বাংলাদেশের ম্যাচসহ আজকের দিনের খেলা

চন্দ্রদ্বীপ  ডেস্ক:  অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আজ ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশের যুবারা। বিপিএলে মুখোমুখি হবেন দেশের ক্রিকেটের আলোচিত দুই মুখ সাকিব আল হাসান এবং তামিম ইকবাল।



ঠান্ডায় শিশুদের সুরক্ষিত রাখতে যা করবেন

চন্দ্রদীপ নিউজ : ঢাকাসহ সারা দেশে শীতের প্রকোপ যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগ, যেমন সর্দি-কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, ভাইরাল ডায়রিয়া ইত্যাদি। ফলে হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর ভিড়। শীতের তীব্রতা যত বাড়ছে, তত আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা। এদের মধ্যে সংখ্যায় বেশি নবজাতক।

এ সময় শিশুদের প্রচণ্ড কুয়াশা ও ঠান্ডা হাওয়া থেকে দূরে রাখতে হবে। এদের মধ্যে নিউমোনিয়া হওয়ার প্রবণতা বেশি। কেবল সন্ধ্যা নয়, এখন সারা দিন বইছে হিমেল হাওয়া। রোদ উঠলেও তীব্রতা খুব বেশি নয় বলে ঠান্ডা দূর হচ্ছে না। ফলে শিশুদের এই ঠান্ডা থেকে সাবধানে রাখার কোনো বিকল্প নেই।

একটি কথা আগেই বলে নিই, শিশুর শ্বাস-প্রশ্বাসের ধরন অভিভাবকদের বুঝতে হবে। শিশু দ্রুত শ্বাস নিচ্ছে, শ্বাস নেওয়ার সময় শব্দ আর বুকের পাঁজরের নিচের অংশ দেবে যাচ্ছে। সঙ্গে আছে জ্বর, বমি। এসব লক্ষণ মারাত্মক। এমন হলে অবশ্যই হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে যত দ্রুত সম্ভব। এমন লক্ষণে নিউমোনিয়ার প্রবল আশঙ্কা থাকে।

শীতে ডায়রিয়া বাড়ে। এবারও বেড়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রথম ভরসা খাওয়ার স্যালাইন। তবে মাত্রা বেশি হলে নিয়ে যেতে হবে হাসপাতালে। এ ব্যাপারে কোনো হেলাফেলা করা যাবে না।

শিশুকে খাওয়াতে হবে পুষ্টিকর খাবার। খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে মৌসুমি শাকসবজি, ফল ইত্যাদি। এগুলো থেকে প্রয়োজনীয় ভিটামিন আসবে। ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের মায়ের দুধ পান করাতে হবে নিয়মিত।

এ ছাড়া শিশুর শ্বাসকষ্ট বা ঠান্ডা লাগার ধাত থাকলে বাইরে যাওয়ার সময় মাস্ক পরিয়ে নিতে ভোলা যাবে না। সঙ্গে উপযুক্ত গরম পোশাক। শিশুকে শীতের পোশাক পরাতে হবে মাথা ঢেকে। তাতে শিশুর মাথায় ঠান্ডা লাগবে না। সঙ্গে হাতমোজা ও মোজা থাকতে হবে। এগুলো শরীর গরম রাখতে সহায়তা করবে। মনে রাখা উচিত, এই শীতে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া শিশুদের বাইরে নিয়ে যাওয়া বা তাদের নিয়ে ঘোরাঘুরি করা যাবে না।

নবজাতককে অবশ্যই তার মায়ের বুকের সঙ্গে রাখতে হবে। এতে শিশুর শরীর গরম থাকবে। একে বলে ক্যাঙারু মাদার কেয়ার। শীতে এটি বিভিন্নভাবে নবজাতকের স্বাস্থ্য রক্ষায় ভূমিকা রাখবে। শিশুদের শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ঘরে রাখা যাবে না। গোসল করাতে হবে গরম পানি দিয়ে। সমস্যা হলে স্পঞ্জ করিয়ে দিতে হবে। আর গরম জলে কাপড় ভিজিয়ে নবজাতকদের শরীর মুছিয়ে দিতে হবে।

উষ্ণ রাখার জন্য শিশুর শরীরে তেল মালিশ করতে পারেন সতর্কতার সঙ্গে। শিশুর পোশাক ভিজে গেলে দ্রুত বদলে দিতে হবে।

অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী।




আজ থেকে নতুন সূচিতে মেট্রোরেল

চন্দ্রদীপ নিউজ : আজ থেকে নতুন সময়সূচিতে চলছে মেট্রোরেল। উত্তরা-মতিঝিল রুটে শনিবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ৭টা ১০ মিনিট থেকে রাত ৮টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত চলবে ট্রেন।

বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) মেট্রোরেল পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) পক্ষ থেকে এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, উত্তরা-মতিঝিল রুটে শনিবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ৭টা ১০ মিনিট থেকে রাত ৮টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত চলবে ট্রেন।

তবে এ সময়ে শুধু এমআরটি ও র‌্যাপিড পাশধারীরা যাতায়াত করতে পারবেন। আর কাউন্টার থেকে সাধারণ টিকিট কিনে যাত্রীরা সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলাচল করতে পারবেন।

আগে আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মেট্রোরেল চলত। আর উত্তরা থেকে আগারগাঁও অংশে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত চলাচল করছিল মেট্রোরেল।




৫ম দেশ হিসেবে চাঁদের মাটিতে জাপান

চন্দ্রদীপ ডেস্ক:  বিশ্বের পঞ্চম দেশ হিসেবে চাঁদের মাটি ছুঁয়ে ইতিহাস গড়ল জাপান। দেশটির মনুষ্যহীন চন্দ্রযান ল্যান্ডার স্লিম (মুন স্নাইপার নামেও পরিচিত) চাঁদে অবতরণ করেছে। খবর- বিবিসি ও রয়টার্স।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাপানের মহাকাশ সংস্থার একটি রোবট সফলভাবে চাঁদে নেমেছে। তবে মহাকাশযানটির সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। এখন ব্যাটারির ওপর নির্ভর করছে যানটি। ফলে এই মিশন হুমকির মুখে পড়তে পারে। ব্যাটারির শক্তি থাকবে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা।

জাপানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জাক্সা জানিয়েছে, চন্দ্রযানটি ল্যান্ড করার পরক্ষণেই জাক্সার প্রকৌশলীরা বুঝতে পারেন যে, কিছু সমস্যা হয়েছে। ব্যাটারি শেষ হওয়ার আগেই সোলার জেনারেটর ঠিক করার চেষ্টা চালাচ্ছে জাক্সা।

গত বছর ৭ সেপ্টেম্বর মুন স্নাইপারের সফল উৎক্ষেপণ করে জাপান। ২৫ ডিসেম্বর চাঁদের কক্ষপথে যানটি প্রবেশের কথা জানিয়েছিল জাক্সা।

অবতরণের পরে চাঁদের ইতিহাস নিয়ে গবেষণা চালানোর কথা ছিল স্নাইপারের। লক্ষ্য ছিল চাঁদের জন্ম, বিবর্তন নিয়ে তথ্য সংগ্রহের।

জাপানের ল্যান্ডার স্লিম (স্মার্ট ল্যান্ডার ফর ইনভেস্টিগেশন মুন) থেকে চাঁদের বুকে নামা রোভারটির এক্স-রে ছবি তোলার কথা রয়েছে। কৃষ্ণগহ্বর, নিউট্রন স্টার এবং সুপারনোভার উচ্চ মানের এক্স-রে তুলে জাপানের মহাকাশ গবেষণাকেন্দ্রে পাঠাতে পারলে সেগুলোর গঠন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাবেন বিজ্ঞানীরা।

চাঁদে সফলভাবে অবতরণের কৃতিত্ব অর্জন করা বাকি চারটি দেশ হলো- যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন ও ভারত।




বরগুনায় নোনাজলে জন্ম তার ডগায় মিষ্টি রস

বরিশাল অফিস :: নোনাজলে জন্ম তার। সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নোনা। অথচ এর ডগা থেকে বেরিয়ে আসছে সুমিষ্ট রস। সেই রস দিয়ে তৈরি হচ্ছে গুড়। সুস্বাদু এই গুড়ের চাহিদাও ব্যাপক। বলা হচ্ছে গোলের গুড়ের কথা। এতে রয়েছে পুষ্টিসমৃদ্ধ উপাদান, বিশেষ করে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ধরনের খনিজ লবণ পাওয়া যায় গোলের গুড়ে, যা স্বাস্থ্য ভালো রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন রোগব্যাধি থেকে শরীরকে সুরক্ষা দেয়। স্থানীয়ভাবে প্রচলন আছে, গোলের রস খেলে পেটের কৃমি যেমন দমন হয়, তেমনি কর্মক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

বরগুনার তালতলী উপজেলায় ৯০ হেক্টর জমিতে গোলগাছের সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার। সবচেয়ে বেশি গুড় আসে বেহালা গ্রাম থেকে। এক মৌসুমে প্রায় ১২ হাজার টন গুড় উৎপাদন হয়। গোলগাছের রস সংগ্রহ করে বড় একটি পাত্রে রেখে দীর্ঘ সময় চুলায় সিদ্ধ করে তৈরি হয় গুড়। এই গুড় এতটাই জনপ্রিয় যে, ভারতের কলকাতাসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়। প্রতিদিন রস থেকে মিষ্টি গুড় তৈরি করে বিক্রি করেন প্রান্তিক গ্রামের গোলচাষি নির্মল হাওলাদার। এ কাজে তার মা ও স্ত্রী সাহায্য করেন। শীতের মৌসুমে কয়েক মাস গোলগাছের রস ও গুড় বিক্রি করে চলে তাদের সংসার।

তালতলী উপজেলার করইবাড়িয়া ইউনিয়নের বেহেলা গ্রামের গোলচাষি নির্মল হাওলাদারের আট সদস্যের পরিবার। জীবিকার তাগিদে গোলগাছের রস দিয়ে গুড় তৈরি করে বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করেন। নিজের কোনো জমিজমা না থাকায় অন্যের গোলগাছ চুক্তি নিয়ে প্রতিবছর শীত মৌসুমে এ কাজ করেন তিনি। নির্মল হাওলাদারের মতো ওই এলাকায় ১৫০ জনের বেশি গোলচাষির সংসার চলছে গোলের রস ও গুড় বিক্রি করে। এতে বেহেলা গ্রাম থেকে বছরে প্রায় দেড় কোটি টাকার গুড় বিক্রি হচ্ছে বলে তারা জানান।

প্রতিটি ডগা থেকে ২৫০-৫০০ গ্রাম পর্যন্ত রস পাওয়া যায়। নির্মল হালদার এ বছর এক একর জমির ১৫০টি ডগা থেকে প্রতিদিন রস সংগ্রহ করছেন চার কলস। প্রতি কলসে রস ধারণক্ষমতা ২৫ থেকে ৩০ লিটার। প্রতিদিন ১০০ লিটার রস সংগ্রহ করেন। তরল রস আগুনে জ্বাল দিয়ে প্রতি কলসে প্রায় সাড়ে তিন কেজি গুড় পাওয়া যায়। এছাড়া গাছের তিন-চার ফুট লম্বা পাতা দিয়ে তৈরি হয় ঘরের ছাউনি। ১০০ পিস ছাউনি বিক্রি করা হয় ৬০০ টাকায়। প্রায় ১০ থেকে ২০ ফুট লম্বা ডগাসহ গোলপাতা ৮০টি বিক্রি করা হয় ৪০০ টাকায়।

আরেকজন গাছি রমনি হালদার। তিনি বলেন, ভোর ৪টায় রস সংগ্রহ করা শুরু করি। তারপর মহিলারা রস চুলায় বসিয়ে তাপ দেওয়া শুরু করে। পরে রস থেকে তৈরি হয় গুড়। প্রথমে গোলের রসের চাহিদা কম থাকলেও এখন চাহিদা বেড়েছে। দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি জানান, প্রথমে ভারতের কলকাতায় থাকা তাদের কিছু স্বজনের উপহার হিসেবে পাঠান গোলের গুড়। এরপর সেখানে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এই গুড়। সেই স্বজনরা তাদের কাছে গুড় কেনার কথা জানালে তারা বিক্রি শুরু করেন। প্রথমে প্রতি কেজি ২৫০ টাকা বিক্রি করলেও এখন ২৮০ টাকা। রমনি হালদারের স্ত্রী প্রিয় বালা রানী বলেন, এক থেকে দুই ঘণ্টা তাপ দেওয়ার পর তরল রস গুড়ে পরিণত হয়। বেহালা গ্রামের কৃষ্ণকান্ত মিস্ত্রি বলেন, গোলের গুড় সুনাম কুড়িয়েছে। বেহালা গ্রামের ঐতিহ্য এখন ক্ষুদ্র শিল্পে পরিণত হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন হাওলাদার বলেন, উপজেলার বেহলা গ্রামের গোল চাষের ইতিহাস শত বছরের। এখানকার গোলের গুড় খুব সুস্বাদু। স্থানীয় গোলচাষিরা এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। এই গুড়ে কোনো ধরনের ভেজাল নেই। আমরা আশা করছি, সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগ নিয়ে এই শিল্প বাঁচিয়ে রাখতে হবে।




পুনরায় প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় শেখ হাসিনাকে জাতিসংঘের অভিনন্দন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পুনর্নির্বাচিত হওয়ায় শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছে জাতিসংঘ।জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ অভিনন্দন জানানো হয়।



‘হামাসকে সম্পূর্ণভাবে হারানো সম্ভব নয়’, বললেন ইসরায়েলের মন্ত্রী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রীসভার দপ্তরবিহীন মন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাবেক প্রধান গাদি ইজেনকোত বলেছেন, ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসকে সম্পূর্ণভাবে হারানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়। হামাসকে পুরোপুরিভাবে পরাজিত করার যে আলোচনা চলছে সেটি কার্যত অবাস্তব।



কুমিল্লাকে হারিয়ে দুর্দান্ত ঢাকার ‘দুর্দান্ত’ শুরু

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ১৪৪ রানের মাঝারি মানের টার্গেট তাড়ায় রীতিমতো ঝড় তুললেন নাঈম শেখ। তাকে যোগ্য দিলেন লঙ্কান ব্যাটার দানুশকা গুনাথিলাকা। দুই ওপেনারের শতরানের জুটিতে ম্যাচের ভাগ্য লেখা হয়ে গিয়েছিল অনেকটাই। তবে শেষ দিকে মুস্তাফিজদের দারুণ বোলিংয়ে ম্যাচের লাগাম টানার চেষ্টায় ছিল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।



কলাপাড়ায় পরিচয়হীন পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তিকে নিয়ে কৌতূহল 

­মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): প্রায় এক সপ্তাহ আগে পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরের লঞ্চঘাট এলাকার সড়কের পাশে অবস্থান নেন নাম পরিচয়হীন পঞ্চাশোর্ধ্ব এক ব্যক্তি।

নাম পরিচয় জানতে চাইলে ‘ভারত’ ছাড়া কিছুই বলতে পারছেন না। তাকে নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।

লঞ্চঘাট এলাকার শ্রমিক সোবাহান মিয়া জানান, এই ব্যক্তি ৫ থেকে ৬ দিন আগে এখানে আসেন। তবে কীভাবে এসেছেন সেটা জানতে পারিনি।

একই এলাকার অপর শ্রমিক ইদ্রিস জানান, তার কথা বার্তায় আমাদের দেশের মানুষ বলে মনে হচ্ছে না। তিনি অনেক সময় হিন্দি ভাষায়ও কথা বলেন। এই ব্যক্তি এখানে অসহায় জীবন যাপন করছেন। তার পরিচয় বের করে পরিবারের কাছে তুলে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

মানসিক ভারসাম্যহীনদের নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংগঠন অন্নদান ওয়েলফেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা মোজাম্মেল হক মিন্টু জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা এখানে এসেছি। এই ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছি। তিনি কিছুই ঠিকভাবে বলতে পারেন না। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন নাকি ছিন্নমূল মানুষ সেটাও বোঝা যাচ্ছে না। তবে তিনি এখানে যতদিন অবস্থান করবেন ততদিন আমরা তাকে সহযোগিতা করবো এবং তার পরিবার খুঁজে বের করার চেষ্টা করবো।




কুয়াকাটায় বেড়েছে চালের দাম, বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): সপ্তাহের ব্যবধানে পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় চালের মান ও ধরনভেদে প্রতিকেজিতে ৩ থেকে ৫ টাকা দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ।

কুয়াকাটা রাখাইন রোড বাজারের খুচরা বিক্রেতা শাহ পরান শুভ বলেন, প্রতিকেজি মোটা চাল ৫৭ টাকা কেজি, পাইজাম চাল ৫৫ টাকা কেজি, স্বর্ণা মোটা ৫০ টাকা কেজি, মিনিকেট ৬৮ থেকে ৭২ টাকা কেজি ও ২৮-বালাম ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মোকামে চালের দাম বেশি তাই বাধ্য হয়েই খুচরা বাজারে বেশি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে।

অন্যদিকে পাইকারি বিক্রেতা মানিক মিয়া বলছেন, বর্তমানে বাজারগুলোতে ধানের আমদানি খুবই কম। ফলে সব ধরনের ধানের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ধানের দাম বৃদ্ধির ফলে চালের দাম কিছুটা বেড়েছে।

কুয়াকাটার স্থানীয় বাসিন্দা মামুন শরিফ ও মিরাজ শিকদার বলেন, নির্বাচন যাওয়ার পরে হঠাৎ চালের দাম বেড়েছে। চালের বাজার নিয়ন্ত্রনে সরকারের দ্রত কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, চালের বাজারে অস্থিতিশীলতা কাম্য নয়। এবিষয়ে অভিযান পরিচালনা করছি প্রয়োজনে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।