দুমকির অবৈধ ইটভাটা গুড়িয়ে দিল প্রশাসন

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): আদালতের  নির্দেশে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ’মেসার্স হাওলাদার ব্রিকস্ ” নামের অবৈধ ইটভাটা গুড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন।

বৃহস্পিবার দুপুরে (২১ ডিসেম্বর)  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনামিকা নজরুল পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের টিম ইটভাটাটির আংশিক ধ্বংস এবং বাকি স্থাপনা ১৫ দিনেট মধ্যে সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেন।

উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের চরগরবদি মৌজার চর এলাকায় বাউফল উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব হাওলাদারের ছেলে ও বগা ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদ হাসান হাওলাদার অবৈধ ইটভাটাটি নির্মাণ করে ব্যবসা করে আসছিল।

অবৈধ ইটভাটা বন্ধে বাউফলের রাজনগর এলাকার জনৈক মো: জাকির হোসাইন ঢাকার হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করলে হাইকোর্ট বিভাগের ১৮২২০/২০১৭ নম্বর রিট পিটিশনের আদেশে দুমকি উপজেলার চরগরবদি মৌজায় মেসার্স হাওলাদার ব্রিকস্ অবৈধ ঘোষনা করে তা বন্ধের নির্দেশ দেন। আদালতের ওই নির্দেশ পেয়ে বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনামিকা নজরুল’র নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে ‘মেসার্স হাওলাদার ব্রিক্সস ভেঙ্গে দেয়।

এর আগেও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিশেষ অভিযানে দু’দফায় ওই ইটভাটাটি ভেঙ্গে দিলেও তা ফের চালু করে অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে আসছিল প্রভাবশালী ইটভাটা মালিক পক্ষ।

প্রভাবশালী ইটভাটা কর্তৃপক্ষ প্রশাসনের আদেশ অগ্রাহ্য করে অবৈধ ইটভাটার স্থাপনা না সরিয়ে বরং দিগুণ উৎসাহে তাদের ইট তৈরী ও পোড়ানোর কাজ চালিয়ে আসছিল।

এ বিষয়ে ইট ভাটার মালিক বগা ইউপি চেয়ারম্যান হাসান মাহমুদ হাওলাদারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে দুমকি উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনামিকা নজরুল বলেন, আমরা আদালতের আদেশের চিঠি পেয়ে ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে ইটভাটা ভেঙ্গে দিয়েছি।




গলাচিপায় ঝুঁকিতে সাড়ে ৫শ শিক্ষার্থী

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পেরিয়ে গেছে প্রতিষ্ঠার ২৮ বছর। অথচ এখনো পায়নি সরকারি বরাদ্দের ভবন। ফলে প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের জরাজীর্ণ ভবনেই ঝুঁকি নিয়ে চলছে পটুয়াখালীর গলাচিপার চর আগস্থি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীদের পাঠদান।

দীর্ঘ এ সময় সমস্যা সমাধানের আবেদনে মিলেছে শুধুই আশ্বাস। কিন্তু শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ স্থানীয়দের প্রত্যাশা শুধু আশ্বাস নয়, নিরবচ্ছিন্ন শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে স্কুলটির উন্নয়ন করা হোক।

চারদিকে নদী ও সাগরবেষ্টিত পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চর কাজল ইউনিয়নের বিচ্ছিন্ন দ্বীপ চর আগস্থির শিক্ষার প্রসারে ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় চর আগস্থি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। গুণগত শিক্ষার মান ধরে রাখায় ১৯৯৯ সালে হয় এমপিওভুক্ত। শুরু থেকেই নিজস্ব ভবনে অপ্রতুল আসবাবপত্রে ছোট কক্ষে নানা সংকট নিয়ে চলছে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান। এরই মধ্যে বিদ্যালয়টি নিম্ন মাধ্যমিক থেকে মাধ্যমিক হয়ে এখন উচ্চ মাধ্যমিকে উন্নীত হয়েছে। বর্তমানে শিক্ষার্থী ৫২৩ জন। কিন্তু ভবনের আর উন্নতি হয়নি।
২৮ বছরের পুরনো সেই ভবন এখন হয়ে পড়েছে চরম ঝুঁকিপূর্ণ। দেয়ালের পলেস্তারা খসে গেছে। জীর্ণশীর্ণ হয়ে পড়েছে চালের টিন। বৃষ্টিতে ভিজে যায় শ্রেণিকক্ষ। টিনের চালার ফুটো দিয়ে রোদ লাগে শিক্ষার্থীদের গায়ে। দরজা-জানালা খুলে খুলে পড়ছে। নেই অ্যাকাডেমিক ভবন, পাঠাগার ও বিজ্ঞানাগার । শ্রেণিকক্ষ ও বেঞ্চ সংকট চরমে। দেশের সব বিদ্যালয় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষার উপকরণ পেলেও এ বিদ্যালয়টি এতে উপেক্ষিত।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সানজিদা জানান, রুমান, সাজিদ, তপ্ত রোদে যেমন চরম গরমে সেদ্ধ হতে হয়। তেমনি বর্ষায় ভিজতে হয়। বিদ্যালয়ে কোনো বিজ্ঞানাগার নেই। তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষার জন্য কোনো ল্যাব নেই। পাঠাগার নেই। বেঞ্চ সংকটে গাদাগাদি করে বসতে হয়। অনেক সময় বেঞ্চে বসার সুযোগ না পেয়ে দাঁড়িয়ে করতে হয় ক্লাস।

চর আগস্থি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কবির বলেন, ভবন শুধু জরাজীর্ণ নয়। চরম ঝুঁকি পূর্ণও হয়ে পড়েছে। প্রতিটি মুহূর্তে আতঙ্ক নিয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করতে হচ্ছে। অ্যাকাডেমিক ভবনের জন্য কয়েক দফা আবেদন করেছি। কিন্তু বরাদ্দ পাইনি।

গলাচিপার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোকলেচুর রহমান বলেন, ২০০৭ সালে প্রলয়ঙ্ককরী ঘূর্ণিঝড় সিডরে ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়টির ভবন মেরামতে সামান্য বরাদ্দ পেলেও মাধ্যমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে উন্নীত এ বিদ্যালয়ের ভাগ্যে জোটেনি কোনো ভবন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিক্ষা প্রকৌশলসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।




পটুয়াখালীতে ১৩ লোহার সেতু নির্মাণে নয়ছয়, দুদক অভিযানে সত্যতা

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালী সদর উপজেলায় ১৩টি লোহার সেতু নির্মাণ প্রকল্পে নয়ছয়ের প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানে।

প্রয়োজন নেই এমনও স্থানে আয়রন ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্প নেওয়া হয়। এমনকি বাতিলকৃত প্রকল্প নথি জালিয়াতির মাধ্যমে আবার কাজ শুরুরও অভিযোগ রয়েছে।
যদিও দুদকের অভিযানের আগেই অনিয়মের কারণে ৪ থেকে ৫টি ব্রিজের নির্মাণ কাজ বন্ধ করা হয়েছে।

সম্প্রতি দুদকের পটুয়াখালী অফিস থেকে এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযান পরিচালনা করে। সংস্থাটির উপপরিচালক (জনসংযোগ) আকতারুল ইসলাম অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

দুদক জানায়, পটুয়াখালী সদর উপজেলায় ১৩টি আয়রন ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

অভিযানে জানা যায়, পটুয়াখালী সদর উপজেলায় ১৩টি আয়রন ব্রিজ নির্মাণের অনিয়মের অভিযোগে এলজিইডির অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি কর্তৃক একটি তদন্ত করা হয়েছিল। তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ৪ থেকে ৫টি ব্রিজ নির্মাণ বন্ধ করে বাকিগুলোর কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পের প্রয়োজনীয় রেকর্ডপত্র তলব করা হয়েছে, যা যাচাই-বাছাই শেষে আইনি ব্যবস্থা নিতে দুদক টিম কমিশনে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করবে বলে জানা গেছে।

