“গণঅভ্যুত্থান দমন করতে ককটেল হামলা, এদেশে মাফিয়াতন্ত্র এখনো আছে ”—কর্মসূচি চলাকালে নাহিদের অভিযোগ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, “ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটলেও দেশে মাফিয়াতন্ত্র এখনো টিকে আছে।” তিনি নতুন বাংলাদেশ গঠনে ‘সংস্কার আগে, নির্বাচন পরে’ এই নীতির ওপর জোর দেন।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) দুপুরে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার হাতিখানা কবরস্থানে জুলাই শহীদ সাজ্জাদ হোসেনের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় শহীদের স্মরণে দোয়া পরিচালনা করেন সাজ্জাদ হোসেনের বাবা আলমগীর ইসলাম।

নাহিদ বলেন, “দেশ গড়তে আমরা জুলাই পদযাত্রা শুরু করেছি। উত্তরাঞ্চল থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে মানুষের ব্যাপক সাড়া মিলছে। এটি আমরা শিগগিরই সারাদেশে ছড়িয়ে দেব। উন্নয়ন কেবল ঢাকা কেন্দ্রিক হতে পারে না, উন্নয়ন ভাবনায় পুরো দেশকে রাখতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের সংগ্রামের ইতিহাস ধরে রাখতে হবে। আজও যারা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটাচ্ছে, তারা এই গণঅভ্যুত্থান ব্যাহত করতে চায়। তবে মানুষ আবারও রাজপথে নামবে, আর এবার কাউকেই ক্ষমা করা হবে না।”

পরে তিনি সৈয়দপুরের বিহারী ক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং পাঁচমাথা মোড়ে একটি গণসংযোগে অংশ নেন। বিকেলে নীলফামারী জেলা শহরের চৌরঙ্গীতে আয়োজিত পথসভায় নাহিদ ইসলাম বলেন, “জনগণের উদ্দীপনা এখন অভাবনীয়। তাদের দমন করতেই ভয় দেখানো হচ্ছে, হামলা চালানো হচ্ছে।”

পথসভায় এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “নতুন বাংলাদেশ মানে শুধু সরকার পরিবর্তন নয়, বরং ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন। যেসব প্রক্রিয়ায় ফ্যাসিবাদ জন্ম নেয়, তা বন্ধ করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন প্রশাসনিক সংস্কার ও সংবিধানের সংশোধন। বর্তমানে দেশে যে সংবিধান চালু আছে, তা ‘আওয়ামী বিধান’, প্রকৃত সংবিধান নয়।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

এর আগে, এনসিপির জুলাই পদযাত্রা সৈয়দপুরে পৌঁছালে রেলওয়ে অফিসার্স ক্লাবের সামনে জেলা আহ্বায়ক মোহাম্মদ আবদুল মজিদ ও স্থানীয় নেতা তানজিমুল আলমসহ অন্যান্য নেতারা প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানান।




কিশোরগঞ্জে ‘জুলাই দিবস’ বিক্ষোভের আগে কৃষক লীগ সভাপতি গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জ, ২ জুলাই—কিশোরগঞ্জে ‘জুলাই দিবস প্রতিরোধের’ দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতিকালে পুলিশ পাকুন্দিয়া উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি আবদুল আউয়ালকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে। বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জেলা শহরের নগুয়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য, আওয়ামী লীগপন্থি কয়েক নেতা–কর্মী “গোপন বৈঠকে” বসেছেন—এমন সংবাদের পর এলাকাবাসী ও ছাত্র‑জনতা ওই বাসাটি ঘিরে ফেলেন। কিশোরগঞ্জ মডেল থানার কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তল্লাশি চালিয়ে আবদুল আউয়ালকে আটক করেন এবং ‘জুলাই দিবস প্রতিরোধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল’ লেখা একটি ব্যানার জব্দ করেন। থানা সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে পূর্বে দায়ের হওয়া একাধিক মামলার তথ্য রয়েছে; নতুন করে সরকারি কর্মপরিচালনা বাধাগ্রস্ত ও জনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আটককৃত নেতার গ্রেপ্তারের খবরে নগুয়া ও আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা ছড়ালেও পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি শান্ত থাকে। আটক আবদুল আউয়াল পাকুন্দিয়া উপজেলার ইসাগুম গ্রামের ইসামউদ্দিন মাস্টারের ছেলে। দলীয় সূত্র বলেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে কৃষক লীগে সক্রিয় এবং সাম্প্রতিক দুর্ভিক্ষ‑বিরোধী প্রচারণায় যুক্ত ছিলেন।

কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “গোপন বৈঠকের খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ‘জুলাই দিবস’ ঘিরে মিছিল‑সমাবেশের পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেছেন। আইন‑শৃঙ্খলা বিঘ্ন বা সহিংসতার ঝুঁকি থাকায় আমরা মামলার প্রক্রিয়া চালাচ্ছি।”

জেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা গ্রেপ্তারের ঘটনাকে “রাজনৈতিক হয়রানি” বলে দাবি করেছেন; অন্যদিকে স্থানীয় কিছু শিক্ষার্থী ও বাসিন্দা অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনায় ওই নেতার অনুসারীরা জড়িত ছিল।

এ ঘটনায় এলাকাবাসী ও রাজনৈতিক কর্মীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। পুলিশ বলছে, জননিরাপত্তা বজায় রাখতে কাউকে উসকানিমূলক কর্মসূচি দিতে দেওয়া হবে না।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম




বরিশালে আগুনে পুড়ল দুই দোকান ও দুই বসতবাড়ি

বরিশাল, ৩ জুলাই— নগরীর লাকুটিয়া সড়কের সাধুর বটতলা এলাকায় দুপুর ১২টার দিকে রফিক হাওলাদারের তেলের দোকান থেকে হঠাৎ দাউ‑দাউ করে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই পাশে থাকা শহিদুল ইসলামের চায়ের দোকান ও দু’টি কাঁচা বসতবাড়ি জ্বলতে থাকে। খবর পেয়ে বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট খাল থেকে দ্রুত পানি পাম্প করে এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে দোকান ও ঘরের মালামাল ছাই।

আগুনে মুখ, হাত পুড়ে আহত হয়েছেন দোকানির প্রতিবন্ধী ভাই। তাকে উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, মেয়ের বিয়ের আসবাব⁠‑পত্রসহ অন্তত ১০ লাখ টাকার সম্পদ পুড়ে গেছে।

ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক মো. লিটন আহম্মেদ জানান, সূত্রপাত তেলের ড্রামে মোটর দিয়ে তেল তোলার সময় স্পার্ক থেকেই হতে পারে। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ ও ক্ষতির হিসাব সম্পন্ন হবে।

চায়ের দোকানদার শহিদুল ইসলাম বলেন, “আগুন দেখে পানি ছিটিয়ে নেভানোর চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু লোহার ড্রামে থাকা তেলে আগুন লেগে আরো ছড়িয়ে যায়।” তেলের দোকানদার রফিক হাওলাদারের ভাই পারভেজ জানান, মোটরে আগুন ধরে গেলে নিজেদের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি, ফলে এত বড় ক্ষতি হয়েছে।

৯৯৯‑এ ফোন পেয়ে কাউনিয়া থানার এসআই আব্দুল আউয়াল ঘটনাস্থলে এসে স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধারকাজে যোগ দেন। পরিস্থিতি পরিদর্শন করে স্থানীয় সাবেক সাংসদ অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান সরোয়ার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সহায়তায় বিএনপির পক্ষ থেকে সহায়তার আশ্বাস দেন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম




টাকার অভাবে মুখের ক্যানসার নিয়ে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন দিনমজুর ফারুক

 

বরিশাল, ৩ জুলাই—বানারীপাড়ার করপাড়া গ্রামের দিনমজুর মো. ফারুক হাওলাদার আজ মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন। মুখে একটি সামান্য আঘাত থেকে শুরু হওয়া যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতি এখন ভয়াবহ ক্যানসারে রূপ নিয়েছে। চিকিৎসা খরচ যোগাতে গিয়ে পরিবার হারিয়েছে সর্বস্ব—বিক্রি করে দিয়েছে ভিটেমাটি, নিয়েছে ঋণ, আজ তারা নিঃস্ব। চিকিৎসাও থেমে গেছে।

ঘটনার শুরুতে অন্যের সাহায্যে এগিয়ে গেলে ছুটে আসা একটি রশি ফারুকের মুখে লাগে। এরপর মুখে অস্বাভাবিক ফোলা দেখা দিলে প্রথমে ভর্তি করা হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে শের-ই-বাংলা মেডিকেলে। মুখে অপারেশন করা হলেও ক্যানসার সেখান থেকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এখন মুখের এমন অবস্থা যে, তাকে শুধুই ভাতের মার বা সুজি খাওয়ানো সম্ভব।

তার স্ত্রী মুকুল বেগম কাঁদতে কাঁদতে বলেন, “সব শেষ হয়ে গেছে। কিছুই আর হাতে নেই। এখন আর চিকিৎসাও হচ্ছে না। সরকারের কাছে সাহায্য চাই, দেশের মানুষ যদি পাশে না দাঁড়ায়, তাহলে আমার স্বামীকে বাঁচানো সম্ভব হবে না।”

বড় ছেলে আল মামুন বলেন, “আমি নিজেও দিনমজুর। বাবার চিকিৎসা করাতে গিয়ে শেষ সঞ্চয়টুকুও নেই। এখন উন্নত চিকিৎসার জন্য দরকার ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা, যা আমাদের পক্ষে একেবারেই অসম্ভব।”

এলাকার তরুণ সমাজসেবক কাইয়ুম হাওলাদার বলেন, “আমরা চেষ্টা করছি, এলাকার যুবকরা সামান্য সাহায্য দিচ্ছে। কিন্তু এই সাহায্যে কিছুই হচ্ছে না। দেশবাসী যদি পাশে দাঁড়ায়, তাহলে হয়তো ফারুক কাকার জীবন বাঁচানো সম্ভব।”

বরিশাল সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ পারভেজ জানান, “ঘটনাটি জানার পর আমরা বানারীপাড়া উপজেলা সমাজসেবা অফিসকে ব্যবস্থা নিতে বলেছি। আবেদন এলে সরকারি অনুদান দেওয়া হবে।”

বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, “ফারুক হাওলাদারের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। পরিবার যদি যথাযথভাবে আবেদন করে, তাহলে জেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সহযোগিতা দেওয়া হবে।”

মানবিক এ বিপর্যয়ের সময়ে সমাজের হৃদয়বান মানুষ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের সহানুভূতি ও সহায়তা এখন ফারুক হাওলাদারের একমাত্র আশ্রয়।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম




বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৫ হাজার ছাড়াল

বরিশাল, ১ জুলাই—বরিশাল বিভাগের সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা পাঁচ হাজার ছাড়িয়েছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর জানায়, ১ জুলাই পর্যন্ত বিভাগের সব সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন মোট ৫,০৫৯ জন রোগী। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৪,৫৭০ জন, এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪৭৭ জন এবং প্রাণ হারিয়েছেন ১২ জন।

তবে বেসরকারি হাসপাতাল ও ঢাকায় স্থানান্তরের পর মৃত্যুর ঘটনার হিসাব না থাকায় প্রকৃত সংখ্যাটা আরও বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আক্রান্তের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে বরগুনা জেলায়। সেখানে মোট ৩,০৩৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন, যাদের মধ্যে ২,৭১৭ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এবং ৬ জন মারা গেছেন। বর্তমানে সেখানে ২৩৬ জন রোগী চিকিৎসাধীন।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যা বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। মোট ভর্তি ৭৩৬ জনের মধ্যে ৬৩৭ জন সুস্থ হয়েছেন, ৯৪ জন চিকিৎসাধীন এবং মারা গেছেন ৫ জন।

পটুয়াখালী জেলার সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৫৬ জন রোগী; এদের মধ্যে ৩৮৮ জন সুস্থ, ৬৭ জন চিকিৎসাধীন এবং ১ জন মারা গেছেন। পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ১৭৮ জনের মধ্যে ১৫৭ জন সুস্থ, ২১ জন চিকিৎসাধীন।

বরিশাল জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩১৪ জন, যার মধ্যে ২৮৬ জন সুস্থ হয়েছেন এবং ২৮ জন চিকিৎসাধীন।

অন্যান্য জেলার চিত্র:

* পিরোজপুর: ২০৬ জন আক্রান্ত, ১৮৫ জন সুস্থ, ২১ জন চিকিৎসাধীন
* ভোলা: ৭৭ জন আক্রান্ত, ৭২ জন সুস্থ, ৫ জন চিকিৎসাধীন
* ঝালকাঠি: ৫৩ জন আক্রান্ত, ৪৮ জন সুস্থ, ৫ জন চিকিৎসাধীন

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, জ্বর হলে দ্রুত পরীক্ষা করিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পাশাপাশি মশা নিধন ও সচেতনতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম




ভোলায় গৃহবধূ গণধর্ষণ: প্রধান আসামিসহ আরও দুইজন গ্রেফতার

ভোলা, ৩ জুলাই—তজুমদ্দিনে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় প্রধান আসামি যুবদল কর্মী মো. আলাউদ্দিন ও শ্রমিক দল নেতা মো. ফরিদ উদ্দিনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতের অভিযানে নোয়াখালীর হাতিয়া ও ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা থেকে এই দুইজনকে আটক করা হয়। তারা মামলার এজাহারে ১ ও ২ নম্বর আসামি।

এর আগে, র‌্যাব ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মামলার ৫ নম্বর আসামিকে এবং পুলিশ ভুক্তভোগীর সতিনকে গ্রেফতার করে। এখন পর্যন্ত মোট চারজন গ্রেফতার হলেও মামলার সাত আসামির মধ্যে তিনজন এখনো পলাতক। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন তজুমদ্দিন থানার ওসি মোহাম্মদ মহব্বত খান।

ঘটনার পর ৩ জুলাই বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ভোলার পুলিশ সুপার মো. শরীফুল হক। তিনি সাংবাদিকদের জানান, “অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ভুক্তভোগী পরিবার যাতে ন্যায়বিচার পায়, সে লক্ষ্যে সব ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

প্রসঙ্গত, ১ জুলাই রাতের ঘটনায় চাঁদার দাবিতে তজুমদ্দিন উপজেলার মোল্লার পুকুর পাড় এলাকায় এক গৃহবধূর স্বামীকে আটকে রেখে তাকে মারধর করা হয় এবং ওই গৃহবধূকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। অভিযুক্তদের মধ্যে ছাত্রদল, যুবদল এবং শ্রমিকদলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা রয়েছেন।

ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগীর স্বামী সাতজনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে এবং সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।

ভোলার পুলিশ প্রশাসন আজ বিকেল ৩টায় আনুষ্ঠানিক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে মামলার অগ্রগতির বিষয়ে গণমাধ্যমকে বিস্তারিত জানাবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম




বরিশালে ইলিশের দেখা নেই, বাজারে আগুন—ভরা মৌসুমেও হতাশ জেলেরা

বরিশালে চলছে ইলিশের ভরা মৌসুম। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত ইলিশ নেই নদীতে, নেই জেলেদের জালে। প্রাকৃতিকভাবেই উৎপাদন কমে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়েছে বাজারে। দাম বেড়ে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে এই ‘জাতীয় মাছ’।

ব্যবসায়ী ও মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ মণ কম ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে, যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে কম। এর ফলে বাজারে এক কেজির ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৩৫০ টাকায় পর্যন্ত।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) বরিশাল নগরের পোর্ট রোড মোকাম ঘুরে দেখা গেছে, ভিড় থাকলেও হাত পাততে হচ্ছে হিসাব করে।

  • এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হয়েছে ২,৩৫০ টাকা
  • ৯০০ গ্রাম (এলসি) সাইজ বিক্রি হয়েছে ২,০৫০ টাকা
  • ৫০০ গ্রাম ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হয়েছে ১,৮০০ টাকা

গত বছর একই সময়ে এসব ইলিশের দাম ছিল যথাক্রমে ১,৭৫০, ১,৫৫০ এবং ১,২০০ টাকা। মানে, এক বছরের ব্যবধানে গড়ে কেজিপ্রতি ৫০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে দাম।

বরিশাল সদর, মেহেন্দীগঞ্জ, হিজলা, বাকেরগঞ্জসহ আশপাশের নদী-বেষ্টিত অঞ্চলের জেলেরা জানাচ্ছেন, নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পরও কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে ইলিশ পাচ্ছেন না। চন্দ্রমোহনের জেলে আ ছালাম বলেন,

“কালাবদর নদীতে গত কয়েকদিনে কিছু ইলিশ ধরা পড়েছে, তবে পরিমাণে অনেক কম।”

মেহেন্দীগঞ্জের উলানিয়ার জেলে আনিছ মাঝি বলেন,

“একদিকে দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা, অন্যদিকে এখন ভরা মৌসুমে ইলিশ নেই। সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে।”

বরিশাল বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক আলফাজ উদ্দিন শেখ বলেন,

“নদীর চ্যানেলে যদি নাব্যতা কমে যায়, তাহলে ইলিশের গতিবিধিতে সমস্যা হয়। এছাড়া জাটকা ধরা ও ডিমওয়ালা মাছ না রক্ষা করাও ইলিশ সংকটের কারণ হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন,

“দামের পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে—পরিবহন ব্যয়, চাহিদা-বর্ধন কিংবা অসাধু ব্যবসায়ীদের মজুতদারিও অন্যতম। বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।”

ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টি আর নদীতে ঢেউয়ের মাঝে এখনো জেলেরা জাল ফেলছেন কীর্তনখোলা, মেঘনা, তেঁতুলিয়া, কালাবদর, সন্ধ্যা, সুগন্ধ্যা, আড়িয়াল খাঁ নদীতে। মাঝে মাঝে বড় ইলিশ ধরা পড়ছে ঠিকই, তবে মোট উৎপাদন আশানুরূপ নয়।

বরিশালের হিজলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম বলেন,

“বর্তমানে যে ইলিশ ধরা পড়ছে, তার আকার গড়ে ৭০০ গ্রাম থেকে ১ কেজির মধ্যে। তবে দাম বৃদ্ধির বাস্তবতা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।”

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /

 




বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ১৯ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত

বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আবুল খায়ের আবদুল্লাহ ওরফে খোকন সেরনিয়াবাতসহ ১৯ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগের প্রেক্ষিতে এসব কর্মকর্তার ব্যক্তিগত নথি এবং সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি চেয়ে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) দুদকের বরিশাল কার্যালয় থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। সংশ্লিষ্টদের মধ্যে রয়েছেন সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাবেক সচিব।

কারা আছেন তদন্তের আওতায়?

তদন্ত তালিকায় রয়েছে:

  • উচ্ছেদ শাখার প্রধান স্বপন কুমার দাস
  • সার্ভেয়ার তাপস, নাছির, মশিউর
  • আর্কিটেক্ট সাইদুর
  • জনসংযোগ কর্মকর্তা রোমেল
  • প্রশাসনিক কর্মকর্তা লকিতুল্লাহ
  • সম্পত্তি শাখার ফিরোজ ও মাহবুবুর রহমান শাকিল
  • প্ল্যান শাখার লোকমান ও কালটু
  • হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মশিউর রহমান
  • বাজার সুপারিনটেনডেন্ট নুরুল ইসলাম
  • ট্রেড লাইসেন্স সুপারিনটেনডেন্ট আজিজুর রহমান
  • উপসহকারী প্রকৌশলী এইচ এম কামাল ও সাইফুল ইসলাম মুরাদ
  • তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির
  • সাবেক সচিব মাছুমা আক্তার

কী ধরনের নথি চাওয়া হয়েছে?

দুদক চেয়েছে সংশ্লিষ্টদের নাম, পদবি, বিভাগ, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, মোবাইল নম্বরসহ ব্যক্তিগত তথ্য সংবলিত নথিপত্র।
এছাড়াও চাওয়া হয়েছে বিভিন্ন নিয়োগ সংক্রান্ত রেকর্ড, সম্পত্তি ও অর্থ বরাদ্দ সংক্রান্ত তথ্য, যেমন:

  • দীঘির মালিকানা ও বালু ভরাট সংক্রান্ত নথি
  • ঈদ উপলক্ষে ব্যানার তৈরির জন্য বরাদ্দকৃত ১৩ লাখ টাকার হিসাব
  • খোকন সেরনিয়াবাতের ফেসবুক পেজ বুস্টিংয়ের বরাদ্দকৃত ১.৫৮ লাখ টাকার রেকর্ড
  • ল্যাপটপ, ড্রোন, ফার্নিচার, মনিটরসহ প্রায় ৫০ লাখ টাকার কেনাকাটার কাগজপত্র

কী বলছে দুদক?

দুদক সূত্রে জানা যায়, কিছু কিছু নথি ইতোমধ্যে জমা পড়েছে, তবে অধিকাংশ এখনো মেলেনি। অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য গ্রহণের জন্যও পৃথক চিঠি পাঠানো হয়েছে।

দুদক পরিচালক মোজাহার আলী সরদার জানান, “সাবেক মেয়র ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান রয়েছে। বর্তমানে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ চলছে, তাই বিস্তারিত মন্তব্য করা যাচ্ছে না।”

অভিযোগ কী?

অভিযোগে বলা হয়, মেয়রের নেতৃত্বে কর্মকর্তাদের যৌথ কারসাজিতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়। নিয়োগে অনিয়ম, ঘুষ, সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে অবৈধ অর্থ গ্রহণসহ নানা দুর্নীতি হয়েছে।

বিশেষভাবে অভিযুক্ত উচ্ছেদ শাখার প্রধান স্বপন কুমার দাস—যিনি প্রকৃতপক্ষে পরিসংখ্যানবিদ—সাবেক মেয়রের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে দুর্নীতির মূল ভূমিকা পালন করেন। ২০২১ সালের বরিশাল সংঘর্ষ মামলার আসামিও তিনি। তার বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

তবে স্বপনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, জনসংযোগ কর্মকর্তা রোমেল বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে দুদকের একটি চিঠি পেয়েছি। দ্রুত প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়া হবে। তবে অন্যদের ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।”

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম 

 

 




কুড়িগ্রামে এনসিপির পথসভা ; কঠোর হুশিয়ারি হাসনাত আবদুল্লার

“নতুন বাংলাদেশে আর কোনো চাঁদাবাজি, দুর্নীতি বা দখলবাজির জায়গা নেই” — কুড়িগ্রামে এক পথসভায় এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

বুধবার (২ জুলাই) দুপুরে এনসিপির ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে কুড়িগ্রাম শহরের ঘোষপাড়ার মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি ফলকের সামনে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

পুলিশ বাহিনীর উদ্দেশে বক্তব্যে হাসনাত বলেন, “আওয়ামী লীগ পুলিশকে দলীয় বাহিনীতে রূপ দিতে চেয়েছিল, আর তার পরিণতি দেশবাসী দেখেছে। আমরা চাই পুলিশ গণতান্ত্রিক হোক, জনগণের পুলিশ হোক। এনসিপি কোনো রাজনৈতিক পুলিশ চায় না, আমাদের বিশ্বাস জনতাই আসল ক্ষমতা।”

তিনি আরও বলেন, “পটিয়ার ঘটনা যদি পুনরাবৃত্তি হয়, তাহলে ৫ আগস্টের পুনরাবৃত্তিও অনিবার্য। আমাদের স্বাধীনতা ছিল না, কিন্তু নতুন বাংলাদেশে কোনো চাঁদাবাজি বরদাশত করা হবে না। দুর্নীতিবাজদেরও কোনো প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।”

আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের রাস্তায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, আলেমদের দাড়ি ধরে টেনে বের করে দেওয়া হয়েছে মসজিদের মিম্বর থেকে। আলেমদের কাছ থেকে মাইক কেড়ে নেওয়া হয়েছে—এমন বাংলাদেশ আর হতে দেওয়া যাবে না।”

পথসভায় এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন বলেন, “আমরা ঢাকাকেন্দ্রিক রাজনীতি করতে চাই না। আমাদের লক্ষ্য সারাদেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় সংগঠন গড়ে তোলা। জনগণের সহযোগিতায় আমরা এই রাষ্ট্রের পুনর্গঠনের দায়িত্ব নিয়েছি।”

সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা বলেন, “জেলার মানুষের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ছুটতে হবে না—এমন ব্যবস্থা গড়তে হবে। রাজারহাটে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন, যাতে এখানকার শিক্ষার্থীরা নিজ জেলাতেই উচ্চশিক্ষা নিতে পারে।”

এ সময় দলের উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, “যারা চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, ক্ষমতার অপব্যবহার, মামলা বাণিজ্য ও লুটপাটে জড়িত, তারা যেন আপনাদের নেতা না হয়। কুড়িগ্রামের সংগ্রামী মানুষের শক্তিই হবে নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি।”

পথসভা শেষে এনসিপির নেতারা কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর উদ্দেশে রওনা দেন, যেখানে কর্মসূচির পরবর্তী সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।




বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন

২০২৬ এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে প্রথমবারের মতো জায়গা করে নেওয়ায় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার (২ জুলাই) রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় তিনি এই শুভেচ্ছা জানান।

স্বাগতিক মিয়ানমারকে হারিয়ে নারী এশিয়ান কাপ ফুটবলে এক পা দিয়ে রেখেছিল বাংলাদেশ। গ্রুপের অন্য ম্যাচে বাহরাইন-তুর্কমেনিস্তান ২-২ গোলে ড্র করেছে। এতে সি গ্রুপ থেকে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ফলে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল এশিয়া কাপের মূল পর্বে খেলবে। আগামী বছর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বসবে এই আসর।

প্রধান উপদেষ্টা বার্তায় বলেন, “এই সাফল্য শুধু নারী ফুটবলের নয়, বরং গোটা জাতির জন্য গর্বের বিষয়। এটি আমাদের দেশের সম্ভাবনা, প্রতিভা এবং অদম্য চেতনার এক অনন্য নিদর্শন।”

তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই অর্জন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পাবে।