বরিশালে ২০৮ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ

বরিশাল অফিস :: বরিশাল জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে এবার মোট ভোটার ২১ লাখ ২৯ হাজার ৯৭৪ জন। রবিবার জেলার ৮২৭টি ভোট কেন্দ্রের ৪ হাজার ৯শ ৪১টি কক্ষে ভোট দেবেন তারা।

বরিশাল জেলার ৬টি আসনের মধ্যে সর্বাধিক ৪ লাখ ৬৮ হার ৫৬৩ ভোটার এবং সর্বাধিক ১৭৬টি ভোট কেন্দ্র বরিশাল-৫ (সদর) আসনে। সব কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠিয়েছে নির্বাচন কর্মকর্তারা। ব্যালট পেপার যাবে ভোট শুরুর আগে। সুষ্ঠু সুন্দর পরিবেশে সবগুলো কেন্দ্রে ভোট গ্রহণের জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম।

বরিশাল জেলার সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ওয়াহেদুজ্জামান জানান, জেলার ৮২৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ২০৮টি কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সাধারণ কেন্দ্রে পুলিশ এবং আনসারসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ১৬ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১৭ জন সদস্য।




অগ্নিসংযোগের প্রধান পরিকল্পনাকারী বিএনপির সভাপতি আনিসুর গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব ৮

বরিশাল অফিস :: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করতে ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ করণের প্রধান পরিকল্পনাকারী নলছিটি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনিসুর রহমান হেলালতে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব ৮ এর সদস্যরা।

শনিবার রাত সাড়ে ১০ টায় এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল র‌্যাব ৮ এর অধিনায়ক জুবায়ের আলম শোভন।

র‌্যাব ৮ এর অধিনায়ক জানান, আনিসুর রহমান হেলাল ও তার বাহিনী ঝালকাঠির নলছিটি এলাকা নির্বাচন বানচাল করতে বেশকিছু কেন্দ্রে নাশকতা ও ভোট কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগের পরিকল্পনা করছিল। তার নির্দেশনা মোতাবেক তার সহযোগীরা নলছিটি উপজেলার ভৈরবপাশা ইউনিয়নের প্রতাপ স্কুলের পাশে খড় দিয়ে ভোট কেন্দ্রে আগুন লাগানোর পরিকল্পনা গ্রহন করে।

আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা ও গোয়েন্দাদের তথ্য অনুযায়ী এসব পরিকল্পনার খবর জানতে পেরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হেলাল বেশকয়েকটি নাশকতা মামলার আসামী বলেও জানান র‌্যাব ৮ এর অধিনায়ক।

এদিকে বরিশাল বিভাগের ২১ টি আসনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট যাতে হয় সে লক্ষে র‌্যাব কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি। কেউ যদি নাশকতা করার চেষ্টা করে সে যেই হোক তাকে ছাড় দেয়া হবে না বলেও হুশিয়ারী দেন র‌্যাব অধিনায়ক। এছাড়া ভোটের মাঠে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে র‌্যাব ৮ কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

 




বরিশালে নির্বাচন ঘিরে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

বরিশাল অফিস :: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্বাচনের পূর্বে সকল মোটর সাইকেল চলাচল নিষিদ্দ করা আইন অমান্য করে বরিশাল নগরীতে মোটর সাইকেল চলাচল অব্যাহত থাকায় বরিশাল রিটানিং অফিসার জেলা) প্রশাসনের নির্দেশে নগরীতে অভিযান চালিয়ে অর্ধাশতাধিক চলন্ত মোটর বাইকের চাবি ক্রোক করেন প্রশাসন কর্তৃপক্ষ।

শনিবার সন্ধার ৭টার পর বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বর্ডারগার্ড ও মেট্রোপলিটন পুলিশ সদস্যদের নিয়ে পায়ে হেটে ঘন্টাব্যাপি নগরীর বিভিন্নস্থানে তারা অভিযান চালায়।

প্রশাসনের কর্তৃপক্ষ শহরে তাদের চোখের সামনে পড়া চলন্ত সকল মোটর বাইকের চাবি ক্রোক করে নিয়ে যায়। এসময় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বলেন ইসি কর্তৃক নির্বাচনের পূর্বে সকল মোটর বাইকের চলাচলের উপর নিষিদ্ধ আইন জারি করা হয়েছে।

যারা এই আইন অমান্য করে মোটর বাইক নিয়ে রাস্তায় নেমেছে আমরা প্রার্থমিক প্রর্যায়ে তাদের বাইকের চাবি ক্রোক করে নিয়ে যাচ্ছি যা তারা নির্বাচনে পরবর্তী সময়ে ফেরত পাবেন।

 




জাতির উদ্দেশে ভাষণ নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন : সিইসি




বরিশালে নৌকার সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ

বরিশাল অফিস :: বরিশাল-৫ (সদর) আসনের ট্রাক মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাহউদ্দিন রিপনের সমর্থকদের বিরুদ্ধে শুক্রবার দিবাগত রাতে পরিকল্পিতভাবে নৌকার সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলায় কমপক্ষে ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গুরুত্বর আহত তিনজনকে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অপরদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী অভিযোগ করেন, নৌকার সমর্থকরা তার নিজ বাড়ির সামনের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। এ সময় তার কমপক্ষে ২০ জন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছে। এ সময় গ্রামবাসী দুইজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোর্পদ করেছে। তবে ঘটনার পর সরজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ক্যামেরাটি রহস্যজনকভাবে সম্পূর্ন আকাশমুখী অবস্থায় রয়েছে। একই সাথে ট্রাক মার্কার কয়েকজন নারী কর্মীকে অজ্ঞান হবার অভিনয় করতে দেখা যায়। তাদের পাশে বসে অন্যরা সেই নারী কর্মীদের অজ্ঞান হবার অভিনয় চালিয়ে যাবার পরামর্শ দিচ্ছেন।

অপরদিকে নৌকার সমর্থকরা অভিযোগ করেন, ছাত্রলীগের কর্মীদের উপর পরিকল্পিভভাবে নৃশংস হামলার পর পুরো ঘটনা ভিন্নখাতে প্রভাবিত করার জন্য ট্রাক মার্কার প্রার্থী নাটক সাজিয়েছেন। ট্রাকের কর্মীদের হামলা ও মারধরে আহত হয়ে নৌকার তিন কর্মী শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। পাশাপাশি নৌকার কর্মীদের তিনটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে।

আটক করে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে নৌকার দুই কর্মীকে। হামলায় গুরুত্বর আহতরা হলেন-নৌকার কর্মী মোঃ ফেরদৌস, অভি ও রাফি। মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসীম উদ্দিন জানান, তারা চরবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের সদস্য শহিদুল ইসলাম ওরফে ইটালী শহীদের বাড়ি থেকে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে সালাহউদ্দিন রিপনের বাড়ির সামনে দিয়ে আসার সময় ট্রাক মার্কার সমর্থকরা পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়।

স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাহউদ্দিন রিপন অভিযোগ করেন, নৌকার লোকজনে তার নিজ বাড়ির সামনের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। হামলায় তার ২০ জন নারী-পুরুষ আহত হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার বেলা এগারোটার দিকে বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাহউদ্দিন রিপন। তিনি প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে সুষ্ঠু পরিবেশে ভোটগ্রহণের জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। একইসাথে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি করেন।

কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে তিনিসহ বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, দ্বৈত্য নাগরিকত্বের কারণে নিজের প্রার্থীতা হারিয়ে গত বৃহস্পতিবার প্রকাশ্যে ট্রাক মার্কার প্রার্থী সালাহউদ্দিন রিপনকে সমর্থন জানিয়েছেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদ্য সাবেক সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহপন্থী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এরপর থেকেই উত্যপ্ত হয়ে ওঠে নির্বাচনী মাঠ।




বরিশালের নির্বাচনী সরঞ্জাম স্ব স্ব কেন্দ্রে পাঠানো হলো

বরিশাল অফিস :: নির্বাচনী সরঞ্জাম স্ব স্ব কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের ৬টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশী ভোটার বরিশাল সদর (৫) আসনে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৫৬৩ জন।

বরিশাল জেলা ৬টি আসনের সকল ভোট কেন্দ্রে একমাত্র ব্যালট পেপার ছাড়া অন্যসকল নির্বাচনী সরঞ্জাম আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন প্রিজাইডিং
অফিসারের নিকট বুঝিয়ে দিয়ে কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আজ শনিবার (৬) জানুয়ারী সকাল ১১টা থেকে বরিশাল সদর উপজেলা কার্যলয় হল রুম থেকে বরিশাল সদর উপজেলার ১৭৬টি কেন্দ্রের নির্বাচনী সরঞ্জাম বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

এছাড়া জেলার অন্যসকল উপজেলার নির্বাচনী মালামাল আগেই স্ব স্ব উপজেলা কার্যলয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে নির্বাচন কার্যলয় থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
অন্যদিকে বরিশাল জেলার সিনিয়র নির্বাচন অফিসার মো. ওয়াহিদুজ্জামান মুন্সী বলেছেন, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ভোটার তালিকা পূবেই প্রস্তুত করেছে বরিশাল জেলা নির্বাচন অফিস।

পাশাপাশি আসন ভিত্তিক ভোট কেন্দ্র, ভোট কক্ষের খসড়া তালিকাও প্রস্তুত করা হয়েছে।
জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল জেলার ৬ আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ২১ লাখ ৩২ হাজার ৭৪ জন। এদের মধ্যে ১০ লাখ ৮৩ হাজার ৩২৪ জন পুরুষ ও ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৭৪৪ জন নারী। এছাড়া ৯ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারও রয়েছেন।

বরিশাল জেলায় সম্ভাব্য স্থায়ী ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৮২৭টি এবং স্থায়ী অস্থায়ী মিলিয়ে
মোট ভোট কক্ষের সংখ্যা চার হাজার ৯৭১টি।
আগৈলঝাড়া-গৌরনদী উপজেলা মিলিয়ে বরিশাল-১ আসন। এ আসনে মোট ভোটার ৩
লাখ ৪৩ হাজার ৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫৩ হাজার ৭৫৬ জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ৫০ হাজার ৫৪৭ জন। এই আসনে মোট ভোট কেন্দ্রের জন্য ৫২টি প্রতিষ্ঠান নির্ধারণ করা হয়েছে।

উজিরপুর-বানারীপাড়া উপজেলা নিয়ে বরিশাল ২ আসন। এই আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫৮ লাখ ২৪২ জন। এই আসনে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮২ হাজার ৩৬৪ জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮৭৭ জন এবং হিজড়া ভোটার রয়েছেন ১ জন।

মুলাদী-বাবুগঞ্জ মিলিয়ে বরিশাল-৩ আসন। এই আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ১০ হাজার
১২৬ জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮৪৫ জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৮০ এবং হিজড়া ভোটার ১ জন।

মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা উপজেলা নিয়ে গঠিত বরিশাল-৪ সংসদীয় আসন। নদী বেষ্টিত এই
আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৩৭৬ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫ হাজার ১৩৬ জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ৯০ হাজার ২৩৯ জন এবং হিজড়া ভোটার ১ জন।

বরিশাল মহানগর ও সদর উপজেলা নিয়ে বরিশাল সদর-৫ আসন। জেলার ৬ আসনের মধ্যে সব চেয়ে বেশী ভোটার সংখ্যা এই আসনে। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৫৬৩ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৪৯ জন ও নারী ভোটার ২ লাখ ৩২ হাজার ৯১১ জন এবং হিজড়া ভোটার ৩ জন।

মাত্র ১ টি উপজেলা (বাকেরগঞ্জ) নিয়ে বরিশাল-৬ আসন। এই আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৯৫ হাজার ৪৬৪ জন। এদের মধ্যে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৭৪ জন পুরুষ ও ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮৮৭ জন নারী এবং ৩ জন হিজড়া ভোটার রয়েছে।

তিনি আরো বলেন ঘোষিত অনুযায়ী আমরা নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুত চালিয়ে যাচ্ছি। আশা করছি জেলায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সবার সহযোগিতায় একটি
সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে পারব।

 

 




পটুয়াখালীতে ভোটকেন্দ্রে দুর্বৃত্তদের আগুন

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : পটুয়াখালী শেরে বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে একটি কক্ষে রাতের অন্ধকারে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার (৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শ্রেণিকক্ষের জানালা ভেঙে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।

স্কুল সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাতে স্কুলের শ্রেণিকক্ষ বন্ধ করে চলে যাওয়ার পরে শবিবার সকালে স্কুলের পূর্ব পাশের হলরুমে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। নৈশ‌প্রহরী প্রথমে দেখে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্কুলের হলরুমের তিন জোড়া বেঞ্চ পুড়ে গেছে।

শেরে বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাহিমা মিনি বলেন, নৈশপ্রহরীর মাধ্যমে সকালবেলা জানতে পারি পরীক্ষার হলরুমে কে বা কারা আগুন দিয়েছে। আমি সঙ্গে সঙ্গে স্কুলে আসি। এর পরপর জেলা প্রশাসক স্যারকে জানাই। তিনি আমার স্কুল সরাসরি এসে পরিদর্শন করেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. নূর কুতুবুল আলম বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি খুবই সামান্যতম আগুন লেগেছে তবে এতে আমাদের নির্বাচনের বাধা গ্রস্ত হবে না। থানায় জিডি করা হয়েছে।




পটুয়াখালীর কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর চারটি সংসদীয় আসনের ৫০৭টি ভোট কেন্দ্রের ৩২০৪টি কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে ভোট গ্রহন। তাই কেন্দ্রগুলোতে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম।

শনিবার (০৬ জানুয়ারি) বেলা বারোটায় জেলার সকল উপজেলা পরিষদ থেকে ভোট গ্রহনের এসব সরঞ্জাম বিতরন করেন সহকারী রির্টানিং কর্মকর্তারা।

