বিএনপির রাজনীতি করার অধিকার বাংলাদেশে নেই : প্রধানমন্ত্রী 




যুদ্ধ শুরুর পর ইউক্রেনে সবচেয়ে বড় মিসাইল হামলা চালালো রাশিয়া




বিএনপি ফাউল করে লাল কার্ড খেয়ে পালিয়ে গেছে: ওবায়দুল কাদের

বরিশাল অফিস :: রাজনীতির মাঠে বিএনপি লাল কার্ড খেয়ে ফাউল করে বিদায় নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘বিএনপি কোথায়? পালিয়ে গেছে। তো কার সঙ্গে খেলবেন? ১৮৯৬ জন (নির্বাচনের প্রার্থী) আছেন, এখনও খেলার জন্য প্রস্তুত। ওরা (বিএনপি) পালিয়ে গেছে, পল্টনের খাদে পড়ে গেছে বিএনপির এক দফা।’

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকালে বরিশাল নগরের বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্যে কাদের এসব কথা বলেন। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘খেলা হবে, জোরদার খেলা হবে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা বসে আছেন, বিজয়ের লাল সূর্যের পতাকা হাতে। ৭ জানুয়ারি বিজয়ের বন্দরে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা পৌঁছাবো ইনশাল্লাহ।’ তিনি বলেন, ‘এই বরিশাল ছিল বঙ্গবন্ধুর আন্দোলনের দুর্গম দুর্জয় ঘাঁটি। আজকের বরিশাল শেখ হাসিনার দুর্জয় ঘাঁটি। আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বাংলাদেশে এমন নেতা নেই, যে নেতা নির্বাচনী ইশতেহারে বলেন- অতীতে যদি ভুল করে থাকি সামনে সেই ভুল সংশোধন করবো। এমন সৎ সাহস বাংলাদেশের রাজনীতিকদের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর কন্যা ছাড়া আর কেউই দেখাতে পারেননি। ভুল থেকে শিক্ষা নেবেন, ক্ষমতার দাপটে নেতারা এটা স্বীকার করেন না। কিন্তু শেখ হাসিনা স্বীকার করেছেন।’

৭ জানুয়ারি বিপুল ভোটের খেলা হবে উল্লেখ করে কাদের বলেন, সব সংকট-সব দুঃসময়ে, পঁচাত্তর পরবর্তী বঙ্গবন্ধুর রক্তভেজা মাটিতে শেখ রেহানা ছিলেন তার (শেখ হাসিনার) সহযোদ্ধা। আজ বরিশালের মাটিতে তারা দুই বোন পাশাপাশি বসে আছেন নির্ভয়ে। আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পান না বঙ্গবন্ধুর কন্যা, জনগণ আমাদের শক্তি। কারও হুমকি-ধমকিতে শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা মাথা নত করেন না।

জনসভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ। সঞ্চালক ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস। আরও বক্তব্য দেন ১৪ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, বরিশাল-৬ আসনের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবদুল হাফিজ মল্লিক নৌকা, বরিশালের সন্তান অভিনেতা মীর সাব্বির, অভিনেত্রী তারিন জাহান, বরিশাল-২ আসনে জোটের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, পিরোজপুর-২ আসনে জোটের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও জাতীয় পার্টি (জেপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, ঝালকাঠি-১ আসনের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর প্রমুখ।




১৫ বছরে এক বদলে যাওয়া বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

বরিশাল অফিস :: ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে গত ১৫ বছর ক্ষমতায় থেকে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশকে বদলে যাওয়া বাংলাদেশে রূপান্তর করেছেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বঙ্গবন্ধু উদ্যানে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল, ১৫ বছর আমরা ক্ষমতায়, বাংলাদেশ বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। বাংলাদেশ সার্বিকভাবে রাস্তাঘাট, পুল যতদূর নির্মাণ করে দিয়েছি। খাদ্য নিরাপত্তা আমরা নিশ্চিত করেছি। যেখানে ১কোটি ৮০ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্য ছিল আজ সেখানে ৪ কোটি ৯২ লক্ষ ১৬ হাজার মেট্রিক টন খাদ্য উৎপাদন হয়। যে মানুষ এক বেলা খেতে পারত না সে মানুষটা আজ ২ বেলা, ৩ বেলা খেতে পারে।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত উন্নত সমৃদ্ধ দেশ গড়বেন। যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের ক্ষমতা হাতে নিয়েছিলেন। রিজার্ভ মানি ছিল না, গোলায় এক ফোটা খাবার ছিল না। যুদ্ধকালী সময় কোনো ফসল মাঠে ফলেনি। রাস্তাঘাট, পুল ব্রিজ সব বিধ্বস্ত। শূন্য হাতে তিনি শুরু করেছিলেন, মাথাপিছু আয় ছিল ৯১ ডলার। জাতির পিতাকে পীড়া দিত, তাই নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে মাথাপিছু ২৭৭ ডলারে বৃদ্ধি করেন। দুইটি পোর্ট মাইন মুক্ত করা, রাস্তাঘাট উন্নত করা, হতদরিদ্রদের খাস জমি বিতরণ, বিনা পয়সায় বই কাপড় চোপড় পর্যন্ত দিয়েছিলেন। হত্যা, কু, ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে জিয়া-মুশতাক ক্ষমতায় আসে। এরপর জেনারেল এরশাদ ক্ষমতায় আসে কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

তিনি আরও বলেন, বরিশাল অঞ্চলে, বিভাগে এখানে আমি আমাদের নৌ বাহিনীর ঘাটি করেছি। সেনানিবাস তৈরি করেছি। এই এলাকা উন্নয়নের জন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র করা হয়েছে। বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল করে দিচ্ছি। সেখানে সোলার প্যানেলসহ কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করেছি। ভোলার গ্যাস সিএনজি করে ঢাকায় নিচ্ছি। ভবিষ্যতে আমরা বরিশালেও নিয়ে আসব। শিল্প কারখানা যাতে গড়ে উঠে সে ব্যবস্থা আমরা করবো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুজিববর্ষে আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম, বাংলাদেশের একটি মানুষ ও গৃহহীন, ভূমিহীন থাকবে না। আজকে আমরা প্রায় ৮ লক্ষ ৪১ হাজার ৬শ ২৩টি পরিবারকে বিনামূল্যে ঘর দিয়েছি। বরিশালের প্রতিটা উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত যদি কেউ ভূমিহীন থাকে তাকে বিনা পয়সায় ঘর দিয়ে জীবন জীবিকার ব্যবস্থা করে দিব। বেদে, হিজড়াসহ নানা ধরনের যারা অনগ্রসর এমনকি কুষ্ঠ রোগী তাদের কে ও আমরা ঘর ও জীবন জীবিকার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।

তিনি বলেন, আমরা রাস্তা করে দিয়েছি। কেমন রাস্তা আপনারা দেখেন। সেখানে চড়লে মনে হবে বাংলাদেশ না কোনো উন্নত দেশে যাচ্ছে। আপনাদের জন্য সুখবর আছে, ভাঙ্গা থেকে বরিশাল, কুয়াকাটা, পায়রা পোর্ট পর্যন্ত ৬ লেনের রাস্তা তৈরি করে দিব। ইতোমধ্যে ভূমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়ে গেছে। এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এর সাথে আলোচনা হয়ে, সেখান থেকে আমরা অর্থ নিবো। এই বরিশালে আর কোন দুর্ভোগ থাকবে না। আধুনিক রাস্তা তৈরি করে দিয়ে চলার পথ সহজ করে দিবো।

তিনি আরও বলেন, বরিশালে খুব বেশি মামলা হয়। ভার্চুয়াল কোর্ট আমরা করে দিয়েছি। এখানে বসেও যাতে হাইকোর্টে মামলা চলে সে ব্যবস্থা করে দিয়েছি। প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে ডিজিজটাল সিস্তেম সারা দেশে। এখন আমাদের লক্ষ ২০৪১ এর মধ্যে বাংলাদেশ হবে স্মার্ট বাংলাদেশ। আমাদের ছেলে মেয়ে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হবে। দক্ষ জনশক্তি হবে।

জানা যায়, বরিশালে জনসভা শেষে বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যাবেন। সেখানে তিনি শনিবার সকালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। পরে শনিবার দিনব্যাপী গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া, কোটালীপাড়া ও মাদারীপুরে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী জনসভায় যোগদান শেষে ঢাকায় ফিরবেন।

 




চার ইসরায়েলি গুপ্তচরকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলালো ইরান




নওগাঁ-২ আসনের নির্বাচন স্থগিত হচ্ছে




২১ কোটির ‘অপারেশন জ্যাকপট’ শুরু

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: অবশেষে শুরু হচ্ছে একাত্তরের রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের সফল গেরিলা যুদ্ধের কাহিনিনির্ভর ‘অপারেশন জ্যাকপট’ সিনেমার শুটিং।

আজ শুরু হচ্ছে ‘অপারেশন জ্যাকপট’ সিনেমার শুটিং।

তিনি বলেন, এ সিনেমার বাজেট ২১ কোটি টাকা। প্রথম লটে শুটিং শুরু হবে ২৯ ডিসেম্বর, চলবে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রথম লটে এতে অভিনয় করবেন নিরব, ইমন, জয় চৌধুরী, ডন, অমিত হাসান, মিশা সওদাগরসহ আরও অনেক তারকা। প্রধান একটি চরিত্রে অভিনয় করবেন রাজীব কুমার।

নির্মাতা রাজীব বলেন, সিনেমাটি নির্মাণ করতে চাই। সব কথা তো স্বপন চৌধুরী দাদা বলছেন। সবার সহযোগিতা চাই।

দেলোয়ার জাহান ঝন্টু বলেন, সিনেমাটা নির্মাণের জন্য আমি রাজীব বাবুকে দায়িত্ব দিলাম। আমি সঙ্গে আছি।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের অগ্নিঝরা দিনগুলোর কাহিনি নিয়ে নির্মাণ হচ্ছে ‘অপারেশন জ্যাকপট’। নৌ সেক্টর কর্তৃক পরিচালিত সফল গেরিলা অভিযানের কাহিনি নিয়ে এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে নির্মাণ হবে এ সিনেমা।

সিনেমাটির প্রধান আট চরিত্রে থাকবেন আটজন নায়ক। এতে মোট ৮০ জন অভিনয়শিল্পী কাজ করবেন।




অস্তিত্ব সঙ্কটে কুয়াকাটার বেত ও বাঁশশিল্প কারিগররা

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী :পটুয়াখালীর কুয়াকাটা উপজেলার গ্রামগঞ্জে একসময় বাঁশ আর বেতের তৈরি পাত্রই ছিল ধান-চাল রাখার ভরসা।
গোলা ভরা ধান যে পাত্রে রাখা হতো সেই গোলাই তৈরি হতো বাঁশ কিংবা বেত দিয়ে।

কিন্তু এ যুগে প্লাস্টিকের দাপট আর সহজলভ্যতার কারণে দখল হওয়ায় বাঁশ-বেতশিল্পের অনেক কারিগর এ পেশা ছেড়ে দিয়েছেন। যে ক’জন ধরে রেখেছেন তারা আছেন খুব কষ্টে। এ পেশার লোকদের দিন চলে কোনো রকমে। পুঁজি আর ক্রেতার অভাবে এগুলোর দেখা মিলছে না হাটবাজারে। ফলে অস্তিত্বসঙ্কটে পড়েছে এককালের গ্রামে জৌলুশ নিয়ে চলা বাঁশ আর বেতের তৈরি আসবাবপত্র।

একটা সময় গ্রামের প্রতিটি ঘরে ঘরে ছিল বাঁশ আর বেতের তৈরি ধান মাপার পালা, ধামা সের, গোলা, কুলা, চালনি, পানডালা, ধানের গোলা, নানা রঙের চাটাই, ছোট ছোট পাটি, খেলনা, গরুর ঠুসি, কলমদানি, কাস্তের ঠোঙ্গা, বাঁশি, ফুলদানি, তরকারি ঢাকনা, চাল মাপার পুরাসহ নানান রকমের আসবাবপত্র। আধুনিক সময়ে এসবের ব্যবহার নেই বললেই চলে। এগুলো এখন আর চোখেও তেমন পড়ে না। বাঁশের কিছুটা দেখা মিললেও বেতের দেখা মিলছেই না একদম। এক দিকে যেমন ব্যবহারে আগ্রহ হারিয়েছে গ্রামের বাসিন্দারা, তেমনি কারিগরদের মজুরি এবং বাঁশ আর বেতসঙ্কটে এ পেশা বিলুপ্তির পথে।

২৫ বছর ধরে কুটির শিল্পে জড়িত কুয়াকাটা উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের আমিরাবাদ গ্রামের পুলিন ব্যাপারি বলেন, একটা সময় বিক্রিবাট্টা খুব ভালো ছিল। উৎপাদন খরচ ও কাঁচামালের দাম কম থাকার পাশাপাশি চাহিদাও ছিল বেশ। সবমিলিয়ে ভালোভাবেই চলত দিনগুলো। এখন কাঁচামালের অভাব আর উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় এ শিল্প একেবারেই শেষের পথে। সবমিলিয়ে যেন এ শিল্পটা আর থাকল না।
তিনি আরো বলেন, একটা মাঝারি ডোলা বানাতে সময় লাগে এক দুপুর। এখানে কাঁচামাল আর সময় মিলিয়ে যেটি ব্যয় হয় সেটি কাক্সিক্ষত টাকায় বিক্রি করতে পারি না। আগে ডেইলি ১০টা ডোলা বিক্রি হতো। এখন সপ্তাহে ১০টা বিক্রি হয় না। সরকার এ দিকে নজর দিলে এ শিল্পটা বেঁচে যেত। গ্রামীণ ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে সহজ শর্তে ঋণ ও কারিগরদের উন্নত প্রশিক্ষণের দাবি জানান তিনি।

অনিল চন্দ্র ব্যাপারী বলেন, কুটির শিল্পের সাথে জড়িত ছিলাম প্রায় ২০ বছর। এ পেশাকে বংশপরম্পরায় নিয়েছিলাম আপন করে। আমার বাবার হাত ধরে শিখছিলাম এ কাজ। কিন্তু বাঁশ-বেতসঙ্কট ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধিসহ নানা সমস্যায় এ পেশা ছেড়ে দিয়েছি।

পটুয়াখালী জেলার বিসিক কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক আলমগীর সিকদার বলেন, বিভিন্ন সেক্টরেই আধুনিকতার ছোঁয়া পেয়েছে। কুটির শিল্পের নানা জিনিসপত্র এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও রফতানি করা হচ্ছে। যে পরিমাণে চাহিদা রয়েছে সে পরিমাণ আমরা রফতানি করতে পারছি না। আমরা বছরে দুই থেকে তিনবার প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকি, তারা এলে আমরা উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে পারি। পেশায় ভ্যারিয়েশন আনতে হবে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় অনুষ্ঠিত মেলায় ভালো বিক্রি হয়। নতুনত্ব না থাকায় বাজারে টিকতে না পেরে ছিটকে পড়ছে। আমরা সব সময়ই চেষ্টা করি কুটির শিল্পীদের সহজ শর্তে ঋণ দেয়ার। এটা সবসময় অব্যাহত থাকে।




একদিনে বিএনপির ৭০ নেতাকর্মীর কারাদণ্ড

চন্দ্রদ্বীপ  ডেস্ক: বিভিন্ন মামলায় বিএনপির ৭০ নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী এবং মেজর (অব.) মো. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম।

বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর পাঁচটি থানার মামলায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এসব আদেশ দেন।

বিএনপির আলতাফ-হাফিজের ২১ মাসের কারাদণ্ড
পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী এবং মেজর (অব.) মো. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রমসহ তিনজনের ২১ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি সাবেক বিএনপি নেতা ও বিএনএমের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) মো. হানিফ ।

বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন মেজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী পৃথক দুই ধারায় এ কারাদণ্ডাদেশ দেন। দণ্ডবিধি ১৪৩ ধারায় তাদের তিনমাস ও দণ্ডবিধির ৪৩৫ ধারায় দেড় বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। অনাদায়ে তাদের আরও এক মাসের কারাভোগ করতে হবে। বয়স বিবেচনায় অভিযুক্তদের এ কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেন বিচারক।

মামলার অন্য আসামি এমএ আউয়াল খান, মো. রাসেল, মঈনুল ইসলাম, মো. বাবুল হোসেন ওরফে বাবু ও মো. আলমগীর হোসেন ওরফে রাজুকে পৃথক দুই ধারায় সাড়ে তিন বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।




সপ্তাহে ১ দিন শ্যাম্পু করলেই খুশকি দূর হবে