আমাকে ফাঁসানো হয়েছে; জ্যাকলিন?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ২০০ কোটি টাকা আর্থিক প্রতারণায় নাম জড়ানোর পর থেকে জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জ্যাকলিনের। এ বার আদালতের দ্বারস্থ হলেন নায়িকা।

বছর দুয়েকে আগে ২০০ কোটি টাকা আর্থিক প্রতারণায় নাম জড়ায় অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ়ের। এই ঘটনার মূল চক্রী সুকেশ চন্দ্রশেখর, যাঁর সঙ্গে অভিনেত্রীর প্রেমের সম্পর্ক থাকায় জ্যাকলিনের মামে ফৌজদারী মামলা করে ইডি। সম্প্রতি ওই ফৌজদারী মামলা বাতিল করার আবেদন জানিয়ে দিল্লির উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন নায়িকা।

তাঁর নামে এই মামলা দায়ের হওয়ার পর থেকে যেন জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে নায়িকার। দেশের অন্দরে হোক কিংবা বিদেশে, কোথাও গেলেই নিতে হয় আদালতের অনুমতি। ঘন ঘন ডাকা হয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। ইডির দায়ের করা এই ২০০ কোটির আর্থিক প্রতারণার মামলায় সহ-অভিযুক্ত হিসাবে নাম রয়েছে জ্যাকলিনের। এছাড়াও দিল্লি পুলিশের তরফে করা একটি তোলাবাজির মামলায় প্রধান সাক্ষী তিনি।

যদিও এক সময় এই সুকেশের সঙ্গেই প্রেমের সম্পর্ক ছিল জ্যাকলিনের। এক সময় তাঁদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবিও ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন জায়গায়। প্রেমিকাকে দামি দামি উপহারও দিয়েছেন সুকেশ। তার পরই ২০০ কোটি টাকার আর্থিক তছরুপের মামলায় নাম জড়ায় অভিনেত্রীর। এই মামলায় নাম জড়ানোর পর থেকেই জ্যাকলিন, সুকেশের অস্তিত্ব অস্বীকার করেছেন নিজের জীবনে। এ বার সুকেশের বিরুদ্ধে হওয়া মামলায় যে ভাবে তাঁর নাম জড়ানো হয়েছে তা বাতিলের আবেদন জানিয়েছেন তিনি। জ্যাকলিনের দাবি, ইডি যে সমস্ত নথি দাখিল করেছে তাতেই প্রমাণিত তিনি সুকেশের ষড়যন্ত্রের শিকার, তাঁকে ঠকানো হয়েছে, ফাঁসানো হয়েছে।




৫ ঘরোয়া উপায়ে মুখের ঘা’র যন্ত্রণা থেকে রেহাই পাবেন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  মুখে ঘা হলে ক’দিনের জন্য ঝাল, টক জাতীয় খাবার এড়িয়ে যাওয়াই ভাল। না হলে মুখে জ্বালা হবে। মুখ সব সময়ে পরিষ্কার রাখতে হবে। আর কী কী করলে আলসারের তীব্র যন্ত্রণা থেকে চটজলদি রেহাই পাবেন, রইল হদিস।

মুখে ঘা হলে খাওয়াদাওয়া করতে বা কথা বলার সময়ে বেশ বিপাকে পড়তে হয়। এই সমস্যা দীর্ঘ দিন উপেক্ষা না করাই ভাল। সামান্য ঘা ভেবে অবহেলা করলেই বিপদ। এই সমস্যা কিন্তু মুখে আলসারের লক্ষণও হতে পারে। কোষ্ঠকাঠিন্য, হরমোনের সমস্যার কারণে মুখের ভিতরে আলসার হতে পারে। অনেকে আবার ব্রেসেস পড়েন, তাঁদেরও মাঝেমাঝে এই সমস্যা হয়। শরীরে ভিটামিন সি ও ভিটামিন বি, আয়রন, জিঙ্ক, ফোলেটের ঘাটতির কারণেও মুখের আলসার হতে পারে

মুখে ঘা হলে ক’দিনের জন্য ঝাল, টক জাতীয় খাবার এড়িয়ে যাওয়াই ভাল। না হলে মুখে জ্বালা অনুভূত হবে। মুখ সব সময়ে পরিষ্কার রাখতে হবে। প্রচুর পরিমাণে জল খেতে হবে। আর কী কী করলে আলসারের তীব্র যন্ত্রণা থেকে চটজলদি রেহাই পাবেন, রইল হদিস।

১) আলসার কমাতে ঈষদুষ্ণ জলে সামান্য নুন মিশিয়ে কুলকুচি করুন। এতে আরাম পাবেন। দিনে তিন থেকে চার বার করলে ব্যথা ও ঘা দুই-ই কমে আসবে।

২) ঘায়ের জায়গায় সামান্য মধু লাগিয়ে রাখতে পারেন, বেশ উপকার পাবেন। কয়েক ঘণ্টা অন্তর অন্তর মধু লাগালে তবেই সুফল পাবেন

৩) ঘায়ের জায়গায় বিশুদ্ধ নারকেল তেল লাগিয়ে রাখলেও বেশ আরাম পাওয়া যায়।

৪) যে কোনও ঘায়ের মোক্ষম দাওয়াই হতে পারে হলুদ। মুখে যে জায়গায় ঘা হয়েছে, সেই স্থানে হলুদ বাটা লাগিয়ে রাখতে পারেন। কিছু দিন ব্যবহার করলেই ঘায়ের তীব্র জ্বালা-যন্ত্রণা করবে।

৫) বেকিং সোডা ঘা সারাতে দারুণ উপকারী। এক কাপ জলে এক চা চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে কুলকুচি করলে ঘা কমে যাবে। তা ছাড়া বেকিং সোডার সঙ্গে সামান্য জল মিশিয়ে একটা ঘন পেস্ট তৈরি করে নিতে পারেন। সেই পেস্ট ক্ষতস্থানে লাগিয়ে রাখলেও বেশ উপকার পেতে পারেন।




কোভিডের নয়া রূপ জেএন.১

চন্দ্রদ্বীপ অনলাইন :  সামনেই বড়দিন। উৎসবের মরসুমে কোভিডের নয়া উপরূপ জেএন.১-এর দাপট আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন চিকিৎসকেরা। কতটা সংক্রামক এই ভাইরাস? কী বলছেন চিকিৎসকেরা?

ফের বাড়ছে কোভিড সংক্রমণ। দেশে প্রথম করোনা ভাইরাসের উপরূপ জেএন.১-এ আক্রান্তের হদিস মিলেছে। তার পরেই সজাগ হল কেন্দ্র। রাজ্যগুলিকে সাতটি নির্দেশিকা পাঠাল। কেরলের তিরুঅনন্তপুরমে ৭৯ বছরের এক মহিলার নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, তিনি জেএন.১-এ আক্রান্ত হয়েছেন। এর আগে তামিলনাড়ুর তিরুচিরাপল্লি থেকে সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন এক মহিলা। তাঁর শরীরেও ধরা পড়েছিল করোনা ভাইরাসের এই নয়া উপরূপ। সামনেই ক্রিস্টমাস, উৎসবের মরসুমে এই ভাইরাসের দাপট আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন চিকিৎসকেরা

জেএন.১-এর সঙ্গে যুক্ত লক্ষণগুলির সঙ্গে ভাইরাসের পূর্ববর্তী রূপের উপসর্গগুলির সাদৃশ্য রয়েছে। উপসর্গগুলির মধ্যে জ্বর, সর্দি, গলাব্যথা, মাথাব্যথার উপসর্গগুলি লক্ষ করছেন চিকিৎসকেরা। বিভিন্ন রিপোর্টে বলা হচ্ছে, জেএন.১ ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে পেটের সমস্যা যেমন পেটে ব্যথা, ডায়ারিয়ার সমস্যা বেশি চোখে পড়ছে। তবে এর জন্য আরও গবেষণার প্রয়োজন আছে।

কোভিডের এই উপরূপের সংক্রমণযোগ্যতা নিয়ে উদ্বেগ তো আছেই। তবে সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) ইঙ্গিত অনুযায়ী, জেএন.১ সংক্রমণের হার বেশি হলেও মৃত্যুর ঝুঁকি কোভিডের অন্যান্য উপরূপের তুলনায় বেশি নয়। তবুও চিকিৎসকেরা সতর্ক থাকা এবং পুরনায় কোভিডবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন। এখনও পর্যন্ত পাওয়া রিপোর্টের ভিত্তিতে জেএন.১ উপরূপটিকে খুব বেশি প্রাণঘাতী বলে মনে করছে না চিকিৎসকদের একাংশ। জেএন.১ প্রতিরোধে কোভিডের টিকা ভাল কাজ করছে বলে মনে করছেন চিকিৎসকেরা। তবে সতর্ক না হলে বিপদ বাড়তে সময় লাগবে না।

তিরুঅনন্তপুরমে ৭৯ বছর বয়সি যে মহিলার শরীরে জেএন.১ উপরূপটি পাওয়া গিয়েছে। তাঁর শরীরে প্রাথমিক পর্যায় ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো উপসর্গ দেখা গিয়েছিল। তবে এখন তিনি সুস্থ। কোভিডের কোনও রকম উপসর্গ তাঁর শরীরে এখন নেই।




যে গ্রামে সব শিশুই যমজ

১৯৮০ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সদ্যভূমিষ্ঠ প্রতি ৫৩ শিশুর মধ্যে একজন যমজ হত। ২০০৯ সালের হিসেবে তা বেড়ে দাঁড়ায় প্রতি ৩০ জনে একজন। তবে পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে এমন একটি গ্রাম রয়েছে যেখানে অদ্ভুতভাবে সব শিশুই যমজ জন্মগ্রহণ করে।

এমনই এক রহস্য কেরলের মালাপ্পুরম জেলার কোদিনহি অদ্ভুত একটি গ্রাম। রাস্তাঘাটে, খেলার মাঠে, স্কুলে বা অফিসে সর্বত্র দেখতে পাবেন যমজদের। জেলা সদর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে প্রায় বিচ্ছিন্ন এক গ্রাম কোদিনহি। গ্রামের তিন পাশেই পানি। মাত্র একদিকে ভূমি, যেখান দিয়ে নিকটবর্তী তিরুরাঙ্গাদি শহরের সঙ্গে গ্রামের মানুষের যোগাযোগ।

এই গ্রামে সবমিলিয়ে দুই হাজারের কিছু বেশি পরিবারের বসবাস, জনসংখ্যার মোট হিসেবে ১১ হাজারের মতো, যাদের ৮৫ ভাগই মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্ত। গ্রামের অবাক করা তথ্য হল, মাত্র দুই হাজার পরিবারের মধ্যে যমজের সংখ্যা ৪৫০ জোড়া! কোদিনহি গ্রামে যমজ সন্তান জন্মের হার বৃদ্ধি পেয়েছে ৬০-৭০ বছর আগে থেকে।

তবে আগে এই গ্রামে যমজ সন্তান জন্মের হার স্বাভাবিকই ছিল। বর্তমানে এই গ্রামে যমজ সন্তান জন্মের হার আগের চেয়েও বেড়েছে। ভারতে জাতীয়ভাবে যমজ সন্তান জন্মের গড় হার প্রতি হাজারে মাত্র ৪ জন, সারা পৃথিবীতে যা প্রতি হাজারে ৬ জন। কিন্তু কোদিনহি গ্রামে প্রতি হাজারে প্রায় ৪৫ জন যমজ সন্তানের জন্ম হয়ে থাকে, যা বৈশ্বিক গড়ের আট গুণের কাছাকাছি

২০০৮ সালের হিসাব অনুযায়ী, এই গ্রামে জন্ম নিয়েছিল ২৬৪ যমজ শিশু, সংখ্যাটা বেড়ে এখন ৪৫০-এ দাঁড়িয়েছে। সারা বিশ্বে যমজ সন্তান প্রসবের যে হার, কেরালার এই গ্রামে সে হার প্রায় ছয় গুণ বেশি। যমজের জন্মের এই আশ্চর্য ঘটনা বিশ্বে কেবল কোদিনহিতে নয়, আরও দু’টি গ্রামেও ঘটে। নাইজেরিয়ার ইগবো ওরা এবং ব্রাজিলের ক্যানডিডো গডোই নামের গ্রামে। এই দু’টি গ্রামের যমজ সন্তান জন্মের ব্যাখা অবশ্য পাওয়া গিয়েছে।

তবে একবিংশ যুগে এসেও বিজ্ঞানীরা সঠিকভাবে কোদিনহির ব্যাখ্যা দিতে পারছেন না। কোদিনহি গ্রামের যমজ সন্তানের কথা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়লে জেনেটিক বিশেষজ্ঞরা এর রহস্য উদঘাটনের সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু এখনো সেই রহস্য উদঘাটন সম্ভব হয়নি।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া




শেখ হাসিনা নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন আজ




বরিশালের ৬ টি আসনে ১৩ ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়োগ

বরিশাল অফিস :: আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের জন্য বরিশাল জেলার ৬ টি আসনে ১৩ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। ১৮ ডিসেম্বর এই নিয়োগ প্রদান করে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়। কমিশন সচিবালয়ের উপ সচিব আব্দুস সালাম স্বক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে ভোট গ্রহনের আগের ও পরের ২ দিন এবং ভোট গ্রহনের দিন মিলিয়ে মোট ৫ দিন ম্যাজিষ্ট্রেটরা নির্বাচনী মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রজ্ঞাপনে বরিশাল-১ আসনের গৌরনদী উপজেলায় বরিশালের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ মনিরুজ্জামান,আগৈলঝাড়ায় সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট শারমিন সুলতানা সুমি,বরিশাল-২ আসনের উজিরপুর উপজেলায় সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট খোকন হোসেন,বানারিপাড়ায় জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট রেনেসা খান,বরিশাল-৩ আসনের মুলাদী উপজেলায় সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট সুমাইয়া রেজবী মৌরী, বাবুগঞ্জ উপজেলায় মেট্টোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আল ফয়সাল,বরিশাল -৪ আসনের মেহন্দীগঞ্জ উপজেলায় মেট্টোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আব্দুল আলিম, হিজলা উপজেলায় সহকারী জজ নজরুল ইসলাম,বরিশাল সদর ৫ আসনে সিটি এলাকার ১ থেকে ১৫ নং ওয়ার্ডে অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ জহির উদ্দিন,১৬ থেকে ৩০ নং ওয়ার্ডে অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ হাবিবুর রহমান চৌধুরী,বরিশাল সদর উপজেলায় জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার রেজওয়ানা আফরীন,বরিশাল ৬ আসনের জন্য বিদ্যুৎ আদালতের ম্যাজিষ্ট্রেট গৌতম কুমার ঘোষ এবং জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মাহফুজুর রহমান কে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

নিয়োগ প্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেদের প্রয়োজনীয় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এ্ং যানবাহন প্রদানসহ সার্বিক সহযোগীতা প্রদান করতে জেলা প্রশাসক,পুলিশ সুপার ও পুলিশ কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।




কীভাবে জনপ্রিয় সংবাদ উপস্থাপক হয়ে উঠলেন গোলাম রাব্বী

নিউজ ডেস্ক :: গোলাম রাব্বী। কাছের মানুষদের কাছে তিনি রাব্বী হিসেবে পরিচিত। এই মুহূর্তে যে কজন সংবাদ উপস্থাপক জনপ্রিয়তার তুঙ্গে, তাঁদের মধ্যে তিনি একজন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে পড়াকালীন টেলিভিশনে কাজ করতে শুরু করেন। সেটা ২০১০ সাল। সেই থেকে প্রায় এক যুগ ধরে দেশের জনপ্রিয় সংবাদভিত্তিক টিভি চ্যানেল সময় টিভিতে নিয়মিত সংবাদ দেশের জনপ্রিয় সংবাদভিত্তিক করছেন। এ বিষয়ে দেশ-বিদেশে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তিনি। সংবাদ ও কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স-ভিত্তিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় নিত্যনতুন নান্দনিকতা যুক্ত করায় তাঁর সংবাদপাঠ উপভোগের এক অনুষঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আমাদের নিউজ রুমের সঙ্গে এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে গোলাম রাব্বী জানিয়েছেন তাঁর কাজের কথা, স্বপ্নের কথা।

নিউজ রুম : আপনি সংবাদের কঠিন সব বিষয়কেও সহজ ও বৈচিত্র্যময় করে মানুষের কাছে পৌঁছে দেন। কীভাবে সম্ভব হলো কঠিন কাজটিকে এমন মজার ছলে তুলে ধরা?

গোলাম রাব্বী: আমি আসলে প্যাশনেটলি নিউজ অ্যাংকর। পেশাটা আমার ভালো লাগে। ধরুন আমি কোনো কারণে ভালো বোধ করছি না, কিন্তু আমি নিউজে বসলেই দেখি আমার ভালো লাগা শুরু হয়ে গেছে। তার মানে, নিউজ আমার কাছে একটা হিলিং ম্যাটেরিয়ালস। এতেই কারও বুঝতে বাকি থাকবে না যে, আমি নিউজের সময়টুকু কতটা উপভোগ করি। নিউজের সঙ্গে কতটা এনগেইজড থাকি। দেখা যায়, কখনো নিউজ দেখছি তো কখনো নিউজ নিয়ে ভাবছি। পাশাপাশি সব সময় নিউজের ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করি। নিউজের টপিক নিয়ে একপ্রকার গবেষণা করি—কেন এই শব্দটি হলো, কেন এই শব্দটি হলো না? এই শব্দটা এভাবে না বলে এভাবে বললে কেমন হয়? একই সঙ্গে আমি যেহেতু মানুষকে সংবাদ জানাই, তাই চিন্তা থাকে কীভাবে তথ্যটি সবাই ধরতে ও বুঝতে পারবে। বলতে পারেন, ঘটনাটি সহজ করে বোঝাতে গিয়েই হয়তো আজকের এই অবস্থান তৈরি হয়ে যাওয়া।

নিউজ রুম : ছোটবেলা থেকেই কি ভাবনা ছিল একদিন সংবাদপাঠক হবেন টেলিভিশনে?

গোলাম রাব্বী: ব্যাপারটা একদমই ওরকম নয়। তবে ছোটবেলার একটা ঘটনা প্রায়ই মনে পড়ে—দেখতাম, বাবা খুব খবর শুনতেন। এমনকি তখন বাসায় টেলিভিশনও ছিল না। রেডিও ছিল। নানা সময়ে যখন ঝড়, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ হতো, বিশেষ করে ওই দিনগুলোতে বাবা মনোযোগ দিয়ে খবর শুনতেন। আশপাশের সবাইকে জানাতেন। একদিন বাবার সঙ্গে খবর শুনছি; হঠাৎ বাবা বলে উঠলেন, ‘এমন খবরপাঠক হতে পারবা?’ বাবা তখন ওরকম গুরুত্ব দিয়ে বলেননি। আর আমিও সিরিয়াসলি নিইনি কথাটাকে। কিন্তু কেন জানি আমার মনের গহিনে কথাটা আজও বাজে। কীভাবে যে বিষয়টা সত্যি হয়ে উঠল, মিলে গেল; তা ভাবনায় এলেই খুব ভালো লাগে।
ওই যে বাবার সঙ্গে রেডিও শোনা। পাশাপাশি পছন্দের খেলা ক্রিকেটের ধারাভাষ্য শোনার পাগল ছিলাম। যেহেতু বাসায় টেলিভিশন ছিল না, রেডিওতেই নানা কিছু শুনতাম। তখন থেকেই উচ্চারণের কৌশল, কথা বলা ও ভয়েসের নানা রূপ-ঢং খুব টানত আমায়। সেটা হোক আবৃত্তি, গুণী মানুষের কথা বলা কিংবা অনুষ্ঠান উপস্থাপনা। তত দিনে বুঝতে পারলাম, গলার স্বরের এই খেলাটা আমায় বেঁধে ফেলছে। শেখা বলতে গেলে, ওই থেকেই শুরু; যা আজও চলছে। এটা ঠিক যে, তখন ভাবনায়ও ছিল না এত বড় পরিসরে কখনো কাজ করা হবে। আর একদিন সবার পছন্দের তালিকায় উঠে আসব। এখনো সবকিছু স্বপ্নের মতোই লাগে।

নিউজ রুম : দেশে তো অনেকেই খবর পড়েন। অনেক দিন ধরে ইন্ডাস্ট্রি গড়ে উঠেছে। সে ক্ষেত্রে আপনার মতো প্রতিদিনকার ভিন্নতা অন্যদের মধ্যে কমই দেখা যায়। এই যে বিশেষ কিছু আয়ত্ত করার ব্যাপারটা নিজের মধ্যে এল কীভাবে?

গোলাম রাব্বী: একেবারেই নিজে নিজে। যেকোনো আলোচনা, টকশো, কথিকা, গানের কথা বা যেকোনো ধরনের সাউন্ড থেকে আমি শিখি। যেমন ধরেন, আমি মুভি দেখলেও মুভির কাহিনি বা অভিনয়ের চেয়ে ভয়েসের থ্রোয়িংটা বা প্রেজেন্টেশনের ঢংটা আমায় বেশি টানে। সেখান থেকেই শব্দ ও প্রেজেন্টেশনকে প্রতিদিন নিত্যনতুন স্টাইল দেওয়ার চেষ্টা করি। এমনও হয়েছে, গল্প-কবিতা বা যেকোনো কিছু পড়তে পড়তে গলা ব্যথা করে ফেলতাম। রেডিওতে বাংলা হোক, ইংরেজি হোক, শুনতে শুনতে কান ব্যথা করে ফেলতাম। তা হোক দেশীয় বা বিদেশি। এমনকি বিশ্বের প্রতিটি দেশের নেতৃত্বস্থানীয় রেডিও-টিভি ঘণ্টার পর ঘণ্টা আমি শুনেছি বা দেখেছি। সব জায়গা থেকেই কোনটি ভালো, কোনটি গ্রহণ করব তা নিয়ে ভাবতাম। এভাবেই আসলে একসময় নিজস্ব একটা স্বকীয়তা তৈরি হয়ে গেল।

নিউজ রুম : পরপর দুই দিন খবর দেখলেও এক দিন থেকে অন্য দিন ভিন্নতা পাওয়া যায়। কীভাবে সম্ভব?

গোলাম রাব্বী: এর জন্য সংবাদের ভেতরে ঢুকতে হবে। দেখুন, প্রতিদিনই কিন্তু নতুন ঘটনা, নতুন তথ্য। মানে নতুন কিছু। তাই আমার চিন্তায় এল, যদি আমি প্রতিদিন নতুন রূপে-ছন্দে না আসি, তাহলে আবেদনটা কমে যাবে। যেমন—আমরা কিন্তু ম্যাড়মেড়ে বা একঘেয়ে টাইপের কিছু বেশিক্ষণ ধরে রাখি না। সব সময় আমি নিজে শ্রোতা হিসেবে চিন্তা করি। বের করে আনি, কোন সংবাদ আমি কীভাবে শুনতে চাই। এমনকি খবর পড়ার সময়ও কান খাঁড়া করে শুনি। আর সেটা করতে গিয়ে ভিউয়ার্সের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠা। আরেকটি কথা, আগে বলা হতো দুঃখের খবর দুঃখ-দুঃখ ভাব আর আনন্দের খবরে হাসির ভাব আনতে হবে। এই দুটি স্টাইল দিয়ে এখন আর চলে না। এখন হচ্ছে ন্যানো সেকেন্ডের যুগ, সবাই বেশ আপডেট। প্রতিমুহূর্তে বিশ্ব পরিবর্তন হচ্ছে। আমি তো মনে করি, প্রতিটা শব্দের মধ্যে আলাদা কথা আছে, আলাদা ব্যঞ্জনা আছে। এই নতুনত্ব ও বাস্তবতানির্ভর ভয়েস বা ফিল আনাটাতেই হয়তো মানুষের কাছে আপন লাগছে।

নিউজ রুম : যারা আপনার মতো এই পেশায় আসতে চায়, তাদের জন্য পরামর্শ কী?

গোলাম রাব্বী: প্রথমত বলব, প্যাশন থাকতে হবে। পেশাটা চ্যালেঞ্জিং। আপনাকে যেকোনো সময় ডাকতে পারে, যেকোনো সময় খবর পড়তে হতে পারে। একটানা ৮ ঘণ্টা, ১২ ঘণ্টা নিউজ পড়া বা কাজ করতে হতে পারে। আরেটা জিনিস, শুদ্ধ ও সুন্দর করে পাঠ করার পাশাপাশি নিউজে বুদ্ধি, বিবেচনা, সাধারণ জ্ঞান অনেক কিছু নির্ভর করে। ইন্টারনেটে সার্চ করলে নিউজ ও অ্যাংকরিং নিয়ে ডকুমেন্টস পাবেন; সেগুলো দেখতে পারেন। তারপর নিউজ পড়তে হবে, দেখতে হবে, শিখতে হবে। সময়-সুযোগ থাকলে উপস্থাপনা ও নিউজ নিয়ে কোর্সও করা যেতে পারে।

নিউজ রুম : নিউজ প্রেজেন্টার হতে গেলে চর্চা বা প্র্যাকটিস কীভাবে করবে? আবার অনেকে নতুন মানুষ নিলেও কেউ আবার অভিজ্ঞতা চায়। সে ক্ষেত্রে কী করা যায়?

গোলাম রাব্বী: আসলে এখন চর্চার সুযোগও কিন্তু অনেক। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া অবস্থায় থাকলে ক্রিয়েটিভ, ভলান্টিয়ার ও কালচারাল বিভিন্ন ক্লাবে যুক্ত হতে পারেন। ডিবেট করতে পারেন, লেখালিখি করতে পারেন। প্রিন্ট, অনলাইনসহ বহু গণমাধ্যমে কলাম, ফিচার লিখতে পারেন। ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেল খুলেও কিছু করা যেতে পারে। মোবাইল ফোনে রেকর্ড করে করে নিজেকে ডেভেলপ করা যায়।

নিউজ রুম : এই ক্যারিয়ারে আপনি অনেক বছর আছেন। মজার অভিজ্ঞতাও নিশ্চয়ই অনেক আছে?


গোলাম রাব্বী: এটা একটা চ্যালেঞ্জিং জব সত্যি। দায়িত্বশীলও বটে। তবে পেশাটাই এমন মজার যে রাজনীতি-অর্থনীতি ও সমাজের নানা দুঃখ-দুর্দশার গুরুগম্ভীর বিষয়ের সঙ্গে যেমন থাকতে হয়; তেমনি মজার, বৈচিত্র্যময়, খেলা-সাংস্কৃতিক নানা অর্জন-গর্জনের খবরও পড়তে হয়। নোরা ফাতেহির খবর যেমন পড়তে হয়, তেমনি আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল; ভারত-পাকিস্তানের দ্বৈরথ নিয়েও পড়তে হয়। এই যে ক্ষণে ক্ষণে হাজারো খবর ও তথ্যের ভিন্নতা ও বৈচিত্র্য, সেটা আমাকে খুব মজা দেয়।  পাশাপাশি প্রতিদিনই মজার অভিজ্ঞতা আছে। সেটা যেমন পড়তে গিয়ে হয় আবার নিউজের বাইরেও হয়। কেউ দেখলে বলে, আপনাকে চেনা চেনা লাগে। অনেকে হাত ধরে বুঝতে চায়, অনুভব করতে চায় আমি স্বাভাবিক মানুষ কী না! আবার ধরুন সিএনজি অটোরিকশা বা রিকশায় উঠছি; হয়তো কারও সঙ্গে কথা বলছি, বারবার পেছনে তাকাচ্ছে। তার মানে, ভয়েস শুনে চিনতে পারছে। একপর্যায়ে বলে ফেলে, নিউজে আপনাকে দেখছি। এ রকম হাজারো অভিজ্ঞতা আছে। এমনও হয়, অনেক সময় পাঠাও বা উবারে যাচ্ছি। কিন্তু ড্রাইভারের পছন্দের উপস্থাপক চেনার পর আর ভাড়াই নিতে চাইছে না। এ রকম অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে।

নিউজ রুম : সংবাদ উপস্থাপনায় নতুন আর কী করা যায় বা অ্যাংকরিং নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী আপনার?

গোলাম রাব্বী: সংবাদ উপস্থাপনা নিয়ে প্রতিদিন নতুন ও নান্দনিক যা করি, তা তো সবাই স্ক্রিনে দেখবে। প্রতিক্ষণে তা ফিল করবে। আর নিউ মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ার এই পরিবর্তনের যুগে নিউজের ডিজিটালাইজেশন নিয়ে বহু কিছু করার স্বপ্ন আছে।




মটরযান প্রশিক্ষন ও ইজিবাইক সার্ভিসের বরিশাল অফিস উদ্বোধন

বরিশাল অফিস:: বাংলাদেশ ইলেকট্রিক মটরযান প্রশিক্ষন ও ইজিবাইক সার্ভিস লিমিটেড’র বরিশাল অফিস উদ্বোধন। পারভেজ, বরিশাল প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ ইলেকট্রিক মটরযান প্রশিক্ষন এন্ড ইজিবাইক সার্ভিস লিমিটেড’র বরিশাল সদর উপজেলা অফিসের শুভ উদ্বোধন সম্পন্ন হয়েছে । ১৯শে ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে টিটিসির বিপরীতে রওনক ম্যানশন দ্বিতীয় তলায় অফিসের উদ্বোধন হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ম্যানেজিং ডিরেক্টর বাংলাদেশ ইলেকট্রিক ব্যাটারি এন্ড মটর চালিত অটোরিকশা অটো বাইক সার্ভিস লিমিটেড এর মোঃ আবুল কালাম। উক্ত আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজিং ডিরেক্টর বাংলাদেশ ইলেকট্রিক ব্যাটারি এন্ড মোটর চালিত অটোরিকশা অটো বাইক সার্ভিস লিমিটেড এর আক্তার আহমাদ। 

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বরিশাল সদর উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ মজিবুর রহমান খান , অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন বরিশাল ব্যুরো মোঃ মাহফুজ ইসলাম সবুজ। উক্ত অনুষ্ঠানে দৈনিক সময়ের বার্তা পএিকার সাংবাদিক শাকিল সিকদার, দৈনিক বর্তমান সংবাদ এর পারভেজ সিকদার ,নলছিটি প্রতিনিধি মোঃ কামরুল ইসলাম । এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সা চালক ও মালিকরা।




বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নের নেতৃত্বে বরিশালে বিজয় র‌্যালি

বরিশাল অফিস ;: কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশহিসেবে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের গৌরনদীতে বর্ণাঢ্য বিজয় র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সিনিয়র সদস্য ও দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে বরিশাল-১ আসনের নৌকার প্রার্থী আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য বিজয় র‌্যালি বের করা হয়।

বরিশাল গৌরনদী বাসষ্ট্যান্ডস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে র‌্যালি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শেষে দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি। গৌরনদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এইচএম জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোঃ হারিছুর রহমানসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

বিজয় র‌্যালিতে গৌরনদীর সাতটি ইউনিয়ন ও পৌরসভার কয়েক হাজার নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। একইদিন বিকেলে বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সেরনিয়াবাত আশিক আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে আগৈলঝাড়া উপজেলায় স্মরনাতীত কালের সর্ববৃহত বিজয় র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।




নির্বাচনীয় প্রচার প্রচারনা সরগরম বরিশাল

বরিশাল অফিস :: আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিড়ে আওয়ামী লীগের মনোনিত নৌকা প্রতীক প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর বৈধতা নিয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে উচ্চ আদালতে দৌড়াদৌড়ির কারনে আওয়ামী লীগের দলীয় সমর্থকরা দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে রয়েছে বেশ কিছুদিন ধরে। স্বতন্ত্র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর মনোনয়ন বাতিল করার জন্য চ্যালেঞ্জ করে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক প্রার্থী পাণি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্ণেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে উচ্চ আদালতে দারস্থ হয়েছে। অন্যদিকে স্বতন্ত্র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ মনোনয়ন বৈধতা রাখার জন্য সে নিজেও উচ্চ আদালতে দৌড়ঝাপের মধ্যে অবস্থান করছে।

অন্যদিকে জেলা রিটানিং অফিসার কর্তৃক নৌকা প্রতীক পেয়ে জাহিদ ফারুক শামীমের নির্বাচনী সমন্বয়ক সহ আওয়ামী লীগের এক অংশ সমর্থকরা মাঠে নির্বাচনী প্রচার করা সহ লিফলেট বিতরন কার্যক্রম শুরু করেছে।

সতন্ত্র প্রার্থী সাবেক বিসিসি মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ জেলা রিটানিং অফিসার কর্তৃক বৈধতা পেলেও তার প্রতি নৌকা প্রার্থী জাহিদ ফারুক শামীম দৈত নাগরিকের অভিযোগ এনে নির্বাচন কমিশনে আপিল করা হয়। সেখানেও সাদিকের মনোনয়ন বাতিল রায় ঘোষনা করা হলে পরবর্তীতে উচ্চ আদালতে স্বতন্ত্র প্রাথী সাদিক আব্দুল্লাহর আপিল করে। ১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্ধের দিন অবকাশকালীন উচ্চ আদালত ( হাইকোর্ট) বেঞ্চ সতন্ত্র প্রার্থীর সাদিক আব্দুল্লাহর পক্ষে মনোনয়ন বৈধতা রয়েছে বলে আদেশ দিলে নৌকা প্রার্থীর পক্ষ থেকে পুনরায় আপত্তি জানিয়ে আপিল করার কারনে রিটানিং অফিসার স্বতন্ত্র প্রার্থী সাদিক আব্দুল্লাহর প্রতীক দেওয়া থেকে বিরত রয়েছে।

বরিশাল সদর (৫) সংসদীয় আসনে অপর স্বতন্ত্র সহ ৫জন প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্ধ দেওয়ার পর শুধু নৌকার প্রচারনা ছাড়া অন্য কোন দলের প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারনায় মাঠে এখনও নামেনি। অন্যকোন প্রার্থীর কোন পোষ্টার শহরে দেখা যায় নাই ।

বরিশাল মহানগর যুবলীগ যুগ্ম আহবায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন বলেন,যারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সহ আওয়ামী লীগকে ভালবাসেন তারাই নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন। আমরা একটি শান্তিপূন্য নির্বাচনের প্রত্যশা কামনা করছি আমাদের এখানে অন্যকোন বিরোধ নেই। এছাড়া আমরা কোন প্রতিহিংসা বা সহিংশতা কামনা করিনা। এছাড়া আমরা নির্বাচনে অংশ নেয়া অপর ৫ প্রার্থীকে প্রতিদ্বন্ধী মনে করি। আগামী ৭ই জানুয়ারী নতুন বছরের নির্বাচনে জাহিদ ফারুক শামীম নৌকার বিজয় নিয়ে ঘড়ে
ফিরবেন বলে আশা প্রকাশ করবেন।