তবে দুর্গম এলাকা ছাড়া কাছাকাছি ভোট কেন্দ্রে আগামীকাল ভোরে যাবে ব্যালট পেপার।

জেলায় ১৪ লক্ষ ৯ হাজার ৫শ‘ ৩০ জন ভোটারের বিপরীতে পটুয়াখালী-১ আসনে ৬ জন প্রার্থী, পটুয়াখালী-২ আসনে ৪ জন প্রার্থী, পটুয়াখালী-৩ আসনে ৬ জন প্রার্থী ও পটুয়াখালী-৪ আসনে ৬ জন প্রার্থী প্রতিন্ধীতা করছেন।

যে কোন ধরনে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মাঠে মোতায়েন রয়েছে ২২ প্লাটুন সেনাবাহিনী, ১০ প্লাটুন বিজিবি ও ১২ টি র‌্যাবের পেট্রোল টিমসহ বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য।




পাথরঘাটায় জেলেদের ভোট কেন্দ্রে যেতে উপকূলে মাইকিং

বরিশাল অফিস :: রাত পোহালেই আগামীকাল ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। বরগুনার পাথরঘাটায় জেলেদের ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে উৎসাহিত করতে আজ শনিবার উপকূলে মাইকিং করেছে জেলা ট্রলার মালিক সমিতি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী।

জেলা ট্রলার মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, বরগুনা জেলায় ৪২ হাজার জেলে রয়েছে। এর মধ্যে পাথরঘাটায় রয়েছে প্রায় ২৫ হাজার। এসব জেলেদের ভোট না দিয়ে সাগরে মাছ শিকারে যেতে মাইকিং করে নিষেধ করা হয়েছে। এ ছাড়াও সাগরে থাকা জেলেদের ঘাটে ফিরে আসতে মালিকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে চলবে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। এই সময়ে যদি জেলেরা নতুন করে মাছ শিকারে সাগরে যায় তাহলে ভোট দিতে পারবেন না। তাই নতুন করে সাগরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

এ ছাড়াও সাগরে থাকা ১০ হাজার জেলে আজ সন্ধ্যার মধ্যে ঘাটে ফিরবে। এসব জেলেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদান করবেন বলে জানান গোলাম মোস্তফা চৌধুরী।

পাথরঘাটা উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান খান জানান বলেন, পাথরঘাটায় ১ লাখ ৪১ হাজার ২৪৯ জন ভোটার রয়েছে। ভোট গ্রহণের জন্য পাথরঘাটায় ৫৩টি কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তার জন্য ১ হাজারের বেশি নৌ-বাহিনী, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়াও র‍্যাবের কয়েকটি টহল টিম আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করবে।




পাকিস্তানে ভোট পিছিয়ে দেওয়ার কারণ?

চন্দ্রদ্বীপ অনলাইন:  আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা। কিন্তু শুক্রবার সেনেটে পাশ হওয়া প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ভোট পিছিয়ে দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ জানানো হবে।

সাধারণ নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব পাশ করানো হল পাকিস্তানি পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সেনেটে। সে দেশের সংবাদপত্র ‘ডন’-এর প্রতিবেদন অনুসারে, শুক্রবার সেনেটে মাত্র ১৪ জনের উপস্থিতিতে প্রস্তাবটি পাশ করানো হয়। প্রস্তাবটি পেশ করেন সেনেটের নির্দল সদস্য দিলাওয়ার খান। যদিও পাকিস্তানের শাসকজোটের অন্যতম শরিক দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ (নওয়াজ) এবং পাকিস্তানের তদারকি সরকারের তথ্যমন্ত্রী মুর্তাজা সোলাঙ্গি এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন।

আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা। কিন্তু শুক্রবার সেনেটে পাশ হওয়া প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ভোট পিছিয়ে দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ জানানো হবে। এই ভোট পিছিয়ে দেওয়ার কারণ হিসাবে দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে প্রবল শীত পড়া এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হওয়াকেই দায়ী করা হয়েছে। প্রস্তাবক সেনেটে জানান, দেশের অধিকাংশ অ়ঞ্চলে মারাত্মক ঠান্ডা পড়েছে। তা ছাড়া দেশের বিভিন্ন রাজনীতিকের উপর হামলার চেষ্টার প্রসঙ্গ তুলে ভোট পিছিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন নির্দল সদস্য দিলাওয়ার। সম্প্রতি বালুচিস্তান এবং খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে নিরাপত্তাবাহিনীর উপর হামলার প্রসঙ্গও সেনেটে উত্থাপন করেন তিনি।