী তরুণ-তরুণী, নারী-পুরুষ, শিক্ষক-শ্রমিক-রিকশাচালককে, যারা রাস্তায় নেমে গণতন্ত্রের পতাকা উঁচিয়ে ধরেছিলেন।”

তিনি বলেন, “জুলাই মাস হোক জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। চলুন, এই মাসকে পরিণত করি গণজাগরণের ও নতুন বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতির মাসে।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী এবং শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার। বক্তারা বলেন, এই কর্মসূচি যেন গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার আন্দোলনে পরিণত হয়।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




নির্বাচনী বাজেটে কৃপণতা নয়, বরাদ্দ হবে প্রয়োজনমতো: অর্থ উপদেষ্টা

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে বাজেট বরাদ্দে কোনো কার্পণ্য করা হবে না বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। মঙ্গলবার (১ জুলাই) সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “নির্বাচন একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট। সেক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী সব ধরনের ব্যয় বিবেচনা করা হবে। নির্বাচনের জন্য যথাযথ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হবে।”

এদিন বৈঠকে চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিং বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং ডিএপি, ইউরিয়া সার ও এলএনজি কেনার বিষয়ে অনুমোদন দেওয়া হয়। সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “এলএনজি আসলে সারের সরবরাহও বাড়বে, যা কৃষি উৎপাদনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।”

বৈঠক শেষে শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “এনবিআরকে অত্যাবশ্যকীয় সেবা হিসেবে ঘোষণা করে যেই প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে, সেটাই চূড়ান্ত। এর বাইরে আর কোনো নতুন প্রজ্ঞাপন নেই।”

বন্দরের সাম্প্রতিক অচলাবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “পণ্য পরিবহন পুরোপুরি বন্ধ ছিল না। যেসব পণ্য বন্দরে ঢুকেছে, সেগুলোর জাহাজীকরণ প্রক্রিয়া চলছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি, তবে ব্যাপক ক্ষতি হয়নি বলেই মনে হচ্ছে।”

সরকারের এই দুটি উপদেষ্টা মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, নির্বাচন ও অর্থনীতি—দুই দিকেই সরকার প্রস্তুতির ঘাটতি রাখতে চায় না।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




আমতলীতে সরকারি বীজের কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত দাম, কৃষকের ক্ষোভ

আমন মৌসুমের শুরুতেই বরগুনার আমতলী উপজেলায় ধানবীজের কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। কৃষকরা বলছেন, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ৮০ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে ১০ কেজির বীজ বস্তা। এতে ক্ষোভে ফুঁসছে উপজেলার হাজারো কৃষক।

সরকার নির্ধারিত মূল্য ৬৭০ টাকা হলেও বাজারে এই বীজ বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকায়। অভিযোগের তীর উত্তর সোনাখালী এলাকার ডিলার মো. মধু প্যাদার দিকে। স্থানীয়রা বলছেন, তিনি বরিশালের জননী ট্রেডার্সের মালিক ফরিদ মিয়ার কাছ থেকে অনুমোদনহীনভাবে প্রায় ৬০ মেট্রিক টন বীজ এনে নিজের গোডাউনে মজুত করে তা আমতলী, তালতলী, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালীতে বেশি দামে সরবরাহ করছেন।

রায়বালা গ্রামের কৃষক জুয়েল হাওলাদার বলেন, “বিআর-২৩ জাতের ১০ কেজির বীজ কিনেছি ৭৫০ টাকায়।”
আড়পাঙ্গাশিয়ার আফজাল হোসেন শরীফের ভাষায়, “মধু প্যাদা বাজারে সিন্ডিকেট করে রেখেছে, সাধারণ কৃষকের কষ্টের কোনো দাম নেই।”
অন্যদিকে, কাউনিয়ার নজরুল ইসলাম বলেন, “কয়েকটা দোকান ঘুরেও বীজ পাইনি, খালি হাতে ফিরেছি।”

চলতি মৌসুমে আমতলীতে ২৩ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে প্রয়োজন প্রায় ৫৮০ মেট্রিক টন বীজ। অথচ বিএডিসি সরবরাহ করেছে মাত্র ৫৫ মেট্রিক টন।

ডিলার হুমায়ুন ঢালী বলেন, “মধু প্যাদা অনুমোদনহীনভাবে বীজ এনে মুদি দোকান ও কসমেটিকস দোকানেও বিক্রি করছেন। আমরা ডিলার হয়েও লোকসানে বীজ দিচ্ছি।”

মধু প্যাদা বলেন, “সরকারি বরাদ্দ মাত্র ৪ মেট্রিক টন। চাহিদা মেটাতে ফরিদ মিয়ার কাছ থেকে বীজ এনেছি। বিষয়টি কর্মকর্তারাও জানেন।”

বরিশালের ফরিদ মিয়া বলেন, “আমি ব্যবসায়িক স্বার্থে অনেক বীজ দিয়েছি, সব তথ্য প্রকাশ করা যাবে না।”

আমতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাসেল মিয়া বলেন, “বেশি দামে বীজ বিক্রি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে একজন ডিলারের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।”

তবে বরিশাল বিএডিসির উপ-পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে বলেন, “বাইরে থেকে বীজ কিনলে সমস্যা কী? এত বাড়াবাড়ি করছেন কেন?”

এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রোকনুজ্জামান খান বলেন, “যারা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দামে বীজ বিক্রি করছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

কৃষকদের আশঙ্কা, সংকট নিরসন না হলে এবারের আমন মৌসুমে উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। এজন্য দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও বাজার নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছেন তারা।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /

 




তালতলীতে প্রতিবন্ধী ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

বরগুনার তালতলী উপজেলায় এক প্রতিবন্ধী কাঁচামাল ব্যবসায়ীকে মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শহিদুল হক ওরফে শহিদ মেম্বারের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী মো. আবুল কালাম এ ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ তোলেন এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সোমবার (৩০ জুন) দুপুর ১টায় তালতলী মডেল মসজিদের হলরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মো. আবুল কালাম লিখিত বক্তব্যে বলেন, “আমি দীর্ঘ ১৬-১৭ বছর ধরে তালতলী বাজারে ভূমি অফিস সংলগ্ন সড়কের পাশে ভাসমান দোকানে কাঁচামাল বিক্রি করি। ২৯ জুন সকাল ৯টার দিকে শহিদ মেম্বার আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি আমাকে কিল-ঘুষি, লাঠি ও লাথি মেরে নির্মমভাবে মারধর করেন। এমনকি চোখে আঘাত করে মাটিতে ফেলে দেন।”

আবুল কালাম আরও জানান, তিনি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ এবং নিয়মিত খাজনা দিয়ে বৈধভাবে ব্যবসা করেন। তারপরও প্রভাব খাটিয়ে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির একাধিক নেতা উপস্থিত ছিলেন। তারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। উপস্থিত নেতাদের মধ্যে ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম মামুন, যুগ্ম আহ্বায়ক মিয়া শামিম হাসান, যুবদলের মিয়া রিয়াজুল ইসলাম, শ্রমিক দলের সিদ্দিকুর রহমান, কৃষক দলের জাফরসহ আরও অনেকে।

আবুল কালাম ঘটনার পর তালতলী নৌবাহিনী ক্যাম্পে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি প্রশাসনের প্রতি সুষ্ঠু তদন্ত ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /

 


আরও রিপোর্ট পাঠাতে পারেন, আমি প্রস্তুত!




পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১,২৯০

সারাদেশে পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ১,২৯০ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৮১১ জন বিভিন্ন মামলা ও ওয়ারেন্টভুক্ত, আর বাকি ৪৭৯ জন অন্যান্য অপরাধে জড়িত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দফতর।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) দুপুরে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি), মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস ইনামুল হক সাগর।

তিনি জানান, “বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে সারা দেশে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ধারাবাহিকভাবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এতে ১,২৯০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় একটি চাপাতি ও তিনটি দা উদ্ধার করা হয়েছে।”

পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমাতে এই ধরনের অভিযান কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলেও আশা করা হচ্ছে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




পিরোজপুরে জলাতঙ্ক ভ্যাকসিনের সংকট, ভোগান্তিতে হাজারো রোগী

পিরোজপুর জেলা সদর হাসপাতালে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিনের চরম সংকটে পড়েছে রোগীরা। বিগত কয়েক মাস ধরে সরকারি ভ্যাকসিন সরবরাহ বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বাইরের ফার্মেসি থেকে কিনে নিতে হচ্ছে মূল্যবান ভ্যাকসিন, যা অনেকের সামর্থ্যের বাইরে।

পিরোজপুর জেলার সাতটি উপজেলা এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চল থেকে প্রতিদিন শতাধিক রোগী আসে এই হাসপাতালে। কুকুর ও বিড়ালের কামড়ে আক্রান্তদের জন্য জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন জীবন রক্ষাকারী হলেও সরকারি ব্যবস্থাপনায় তা এখন অনুপস্থিত।

ভ্যাকসিন নিতে আসা রোগী ফয়সাল আমিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সরকারি হাসপাতালে এসে যদি টাকা দিয়ে ভ্যাকসিন কিনতে হয়, তাহলে এর উপকারিতা কোথায়? আমাদের বলা হচ্ছে, চারজন মিলে একটি ভ্যাকসিন কিনে নিতে!”

আরেক রোগী ফারজানা আক্তার বলেন, “বিড়ালের আঁচর খাওয়ার পর হাসপাতালে এসেছিলাম, কিন্তু এখানে ভ্যাকসিন নেই। বাধ্য হয়ে চারজন মিলে একটি ভ্যাকসিন কিনেছি। এতে করে সময়, অর্থ—সবই অপচয় হচ্ছে।”

তাসরিফ নামের আরেক রোগী বলেন, “সাধারণ মানুষ এই অতিরিক্ত খরচ কিভাবে চালাবে? সরকার দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সমস্যা আরও বাড়বে।”

জেলা হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্সরা জানাচ্ছেন, প্রতিদিনই রোগী ও স্বজনদের অসন্তোষের মুখে পড়তে হচ্ছে। তারা বলেন, “আমাদের তো কিছু করার নেই। রোগীর জীবন বাঁচানো জরুরি। তাই আমরা বাইরে থেকে ভ্যাকসিন এনে দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি। তবে নিয়মিত ভ্যাকসিন সরবরাহ না থাকলে বড় বিপদ হতে পারে।”

পিরোজপুরের সিভিল সার্জন ডা. মতিউর রহমান বলেন, “প্রতি মাসে যত ভ্যাকসিন দরকার হয়, সেই পরিমাণ সরবরাহ পাওয়া যায় না। স্বাস্থ্য অধিদফতরে নতুন চাহিদা পাঠানো হয়েছে। আশা করছি, কয়েক দিনের মধ্যেই ভ্যাকসিন এসে পৌঁছাবে এবং সংকট কেটে যাবে।”

পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, গত ছয় মাসে কুকুর ও বিড়ালের কামড়ে অন্তত ৮ হাজার রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। ভ্যাকসিন সরবরাহ বন্ধ থাকলে সামনের দিনগুলোতে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




ইতিহাসের নীরব সাক্ষী পিরোজপুরের সাড়ে চারশ বছরের জমিদার বাড়ি

পিরোজপুর সদর উপজেলার রায়েরকাঠিতে অবস্থিত সাড়ে চারশ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়িটি আজও ইতিহাসের নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। মোগল সম্রাট শাহজাহানের শাসনামলে ১৬০০ সালের দিকে ভাটিয়াল রাজা রুদ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী এই বিশাল জমিদার বাড়ি নির্মাণ করেন। প্রাসাদসদৃশ এ স্থাপনাটি এক সময় ছিল দক্ষিণ বাংলার জমিদার প্রশাসনের কেন্দ্র।

প্রায় ২০০ একর জমিতে বিস্তৃত এই রাজবাড়িতে ছিল প্রায় ২০০টি ভবন, ১১টি সুউচ্চ মঠ, শিব মন্দির, কালী মন্দির, অতিথিশালা, পাঠশালা, হাতিশালা, ঘোড়াশালা এবং দাতব্য চিকিৎসালয়। এখানে স্থাপিত রয়েছে উপমহাদেশের অন্যতম বৃহৎ ২৫ মণ ওজনের কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ। প্রায় ৩০০ বছর আগেও এখানে হাইস্কুল চালু ছিল বলে জানা গেছে।

রাজা রুদ্র নারায়ণের জমিদারিতে পদার্পণ ঘটে রীতিমতো গল্পের মতো। হুগলির দে-গঙ্গায় এক ব্রাহ্মণ বাড়িতে রাখাল থাকাকালে সম্রাট জাহাঙ্গীরের নজরে পড়েন তিনি। পরবর্তীতে সম্রাটের নির্দেশেই বরিশাল অঞ্চলে জমিদারি লাভ করেন রুদ্র নারায়ণ, যা পরিণত হয় রাজপরিবারে।

বর্তমানে এই রাজবাড়ির বেশিরভাগ অংশ ধ্বংসপ্রাপ্ত। ভেঙে পড়ছে প্রাচীন স্থাপনাগুলো। তবুও প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শত শত মানুষ ছুটে আসে ইতিহাসের ছোঁয়া পেতে। রাজা রুদ্র নারায়ণের ১২তম প্রজন্মের উত্তরসূরি অপূর্ব রায় চৌধুরী বলেন, “এখন শুধু দুটি পরিবার এখানে বসবাস করে, বাকি সবাই ওপার বাংলায় চলে গেছেন। সরকার যদি উদ্যোগ নেয়, এই স্থাপনাগুলো রক্ষা সম্ভব।”

স্থানীয় বাসিন্দা সোলায়মান শেখ, কাঠমিস্ত্রি গোবিন্দ লাল এবং শিক্ষার্থী প্রিয়াঙ্কা সবাই একমত—রাজবাড়িটি যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা গেলে তা হতে পারে পিরোজপুরের অন্যতম বড় পর্যটন কেন্দ্র। এখান থেকে সরকারের রাজস্ব আসার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, আর ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জানতে পারবে তাদের অতীত ও সংস্কৃতি।

পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ বলেন, “রায়েরকাঠি জমিদার বাড়ি একটি ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগকে জানানো হবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

যদিও বছরের পর বছর ধরে জমিদার বাড়িটি অবহেলায় পড়ে রয়েছে, তবুও ইতিহাসপ্রেমীদের আগ্রহ কমেনি। উপযুক্ত রক্ষণাবেক্ষণ ও সরকারি উদ্যোগে রায়েরকাঠি রাজবাড়িকে পরিণত করা যেতে পারে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্রে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




পিরোজপুরে বিএনপির সদস্য ফরম বাছাইকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৬

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বিএনপির নতুন সদস্য ফরম যাচাই-বাছাইকে কেন্দ্র করে দলীয় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ছাত্রদল ও বিএনপির ছয় কর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৩০ জুন) রাতে মঠবাড়িয়া পৌর শহরের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে। ওই ভবনে ইউনিয়ন পর্যায়ে বিএনপির ৫০০ সদস্যের আবেদন ফরম যাচাই-বাছাই চলছিল। এ সময় দলীয় অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়, যা একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

আহতদের মধ্যে তিনজনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হলেন—ধানীসাফা ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রদল সভাপতি মো. সজিব হাওলাদার, আমড়াগাছিয়া ইউনিয়ন বিএনপি কর্মী মো. ছগির হোসেন (৪৫), সাবেক পৌর ছাত্রদল নেতা ইসতিহাক আহম্মেদ নিশাদ, গুলিসাখালী ইউনিয়ন বিএনপি কর্মী মো. সোহাগ তালুকদার (৪০) ও টিকিটা ইউনিয়ন বিএনপি কর্মী মো. ইউসুফ খান।

মঠবাড়িয়া পৌর বিএনপির সভাপতি কেএম হুমায়ূন কবীর বলেন, “সদস্য ফরম যাচাই চলাকালীন সময় কিছু কর্মীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়। এর জেরে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় থেকে হাতাহাতি এবং পরে সংঘর্ষ ঘটে। দলীয়ভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।”

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ধানীসাফা ইউনিয়নের ছাত্রদলের এক নেতা মারধরের শিকার হলে উত্তেজনা চরমে ওঠে এবং সংঘর্ষে রূপ নেয়।

মঠবাড়িয়া থানার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল হালিম বলেন, “সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম 




বরগুনায় ডেঙ্গুতে ২৬ মৃত্যু, আক্রান্ত ৩ হাজার ছাড়াল

উপকূলীয় জেলা বরগুনায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এখন পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। মৃত্যু হয়েছে অন্তত ২৬ জনের। এ অবস্থায় চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতালগুলো।

বরগুনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১ জুলাই) পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ২৫ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ হাজার ৮শ ৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৯৩ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২১৭ জন।

সরকারি হিসেবে এখন পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ৬ জন। তবে জেলার বাইরে, বিশেষ করে ঢাকা ও অন্যান্য বড় শহরের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সিভিল সার্জন অফিস।

সদর হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলো ঘুরে দেখা গেছে, শয্যার তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বহু রোগীকে বারান্দা, করিডোর এমনকি মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। নারী ও শিশু ওয়ার্ড, মেডিসিন ইউনিট সবখানেই একই চিত্র। রোগীদের বেশিরভাগই বরগুনা পৌর শহর ও সদর উপজেলার বাসিন্দা।

২৫০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. তাসকিয়া সিদ্দিকী বলেন, “প্রতিদিন রোগী বাড়লেও যেসব সুস্থ হয়ে ফিরছেন তাদের জায়গায় নতুন রোগীদের স্থান দেওয়া যাচ্ছে। কিন্তু এ হার ধরে রাখা যাবে কিনা, তা এখন বলা মুশকিল।”

তিনি আরও জানান, হাসপাতালটি ডেঙ্গু জরুরি মোকাবিলায় ৮ জন চিকিৎসক ও ১০ জন নার্স বাড়তি নিয়োগ পেয়েছে। তবে শুধু চিকিৎসা নয়, স্থানীয়দের নিজ নিজ পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা ছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়।

ডেঙ্গু রোগ নিয়ে বরগুনায় কাজ করতে আসা আইইডিসিআর প্রতিনিধিদলের টিম লিডার ডা. মো. তারিকুল ইসলাম লিমন বলেন, “অনেকেই মনে করেন শুধু অপরিচ্ছন্নতায় মশা হয়, কিন্তু এডিস মশা পরিষ্কার পানিতেই জন্মে। বরগুনার উপকূলীয় এলাকায় সুপেয় পানি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত প্লাস্টিক পাত্রগুলোই এখন এডিসের প্রজননস্থল হয়ে উঠছে।”

বরগুনার প্রায় ১২ লাখ মানুষের জন্য ডেঙ্গু এখন বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি হয়ে উঠেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসন একে জেলার ‘হটস্পট’ হিসেবে বিবেচনা করছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, দীর্ঘ সময়ের পানি জমে থাকা এবং কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার অভাবেই পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। না হলে এটি ভবিষ্যতে মহামারির আকার ধারণ করতে পারে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম