‘ফলাফল পুনর্মূল্যায়ন করুন’— শাহবাগে উত্তাল চাকরি প্রার্থীরা

৪৪তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল পুনর্বিবেচনার দাবিতে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন চাকরিপ্রার্থী একদল বিক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থী। শুক্রবার (৪ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে তারা এ কর্মসূচি শুরু করেন, যার ফলে শাহবাগ ও আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, প্রতিবারের মতো এবারও চূড়ান্ত ফল ঘোষণার আগে অতিরিক্ত পদ সংযোজনের কথা থাকলেও তা করা হয়নি। তাদের দাবি, সাধারণত প্রতি বিসিএসে ৪০০ থেকে ৫০০টি অতিরিক্ত পদ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। জেলা প্রশাসন থেকে অতিরিক্ত পদ সুপারিশ করা হলেও তা প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে আটকে আছে বলে জানান তারা।

একজন চাকরিপ্রার্থী বলেন, “এবার প্রায় ৬০ শতাংশ পদ পুনরায় সুপারিশ করা হলেও, সেগুলো চূড়ান্ত ফলাফলে যুক্ত করা হয়নি। এসব পদ ফাঁকা থাকার কথা নয়, অথচ তা হিসাবের বাইরে রেখে ফল প্রকাশ করা হয়েছে।”

বিক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা দাবি জানান, ৪৪তম বিসিএসের ফলাফল পুনরায় মূল্যায়ন করে তা নতুন করে প্রকাশ করতে হবে।

এদিকে, অবরোধের কারণে শাহবাগ এলাকায় যান চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।




‘মাসুদ আমার মৃত্যুর জন্য তুমি দায়ী’— চিরকুট লিখে স্কুলশিক্ষিকার আত্মহত্যা

টাঙ্গাইলের মধুপুরে হৃদয়বিদারক এক ঘটনা ঘটেছে। প্রেমে প্রতারণা ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন লাকী আখতার (২৬) নামের এক স্কুলশিক্ষিকা। মৃত্যুর আগে তিনি লিখে গেছেন এক করুণ ডায়েরি, যেখানে সহকর্মী ইবনে মাসুদের বিরুদ্ধে তার জীবন ধ্বংসের অভিযোগ তুলেছেন।

লাকী আখতার মধুপুর উপজেলার কেউটাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। ২০২৩ সালে উচ্চশিক্ষা শেষ করে শিক্ষকতা পেশায় যোগ দেন তিনি। পরিবার জানায়, ২০২৪ সালে প্রশিক্ষণের সময় ইবনে মাসুদের সঙ্গে পরিচয় হয় লাকীর। সেই পরিচয় ঘনিষ্ঠতায় গড়ায়। মাসুদ বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। কিন্তু যখন লাকী বিয়ের জন্য চাপ দেন, তখন মাসুদ জানান, তিনি আগে থেকেই বিবাহিত এবং তার সন্তান রয়েছে। এতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন লাকী।

গত ২৪ জুন রাতে তিনি নিজ ঘরে কীটনাশক পান করেন। পরে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৭ জুন তার মৃত্যু হয়।

লাকীর পরিবারের দাবি, মৃত্যুর আগে তিনি পাঁচ পাতার একটি ডায়েরিতে স্পষ্টভাবে প্রতারণা ও মানসিক নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে আত্মহত্যার সিদ্ধান্তের কথা লিখে যান। তার ডায়েরিতে লেখা ছিল, “তুমি চেয়েছো আমি মরে যাই, আর তুমি জগৎ সংসারে ভালো থাকো। আমি এখন পোকা মারার বিষ খাবো। আমার মৃত্যুর জন্য তুমি দায়ী।”

এ ঘটনায় ২৮ জুন লাকীর বাবা ইবনে মাসুদের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকেই অভিযুক্ত মাসুদ পলাতক। সহকর্মীরা জানান, খবর পাওয়ার পর থেকেই তিনি গা ঢাকা দিয়েছেন।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। লাকীর সহকর্মী শিক্ষক, এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন।

মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইমরানুল কবীর বলেন, অভিযুক্ত ইবনে মাসুদকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম

 




বরিশালে আকাশছোঁয়া ইলিশের দাম, বিপাকে ক্রেতারা

শুক্রবার (৪ জুলাই) বরিশাল নগরীর পোর্ট রোড পাইকারি মাছ বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহিক ছুটির দিনেও বাজারে ইলিশের সরবরাহ কম এবং দাম অস্বাভাবিকভাবে চড়া। মৌসুমি সময় হলেও ইলিশের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। হাতে গোনা কয়েকটি দোকানে পাওয়া গেলেও সেখানে আকারভেদে প্রতি মণে দাম বেড়েছে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত।

