নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার কোনো অবকাশ নেই: চুন্নু

চন্দ্রদ্বীপ অনলাইন: পশ্চিমারা যেটা চায়, সেটা বাংলাদেশের জনগণও চায় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু। তিনি বলেন, বিশেষ করে ইউএস বলেন, অস্ট্রেলিয়া বলেন, তারা নির্বাচনের বিষয়ে যেসব কথা বলছে, সেগুলো বাংলাদেশের মানুষের মনের কথা এবং আমারও মনের কথা। যদিও আমরা চাই না বাইরের কেউ আমাদের বিষয়ে এভাবে কথা বলুক। আমার মনে হয়, এই সুযোগটা আমাদের মতো রাজনৈতিক দলগুলো করে দিয়েছে। এর জন্য আমরাই দায়ী। তবে তাদের বক্তব্যের সঙ্গে আমরা একমত।



নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য বড় হুমকি বিএনপি : ওবায়দুল কাদের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশে নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য বড় হুমকি বিএনপি। সহিংসতা করে, ষড়যন্ত্র করে সাত জানুয়ারি নির্বাচনকে বানচাল করা যাবে না। বিএনপি যদি মনে করে তারা সন্ত্রাস করবে আর সরকার বসে থাকবে, এটা ভুল ধারণা। হামলা সহিংসতায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।



কিছু ক্ষণ ব্যবহার করলেই ফোন গরম হয়ে যাচ্ছে ৩ কারণে?

চন্দ্রদ্বীপ অনলাইন:  পাঁচ মিনিটও হয়নি সঙ্গীর সঙ্গে ফোনে কথা বলা শুরু করেছেন। হঠাৎই অনুভব করলেন, ফোন গরম হয়ে গিয়েছে। ফোন দামি হোক কিংবা কমদামি, নামী মোবাইল সংস্থার ফোন ব্যবহার করলেও এমন হয়। এমনটা হলে অনেকেই ধরে নেন, সব দোষ ব্যাটারির। আবার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেন না অনেকেই। ফোন ব্যবহারের সময় এক ধরনের বিকিরণ তৈরি হয়। তাই সামান্য গরম হওয়া অস্বাভাবিক নয়। তবে ব্যবহারের সময় ফোন অত্যধিক গরম হয়ে গেলে, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা জরুরি। কিন্তু ঠিক কোন কারণগুলির জন্য ফোন গরম হয়ে যায়, জানেন?

অ্যাপস

ব্যবহারজনিত যে কারণগুলির জন্য ফোন গরম হয়, তার অন্যতম হল— অ্যাপস খুলে রাখা। বেশির ভাগ সময়েই একটি অ্যাপ ঠিক ভাবে বন্ধ না করেই অন্য অ্যাপ খোলা হয়। অনেকেই একসঙ্গে একাধিক অ্যাপ খুলে রাখেন ফোনে। অ্যাপ এমনিতেই মেমরিতে অনেকটা জায়গা নিয়ে থাকে। তার উপর একাধিক অ্যাপ খোলা রাখলে তাদের কাজও প্রসেসর চালাতে থাকে। ফলে ফোন গরম হয়ে যায়।

প্রসেসর

স্মার্টফোন গরম হওয়ার অন্যতম কারণ প্রসেসর গরম হওয়া। স্মার্টফোনের মূল যন্ত্রাংশই এর প্রসেসর। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ইলেকট্রন দিয়ে প্রসেসর স্মার্টফোনের শরীরের সঙ্গে লেগে থাকে। ব্যবহারের সময় প্রসেসরের মাধ্যমেই যাবতীয় কাজ হয় বলে ফোন গরম হয়ে যায়। ফোন কেনার আগে জেনে নিন, সেই সংস্থা ওই মডেলটির জন্য কতটা শক্তিশালী প্রসেসর দিচ্ছে।

র‌্যাম ও ক্যাশ মেমোরি

প্রতি দিনের অপ্রয়োজনীয় হোয়াট্‌সঅ্যাপ, মেসেজ ও ছবি জমিয়ে রাখেন অনেকেই। ফোন গরম হয়ে যাওয়ার সমস্যা কিন্তু সেখানেও লুকিয়ে রয়েছে। তাই দরকারি না হলে, বাড়তি ছবি, মেসেজ ডিলিট করে দিন। অ্যানিমেশন চালু থাকলে তা বন্ধ করুন। এ সব জমে গিয়ে মোবাইলের মেমরিতে অতিরিক্ত চাপ ফেলে ও ফোনকে সহজেই গরম করে দেয়।




২০২৩ সালে গুগলে সবচেয়ে বেশি খোঁজা হয়েছে যাদের




ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল পাবে আড়াই কোটিরও বেশি শিশু

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সারাদেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’প্লাস প্রচারাভিযান ও শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানো কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। এ অভিযানে  ২ কোটি ৫৮ লাখের বেশি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে বাংলাদেশের সরকার।



হামাসকে টেলিফোন রুশ মন্ত্রীর, জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার আহ্বান

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  রাশিয়ার উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিখাইল বোগদানভ গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসের হাইকমান্ডের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। ফোনালাপে হামাসকে তাদের হাতে থাকা জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।



শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : অগ্রহায়ণের শেষদিকে সারা দেশে শীত বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে উত্তরাঞ্চলে। সোমবার নওগাঁর বদলগাছীতে ১১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। বুধবার থেকে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কোনো কোনো এলাকার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে আসবে। ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত এটি বজায় থাকবে।

এ সময়ে শৈত্যপ্রবাহ না থাকলেও ঢাকায় তীব্র শীত অনুভূত হবে। কারণ, এ সময়ে রাজধানীতে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে আসবে। আবহাওয়া অফিস সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ১৩ থেকে ১৮ ডিসেম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা রয়েছে। এ সময়ে দিনাজপুর, রংপুর, কুড়িগ্রাম, নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, গাইবান্ধা, যশোরসহ বিভিন্ন এলাকার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে আসবে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের পর থেকে গত কয়েকদিনে ঢাকাসহ অন্যান্য জেলায় শীত বেড়েছে। এ সময়ে ঢাকায় রাতের তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি কমেছে।




২৯ ডিসেম্বর মাঠে নামতে পারে সেনাবাহিনী

চন্দ্রদীপ নিউজ : জাতীয় নির্বাচনে ১৩ দিনের জন্য মাঠে নামছে সশস্ত্র বাহিনী। তারা ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।

সোমবার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠকে এ বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে রাতে নির্বাচন ভবনে প্রতিরক্ষা সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকের পর সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং ইসি সচিব জাহাংগীর আলম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, এটা প্রারম্ভিক আলোচনা ছিল। এতে কমিশন আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তারা সশস্ত্র বাহিনীকে নির্বাচনে চাচ্ছে। কীভাবে মোতায়েন হবে, কোথায় কোথায় কীভাবে কাজ করবে– ইত্যাদি বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের জন্য কমিশন রাষ্ট্রপতির কাছে অনুরোধ করবে। তার পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতি যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, সশস্ত্র বাহিনী নির্বাচনে মোতায়েন হবে– তাহলে অবশ্যই হবে। আমরা নির্বাচন কমিশনকে আশ্বস্ত করেছি, তারা যেভাবে চায় সেভাবেই আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।

ইসির সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ইসি চাচ্ছে একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন হোক। ‘ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার’ নির্বাচন হোক। এ ব্যাপারে আমার সামান্যতম সন্দেহ নেই। তারা ‘ভেরি সিরিয়াস’ একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করার ব্যাপারে। রাষ্ট্রপতি আদেশ দিলে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে। যাতে একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়। অতীতেও সশস্ত্র বাহিনী যেভাবে মোতায়েন হয়েছে এবারও সেভাবে হবে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন হবে। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কিনা এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি। সেনাবাহিনীর হাতে বিচারিক ক্ষমতা (ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার) থাকবে কিনা তা নিয়েও আলোচনা হয়নি। গতবার ৩৫ হাজারের মতো সদস্য ছিল। এবার যদি বেশি প্রয়োজন হয় আমরা সেটা করব। গতবার ৩৮৮ উপজেলায় সশস্ত্র বাহিনী এবং ৮৭ উপজেলায় বিজিবি ছিল।

এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি উল্লেখ করে জাহাংগীর আলম বলেন, আজ পূর্ব-প্রস্তুতিমূলক সভা হয়েছে। নীতিগতভাবে রাষ্ট্রপতির কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করবে বলে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে সম্মতি পাওয়া গেছে।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে ৩০ ডিসেম্বর ভোটের আগে-পরে মিলিয়ে ১০ দিন বেসামরিক প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার জন্য ‘এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’ বিধানের অধীনে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হয়।




রাতের আধাঁরে শীতার্তদের গায়ে কম্বল জড়িয়ে দিলেন ডিসি

বরিশাল অফিস:: ঝালকাঠিতে গত দুই দিন ধরে তীব্র শীতের প্রভাব পড়েছে। এতে নিম্ন আয়ের মানুষ পড়েছেন ভােগান্তিতে। এ সব ছিন্নমূল শীতার্ত মানুষের শীত নিবারণের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।সোমবার রাতের আধাঁরে শীতার্তদের খুঁজে খুঁজে তাদের গায়ে কম্বল জড়িয়ে দেন ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফারাহ্ গুল নিঝুম। জেলা শহরের ইকােপার্কের বেদে পল্লী, সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন এলাকার ছিনমূল শীতার্ত মানুষের মাঝে তিন শতাধিক কম্বল বিতরণ করা হয়।

এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাে. রুহুল আমিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মােহাম্মদ মামুন শিবলীসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




দেশজুড়ে নাম-খ্যাতি ছড়িয়েছে বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর দীঘি

বরিশাল অফিস::  ইতিহাস ও ঐতিহ্যে সমৃদ্ধশালী প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা নদীবেষ্টিত উপজেলা বাবুগঞ্জ। এ উপলোয় জন্মেছেন বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের মত দেশের বহুগুণিজন। রয়েছে অপার সম্ভাবনাময় একাধিক পর্যটন কেন্দ্র। যার মধ্যে রয়েছে গোটা বাংলাদেশ যার নাম-খ্যাতি ছড়িয়েছে সেই দুর্গা সাগর। ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে বরিশাল জেলার অন্যতম ভ্রমণস্থান দুর্গাসাগর দীঘি। প্রতিদিন এ দীঘির সৌন্দর্য উপভোগ করতে বাবুগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শত শত মানুষ ছুটে আসেন।

বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কের পাশেই এ দীঘির অবস্থান। বরিশাল জেলা শহর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১২ কিলোমিটার। কথিত রয়েছে স্থানীয় জনগণের পানি সঙ্কট নিরসনে ১৭৮০ খ্রিস্টাব্দে এ দীঘিটি খনন করেন চন্দ্রদ্বীপের পরগনার তৎকালীন রাজা শিব নারায়ন। স্ত্রী রানী দুর্গাবতী একবারে যতদূর পর্যন্ত হেঁটে গিয়েছিলেন ততদূর পর্যন্ত এ দীঘি খনন করা হয় তিন লাখ টাকা ব্যয়ে। আর রানী দুর্গাবতীর নামেই এর নামকরণ করা হয় দুর্গা সাগর। এটি খননে এক রাতে রানী প্রায় ৬১ কানি জমি হেটেছিলেন।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী দীঘিটি ৪৫ একর ৪২ শতাংশ জমিতে অবস্থিত। এর ২৭ একর ৩৮ শতাংশ জলাশয় এবং ১৮ একর চার শতাংশ পাড়। এছাড়া দীঘির চারপাশ দিয়ে ১.৬ কিলোমিটার হাঁটার রাস্তা রয়েছে। পাড়টি উত্তর-দক্ষিণে লম্বা ১৪৯০ ফুট এবং প্রশস্ত পূর্ব-পশ্চিমে ১৩৬০ ফুট। দীঘিটির মাঝখানেই রয়েছে ছোট একটি দ্বীপ। যা এ দীঘির সৌন্দর্য আরও কয়েকগুন বাড়িয়ে তুলেছে।

একসময় এই শীত মৌসুমে বিভিন্ন প্রজাতির পাখির কলকাকলিতে মুখর থাকতো পুরো দুর্গাসাগর এলাকা। তবে সাগরের ভেতরের টিলার গাছ কেটে ফেলা, পরিবেশ বিপর্যয় ও পাখি শিকারিদের উৎপাতে অতিথি পাখির তেমন একটা দেখা মেলে না। দর্শনার্থী টানতে নানা পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে বরিশাল জেলা প্রশাসন। ভ্রমণ পিপাসুদের আকৃষ্ট করতে দীঘির মধ্যে শিশুদের জন্য ছোট্ট একটি শিশু পার্ক ও চিড়িয়াখানা স্থাপন করা হয়েছে। চিড়িয়াখানায় রয়েছে বেশ কয়েকটি হরিণ,বানর, ময়ূর। আগত পর্যটকদের বিনোদনের জন্য দীঘিতে নৌকার ব্যবস্থাও করেছে কর্তৃপক্ষ। টাকার বিনিময়ে নৌকা নিয়ে পুরো দীঘি ঘুরে বেড়াতে পারেন ভ্রমণ পিপাসুরা। দীঘিতে ঘুরতে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তায় রয়েছে সিসি ক্যামেরাও।

দীঘির চারপাশে নারিকেল, সুপারি, শিশু, মেহগনি প্রভৃতি বৃক্ষ রোপন করে সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলা হয়। যা বর্তমানে দীঘিটির শোভা বর্ধন করেছে। দীঘির চারপাশে হাটত হাটতে বিনোদনের নতুন মাত্রা খুঁজে পায় প্রকৃতিপ্রেমীরা। রানী দুর্গাবতী বুদ্ধিমতি ও প্রজাবৎসল ছিলেন। আঠার শতকের শেষভাগে নাটোরের রানী ভবানী ও চন্দ্র দ্বীপের রানী দুর্গাবতী জমিদারী পরিচালনা করে বাংলার ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন।