যেভাবে এলো ইংরেজি নববর্ষ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  বিশ্বব্যাপী পালিত নানা জাতিগোষ্ঠীর উৎসবগুলোর মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রাচীন হিসেবে মনে করা হয় বর্ষবরণ উৎসবকে। তাই বর্ষবরণের এই প্রাচীনতা ঐতিহ্যের ধারক। পৃথিবীর সব দেশ ও জাতির মধ্যেই নববর্ষ পালনের রীতি বিদ্যমান। আন্তর্জাতিকভাবে খ্রিষ্টীয় বা ইংরেজি নববর্ষ পালনের গুরুত্ব অপরিসীম। এভাবেই ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে আবারও চলে এলো নতুন একটি বছর। থার্টি ফার্স্ট নাইট বা ইংরেজি নববর্ষের প্রথম প্রহরে উৎসব উদযাপনে মেতেছে গোটা বিশ্ব। কিন্তু এই ইংরেজি নববর্ষ এলো কীভাবে?



নতুন বছর উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:   প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খ্রিষ্টীয় নতুন বছর উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, ‘আজ আমরা যে সময়কে পেছনে ফেলে নতুন দিনের আলোয় উদ্ভাসিত হতে যাচ্ছি, সে সময়ের যাবতীয় অর্জন আমাদের সম্মুখ যাত্রার শক্তিশালী সোপান হিসেবে কাজ করছে। তাই নতুন বছরের এই মাহেন্দ্রক্ষণ সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নতুন নতুন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে উন্নতির নতুন শিখরে আরোহণের সোপান রচনা করার অনুপ্রেরণা।’



আর দেখা যাবে না আর্জেন্টিনার দশ নম্বর জার্সি! 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:   ম্যারাডোনা-ওর্তেগার সেই জার্সির মালিক পরে হয়েছেন লিওনেল মেসি। রোজারিও থেকে উঠে আসা এই ফুটবলারকে তর্কসাপেক্ষে ইতিহাসের সেরা ফুটবলার বলে থাকেন অনেকেই। ৩৬ বছর পর তার কল্যাণেই বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে আর্জেন্টিনা। মেসি নিজেও ব্যক্তিগত অর্জনে ছাড়িয়ে গিয়েছেন সব কিংবদন্তিকেই। এবার তার সম্মানে ১০ নম্বর জার্সিকে তুলে রাখতে চায় আর্জেন্টিনার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।



পটুয়াখালীতে বাংলাদেশ কংগ্রেস প্রার্থীর প্রচার গাড়ি ভাঙচুর

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-১ আসনে বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী নাসির উদ্দিন তালুকদারের ডাব মার্কার প্রচার গাড়ি ভাঙচুর ও মোবাইল ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।

এই ঘটনার জন্য জাতীয় পার্টির প্রার্থী রুহুল আমিন হাওলাদারকে দায়ী করেছেন নাসির উদ্দিন।

শনিবার বিকেলে দুমকি উপজেলার চারটি ইউনিয়নের ডাব প্রতীকের চারটি প্রচার গাড়ি ভাঙচুর ও ড্রাইভারের মোবাইল ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা।

আক্রান্তরা জানায়, ডাব প্রতীকের প্রচার গাড়ির অটোরিক্সা ড্রাইভার বলু প্রতিদিনের মত মাইক নিয়ে প্রচারকালে দুমকি উপজেলার পাংগাসিয়া ইউনিয়নের হাজিরহাট এলাকায় পৌঁছালে কিছু দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলে এসে মাইক ভাঙচুর করে চলে যায়।

লেবুখালী ইউনিয়নের পাগলার মোড় এলাকায় প্রচার গাড়িতে থাকা সোহাগের মাইকের মেশিন ভেঙে ফেলা ও জীবননাশের হুমকি দেয় দুর্বৃত্তরা।

আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া এলাকায় প্রচার গাড়ির সুমনের ব্যানার ও মেশিন ভেঙে ফেলা হয়। রাকিব নামে আরেক অটোচালক শ্রীরামপুর ইউনিয়নের তালতলী এলাকায় গেলে প্রচার গাড়ি থামিয়ে অটোরিক্সা ভাঙচুর ও তার মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

অটোরিক্সা চালক রাকিব বলেন, মোটর সাইকেলে করে আসা ১০ থেকে ১৫ জন আমার গাড়ি থামায় এবং তারা বলে ডাব মার্কার কোনো প্রচার এই এলাকায় চলবে না। এসময় তারা গাড়ির ব্যানার ও মাইকের মেশিন ভেঙে ফেলে এবং আমার কাছের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।

প্রচার গাড়ির দায়িত্বে থাকা অটোরিক্সাচালক সুমন বলেন, আমাকে প্রচার বন্ধ করার হুমকি দেওয়া হয়। দুর্বৃত্তরা মাইক ভাঙে এবং ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে।

বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী নাসির উদ্দিন তালুকদার বলেন, দুমকিতে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল মার্কার সমর্থকরা আমার চারটি প্রচার মাইক ভাঙচুর করেছে এবং প্রচার গাড়ির দুইজন ড্রাইভারকে মারধর করেছে৷ আমি এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসককে জানিয়েছি। তারা ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।

দুমকি থানার ওসি আব্দুল হান্নান বলেন, লোকমুখে ভাঙচুরের সংবাদ পেয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে সে অনুযায়ী অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




উঠান বৈঠকে বিরিয়ানি, স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে জরিমানা

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহবুবুর রহমানের এক সমর্থক আচরণবিধি লঙ্ঘন করে উঠান বৈঠকে বিরিয়ানি বিতরণ করায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের হাজিপুর বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কৌশিক আহমেদ।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বেঞ্চ সহকারী সূত্রে জানা যায়, হাজীপুর বাজারের কলাপাড়া-কুয়াকাটা সংলগ্ন মহাসড়কের কিছু অংশ ব্লক করে উঠান বৈঠক শেষে বিরিয়ানি বিতরণ করছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহবুবুর রহমানের সমর্থক ইসমাইল। এ অপরাধে তাকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কৌশিক আহমেদ বলেন, প্রচারণা শুরুর পর থেকে নির্বাচনি পরিবেশ শান্ত রাখতে আমরা মাঠে রয়েছি। আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বিরিয়ানি বিতরণ করায় এক সমর্থককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।




পটুয়াখালীর দুটি আসনে হবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালী জেলার চারটি সংসদীয় আসনে মধ্যে দুটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা স্বতন্ত্র প্রার্থীর শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়েছেন।

একটিতে নৌকার প্রার্থীর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুর রহমান তালুকদার। গলাচিপা দশমিনায় স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজিবির সাবেক মহাপরিচালক চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন নৌকার প্রার্থীকে।

বাসুদেব চন্দ্র মিস্ত্রী, দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা বেতাগী-সানকিপুর বাজারে জিলাপী বিক্রি করছেন। জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাসুদেবের ব্যবসা এখন জমজমাট।
কেমন হবে নির্বাচন? বাসুদেবের মতে এখানে ভোটের পরিবেশ জমে উঠেছে।

পটুয়াখালীর গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা নিয়ে গঠিত পটুয়াখালী-৩, সংসদীয় আসনে আসছে সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী ৬ জন। বর্তমান সাংসদ এস এম শাহজাদা এবারও নৌকার প্রার্থী। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজিবির সাবেক মহাপরিচালক আবুল হোসেন শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়েছেন। তার সঙ্গে আছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের বড় একটি অংশ।

কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলা নিয়ে গঠিত পটুয়াখালী-৪ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মুহিববুর রহমান মুহিব। তার বড় প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুর রহমান তালুকদার। দুই প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের মধ্যে প্রচারণার মাঠে সহিংসতাও হয়েছে।

পটুয়াখালী সদর আসনের প্রার্থী জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান রুহুল আমিন হাওলাদার, এই আসনে আওয়ামী লীগ তাদের প্রার্থী প্রত্যাহার করেছে। আর পটুয়াখালী ২ বাউফল থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ। তার শক্ত কোন প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় এখানকার নির্বাচনী মাঠ নিরুত্তাপ।




আইন অমান্য করে আতশবাজি-ফানুসে নতুন বছর উদযাপন

চন্দ্রদীপ নিউজ: পুলিশের নিষেধাজ্ঞার পরও বিকট শব্দে পটকা-আতশবাজি ফোটানোর আওয়াজ আর আগুনের ফুলকির মতো হাজার হাজার ফানুস উড়িয়ে উদযাপিত হচ্ছে নতুন বছর ২০২৪। রাত ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে আতশবাজি ও ফানুস উড়িয়ে ২০২৪ সালকে স্বাগত জানায় ঢাকাবাসী। আতশবাজির ঝলকে রঙিন হয়ে ওঠে ঢাকার আকাশ। এর সঙ্গে রয়েছে পটকার শব্দ, আকাশে শত শত ফানুস। অথচ নিষেধাজ্ঞা ছিল এসব আয়োজনে। কিন্তু সব নিষেধাজ্ঞা ভেঙে বরাবরের মতো এবারও ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনে ছিল সবকিছুই।

রোববার (৩১ ডিসেম্বর) দিনগত মধ্যরাতে (সময় অনুযায়ী ১ জানুয়ারি প্রথম প্রহরে) রাজধানীর প্রায় সব এলাকায় আতশবাজি ও ফানুস ওড়াতে দেখা গেছে।

যদিও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান ক্ষমতাবলে থার্টি ফার্স্ট নাইট উৎসবমুখর ও নিরাপদ পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বেশকিছু নির্দেশনা দেন। এর মধ্যে রয়েছে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফুটানো, ফানুস ওড়ানো এবং মশাল মিছিল নিষিদ্ধ ঘোষণা করা।

ডিএমপি কমিশনারের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্স (অর্ডিন্যান্স নং- III/৭৬) এর ২৮ ও ২৯ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে (১৮ ডিসেম্বর) রাত ১২টা থেকে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন উৎসবমুখর ও নিরাপদ পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফুটানো, ফানুস ওড়ানো ও মশাল মিছিল ইত্যাদি নিষিদ্ধ ঘোষণা করছি।’

ঢাকায় থার্টি ফার্স্ট নাইটে উন্মুক্ত স্থানে কোনো ধরনের আয়োজন করার সুযোগ ছিল না। কঠোর নিষেধাজ্ঞা ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছিল মানুষের বাসা-বাড়ির ছাদকেও। কিন্তু তাতে থামিয়ে রাখা যায়নি উদযাপন। আতশবাজি আর ফানুসে ভরপুর ঢাকার আকাশ। রাজধানীর পুরান ঢাকাসহ প্রায় অধিকাংশ ভবনের ছাদেই রয়েছে আতশবাজি আর ফানুস ওড়ানোর আয়োজন। অনেকে আবার ছাদে বারবিকিউ পার্টিসহ পারিবারিক নানা আয়োজন করেছেন।

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ ৩১ ডিসেম্বর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞার পরও যদি কেউ ফানুস ওড়ায়, আতশবাজি ফোটায় বা অস্ত্র দিয়ে গুলি ছোড়ে, তাহলে নির্দেশনা অনুযায়ী অ্যাকশন নেওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না। তাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে মামলা দায়ের করা হবে।’

প্রতি বছরই থার্টি ফার্স্ট নাইটের আগে বলা হয়, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু প্রায় প্রতিটি বাসার ছাদেই আতশবাজি ফোটানো হয়। তাহলে নিরাপত্তার বিষয়টি কেমন থাকছে? জানতে চাইলে মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, ‘ঢাকা শহরে পুলিশের সদস্য সংখ্যা হলো ৩৩ হাজার। আর ঢাকায় বসবাসকারী নাগরিকের সংখ্যা প্রায় আড়াই কোটি। আমরা মনে করি, পুলিশের পক্ষ থেকে, ডিএমপি কমিশনারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বিষয়ে নগরবাসীকে সতর্ক করা হয়। কিন্তু কিছু মানুষ যদি না মানে, আইন তোয়াক্কা না করে… তাহলে তাদের বিরুদ্ধে তো অ্যাকশন নেওয়া ছাড়া কোনো উপায় দেখি না।’




কুয়াকাটায় হতাশ পর্যটন ব্যবসায়ীরা

বরিশাল অফিস ::  থার্টি ফার্স্ট নাইট (৩১ ডিসেম্বর) ঘিরে থাকে লাখো মানুষের উচ্ছ্বাস। দেশের ভেতরে এ দিনটি উদযাপনের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত। প্রতিবছরই শেষ সূর্যাস্ত ও প্রথম সূর্যোদয় দেখতে কুয়াকাটায় আগমন ঘটে হাজারো পর্যটকের।

এ উপলক্ষে বাড়তি চাপ তৈরি হয় পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটায়। প্রতিবছরের ন্যায় এ বছর হোটেল-মোটেল ও ব্যবসায়ীদের ছিল আগাম প্রস্তুতি। তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী আগমন ঘটেনি পর্যটকের। তাই হতাশ পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

 

×

থার্টি ফার্স্ট নাইট

কুয়াকাটায় হতাশ পর্যটন ব্যবসায়ীরা

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিবেদক

 

প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে

আপডেট : ১৫ মিনিট আগে

কুয়াকাটায় হতাশ পর্যটন ব্যবসায়ীরা

থার্টি ফার্স্ট নাইট (৩১ ডিসেম্বর) ঘিরে থাকে লাখো মানুষের উচ্ছ্বাস। দেশের ভেতরে এ দিনটি উদযাপনের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত। প্রতিবছরই শেষ সূর্যাস্ত ও প্রথম সূর্যোদয় দেখতে কুয়াকাটায় আগমন ঘটে হাজারো পর্যটকের। এ উপলক্ষে বাড়তি চাপ তৈরি হয় পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটায়। প্রতিবছরের ন্যায় এ বছর হোটেল-মোটেল ও ব্যবসায়ীদের ছিল আগাম প্রস্তুতি। তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী আগমন ঘটেনি পর্যটকের। তাই হতাশ পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

Google News গুগল নিউজে প্রতিদিনের বাংলাদেশ”র খবর পড়তে ফলো করুন

রবিবার (৩১ ডিসেম্বর) সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখা গেছে, হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ, বিনোদন স্পটসহ বিভিন্ন স্থান রঙিন লাইট, বেলুন দিয়ে সাজিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে ব্যস্ত সবাই। বেশিরভাগ হোটেল ধোয়া-মোছা করে পরিপাটি করে রাখা হয়েছে। তবে কাঙ্ক্ষিত বুকিং না পেয়ে হতাশ বেশিরভাগ হোটেল মালিক ও ব্যবসায়ী।

হোটেল-মোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, থার্টি ফার্স্ট নাইটের কাছাকছি কোনো সরকারি বন্ধ না থাকা এবং দেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে প্রথম শ্রেণির হোটেলগুলোতে মাত্র ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বুকিং হয়েছে। তবে দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির হোটেলগুলোতে কোনো প্রকার অগ্রিম বুকিং হয়নি। অন্যান্য বছরের এ সময় হোটেলগুলোতে প্রায় শতভাগই বুকিং থাকত।

হোটেল সৈকতের স্বত্বাধিকারী শেখ জিয়াউর রহমান বলেন, ‘গত অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া হরতাল-অবরোধের ধাক্কায় থার্টি ফার্স্টের মতো বড় উৎসবেও আমরা লোকসান দিচ্ছি। এই মুহূর্তেও আমাদের রুম খালি যাচ্ছে, যা করোনাকালীন সময়ের পরে এই প্রথম।’

কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণত সম্পাদক মোতালেব শরীফ জানান, বছরে যতগুলো উৎসবে কুয়াকাটায় পর্যটকে মুখর থাকে, তার মধ্যে থার্টি ফার্স্ট নাইট অন্যতম। তাই এই উৎসবকে কেন্দ্র করে তাদের অনেক আয়োজন থাকে। তবে এবার ২০ শতাংশও বুকিং হচ্ছে না। যে কারণে হোটেল মালিক ও পর্যটকদের সেবা দেওয়া ২৬টি পেশার মানুষ বিপাকে। তারা পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে।

কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র আনোয়ার হাওলাদার বলেন, ‘প্রতিবারের ন্যায় আজকে পর্যটক অনেক কম। হরতাল-অবরোধে রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্য থার্টি ফার্স্ট নাইটেও পর্যটন ব্যবসায়ীরা হতাশ। তাদের ব্যবসার এখন দুর্দিন যাচ্ছে।’

কুয়াকাটা রিজিয়নের ট্যুরিস্ট পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘সাধারণত ডিসেম্বরজুড়েই সৈকতে পর্যটকদের চাপ থাকে। তবে বর্তমানে কিছুটা কম, তারপরও আমরা তৎপর রয়েছি। যাতে পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।’




বরগুনায় ইটভাটায় শিকলে বেঁধে নির্যাতন, শ্রমিকের মৃত্যু

বরিশাল অফিস :: বরগুনার আমতলীতে গুলিশাখালী ইউনিয়নে একটি ইটভাটায় দাদনের ৪০ হাজার টাকা আদায়ের জন্য শিকলে বেঁধে সর্দারের নির্যাতনে এক শ্রমিকের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রবিবার (৩১ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় গুলিশাখালী ইউনিয়নের কালীবাড়ির আইএসএসবি ইটভাটায় তার মৃত্যু হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনার মর্গে পাঠিয়েছে।

নিহত আনিচ গাজী একই ইউনিয়নের ডালাচারা গ্রামের মৃত চানমিয়া গাজীর ছেলে।

শ্রমিক আনিচ গাজীর স্ত্রী ফিরোজা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার স্বামীর কাছে দাদনের টাকা পাওনা দাবি করে আইএসএসবি ইটভাটার সর্দার ছালাম ও খালেক ভাটার থাকার ঘরে পায়ে শিকল পরিয়ে নির্যাতন করেছে। সেখানেই তিনি অসুস্থ হয়ে মারা যান। আমার স্বামী হত্যার বিচার চাই।’

এ ঘটনার খবর পেয়ে বরগুনার পুলিশ সুপার মো. আব্দুস ছালাম ও আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাখায়াত হোসেন তপু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এ বিষয়ে ইটভাটার মালিক ফারুক গাজী বলেন, ‘সর্দার কাকে দাদন দিয়েছেন বিষয়টি আমার জানা নেই। শ্রমিকের মৃত্যুর বিষয়ে শুনেছি, তিনি নাকি অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন।’

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাখায়াত হোসেন তপু  বলেন, ‘শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

বরগুনার পুলিশ সুপার মো. আব্দুস ছালাম বলেন, ‘বিষয়টির তদন্ত চলছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’




ভোলার গ্যাস কাজে লাগাতে চান নৌকা প্রার্থী মুকুল

বরিশাল অফিস :: ভোলার গ্যাসকে কাজ লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত সার কারখানা নির্মাণসহ ছোট ছোট শিল্প কারখাানা তৈরি করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চান ভোলা-২ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আলী আজম মুকুল। আজ রবিবার (৩১ ডিসেম্বর) নির্বাচনী প্রচারণাকালে ভোটারদের এ আশ্বাস দেন তিনি।

ভোটারদের আলী আজম মুকুল বলেন, আমাদের এলাকার গ্যাস দিয়ে আমরা সাড়ে ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রীডে দিচ্ছি। ভোলার গ্যাস ঢাকার শিল্প কারখানায় ব্যবহার হচ্ছে- এজন্য আমরা গর্বিত।

আগামীতে ভোলার গ্যাস ভোলাবাসী যাতে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারে সেই সুযোগ তৈরি করা হবে বলেও জানান আলী আজম মুকুল।