প্রথমবারের মতো পালিত হবে জাতীয় প্রবাসী দিবস




বাংলাদেশের খেলাসহ টিভিতে যা দেখবেন




হামাসের সঙ্গে যুদ্ধে ইসরায়েলি ৫০১ সৈন্য নিহত




১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ২৩,৯৮৫




জেলা শিল্পকলা একাডেমির সম্মাননা পেলেন মুজাহিদ প্রিন্স

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): নাটকে বিশেষ অবদানের জন্য নাট্যকলা বিভাগে জেলা শিল্পকলা একাডেমির সম্মাননা পদক পেলেন নাট্যজন মুজাহিদুল ইসলাম প্রিন্স।

শিল্প-সংস্কৃতি ঋদ্ধ সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ গড়তে নিরন্তর কাজ করছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। এরই ধারাবাহিকতায় পটুয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রতিবছর নানা বিষয়ে বিশেষ অবদানের জন্য গুনীজনদের ‘জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা’প্রদান করে আসছে। এ বছরেও (২০১৮-২০২২) সর্বমোট ২৫ জন গুনীজনকে সম্মাননা প্রদান করেছে জেলা শিল্পকলা একাডেমি।

বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদক প্রদান অনুষ্ঠানে জেলা কালচারাল অফিসার কাজী মোঃ কামরুজ্জামান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ নূর কুতুবুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি স্বপন ব্যানার্জী।

নাটকে বিশেষ অবদানের জন্য নাট্যকলা বিভাগে জেলা শিল্পকলা একাডেমির সম্মাননা পদক পেলেন নাট্যজন মুজাহিদুল ইসলাম প্রিন্স। সম্মাননা পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নাট্যজন মুজাহিদুল ইসলাম প্রিন্সের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন জেলা প্রশাসক।

জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার কাজী মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, প্রতি বছরেই আমরা নানা বিষয়ে বিশেষ অবদানের জন্য গুনীজনদের সম্মাননা প্রদান করে থাকি। এবছরেও তারই ধারাবাহিকতায় আমরা গত পাঁচ বছরে (২০১৮-২০২২) ২৫ জন গুনীজনকে সম্মাননা প্রদান করেছি। নাট্যকলা বিভাগে নাটকে বিশেষ অবদানের জন্য নাট্যজন মুজাহিদ প্রিন্সকে সম্মাননা পদক প্রদান করতে পেরে আমরা জেলা শিল্পকলা একাডেমি গর্বিত। তার অনন্য প্রতিভায় ও সৃজনশীলতায় সমৃদ্ধ হবে আমাদের পটুয়াখালীর নাট্যাঙ্গন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গন এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

সাংস্কৃতিক সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা মানস কান্তি দত্ত বলেন, প্রিন্স আমার সন্তানের মতো। প্রিন্সকে যখন আমি হাত ধরে ড্রামাটিক ক্লাবে নিয়ে গিয়েছিলাম তখনি বুঝেছিলাম এই ছেলে একদিন পটুয়াখালীর সাংস্কৃতিক অঙ্গনের হাল ধরবে। ঠিক তাই হয়েছে৷ প্রিন্সের এই সফলতায় এই সম্মাননা প্রাপ্তিতে আমি গর্বিত এবং আনন্দিত। আমাদের পটুয়াখালীর থিয়েটারের সোনালী অতীত ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে প্রিন্স ও তার দল ‘সুন্দরম’ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রিন্সের বিচক্ষণ দক্ষতায় প্রসারিত হোক পটুয়াখালীর নাট্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গন।

নাট্যজন প্রফেসর এম. নুরুল ইসলাম বলেন, প্রিন্সের দূরদর্শী পরিকল্পনা, দায়িত্বশীলতা ও সৃজনশীল মেধা শক্তির জন্যে আজ পটুয়াখালীর সাংস্কৃতিক অঙ্গন অনেকটাই মসৃন ও প্রশংসনীয়। সাংস্কৃতিক কর্মীদের অধিকার আদায়ে প্রিন্সের কন্ঠস্বর সর্বদাই বলিষ্ঠ ভুমিকায় ছিলো৷

নাট্যজন মুজাহিদুল ইসলাম প্রিন্স বলেন, এই সম্মাননা পদক আমাকে আরও ভালো কাজ করার জন্য উৎসাহিত করেছে। মফস্বলে নাট্যচর্চাকে বেগবান করতে আমার দায়িত্ববোধ আরও বাড়িয়ে দিলো এই পদক। পটুয়াখালীতে থিয়েটারের সোনালী অতীত ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে আমি ও আমার দল ‘সুন্দরম’ কাজ করে যাচ্ছি। আমাকে নাটকে বিশেষ অবদানের জন্যে সম্মাননা পদক প্রদান করায় আমি জেলা শিল্পকলা একাডেমিকে ধন্যবাদ জানাই।




পটুয়াখালীতে পিক-আপের ধাক্কায় গুরতর আহত দুই

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়ায় সেতুর ঢালে এক মোটরসাইকেল চলন্ত মাছবাহী পিকআপের নীচে পড়ে দুই মোটরসাইকেল যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে কলাপাড়া-কুয়াকাটা সড়কের হাজীপুর শেখ জামাল সেতুর ঢালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত মোটরসাইকেল আরোহী লিটন খান ও খালেক খান স্থানীয় বাসিন্দা।  তাদের দুইজনেরই পা ও হাত ভেঙ্গে গেছে এবং  মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মৎস্যবন্দর মহিপুর থেকে মাছ নিয়ে পিকআপটি  কলাপাড়ার দিকে আসার পথে বিপরীত দিক থেকে আসা মোটরসাইকেলটিকে চাপা দিলে মোটরসাইকেলটি পিকআপের নিচে ঢুকে যায়।  এতে মোটরসাইকেলে থাকা দুই আরোহী গুরুতর আহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে প্রথমে কলাপাড়া স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি ঘটলে দুইজনকেই বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।

কলাপাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোস্তাফিজুর রহমান জানান,  পুলিশ দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে গিয়ে দুর্ঘটনা কবলিত পিকআপটি আটক করেছে।  এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।




নৌকা ডোবাতে একাট্টা মনোনয়ন বঞ্চিতরা, পটুয়াখালী-৩

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা – দশমিনা) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নবঞ্চিতরা একাট্টা হয়েছেন। তারা যে কোনো মূল্যে নৌকার প্রার্থী এস এম শাহজাদাকে হারাতে চাইছেন।

এজন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আবুল হোসেনের পক্ষে কাজ করছেন।

আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে এখানে ছয় প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মূল লড়াই হবে আওয়ামী লীগের এসএম শাহজাদা ও স্বতন্ত্র আবুল হোসেনের ঈগলের মধ্যে।

আওয়ামী লীগ থেকে ১৯ জন মনোনয়ন চেয়েছিলেন। মনোনয়নবঞ্চিতরা প্রকাশ্যে ও গোপনে ঈগলের পক্ষে কাজ করছেন। এতে গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা আওয়ামী লীগে দেখা দিয়েছে বিভক্তি।

স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন মনোনয়নবঞ্চিত গলাচিপা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সন্তোষ কুমার দে, দশমিনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ লিটন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন শওকত, গলাচিপা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র আহসানুল হক তুহিন এবং তাদের অনুসারীরা।

সন্তোষ কুমার দে বলেন, ‘অংশগ্রহণ মূলক নির্বাচন উপহার দিতে আমরা স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছি। এতে কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি বাড়বে। বর্তমান এমপি দলের অনেক ক্ষতি করেছেন। নতুন নেতৃত্ব হিসেবে সবাই আবুল হোসেনকে চাইছেন।’

ইকবাল মাহমুদ লিটন বলেন, ‘নেত্রীর নির্দেশনায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছি। আবুল হোসেনের কাছে দল ও নেতা কর্মীরা নিরাপদ।’

অন্য দিকে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে আছেন গলাচিপা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা টিটো, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহীন শাহ, সহসভাপতি মজিবুর রহমান প্যাদা, দশমিনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ, সহসভাপতি মশিউর রহমান ঝন্টুসহ একাংশ।

গোলাম মোস্তফা টিটো বলেন, ‘মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা শাহজাদার বিপক্ষে একাট্টা হয়েছেন। দল ও নেত্রীকে ভালোবাসলে নৌকার বিপক্ষে যাওয়ার সুযোগ নেই।’

আব্দুল আজিজ বলেন, ‘আসনটি নৌকার ঘাঁটি। এখানকার মানুষ নৌকা ছাড়া কিছু চেনেন না, নৌকাকেই বিজয়ী করবেন।’

নৌকার প্রার্থী শাহজাদা বলেছেন, আমার কাছ থেকে অবৈধ সুবিধা পাবেন না বুঝতে পেরে একাংশ নৌকার বিরোধিতা করছেন। তারা সব সময় নতুন কেউ এলে তাঁকে নিয়ে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। কারণ তাঁকে ভেঙে খাওয়া সহজ। আওয়ামী লীগের মতো বড় দলে এমন দুষ্টুচক্র নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।




স্বতন্ত্র প্রার্থীর ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃতির অভিযোগ

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): জাতীয় সংসদের ১১৪, পটুয়াখালী-৪ নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত স্বতন্ত্রপ্রার্থী মোঃ মাহবুবুর রহমান তাঁর ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি বিকৃত করে তার হাতে ঈগল রেখে ভোটারদের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন।

এতে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোতালেব তালুকদার বলেন, ‘১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দের দিন জেলা রিটার্নিং অফিসার স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রচারণায় দলীয় পদ পদবী, দলীয় প্রধানের ছবি ব্যবহার, দলীয় স্লোগান ব্যবহার না করার ব্যাপারে স্পষ্টত বলে দেন। তবে জয় বাংলা উচ্চারণে বাঁধা নেই, এটি রাষ্ট্রীয় স্লোগান।’

মোতালেব তালুকদার জানান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকা। আর দলের প্রধান শেখ হাসিনা।
সেক্ষেত্রে আচরণবিধি অনুযায়ী শুধুমাত্র নৌকাকে শেখ হাসিনার ছবির সঙ্গে যুক্ত করে প্রচারণা চালানো যাবে। অন্য কোন প্রতীকের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ছবি ব্যবহার করে প্রচারণা চালানো আচরণবিধি লঙ্ঘন।
আর যেখানে প্রার্থী নিজেই তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে এই চিত্র ব্যবহার করে ভোট প্রার্থনা করেছেন, সেহেতু আচরণবিধি অবশ্যই লঙ্ঘন হয়েছে।

মোতালেব তালুকদার আরো বলেন, এছাড়া মাহবুবুর রহমান যেহেতু দলের পদে আছেন, সেক্ষেত্রে তিনি দলীয় শৃঙ্খলাও ভঙ্গ করেছেন। আমরা সাংগঠনিক ভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো এবং সেই সাথে নির্বাচন কমিশন বরাবরও লিখত অভিযোগ দেবো।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও কলাপাড়া ইউএনও মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থী কোন দলের প্রধানের ছবি ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবে না। কেউ এ ধরণের কাজ করলে সেটি আচরণবিধি লঙ্ঘনের মধ্যে পড়বে। প্রার্থী নিজে তার ফেসবুক আইডিতে এ ধরনের চিত্র পোস্ট করে থাকলে, সেটি আমরা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

এদিকে এ অভিযোগ ওঠার পর স্বতন্ত্রপ্রার্থী মোঃ মাহবুবুর রহমানের ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত ওই ছবিটা সরিয়ে ফেলা হয়। এ বিষয়ে ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ মাহবুবুর রহমান জানান, এটা অন্য কেউ করতে পারেন, কিন্তু এর দায় ভার আমার নয়। আমি এ ধরনের কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত নই।

পটুয়াখালী রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোঃ নূর কুতুবুল আলম বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের কাছে কেউ কোন লিখিত অভিযোগ করেনি। তথ্য, প্রমাণসহ অভিযোগ পেলে ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটির কাছে প্রেরণ করা হবে, বিষয়টি তারা দেখবেন।




পটুয়াখালীতে অটোরিকশার মালামালসহ চোর চক্রের ৭ সদস্য আটক

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীতে অটোরিকশার মালামালসহ চোর চক্রের ৭ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. সাজেদুল ইসলাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আটককৃতরা হলেন, পটুয়াখালী কমলাপুর ইউনিয়নের দেলোয়ার সিকদারের ছেলে মো. সিদ্দিক সিকদার (২৫),
লেবুখালী ইউনিয়নের আঠারোগাছিয়া গ্রামের সুলতান জোমাদ্দারের ছেলে সুমন জোমাদ্দার (৩০), শহরের আদালত পাড়া এলাকার আ. রহিমের ছেলে মো. কামরুল ইসলাম (৩০), বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার সোভাকাঠি গ্রামের মৃত ছত্তার ডাকুয়ার ছেলে জাহাঙ্গীর ডাকুয়া (৩৫), দুধল মৌ এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের লালু শরীফের ছেলে মো. বাচ্চু শরীফ (৩৫), ভরপাশা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আলতাফ হোসেন কাজীর ছেলে মস্তফা কাজী (৫৫), রুনসীর মোজাম তালুকদারের ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম (৫৬)।

এঘটনায় পটুয়াখালী সদর থানায় একটি চুরির মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, মামলার বাদী পটুয়াখালী কলের পুকুর এলাকার মো. ফরিদ উদ্দিন খান পেশায় একজন অটোগাড়ির ব্যবসায়ী। বাদীর ৮টি ব্যাটারিচালিত অটোগাড়ি আছে। অটোগাড়িগুলো পটুয়াখালী পৌরসভাধীন ২ নম্বর ওয়ার্ডের লোহালিয়া খেয়াঘাটের সাথে একটি ভাড়াটিয়া গ্যারেজে রাখেন। এ ছাড়াও বাদীর গ্যারেজে অন্যান্য লোকদের অটোগাড়ি ভাড়ায় রাখেন ও ব্যাটারি চার্জ দেন। গত ১৯ ডিসেম্বর সকাল আনুমানিক সাড়ে ৫টায় সজিব হাওলাদার নামের এক অটোচালক দুটি বড় অটোগাড়ি গ্যারেজের সামনে রাস্তার উপর রেখে গ্যারেজের মধ্যে কাজ করতে যান। ঘণ্টাখানেক পরে বের হয়ে দেখতে পান ২টি অটোগাড়ির মধ্যে একটি নেই। তখন বাদী ফরিদ উদ্দিন ও তার ছেলে শুভ ও অন্যান্য লোকজন নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। এক পর্যায় তারা জানতে পারেন অটোগাড়িটি সিদ্দিক, সুমন ও কামরুল নামের তিনজনের সাথে আরও বেশ কয়েকজনকে নিয়ে অটোগাড়িটি নিয়ে গেছে। ফরিদ বিষয়টি পটুয়াখালী থানা পুলিশকে জানালে গত ২৭ ডিসেম্বর রাতে কলের পুকুর পার হতে চুরির সাথে জড়িত কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা প্রাথমিকভাবে চুরি করার কথা স্বীকার করে।




আজ বরিশাল আসছেন প্রধানমন্ত্রী

চন্দ্রদীপ নিউজ: দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছরের অধিক সময় পর বরিশালে আসছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেবেন তিনি। এ নিয়ে নেতাকর্মীদের মাঝে বইছে আনন্দ আর উচ্ছ্বাসের জোয়ার।

বঙ্গবন্ধু পরিবারের সাথে এ অঞ্চল এবং মানুষের মাঝে রয়েছে রক্ত,  আত্মীয়তা এবং আত্মার অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক। তাইতো গত ১৫ বছরে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে বরিশাল বিভাগে দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে সবচে বেশি।

পদ্মা সেতু,  পায়রা সেতু, পায়রা বন্দর,  পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ছাড়াও এ অঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশিত যতো উন্নয়ন ছিল তা আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েই হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়গুলো স্মরণ করিয়ে যেমন দেবেন এ অঞ্চলের মানুষেরাও তাঁর যোগ্য প্রতিদান ব্যালটের মাধ্যমে আগামী ৭ জানুয়ারী দিবেন। এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।