বর্তমানে পাইকারি বাজারে ১২০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ১০ হাজার টাকায়, ১ কেজির ইলিশ ১ লাখ টাকা এবং ৭০০-৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৯৪ হাজার টাকায়। এই ঊর্ধ্বগতির প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও। সেখানে ১২০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৭০০ থেকে ২৮০০ টাকায়, ১ কেজির ইলিশ ২৫৫০ থেকে ২৬০০, ৭০০-৯০০ গ্রাম ইলিশ ২৩৫০ থেকে ২৪০০ এবং ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ২০০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ইলিশের চড়া দামের কারণে ভোক্তারা পড়েছেন চরম অস্বস্তিতে। বাজারে আসা অনেকেই বলছেন, এমন দাম মানুষের নাগালের বাইরে। অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, নদীর মাছের সরবরাহ একেবারেই কম, তাই বাধ্য হয়েই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

এছাড়া চাষের মাছের দামেও দেখা দিয়েছে উর্ধ্বগতি। সরবরাহ কম থাকায় রুই ও কাতল মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ২৫০, পাঙাস ১৬০ থেকে ১৭০, বড় পোয়া মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ এবং চিংড়ি ৭০০ থেকে ১৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

জেলের জালে মাছ কম থাকায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম




আগামীতে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কোনো অস্তিত্ব  থাকবে না : আসাদুজ্জামান রিপন

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেছেন, আওয়ামী লীগ জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ার কারণে স্বাভাবিক গতিতেই রাজনীতি থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। তিনি বলেন, “ভবিষ্যতে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ বলে কোনো রাজনৈতিক দল থাকবে না।”

শুক্রবার (৪ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তৃণমূল নাগরিক আন্দোলন আয়োজিত প্রতীকী ‘তারুণ্য সমাবেশ’-এ তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে মূল দাবি ছিল—আওয়ামী লীগের দোসরদের গ্রেপ্তার এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি।

ড. রিপন বলেন, “আওয়ামী লীগ ভুল রাজনীতি করেছে, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করেছে, লুটপাট করেছে এবং জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। ফলে তারা বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে হারিয়ে যাবে। নিষিদ্ধ না করলেও জনগণই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছি। আমাদের এই বিজয়ের মূল লক্ষ্য ছিল—একটি গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা। যেখানে প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রী বা সরকারি কর্মকর্তারা মোগল সম্রাটের মতো আচরণ করবেন না, বরং থাকবেন জবাবদিহির আওতায়।”

সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতি প্রসঙ্গে কড়া ভাষায় সমালোচনা করে তিনি বলেন, “১৪ হাজার টাকা বেতনের একজন কর্মচারী ঢাকায় একাধিক বাড়ির মালিক হয়, সন্তানদের বিদেশে পড়ায়—এই চুরি ধরা না হলে রাষ্ট্র কখনো জবাবদিহিমূলক হবে না।”

বিএনপির এই নেতা আরও অভিযোগ করেন, ২০০৮-০৯ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ভারতের ‘করদ রাজ্যে’ পরিণত করার একটি পরিকল্পিত উদ্যোগ ছিল। তার মতে, ১/১১ পরিস্থিতি সৃষ্টি, এবং পরবর্তী নির্বাচনগুলো ছিল গণতন্ত্র ধ্বংসের অংশ। তিনি বলেন, “২০০৮ সালের নির্বাচন ছিল শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনার মহা-পরিকল্পনার ফল।”

তিনি দাবি করেন, ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪—এই তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনে ডিসি, এসপি, ইউএনওসহ আমলারা রাতের ভোট দিনে করে দিয়েছে। তারা এখনো প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল আছেন। রিপন বলেন, “যারা জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে, তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।”

তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আওয়ামী লীগপন্থী আমলাদের প্রশাসন ও সচিবালয় থেকে সরিয়ে দিতে হবে। দেশে বহু যোগ্য তরুণ বেকার অবস্থায় রয়েছে—তাদের সুযোগ দিতে হবে।”

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন তৃণমূল নাগরিক আন্দোলনের সভাপতি মফিজুর রহমান লিটন। এতে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন বুলু, রহিমা শিকদার প্রমুখ।

এই সমাবেশে বিএনপি নেতারা সরকারের অতীত নির্বাচন ও আমলাতন্ত্রের ভূমিকায় কড়া সমালোচনা করে প্রশাসনিক সংস্কারের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।




‘পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে ভোট ডাকাতি বা একক কর্তৃত্ব কোনোটিই থাকবে না’ : গোলাম পরওয়ার

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিক্রিয়াশীল একক কর্তৃত্ব এড়াতে প্রতিনিধিত্বমূলক (PR) পদ্ধতির নির্বাচন চালুর দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, “পিআর পদ্ধতিতে কেউ একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না। এতে জনগণের প্রকৃত মতামতের প্রতিফলন ঘটে এবং ভোট ডাকাতির সুযোগ থাকে না।”

বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর কাকরাইলস্থ ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ জামায়াতের সাংগঠনিক থানা ও বিভাগীয় দায়িত্বশীলদের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

গোলাম পরওয়ার বলেন, “স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরেও জনগণকে নিজেদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন করতে হচ্ছে। এর মূল কারণ একদলীয় শাসনব্যবস্থা, যা রাষ্ট্রকে ফ্যাসিবাদী শাসনের দিকে ঠেলে দিয়েছে।”

তিনি দাবি করেন, “২০২৪ সালের ছাত্র-জনতা একক কর্তৃত্ববাদের বিরুদ্ধে রক্ত দিয়ে আন্দোলন করেছে। ২ হাজারের বেশি শহীদ হয়েছেন, ৫০ হাজারের অধিক মানুষ আহত-পঙ্গু হয়েছেন। সেই বৈষম্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা হলে রাষ্ট্র কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হবে।”

তিনি আরও বলেন, “জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে শহীদদের স্বপ্নের বৈষম্যহীন কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করবে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে এবং গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”

প্রবাসীদের ভোটাধিকারের প্রশ্নে বক্তব্য রেখে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা প্রবাসীরা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “একটি দল ছাড়া দেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দল জাতীয় ঐকমত্যের প্রক্রিয়াকে সমর্থন জানিয়েছে। কিন্তু একটি দলের বিরোধিতার কারণে জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত জাতীয় স্বার্থে দলীয় স্বার্থ ত্যাগ করা।”

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে গোলাম পরওয়ার বলেন, “জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করলে একদিকে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা প্রমাণিত হবে, অন্যদিকে জনপ্রতিনিধিত্বহীন অবস্থার অবসান ঘটবে।” তিনি জানান, “বর্তমানে স্থানীয় সরকারের সমস্ত ক্ষমতা ডিসি-ইউএনওদের হাতে। এর ফলে জনগণ দুর্নীতির শিকার হচ্ছে।”

সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন—জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, ইসলামি ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, মোবারক হোসেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান, ডা. রেজাউল করিম এবং ডা. শফিকুল ইসলাম মাসুদ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের শহীদদের সম্মান দেওয়া এখন সময়ের দাবি। তারা জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নতুন বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।




ফ্যাসিবাদ বিরোধী নতুন রাষ্ট্র গড়ার ডাক এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদের

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ইনসাফ ও মর্যাদাভিত্তিক একটি বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

শুক্রবার (৪ জুলাই) ঠাকুরগাঁও শহরের আর্টগ্যালারি মডেল মসজিদে জুমার নামাজ শেষে এক পদযাত্রা কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে জনসমাবেশে এ কথা বলেন তিনি। এনসিপির ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ কর্মসূচির অংশ হিসেবেই এ পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই-আগস্টে দেশে ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল, তা ছিল কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র ও জনতার সম্মিলিত আন্দোলন। সেই আন্দোলনের শহীদদের আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।”

তিনি দাবি করেন, “বর্তমানে দেশে পুরোনো ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা বহাল রয়েছে। সেই ব্যবস্থার বিলোপ ঘটিয়ে নতুন রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে এনসিপি মাঠে রয়েছে। আমরা মৌলিক সংস্কার, গণহত্যার বিচার এবং নতুন সংবিধানের দাবি জানাচ্ছি। জুলাই-আগস্টের মধ্যেই এই দাবিগুলোর ভিত্তিতে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ প্রকাশ করতে হবে।”

বিএসএফের সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন প্রসঙ্গে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, “এটা শেখ হাসিনার বাংলাদেশ নয়, এটা গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী ছাত্র-জনতার বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশে চলবে জনগণের সিদ্ধান্তেই। সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতেই হবে।”

উন্নয়ন প্রসঙ্গে নাহিদ বলেন, “উত্তরাঞ্চলসহ ঠাকুরগাঁওয়ের মতো অবহেলিত জেলাগুলোর প্রতি আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য আর চলবে না। উন্নয়ন হবে সার্বজনীন—not ঢাকা কেন্দ্রিক।”

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, ড. আতিক মুজাহিদ, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আলী নাছের খান, আবু সাঈদ লিওন এবং ঠাকুরগাঁও জেলা সমন্বয়ক গোলাম মুর্তজা সেলিমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এনসিপি নেতারা তাদের কর্মসূচির মাধ্যমে বিকল্প নেতৃত্ব ও তরুণদের অগ্রভাগে রেখে একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।




কুয়াকাটায় ভয়ংকর আইসসহ চার মাদককারবারি আটক

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ভয়ংকর মাদক আইস (ক্রিস্টাল মেথ) ও ইয়াবাসহ চারজনকে আটক করেছে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ দল। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) দিনভর অভিযানে কলাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে এই চারজনকে আটক করা হয়।

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পটুয়াখালী ও কলাপাড়া ইউনিটের যৌথ অভিযানে দুইজনের কাছ থেকে ৮ গ্রাম আইস এবং অন্য দুইজনের কাছ থেকে মোট ৭৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—গঙ্গামতি এলাকার মতি মল্লিকের ছেলে মো. রাসেল মল্লিক (৩২), একই এলাকার নুরুল হকের ছেলে আব্দুর রহমান (৩২), ধুলাস্বার ইউনিয়নের মো. রাকির (২৯) এবং কুয়াকাটা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খলিলের ছেলে মেহেদী হাসান (২৫)। তাদের মধ্যে কেউ মোটরসাইকেল চালক, কেউ হোটেল বয়ের কাজ করেন।

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর পটুয়াখালীর উপপরিচালক হামিমুর রশিদ কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, উপকূলীয় নৌপথে মাদকের সক্রিয়তা সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার পরই এই অভিযান চালানো হয়। আটককৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এক গোপন আস্তানা থেকে ‘আইস’ উদ্ধার করা হয়, যা ইয়াবার চেয়ে কয়েকশ গুণ বেশি ক্ষতিকর।

তিনি বলেন, “আমরা এই মাদকচক্রের সহযোগীদের আটক করতে সক্ষম হয়েছি। মূল লক্ষ্য হলো চক্রের মূলহোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা।”

উপপরিচালক আরও জানান, “এই প্রথম কুয়াকাটা এলাকায় ভয়ংকর আইস উদ্ধার হওয়ায় এই অঞ্চলকে মাদকের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করে সতর্ক অবস্থানে থাকতে হবে। আমরা চাই সামাজিকভাবে সবাই মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হোক।”

আটকদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে তাদের মহিপুর থানায় হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



তিস্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভারতকে সঙ্গে নিয়ে সমাধানের চেষ্টা চলছে; পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন নিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো টালবাহানা চলছে না বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, এই সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই অগ্রসর হচ্ছে এবং ইতিবাচক সমাধানের চেষ্টা করছে।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্প্রতি কুড়িগ্রামের ঘোষপাড়ায় আয়োজিত এক পথসভায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেন, তিস্তা প্রকল্প নিয়ে কোনো ধরনের টালবাহানা মেনে নেওয়া হবে না। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “টালবাহানার কিছু নেই। আমরা গত ১৫-২০ এমনকি ৩০ বছরেও ভারত থেকে খুব বেশি ইতিবাচক অগ্রগতি পাইনি। বহু বছর আগে একবার ইতিবাচক মতামত এসেছিল, তখন আমরা গ্রহণ করিনি। এখনো আলোচনা চলমান আছে।”

তিনি আরও বলেন, “এ ধরনের বিষয় কেবল দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান সম্ভব। আমরা চেষ্টা করছি, কতটা সফল হতে পারি সেটা সময় বলবে।”

এ সময় মালয়েশিয়ায় গ্রেপ্তার ৩৬ বাংলাদেশির বিষয়ে জানতে চাইলে উপদেষ্টা জানান, এখনো তাদের ব্যাপারে পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যায়নি।

মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসী শ্রমিকদের দুর্ভোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিশেষ করে ওমানে আমাদের উদ্যোগ ছিল শ্রমিকদের পাসপোর্ট হাতে দেওয়া, যেন তারা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থেকে কষ্ট না পায়। অন্য দূতাবাসগুলোকে এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “চিঠি দেওয়া হয়েছে, প্রয়োজনে ফলোআপ করা হবে। এটিকে আক্ষেপ হিসেবে নয়, প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখছি।”

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গত এক বছরে সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সংস্কার নিয়ে সন্তুষ্ট হওয়া উচিত নয়, কারণ তৃপ্ত হলে আর কিছু করার থাকে না। আমরা চেষ্টা করছি মন্ত্রণালয়টিকে যতটা সম্ভব জনবান্ধব করে তোলার।”




“ফ্যাসিস্টরা সুযোগ পাবে পিআর পদ্ধতিতে : এ্যানি

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) পদ্ধতি চালুর প্রস্তাবকে ‘বিভেদ সৃষ্টিকারী’ ও ‘ফ্যাসিস্টদের জন্য সুযোগ তৈরি’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নে প্রতিনিধি নির্বাচনের ভোট পরিদর্শনে এসে এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, “বাংলাদেশের বাস্তবতায় এখন পিআর পদ্ধতিতে গেলে নিজেদের মধ্যেই বড় ধরনের বিভেদ সৃষ্টি হবে। ফলে ফ্যাসিস্ট শক্তিগুলো সুযোগ পাবে।”

তিনি আরও বলেন, “তারেক রহমান স্পষ্ট বলেছেন— এই পদ্ধতির পক্ষে ব্যক্তিগত মত থাকা যায়, কিন্তু দেশের রাজনীতিতে এটি গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর নির্বাচন। একটি উপযুক্ত সময়ে, যেমন ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হলে আমরা সেটিকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।”

শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি আরও দাবি করেন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জনগণ পরিবর্তন চায় এবং জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি অন্তবর্তী সরকার ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন এখন সময়ের দাবি।

এ সময় তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মধ্যে সদ্য লন্ডনে অনুষ্ঠিত সৌজন্য সাক্ষাৎকে ‘জাতির ভবিষ্যতের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ একটি সংলাপ’ বলে অভিহিত করেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির আহ্বায়ক এম বেলাল হোসেন, সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন বাচ্চু, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও কৃষকদলের স্থানীয় নেতারা।




নির্বাচনে পিআর নয়, ব্যালটে জনগণের আস্থা: বিএনপি নেতা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক বলেছেন, “যারা ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার হওয়ার যোগ্য নন, তারাই প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) পদ্ধতির নির্বাচন চায়। জনগণ চায় ব্যালটে ভোট দিতে।”

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁও ও শিল্পাঞ্চল থানা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত সদস্য নবায়ন কর্মসূচির দুটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পিআর পদ্ধতি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা

আমিনুল হক বলেন, “আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই নির্বাচনে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা হবে। তবে সেই প্রক্রিয়া বানচালের অপচেষ্টা হচ্ছে নতুন ফর্মুলার মাধ্যমে। পিআর পদ্ধতি আসলে জনগণের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা। জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব এতে নিশ্চিত হয় না।”

তিনি আরও বলেন, “যে কোনো ষড়যন্ত্রই হোক না কেন, জনগণ তা রুখে দেবে। মানুষ ব্যালটের মাধ্যমে নিজের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে চায়।”

অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরেন

অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আমিনুল বলেন, “এক বছর পার হয়ে গেলেও কোনো কাঠামোগত সংস্কার হয়নি। স্বৈরাচারের দোসরদের বিচার হয়নি। জনগণ এখন ভোট দিতে চায়, গত ১৫ বছরে সেই সুযোগ তারা পায়নি।”

তিনি বলেন, “বিএনপির নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন রাজপথে লড়াই করে গণতন্ত্রের জন্য যে আত্মত্যাগ করেছে, সেই পরীক্ষিত কর্মীরাই আগে সদস্যপদ নবায়ন করবে।”

সদস্যপদ নিয়ে সতর্কতা ও বার্তা

দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও আদর্শিক অবস্থান রক্ষার প্রসঙ্গ টেনে আমিনুল বলেন, “যারা দিনে বিএনপি আর রাতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে, তারা দলের সদস্য হতে পারবে না। সমাজের ভালো মানুষ যারা বিএনপিকে ভালোবাসে, তাদের জন্য সদস্যপদ উন্মুক্ত।”

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি সতর্ক করে বলেন, “আপনাদের মাধ্যমে যেন কোনো সুবিধাবাদী ব্যক্তি দলের সদস্য না হতে পারে, সেই বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন

তেজগাঁও ও শিল্পাঞ্চল থানা বিএনপির নবায়ন কর্মসূচির সভাপতিত্ব করেন যথাক্রমে মো. মিরাজ উদ্দিন হায়দার আরজু ও আইনুল ইসলাম চঞ্চল। এছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন— ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব, যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, এবিএমএ রাজ্জাক, গাজী রেজাউনুল হোসেন রিয়াজ, মনিরুজ্জামান মনিরসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ।