ঝালকাঠিতে প্রবাসীদের শীতবস্ত্র বিতরণে স্বস্তি পেল অসহায়রা

তীব্র শীতে অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সামাজিক সংগঠন বাংলাদেশ ইউনিটি ফেডারেশন অব লস অ্যাঞ্জেলেস (বাফলা)। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বেরমহল হাচান মেমরিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে কয়েকশ’ অসহায় নারী ও পুরুষের মাঝে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ করা হয়।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক লস্করের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “বিদেশের মাটিতে থেকেও প্রবাসীরা নিজ এলাকার অসহায় মানুষের জন্য এগিয়ে আসছে। এই মানবিক উদ্যোগ দেশপ্রেম ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। শীতের কঠিন প্রকোপ থেকে অসহায় নারী-পুরুষরা কিছুটা হলেও স্বস্তি অনুভব করবে।”

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তৌহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট আক্কাস আলী সিকদার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন চাখার ফজলুল হক ইনস্টিটিউটের সহকারী শিক্ষক আব্দুল হালিম লস্কর।

শীতবস্ত্র বিতরণে সহায়তা করেন মার্কিন প্রবাসী ও সময় টিভির যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি লস্কর আল মামুন। প্রবাসীদের এই উদ্যোগে এলাকার অসহায় মানুষরা শীতের তীব্রতা থেকে সাময়িক স্বস্তি পেতে সক্ষম হয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




নির্বাচনে পক্ষপাত দেখলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন কঠোর অবস্থান নেবে। রবিবার সকালে নগরীর সার্কিট হাউস মিলনায়তনে জেলা আইনশৃঙ্খলা, ভিজিলেন্স ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে এক সমন্বয় সভায় নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এই হুঁশিয়ারি দেন।

তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় কেউ যদি তার ব্যক্তিগত পছন্দ বা পক্ষপাতিত্বের কারণে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হন, তা প্রমাণিত হলে তার পরিণতি কঠোর হবে। ভোটাধিকার সংরক্ষণে কমিশন সবকিছুকে খোলামেলাভাবে পর্যবেক্ষণ করবে এবং অন্যায় বা পক্ষপাতিত্বের প্রমাণ মিডিয়ায় প্রকাশ করতে পিছপা হবে না।

ইসি সানাউল্লাহ আরও বলেন, “নির্বাচনে সকলকে সমানভাবে আচরণ করতে হবে। আমাদের কাছে কোন প্রার্থী বড় বা ছোট, হেভি ওয়েট বা লাইট ওয়েট নয়। দায়িত্ব পালনে শতভাগ পেশাদারিত্ব দেখাতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দৃঢ় থাকলে কেউ সুযোগ নিতে পারবে না, তবে মধ্যপন্থা অবলম্বন করতেই হবে।”

তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সতর্ক করে বলেন, ভোটগ্রহণে কোনো অনিয়ম, জালিয়াতি বা পক্ষপাত ধরা পড়লে তা সহজভাবে বরদাস্ত করা হবে না। এই বিষয়ে কমিশন কঠোর অবস্থান নেবে।

সভায় রিটার্নিং অফিসার সভাপতিত্ব করেন। জেলার পুলিশ সুপারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




কলাপাড়ায় স্ত্রীর সঙ্গে অভিমানে যুবকের আত্মহত্যা

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে এক যুবক ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টায় টিয়াখালী ইউনিয়নের নাচনাপাড়া গ্রামের ভাড়াটিয়া বসতঘর থেকে যুবকটির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মরদেহের পরিচয় পাওয়া গেছে ওমর ফারুক ওরফে বায়জিদ (২১) হিসেবে। তিনি ইউনিয়নের রজপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে এবং পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী ছিলেন। প্রায় এক বছর আগে একই ইউনিয়নের ইটাবাড়িয়া গ্রামের নাহিদা আক্তারের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তাদের বিয়ে হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত সপ্তাহে বায়জিদের স্ত্রী নাহিদা নিখোঁজ হয়ে যান। এ ঘটনায় বায়জিদ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরীও করেছেন। এলাকাবাসী ধারণা করছেন, স্ত্রী পরকীয়ায় লিপ্ত হয়ে অন্যের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বুঝতে পেরে বায়জিদ অভিমান করে আত্মহত্যা করেছেন।

কলাপাড়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম জানিয়েছেন, “লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বরিশালে দেশি অস্ত্রসহ যুবদল নেতা আটক

বরিশালের হিজলা উপজেলায় দেশি অস্ত্রসহ এক যুবদল নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। পরে তাকে পুলিশের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সেনাবাহিনীর হিজলা ক্যাম্প শনিবার (৩১ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ভোররাত ৩টার দিকে মেজর কাজী জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ৬০ সদস্যের একটি দল উপজেলার চর কুশরিয়া গ্রামে অভিযান চালায়। অভিযানে ১২টি দেশি ধারালো অস্ত্র, একটি চায়নিজ কুড়াল ও তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

এ সময় যুবদল নেতা মোস্তফা সিকদারকে (৫০) আটক করা হয়। তিনি চর কুশরিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত আব্দুর রহমান সিকদারের ছেলে। এছাড়া তিনি হিজলা-গৌরবদী ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

হিজলা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আনিসুর রহমান জানান, এ ঘটনায় পুলিশ মামলা দায়ের করবে এবং ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পিরোজপুরের তিন আসনে ভোটের অঙ্ক

বরিশাল বিভাগের নদীবেষ্টিত জেলা পিরোজপুরে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনীতির মাঠে তৈরি হয়েছে নতুন সমীকরণ। ঝড়, বন্যা ও নদীভাঙনের সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকা এই জেলার মানুষ এখন ভোটের হিসাব কষছেন। আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে পিরোজপুরের তিনটি আসনেই এবার মূল লড়াই হতে যাচ্ছে বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে।

জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট ১৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত হাট-বাজার, চায়ের দোকান, গ্রাম-গঞ্জ—সবখানেই ভোটের আলোচনা। প্রার্থীদের পাশাপাশি কর্মী-সমর্থকরাও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন।


পিরোজপুর–১ : বিএনপি–জামায়াতের হেভিওয়েট লড়াই

সদর উপজেলা, নাজিরপুর ও ইন্দুরকানী উপজেলা নিয়ে গঠিত পিরোজপুর–১ আসনের মোট ভোটার ৩ লাখ ৯২ হাজারের বেশি। এই আসনে এবার সরাসরি মুখোমুখি লড়াই হচ্ছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে।

ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মাঠে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক প্রিন্সিপাল আলমগীর হোসেন। অপরদিকে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মাসুদ সাঈদী

নাজিরপুর উপজেলায় বিপুলসংখ্যক ভোটার ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ভোট এখানে জয়-পরাজয়ের বড় নিয়ামক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই উপজেলার ভোট যেদিকে যাবে, ফলাফলও সেদিকেই ঝুঁকবে। সদর ও পৌর এলাকায় বিএনপি প্রার্থীর শক্ত ভোটব্যাংক থাকলেও, ইন্দুরকানীতে জামায়াত প্রার্থীর পারিবারিক ও সাংগঠনিক প্রভাবও কম নয়। ফলে আসনটি নিয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত উত্তেজনা থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


পিরোজপুর–২ : ত্রিমুখী লড়াইয়ে মূল দ্বন্দ্ব বিএনপি ও জামায়াত

কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ উপজেলা নিয়ে গঠিত পিরোজপুর–২ আসনের ভোটার সংখ্যা চার লাখের বেশি। এখানে প্রার্থী রয়েছেন সাতজন।

জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরেই প্রচারে আছেন শামীম সাঈদী। অন্যদিকে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী হয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতা আহম্মদ সোহেল মনজুর। এছাড়া জাতীয় পার্টি ও একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী মাঠে থাকায় এই আসনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

তবে স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শেষ পর্যন্ত মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যেই। দিন যত গড়াচ্ছে, প্রচারণার উত্তাপও তত বাড়ছে।


