গাজ়ায় সুড়ঙ্গগুলিতে জল ঢুকিয়ে হামাসবাহিনীকে খতম করার চেষ্টা ইজ়রায়েলের?

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক: গোটা গাজ়ায় যে ভাবে হামাসের সুড়ঙ্গের জাল বিস্তৃত তাতে বেশ চ্যালেঞ্জের মুখেই পড়তে হচ্ছে ইজ়রায়েল বাহিনীকে। তাই এ বার নয়া কৌশল নিচ্ছে তারা?

গাজ়ায় সুড়ঙ্গগুলিতে জল ঢুকিয়ে এ বার হামাসবাহিনীকে খতম করার প্রস্তুতি নিল ইজ়রায়েল। ইতিমধ্যেই সেখানে বড় বড় পাম্প নিয়ে এসেছে ইজ়রায়েলবাহিনী। আমেরিকার এক সরকারি আধিকারিককে উদ্ধৃত করে এমনটাই দাবি করেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

ইজ়রায়েল প্রথম থেকেই দাবি করে আসছে, গাজ়ার নীচে সুড়ঙ্গগুলি থেকেই লড়াই চালাচ্ছে হামাস। স্থলপথে গাজ়ায় ঢোকার পর ইজ়রায়েল বাহিনীর প্রথম লক্ষ্য ছিল সুড়ঙ্গগুলিকে ধ্বংস করা। গোটা গাজ়ায় যে ভাবে হামাসের সুড়ঙ্গের জাল বিস্তৃত তাতে বেশ চ্যালেঞ্জের মুখেই পড়তে হচ্ছে ইজ়রায়েল বাহিনীকে। হাসপাতাল, স্কুল, বড় বড় আবাসনের নীচে সুড়ঙ্গ বানিয়ে সেগুলি আত্মগোপন, কমান্ড সেন্টার হিসাবে ব্যবহার করছে বলে দাবি ইজ়রায়েলের। আকাশপথ, স্থলপথে হামলা চালিয়েও যখন সুড়ঙ্গের এই জাল ছেঁড়া বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে, এ বার তাই অন্য পন্থা নিল বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দেশ।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথমে সুড়ঙ্গগুলি চিহ্নিত করা হবে। তার পর সেগুলির ভিতরে পাম্প দিয়ে জল ঢুকিয়ে দেওয়া হবে। প্লাবিত করা হবে ওই সুড়ঙ্গগুলিকে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, আল-শাতি শরণার্থী শিবিরের কয়েক কিলোমিটার উত্তরে বড় বড় পাঁচটি পাম্প বসিয়েছে ইজ়রায়েল বাহিনী। যে পাম্পগুলির মাধ্যমে ঘণ্টায় কয়েক হাজার কিউবিক মিটার জল বার হয়। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই হামাসের সুড়ঙ্গগুলিতে জল ঢোকানো হতে পারে বলে ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে পাশাপাশি আরও একটি বিষয় উঠে আসছে। সেটি হল, পণবন্দিরা সব মুক্তি না পাওয়া পর্যন্ত কি এই কৌশল নেবে ইজ়রায়েল? যদিও এই বিষয়ে স্পষ্ট কোনও উল্লেখ নেই ওই প্রতিবেদনে। ইজ়রায়েলও এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

তবে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল দাবি করেছে, ইজ়রায়েল বাহিনীর এক আধিকারিক সুড়ঙ্গে জল ঢোকানোর বিষয়টি অস্বীকার করেছে ঠিকই, তবে হামাসের সুড়ঙ্গগুলিকে যে একেবারে ধ্বংস করে দেওয়ার নানা রকম কৌশল নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে জানিয়েছেন। তবে ইজ়রায়েল বাহিনীর একটি অংশ আবার এই রণকৌশলের বিষয়টিকে পুরোপুরি উড়িয়েও দিতে চাননি বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।




ডিসেম্বরের শেষের দিকে হতে পারে শৈত্যপ্রবাহ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : চলতি মাসের শেষের দিকে দেশে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস দিতে গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়।

রোববার (৩ ডিসেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঢাকার ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রে ও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠক হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন অধিদপ্তরের পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান মো. আজিজুর রহমান।

দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস প্রতিবেদনে জানানো হয়, ডিসেম্বর মাসে সামগ্রিকভাবে দেশে স্বাভাবিক অপেক্ষা সামান্য বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে।

এ মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমতে পারে জানিয়ে পূর্বাভাস প্রতিবেদনে বলা হয়, ডিসেম্বরে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকতে পারে। এ মাসের শেষার্ধে দেশের কোথাও কোথাও এক থেকে দুটি মৃদু (৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) বা মাঝারি (৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

এ মাসে দেশের নদী অববাহিকায় ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এদিকে নভেম্বর মাসে সার্বিকভাবে সারাদেশে স্বাভাবিকের চেয়ে ৬৫ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মিধিলির প্রভাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও বরিশাল বিভাগে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।

গত মাসে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম এবং সারাদেশে গড় তাপমাত্রা ১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল বলেও জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর।

অপরদিকে প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ আরও উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে নিল্লর ও মাসুলিপট্টম দিয়ে ভারতের দক্ষিণ অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করছে।

এর প্রভাবে উপকূলসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। মঙ্গলবার সকাল থেকেই ঢাকার আকাশ মেঘে ঢাকা। ঢাকায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিও হচ্ছে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, মঙ্গলবার সারাদেশেই হালকা বৃষ্টি হতে পারে।

এদিন সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল এবং চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা ২-৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।

শুক্রবার পর্যন্ত দেশে বৃষ্টির প্রবণতা থাকতে পারে। বৃষ্টি বিদায় নেওয়ার পর রাতের তাপমাত্রা ক্রমেই কমে শীত জেঁকে বসতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

মঙ্গলবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল সীতাকুণ্ড ও সন্দ্বীপে।

আরএমএম/জেডএইচ/এমএস




১০ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের সমাবেশ হচ্ছে না : ওবায়দুল কাদের




শরিকদের আসন বণ্টন, দায়িত্বে আ.লীগের চার নেতা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :  দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৪ দলের শরিক দলগুলোর আসন বণ্টনের জন্য চার সদস্যের একটি টিম গঠন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ১৪ দলীয় জোটের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিমকে আসন বণ্টনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে বৈঠকে অংশ নেওয়া ১৪ দলের একাধিক নেতা নিশ্চিত করেছেন।



বুবলীকে নিয়ে এত ষড়যন্ত্র কেন, প্রশ্ন জায়েদ খানের

চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন ডেস্ক:  সম্প্রতি একটি সেলিব্রেটি শো’তে হাজির হয়ে চিত্রনায়িকা শবনম বুবলীকে নিয়ে মন্তব্য করেছেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়ক জায়েদ খান।



সারাদেশে বৈধ প্রার্থী ১৯৮৫ জন, অবৈধ ৭৩১ : ইসি

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :  দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে সারাদেশে প্রার্থীদের জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ১৯৮৫ জন প্রার্থী বৈধ ও ৭৩১ জন প্রার্থী অবৈধ বলে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।



প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল যেভাবে আপিল করবেন

চন্দ্রদীপ নিউজ : দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। বাছাইয়ে যেসব মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, এবার শুরু হবে তাদের আপিল প্রক্রিয়া। বাছাইয়ে বাদপড়া প্রার্থীদের প্রার্থিতা ফিরে পেতে আগামী পাঁচদিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। ৫ ডিসেম্বর থেকে আপিল শুরু হয়ে শেষ হবে ৯ ডিসেম্বর।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর এসব প্রার্থীর আপিল প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে আজ মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) থেকে। সকাল থেকে আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে আপিল আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। আপিল গ্রহণের জন্য ৩০০ আসনকে ১০ অঞ্চলে ভাগ করে তৈরি করা হয়েছে ১০টি বুথ।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের আইন শাখার উপসচিব মো. আব্দুছ সালাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ও নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাতিল ও গ্রহণ আদেশের বিরুদ্ধে কোনো প্রার্থী বা ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান রিটার্নিং অফিসারের আদেশে সংক্ষুব্ধ হয়ে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পরবর্তী পাঁচ দিনের মধ্যে অর্থাৎ ৫ ডিসেম্বর থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে নির্বাচন কমিশন বরাবর স্মারকলিপি আকারে (আপিলের মূল কাগজপত্র ১ সেট ও ছায়ালিপি ৬ সেটসহ) দায়ের করতে পারবেন।

এজন্য নির্বাচন ভবনে দেশের ১০টি অঞ্চলের জন্য ১০টি বুথ করা হয়েছে। সেখানে নিয়োজিত ১০ জন কর্মকর্তার কাছে আপিল আবেদন জমা দিতে হবে। ১০ ডিসেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন ১০০টি করে আপিল আবেদন ক্রমানুসারে নিষ্পত্তি করা হবে।




বরিশালের ৬ আসনে অর্ধেকের বেশি প্রার্থী ব্যবসায়ী

বরিশাল অফিস:  বরিশাল জেলার ৬ আসনে ৫৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। যার মধ্যে যাচাই বাছাই শেষে ১০ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে এখন বৈধ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের মাঠে রয়েছেন ৪৫ জন।

রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরে দাখিলকৃত হলফনামার তথ্যানুযায়ী, এই ৪৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ব্যবসায়ী রয়েছেন ২৩ জন। আবার এই ২৩ জনের মধ্যে বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ তার পেশা হিসেবে মৎস্য চাষ ও রাখি-মালামালের ব্যবসার কথা উল্লেখ করেছেন। এই ব্যবসায়ীদের মধ্যে ৫ জন রয়েছেন যারা ব্যবসার পাশাপাশি বেসরকারি চাকরি, প্রতিষ্ঠানের মালিকও রয়েছেন।

এছাড়া ২৩ জন ব্যবসায়ী বাদে ৫ জন রাজনীতিবিদ, ৪ জন আইনজীবী, ২ জন বেসরকারি চাকরিজীবী, ২ জন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক, ২ জন অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবী, ১ জন সাংবাদিক ও লেখক, ১ জন পেশাদার সংগীত শিল্পী, গীতিকার ও সুরকার, ১ জন কবি ও লেখক, ১ জন পরামর্শক, ১ জন কৃষি ও মৎস্য চাষ ও ১ জন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নিজেদের পেশার কথা হলফনামায় জানান দিয়েছেন।

এসএসসি ও সমমান পাশ করেছে এমন রয়েছেন ৪ জন, এইচএসসি পাশ করেছেন ৪ জন, বাকিদের মধ্যে অনার্স বা সমমান থেকে মাস্টার্স বা সমমান পর্যন্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা রয়েছে ২৮ জনের। আর ১ জন রয়েছেন পিএইচডি ধারী।

বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে পেশা হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ব্যবসায়ী, জাতীয় পার্টির সেরনিয়াবাত সেকান্দার আলী আইনজীবী ও ব্যবসায়ী এবং এনপিপির মো. তুহিন বেসরকারি চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ী বলে হফলনামায় উল্লেখ করেছেন।

বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে পেশা হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালুকদার মো. ইউনুস আইনজীবী, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি রাশেদ খান মেনন রাজনীতি ও সংসদ সদস্য এবং একই দলের অপর প্রার্থী মো. জহুরুল ইসলাম ঠিকাদারি ব্যবসা, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের নকুল কুমার বিশ্বাস পেশাদার সংগীত শিল্পী, গীতিকার ও সুরকার, জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন তিনটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও একটি প্রতিষ্ঠানের অংশীদার এবং জাতীয় পার্টির অপর প্রার্থী রজিত কুমার বাড়ৈ পরামর্শক, জাকের পার্টির স্বপন মৃধা ব্যবসায়ী, তৃণমূল বিএনপির মো. শাহজাহান সিরাজ রাজনীতি, এনপিপির সাহেব আলী আমদানি-রপ্তানি ব্যবসা, স্বতন্ত্র প্রার্থী এ.কে ফাইয়াজুল হক ব্যবসায়ী ও একটি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী, মো. মনিরুল ইসলাম ব্যবসায়ী ও একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক বলে হফলনামায় উল্লেখ করেছেন।

বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে পেশা হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সরদার মো. খালেদ হোসেন ব্যবসায়ী, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি রাশেদ খান মেনন রাজনীতি ও সংসদ সদস্য এবং একই দলের অপর প্রার্থী টিপু সুলতান আইনজীবী, জাতীয় পার্টির গোলাম কিবরিয়া টিপু ব্যবসায়ী, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. আজমুল হাসান জিহাদ কবি ও লেখক এবং আইনজীবী, তৃণমূল বিএনপির শাহানাজ হোসেন রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক ও গৃহিণী, জাকের পার্টির মিজানুর রহমান বাচ্চু আবাসিক হোটেল ব্যবসা, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আমিনুল হক ব্যবসায়ী ও মো. আতিকুর রহমান ব্যবসায়ী বলে হফলনামায় উল্লেখ করেছেন।

বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা) আসনে পেশা হিসেবে জাতীয় পার্টির মিজানুর রহমান ব্যবসায়ী, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের হৃদয় ইসলাম চুন্নু ব্যবসা মালিকানা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী পঙ্কজ নাথ বিহঙ্গ পরিবহনের চেয়ারম্যান হিসেবে হফলনামায় উল্লেখ করেছেন।

বরিশাল-৫ (বরিশাল সদর) আসনে পেশা হিসেবে আ. লীগের প্রার্থী জাহিদ ফারুক অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবী, জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন তিনটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও একটি প্রতিষ্ঠানের অংশীদার, জাকের পার্টির মো. আবুল হোসাইন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা, এনপিপির আব্দুল হান্নান সিকদার ব্যবসায়ী, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. আসাদুজ্জামান সাংবাদিক ও লেখক, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মাহাতাব হোসেন ব্যবসা, স্বতন্ত্র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ মৎস্য চাষ ও রাখি-মালামালের ব্যবসার কথা হফলনামায় উল্লেখ করলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সালাহউদ্দিন রিপনের পেশা জানা যায়নি।

বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে পেশা হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুল হাফিজ মল্লিক রাজনীতি, সমাজসেবা ও ব্যবসা, জাতীয় পার্টির নাসরিন জাহান রত্মা ব্যবসা, তৃণমূল বিএনপির টি.এম. জহিরুল হক তুহিন কৃষি ও মৎস্য চাষ, এনপিপির মো. মোশারফ হোসেন বেসরকারি চাকরিজীবী, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও কৃষিকাজ, জাসদের মোহম্মদ মোহসীন ঠিকাদারি ব্যবসা, জাকের পার্টির মো. হুমায়ুন কবির সিকদার ব্যবসা, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. মাইনুল ইসলাম আইনজীবী, স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজিব আহম্মদ তালুকদার ব্যবসা-শিল্পপতি, মো. শাহবাজ মিঞা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, মো. কামরুল ইসলাম খান বেসরকারি চাকরি, খান আলতাফ হোসেন আইনজীবী বলে হফলনামায় উল্লেখ করেছেন।

চন্দ্রদীপ নিউজ/ এসএলটি




উন্নয়নে বদলে গেছে পার্বত্য জনপদ

চন্দ্রদীপ নিউজ ডেস্ক:  বর্তমান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ সরকারের একটানা ১৫ বছরের মেয়াদকালীন সময়ে পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিতে এলজিইডি বাস্তবায়ন করেছে ১৩৬৪ কোটি টাকার প্রকল্প। পাহাড়ে বর্তমান সরকারের অবকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে বদলে গেছে এখানকার মানুষের জনজীবন। বদলে গেছে পার্বত্য জনপদ। এক সময়কার পিছিয়ে পড়া পার্বত্য জনপদ এখন উন্নয়নের দিকে অনেকটা এগিয়ে গেছে।

রাঙ্গামাটি জেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডির) অর্থায়নে ২০০৯- ২০২৩ সাল পর্যন্ত সর্বমোট ১০২৬.৭৭ কোটি টাকার উন্নয়ন হয়েছে। এরমধ্যে সড়ক উন্নয়ন ও পুনর্বাসন, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, গ্রামীণ হাট বাজার/উন্নয়ন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ (কাপ্তাই), উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি যাদুঘর নির্মাণ, ভূমিহীন মুক্তিযোদ্ধাদের আবাসন প্রকল্প, সার্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ প্রকল্প, ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ প্রকল্প, প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ভবন নির্মাণ। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ প্রকল্পের আওতায় রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলাকে সড়ক যোগাযোগের আওতায় আনয়নের লক্ষ্যে ২০২১ সালে একনেক সভায় ৩৩৮ কোটি টাকার একটি মেগা প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। এই প্রকল্পে কাপ্তাই উপজেলা থেকে বিলাইছড়ি উপজেলা পর্যন্ত ৪০ কি.মি. সড়ক ও ১৬টি ব্রিজ নির্মাণ করা হবে। বর্তমানে এই মেগা প্রকল্পটির কাজ চলমান রয়েছে। সর্বমোট ১৫ বছরে ১৩৬৪.৭৭ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

এদিকে, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের ২০০৯-২০২৩ সাল পর্যন্ত গত ১৫ বছরে পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিতে এলজিইডির অর্থায়নে সড়ক যোগাযোগসহ বিভিন্ন সেক্টরে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। এতে সড়ক উন্নয়নে ও পুনর্বাসনে ৫৮৫ কোটি ব্যয়ে ২২৫ কিমি. দৈর্ঘ্য রাস্তা নির্মাণ হয়েছে। ১২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে ৩৬ টি ব্রিজ/কালভার্ট (২৫২২ মিটার)। ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে রাঙ্গামাটি জেলার ৫টি গ্রামীণ হাট/বাজারের উন্নয়ন করা হয়েছে। ২ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন। ২ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী, বাঘাইছড়ি, জুরাছড়ি ও বরকল উপজেলায় উপজেলা মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি যাদুঘর নির্মাণ করা হয়েছে। পাহাড়ের অসচ্ছল ও ভূমিহীন মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে ৫টি ঘর। সার্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ১০৩টি (মসিজদ, মন্দির, বৌদ্ধ মন্দির, কবরস্থান ও শ্মশান) প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে । ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে উপজেলা পরিষদ ভবন নির্মাণ করা হয়েছে ৩ টি। ১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মিত হয়েছে ২২ টি। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় রাঙামাটি জেলায় ৩৬০ টি বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ করা হয়েছে ২৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে।

রাঙ্গামাটির বিভিন্ন উপজেলায় বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলো হচ্ছে-

১. জুরাছড়ি মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর, বাঘাইছড়ি মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর, বরকল মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর, কাপ্তাই মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর।

২. রেশম প্রযুক্তি উন্নয়ন, বিস্তার ও দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টির মাধ্যমে উৎপাদনশীল বৃদ্ধিকরণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনায় এলজিইডির অর্থায়নে নির্মিত হয়েছে আঞ্চলিক রেশম গবেষণা কেন্দ্র।

৩. রাঙ্গামাটির প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের হাট-বাজারের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয়েছে কিচেন মার্কেট। এই কিচেন মার্কেটগুলো হওয়ার ফলে দুর্গম এলাকার মানুষেরা সাপ্তাহিক বাজারে এসে তাদের কেনাকাটা করতে পারছেন। রাঙ্গামাটির বিভিন্ন উপজেলায় নির্মিত কিচেন মার্কেটগুলো হচ্ছে- নানিয়ারচরের ঘিলাছড়ি বাজার কিচেন মার্কেট, লংগদু উপজেলার কালপাকুজ্যা বাজারে কিচেন মার্কেট, রাজস্থলী উপজেলা সদরে কিচেন মার্কেট, বাঘাইছড়ি উপজেলার মাহিল্যা বাজার কিচেন মার্কেট, কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়ার চায়েরী বাজারে কিচেন মার্কেট নির্মাণ করা হয়েছে।

৪. রাঙ্গামাটি সদরের আসামবস্তী-কাপ্তাই সড়ক।

রাঙ্গামাটির সদর এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮-২০২৩ সাল পর্যন্ত ১৫ বছরে প্রায় ১২৫ কোটি উন্নয়ন হয়েছে। বিগত বছরগুলোতে রাঙ্গামাটি সদর উপজেলায় মোট প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে ৩৫টি। এরমধ্যে বিদ্যালয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে ১৭টি। এরমধ্যে ১৮টি বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। ১৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাজ সম্পন্ন করতে ব্যয় হয়েছে ১১ কোটি ৬ লাখ ২১ হাজার টাকা। এদিকে, বাকি ১৮টি বিদ্যালয়ের ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ কোটি ৭২ লাখ ৪৫ হাজার ৭০ টাকা।

অপরদিকে, ৬ কোটি ২০ লাখ ৪৩ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন। রাঙ্গামাটি সদর উপজেলায় ২টি ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ ও মেরামত করা হয়েছে ১ কোটি ৩৩ লাখ ৭২ হাজার ৩৯৯ টাকা ব্যয়ে। রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার ৮টি সড়ক উন্নয়ন ও মেরামতে ব্যয় হয়েছে ৩৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এরমধ্যে আরো ৪টি সড়কের কাজ চলমান রয়েছে। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা। রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার ৫টি সেতু নির্মাণ ও মেরামতে ব্যয় হয়েছে ১৫ কোটি টাকা। রাঙ্গামাটি সদররের ৩টি বাসাবাড়ি মেরামত ব্যয় হয়েছে ১৫ লাখ টাকা।

রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা প্রকৌশলী প্রনব রায় চৌধুরী জানান, সদর উপজেলার গ্রামীণ সড়ক, প্রাথমিক বিদ্যালয়, ব্রিজ, কালভার্ট নির্মাণে এলজিইডি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার কাপ্তাই-আসামবস্তী সড়কে নতুনত্বের ছোঁয়ায় এরমধ্যে পর্যটকদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর রাঙ্গামাটির নির্বাহী প্রকৌশলী আহমদ শফি জানান, বিগত ১৫ বছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) অর্থায়নে রাঙ্গামাটির দুর্গম অঞ্চলগুলোতে রাস্তা-ঘাট, বিদ্যালয়, ব্রিজ, গ্রামীণ সড়ক, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনসহ বিভিন্ন উন্নয়ন করেছে এলজিইডি। পার্বত্য রাঙ্গামাটি অঞ্চলের মানুষের শিক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে পাহাড়ের মানুষ অর্থনৈতিকভাবে অনেক সুযোগ-সুবিধা লাভ করবে।

চন্দ্রদীপ নিউজ/এসএলটি




বরিশালের ৬ আসনে স্বশিক্ষিত ৮ প্রার্থী, পিএইচডিধারী ১

বরিশাল অফিস:  বরিশাল জেলার ছয়টি আসনে ৫৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তাদের মধ্যে যাচাই বাছাই শেষে ১০ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে এখন বৈধ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের মাঠে রয়েছেন ৪৫ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরে দাখিলকৃত হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, এই ৪৫ জন প্রার্থীর মধ্যে স্বশিক্ষিত রয়েছেন ৮ জন, এসএসসি ও সমমান পাস করা প্রার্থী রয়েছেন ৪ জন, এইচএসসি পাস করেছেন ৪ জন, বাকিদের মধ্যে অনার্স বা সমমান থেকে মাস্টার্স বা সমমান পর্যন্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা রয়েছে ২৮ জনের। আর একজন প্রার্থী রয়েছেন পিএইচডি ডিগ্রিধারী।

বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ স্বশিক্ষিত, জাতীয় পার্টির সেরনিয়াবাত সেকান্দার আলী এলএলবি করেছেন এবং এনপিপির মো. তুহিন দাখিল পাস করেছেন।

বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালুকদার মো. ইউনুস এলএলবি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন অর্থনীতিতে এমএ এবং একই দলের অপর প্রার্থী মো. জহুরুল ইসলাম এসএসসি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের নকুল কুমার বিশ্বাস বিএ, জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন বিএসসি ও জাতীয় পার্টির অপর প্রার্থী রঞ্জিত কুমার বাড়ৈ এমএসসি, জাকের পার্টির স্বপন মৃধা এমএ, তৃণমূল বিএনপির মো. শাহজাহান সিরাজ এইচএসসি, এনপিপির সাহেব আলী স্বশিক্ষিত, স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে ফাইয়াজুল হক স্নাতক, মো. মনিরুল ইসলাম এইচএসসি পাস করেছেন।

বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সরদার মো. খালেদ হোসেন স্নাতক, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি রাশেদ খান মেনন অর্থনীতিতে এমএ এবং একই দলের অপর প্রার্থী টিপু সুলতান এলএলবি, জাতীয় পার্টির গোলাম কিবরিয়া টিপু স্নাতক, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. আজমুল হাসান জিহাদ এলএলবি, তৃণমূল বিএনপির শাহানাজ হোসেন এইচএসসি, জাকের পার্টির মিজানুর রহমান বাচ্চু এইচএসসি, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আমিনুল হক পিএইচডি ও মো. আতিকুর রহমান বিএসসি পাস করেছেন।

বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা) আসনে জাতীয় পার্টির মিজানুর রহমান স্বশিক্ষিত, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের হৃদয় ইসলাম চুন্নু এসএসসি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী পঙ্কজ নাথ বিএসসি অনার্স সম্পন্ন করেছেন।

বরিশাল-৫ (বরিশাল সদর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহিদ ফারুক গ্রাজুয়েশন, জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন বিএসসি, জাকের পার্টির মো. আবুল হোসাইন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার, এনপিপি’র আব্দুল হান্নান সিকদার স্বশিক্ষিত, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. আসাদুজ্জামান স্নাতক, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মাহাতাব হোসেন এসএসসি, স্বতন্ত্র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ স্বশিক্ষিত ও মো. সালাহউদ্দিন রিপন বিকম পাস করেছেন।

বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুল হাফিজ মল্লিক মাস্টার ইন ডিফেন্স স্টাডিজ (এমডিএস), জাতীয় পার্টির নাসরিন জাহান রত্মা স্বশিক্ষিত, তৃণমূল বিএনপির টি এম হজিরুল হক তুহিন বিএ, এনপিপির মো. মোশারফ হোসেন স্বশিক্ষিত, জাসদের মোহম্মদ মোহসীন ডিপ্লোমা ইন কমার্স, জাকের পার্টির মো. হুমায়ুন কবির সিকদার স্বশিক্ষিত, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. মাইনুল ইসলাম এলএলবি, স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজিব আহম্মদ তালুকদার এমবিএ, মো. শাহবাজ মিঞা অনার্স, মো. কামরুল ইসলাম খান এমবিএ, খান আলতাফ হোসেন এমএ এলএলবি করেছেন।