৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি ৯ মার্চ

বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রয়ক আনন্দ কুমার বিশ্বাসের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ কেন্দ্রে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার হল, আসন ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাগুলো যথাসময়ে পিএসসির ওয়েবসাইটে এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

গত বছরের ৩০ নভেম্বর ৪৬তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। যার আবেদন চলে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। পরে ১০ ডিসেম্বর থেকে ৪৬তম বিসিএসের আবেদন শুরু হয়।

পিএসসির বিজ্ঞপ্তির তথ্যমতে, ৪৬তম বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডারে শূন্য পদের সংখ্যা ৩ হাজার ১৪০টি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে।




৫৮ শতাংশ কোটা খালি রেখেই শেষ হলো হজের নিবন্ধন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  দুই দফা সময় বাড়ানোর পর বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) শেষ হলো হজের নিবন্ধন। কিন্তু কোটার ৫৮ শতাংশই এখনো খালি রয়ে গেছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিশ্বের অধিকাংশ দেশ তাদের হজযাত্রীর সংখ্যা জানিয়ে দিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ এখনো জানাতে পারেনি। হজযাত্রীর সংখ্যা চূড়ান্ত না হওয়ায় বাংলাদেশের নামে মিনায় তাঁবু বরাদ্দ হয়নি। সংখ্যা জানাতে আরও দেরি করলে মিনায় অনেক দূরে তাঁবু নিতে হবে, যা হজযাত্রীদের ভোগান্তির কারণ হবে। তাই নিবন্ধনের সময় আর বাড়ানো সম্ভব নয়।

একই সঙ্গে কোটার বড় অংশ খালি থাকায় পরবর্তী বছরগুলোতে কোটা পাওয়ার ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলেও জানিয়েছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে  ১৬ জুন (১৪৪৫ হিজরি সনের ৯ জিলহজ) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। গত বছরের মতো এবারও বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ করতে পারবেন। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১০ হাজার ১৯৮ ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এজেন্সির মাধ্যমে এক লাখ ১৭ হাজার জন হজ পালন করতে পারবেন। চলতি বছর হজ পালনে সৌদি সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি হয় গত ৮ জানুয়ারি।

গত বছরের ১৫ নভেম্বর থেকে হজযাত্রী নিবন্ধন শুরু হয়। প্রথমে নিবন্ধনের সময় ছিল ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। পরে নিবন্ধনের সময় ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। হজযাত্রীদের সাড়া না পাওয়ায় সর্বশেষ নিবন্ধনের সময় বাড়িয়ে ১৮ জানুয়ারি করা হয়।

সর্বশেষ বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় হজ পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী, মোট ৫৩ হাজার ১১৫ জন হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার ৮০২ ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪৯ হাজার ৩১৩ জন।

সেই অনুযায়ী কোটার ৪২ শতাংশ হজযাত্রী নিবন্ধন করেছেন। এখনো ৭৪ হাজার ৮৩ জন নিবন্ধন করেননি। অর্থাৎ কোটার ৫৮ শতাংশ খালি রয়েছে।

এ বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দার বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বলেন, হজের নিবন্ধন আজই শেষ। সিদ্ধান্ত হয়েছে নিবন্ধনের সময় আর দেবো না। আমরা কোটা সারেন্ডার করবো।

তিনি বলেন, সৌদি আরবে আমরা ডিফল্টার। তারা সব দেশকে বলেছে, তোমরা হজযাত্রীর সংখ্যা জানাও। আমরা হজযাত্রীর সংখ্যা জানাতেই পারছি না। নিবন্ধনের সময় বাড়ালে আমি মিনায় আর জায়গাই পাবো না। পরে সবাই গালাগালি করবে, সরকার আমাদের দূরে রেখেছে, কষ্ট দিয়েছে।

‘ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া মিনায় জায়গা বুক করে ফেলেছে। আমরাই একমাত্র দেশ যারা এখনো হজযাত্রীদের সংখ্যা জানাতে পারিনি।’

ধর্ম সচিব বলেন, ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দিয়েছি। আর না। যা হয় হবে। আমরা আগামী সপ্তাহে সৌদি আরবকে হজযাত্রীর সংখ্যা জানিয়ে দেবো।

কোটার চেয়ে এত কম হজযাত্রী পাঠালে পরবর্তীসময়ে কোটা পেতে সমস্যা হবে কি না, জানতে চাইলে সচিব বলেন, আগামী বছর একটু প্রভাব পড়বে। আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনা করবো। সরকার তো টাকা দিয়ে হজযাত্রী পাঠাতে পারবে না। এটি ধর্মীয় বিষয়।

‘আমরা নভেম্বর থেকে নিবন্ধন শুরু করেছি। সময় দুবার বাড়িয়েছি। রেডিও, টেলিভিশন, পত্রিকায় আমরা নিবন্ধন করার জন্য বলেছি। আমরা হজের খরচও গত বছরের চেয়ে এবার কমিয়ে দিয়েছি’ বলেন হামিদ জমাদ্দার।

তিনি আরও বলেন, এবার হজের সহায়ক টিমও আমরা বাংলাদেশ থেকে পাঠাবো না। এদের দিয়ে আসলে হাজিদের সেবাও হয় না। মক্কা মদিনায় যে ছাত্ররা আছে তারা কিছু কাজ করবে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আনুষ্ঠানিকভাবে না হলেও অনানুষ্ঠানিকভাবে আরও কিছু হজযাত্রীর নিবন্ধন হতে পারে। অনেকে হয়তো টাকা জমা দিয়েছে। পোস্টিং হতে সময় লাগছে। নিবন্ধনকারী হজযাত্রীর সংখ্যা আরও কিছুটা বাড়বে।

সৌদি সরকার হজ ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনার কারণে এবার বিভিন্ন দেশ থেকে কতজন হজে যাবে তা আগেভাগে জানাতে হবে। অন্যান্য বছর হজচুক্তির পর নিবন্ধন শুরু হলেও এবার সৌদি আরবের নিয়ম অনুযায়ী চুক্তির আগেই নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করতে হয়।

এজেন্সি মালিকরা জানান, নির্বাচন ও রাজনৈতিক অস্থিরতায় গেছে গত বছরের শেষ সময়টা। বেশির ভাগ মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়। অন্যদিকে গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে হজযাত্রী নিবন্ধন শুরু হয়েছিল, নিবন্ধন চলে এপ্রিল পর্যন্ত। তাই এবারের আগেভাগে নিবন্ধনের তথ্য অনেকে জানেনও না।

এবার হজের খরচ কিছুটা কমলেও দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সেটা হজে গমনেচ্ছুদের এখনো সাধ্যের বাইরে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এবার সরকারি ও বেসরকারিভাবে হজে যেতে সর্বনিম্ন খরচ কোরবানিসহ প্রায় ৬ লাখ টাকা। যদিও চলতি বছরের তুলনায় এটা অনেকটা কম।

সরকারিভাবে আগামী বছর হজে যেতে সাধারণ প্যাকেজে ৫ লাখ ৭৮ হাজার ৮৪০ টাকা খরচ ধরা হয়েছে। বিশেষ হজ প্যাকেজের মধ্যমে হজ পালনে খরচ হবে ৯ লাখ ৩৬ হাজার ৩২০ টাকা। সাধারণ প্যাকেজে চলতি বছরের চেয়ে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রায় প্রত্যেক হজযাত্রীর ৯২ হাজার ৪৫০ টাকা কম খরচ হবে।

অন্যদিকে বেসরকারিভাবে এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে সাধারণ প্যাকেজে হজ পালনে সর্বনিম্ন খরচ হবে ৫ লাখ ৮৯ হাজার ৮০০ টাকা। বিশেষ প্যাকেজের মাধ্যমে হজ পালনে খরচ হবে ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৩০০ টাকা। চলতি বছরের তুলনায় খরচ কমেছে ৮২ হাজার ৮১৮ টাকা। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনার সব হজযাত্রীকে কোরবানির খরচ আলাদা করে নিতে হবে।




সবচেয়ে বড় সামরিক মহড়া শুরু করছে ন্যাটো

বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) ক্যাভেলি বলেন, আঞ্চলিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই মহড়া পরিচালনা করা হবে। মূলত এটি একটি সামরিক পরিকল্পনা, যার মাধ্যমে রাশিয়ার যে কোনো হামলা মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়া হবে।

ন্যাটো তাদের ঘোষণায় সরাসরি রাশিয়ার নাম উল্লেখ করেনি। তবে এর শীর্ষ কৌশলগত নথিতে মস্কোকে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ও সরাসরি হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এদিকে ইরানের সামরিক বাহিনী দেশটির দক্ষিণপশ্চিম, দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্বাঞ্চলে বিশেষ সামরিক মহড়া শুরু করেছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সেনাবাহিনীর এয়ার ডিফেন্স ফোর্স, ইসলামিক রেভলিউশন গার্ডস কর্পস এর এরোস্পেস ফোর্স, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীর অংশগ্রহণে এই মহড়া শুরু হয়েছে।




মুলাদীতে রুবেল শাহ হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার

বরিশাল অফিস :: মুলাদী উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা রুবেল শাহ হত্যা মামলার পলাতক আসামি আরিফ আকনকে গ্রেপ্তার করছেন পুলিশ ও র‌্যাব। গত ১৬ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আরিফ আকন (৩০) মুলাদী উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের টুমচর গ্রামের মৃত মন্নান আকনের ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরিফ আকন হত্যাকা-ের সঙ্গে সরাসরি থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে তাকে মুলাদী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকারিয়া।

পুলিশ জানায়, গত ৩ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আধিপত্যের দ্বন্দ্বে বাটামারা ইউনিয়নের টুমচর গ্রামের সেকান্দার শাহের ছেলে ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল শাহকে কুপিয়ে হত্যা করেন প্রতিপক্ষরা। ওই ঘটনায় গত ৯ জানুয়ারি রাতে নিহতের স্ত্রী নারগিস বেগম বাদী হয়ে ফারুক হাওলাদার, লোকমান সরদারসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই মামলায় আরিফ আকন ১১ নম্বর আসামি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মুলাদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কে.এম মফিজুর রহমান বলেন, হত্যার ঘটনার পরে আরিফ আকন ঢাকার যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় র‌্যাব-১০ এর নেতৃত্বে যাত্রাবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকারিয়া জানান, গ্রেপ্তার আরিফ আকনকে বৃহস্পতিবার সকালে থানায় হস্তান্তর করেছেন  র‌্যাব। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 




পটুয়াখালীতে মহাসড়ক যেন ময়লার ভাগাড়

বরিশাল অফিস :: পটুয়াখালী পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৮৯২ সালে। ১৩১ বছর পার হলেও ময়লা-আবর্জনা ফেলার জায়গা ঠিক করতে পারেনি পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। মহাসড়কের পাশে খোলা জায়গায় ফেলা হচ্ছে আবর্জনা। এতে দুর্গন্ধে দুর্বিষহ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে নদীর পাশে ময়লা-আবর্জনা ফেলে আসছিল পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। এসব ময়লা জোয়ারের পানিতে ভেসে যেতো নদীতে। ২০২২ সালের ৭ সেপ্টেম্বর নদীর তীরে ময়লা-আবর্জনা ফেলতে বাধা দেয় জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন। এরপর থেকে পটুয়াখালী-বরিশাল মহাসড়কের পাশে পটুয়াখালী টোলপ্লাজার পূর্ব পাশের সড়কের খোলা জায়গায় ময়লা-আবর্জনা ফেলা হলে সেখানে সমস্যা হওয়ার পরে সেখান থেকে সরিয়ে পটুয়াখালী সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের গরুর বাধঘাট নামক এলাকায় ফেলা হতো ময়লা।

মাসখানেক ধরে পৌর শহরের সমস্ত ময়লা এনে জমা করা হয় পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের বাধঘাট তেলের পাম্পের পাশেই এতে পুরো সড়ক ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ মহাসড়কের পথচারীরা ওই এলাকার মানুষজন।

ময়লার ভাগাড় থেকে বাতাসে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। বেড়েছে মশা-মাছির উপদ্রব। সড়কটিতে চলাচলকারী সবাই নাক চেপে চলাচল করছে। এক হাতে নাক চেপে আর এক হাত দিয়ে মোটরসাইকেল চালাতে দেখা গেছে। এতে দূর্ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে। সরেজমিনে এ ময়লার ভাগাড় দেখতে গেলে প্রতিবেদকের সামনের এক মোটরসাইকেল চালককে এক্সিডেন্ট করতে দেখা গিয়েছে। এ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি চান স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়রা জানান, বেশ কয়েকদিন ধরে রাতের আঁধারে এসে এখানে ময়লা ফেলে যাচ্ছে পৌর কতৃপক্ষ। ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে এ বিষয়ে অবহিত করলে তিনি দ্রুত এ সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘শহরের অনেক সড়ক প্রশস্ত ও চার লেনের হয়েছে। দুটি লেক, ওয়াকওয়ে, সাইকেল লেন ও দৃষ্টিনন্দন সড়ক বাতি যে কাউকেই আকৃষ্ট করবে। তবে ময়লার ভাগাড়টি সব উন্নয়নকে ফিকে করে দিচ্ছে।’

রিকশাচালক রাশেদ বলেন, এই রাস্তায় দুর্গন্ধের লইগ্যা চলন যায়না। না ঠ্যাকলে এই দিক আই না।

পথচারী রিয়াজ বলেন, প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে আমাদের চলাচল করতে হয়। ময়লার দুর্গন্ধে শ্বাস নিতে পারি না। এভাবে রাস্তার পাশে ময়লা ফেলে রাখা ঠিক না। এতে যেমন আমাদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয় তেমনি ক্ষতি হয় পরিবেশের। আমরা দ্রুত এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি চাই।

মহাসড়কের পাশের এক দোকানী মোঃ মোশাররফ হোসেন বলেন, এখানে ময়লা ফেলতে দেখে জিজ্ঞেস করছিলাম কেনো এখানে ময়লা ফেলছে? তখন পরিচ্ছন্নকর্মীরা বলেছিলো কয়েকদিনের মধ্যে ময়লা সড়ানো হবে। এখানে বালি ফেলা হবে। আর ময়লা ফেলবে না। কিন্তু প্রতিনিয়ত রাতে আঁধারে এসে ময়লা ফেলে যাচ্ছে তারা। প্রতিদিন এই দুর্গন্ধে থাকতে থাকতে মনে হচ্ছে ডোবার মধ্যে বাস করছি।

এ বিষয়ে পৌর মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, আজকেই ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। আমরা এখানে বালি ফেলে ভরাট করে দেবো। ডাম্পিং স্টেশনে এরপর থেকে ময়লা চলে যাবে। যায়গাটা তৈরী হচ্ছে আর দুই-তিন দিন সময় লাগবে৷ এখন পর্যন্ত এলোমেলো ভাবে ময়লা ফেলা হচ্ছে তবে আর কিছুদিনের মধ্যে সমস্ত যায়গা পরিষ্কার করে আমরা সব ময়লা ডাম্পিং স্টেশনে ফেলার ব্যবস্থা করবো।




বরিশালে ঠান্ডা জনিত রোগে ৫ শিশুর মৃত্যু

বরিশাল অফিস :: বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শীতজনিত রোগে গত ছয় দিনে চিকিৎসাধীন পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এসময়ে চিকিৎসা নিয়েছে ১৮৩ শিশু।

বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মারা যাওয়া শিশুরা ঠান্ডাজনিত জ্বর ও নিউমোনিয়ায় ভুগছিলেন।

তিন আরও জানান, শিশু ওয়ার্ডে গত ১২ জানুয়ারি থেকে জ্বর-সর্দি, কাশি ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশু বাড়ছে। এ ওয়ার্ডে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩০ শিশু ভর্তি হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শিশু ওয়ার্ডে ৪৫ শয্যার বিপরীতে রোগী ভর্তি আছে তিনগুণের বেশি। শয্যা সংকটের কারণে শিশুদের মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ওয়ার্ড ছাড়াও বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছে শতাধিক শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক রোগী।

শিশু ওয়ার্ডের ইনচার্জ রুনা আক্তার বলেন, ১২ জানুয়ারি ৩১ শিশু ভর্তি হয়েছিল, এর মধ্যে একজন মারা যায়। ১৩ জানুয়ারি ভর্তি হয়েছিল ৩০ শিশু, মারা যায় এক শিশু। ১৪ জানুয়ারি ৩১ শিশু ভর্তি হয়েছিল, মারা গেছে এক শিশু। ১৫ জানুয়ারি ৩০ শিশু ভর্তি হয়েছিল। ১৬ জানুয়ারি ৩১ শিশু ভর্তি হয়েছিল, মারা গিয়েছিল এক শিশু। ১৭ জানুয়ারি ৩০ শিশু ভর্তি হয়, মারা গেছে এক শিশু।

হাসপাতালের পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, বহির্বিভাগে প্রতিদিন চার শতাধিক রোগীকে সেবা দিচ্ছেন চার শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। শিশু ওয়ার্ডে ৪৫ শয্যার বিপরীতে রোগী ভর্তি আছে তিনগুণের বেশি। শিশু ওয়ার্ডে শয্যা কমসহ নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সর্বোচ্চ সেবা দেওয়া হচ্ছে।

 




বৈরী আবহাওয়া: মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ ঘোষণা, খোলা প্রাথমিক বিদ্যালয়

বরিশাল অফিস :: তীব্র শীতের পাশাপাশি বরিশাল নগরীতে বৃষ্টি হয়েছে। যে কারণে সরকারের নির্দেশে মাধ্যমিক বিদ্যালয় আজ বৃহস্পতিবার বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয়। অথচ প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা। যে কারণে চরম বিপাকে কোমলমতি শিশু ও অভিভাবকেরা।

নগরের বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে দেখা গেছে, সেগুলোয় নামেমাত্র ক্লাস চলছে। বৃষ্টি আর শীতে শিশু শিক্ষার্থীর উপস্থিতিও কম। অনেকে আবার শীতজনিত নানা রোগে এরই মধ্যে আক্রান্ত হয়েছে। বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা অবশ্য এজন্য জেলা শিক্ষা অফিসকে দুষছেন।

বরিশাল জেলার সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘স্কুল বন্ধের কোনো নির্দেশনা তারা পাননি।’

বিভাগীয় উপপরিচালক নিলুফার ইয়াসমিন বলেন, ‘সরকারের নির্দেশনা তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নামলে বিদ্যালয় বন্ধ রাখতে হবে। বিভাগের কোথাও তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে ছিল না। এজন্য স্কুল বন্ধ করা হয়নি।’

তবে জেলা শিক্ষা অফিসার (মাধ্যমিক) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসাইন বলেন, ‘তাপমাত্রা হ্রাস ও বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করায় মাধ্যমিক শ্রেণির সব বিদ্যালয় বন্ধ রাখা হয়েছে।’

বরিশাল আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ বশির আহমেদ বলেন, ‘বুধবার বরিশালের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই দিন মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোর থেকে তাপমাত্রা রয়েছে ১১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃষ্টির ছিল নগরে দিনভর।’




শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি কাউখালীতে জনজীবন বিপর্যস্ত

বরিশাল অফিস :: মাঘের শীতে বাঘ কাঁপে’ বললেই বোঝা যায় মাঘ মাসে শীতের তীব্রতা কেমন। মাঘ মাস শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে উপকূলীয় এলাকার কাউখালীর মানুষ। মাঘের এই প্রথম সপ্তাহে হাড় কাঁপানো শীতের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অসময়ের বৃষ্টি। আর এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। অসময়ে আকাশ ভেঙে উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি নেমেছে।

কনকনে ঠান্ডার সঙ্গে বৃষ্টিতে কাউখালী উপজেলার জনজীবন অপ্রস্তুত হয়ে পড়েছে। নানা কাজে বাইরে যারা বের হয়েছেন, তারা শীতল বৃষ্টির ফোঁটায় কাবু হয়ে পড়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে থেকেই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। ঘন কুয়াশা ও মেঘে আকাশ ঢেকে থাকায় এখনও সূর্যের দেখা মেলেনি। সপ্তাহব্যাপী তীব্র শীতে নাকাল জনজীবনের পাশাপাশি ফসলের ক্ষতি নিয়েও কিন্তু উদ্বিগ্ন কৃষকরা। এদিকে তীব্র শীতের সঙ্গে বৃষ্টির কারণে ক্ষেতের পাকা আমন কাঁটা নিয়ে নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।

উপজেলার সয়না রঘুনাথপুরের কৃষক সুজন জানান মাঠে এখন পাকা আমন ধান অসময়ে বৃষ্টির কারণে দানে গজ এসে যেতে পারে এবং বৃষ্টির কারণে দান জমির সাথে মিশে যাবে এতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হবে। অন্যদিকে ভোর থেকে বৃষ্টি থাকায় রাস্তাঘাট ছিল ফাঁকা। দু-একজন জরুরি প্রয়োজনে ছাতা মাথায় দিয়ে ঘরের বাইরে বেরিয়েছেন। রিকশাচালক শুক্কুর আলী বলেন, একদিকে হার কাঁপানো শীত অন্যদিকে সকাল থেকে বৃষ্টি রাস্তাঘাটে লোকজন না থাকায় শীতেও কাবু হইতেছি খুদাও কাবু হইতেছি।

 




বরিশাল ল’ কলেজ থেকে ভিপি আনোয়ারের অপসারনের দাবিতে নগরীতে মানববন্ধন

বরিশাল অফিস :: শহীদ এ্যাডভোকেট আবদুর রব সেরনিয়াবাত আইন মহাবিদ্যালয় এর সভাপতি ভিপি আনোয়ারের অপসারনের দাবিতে নগরীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে নগরীর অশ্বিনী কুমার (টাউন হল) চত্তরে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে ভিপি আনোয়ারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম দূর্ণীতির তথ্য তুলে ধরে অপসারনের দাবি জানান বক্তারা।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য আবুল ফারুক। মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএম কলেজ ছাত্র সংসদ (বাকসু) এর সাবেক ক্রিড়া সম্পাদক মো: ফয়সাল বিন ইসলাম, শহীদ এ্যাডভোকেট আবদুর রব সেরনিয়াবাত আইন মহাবিদ্যালয় এর সদ্য বিদায়ী ছাত্র খন্দকার রাকিব, বেল্লাল হোসেন সিকদার, বর্তমান শিক্ষার্থী মো: মেহেদি হাসান হাসিব, জান্নাতুল মাহি, সরজিত রায়, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধার সন্তান রুম্মান হোসেন, জামাল সরদারসহ শতাধিক সাবেক বর্তমান শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন- সভাপতি ভিপি আনোয়ার ও তার চাচা শশুর ভারপ্রাপ্ত অধ্যাক্ষ মোস্তফা জামান খোকন অবৈধ ভাবে শিক্ষক নিয়োগ ও সভাপতির নিজ নামে টাকা উত্তোলন/আত্মসাৎ, শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সাথে করা অসৌজন্যমূলক আচরণের সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে বিচার ও অপসারনের দাবিসহ বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রাধনমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামিম এমপি এবং আবদুর রব সেরনিয়াবাতের সুযোগ্য পুত্র বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের বর্তমান মেয়র খোকন সেরনিয়াবাতকে নিয়ে ভিপি আনোয়ার কটুক্তি করায় বহিস্কার ও শ্বাস্তির দাবি জানান।

মানববন্ধনের আয়োজকদের দেয়া প্রেস বিজ্ঞপিতর মাধ্যমে জানা যায়, ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে জাতিয় বিশ্ববিদ্যালয়কে ভুল বুুঝিয়ে প্রতারনার মাধ্যমে সু-চতুর আনোয়ার সভাপতি হন। সভপতি হওয়ার পর পরই আপন চাচা শশুরকে অবৈধভাবে ভারপ্রাপ্ত অধ্যাক্ষ নিয়োগ দেন। এর পর পরই শুরু হয় কলেজ ফান্ড থেকে অর্থ আত্মসাৎ, যার পরিমান প্রায় অর্ধ কোটি টাকা। তার নিজ নামে চেকের মাধ্যমে উত্তলন করে ৫ লক্ষ টাকা। সদ্য সিটি কর্পোরেশ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে তার স্ত্রীরির নির্বাচনী প্রাচারণার খরচের একাংশ ভাউচারের মাধ্যমে উত্তলন করেন এই অবৈধ সভাপতি ভিপি আনোয়ার। স্টল বরাদ্দের জন্য দুই কোটি টাকার একটি প্রকল্প তৈরি করেন বেআইনি ভাবে। তিনি ফাইনাল পরিক্ষায় নকলের বিশেষ সুবিধা দেয়ার কথা বলে প্রতি বছর প্রায় ৫ লক্ষ টাকা আত্মসাত করেন। ভাইবা পরিক্ষায় প্রত্যেক শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১ হাজার টাকা করে উত্তলন করেন। এছাড়াও শিক্ষক শিক্ষারর্থীদের সাথে খারাপ আচরণ, অবৈধভাবে শিক্ষকদের চাকুরি থেকে বাদ দেয়া এবং অর্থের বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগসহ নানা অভিযোগ তুলে ধরা হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের শফিক মিজান রহমান এন্ড আগাষ্টিন চাটার্ড একাউন্ট্যান্টস এর তদন্তে ৫০ লক্ষ টাকার অধিক দূর্নীতির প্রামান পাওয়ায় তদন্ত রিপোর্ট গ্রহন করেন নি ভিপি আনোয়ার ও কলেজের অধ্যক্ষ। পরবর্তীতে তারা গোপনে অন্য আরেক অডিটরকে অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়ে জাল জালিয়াতি ও ভূয়া তথ্য তুলে ধরে জাতিয় বিশ্ববিদ্যালয়ে তদন্ত রিপোর্ট প্রেরন করেন।




তালতলীতে সরিষা চাষে কৃষকদের সাফল্য

বরিশাল অফিস :: বরগুনার তালতলী উপজেলায় সরিষা চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। গত এক দশক আগেও উপজেলার কৃষকরা সরিষা চাষের সঙ্গে পরিচিত ছিল না। তবে স্বল্প খরচে বেশি লাভের সম্ভাবনা থাকায় অনেক কৃষকই এখন সরিষা চাষে এগিয়ে আসছেন। সাফল্য অর্জন করছে সরিষা চাষিরা এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় গত বছর ৩০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছিল। এবার সরিষার আবাদ হয়েছে প্রায় ২০০ হেক্টর জমিতে।

উপজেলার চরপাড়া গ্রামের কৃষক আল-আমিন বলেন, বীজ বপনের মাত্র দুই মাসের মধ্যে সরিষা ঘরে ওঠে। এ ছাড়া চলতি মৌসুমটা সরিষার জন্য বেশ অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। ফলে এবার সরিষা থেকে ভালো লাভের আশা আছে।

উপজেলার আলীরবন্দর এলাকার মাসুম হাওলাদার বলেন, আমি উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহায়তায় সরিষা চাষ করে আসছি। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী সরিষা চাষে অল্প সময়ে অধিক লাভবান হওয়ায় যায়। এতে রোগ-বালাই কম এবং উৎপাদন খরচ খুবই কম। তাই চলতি মৌসুমে প্রায় ৩০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করেছি।

তালতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন হাওলাদার বলেন, এবছর ভালো ফলনের জন্য বারি সরিষা-১৪, বারি সরিষা-১৮, বিনা সরিষা-৪,বিনা সরিষা-৯, টরি-৭, রকেট জাতের সরিষা চাষ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কৃষকদের কৃষি প্রনোদনা কর্মসূচি ও বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে সার ও বীজ প্রদান করায় সরিষার আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরনে আমাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।