পিরোজপুর–৩ : বিএনপি এগিয়ে, ইসলামী আন্দোলনের চ্যালেঞ্জ

মঠবাড়িয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত পিরোজপুর–৩ আসনের ভোটার সংখ্যা প্রায় ২ লাখ ৪১ হাজার। এখানে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপির প্রার্থী রুহুল আমিন দুলাল দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতা হিসেবে এলাকায় বেশ জনপ্রিয়। তার বিপরীতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী রুস্তম আলী ফরাজী শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। এছাড়া জাতীয় পার্টি ও অন্যান্য দলের প্রার্থীরাও মাঠে রয়েছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আসনে বিএনপি কিছুটা এগিয়ে থাকলেও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী শেষ মুহূর্তে সমীকরণ বদলে দিতে পারেন।


সব মিলিয়ে পিরোজপুরের তিনটি আসনেই ভোটের লড়াই জমে উঠেছে। একটিতে বিএনপি তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও, বাকি দুই আসনে জামায়াতের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে—এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় রাজনীতি সংশ্লিষ্টরা।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




প্রতিশ্রুতির ঝুলি নিয়ে মাঠে প্রার্থীরা, সরগরম বরিশাল–৫

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশাল–৫ আসনে নির্বাচনী প্রচারণা এখন তুঙ্গে। উন্নয়ন পরিকল্পনা, রাজনৈতিক দর্শন ও প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে ভোটারদের মন জয় করতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও পথসভায় মুখর হয়ে উঠেছে নগরীর পাড়া-মহল্লা।

নির্বাচনী মাঠে এই আসনে মূলত তিন প্রার্থীর সক্রিয় প্রচারণা চোখে পড়ছে। প্রতিদিনই তারা নিজ নিজ কর্মসূচি ও অঙ্গীকার তুলে ধরে ভোটারদের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে নগরীর কাশিপুর এলাকায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বরিশাল–৫ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে ঘরে ঘরে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেন। এ সময় তিনি এলাকার উন্নয়ন, নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি ও জনস্বার্থে কাজ করার আশ্বাস দেন।

অন্যদিকে, সকালে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মনোনীত প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্তী নগরীর সদর রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ চালান। তিনি সাধারণ মানুষের কাছে তার রাজনৈতিক আদর্শ, গণতান্ত্রিক কর্মসূচি ও জনবান্ধব রাজনীতির কথা তুলে ধরে ভোট চান।

এ ছাড়া সকাল ১০টার দিকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় গণসংযোগ করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত বরিশাল–৫ ও ৬ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম (শায়খে চরমোনাই)। এ সময় তিনি বরিশালকে ন্যায়ভিত্তিক, দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার তুলে ধরেন ভোটারদের সামনে।

প্রার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন ওয়ার্ড ও পাড়া-মহল্লায় তাদের সমর্থকরাও মাইকিং, লিফলেট বিতরণ ও দলীয় প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। সব মিলিয়ে দিন যতই এগোচ্ছে, বরিশাল–৫ আসনের নির্বাচনী মাঠ ততই উত্তপ্ত ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




পুলিশ ফাঁড়িতে তালাবদ্ধ হয়ে থাকছে সদস্যরা: ব্যারিস্টার ফুয়াদ

বরিশাল-৩ আসনে নির্বাচনী পরিবেশ ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ করেছেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তিনি দাবি করেন, ভোটারদের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং নারী কর্মী ও সমর্থকদের নানাভাবে হুমকি ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রহমতপুর বাজার এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, তিনি এমন সব এলাকায় গণসংযোগ করছেন, যেখানে আগে কোনো প্রার্থী পৌঁছাননি। ভোটারদের কাছ থেকেই তিনি শুনেছেন—তাদের এলাকায় এই প্রথম কোনো প্রার্থী সরাসরি এসেছেন। এভাবেই তিনি জনগণের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন বলে জানান।