অভিযোগ সূত্রে আরও জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ১৩টি আয়রন ব্রিজ নির্মাণের কাজ অনুমোদন করে ২০২০ সালের মার্চে। কাজ বণ্টনে অনিয়ম, নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে কার্যাদেশ প্রদান, ব্রিজ নির্মাণে অতিরিক্ত ব্যয়সহ নানা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বাতিল করা হয় সেই কাজ। কিন্তু চলতি বছরের জুন মাসে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের আয়রন ব্রিজ পুনর্নির্মাণ ও পুনর্বাসন প্রকল্পের (আইবিআরপি) অগ্রগতি প্রতিবেদন অনুযায়ী এসব ব্রিজের কাজ চলমান। অভিযোগ করা হয়, কাজ বাতিল ও ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রধান প্রকৌশলীর দেওয়া নির্দেশনা নথি থেকে সুকৌশলে মুছে ফেলা হয়েছে। এরপর স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়েছে ব্রিজ নির্মাণের ফাইল। ফলে এলজিইডির দপ্তরের কাগজপত্রে ১৩টি ব্রিজের কোনো অস্তিত্ব না থাকলেও অন্য সব জায়গার নথিতে রয়ে গেছে এগুলোর নির্মাণকাজ। ১৩টি ব্রিজ নির্মাণের কাজ পান মাত্র দুজন ঠিকাদার। যেসব স্থানে ব্রিজের প্রয়োজন নেই, রাস্তা নেই কিংবা জনমানবের চলাচল কম, সেসব স্থানে ব্রিজ করার প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।




বরিশালে ভিনদেশী মালটার উৎপাদন ১০ হাজার টনের কাছে

বরিশাল অফিস :: বরিশাল কৃষি অঞ্চলে মালটা চাষে কৃষিজীবী থেকে গৃহস্থ পর্যায়ে আগ্রহ বাড়লেও উন্নতমানের বীজ ও চারার অভাবের সাথে মাঠ পর্যায়ে আবাদ প্রযুক্তি হস্তান্তর না হবার পাশাপাশি ভাল দাম না পাওয়ায় কাক্সিক্ষত সম্প্রসারণ ঘটছেনা।

 

তবে এর পরেও সদ্য সমাপ্ত মৌসুমে এ অঞ্চলের প্রায় দেড় হাজার হেক্টর জমিতে ১০ হাজার টনের মত মালটা উৎপাদন হয়েছে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর-ডিএই সহ বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। ফলে আমদানীকৃত মালটার চেয়ে উন্নত খাদ্যমানের রসালো সুমিষ্ট টাটকা ফল অনেকটাই সুলভে কিনতে পারছেন সাধারণ মানুষ। তবে উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যায়ে দামের ব্যবধান বিস্তর।

৩-৪ হাত ঘৃুরে ভোক্তাদের হাতে পৌঁছাতে গিয়ে মাঠ পর্যায়ে উৎপাদনকারীরা ৪০টাকা কেজিতে যে মালটা বিক্রী করেন ভোক্তারা তা ৩গুন দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। এবারের ডেঙ্গু মহামারীতে বরিশাল অঞ্চলে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এ রসালো ফল আক্রান্তদের দ্রুত আরোগ্যে সহায়ক হয়েছে। মালটার আবাদ সম্প্রসারণ করতে পারলে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয়ে আমদানী অনেকটা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে বলে মনে করছেন কৃষি বিজ্ঞানী সহ সাধারণ ভোক্তারা।

সদ্য সমাপ্ত মৌসুমে দেশে প্রায় ৯ হাজার হেক্টর জমিতে মালটার আবাদ ও উৎপাদনে হয়েছে বলে ডিএই’র ‘লেবু ফসল আবাদ ও উৎপাদন সম্প্রসারণ প্রকল্প’র পরিচালক জানিয়েছেন। তিনি বলেন, গত বছর দেশে সাড়ে ৭ হাজার হেক্টরে প্রায় ৭৫ হাজার টন মালটা উৎপাদন হয়েছে। আগামি বছরের মধ্যে এ রসালো ফলের উৎপাদন লাখ টনের কাছে পৌঁছবে।  বরিশাল কৃষি অঞ্চলের ১১টি উপজেলাতে মালটা সহ লেবু জাতীয় ফল উৎপাদন প্রকল্পের আওতায় সম্প্রসারণ কাজ চলছে।

ইতোমধ্যে ‘বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট-বারি’ ‘বারি মালটা-১’,‘বারি মালটা-২’ ও ‘বারি মালটা-৩’ নামের তিনটি উন্নতমানের জাত উদ্ভাবন করেছে। বরিশাল কৃষি অঞ্চলে ইতোমধ্যে প্রায় ৫ হাজার হেক্টরে মালটার বাগান সৃজন সম্পন্ন হয়েছে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে ডিএই’র দায়িত্বশীল মহল জানিয়েছে। আগামি দু বছরের মধ্যে এসব বাগান থেকে মালটার উৎপাদন শুরু হলে বরিশাল কৃষি অঞ্চল দেশের অন্যতম বৃহৎ উৎপাদক এলাকায় পরিণত হতে পারে। যার মধ্যে থেকে চলতি মৌসুমে প্রায় দেড় হাজার হেক্টর জমির বাগান থেকে ১০ হাজার টনের মত ফলন মিলেছে বলে ডিএইর দায়িত্বশীল সূত্র মনে করছে।

বরিশাল  অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে ‘বারি মলটা-১’এর আবাদ শুরু হয়েছে। সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও বিগত দুটি মৌসুমেই বাণিজ্যিকভাবে এর বিপণনও শুরু হয়েছে। বরিশালের মালটা রাজধানী সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বাজারজাত হচ্ছে গত দুই বছর ধরে। ইতোমধ্যে নেছারাবাদ নার্সারী থেকে বিপুল সংখ্যক ‘ভিয়েতনামী মালটা’ কলম সংগ্রহ করে আবাদ শুরু হয়েছে ব্যক্তি ও বাণিজ্যিক চাষি পর্যায়ে। তবে ডিএই’র হর্টিকালচার নার্সারীতে উন্নতমানের বার মাসি ভিয়েতনামী মালটার কোন কলম ও চারা মিলছে না।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বরিশাল রহমতপুর হর্টিকালচার নার্সারী ভালো জাত ও মানের বারি-১ ও বারি-২ মালটার চারা উত্তোলন ও বিক্রি করলেও প্রচারণার অভাবে তা বেশীরভাগ  উদ্যোক্তাদের অজানা। আবার সেখানে চারার দুষ্প্রাপ্যতাও রয়েছে। এবারো বর্ষা মৌসুম শেষ হবার আগেই ওই নার্সারীতে মালটার চারা শেষ হয়ে যায়।

ভালমানের চারা রোপন সহ সঠিক বালাই ও সার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে পারলে দু বছরের মাথায়ই প্রতিটি গাছে বছরে ২শ’র ওপরে মালটা ধরে থাকে। তবে ভিয়েতনামী মালটায় বছরে দু,বার ফলন আসায় এর আবাদ আরো বেশী লাভজনক বলে জানা গেছে। বরিশালের বাজারে খুচরা পর্যায়ে মৌসুমের শুরুতে এবার দেশী মালটা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও শেষে তা ১৪০ থেকে দেড়শ  টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে কৃষক পর্যায়ে পাইকাররা মৌসুমের শুরুতে ৪০ টাকায় এবং শেষ পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৯০ টাকা দরে মালটা কিনছেন।

কৃষিবিদদের মতে সঠিক পরিচর্যা করলে প্রতিটি গাছ থেকে মৌসুমে ৪০ কেজি পর্যন্ত মালটা উৎপাদন সম্ভব। এতে করে প্রথম বছরেই জমি তৈরী, চারা সংগ্রহ এবং সার ও বালাই ব্যবস্থাপনা সহ পরিচর্র্যার ব্যয় তুলে আনা সম্ভব। তবে আরো কিছুটা ভাল দাম পেলে উৎপাদকদের জন্য তা যথেষ্ট  উৎসাহব্যঞ্জক হতে পারে বলেও মনে করছেন মাঠ পর্যায়ের কৃষিবিদরা।

চারা ও কলম সহজলভ্য করা সহ আবাদ প্রযুক্তি মাঠ পর্যায়ে না পৌঁছায় এখনো দক্ষিণাঞ্চলের কৃষক পর্যায়ে মালটার আবাদ সম্পর্কে যথাযথ বার্তা পৌঁছছে না বলে মনে করছেন কৃষিবিদরা। তবে এ ফল আবাদ যতটা সম্প্রসারণ হবার কথা, ততটা না হলেও গত ২-৩ বছরে পরিস্থিতির আশাব্যঞ্জক উন্নতি হয়েছে বলে ডিএই’র বরিশাল কৃষি অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক জানিয়েছেন।




দেশের মানুষ নৌকা প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছে : রাশেদ খান মেনন

বরিশাল অফিস :: আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনোনীত ১৪ দলীয় জোটের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ৭১’র রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপি বানারীপাড়ায় ব্যাপক গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক করেছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে তিনি বানারীপাড়া পৌর শহরের বন্দর বাজার ও উত্তরপাড় বাজার এবং দুপুরে বাইশারী ইউনিয়নের শিয়ালকাঠি খেয়াঘাট ও বাইশারী বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করে দলীয় নেতা-কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা এবং কুশল বিনিময় করে বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশজুড়ে চলমান উন্নয়ন-অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে নৌকা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।

 

এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব গোলাম ফারুক, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাওলাদ হোসেন সানা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মকবুল হোসেন মল্লিক,ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য অধ্যাপক নজরুল হক নীলু, উপজেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি অধ্যাপক মন্টু লাল কুন্ডু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও চাখারের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান খিজির সরদার, সহ-সভাপতি ও সলিয়াবাকপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার সিদ্দিকুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক অধ্যাপক এমাম হোসেন, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ওসমান গণি,

পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম, বানারীপাড়া বন্দর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুজ্জামান আশরাফী, রাশেদ খান মেনন এমপির ব্যক্তিগত সহকারি এটিএম নাসির মিয়া, যুবমৈত্রীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মানোয়ার হোসেন, বরিশাল বিএম কলেজ শাখা ছাত্রমৈত্রীর সাবেক সভাপতি শামিল শাহরুখ তমাল, সাবেক পৌর কাউন্সিলর আনিসুর রহমান,যুবলীগ নেতা রুম্মন, কামাল মোল্লা, মাসুম বিল্লাহ্,মো.রাসেল,খাইরুল ইসলাম,বানারীপাড়া পৌর স্বেছাসেবক লীগের সভাপতি শফিক শাহিন, সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ আহম্মেদ শাওন প্রমুখ।

এদিকে ওইদিন বিকালে উপজেলার মলুহার ওয়াজেদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নৌকা প্রতীকের সমর্থনে ইলুহার ও উদয়কাঠি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যৌথ উঠান বৈঠকে বীর মুক্তিযোদ্ধা রাশেদ খান মেনন এমপি প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন। উঠান বৈঠকে উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এবং ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃবৃন্দ বক্তৃতা করেন।

নির্বাচন প্রসঙ্গে বরিশাল-২ আসনে নৌকার প্রার্থী, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রাশেদ খান মেনন এমপি বলেন, ভোট গ্রহণের দিন যত ঘনিয়ে আসছে নির্বাচনী মাঠে উৎসাহ-উদ্দীপনা,স্বতঃস্ফূর্ততা ও উত্তাপ তত বাড়ছে।

 




আমি আমার স্ত্রীর লাশ নিয়ে রাজনীতি করতে চাই না-নির্বাচনী জনসভায় জাহিদ ফারুক শামীম

বরিশাল অফিস : আমি আমার স্ত্রীর লাশ নিয়ে রাজনীতি করতে চাই না। আগামীকাল মৃতদেহ দেশে আসলে জানাযা শেষে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে। আপনারা সকলে আমার স্ত্রীর জন্য দোয়া করবেন ২১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেল ৩ টায় বরিশাল সদর উপজেলার সাহেবের হাট এলাকায় অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) জাহিদ ফারুক শামীম একথা বলেন।
জনসভায় তিনি বলেন, আমি বক্তৃতা দেয়ার পর্যায় নেই। তারপরেও এসেছি। কারন পূর্বে দুইবার এ জনসভা বাতিল করা হয়েছে। আজ বাতিল করা হলে আপনারা ভুল বুঝতেন।পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা জানেন ভোর রাত ৩ টা ২৪ মিনিটে ভারতের চেন্নাইতে আমার স্ত্রী ইন্তেকাল করেছেন। সেখান থেকে মরদেহ আনার চেষ্টা চলছে। আমার ছেলে সেখানে রয়েছে। এত কষ্টের মাঝেও আমি আমার দায়িত্ব সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। আপনাদের সাথে যদি কথা না বলি, তাহলে প্রধানমন্ত্রী আমার উপর যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা সঠিকভাবে পালন করেনি।
চাঁদপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এইচএম জাহিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সদর আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত এ প্রাথী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমার উপর আস্থা রেখে মনোনয়ন দিয়েছেন। এরআগেও মনোনয়ন দিয়েছেন। এমপি হয়েছি, মন্ত্রী করেছেন।
কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম বলেন, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়ে দেশের এ প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত ছুটে বেরিয়েছি। নদীর ভাঙ্গনে দুর্দশাগ্রস্থ মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করেছি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা জেনে খুশি হবেন সদর উপজেলার লামছরিতে দুইশ একর জমি অধিগ্রহন করা হয়েছে। সেখানে শিল্প কারখানা গড়ে উঠবে। সেখানে একশ থেকে দেড়শ শিল্প কারখানা গড়ে উঠে, সেখানে চাকরি আপনার ছেলে মেয়েরাই পাবে। আপনার যদি অন্য কাউকে নির্বাচন করে এমপি বানান, তাহলে এগুলো সব থমকে যাবে।
আগামী ২৯ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী বরিশাল আসবেন জানিয়ে বলেন, তিনি কেন বরিশালকে সিলেক্ট করেছেন। আমি মনে করি, আমার উপর তার আস্থা রয়েছে। আস্থা আছে বলেই তিনি বরিশালে নির্বাচনী প্রচারনার সভা করবেন।  আমি চাই বঙ্গবন্ধু উদ্যানে লোকে লোকারন্যে হোক। প্রধানমন্ত্রীর জনসভা জনসমুদ্রে পরিনত করতে চাই। বাংলাদেশের যদি উন্নয়ন চান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নেই।
জনসভায় আরো বক্তব্য রাখেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আফজালুল করিম, এ্যাড. কেবিএস আহম্মেদ কবীর, এ্যাড. আনিসউদ্দীন আহমেদ শহীদ, টুঙ্গীবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাদিরা রহমান। আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা এ্যাড. বলরাম পোদ্দার, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন।



কারাগারে বসেই নির্বাচনে লড়বেন ইমরান খান

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচন হবে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে। সেই নির্বাচনে কারাগারে বসেই তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফের (পিটিআই) সাবেক চেয়ারম্যান ইমরান খান।

বুধবার (২০ ডিসেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেন ইমরানের আইনজীবী ব্যারিস্টার আলী জাফর। আসন তিনটি হলো লাহোর, মিয়ানওয়ালি ও ইসলামাবাদ।

চলতি বছরের ৫ আগস্ট আলোচিত তোশাখানা দুর্নীতি মামলায় ইমরান খানকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেন ইসলামাবাদের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালত। একই সঙ্গে তার রাজনীতির ওপর ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞা দেন একই আদালত। তাছাড়া রায় ঘোষণার পর একই দিনে লাহোরের বাসভবন থেকে গ্রেফতার করা হয় ইমরান খানকে। বর্তমানে তিনি পাঞ্জাবের আদিয়ালা কারাগারে বন্দী রয়েছেন।

যদিও ইসলামাবাদ দায়রা আদালতের দেওয়া রায়ে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন ইসলামাবাদ হাইকোর্ট (আইএইচসি)। তবে রাষ্ট্রের গোপন তথ্য ফাঁসসহ আরও কয়েকটি মামলায় এখনো কারাগারেই আছেন ইমরান খান।

তবে তোশাখানা মামলায় স্থগিতাদেশ দেওয়ায় নির্বাচনে অংশ নিতে আর বাধা নেই ইমরানের। ২০২২ সালের এপ্রিলে তার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ইমরান খানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে ১৪০ টিরও বেশি মামলা হয়েছে।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, বুধবার আদিয়ালা কারাগারে ইমরানের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার আলী জাফর। সাক্ষাৎ শেষে কারাগারের বাইরে এক সংবাদ সম্মেলনে এই আইনজীবী বলেন, ইমরান খান দেশবাসীকে জানাতে বলেছেন, আগামী নির্বাচনে তিনি ৩টি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

আলী জাফর আরও জানান, ইমরান খান পিটিআই কর্মীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। দলের কঠিন সময়ে যেসব নেতাকর্মী মাঠে থাকার কারণে কারাবরণ করেছেন, নির্বাচনের প্রার্থিতা দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিটিআই হাইকমান্ড।

এদিকে, পিটিআইয়ের বর্তমান চেয়ারম্যান গহর খান ইমরান খানের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ইমরান খান ৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আলহামদুলিল্লাহ।

তিনি আরও জানান, ইমরান খান দলের সব প্রার্থীকে মনোয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার কাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন। গহর খান নিজেও খাইবার পাখতুনখোয়ার বুনের থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানিয়েছেন।

সূত্র: ডন




নৌকা-স্বতন্ত্র যাকে খুশি জনগণ ভোট দেবে’ নির্বাচনী জনসভায় প্রধানমন্ত্রী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণ যাকে ভোট দেবে সে-ই নির্বাচিত হবে। কেউ কারো অধিকারে হস্তক্ষেপ করবেন না। এখানে কোনো রকম সংঘাত, মারামারি আমি দেখতে চাই না। কোনো সংঘাত হলে, আমার দলে যদি কেউ করে, তাহলে রেহাই নেই। তাদের বিরুদ্ধে আমি যথাযথ ব্যবস্থা নেব। সেটা মনে রাখবেন।




বরিশালে ইউপি সদস্যর হামলায় যুবলীগ নেতা আহত

বরিশাল অফিস : তুচ্ছ ঘটনার জেরধরে জেলার গৌরনদী পৌর যুবলীগের প্রচার সম্পাদক রাসেল হাওলাদারকে (৩৫) বৃহস্পতিবার সকালে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করা হয়েছে। আহতকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত রাসেল হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, চাঁদশী ইউপি সদস্য মিলন হাওলাদারের সাথে তার যৌথভাবে পানের ব্যবসা রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ইউপি সদস্য মিলন তাকে (রাসেল) কসবা এলাকায় ডেকে নিয়ে পান ক্রয়ের জন্য আড়তে যেতে বলেন। তিনি আড়তে পান ক্রয় করতে যেতে অস্বীকৃতি জানালে মিলন ও তার ভাই রাশেদ হাওলাদার যুবলীগ নেতা রাসেলকে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করে।

 

গৌরনদী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মাজহারুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে এখনও কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।




বরিশাল-১ আসনে নৌকার প্রার্থীর সমন্ময় কমিটি গঠণ

বরিশাল অফিস : আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা মার্কার প্রার্থী বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সিনিয়র সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপির নির্বাচনী প্রচার-প্রচারনা মনিটরিংয়ের জন্য সমন্ময় কমিটি গঠণ করা হয়েছে। আগৈলঝাড়া উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের কমিটি গঠণ উপলক্ষে বুধবার দিবাগত রাতে উপজেলা আওয়ামী লীগের অস্থায়ী কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌকা মার্কার প্রার্থী আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে নিবিঘ্নে প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে সর্বস্তরের ভোটারদের এসে ভোট দেওয়ার আহবান করেন।

অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য সেরনিয়াবাত আশিক আব্দুল্লাহ, আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈ, সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ লিটন, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য অ্যাডভোকেট রনজিত সমদ্দার, আগৈলঝাড়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কামরুজ্জামান সেরনিয়াবাত আজাদসহ দলীয় নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।