৩ উপায়ে ওজন কমান দ্রুত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ওজন কমাতে চান কিন্তু ডায়েট করা একদমই পছন্দ না। না খেয়ে থাকলেই প্রেশার উঠানামা করে। শরীরচর্চা যাদের কাছে সময়সাপেক্ষ বিষয়। অফিস, বাড়ি সব সামলে শরীরের যত্ন নেওয়ার জন্য সময় থাকে না। তাদের জন্য ব্যায়াম করার সময় বের করা সত্যিই কঠিন। এমন সমস্যা যাদের তারা ৩ উপায়ে দ্রুতই ওজন কমাতে পারেন।



আজ টিভিতে খেলা দেখবেন?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  চোখ রাখতে পারেন ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়ার নারী দলের ওয়ানডে ম্যাচে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে রাতে লড়বে ব্রাইটন এবং ওয়েস্টহ্যাম। আগামীকাল সকালে শুরু হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া-পাকিস্তান সিরিজের শেষ টেস্ট। এই টেস্ট দিয়েই সাদা পোশাকের ক্যারিয়ারের ইতি ঘটাবেন ডেভিড ওয়ার্নার।



নির্বাচনী জনসভায় আজ ফরিদপুর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী সভা করতে আজ ফরিদপুর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। তার আগমনকে কেন্দ্র করে জেলার দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। ইতোমধ্যে সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠের সভামঞ্চসহ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এখানে তিনি আজ বিকেল ৩টার দিকে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেবেন।



প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা উন্মাদ হয়ে গেছেন : শ.ম. রেজাউল

বরিশাল অফিস :: পিরোজপুর-১ আসনের নৌকা মার্কার প্রার্থী মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ.ম. রেজাউল করিম বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর নৌকা, শেখ হাসিনার নৌকা, মুক্তিযুদ্ধের নৌকা, আওয়ামী লীগের নৌকা, নৌকার গণজোয়ার দেখে নৌকার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অনেকটা উন্মাদ হয়ে নৌকার জোয়ার ঠেকাবার জন্য সহিংসতার আশ্রয় নিচ্ছেন। বিষয়টা প্রশাসনকে জানিয়েছি যদি প্রশাসন ব্যবস্থা না নেয় তাহলে মানুষই তাদের রুখে দাঁড়াবে।

সোমবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে ইন্দুরকানী উপজেলার রাজিয়া রশিদ মাদরাসা মাঠে নির্বাচনী পথসভায় এ কথা বলেন।

শ.ম.রেজাউল করিম বলেন, নৌকার গণ জোয়ার দেখে ঈগল মার্কার প্রার্থী আমার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে দমন করার চেষ্টা করছে। গতকয়েক দিন ধরে বিভিন্ন স্থানে তারা আমার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়।

পিরোজপুর-১ (পিরোজপুর সদর-নাজিরপুর-ইন্দুরকানী) আসন থেকে আওয়ামী লীগ মনোনীত মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ.ম. রেজাউল করিম (নৌকা) প্রতীক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে এম এ আউয়াল (ঈগল) প্রতিক, জাতীয় পার্টি মনোনীত মো. নজরুল ইসলাম (লাঙ্গল) প্রতীক এবং তৃণমূল বিএনপি মনোনীত ইয়ার হোসেন রিপন (সোনালী আঁশ) প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন।

পিরোজপুর-১ আসন ২১ টি ইউনিয়ন ১ টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। এ আসনে মোট ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭ জন ভোটার ভোট প্রদান করবেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৬ হাজার ৩০৪ এবং নারী ভোটার রয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার ৭৩৩ জন।




নতুন বছরেও নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ে হতাশ বরিশালের মানুষ

এস এল টি তুহিন, বরিশাল :: নিত্যপণ্যের অগ্নিমূল্য নিয়ে আরো একটি নতুন বছরের সূচনা হয়েছে। চাল-ডালের সাথে রান্নার গ্যাস, ভোজ্যতেল, চিনি, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা আর মাছ-মাংস সহ কোন নিত্যপণ্য নিয়ে ভাল খবর নেই বরিশাল সহ দক্ষিণাঞ্চলের বাজারে।

ডিম, গরুর গোশত এবং সব ধরনের মুরগীর মূল্য বৃদ্ধির কারণে ইতোমধ্যে এসব খাবার মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে গেছে।

অথচ আলু, পেয়াঁজ, ডিম, দুধ, মাছ ও গোশতে স্বয়ংসম্পূর্ণ এ অঞ্চল। দেশে উৎপাদিত মোট সয়াবিনের প্রায় ২৫ ভাগের উৎপাদন এ অঞ্চলে। খেশারী ও মুগ ডালের অর্ধেকেরও বেশী উৎপাদন হয় বরিশালে।

বরিশালের বাজারে দেশী পেঁয়াজ বিক্রী হচ্ছিল ৮০-৮৫ টাকা কেজি দরে। গোল আলুর কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকা। মুসুর ডাল এখনো ১৩০ টাকা কেজি, মুগ ডাল ১৩০-১৩৫ টাকা কেজি। সয়াবিন সহ ভোজ্য তেলের বাজারেও কোন সুখবর নেই। ১৭৫-১৮৫ টাকা দরে প্রতি লিটার সয়াবিন বিক্রী হচ্ছে।

গত ৩ মাসে রান্নার গ্যাসের দাম প্রায় সাড়ে ৩শ টাকা বেড়ে এখন সাড়ে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রী হচ্ছে প্রায় দেড় হাজার টাকায়। চিনির কেজিও ১৩৫-১৪০টাকা।

আর ব্রয়লার মুরগীর কেজি গত একমাসে ২৫ টাকা বেড়ে এখন প্রায় ২শ টাকায় বিক্রী হচ্ছে। ইলিশের উৎপাদন ক্রমান্বয়ে বাড়লেও মোট উৎপাদনের ৭০ ভাগেরও বেশী যোগানদার বরিশাল অঞ্চলে এখন ১ কেজি সাইজের একটি ইলিশ বিক্রী হচ্ছে ১৪শ থেকে দেড় হাজার টাকায়।

প্রতিটি নিত্যপণ্যের অস্বভাবিক মূল্যবৃদ্ধি বরিশাল অঞ্চলের সাধারন মানুষের সংসার চালাতে কষ্টসাধ্য হয়ে উঠায় হতাশ হচ্ছেন অনেকে।

 




সরবরাহ ঘাটতি সামালে পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে উন্নয়নের ‘রোল মডেল’ হিসেবে সারাবিশ্বে খ্যাতি অর্জন করেছে বাংলাদেশ। একের পর এক মেগা প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে অল্প সময়ের মধ্যেই দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক, যোগাযোগ, ব্যবসাবাণিজ্য ও নাগরিক সুবিধার ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে।

পায়রা তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পটি মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ প্রকল্প। এরই মধ্যে পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে এসেছে। এটি আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তির আধুনিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। দুই ইউনিট বিশিষ্ট ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তির আধুনিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এশিয়ার বিভিন্ন দেশে রয়েছে। দেশের চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহে ঘাটতি মেটাতে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

২০২২ সালের ২১ মার্চ শেখ হাসিনা নিজে উপস্থিত থেকে আধুনিক এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার ধানখালীতে পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি সরকারের একটি বড় ও আধুনিক প্রকল্প। ‘বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিসিপিসিএল)’ এটি নির্মাণ করেছে। দুই ইউনিট বিশিষ্ট এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রতিটি ইউনিট থেকে ৬৬০ মেগাওয়াট করে মোট ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণের লক্ষ্যে ২০১৪ সালে নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড (এনডব্লিউপিজিসিএল) ও চায়না মেশিনারিজ কোম্পানির (সিএমসি) মধ্যে চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী এই দুই কোম্পানি যৌথ ভাবে বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিসিপিসিএল) প্রতিষ্ঠা করে।
২০১৬ সালে এই প্রকল্প পরিবেশগত ছাড়পত্র পায়।
২০১৭ সালে প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এজন্য আন্ধারমানিক নদীর তীরে ধান খালীর গ্রামীণ এলাকায় ১ হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটানা কাজ চলায় ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে প্রথম ইউনিটের কাজ শেষ হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ওই বছরের ১৫ মে প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়। এর পর ৮ ডিসেম্বর দ্বিতীয় ইউনিট থেকেও উৎপাদন শুরু হয়। ২০২২ সালের ২১ মার্চ প্রধানমন্ত্রী এ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণে ২৪৮ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয় হয়।

কর্মকর্তারা জানান, উন্নত দেশগুলো কয়লা জ্বালিয়ে উৎপাদিত বিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় পরিবেশ রক্ষায় ও ক্ষয় ক্ষতি কমিয়ে আনতে যে বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাকে ‘আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি’ বলা হয়। এ প্রযুক্তির শতভাগ ব্যবহার করে পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য জ্বালানি হিসেবে ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া থেকে কয়লা আমদানি করা হচ্ছে। এখানে আমদানিকৃত কয়লা রাখা হয় ঢাকনা যুক্ত কোল ইয়ার্ডে। ঢাকনা থাকায় কয়লা আনা-নেয়ার সময় কয়লার গুঁড়া বাতাসের মাধ্যমে আশ পাশের এলাকায় অপেক্ষাকৃত কম ছড়ায়। ফলে পরিবেশের ক্ষতিও অনেক কমে যায়। এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারকারী দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১৩তম অবস্থানে রয়েছে। ভারত, চীন, তাইওয়ান, জাপান ও মালয়েশিয়া আগে থেকেই এশিয়া মহাদেশে আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তির বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করেছে। দক্ষিণ এশিয়ায় আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রথম নির্মাণ করে ভারত। এ অঞ্চলে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। তবে শুরু থেকেই পূর্ণ সক্ষমতা নিয়ে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছে না।
এর প্রধান কারণ, বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে জোর দেয়া হলেও গ্রিড লাইন বা সঞ্চালন লাইন নির্মাণে তখন গুরুত্ব দেয়া হয়নি। তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি উৎপাদন শুরু করলেও পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগাতে পারছে না। সক্ষমতার চেয়ে অনেক কম বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। সরকার এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ নিতে না পারায় এখন পর্যন্ত মোটা অংকের ক্যাপাসিটি চার্জ দিয়ে যাচ্ছে। কয়লা সংকটের কারণে কয়েকবার এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত ১ হাজার থেকে ১২শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। এখন উৎপাদন আরো বেড়েছে। প্রতিদিন ১২ হাজার টনের বেশি কয়লা ব্যবহার করে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুৎ পুরো বরিশাল ও খুলনা এবং ঢাকার কিছু অংশের জন্য নির্ভর যোগ্য উৎস। এই কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদন যখন বন্ধ হয় তখন এসব এলাকায় লোডশেডিং হয়। তবে কয়লা সংকটের পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে সেজন্য সব সময় কয়লার মজুত রাখতে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

কনজ্যুমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম বলেন, সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর জন্য বড় বড় বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়েছে। এর মধ্যে পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র অন্যতম। তবে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করলেই হবে না। এর পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখতে পর্যাপ্ত জ্বালানি সংরক্ষণ এবং উৎপাদিত বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য গ্রিড লাইন শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। গ্রিডলাইন না থাকায় পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধনের পরও বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারেনি।




বছরের ১ম দিনেও কাঙ্ক্ষিত পর্যটক নেই কুয়াকাটায়

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : প্রতি বছরই শেষ সূর্যাস্ত ও প্রথম সূর্যোদয় উপভোগ করতে বরাবরই কুয়াকাটায় আগমন ঘটে হাজারো পর্যটকদের। আর এ উপলক্ষে বাড়তি চাপ তৈরি হয় পর্যটন কেন্দ্র পটুয়াখালীর কুয়াকাটায়। তবে প্রতিবছরের ন্যায় এবছর হোটেল-মোটেল ও ব্যবসায়ীদের আগাম প্রস্তুথ থাকলেও তেমন পর্যটকের নেই।

সোমবার (১ জানুয়ারি) সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখা যায়, হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ, বিনোদন স্পট সহ বিভিন্ন স্থানকে রঙ্গিন লাইট, বেলুন দিয়ে সাজিয়ে রাখলেও দেখা মিলছে না পর্যটক এর । এতে কাঙ্ক্ষিত বুকিং না পেয়ে হতাশ বেশীরভাগ হোটেল মালিক ও ব্যবসায়ীরা।

হোটেল-মোটেল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে জানা যায়, নিউ ইয়ারের কাছাকাছি কোনো সরকারি বন্ধ না থাকা এবং দেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে প্রথম শ্রেণীর হোটেলগুলোতে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বুকিং হয়েছে। তবে দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেনীর হোটেলগুলোতে কোন প্রকার অগ্রিম বুকিং না থাকায় কাঙ্খিত পর্যটক থেকে বঞ্চিত পর্যটক ব্যবসায়ীরা।

হোটেল খান প্যালেসের পরিচালক মো. সাকুর বলেন, প্রতি বছর ১ জানুয়ারির একসপ্তাহ আগে আমাদের পুরো হোটেল অগ্রীম বুকিং পেতাম কিন্তু বর্তমানে আমাদের মোট রুমের মাত্র ২০ শতাংশ রুম বুকিং পেয়েছি আগামী দুই দিনে ৩০ শতাংশ রুম বুকিং পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আমরা যে প্রস্তুতি সে পরিমান পর্যটক এই বছর পাচ্ছি না।

হোটেল সমুদ্র বিলাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. ইসমাইল ইমন বলেন, গত অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া হরতাল-অবরোধের ধাক্কায় নিউ ইয়ার এর মত বড় বাজারেও আমরা লোকসান দিচ্ছি। এই মুহুর্তে আমাদের রুম খালি যাচ্ছে যা করোনাকালীন সময়ের পরে এই প্রথম।

ট্যুর অপারেটরস এসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক) প্রেসিডেন্ট রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, বছরে যতগুলো বন্ধে কুয়াকাটায় পর্যটকে টইটুম্বুর থাকে তারমধ্যে নিউ ইয়ার অন্যতম। তাই এই দিনকে কেন্দ্র করে আমাদের অনেক আয়োজন থাকে তবে আকাঙ্খার ২০ শতাংশও বুকিং হচ্ছে না। যে কারনে হোটেল মালিক ও পর্যটকদের সেবা দেয়া ২৬টি পেশার মানুষ এখন হিমশিম খাচ্ছে। যা পর্যটকদের জন্য হুমকির।

কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা রিজিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ জানান, ডিসেম্বর জুড়ে পর্যটকদের চাপ। তবে বর্তমানে কিছুটা কম তারপরেও সার্বিকভাবে আমরা তৎপর রয়েছি। যাতে পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।




কলাপাড়া প্রেস ক্লাবের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : বর্ণাঢ্য আয়োজনে পটুয়াখালীর কলাপাড়া প্রেস ক্লাবের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। সোমবার শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও কেক কেটে দিনটি পালন করা হয়। এর আগে, জাতীয় পতাকা ও সাংগঠনিক পতাকা উত্তোলন করা হয়।

কলাপাড়া প্রেস ক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার তৌহীদুর রহমান মিলনায়তনে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. হুমায়ুন কবীর।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পৌরসভার মেয়র বিপুল চন্দ্র হাওলাদার, কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলী আহমেদ।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কলাপাড়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শামসুল আলম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নেছারউদ্দিন আহমেদ টিপু ও মোহসিন পারভেজ প্রমুখ।

পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম মোশারফ হোসেন মিন্টু।

উল্লেখ্য ১৯৮১ সালের ১ জানুয়ারি কলাপাড়া প্রেস ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়।




বাউফলে প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ বাতিলের নির্দেশ 

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: দীর্ঘ দুই বছর পর পটুয়াখালীর বাউফলের আবদুর রশিদ সরদার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদের নিয়োগ বাতিলের জন্য বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটিকে চিঠি দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ৮৮/৪জি-১৩৬৩-ম/২০১২/৩৭৫১ নম্বর স্মারকের এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পান মো.খায়রুল আলম। পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষক পদে এই নিয়োগের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে। ওই পদে নিয়োগের জন্য আবেদনকারী ৮ জন শিক্ষক এই অভিযোগ করেন। তারা অভিযোগ সহকারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল চেয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের সচিব বরাবর আবেদন করেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘ দুই বছর পর তদন্ত শেষে প্রধান শিক্ষক মো. খাইরুল আলমের নিয়োগ বাতিলের জন্য বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটিকে চিঠি দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কাওছার আহমেদ।

সরেজমিনে দেখা যায়, গত ২৬ ডিসেম্বর চিঠি দেয়া হলেও অদ্যাবধি এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি ম্যানেজিং কমিটি। প্রধান শিক্ষক মো. খাইরুল আলম দায়িত্ব পালন করছেন নিয়মিত।

বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমি কোনো চিঠি পাইনি। চিঠি পেলে নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

জেলা শিক্ষা অফিসার মুহা. মুজিবুর রহমান বলেন, অধিদপ্তর থেকে আব্দুর রশিদ সরদার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল করার জন্য চিঠি দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।




বরিশাল-৩ আসনে বেড়েই চলেছে আতিকুর রহমানের জনপ্রিয়তা

বরিশাল অফিস :: ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততোই বাড়ছে বরিশাল-৩ আসনের জনতার মনোনীত প্রার্থী হিসেবে পরিচিতি পাওয়া ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুর রহমানের জনপ্রিয়তা। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই বিরামহীন গণসংযোগ, প্রচারণা, উঠান বৈঠক ও নির্বাচনী সভায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। যাচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে, শুনছেন তাদের সমস্যা ও প্রয়োজনীয়তা, দিচ্ছেন সমাধানের প্রতিশ্রুতি।

স্থানীয়রা বলছেন, বাবুগঞ্জ মুলাদীতে এখন আর দল কিংবা মার্কা বিশেষ নয়, ভোটের মাঠে ব্যক্তি আতিকুর রহমানের অবস্থান তুঙ্গে। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মোঃ আতিকুর রহমান বলেন, দেশ আজ উন্নয়নের মডেল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। কিন্তু বরিশাল ৩ আসনে আওয়ামী লীগের কোন প্রার্থী না থাকায় এই নির্বাচনী এলাকায় তেমন কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। তাই এই নির্বাচনী এলাকার অবহেলিত মানুষের ভাগ্যন্নয়ন এবং আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের এই ধারাকে আরো গতিশীল করতে আমি নির্বাচনে এসেছি।

উন্নয়নের স্বার্থে পরিবর্তন চাই এই স্লোগান কে সামনে রেখে বাবুগঞ্জ মুলাদীবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। ভোটারদের মাঝে ট্রাক প্রতীক বেশ সাড়া ফেলেছে। সুষ্ঠু ভোট হলে বিজয়ী হবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন মোঃ আতিকুর রহমান।