পটুয়াখালীতে শীতের তীব্রতা বেড়েছে

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীতে ঘন কুয়াশার সঙ্গে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। এতে স্থবিরতা নেমে এসেছে শহর থেকে গ্রামাঞ্চলে।
মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলায় এ বছরের সর্বনিম্ন ১০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস।
এদিকে ভোর থেকেই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মতো ঝড়ছে ঘন কুয়াশা। বেলা বাড়লেও দেখা মিলছে না সূর্যের।
এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন সবজি চাষিরা। তীব্র শীতে ভোগান্তিতে পড়েছে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। চরম বেকায়দায় পড়েছে গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ শিকারি জেলেরা।
জেলার হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে ঠান্ডাজনিত শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যা।
পটুয়াখালী পৌর শহরের রিকশাচালক মোশারেফ হোসেন বলেন, আজকের মতো এতো শীত আর মনে হয়নি। শীতের সঙ্গে বাতাস আর ঘন কুয়াশাও রয়েছে। বেলা এগারোটায়ও আমরা সূর্যের দেখা পাইনি। আজকে হাটের দিন হওয়ার পরও সকাল দশটা পর্যন্ত একশ টাকাও ইনকাম করতে পারিনি।
শহরের আরেক ভ্যান চালক আব্বাস বলেন, সকালেই ভ্যান নিয়ে বের হয়েছি। কিন্তু এতো বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে যে ভ্যান চালানো তো দূরের কথা খোলা স্থানে দাঁড়িয়ে থাকা দায়। সকাল সকাল কোনো ক্ষ্যাপই মারতে পারিনি।
নিউমার্কেটের সবজি বিক্রেতা হারুন বলেন, এত এত কুয়াশা যে ভ্যানে করে যে সবজি আনব রাস্তা ঠিকমতো দেখা যায় না। আর যে ঠান্ডা ঘর থেকে বের হতে ইচ্ছা করে না। কিন্তু কি করুম দুইডা টাকা আয় করন তো লাগবে, নইলে খামু কি।
পুরান বাজারের মাছ বিক্রেতা বশির মোল্লা বলেন, যে ঠান্ডা পড়ে হের মধ্যে বরফ দেওয়া মাছের ঢোল মাথায় কইরা বাজারে আনতে হয়। মোগো সব হাত-পাও শক্ত হইয়া যায়, আর চলতো পারি না।
পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী বলেন, শীতের এই অবস্থা আরও অব্যাহত থাকতে পারে এবং কুয়াশা আরও বাড়তে পারে















