পটুয়াখালী-৪, লড়াই জমিয়ে তুলেছেন মামাতো-ফুফাতে ভাই

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : সাগর পারের সংসদীয় আসন পটুয়াখালী-৪ আসনে তুমুল লড়াই জমিয়ে তুলেছেন দুই মামাতো-ফুপাতো ভাই। তাদের এক জন বর্তমান সংসদ সদস্য আবারো পেয়েছেন নৌকার মনোনয়ন। অন্যজনও একই দলের সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী, হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে বিষোদগার করতেও পিছপা হচ্ছেন না তারা।
কলাপাড়া আর রাঙ্গাবালী উপজেলা নিয়ে সংসদীয় আসন পাটুয়াখালী-৪। এই নির্বাচনী এলাকার সাগরকন্যা কুয়াকাটা, পায়রা সমুদ্র বন্দর আর চর মোন্তাজের মত দুর্গম এলাকায় ভোটারদের দরজায় যাচ্ছেন প্রার্থীরা।

১৯৯৬ থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচবার আসনটি দখলে রেখেছে আওয়ামী লীগ। এরমধ্যে ২০০১ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত তিনবার জয়ী মাহবুবুর রহমান ছিলেন প্রতিমন্ত্রী। তবে ২০১৮ সালে তার বদলে মনোনয়ন পেয়ে সংসদ সদস্য হন মহিব্বুর রহমান, এবারো মনোনয়ন পেয়েছেন তিনি।
তবে এবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মাঠে নেমেছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুর রহমান। তিনি ও বর্তমান সংসদ সদস্য মামাতো-ফুপাতো ভাই, কিন্তু ভোট যুদ্ধে কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ।

এদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন আওয়ামী লীগেরই আরেক সাবেক সংসদ সদস্যের ছেলে আব্দুল্লাহ আল ইসলাম লিটন। ভোটারদের নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছেন তিনিও।

এরই মধ্যে এই তিন প্রার্থীর সমর্থকদের তৈরি হয়েছে উত্তেজনা, ঘটেছে অপ্রীতিকর ঘটনা। তবে ভোটারদের ধারণা শেষ পর্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করবেন দুই মামাতো-ফুপাতো ভাই।

এই তিনজন ছাড়াও পটুয়াখালী-৪ আসনে প্রার্থী দিয়েছে জাতীয় পার্টি, জাসদ ও বাংলাদেশ কংগ্রেস। তবে ভোটের মাঠে তাদের তেমন কোন প্রচারই নেই।




মির্জাগঞ্জে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে চলছে রাস্তার সংস্কার

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : মির্জাগঞ্জে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে চলছে রাস্তা সংস্কারের কাজ। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার মানছে না নিষেধাজ্ঞা- এমন দাবি করেছে উপজেলা এলজিইডি।

উপজেলার পশ্চিম সুবিদখালী আশ্রাফ প্যালেস থেকে দাসের ডাঙ্গা পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার রাস্তার সংস্কার কাজে এ অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়।

নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে সড়কের সংস্কার কাজ করার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে নির্মাণসামগ্রী অপসারণের জন্য দুই দফা চিঠি দেয়ার পর সর্বশেষ চুক্তি বাতিলের জন্য উপজেলা প্রকৌশলী দপ্তর থেকে  সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানা যায়।

কিন্তু এসব কিছু তোয়াক্কা না করে ক্রয়কৃত নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যবহার করে সংস্কার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ঠিকাদার।

উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত কর্মসূচির আওতায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১ কোটি ২৫ লাখ ৮০ হাজার ৪০৫ টাকা ব্যয়ে দু’টি প্রকল্পে ৩ কিলোমিটার সড়কের মেরামতের কাজ পান কলাপাড়া  কাজী এন্টারপ্রাইজ ও পটুয়াখালীর অয়ন এন্টারপ্রাইজ। দুই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান থেকে স্থানীয় ঠিকাদার মো. রঞ্জু হাওলাদার ক্রয় করে সড়কটির সংস্কারের কাজ করছেন। এলাকাবাসীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সড়কটির কাজের মান যাচাই-বাছাই করে ৩১শে ডিসেম্বর চুক্তি বাতিলের সুপারিশ করে জেলা নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে চিঠি পাঠান উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়। এর আগে নিম্নমানের সামগ্রী অপসারণের জন্য ঠিকাদারকে ৫ই ডিসেম্বর এবং দ্বিতীয় দফায় ১২ই ডিসেম্বর চিঠি পাঠানো হয়।

এলাকাবাসী জানায়, দীর্ঘদিন এই রাস্তাটির সংস্কার হচ্ছিলো না।
তাই ভোগান্তি নিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল করছে। এখন কাজ শুরু হচ্ছে নিম্ন মানের ইট দিয়ে।

ক্রয়কৃত ঠিকাদার মো. রঞ্জু হাওলাদার বলেন, যে সামগ্রীর বিষয়ে অভিযোগ ছিল সেগুলো সরিয়ে ভালো মানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

মির্জাগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আলমগীর বাদশা বলেন, নিম্ন মানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়ার পরে তা অপসারণ করার জন্য দুই দফা চিঠি দেয়া হয়েছে। তার পরেও শর্ত মোতাবেক কাজ না হওয়ায়, চুক্তি বাতিলের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।




বাউফলে সমাজসেবা দিবসে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর বাউফলে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি র‌্যালী বের হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

এরপর উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির গাজী।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার সামসুল আলম মিয়া, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতিকুল ইসলাম ও বাউফল থানার ওসি শোনিত কুমার গাইন প্রমুখ।




দশমিনায় দেশী প্রজাতির ছোট বড় মাছ বিলুপ্ত হতে চলছে মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় ৭টি ইউনিয়নে বিভিন্ন দেশী প্রজাতির ছোট বড় মাছ বিলুপ্ত হতে চলছে। উপজেলার বিভিন্ন খালে-বিলে বাঁশের চাঁই ব্যবহারের ফলে ছোট প্রজাতির মাছ হারিয়ে যাবার উপক্রম হয়েছে। চাঁই ব্যবহারের ফলে বিভিন্ন প্রজাতির দেশী মাছের পোনা ও ছোট বড় মাছের উৎপাদন কমে যাচ্ছে। গ্রাম-গঞ্জে বাঁশের তৈরী চাঁই পেতে মাছের বংশ নষ্ট করছে এক শ্রেনীর অসাধু জেলেরা। অন্যদিকে বিভিন্ন খালে ও ডোবায় অধিক হারে কীটনাশক যুক্ত পানি প্রবেশ করার কারনে মাছের বংশ বিস্তার করতে পারছে না। এই সব অবৈধ চাঁই প্রতিরোধ করতে না পারলে দেশীয় প্রজাতির মাছের উৎপাদন কমে যাচ্ছে। তারপরও থেমে নেই মাছ শিকারে অসাধু জেলেরা। ফলে ভবিষ্যতে দেশী প্রজাতির ছোট-বড় মাছ রুপকথার গল্পের মত হয়ে যাবে। উপজেলার মাছের ক্ষেত্র হিসাবে পরিচিত আলীপুরা, বাঁশবাড়িয়া, রনগোপালদী, চরবোরহান, দশমিনা, বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নসহ চরাঞ্চল এলাকা ছোট-বড় খাল এখন মাছ শূন্য হয়ে গেছে। উল্লেখিত এলাকায় বোয়াল, মাগুর, শিং, কৈ, টেংরা, শোল, টাকি, পুটি, গজার, চাপিলা, খৈইলশা, পাবদা, আইড়, চিংড়ি, মলা, বাইন, বেলে সহ অর্ধ শতাধিক প্রজাতির মাছ প্রায় বিলুপ্ত হবার পথে রয়েছে। বিশেষ করে নদীর মাছ হিসাবে পরিচিত পোয়া, ইলিশ, আইড়, রিটা যার দেখা এখন অনেকটা ভাগ্যের ব্যাপার। অত্র অঞ্চলের সোনার হরিণ হিসাবে পরিচিত ইলিশ মাছ যেন এখন হয়ে গেছে। নিষিদ্ধ ঘোষিত জালের অবাধ ব্যবহার,কৃষি জমিতে সার ও কীটনাশকের ব্যাপক ব্যবহার, বর্ষাকালে প্রজনন মৌসুমে ডিমওয়ালা মা মাছ সহ পোনা নিধন, শুস্ক মৌসুমে মাছ ধরার প্রবনতা এবং মাছের বিচরন ক্ষেত্র কমে যাওয়া সহ প্রভৃতি কারনে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক ফসল হিসাবে পরিচিত মৎস্য সম্পদ আজ বিলুপ্ত হতে চলছে। এছাড়া মাছের প্রজনন মৌসুম ও পোনা মাছের বৃদ্ধিকালীন সময় অবাধে ছোট-বড় মাছ ধরা এবং মৎস্য আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় মৎস্য সম্পদ দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। বিগত ২০ বছর আগে গ্রামাঞ্চলে সর্বত্র দেশী প্রজাতির মাছ পাওয়া গেলেও এখন আর সেই অবস্থা নেই। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে অবৈধ ভাবে বাঁশের তৈরী চাঁই বিক্রি করে থাকে স্থানীয় ও সুবিধাভোগী ব্যবসায়ীরা। বৈশাখ থেকে ভাদ্র মাসের শেষ পর্যন্ত উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ধানী জমি ও খাল-বিল, ডোবা-নালাতে বাশেঁর চাঁই পেতে বিভিন্ন প্রজাতির পোনা মাছ ও বড় মাছ শিকার করা হচ্ছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মাছ শিকারের জন্য ব্যবহারিত নিয়ম কানুন না মেনে অবৈধ ভাবে চাই পেতে মাছ শিকারে মেতে উঠেছে অসাধু জেলেরা। এ সকল অসাধু জেলেরা দুই সুতাঁ পরিমান ফাঁকা রেখে বাশেঁর চাঁই তৈরী করে ব্যবহার করছে। ফলে দেশীয় প্রজাতির মাছের বংশ নষ্ট করছে। আর দেশীয় মৎস্য প্রজনন কমে যাচ্ছে। অন্য দিকে এ অঞ্চলের মানুষের মাছের আকাল দিন দিন বেড়েই চলছে। এমতাবস্থায় বাঁশের চাঁই ব্যবহার দ্রুত বন্ধ না করলে ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে দেশীয় মাছ রুপকথার গল্পের মত থেকে যাবে। এই বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাহাবুব আলম তালুকদার বলেন,বাশেঁর চাঁই দিয়ে মাছ শিকারের কারনে এই অঞ্চলের দেশী বিভিন্ন প্রজাতির মাছ উৎপাদন কমে যাচ্ছে। দেশী প্রজাতির মাছ রক্ষায় জেলেদেরকে সচেতন করা হবে।

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় ৭টি ইউনিয়নে বিভিন্ন দেশী প্রজাতির ছোট বড় মাছ বিলুপ্ত হতে চলছে। উপজেলার বিভিন্ন খালে-বিলে বাঁশের চাঁই ব্যবহারের ফলে ছোট প্রজাতির মাছ হারিয়ে যাবার উপক্রম হয়েছে। চাঁই ব্যবহারের ফলে বিভিন্ন প্রজাতির দেশী মাছের পোনা ও ছোট বড় মাছের উৎপাদন কমে যাচ্ছে। গ্রাম-গঞ্জে বাঁশের তৈরী চাঁই পেতে মাছের বংশ নষ্ট করছে এক শ্রেনীর অসাধু জেলেরা।

অন্যদিকে বিভিন্ন খালে ও ডোবায় অধিক হারে কীটনাশক যুক্ত পানি প্রবেশ করার কারনে মাছের বংশ বিস্তার করতে পারছে না। এই সব অবৈধ চাঁই প্রতিরোধ করতে না পারলে দেশীয় প্রজাতির মাছের উৎপাদন কমে যাচ্ছে।

তারপরও থেমে নেই মাছ শিকারে অসাধু জেলেরা। ফলে ভবিষ্যতে দেশী প্রজাতির ছোট-বড় মাছ রুপকথার গল্পের মত হয়ে যাবে।

উপজেলার মাছের ক্ষেত্র হিসাবে পরিচিত আলীপুরা, বাঁশবাড়িয়া, রনগোপালদী, চরবোরহান, দশমিনা, বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নসহ চরাঞ্চল এলাকা ছোট-বড় খাল এখন মাছ শূন্য হয়ে গেছে।
উল্লেখিত এলাকায় বোয়াল, মাগুর, শিং, কৈ, টেংরা, শোল, টাকি, পুটি, গজার, চাপিলা, খৈইলশা, পাবদা, আইড়, চিংড়ি, মলা, বাইন, বেলে সহ অর্ধ শতাধিক প্রজাতির মাছ প্রায় বিলুপ্ত হবার পথে রয়েছে।
বিশেষ করে নদীর মাছ হিসাবে পরিচিত পোয়া, ইলিশ, আইড়, রিটা যার দেখা এখন অনেকটা ভাগ্যের ব্যাপার।

অত্র অঞ্চলের সোনার হরিণ হিসাবে পরিচিত ইলিশ মাছ যেন এখন হয়ে গেছে। নিষিদ্ধ ঘোষিত জালের অবাধ ব্যবহার,কৃষি জমিতে সার ও কীটনাশকের ব্যাপক ব্যবহার, বর্ষাকালে প্রজনন মৌসুমে ডিমওয়ালা মা মাছ সহ পোনা নিধন, শুস্ক মৌসুমে মাছ ধরার প্রবনতা এবং মাছের বিচরন ক্ষেত্র কমে যাওয়া সহ প্রভৃতি কারনে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক ফসল হিসাবে পরিচিত মৎস্য সম্পদ আজ বিলুপ্ত হতে চলছে। এছাড়া মাছের প্রজনন মৌসুম ও পোনা মাছের বৃদ্ধিকালীন সময় অবাধে ছোট-বড় মাছ ধরা এবং মৎস্য আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় মৎস্য সম্পদ দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। বিগত ২০ বছর আগে গ্রামাঞ্চলে সর্বত্র দেশী প্রজাতির মাছ পাওয়া গেলেও এখন আর সেই অবস্থা নেই।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে অবৈধ ভাবে বাঁশের তৈরী চাঁই বিক্রি করে থাকে স্থানীয় ও সুবিধাভোগী ব্যবসায়ীরা। বৈশাখ থেকে ভাদ্র মাসের শেষ পর্যন্ত উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ধানী জমি ও খাল-বিল, ডোবা-নালাতে বাশেঁর চাঁই পেতে বিভিন্ন প্রজাতির পোনা মাছ ও বড় মাছ শিকার করা হচ্ছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মাছ শিকারের জন্য ব্যবহারিত নিয়ম কানুন না মেনে অবৈধ ভাবে চাই পেতে মাছ শিকারে মেতে উঠেছে অসাধু জেলেরা।
এ সকল অসাধু জেলেরা দুই সুতাঁ পরিমান ফাঁকা রেখে বাশেঁর চাঁই তৈরী করে ব্যবহার করছে। ফলে দেশীয় প্রজাতির মাছের বংশ নষ্ট করছে। আর দেশীয় মৎস্য প্রজনন কমে যাচ্ছে।

অন্য দিকে এ অঞ্চলের মানুষের মাছের আকাল দিন দিন বেড়েই চলছে। এমতাবস্থায় বাঁশের চাঁই ব্যবহার দ্রুত বন্ধ না করলে ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে দেশীয় মাছ রুপকথার গল্পের মত
থেকে যাবে।

এই বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাহাবুব আলম তালুকদার বলেন,বাশেঁর চাঁই দিয়ে মাছ শিকারের কারনে এই অঞ্চলের দেশী বিভিন্ন প্রজাতির মাছ উৎপাদন কমে যাচ্ছে। দেশী প্রজাতির মাছ রক্ষায় জেলেদেরকে সচেতন করা হবে।




আগুন সন্ত্রাসীদের চিরদিনের জন্য রুখে দিতে হবে : আবুল হাসানাত

রফিকুল রেজা :: বরিশাল-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা মার্কার প্রার্থী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে সর্বাধিক সংখ্যক ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোট প্রদানের মাধ্যমে আগুন সন্ত্রাসীদের চিরদিনের জন্য রুখে দিতে হবে।

মঙ্গলবার (২রা জানুয়ারি) বিকেলে আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আয়োজনে গৈলা শিশু নিকেতন উঠান বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিগতদিনে বরিশাল অঞ্চলে বিএনপি ও জামায়াতের সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও জঙ্গিবাদের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন,শেখ হাসিনার আমলে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে দিকে যাচ্ছে।




বরগুনায় পৌঁছাল নৌবাহিনীর পাঁচ শতাধিক সদস্য

বরিশাল অফিস :: জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য বরগুনায় পৌঁছেছে নৌবাহিনীর সদস্যরা। আজ মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) সকালে খুলনার বিএমএস তিতুমীর নৌ ঘাঁটি থেকে যাত্রা শুরু করে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে বরগুনার ছয় উপজেলায় পৌঁছায় নৌবাহিনীর পাঁচ শতাধিক সদস্য।

আগামীকাল বুধবার (৩ জানুয়ারি) থেকে ক্যাপ্টেন এম মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে বরগুনায় দায়িত্ব পালন শুরু করবেন তাঁরা।

নৌবাহিনীর সদস্যরা ভোট গ্রহণের আগে, ভোট গ্রহণের দিন ও ভোট গ্রহণের পরে শান্তিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের জন্য ৩ থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করবেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বরগুনা এবং ভোলাসহ উপকূলীয় ১৯টি উপজেলায় নৌবাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।

এ বিষয়ে বরগুনার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহা. রফিকুল ইসলাম বলেন, বেসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতা করার জন্য নৌবাহিনীর সদস্যরা এসেছেন। তাঁরা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন, ভোটারদের নিরাপত্তা দেবেন, টহলে দেবেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের সঙ্গে কাজ করবেন। এ ছাড়া কোথাও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে সেখানেও তাঁরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করবেন।

 




ভোলার মনপুরা দ্বীপ থেকে রাসেল ভাইপার উদ্ধার

বরিশাল অফিস :: এবার ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরার নদী তীরবর্তী এলাকা থেকে বিষধর সাপ রাসেল ভাইপার উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নের কাউয়ারটেক এলাকার কামাল হুজুরের বাড়ি এলাকার মেঘনা নদী পাড়ে পরিত্যক্ত জালে আটকা পরে সাপটি। পরে স্থানীয়দের খবরে উদ্ধারের পর বনবিভাগের সংরক্ষিত গহীন অরণ্যে সাপটি অবমুক্ত করা হয়। এ নিয়ে ভোলায় ২০টি রাসেল ভাইপার সাপ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ।

ভোলা বন বিভাগের বণ্যপ্রাণী ও জীব বৈচিত্র সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

মনপুরা উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম জানান, মনপুরা উপজেলার ১নম্বর মনপুরা কাউয়ারটেগ এলাকা সংলগ্ন মেঘনা নদীর তীরে জেলেদের পরিতক্ত একটি জালে রাসেল ভাইপার (চন্দ্রবোড়া) সাপটি দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে তারা বন বিভাগে খবর দেয়। খবর পেয়ে বন বিভাগের লোকজন বিষধর সাপটি উদ্ধার করে বনবিভাগের রামনেওয়াজ বিটের গহীন অরণ্যে অবমুক্ত করে।

তিনি আরও জানান, অনেকটা অজগরের মতো দেখতে রাসেল ভাইপার সাপটি ৩ ফুট ২ ইঞ্চি লম্বা এবং ওজন প্রায় ৬০০ গ্রাম। ওই এলাকাটি মেঘনা নদী তীরবর্তী হওয়ায় সাপটি জোয়ারের পানিতে ভেসে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ভোলা বন বিভাগের বণ্যপ্রাণী ও জীব বৈচিত্র সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম জানান, সাপটি অনেকটা অজগরের মতো দেখতে হলেও এটি আসলে পৃথিবীর অন্যতম বিষধর সাপ রাসেল ভাইপার। ভোলা থেকে এনিয়ে গত ৫ বছরে ২০টির বেশি রাসেল ভাইপার সাপ উদ্ধার করে অবমুক্ত করেছে বন বিভাগ। বিষধর হলেও সাপটি শান্ত প্রকৃতির। এ প্রজাতির সাপ দেখলে না মেরে বন বিভাগে খবর দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।




বরিশালে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মিছিলে হামলা, ১২টি মোটরসাইকেল আগুন,আহত ৩০

বরিশাল অফিস :: বরিশাল-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ফাইয়াজুল হক রাজুর নির্বাচনী মিছিলে হামলা ও ফাঁকা গুলি চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় মিছিলের ১২টি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দিয়েছে হামলাকারীরা। হামলায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী গ্রামে হামলার এ ঘটনা ঘটে। বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অন্তরা হালদার মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী ঈগল প্রতীকের ফাইয়াজুল হক রাজুর অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার কর্মী-সমর্থকরা দুপুরে মরিচবুনিয়া থেকে মিছিল নিয়ে পৌর শহরের উদ্দেশে রওনা হয়।

তখন আমার কর্মীদের ওপর গুলি করে, এলোপাতাড়ি পেটায় এবং কোপায়। এতে আমার অন্তত ৩০ কর্মী আহত হয়েছে। হামলাকারীরা ১২টি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করেছে। এ ছাড়া চারটি পিটিয়ে ভেঙে ফেলেছে।

বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অন্তরা হালদার বলেন,গুলির কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। তবে ১২টি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ ও চারটি ভাঙচুর অবস্থায় পেয়েছি। এ ঘটনায় ওসিকে দ্রুত মামলা করা ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।




বরিশালে প্রতিদ্বন্ধিতায় জমে উঠেছে ভোটের মাঠ

এস এল টি তুহিন,বরিশাল :: ভোটের দিন যতো ঘনিয়ে আসছে, ততোই বাড়ছে বরিশাল জেলার ছয়টি নির্বাচনী আসনে প্রতিদ্বন্ধিতায় থাকা প্রার্থীদের জনপ্রিয়তার হিসেব নিকেশ। সেই হিসেবে মহাজোটের শরীক দল জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেওয়া বরিশালের একটি আসনসহ দুইটি নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া দুইজন প্রার্থীর জনপ্রিয়তা এখন বেশ তুঙ্গে। ফলে ওই দুইটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রতীক ট্রাক আতঙ্কে রয়েছেন জাপা মনোনীত দুইজন প্রার্থীর প্রতীক লাঙ্গল।

নির্বাচনের মাঠে দেখা গেছে, বরিশাল-১ আসনে নৌকার বিজয় অনেকটা সুনিশ্চিত। কারণ ওই আসনে প্রতিদ্বন্ধিতায় থাকা দুইজন প্রার্থীর পক্ষে তেমন কোন প্রচার-প্রচারনা ও কর্মী সমর্থকদের মাঠে দেখা যায়নি। এমনটি জাপার স্থানীয় নেতৃবৃন্দরা ইতোমধ্যে সংবাদ সম্মেলন করে লাঙ্গলের প্রার্থীকে নির্বাচনী এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন। এনপিপি মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনে এজেন্ট দেওয়ার মতো কোন কর্মী সমর্থক নেই।

বরিশাল-২ আসনে নৌকার সাথে ত্রিমুখী ভোটের লড়াই হওয়ার আভাস মিলেছে। ওই আসনে নৌকার প্রার্থী রাশেদ খান মেনন, আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া শেরে বাংলার দৌহিত্র ফাইয়াজুল হক রাজু ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ মনোনীত গামছা মার্কার প্রার্থী কণ্ঠশিল্পী নকুল কুমার বিশ্বাস ভোটের মাঠে বেশ আলোচনায় রয়েছেন।

বরিশাল-৩ আসনটি মহাজোটের শরীক দল জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেওয়ায় ওই আসনে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপু। দীর্ঘদিন থেকে স্থানীয় আওয়ামী লীগের সাথে জাপা প্রার্থীর চরম বিরোধ চলে আসায় এখনও তিনি ভোটের মাঠে তেমন কোন সুবিধা করতে পারেনি। তবে এ আসনের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে ট্রাক মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্ধিতা করা মোঃ আতিকুর রহমান তৃণমূল ভোটারদের জনসমর্থনে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। এ আসনের আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের ভোটাররা আতিকুর রহমানকে জনতার মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে প্রচার-প্রচারনায় মাঠ সরগরম করে রেখেছেন।

আতিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের বিগত ১৫ বছরে দেশ আজ উন্নয়নের মডেল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। কিন্তু বরিশাল-৩ আসনে আওয়ামী লীগের এমপি না থাকায় সবধরনের উন্নয়ন থেকে আমরা বঞ্ছিত রয়েছি। তাই এই নির্বাচনী এলাকার অবহেলিত মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন এবং আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের ধারাকে আরো গতিশীল করতে সর্বস্তরের ভোটারদের অনুরোধে আমি প্রার্থী হয়েছি। ইতোমধ্যে নির্বাচনী মাঠে বেশ সারাও পেয়েছি।

তিনি বলেন-‘উন্নয়নের স্বার্থে পরিবর্তন চাই’ শ্লোগানকে সামনে রেখে বাবুগঞ্জ-মুলাদীবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। ভোটারদের মাঝে ট্রাক মার্কা যে সাড়া জুগিয়েছে তাতে সুষ্ঠু ভোট হলে জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদি।

বরিশাল-৪ আসনে দ্বৈত্য নাগরিকত্বের কারণে মঙ্গলবার আদালত চূড়ান্তভাবে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ড. শাম্মি আহমেদের মনোনয়নপত্র বাতিলের রায় বহাল রেখেছেন। ফলে তিনি (শাম্মি) নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না। যেকারণে বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে ওই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও ঈগল মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী পঙ্কজ দেবনাথ।

বরিশাল-৫ আসনেও দ্বৈত্য নাগরিকত্বের কারণে মঙ্গলবার আদালত চূড়ান্তভাবে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন। ফলে নৌকার পালে হাওয়া লেগেছে। বর্তমান সিটি মেয়র ও তার সহধর্মীনি দিনরাত সমান তালে আধুনিক বরিশাল গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নৌকা মার্কার প্রার্থী বর্তমান সাংসদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীমের পক্ষে মাঠ সরগরম করে রেখেছেন। তবে ওই আসনে ট্রাক মার্কার অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ সালাহউদ্দিন রিপন নির্বাচনী মাঠে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন।

সচেতন বরিশালবাসীর মতে, সাদিক আব্দুল্লাহ চূড়ান্তভাবে নির্বাচন থেকে ছিটকে পরায় এবার তার সমর্থকরা ট্রাক মার্কার প্রার্থীর ওপর ভর করার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে এ আসনে নৌকা ও ট্রাকের সাথে হাড্ডাহাড্ডি ভোটের লড়াই হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

বরিশাল-৬ আসনের বর্তমান সাংসদ জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য নাসরিন জাহান রতনা আমিনের লাঙ্গল মার্কার সাথে ভোটের মাঠে শক্ত প্রতিদ্বন্ধিতায় রয়েছেন নৌকা মার্কার প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) আবদুল হাফিজ মল্লিক এবং ট্রাক মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী তিনবারের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ শামসুল আলম চুন্নু। উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দরা ট্রাক মার্কার ওপর প্রকাশে ভর করায় এখানে সুষ্ঠু ভোট হলে ট্রাক মার্কার বিজয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী প্রার্থী ও তার সমর্থকেরা।




জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে কাউখালীতে শোভাযাত্রা

বরিশাল অফিস ::  পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে, মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) সকাল ১১ টায় সমাজ সেবায় গড়বো দেশ, স্মার্ট হবে বাংলাদেশ এই স্লোগানকে সামনে রেখে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়।

পরে উপজেলা হল রুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজল মোল্লার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মহাসিন কবির, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুনিবুর রহমান, সমাজসেবক আবদুল লতিফ খসরু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাউখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ সিকদার, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ বশির আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচনা শেষে সমাজ সেবা দিবস উপলক্ষে উপজেলার ৬৪ জন ঋণ গৃহীতাকে ২১ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা সুদ মুক্ত ঋণ বিতরণ করা হয়। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মহাসিন কবির জানান, কাউখালীতে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা সহ ৮ হাজার একশত ৩৩ জন ব্যক্তি বিভিন্ন প্রকার ভাতা পাচ্ছে।