তিনি বলেন, ভোটারদের প্রধান উদ্বেগ নিরাপত্তা নিয়ে। তারা জানতে চাইছে—ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবে কি না এবং ভোট দেওয়ার পর এলাকায় নিরাপদে থাকতে পারবে কি না। এই অনিশ্চয়তা গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য বড় হুমকি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ব্যারিস্টার ফুয়াদের অভিযোগ, একটি বড় রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠী এলাকায় সন্ত্রাস ও আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। তারা মূলধারার রাজনৈতিক কর্মী নয়; বরং হাইব্রিড অপরাধী ও গ্যাংস্টার। এরা ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে নিরুৎসাহিত করছে এবং নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দিলে বিপদের হুমকি দিচ্ছে।

তিনি দাবি করেন, মুলাদীর একাধিক এলাকায় তাঁর জোটের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে নারী ভোটার ও নারী কর্মীদের লক্ষ্য করে ভয়াবহ হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ধর্ষণ, শারীরিক নির্যাতন, এলাকা ছাড়া করা ও মিথ্যা মামলা দেওয়ার ভয় দেখানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে সংখ্যালঘু পরিবারগুলোকেও হয়রানি করা হচ্ছে বলে জানান।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরও বলেন, ভোটকেন্দ্র দখল ও ভোটারদের ভয় দেখানো চক্রের সদস্যদের নাম ও ছবি সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থার কাছে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, ভোটকেন্দ্রের আধা কিলোমিটারের মধ্যে কোনো বেআইনি তৎপরতা দেখা দিলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মুলাদীর বাটামারা ও ছবিপুর এলাকায় বোমা বিস্ফোরণের প্রস্তুতির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এসব এলাকায় সন্ধ্যার পর পুলিশ সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতার কারণে দরজা-জানালা বন্ধ করে ফাঁড়িতে বসে থাকতে বাধ্য হচ্ছে। তাঁর মতে, যৌথ বাহিনীর সমন্বিত অভিযান ছাড়া এসব এলাকায় নির্ভয়ে ভোটগ্রহণ সম্ভব নয়।

ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর বিষয়ে তিনি বলেন, এই আসনের অনেক ভোটকেন্দ্রই অত্যন্ত স্পর্শকাতর। এমন পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বিত ব্যবহারের এখতিয়ার সরকারের রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর আহ্বান জানান।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে দুমকিতে যুবদলের নির্বাচনী কর্মশালা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালী-১ (মির্জাগঞ্জ, দুমকি ও পটুয়াখালী সদর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বিজয় নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করেছে কেন্দ্রীয় যুবদল। এরই ধারাবাহিকতায় দুমকি উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী কর্মশালা।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে দুমকি উপজেলা বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয়ে আয়োজিত এ কর্মশালায় উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবদলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচনী প্রচার টিমের সমন্বয়ক সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান রুমী।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাচনী প্রচার টিমের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট এবিএম মহসিন বিশ্বাস, খন্দকার মো. রিয়াজ, অ্যাডভোকেট এম. এ. মজিদ (মানিক) এবং সাইফ খান মিজান। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় যুবদল, বিএনপি এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচনী টিমের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা কর্মশালায় অংশ নেন।

আলোচনায় বক্তারা নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংগঠনিক প্রস্তুতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানো, কেন্দ্রভিত্তিক শক্তিশালী টিম গঠন, ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি মেনে প্রচারণা পরিচালনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বক্তারা বলেন, জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় শান্তিপূর্ণ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও দায়িত্বশীলভাবে মাঠে কাজ করাই যুবদলের প্রধান দায়িত্ব।

কর্মশালায় আরও বলা হয়, পটুয়াখালী-১ আসনে ধানের শীষের পক্ষে জনমত ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে। এখন প্রয়োজন সংগঠিত প্রচেষ্টা ও ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের মাধ্যমে সেই জনসমর্থনকে ভোটে রূপান্তর করা। এজন্য প্রতিটি ওয়ার্ড ও কেন্দ্রভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন করে নেতাকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।

শেষে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সঠিক কৌশল, দলীয় ঐক্য এবং ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে পটুয়াখালী-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ঝালকাঠি জামায়াতের কর্মীর ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়াকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী আব্দুল করিম শিকদারের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্যজোটের নেতাকর্মীরা। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে রাজাপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

বিকেলে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি রাজাপুর বাইপাস সড়কসহ উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদের সামনে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা নির্বাচনী পরিবেশে সহিংসতা বন্ধ, দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা কবির হোসেন। তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় একজন কর্মীর ওপর হামলা গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারকে সরাসরি বাধাগ্রস্ত করার শামিল। এ ধরনের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বানী পত্রিকার প্রকাশক অ্যাডভোকেট শাহ আলম, এনসিপির উপজেলা সমন্বয়ক শাকিল আহমেদ, মুখ্য সমন্বয়ক তানিম আহমেদ, এনসিপির যুব সংগঠনের কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক বদিউন নবি পলাশ এবং ইসলামী ছাত্র শিবিরের জেলা সভাপতি এনামূল ইসলাম। বক্তারা বলেন, হামলার ঘটনার পরও অভিযুক্ত ব্যক্তি রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে এখনো গ্রেপ্তার এড়িয়ে চলছেন, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

বক্তারা অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত বিএনপির যুবদল নেতা ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি বাচ্চু হাওলাদারের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। অবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা। একই সঙ্গে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এই হামলার ঘটনার বিচার নিশ্চিত না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

সমাবেশে নেতারা বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে নির্বাচনী মাঠে সব দলের জন্য সমান সুযোগ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় সহিংসতা ও ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি হলে সাধারণ ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যেতে নিরুৎসাহিত হবে, যা গণতন্ত্রের জন্য হুমকি।

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, নির্বাচনের সময় এ ধরনের হামলা রাজাপুরসহ আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। তারা দ্রুত দোষীদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ধৈর্যের বার্তা নুরের, সহিংসতার রাজনীতি চান না

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা-গলাচিপা) আসনে নির্বাচনী উত্তাপ বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে বিএনপি দলীয় জোট সমর্থিত গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী নুরুল হক নুর স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না এবং সহিংসতার পথেও হাঁটতে চান না।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল চারটার দিকে দশমিনা উপজেলার আলীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন নুরুল হক নুর। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি বলেন, চাইলে তিনি শক্ত প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারতেন, তবে সচেতনভাবে ধৈর্য ও সংযমের পথ বেছে নিয়েছেন। তার ভাষায়, তিনি কোনো সংঘাত বা প্রতিশোধের রাজনীতি চান না।

জনসভায় নুরুল হক নুর অভিযোগ করেন, আগের দিন গলাচিপা উপজেলার বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নে ট্রাক প্রতীকের একটি মিছিল চলাকালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের সমর্থকেরা বাধা সৃষ্টি করে। এ সময় তার কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে তিনি দাবি করেন। নুরের বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও পরিস্থিতি কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনাকর হয়ে ওঠে।

নির্বাচনী বাস্তবতা ও সমীকরণ তুলে ধরে নুর বলেন, পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির কোনো আলাদা প্রার্থী নেই। বিএনপি দলীয়ভাবে তাকে সমর্থন দিয়েছে এবং তিনি বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের যৌথ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন। তিনি দাবি করেন, এই আসনে জোটের প্রার্থীর বিজয়ই জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রসঙ্গ টেনে নুরুল হক নুর বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না এলে এলাকার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ব্যাহত হবে। তিনি বলেন, এই নির্বাচন শুধু ব্যক্তি বা দলের নয়, এটি এলাকার ভবিষ্যৎ নির্ধারণের নির্বাচন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনকে ইঙ্গিত করে নুরুল হক নুর বলেন, ভোটের মাধ্যমে জনগণই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে কে এমপি হবেন। হুমকি, ভয়ভীতি বা চাপ প্রয়োগ করে ভোট আদায় সম্ভব নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিনি নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘিত হলে প্রার্থিতা বাতিল হওয়ার মতো কঠোর সিদ্ধান্তও আসতে পারে।

জনসভায় নুরুল হক নুর শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন আয়োজনের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত হলে জনগণ নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে এবং প্রকৃত জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম