ফেসবুকে শীর্ষ অনুসারীতে যে ১২ নায়িকা

বাংলাদেশে সিনেমা ও নাটকের নায়িকারা শুধু পর্দায় নয়, সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকেও দারুণ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। অনুসারীর সংখ্যার বিচারে দেখা গেছে, শীর্ষে অবস্থান করছেন এমন অনেক তারকা, যারা পর্দার বাইরেও ব্যক্তিজীবনের খুঁটিনাটি শেয়ার করে ভক্তদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।

ফেসবুকে সবচেয়ে বেশি অনুসারী রয়েছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমণির। তার অনুসারীর সংখ্যা ১৬ মিলিয়ন। ব্যক্তিগত নানা ঘটনা, সন্তান, সম্পর্ক, বিবাহ, বিচ্ছেদ, এমনকি মামলা—সবই নিয়মিত ফেসবুকে তুলে ধরায় তিনি সর্বাধিক আলোচিত তারকায় পরিণত হয়েছেন।

তার পরেই রয়েছেন লাক্স তারকা মেহজাবীন চৌধুরী। সাবলীল অভিনয় আর পরিশ্রম দিয়ে তিনি নাটক থেকে ওটিটিতে জায়গা করে নিয়েছেন। তার অনুসারী সংখ্যা ১০ মিলিয়ন।

পুরোনো প্রজন্মের সবচেয়ে জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের একজন পূর্ণিমার ফলোয়ার সংখ্যা ৯.৮ মিলিয়ন। অভিনয়ে সক্রিয় না থাকলেও তার সৌন্দর্য ও ব্যক্তিত্ব এখনো তাকে সোশ্যাল মিডিয়ার আলোচনার কেন্দ্রে রেখেছে।

অপু বিশ্বাস এখন তেমন একটা অভিনয়ে দেখা না গেলেও, ব্যক্তি জীবনের আলোচিত ঘটনাগুলোর জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় সদা সরব। তার ফলোয়ার সংখ্যা ৯.১ মিলিয়ন।

তরুণ প্রজন্মের আইকন নুসরাত ফারিয়ার রয়েছে ৭.১ মিলিয়ন ফলোয়ার। অভিনয়ের পাশাপাশি গান ও উপস্থাপনায়ও জনপ্রিয় তিনি।

তাসনিয়া ফারিণ, ‘পাশের বাড়ির মেয়ে’ ইমেজে অল্প সময়ে ৭ মিলিয়ন ফলোয়ার পেয়েছেন। নাটক ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মে তিনি সমান জনপ্রিয়।

সাফা কবির (৬.৬M), বিদ্যা সিনহা মিম (৬.৫M), কেয়া পায়েল (৬.১M) – এদের জনপ্রিয়তাও চোখে পড়ার মতো। এরা প্রত্যেকে অভিনয়, স্টাইল ও ভক্তদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অবস্থান মজবুত করেছেন।

জয়া আহসান (৫.৭M) শুধু বাংলাদেশ নয়, ভারতেও তার জনপ্রিয়তা চরমে। বয়স পেরিয়ে গেলেও তার সৌন্দর্য ও মেধাবী অভিনয় তাকে আন্তর্জাতিক তারকায় পরিণত করেছে।

শবনম বুবলী (৫.১M) ও সাবিলা নূর (৩.৯M) সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণ সক্রিয়। সাবিলা পোস্ট প্রতি এনগেজমেন্টে অনেক শীর্ষ তারকাকেও পেছনে ফেলেছেন।

এছাড়াও জনপ্রিয়তার তালিকায় রয়েছেন:

  • রাফিয়াত রশীদ মিথিলা – ৩.৬M
  • পূজা চেরী – ৩.৬M
  • সামিরা খান মাহি – ৩M
  • জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি – ৩M
  • তানজিন তিশা – ২.৯M
  • শবনম ফারিয়া – ২.৩M
  • মুমতাহিনা চৌধুরী টয়া – ২.৩M

বাংলাদেশের বিনোদন অঙ্গনে এখন ‘ডিজিটাল স্টারডম’-এর যুগ। শুধু অভিনয় নয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়তা এখন জনপ্রিয়তার অন্যতম মাপকাঠি হয়ে দাঁড়িয়েছে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




অন্তর্বর্তী সরকার নয়, দেশ চালাবেন রাজনীতিবিদরাই: আলী রীয়াজ

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি ড. আলী রীয়াজ বলেছেন, বাংলাদেশ চালানো হবে রাজনীতিবিদদের মাধ্যমে, অন্তর্বর্তী সরকার দিয়ে নয়। তিনি বলেন, এজন্যই একে ‘অন্তর্বর্তী সরকার’ বলা হয়।

বুধবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর সিরডাপে ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা : অভিযোগ ও স্ব-নিয়ন্ত্রণ অন্বেষণ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ড. আলী রীয়াজ সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রশ্ন তোলেন, গত ১৬ বছর ধরে দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে কেন সাংবাদিক ইউনিয়নগুলো সিভিল সোসাইটি যুক্ত করে কোন রিভিউ তৈরি করেনি। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের মাঝে বিভাজন গভীর এবং তারা রাজনৈতিক দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাংবাদিকতার নামে কিছু ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, “এক বছর আগে জুলাই আন্দোলনের সময় সাংবাদিকদের নিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী এক বৈঠক করেছিলেন, সেখানে উপস্থিতরা কী বলেছিলেন, তা সবাই জানে। সেটাই সাংবাদিকতা?”

সাংবাদিকদের মধ্যে দলীয় বিভাজন নিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে), ঢাকা ইউনিয়ন অব জার্নালিস্ট (ডিইউজে) সহ বিভিন্ন সংগঠন দলীয়ভাবে বিভক্ত হয়ে কোথায় পৌঁছেছে তা সবাই দেখে।’ তিনি বলেন, এই অবস্থায় সাংবাদিকতার উন্নয়নের জন্য অন্যদের কাছে সাহায্য চাইতে হবে।

ড. রীয়াজ বলেন, ‘দেশের রাজনীতির জন্য একটি বিকল্প সম্পাদক পরিষদ গঠিত হয়েছে যা রাজনৈতিক দলীয় স্বার্থে কাজ করছে।’


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখতে এড়িয়ে চলুন ৩টি খাবার

উজ্জ্বল হাসি কেবল আত্মবিশ্বাস বাড়ায় না, এটি সামগ্রিক সুস্থতারও প্রতীক। তবে আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাস দাঁতের স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু খাবার দাঁত ও মাড়ির মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। ভারতের অর্থোডন্টিস্ট ডা. জৈনীল পারেখ জানিয়েছেন, দাঁতের যত্নে কিছু নির্দিষ্ট জিনিস এড়িয়ে চলা খুবই জরুরি।

তিনি বলেন, অতিরিক্ত চিনি খেলে মুখে থাকা ব্যাকটেরিয়া তা অ্যাসিডে রূপান্তর করে, যা দাঁতের এনামেল নষ্ট করে। এতে দাঁতের ক্ষয়, ক্যাভিটি ও ব্যথার সমস্যা দেখা দেয়।

যে খাবারগুলো এড়িয়ে চলা জরুরি:

১. চিনিযুক্ত খাবার:
চকলেট, মিষ্টি, ক্যান্ডি, কোক বা চিনিযুক্ত পানীয় বেশি খেলে দাঁতের ক্ষয় দ্রুত হয়। চিনি ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে মিশে দাঁতের এনামেল ভেঙে দেয়।

২. কোমল পানীয় ও জুস:
সোডা, ফিজি ড্রিংকস, সাইট্রাস জুসে থাকা অ্যাসিড দাঁতের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। দাঁত সংবেদনশীল হয়ে পড়ে, হলুদ দাগ পড়ে এবং গহ্বর সৃষ্টি হয়।

৩. স্টার্চযুক্ত খাবার:
আলুর চিপস, সাদা পাউরুটি ও প্রেটজেলের মতো স্টার্চজাতীয় খাবার মুখে গিয়ে চিনিতে রূপ নেয়। এতে দাঁতে প্লাক তৈরি হয় যা দাঁতের ক্ষয় বাড়ায়।

করণীয়:

  • দিনে অন্তত দুইবার দাঁত ব্রাশ করুন।
  • ফ্লস ব্যবহার করুন।
  • চিনি ও কোমল পানীয় কমিয়ে আনুন।
  • ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য থেকে বিরত থাকুন।
  • প্রতি ছয় মাসে একবার দাঁতের ডাক্তারের কাছে যান।

দাঁতের যেকোনো সমস্যা যেমন ব্যথা, মাড়ি থেকে রক্তপাত বা ফোলা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিন। মনে রাখবেন, নিয়মিত যত্ন ও সচেতনতাই দাঁতের সুস্থতা নিশ্চিত করে এবং আপনাকে দেয় ঝকঝকে সুন্দর হাসি।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




আইন সংশোধন করে আটক সংক্রান্ত নতুন বাধ্যবাধকতা ঘোষণা প্রধান উপদেষ্টার

আটকের ১২ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিবারকে অবহিত করার বাধ্যবাধকতা যুক্ত করে ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধনের ঘোষণা দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাতে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ ঘোষণা দেন।

তিনি জানান, “ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫” অনুমোদনের মধ্য দিয়ে আইনগত সংস্কারের একটি নতুন ধাপ যুক্ত হলো। এ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে আটক করা হলে ১২ ঘণ্টার মধ্যে যত দ্রুত সম্ভব তার পরিবারকে তা জানাতে হবে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আটককৃত ব্যক্তিকে আইনজীবীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ দিতে হবে। যদি রিমান্ড শেষে সে অসুস্থ বা আহত থাকে, তবে তাকে অবশ্যই চিকিৎসকের মাধ্যমে পরীক্ষা করতে হবে এবং তার আঘাতের কারণ নিশ্চিত করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “পুলিশের কোনো গাফিলতি বা নির্যাতনের ঘটনা ঘটলে নতুন আইনে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। এতে করে পুলিশের জবাবদিহিতা বাড়বে, গ্রেপ্তার-আটক নিয়ে হয়রানি কমবে এবং বিচার প্রক্রিয়াও দ্রুততর হবে।”

এদিন দেওয়া ভাষণে মুহাম্মদ ইউনূস পুলিশ সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের দিকেও অগ্রগতি জানিয়ে বলেন, “থানায় জিডি করতে গেলে তা অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে। কাউকে ফিরিয়ে দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। সরকার ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, দেশের প্রতিটি থানায় অনলাইনে জিডি করার সুবিধা চালু করা হবে।”

তিনি বলেন, “জিডি গ্রহণ না করার অভিযোগ বন্ধ করতে এখন থেকে থানার সেবাও হবে ডিজিটাল। এই উদ্যোগ মানুষকে আইনি সহায়তার ক্ষেত্রে আরও বেশি অধিকার নিশ্চিত করবে।”

প্রধান উপদেষ্টা জানান, দেওয়ানি আইন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ক্ষেত্রেও সংস্কার সম্পন্ন হয়েছে, যা বিচারব্যবস্থায় গতি ও স্বচ্ছতা আনবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।




শিবির সভাপতির অভিযোগ: ‘আওয়ামী লীগকে ফেরাতে বামপন্থিদের বর্ণচোরা ষড়যন্ত্র’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বামপন্থি ছাত্র সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় অভিযোগ তুলেছেন ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি এস এম ফরহাদ। তার দাবি, বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়ার নেপথ্যে বামপন্থিরা কাজ করছে এবং এর মাধ্যমে তারা আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এস এম ফরহাদ বলেন, “আজকের ‘মব সৃষ্টির’ ফ্রেমটা ১৯৭১ বনাম ২০২৪ না। এটা বিচার বহির্ভূত হত্যার বৈধতা দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা। শাহবাগ ও বাকশালকে নতুন করে ফিরিয়ে আনার ষড়যন্ত্র চলছে।”

তিনি অভিযোগ করেন, “আমাদের গুম, খুন, ক্রসফায়ার ও নির্যাতনের মধ্য দিয়ে দমন করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু আমরা তখন যেমন শাহবাগ-বাকশালের বিরোধিতা করেছি, আজও করব। ছাত্রসমাজকে সঙ্গে নিয়ে আমরা এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে থাকব ইনশাআল্লাহ।”

শিবির সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বের সমালোচনা করে বলেন, “তার রাজনীতি টিকিয়ে রাখতে বামরা বর্ণচোরা ভূমিকা পালন করছে। মতিউর রহমান নিজামীসহ নেতাদের ফাঁসিকে তিনি ‘বিচারিক হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, এ দায় শুধু শেখ হাসিনার নয়, শাহবাগের ফ্যাসিবাদীদের দোসরদেরও।”

সংবাদ সম্মেলনে ফরহাদ আরও বলেন, “ফেসবুকে যারা মব গঠন করেছে তারা সবাই বিভিন্ন বাম ছাত্র সংগঠনের পোস্টধারী নেতা। তারা ১০-১২টা সংগঠন থেকে ২০-২৫ জন নিয়ে টিএসসিতে এসেছে। এ ধরনের আচরণ নতুন নয়, বরং এটি বামদের দীর্ঘদিনের চরিত্র।”

প্রসঙ্গত, ‘আমরাই ৩৬ জুলাই: আমরা থামব না’ শীর্ষক তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে জামায়াত ও বিএনপির শীর্ষ নেতাদের ছবি প্রদর্শনের উদ্যোগ নেয় শিবির। তবে ঢাবি প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সেইসব ছবি সরিয়ে নেওয়া হয়। এতে বিক্ষুব্ধ হয়ে শিবির নেতাকর্মীরা প্রতিবাদে নামে, অপরদিকে বাম সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরাও পাল্টা অবস্থান নেন। সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত চলতে থাকে পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ।




জুলাই অভ্যুত্থান তরুণদের রক্তে লেখা ইতিহাস: প্রধান উপদেষ্টা

কোটা আন্দোলন থেকে শুরু হয়ে জুলাই অভ্যুত্থান পর্যন্ত তরুণদের ত্যাগ ও প্রতিরোধকে স্মরণ করে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, “স্বৈরাচার সরকারের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য, দমন-পীড়ন ও নির্বিচারে গুলিবর্ষণ তরুণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে দাবানলে পরিণত করে।”

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাতে দেয়া এ ভাষণে তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসের পটভূমি তুলে ধরে বলেন, এক বছর আগে এই দিনে দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। “গত বছরের জুনে আদালতের রায়ে কোটা পুনর্বহালের পর শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ ধীরে ধীরে বিস্ফোরিত হয়। আর স্বৈরশাসনের রূঢ় আচরণ—নির্বিচার গুলি, হত্যাকাণ্ড ও নিপীড়ন—এই ক্ষোভকে রূপ দেয় গণঅভ্যুত্থানে।”

তিনি বলেন, “এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে ছাত্র-শ্রমিক-জনতা। সম্মুখ সারিতে ছিলেন আমাদের সাহসী নারীরা, যারা অকাতরে জীবন দিয়েছেন দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করতে।”

প্রধান উপদেষ্টা আরও জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের পর এক বছরের মধ্যে দেশে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে। “অর্থনীতিতে গতি এসেছে, সংকট কাটিয়ে উঠেছে দেশ। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সফল শুল্ক আলোচনার মধ্য দিয়ে অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়েছে।”

তিনি বলেন, “১৬ বছরব্যাপী লুটপাট ও দুর্নীতির ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে যখন আমাদের সরকার দায়িত্ব নেয়, তখন অনেকেই বিশ্বাস করেনি—এই অর্থনীতিকে আবার সচল করা সম্ভব। কিন্তু মাত্র এক বছরেই আমরা বহু দূর এগিয়েছি। এখন সময় দ্রুতগতিতে সামনে এগিয়ে যাওয়ার।”

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে ইউনূস বলেন, “আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থেকে একটি নির্বাচিত সরকারের হাতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হস্তান্তরের পথে এগোচ্ছি। আমি আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম—২০২৬ সালের জুনের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন হবে। তবে তার আগে আমাদের কিছু জরুরি কাজ শেষ করতে হবে, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে জুলাই ঘোষণাপত্র ও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন।”

প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে স্পষ্ট হয়, একটি মানবিক, জবাবদিহিমূলক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের চলমান রূপান্তর অভিযান এখন চূড়ান্ত পর্বে।




জুলাই শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চায় বিএনপি, নির্বাচনে অংশের ইঙ্গিত

বিএনপি জুলাই ঘোষণাপত্র এবং জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণাকে ‘দুটি যুগান্তকারী উদ্যোগ’ হিসেবে অভিহিত করে স্বাগত জানিয়েছে। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, এই দুই ঘোষণার মধ্য দিয়ে দেশে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক পরিবেশ গঠনের পথ সুগম হলো।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আজ থেকে এক বছর আগে এই দিনে আমরা ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্ত হয়েছিলাম। হাজারও ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে সেই অর্জন এসেছে। আজকের এই ঘোষণাগুলো সেই সংগ্রামের স্বীকৃতি ও পূর্ণতা।”

তিনি জানান, জুলাই ঘোষণাপত্রকে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। “আমরা আগে থেকেই বলেছি, জুলাইয়ের যোদ্ধাদের ও শহীদদের জাতীয় বীরের মর্যাদা দেওয়া হবে। ঘোষণাপত্রে উল্লিখিত বিষয়গুলোকে যথাযথ সংবিধানিক জায়গায় স্থাপন করা হবে,” বলেন সালাহউদ্দিন।

তিনি আরও জানান, গুলশান বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচনের পরিবেশ ও রোডম্যাপ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে তুলে ধরা রূপরেখাকে ইতিবাচক আখ্যা দিয়ে বিএনপি বলেছে, এই ঘোষণার মাধ্যমে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পথ উন্মুক্ত হয়েছে।

“নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি পাঠিয়ে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোটগ্রহণ চেয়ে তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) যে ঘোষণা দিয়েছেন, তা অত্যন্ত সময়োপযোগী। আমরা আশাবাদী, যথাসময়ে তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন তার দায়িত্ব পালন করবে,”— বলেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।

সংবাদ সম্মেলনে সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, নির্বাচনকে সামনে রেখে যারা আহত হয়েছেন বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের প্রতি রাষ্ট্রীয় সহায়তা ও আইনি সুরক্ষার যে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, বিএনপি তা বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ।

তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক হবে— এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সেই লক্ষ্যে দেশের জনগণকে প্রস্তুতি নিতে আহ্বান জানাচ্ছি।”

রাজনৈতিক ভারসাম্য ও রাষ্ট্রে অনিশ্চয়তা দূর করার প্রশ্নে বিএনপি নেতার ব্যাখ্যা ছিল, “আজকের ঘোষণার মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার বড় একটি পদক্ষেপ নেওয়া হলো। ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগে আস্থা ফিরে আসবে, রাষ্ট্রীয় গতিশীলতা বাড়বে।”

উল্লেখ্য, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেন। একইসঙ্গে তিনি ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ নামে একটি রাজনৈতিক ও নীতিগত দলিল প্রকাশ করেন, যা নিয়ে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।




নতুন রাষ্ট্রগঠনের রূপরেখা প্রকাশ, ‘জাতীয় বীর’ সম্মানে শহীদদের স্বীকৃতি

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে প্রাণ উৎসর্গকারী শহীদদের ‘জাতীয় বীর’ ঘোষণা করে নতুন রাষ্ট্র বিনির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ‘জুলাই পুনর্জাগরণ’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আনুষ্ঠানিকভাবে “জুলাই ঘোষণাপত্র” পাঠ করেন।

প্রধান উপদেষ্টা জানান, এই ২৮ দফার ঐতিহাসিক ঘোষণাপত্র বাংলাদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী দীর্ঘ লড়াইয়ের ধারাবাহিক রূপরেখা। তিনি বলেন, “৫ আগস্ট ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের বিজয় শুধু একটি সরকারের পতন নয়, এটি ছিল জনগণের সার্বভৌমত্বের প্রতিষ্ঠা।”

শহীদদের ‘জাতীয় বীর’ ঘোষণা

ঘোষণাপত্রের ২৪ নম্বর দফায় বলা হয়েছে, “বাংলাদেশের জনগণ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করছে এবং তাদের পরিবার, আহত যোদ্ধা ও আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতাকে প্রয়োজনীয় সব আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।”

এছাড়া ২৭ নম্বর দফায় জানানো হয়েছে, এই অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে বিজয়ী সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এই ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে।

ঘোষণাপত্রে কী আছে?

২৮ দফার ঘোষণাপত্রে জাতির ইতিহাস, রাজনৈতিক চক্রান্ত, একদলীয় শাসনের সমালোচনা, ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বর্ণনা, বৈষম্যমূলক কোটাব্যবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলন, মানবাধিকার লঙ্ঘন, রাষ্ট্রীয় সম্পদের লুণ্ঠনসহ গত ষোলো বছরের শাসনের নানা অনিয়ম তুলে ধরা হয়।

বিশেষভাবে বলা হয়েছে—

  • শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে দেশে গুম-খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
  • তিনটি জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮, ২০২৪) ছিল প্রহসনমূলক, যা জনগণকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে।
  • ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে সংঘটিত অভ্যুত্থান ছিল গণতান্ত্রিক পুনর্জাগরণের ফল, যা সর্বস্তরের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণে সফল হয়।

ঘোষণাপত্রের ২০ নম্বর দফায় ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের সাংবিধানিক বৈধতা এবং জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে নতুন সংবিধান সংস্কারের রূপরেখাও তুলে ধরা হয়েছে।

তরুণ প্রজন্মের প্রতিশ্রুতি

শেষ দফাগুলোর একটিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই, জলবায়ু ও পরিবেশ সহিষ্ণু উন্নয়ন কাঠামোর মধ্য দিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি একটি বৈষম্যহীন, মানবিক, মূল্যবোধসম্পন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গঠনের লক্ষ্য ঘোষণা করা হয়েছে।

পরবর্তী পদক্ষেপ

প্রধান উপদেষ্টার ভাষ্য অনুযায়ী, আগামী নির্বাচনের পর গঠিত সরকার এই ঘোষণাপত্রকে সংবিধানের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করবে। জনগণের বিজয়কে সুরক্ষিত রাখতে সব ধরনের সাংবিধানিক ও আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণের অঙ্গীকারও ব্যক্ত করা হয়েছে।

এই ঘোষণাপত্রকে নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি হিসেবে দেখছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ইতিহাসের ধারাবাহিকতা, জনগণের রক্ত এবং ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি মিলে তৈরি হয়েছে এই নতুন দিকনির্দেশনা।




বরগুনায় কোর্ট থেকে পালানো আসামি গ্রেপ্তার

বরগুনা আদালত চত্বর থেকে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যাওয়া আসামি আল আমিনকে অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার ক্রোক এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আল আমিন বরগুনা সদর উপজেলার লেমুয়া পাঠাকাটা গ্রামের বাসিন্দা এবং আলতাফ হোসেনের ছেলে। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চলা একটি পারিবারিক মামলায় আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আল আমিনের প্রথম স্ত্রী ২০১৮ সালে বরগুনা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে একটি পারিবারিক মামলা দায়ের করেন। মামলার দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর আদালত তার বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করেন। এরপরে দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় তার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়।

গত শনিবার (৩ আগস্ট) বরগুনা সদর থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করে। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিলে রোববার বিকেলে আদালত থেকে জেলহাজতে নেওয়ার সময় জেলা ও জজ আদালতের দক্ষিণ পাশের প্রধান ফটকের সামনে পুলিশি হেফাজত থেকে সে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় কোর্ট পুলিশের পক্ষ থেকে আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে বরগুনা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে সোমবার (৪ আগস্ট) একদিনের ব্যবধানে সদর উপজেলার ক্রোক এলাকায় অভিযান চালিয়ে আল আমিনকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়।

বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইয়াকুব হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, “আসামিকে আবারও আইনের আওতায় আনা হয়েছে। তার পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা তদন্তাধীন রয়েছে এবং কোর্ট পুলিশের দায়িত্বে কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

আসামির এমন দুঃসাহসিক পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আদালতপাড়ায় এবং প্রশাসনের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। তবে পুলিশ দ্রুত তাকে গ্রেপ্তার করায় স্বস্তি ফিরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




পবিপ্রবিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস” উদযাপন

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে ঐতিহাসিক “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস”। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দিবসটি উদযাপন করে।

সকাল সাড়ে ৯টায় উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রশাসনিক ভবন থেকে একটি বর্ণাঢ্য বিজয় র‌্যালির মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। র‌্যালিতে প্রো-ভিসি, কোষাধ্যক্ষ, রেজিস্ট্রার, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। র‌্যালিটি ক্যাম্পাস এবং দুমকি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শেষ হয় টিএসসি ভবনের সামনে।

এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় টিএসসি কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয় “জুলাই ২৪ গণঅভ্যুত্থান ও অগ্রগতির পটভূমি” শীর্ষক আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান। শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠানটি।

আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপাচার্য ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভিসি ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান এবং কোষাধ্যক্ষ ড. মো. আবদুল লতিফ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক ড. মো. মুহসিন হোসেন খান ও ড. মো. মাসুদুর রহমান।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার ড. মো. ইকতিয়ার উদ্দিন, বেসিক সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মামুন অর রশিদ, ড. মো. জামাল হোসেন, ড. মো. আবদুল মাসুদ, জনসংযোগ দপ্তরের উপপরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান সবুজ এবং উপ-রেজিস্ট্রার মো. আবু বকর সিদ্দিক।

দুপুর দেড়টায় কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত এবং বিকেল সাড়ে ৫টায় অডিটোরিয়ামে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাট্য প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে শেষ হয় দিনের কার্যক্রম।


আল-আমিন