১৯৭১-এর ভারতীয় বীর যোদ্ধা আত্মসমর্পণ আলোচনার পূর্বকথা জানালেন

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : পাকিস্তানি সৈন্যরা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সংক্ষিপ্ত আলোচনার পর ভারত ও বাংলাদেশের মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। সম্প্্রতি ভারতীয় সামরিক বাহিনীর একজন সাবেক ক্যাপ্টেন বিজয়ীর সাথে পরাজয়ের আলাপচারিতার প্রাথমিক মুহূর্তগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরে প্রথমবারের মত এর পূর্বকথা সামনে এনেছেন।

অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল নির্ভয় শর্মা বলেছেন, একজন তরুণ ভারতীয় ক্যাপ্টেন হিসেবে তিনি অগ্রসর মিত্র বাহিনীর অংশ হিসেবে ঢাকা শহরে পা রাখা ভারতীয় সৈন্যদের প্রথম দলে ছিলেন।
সম্প্রতি তিনি একটি স্বনামে লেখা স্মৃতিকথায় সেদিনের প্রথম ঘন্টার ঘটনাগুলোর স্বল্প পরিচিত কাহিনী বর্ণনা করেছেন। তিনি স্বীকার করেন, বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের সিদ্দিকীও এ পর্বের অংশ ছিলেন।
পরে ভারতের অরুণাচল প্রদেশ ও মিজোরামের গভর্নর হিসাবে দায়িত্ব পালনকারী শর্মা বলেন, তারা পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর সদর দফতরে যাওয়ার জন্য মিরপুর ব্রিজ দিয়ে ‘ঢাকা’ প্রবেশ করেন।

কিন্তু কিছু ঘটনার কারণে পাকিস্তানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এএকে নিয়াজীর কাছে পৌঁছানোর তাদের প্রথম প্রচেষ্টা ভেস্তে যায়। অবশ্য পরে তারা ভারতের ১০১০ অঞ্চলের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং মেজর জেনারেল গান্ধর্ব নাগরার একটি বার্তা নিয়ে তার কাছে পৌঁছেন।

শর্মা বলেন, তাদের দ্বিতীয় যাত্রায়, ভারতের ২ প্যারা ব্যাটালিয়নের তার কমান্ডিং অফিসার কর্নেল পান্নু এবং আরও কয়েকজনের সাথে এবার তারা ‘প্রথম সৈন্য’ হিসাবে শত্রু-অধিকৃত ঢাকা সেনানিবাসে প্রবেশ এবং বার্তা পৌঁছাতে সফল হন।

ভারতের ‘দ্য প্রিন্ট’ পত্রিকায় প্রকাশিত শর্মার নিবন্ধে বলা হয়, ‘ব্যাটালিয়নটি সফলভাবে প্রবেশ করতে সক্ষম হওয়ার পর কর্নেল পান্নু, আরও কয়েকজন ও আমি অফিসারের সাথে দ্রুত সদর দফতরে জেনারেল নিয়াজীর কাছে যাই।’
তিনি লিখেছেন, ‘যখন আমরা পাকিস্তানের ইস্টার্ন কমান্ড হেডকোয়ার্টারে প্রবেশ করে জেনারেল নিয়াজীর অফিসের পাশে আমাদের জিপ দাঁড় করাই তখন একজন স্মার্ট পোশাকপরা, দীর্ঘকায় ও সুঠামদেহী সৈনিক আমাদের সামনে এসে দাঁড়ান।’
শর্মা আরো বলেন, কড়া শৃঙ্খলাবদ্ধ স্ট্যান্ডিং গার্ড ভারতীয়দের অফিসে প্রবেশে বাধা দেয়। সৈন্যটি ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে একেবারেই অবহিত ছিলেন না এবং ‘কী করবেন বা বলবেন’ বুঝে উঠতে পারছিলেন না।
শর্মা লিখেছেন, ‘তিনি আমাদেরকে তার জেনারেলের জন্য সংরক্ষিত জায়গায় আমাদের জিপ পার্ক করতে নিষেধ করেন। আমরা তাকে একপাশে ঠেলে জেনারেলের ঘরে ঢুকে পড়ি।’
তিনি স্মরণ করেন, কর্নেল পান্নু ‘নিয়াজীর দিকে কঠোর দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলেন এবং নিয়াজী তার চোখের দিকে তাকাতে পারছিলেন না। মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি নিয়ে শীর্ষ পাকিস্তানি জেনারেল হতাশায় দু’হাত দিয়ে তার মাথা চেপে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘আমার তার বিড়বিড় করা স্পষ্ট মনে আছে- ‘পিন্ডি মে বৈঠে হারামজাদন নে মারওয়া দিয়া (রাওয়ালপিন্ডিতে যারা বসে আছে তারা আমাদের হতাশ করেছে)।’
তিনি বলেন, রাওয়ালপিন্ডি সেই সকাল পর্যন্ত তাকে বোকা বানিয়েছিল, যা আমাদের ‘পথে সহায়ক হয়েছিল।’
ঢাকার দোরগোড়ায় ভারতীয় ব্যাটালিয়নের অ্যাডজুট্যান্ট শর্মা স্মরণ করেন, তাদের সৈন্যরা ১৫-১৬ ডিসেম্বর মধ্যরাতে মিরপুর ব্রিজ পয়েন্টে ঢাকার দরজায় টোকা মেরে শত্রুকে হতচকিত করে তুলেছিল। আর ১৬ ডিসেম্বর সকাল পর্যন্ত গোলাবর্ষণ এবং বিক্ষিপ্ত গুলিবর্ষণ অব্যাহত ছিল।
তিনি বলেন, নাগরা সকালে ঘটনাস্থলে আসেন এবং ‘আমাদের জানান যে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করতে রাজি হয়েছে এবং আমরা লেফটেন্যান্ট জেনারেল এএকে নিয়াজীর কাছে একটি বার্তা নিয়ে যাচ্ছি।’
বার্তাটি ছিল: ‘প্রিয় আব্দুল্লাহ, আমি এখানে। খেলা শেষ, আমি আপনাকে আমার কাছে নিজেকে সঁপে দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি এবং আমি আপনার দায়িত্ব নেব।’
শর্মার মতে, নাগরার সহযোগী ডি ক্যাম্প ক্যাপ্টেন হিতেশ মেহতাকে তার সাথে যেতে বলা হল। এসময় পাকিস্তানি সৈন্যরা সেতুর অপর পাশে অবস্থান করছিল।
প্রাথমিকভাবে দুইজন ক্যাপ্টেন নিয়াজীর জন্য নাগরার হাতের লেখা বার্তা নিয়ে একটি জিপে উঠেন। নিয়াজী ছোটবেলা থেকেই নাগরার সাথে পরিচিত ছিলেন এবং তারা একে-অপরকে ‘নাম ধরে ডাকতেন।’
শর্মা বলেন, তারা দুজন জিপের দিকে যাওয়ার সাথে সাথে অন্য দুই অফিসার, মেজর জেএস শেঠি ও লেফটেন্যান্ট তেজিন্দর সিং লাফ দিয়ে গাড়িতে ওঠেন।
শর্মা লিখেছেন, ‘আমরা সবাই আসন্ন বিপদ বিস্মৃত হয়ে আত্মসমর্পণের বার্তা নিয়ে ঢাকা প্রবেশ ও ইতিহাস সৃষ্টির চিন্তায় উত্তেজিত ছিলাম।’
কিন্তু, তিনি স্মরণ করেন, ‘তারা তরুণ অফিসাররা সে সময় খুব কমই জানতেন যে ওপারে পাকিস্তান সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণের নির্দেশ পায়নি এবং ‘তাই আমরা সেতু পার হওয়ার সাথে সাথে তারা গুলি চালালো। আমরা থামলাম।’
তিনি লেখেন, সমস্ত সাহস সঞ্চয় করে আমি চিৎকার করে তাদের গুলি চালানো বন্ধ করতে বললাম। গুলিবর্ষণ বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু অবিলম্বে শত্রু সৈন্যরা ছোট ভারতীয় সৈন্য দলটিকে ঘিরে ফেলে এবং নিরস্ত্র করে ফেলে।
ভারতীয় অফিসাররা তখন একজন পাকিস্তানি জুনিয়র কমিশন্ড অফিসারকে (জেসিও) একজন সিনিয়র অফিসারকে ফোন করতে বলেন। আর একই সঙ্গে শর্মা তাদের ক্ষতি করার চেষ্টা করলে ভয়ানক পরিণতির হুমকি দিয়ে বলেন, ভারতীয় সেনাবাহিনী ঢাকাকে ঘিরে রেখেছে এবং তাদের জেনারেলরা আত্মসমর্পণ করতে রাজি হয়ে গেছে।
শর্মা বলেন, সৌভাগ্যক্রমে অচিরেই একজন পাকিস্তানি ক্যাপ্টেন এসে দলটিকে মিরপুর গ্যারিসনে নিয়ে যান, সেখানে গ্যারিসনের কমান্ডার তাদের অপেক্ষা করতে বলেন। প্রায় এক ঘন্টা পর ঢাকা গ্যারিসনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ জামশেদ সেখানে আসেন।
জামশেদের সঙ্গে তারা তাদের ভারতীয় সেনাবাহিনীর জিপে মিরপুর ব্রিজে ফিরে আসেন। তখন একটি পাকিস্তানি জিপ তাদের অনুসরণ করে। ফেরার পথে ‘আমাদের ওপর আবার গুলি চালানো হয়। আমরা কারা তা কোন পক্ষই জানত না।’
তিনি বলেন, মেজর শেঠি তার বাম পায়ে একটি মাঝারি মেশিনগানের গুলি লাগে এবং আরেকটি বুলেট সিংয়ের হেলমেটের ঠিক মাঝখানে বিদ্ধ করে, যদিও ভাগ্যক্রমে তা লক্ষ্যচ্যুত হয়। কিন্তু পরিস্থিতি মোকাবেলা করা হয় এবং আমরা সেতুর অপর পাশে পৌঁছি।
বাসস’র সঙ্গে আলাপকালে কাদের সিদ্দিকী স্মরণ করেন,তাৎক্ষণিকভাবে কোন সাদা পতাকা পাওয়া না যাওয়ায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর জুনিয়র অফিসারদের জিপের ওপরে একটি সাদা শার্ট উড়ানো হয়। মিরপুর ব্রিজে ফেরার পথে শার্টটি কোথাও পড়ে যায়। এতে তারা অরক্ষিত হয়ে পড়েন এবং গাড়ি লক্ষ্য করে শত্রুপক্ষ গুলি চালায়।
শর্মা লিখেছেন, এর কিছুক্ষণ পরে সকাল ১০টা ৪২ মিনিটে, পাকিস্তানি অফিসারদের সাথে ভারতীয় অফিসারদের দলটি নিয়াজীকে নাগরার চিরকুটটি হস্তান্তর করতে ঢাকায় পুনঃপ্রবেশ করে।
পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মেজর সিদ্দিক সালিক তার ‘উইটনেস টু সারেন্ডার’-এ বলেছেন নাগরার বার্তা পেয়ে নিয়াজী পূর্ব পাকিস্তানে নৌবাহিনীর শীর্ষ কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ শরিফ এবং মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীসহ উপস্থিত সিনিয়র জেনারেলদের সাথে পরিস্থিতি নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, তারা উভয়েই নিয়াজীকে হাল ছেড়ে দেওয়ার এবং নাগরার আহ্বানে সাড়া দেয়ার পরামর্শ দেন কারণ, পাকিস্তানি পক্ষের ‘ঢাকা’ রক্ষা করার মতো যথেষ্ট শক্তি ছিল না।
সালিক লিখেছেন, ‘জেনারেল নিয়াজী মেজর জেনারেল জামশেদকে নাগরাকে অভ্যর্থনা জানাতে পাঠান।’
কাদের সিদ্দিকীর বর্ণনা
বাসস’র সাথে আলাপকালে কাদের সিদ্দিকী বলেন, জামশেদ একটি মার্সিডিজ গাড়িতে ঘটনাস্থলে আসেন। এরপরে আসে বেশ কয়েকটি পাকিস্তানি সামরিক যান। নাগরা ও আরও দুই ভারতীয় ব্রিগেডিয়ার, সান সিং ও ক্লেয়ার এবং তিনি নিজে গাড়ির পিছনের সিটে উঠে বসেন।
তিনি বলেন, জামশেদ ঢাকা সেনানিবাসে যাওয়ার পথে চালকের পাশে সামনের সিটে বসেন এবং ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল স্কুলে জামশেদের অস্থায়ী অফিসে কিছুক্ষণ থামেন। সেখান থেকে তারা নিয়াজীকে ফোন করার চেষ্টা করেন কিন্তু লাইনটি বিকল দেখতে পান।
প্রতিনিধি দলটি সরাসরি ঢাকা সেনানিবাসে নিয়াজীর অফিসে চলে যায়। সেখানে একজন পাকিস্তানি ক্যাপ্টেন তাদের অভ্যর্থনা জানায়। তিনি তাদের বলেন, জেনারেল খুব শিগগির সেখানে আসবেন। কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘৪/৫ মিনিট পর নিয়াজী এলেন এবং উভয় পক্ষ সালাম বিনিময় এবং করমর্দন করল। আমি তার (নিয়াজীর) সাথে করমর্দনের জন্য আমার হাত বাড়াতে পারলাম না।’
১৯৭১ সালের যুদ্ধের নথি থেকে জানা যায় প্রায় এক ঘণ্টা পরে ভারতীয় ইস্টার্ন ফ্রন্টের জেনারেল চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল জেএফআর জ্যাকব নিয়াজীর সদর দফতরে আসেন। এরপর আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণ আলোচনা শুরু হয়।

 




ভারতকে হারিয়ে যুব এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: যুব এশিয়া কাপে অপ্রতিরোধ্য দল ভারত। গত ৯ আসরে আটবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। সেই ভারতকেই সেমিফাইনাল থেকে বিদায় করলো বাংলাদেশ। অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়নদের ৪ উইকেট আর ৪৩ বল হাতে রেখে হারিয়ে ফাইনালে নাম লিখিয়েছে মাহফুজুর রহমান রাব্বির দল।

টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে জয়ের ভিতটা গড়ে দিয়েছিল বাংলাদেশের বোলাররাই। ৪২.৪ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৮৮ রানে থামে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। জবাবে আরিফুল-আহরারের ব্যাটে ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে যুবা টাইগাররা।

আগামী রোববার দুবাইতে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল ম্যাচটি। যেখানে বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে আরব আমিরাত। দিনের অন্য সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়েছে স্বাগতিক আমিরাত।

বাংলাদেশের লক্ষ্য খুব বড় না হলেও শুরুর দিকে ঘাবড়ে দিয়েছিলেন যুবারা। ১৮৯ রান তাড়া করতেই ৩৪ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে বসে তারা। সে ধাক্কা থেকে বাংলাদেশের যুবারা ঘুরে দাঁড়ায় আরিফুল ইসলাম ও আহরার আমিনের ১৩৮ রানের দারুণ জুটির সৌজন্যে। লক্ষ্য থেকে ১৭ রান দূরে থাকতে আরিফুল ৬ রানের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়েন। ৯০ বলে ৯ চার ও ৪ ছয়ে ৯৪ রান করেন তিনি।




জোট-মহাজোটের গ্যারাকলে বরিশাল-৩ আসন !

এস এল টি তুহিন,বরিশাল :: আবারো জোট-মহাজোটের গ্যারাকলে পরলেন বরিশাল-৩ আসন। থাকছেন না আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী ! ছাড়তে হচ্ছে জোটের অন্যতম শরিকদল ওয়ার্কার্স পার্টিকে। ফলে হতাশা আর ক্ষোভে ফেটে পরছেন বরিশাল-৩ সংসদীয় আসনের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। স্বাধীনতা পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরাবরই জোটের কারণে আসন হারাতে হয়েছে আওয়ামীলীগকে। কখনও জোট কখনও মহাজোট থেকে প্রার্থী মনোনিত হওয়ায় এভাবেই এখানকার নেতাকর্মীরা বঞ্চিত হয়েছে প্রকৃত নৌকার মাঝি থেকে।

চলতি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাবুগঞ্জ-মুলাদী আসনের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা একজোট হয়ে মাঠে নেমেছিলেন নৌকার মনোনয়ন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের হাতে তুলে আনবেন। জনগনের দাবীর প্রতিফলনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান সরদার খালেদ হোসেন। ফলে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্যতা ফিরে আসে। আট-ঘাট বেঁধে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে মাঠে নামেন আওয়ামী লীগের হাজারো নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা। এবারও জোট মহাজোটের গ্যারাকলে আবারো হতাশায় নিমজ্জিত হলেন আওয়ামী লীগ।

এবার জোটের কারণে ১২১বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) সংসদীয় আসনটি ১৪ দলীয় জোটের শরিকদের ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। সে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বরিশাল-৩ আসনটি ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননকে ছেরে দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় মহাজোটকেন্দ্রীক রাজনীতিতে বেশ টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে।

রাশেদ খান মেনন এই আসনে মনোনয়ন পাওয়ার খবরে বাবুগঞ্জ-মুলাদীর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের উচ্ছ্বাস কমেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক নেতা বলেছেন, ২২ বছর পর আওয়ামী লীগের কোনো নেতা নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে যাওয়ায় তাঁরা খুব আনন্দিত হয়েছিলেন। এখন সেই আনন্দে ভাঁটা পড়েছে। মহাজোটের কারণে ২০০৮ সালে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আফজালুল করিম মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর তা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়েছিলেন।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক মুলাদী-বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতাকর্মীরা বলেন র্দীঘদিন পর বরিশাল-৩ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনোনয়ন পাওয়ার ফলে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্যতা ফিরে আসে। কিন্তু জোট-মহাজোটের কারণে আবারো আসনটি শরীকদের হাতে চলে যাচ্ছে এটা সত্যিই আমাদের জন্য হতাশার বিষয়। অতীতের কর্মকান্ডের বিষয়ে হিসেব নিকেশ করে আগামীর নির্বাচনে ভোট প্রদান করবেন তারা।




হতাশায় সাদিক-শাম্মীর অনুসারীরা,উচ্চাদালতে করবেন রীট

এস এল টি তুহিন,বরিশাল :: প্রার্থীতা ফিরে পেতে উচ্চাদালতে রীট পিটিশন দায়ের করবেন বরিশাল-৪ আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ড. শাম্মী আহমেদ ও বরিশাল-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় শুক্রবার উভয়ের মনোনয়ন পত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রার্থীতা বাতিল হওয়ায় দুই নেতার অনুসারীরা হতাশ হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে সাদিক আবদুল্লাহর ঘনিষ্ঠ ৪ খলিফা ও তাদের কর্মীরা অনেকটাই আড়ালে চলে গেছেন। বিশেষ করে পরিচিত কয়েকজনকে রাস্তাঘাটে তেমন একটা দেখা যাচ্ছে না। সন্ধ্যার পরে সাদিক আবদুল্লাহর বাসভবনে কিছু অনুসারীদের দেখা গেলেও ভিড় অনেকটাই কমেছে। এর মাঝেও উভয় অনুসারীদের আশা উচ্চাদালতে গেলে প্রার্থীতা ফিরে পাবেন।

অষ্ট্রেলিয়ায় নাগরিকত্ব থাকায় রিটানিং কর্মকর্তা বরিশালের জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম বরিশাল-৪ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ড. শাম্মী আহমেদের মনোনয়ন ফরম বাতিল করেন। বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপীল করে। নির্বাচন কমিশন তাদের নাগরিকত্ব না থাকার বিষয় সম্পর্কে তথ্য চেয়ে অষ্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনে চিঠি দেয়।

সেখান থেকে তথ্য পাওয়ার পর বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ ধারা অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তার আদেশ বহাল রাখে নির্বাচন কমিশন।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের আপীল বিভাগের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপ-পরিচালক (চ.দা) আব্দুর রশিদ মিয়া জানান, দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় ড. শাম্মী আহমেদের প্রার্থীতা বাতিল করা হয়েছে। দ্বিতীয়বারের মতো প্রার্থীতা বাতিল করার পরও হাল ছাড়ছেন না ড. শাম্মী আহমেদ ও তার অনুসারীরা। তাদের আশা উচ্চাদালতে রীট করার পর প্রার্থীতা ফিরে পাবেন।

প্রার্থীতা ফিরে না পেলে করনীয় সম্পর্কে ড. শাম্মীর ঘনিষ্টজন হিসেবে পরিচিত মেহেন্দিগঞ্জ পৌর মেয়র বলেন, দল ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর নির্দেশনা অনুযায়ী সিদ্বান্ত নেয়া হবে। তার সিদ্বান্ত অনুযায়ী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কাজ করবে।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহম্মেদের মোবাইল ফোন নম্বরে কল করলে রিসিভ করেন মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ মনির। তিনি বলেন, আমরা উচ্চাদালতে আপীল করবো। প্রয়োজনে সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত যাবো। ইনশাআল্লাহ আমরা প্রার্থীতা ফিরে পাবে। নৌকা নিয়ে আমরা ফিরে আসবো।

রির্টানিং কর্মকর্তা বৈধ ঘোষনা করলেও নির্বাচন কমিশনে আপীল করায় প্রার্থীতা বাতিল হয়েছে বরিশাল-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর। আমেরিকার নাগরিকত্ব থাকা ও হলফনামায় স্ত্রীর সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগ আনেন বরিশালÑ৫ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী কর্নেল অব. জাহিদ ফারুক শামীম।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের আপীল বিভাগের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপ-পরিচালক (চ.দা) আব্দুর রশিদ মিয়া জানান, যে গ্রাউ-রে উপর প্রার্থীতা বাতিলের আবেদন করা হয়েছে। সেই গ্রাউ-র উপর ভিত্তি করে সাদিক আবদুল্লাহর প্রার্থীতা বাতিল করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বরিশাল জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাড. একেএম জাহাঙ্গীর বলেন, আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো প্রার্থীতা ফিরে পাওয়ার জন্য। আমরা উচ্চাদলতে আপীল করবো। তিনি বলেন,আমরা আমাদের নির্বাচনী কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি। যাবতীয় কার্যক্রম গুছিয়ে রাখতে কাজ করে যাচ্ছি। আমেরিকার নাগরিকদের ৬ মাস পর পর রিনিউ করতে হয়। গত ৫ বছর সে আমেরিকায় যায়নি। তার নাগরিকত্ব বাতিল হয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা হাইকোর্টে রিট করবো। রোববার অথবা সোমবারের মধ্যে আপনারা ফলাফল পেয়ে যাবেন।

 




বিপর্দস্ত বিএনপি:ওমরের বিকল্প এখন কে?

এস এল টি তুহিন,বরিশাল :: ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনে বিএনপিতে শাহজাহান ওমরের বিকল্প কে হতে পারে তা নিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে চলছে আলোচনা পর্যালোচনা। সম্প্রতি বিএনপির প্রভাবশালী নেতা ব্যারিষ্টার এম শাহজাহান ওমর বীর উত্তম আওয়ামী লীগে যোগ দেয়ায় বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ঝালকাঠি-১ আসনের নেতা-কর্মীরা হতাশ হয়ে পরে। এতদিন শাহজাহান ওমরই ছিলেন এ আসনের বিএনপি নেতা-কর্মীদের অভিভাবক। শাহজাহান ওমর আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে নৌকা প্রতীকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ায় ইতোমধ্যেই রাজাপুর কাঠালিয়ার বিএনপির একটি অংশ নৌকা প্রতীকের নির্বাচন করার ঘোষনা দেন। এ অবস্থায় আসনটিতে বিএনপির নেতা-কর্মীরা মনোবল হারিয়ে ফেলেন। যদিও রাজাপুর উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক নাসিম আকন সংবাদ সম্মেলন করে দলীয় নেতা-কর্মীদের সংঘবদ্ধ থাকার আহবান জানিয়ে শাহজাহান ওমরের পক্ষে কেউ নির্বাচনী প্রচারনায় নামলে তাকে দল থেকে বহিস্কারের হুশিয়ারী দেন।

তৃনমুল বিএনপির নেতা-কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায় রাজাপুর ও কাঠালিয়ায় শাহজাহান ওমরের শুন্য স্থান পুরনে দলটির দুই নেতা প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। শাহজাহান ওমরের আওয়ামী লীগে যোগদানের পর ঝালকাঠি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির প্রভাবশালী সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল এক ভিডিও বার্তায় ‘নেতা-কর্মীদের হতাশ না হয়ে সংঘবদ্ধ থেকে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাবার আহবান জানান। ভিডিও বার্তায় তিনি রাজাপুর ও কাঠালিয়ার বিএনপির নেতা-কর্মীদের যেকোন প্রয়োজনে পাশে থাকার ঘোষনা দেন। রফিকুল ইসলাম জামাল ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি থেকে নির্বাচনে অংশ নেন। এ সময় তিনি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বজলুল হক হারুনের কাছে হেরে গেলেও ৪০হাজারের উপরে ভোট পেয়ে আলোচনায় আসেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনেও শাহজাহান ওমরকে প্রধান প্রার্থী ও রফিকুল ইসলাম জামালকে বিকল্প প্রার্থী মনোনয়ন দেয়া হয়।

কাঠালিয়া উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জালালুর রহমান আকন, আমুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক আকতার হোসেন নিজাম মিরবহন ও রাজাপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক পারভেজ আহমেদ বলেন, দলের দু:সময় জামাল ভাই সব সময়ই আমাদের পাশে ছিলেন ও বর্তমানেও আছেন। ওয়ান-ইলেভেনের সময় শাহাজাহান ওমর যখন আমেরিকায় ছিলেন, তখনও রফিকুল ইসলাম জামাল ভাই এ আসনে বিএনপির হাল ধরেছিলেন।

অন্যদিকে নেতা-কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে ঝালকাঠি-১ আসনের বিএনপির হাল ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন নিউইয়র্ক সিটি দক্ষিনের আহ্বায়ক সেলিম রেজা। সেলিম রেজার বাড়ি রাজাপুর উপজেলার শুক্তগড় ইউনিয়নে। তিনি বিএনপির প্রভাবশালী প্রবাসী নেতা হিসেবে পরিচিত। প্রবাসে থেকেও তিনি রাজাপুর-কাঠালিয়া উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। বিভিন্ন কর্মসুচিতে সাহায্য সহযোগীতা করে আসছেন বলে জানিয়েছেন নেতা-কর্মীরা।

সেলিম রেজা ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সনে রাজাপুরে বিএনপির নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করেছেন। ২০০৪ সনে তিনি আমেরিকা প্রবাসী হন। ২০০৬ সালে আমেরিকার বিএনপির রাজনীতিতে তিনি ফ্রন্ট লাইনে চলে আসেন। বর্তমানে তিনি এলাকার বিএনপির নেতা-কর্মীদের সার্বক্ষনিক খোঁজ খবর নিচ্ছেন বলে জানান নেতা-কর্মীরা।

কাঠালিয়া যুবদল নেতা আতিকুর রহমান চন্দ্রদীপ নিউজকে  বলেন, তিনি প্রবাসে থাকলেও এখন দেশের রাজনীতিতে তার আসার বিষয়টি সময়ের ব্যাপার মাত্র। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাথে তিনি সক্রিয়। রাজাপুর উপজেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সহসম্পাদক মো. সজল সিকদার জানান, রেজা ভাইর সাথে আমারা ২০০২ সনে ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে পরিচিত। তিনিও সে সময় ছাত্রদল করতেন। তিনি রাজাপুর ছাত্রদল ও যুবদলের সাথে কথা বলেন, খোঁজ খবর নেন প্রায়ই। রাজাপুর উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক গোলাম মোস্তাফা সিকদার জানান, সেলিম রেজা আমাদের এ আসনে শাহজাহান ওমরের শূণ্যতা পূরণে যোগ্য ব্যক্তিত্ব। আমরা তাকে সবসময় কাছে পাই। তিনি যদিও দীর্ঘ সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। কিন্তু আমাদের প্রয়োজনে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেন।

সেলিম রেজা বলেন, কেহ যদি আদর্শচ্যুত হয়ে দল ত্যাগ করে চলে যান তাতে দলের ক্ষতি হবেনা। কারণ আমাদের নেতা তারেক রহমান বলেছেন ব্যক্তির চেয়ে দল বড় দলের চেয়ে দেশ বড়। আমার কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি ঐক্যবদ্ধ ভাবে পালন করে যাচ্ছি। তাই বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত।

 




বরিশালে পুলিশ কমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণ

বরিশাল অফিস :: পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) জিহাদুল কবির বিপিএম সেবা, পিপিএম বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের নবনিযুক্ত কমিশনার হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন।

শুক্রবার বিকেলে পুলিশ কমিশনার তার নিজস্ব কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করে সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের হেড কোয়ার্টারের নিজ কার্যালয়ে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন।

বরিশালের কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় নবনিযুক্ত বিএমপি কমিশনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ সামগ্রিক বিষয়ে সংবাদ কর্মীদের সহযোগিতা চেয়েছেন। মতবিনিময় সভায় পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




পাথরঘাটায় পূজা উদযাপন পরিষদের পরিচিতি সভা

বরিশাল অফিস :: বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের পাথরঘাটা উপজেলা শাখা কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় পাথরঘাটা সার্বজনীন কেন্দ্রীয় মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ফারজানা সবুর রুমকি। বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন, সাধারন সম্পাদক আ্যাডভোকেট জাবির হোসেন, পৌর মেয়র আনোয়ার হোসেন আকন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক ১ নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান নাদিম,

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ বরগুনা জেলা শাখার সভাপতি সুখরঞ্জন শীল ও জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক খোকন কর্মকার। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ উদযাপন পরিষদ পাথরঘাটা উপজেলা শাখার সভাপতি অরুন কর্মকার এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন সাধারণ সম্পাদক রাজীব মৃধা বিটুল।




গাজায় হামাস-ইসরায়েলি সেনাদের মধ্যে তুমুল লড়াই




ভারতকে হারিয়ে ফাইনালের পথে বাংলাদেশ




ইসির আপিল শুনানিতে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ২৭৫ জন

চন্দ্রদ্বীপ  ডেস্ক: ইসি জানায়, এর আগে আপিল শুনানির প্রথম দিনে ৫৬ জন প্রার্থিতা ফিরে পান, দ্বিতীয় দিনে ৫১ জন প্রার্থী, তৃতীয় দিনে প্রার্থিতা ফিরে পান ৬১ জন, চতুর্থ দিনে ৪৪ জন, পঞ্চমদিনে প্রার্থিতা ফিরে পান ৪৩ জন এবং আজ শেষ দিনে ২০ জন প্রার্থী প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। গত ছয়দিনে মোট ২৭৫ জনজন নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। তবে শেষ দিনে ফরিদপুর-৩ ও বরিশাল-৫ আসনের বৈধ প্রার্থীর প্রার্থিতা আপিলে বাতিল হয়েছএর আগে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫৫৮টি আপিল আবেদন জমা পড়ে। ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত শুনানি শেষে আপিল আবেদনগুলো নিষ্পত্তি করে ২৭৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নের বৈধতা দিল নির্বাচন কমিশন। তবে মোট আপিলের মধ্যে ২৮৩ জন প্রার্থীর আবেদন নামঞ্জুর করেছে আউয়াল কমিশন। এই ২৮৩ জন প্রার্থী প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে আপিল করতে পারবেন।

ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি (রোববার)।

[contact-form][contact-field label=”Name” type=”name” required=”true” /][contact-field label=”Email” type=”email” required=”true” /][contact-field label=”Website” type=”url” /][contact-field label=”Message” type=”textarea” /][/contact-form]