হজের নিবন্ধনে আরও ৮ দিন সময় বাড়লো

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  হজের নিবন্ধনে আরও আটদিন সময় দিয়েছে সরকার। দুই দফা সময় বাড়ানোর পর গত ১৮ জানুয়ারি শেষ হয় হজযাত্রী নিবন্ধন কার্যক্রম। কিন্তু হজ এজেন্সিগুলো নিবন্ধনের সময় আরও বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিল। সেই প্রেক্ষাপটে নিবন্ধনের জন্য আরও আটদিন সময় দিল ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় বাড়িয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় আজ বুধবার (২৪ জানুয়ারি) বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

সময় বাড়ানোর বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৪ সালে হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তি, হজ এজেন্সি, হজ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় হতে হজ চুক্তির পূর্বেই হজযাত্রীর চূড়ান্ত সংখ্যা জানানোর বাধ্যবাধকতা থাকা স্বত্বেও হজযাত্রী ও হজ এজেন্সির বিশেষ অনুরোধে সরকারি ও বেসরকারি উভয় মাধ্যমের হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় আগামী ২৫ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হলো। এ সময়ের মধ্যে ২ লাখ ৫ হাজার টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন বা প্যাকেজের সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন করা যাবে।

প্রাথমিক নিবন্ধন করা হলে প্যাকেজের অবশিষ্ট মূল্য আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আবশ্যিকভাবে একই ব্যাংকে জমা দিয়ে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। অন্যথায় এ বছর হজে যাওয়া যাবে না এবং প্রদত্ত অর্থ ফেরত দেয়া হবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৬ জুন পবিত্র হজ হতে পারে। এবার বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ করতে পারবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১০ হাজার ১৯৮ জন এবং এক লাখ ১৭ হাজার জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাতে পারবেন।

কিন্তু, এখন পর্যন্ত মোট ৫৩ হাজার ১৭৩ জন হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার ৮০২ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪৯ হাজার ৩৭১ জন।

সেই অনুযায়ী কোটার ৪২ শতাংশ হজযাত্রী নিবন্ধন করেছেন। এখনও ৭৪ হাজার ২৫ জন নিবন্ধন করেননি। অর্থাৎ কোটার ৫৮ শতাংশ খালি রয়েছে।

সৌদি সরকার হজ ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনার কারণে এবার বিভিন্ন দেশ থেকে কতজন হজে যাবে তা আগেভাগে জানাতে হবে। অন্যান্য বছর হজচুক্তির পর নিবন্ধন শুরু হলেও এবার সৌদি আরবের নিয়ম অনুযায়ী চুক্তির আগেই নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করতে হয়।

গত বছরের ১৫ নভেম্বর থেকে হজযাত্রী নিবন্ধন শুরু হয়। প্রথম নিবন্ধনের সময় সময় ছিল ১০ ডিসেম্বর। পরে নিবন্ধনের সময় ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। হজযাত্রীদের সাড়া না পাওয়ায় সর্বশেষ নিবন্ধনের সময় বাড়িয়ে ১৮ জানুয়ারি করা হয়।




কলাপাড়ার সড়ক দুর্ঘটনায় উপজেলা চেয়ারম্যান, তাঁর স্ত্রীসহ আহত ৩

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম রাকিবুল আহসান (৭০), তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া নাসরিন (৬০) এবং তাঁদের গাড়িচালক মো. আবুল কালাম (৪৭) সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন।

আজ বুধবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনার পর আহত তিনজনকে উদ্ধার করে দ্রুত বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে সার্জারি বিভাগে ভর্তি করেন এলাকাবাসী।

উপজেলা চেয়ারম্যানের ভাতিজা এস এম শামসুল আরেফিন বলেন, আজ সকালে কলাপাড়া পৌর শহরের এতিমখানা এলাকার বাসভবন থেকে উপজেলা পরিষদের সরকারি গাড়িতে বরিশালের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম রাকিবুল আহসান ও তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া নাসরিন। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা অতিক্রম করার সময় দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে তাঁদের গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যানকে বহন করা গাড়িটির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। দুর্ঘটনায় রাকিবুল আহসান ও তাঁর গাড়ির চালকের মুখসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম হয়েছে। উপজেলা চেয়ারম্যানের স্ত্রী সুরাইয়া নাসরিনের ডান হাত ভেঙে গেছে এবং ডান চোখ, মাথাসহ শরীরে মারাত্মক জখম হয়েছে।

এস এম শামসুল আরেফিন আরও বলেন, ‘উপজেলা চেয়ারম্যানের স্ত্রী অর্থাৎ আমার চাচি সুরাইয়া নাসরিন আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন। তাঁর চিকিৎসার জন্য তাঁরা বরিশালে যাচ্ছিলেন। পথে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।’

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য বরিশাল বন্দর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘বরিশাল থেকে কুয়াকাটাগামী জিসান-আরিয়ান ক্ল্যাসিক নামে যাত্রীবাহী বাসটির সঙ্গে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে। বাসের চালক বেপরোয়া গতিতে গাড়িটি চালাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে। আমরা বাসটি জব্দ করে থানায় এনেছি। এ নিয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’




সাগরে ধরা পড়ল ২০ কেজির কোরাল, ২১ হাজার টাকায় বিক্রি

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়েছে ২০ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ। আড়তে মাছটি নিয়ে আসলে ডাকের মাধ্যমে ২১ হাজার টাকায় কিনে নেন ফরাজি ফিসের আড়তদার মো. শাহাবুদ্দিন ফরাজি।

বুধবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার কুয়াকাটা মাছ বাজারে সাকিল মাঝি নামের এক জেলে মাছটি নিয়ে আসেন।

এ বিষয় জেলে সাকিল মাঝি জানান, গতকাল আমরা সাগরে বলেশ্বর মোহনা সংলগ্ন সাগর এলাকায় জাল ফেললে এই বড় কোরাল মাছটি ধরা পড়ে। সচরাচর এত বড় কোরাল তেমন একটা পাওয়া যায় না। তবে চার বছর আগে এরকম একটা বড় মাছ পেয়েছিলাম। এত বড় মাছ পেয়ে ভালোই লাগছে।

আড়তদার মো. আলমগীর জানান, সাকিল মাঝি বলেশ্বর নদীর মোহনা সংলগ্ন সাগরের মুখে এ কোরাল মাছটি পান। আমাদের আড়তে মাছটি নিয়ে আসলে ডাকের মাধ্যমে ১০৫০ টাকা কেজি দরে মোট ২১ হাজার টাকায় কিনে নেন ফরাজি ফিসের আড়তদার মো. শাহাবুদ্দিন ফরাজি।

ফরাজি ফিসের আড়তদার মো. শাহাবুদ্দিন ফরাজি বলেন, আমাদের কাছে সব সময় বড় মাছের অর্ডার থাকে তাই মাছটি ১০৫০ টাকা কেজি দরে আমি কিনেছি। মাছটি ১৩০০ টাকা কেজি দরে এখন বিক্রি করার পরিকল্পনা আছে।

এ বিষয় কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, সাগরে বড় কোরাল সব সময় তেমন একটা পাওয়া যায় না। তবে সাগর-নদীর মোহনায় সব সময়ই কমবেশি কোরাল পাওয়া যায়।




মিষ্টি কুমড়া চাষে সফলতা বরিশালের

  1. বরিশাল অফিস :: মিষ্টি কুমড়া চাষে সফলতা বরিশালের সুমনের বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার কৃষি উদ্যোক্তা বকর সিদ্দিক সুমন যৌবনে ঘুরেছেন পৃথিবির ৩৭টি দেশ। নানা পেশায় করেছেন কাজ জীবনের প্রায় ৩৭ বছর। শেষ বয়সে নিজ দেশে ফিরে শুরু করেন কৃষি কাজ। ২০২০ সালে প্রায় এক একর যায়গা জুড়ে রোপন করেন উন্নত জাতের পেপে গাছ।

পেপে চাষের পাশাপাশি পরিত্যাক্ত জমিতে এবছর চাষ করেন বøাক স্টোন ও স্মল স্টোন জাতের মিষ্টি কুমড়ার। প্রথম বারেই সফল ৭৪ বছর বয়সী এই উদ্যোক্তা। মাত্র ২৫ হাজার টাকা ব্যয়ে কুমড়ার চাষ করে ইতিমধ্যে বিক্রি করেছেন ১ লাখ টাকার বেশি কুমড়া।

 

তবে এবছর বরিশাল জেলায় শীত কালিন সবজি আবাদের যে লক্ষমাত্রা ছিলো তা অর্জন হয়েছে। পাশাপাশি দিন দিন সবজি চাষে আগ্রহ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বরিশাল কৃষি অধিদপ্তর।

উদ্যোক্তা সুমন ছোট বেলা থেকেই বাবার সাথে কৃষি কাজ করতেন। এবং কি বিদেশ গিয়েও কাজের ফাঁকে বিভিন্ন কৃষি খামার ঘুরে ঘুরে দেখাম। সেখান থেকেও অনেক অভিগ্যতা অর্জন করেছি। পরে বাংলাদেশে এসে অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নিজে হয়ে গেলাম কৃষি উদ্যোক্তা।

সুমন মনে করেন লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে বিদেশে না গিয়ে, সেই টাকায় নিজ দেশেই কৃষি কাজ শুরু করলে বিদেশের থেকে কম পরিশ্রমে অধিক মুনাফা অর্জন করা সম্ভব। এজন্য শুধু দরকার মনোবল ও ধৃঢ় সংকল্প। কুমড়া চাষ করে সফলতা পাওয়া সুমন শুধু নিজের মুনাফা অর্জনের জন্যই চাষ করেন না। তার লক্ষ্য সমাজের বেকার তরুন শিক্ষিত যুবকদের কৃষি ক্ষেত্রে টেনে এনে, দেশে কৃষিতে একটি অভাবনীয় বিপ্লব ঘটানো। এ জন্য নিজ উদ্যোগেই শুরু করেছেন ট্রেনিং পদ্ধতি, তার কাছে কেউ বীজ সংগ্রহ করতে আসলে প্রথমে বাধ্যতামূলক ভাবে বিনামুল্যে ট্রেনিং করান তিনি।

কুমড়া বাগানে কাজ করা শ্রমিক ও ক্রেতা জানান, কুমড়া চাষে করে এই বাগানের মালিক খুব লাভোমান হচ্ছে। পাশিপাশি আমরাও লাভোমান হচ্ছি। এই বাগান দেখতে প্রতিদিনই দূরদুরান্ত থেকে লোক এসে বাগান মালিকের কাছ থেকে পরামার্শ নিচ্ছে। কৃষি উদ্যোক্তা বকর সিদ্দিক সুমন বলেন, লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে বিদেশে না গিয়ে, সেই টাকায় নিজ দেশেই কৃষি কাজ শুরু করলে বিদেশের থেকে কম পরিশ্রমে অধিক মুনাফা অর্জন করা সম্ভব।

আমি কুমড়া চাষ করে এখন একজন সফল্য কৃষি উদ্যোক্তা হয়েছি। বরিশাল কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মোঃ মুরাদুল হাসান জানান, এবছর আমাদের সবজি আবাদের যে লক্ষ মাত্রা ছিলো তা আর্জন হয়েছে। আমাদের ১১ হাজার ৭১৪ হেক্টর জমিতে সবজি আবাদ হয়েছে।

গতবছরের চেয়ে এবার ফলনও ভালো হয়েছে। বরিশাল জেলায় দিন দিন সবজি আবাদের বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাজস্ব খাতে বিজ সার সহ ১৩ শ’ ৪৯ জনকে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। সুমন মনে করেন জীবনের শেষ বয়সে এসে তার অভিজ্ঞতা থেকে সমাজ ও দেশের কৃষি ক্ষেত্রে যতটুকু পারেন অবদান রাখবেন।




বাঁধ কেটে বোরো চাষের ব্যবস্থা করলেন ইউএনও

বরিশাল অফিস :: জেলার উজিরপুর উপজেলার ভরসাকাঠী ও জয়শ্রী এলাকার খালে একটি ব্রিজ নির্মানের কারণে ঠিকাদার খালে বাঁধ দিয়ে প্রায় দেড় মাস ধরে নির্মান কাজ করছিলেন।

এ কারণে শিকারপুর ইউনিয়নের জয়শ্রী ও বামরাইল ইউনিয়নের ভরসাকাঠী, আটিপাড়া, কালিহাতাসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের প্রায় হাজারো কৃষকের আড়াই হাজার হেক্টর জমিতে বোরো চাষবাদ অনিশ্চিত হয়ে পরেছিলে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে নির্মানাধীন ব্রিজের নিচে বাঁধ কেটে দেয়ার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

বিষয়টি উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের নজরে আসলে বুধবার সকালে তিনি নিজে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুঁটে যান।

এ সময় কৃষকদের সাথে আলোচনা করে ইউএনও ব্রিজের নিচে ঠিকাদারের শ্রমিকদের দেওয়া বাঁধ কেটে বোরো চাষাবাদের জন্য পানি উন্মুক্ত করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাখওয়াত হোসেনের এ প্রশংসনীয় উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন হাজারো গ্রামবাসী। উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকতা মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, ওই খালের পানি দিয়ে দুইটি ইউনিয়নের প্রায় হাজারো কৃষক দীর্ঘ বছর ধরে বোরো চাষাবাদ করে আসছেন। জনগুরুত্বপূর্ণ খালে বাঁধ দিয়ে ব্রিজ নির্মান করায় চলতি মৌসুমে প্রায় আড়াই হাজার হেক্টর জমিতে বোরো চাষাবাদে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিলো।

উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, খবর পেয়ে সরেজমিনে উপস্থিত থেকে খালের মধ্যে দেয়া বাঁধটি অপসারন করা হয়েছে। ফলে ওইসব এলাকার চাষীদের বোরো চাষে আর পানির সমস্যা হবেনা।




বরিশালে সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে তৎপর নারী নেত্রীরা

বরিশাল অফিস : দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে বরিশাল বিভাগে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তৎপরতা শুরু হয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদে বিভাগের ছয় জেলায় তিনজন সংরক্ষিত এমপি ছিলেন। সেখানে এবার এক ডজন ক্ষমতাসীন দলের নেত্রীর তৎপরতার শুরু হয়েছে। এদেরমধ্যে কেউ আওয়ামী লীগের স্থানীয় শীর্ষ নেতার স্বজন, কেউ জনপ্রতিনিধির পতœী ও কেউ ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রী। সংরক্ষিত আসনের এমপি হতে বিভাগের নারী নেত্রীরা প্রধানমন্ত্রীসহ দলের উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ করছেন বলে দলের দায়িত্বশীল সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সূত্রমতে, সাধারণত ছয়টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে সংরক্ষিত আসনে একজন এমপি নির্বাচিত হন। সে হিসেবে বরিশাল বিভাগের ২১টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে তিন থেকে চারজন এমপি পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। বিভাগের রাজনীতির কেন্দ্রস্থল হলো বরিশাল। একাদশ সংসদে জেলায় সংরক্ষিত এমপি ছিলেন দুইজন। তারা হচ্ছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী রুবিনা আক্তার মীরা এবং ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি’র পতœী লুৎফুন্নেছা খান। তবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত এমপি হওয়ার জন্য বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র ও বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাতের সহধর্মীনি লুনা আব্দুল্লাহ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট আত্মীয়, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও গৌরনদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রাজপথের নেত্রী সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী, আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদের নাম শোনা যাচ্ছে। এরমধ্যে ২০০১ সালে বিএনপি ও জামায়াতের জোট ক্যাডারদের নির্মম নির্যাতনে মনিরুন নাহার মেরী চিরদিনের জন্য সন্তান হওয়ার সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছেন। তারপরেও তিনি রাজপথ ছাড়েননি। মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মনিরুল ইসলাম বুলেট ছিন্টুর সহধর্মীনি মনিরুন নাহার মেরী সন্তান হওয়ার সক্ষমতা হারিয়ে ফেললেও দলের তৃণমূল পর্যায়ের যুব বয়সের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিজ সন্তানের মতো আগলে রেখে সকলের আস্থা ও ভালবাসা অর্জন করেছেন।

দ্বীপ জেলা ভোলায় জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ শাফিয়া খাতুন ও জেলা পরিষদের প্যানেল মেয়র ও যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক খাদিজা আক্তার স্বপ্না তৎপরতা শুরু করেছেন। উপকূলীয় এলাকা পটুয়াখালীতে সংরক্ষিত এমপি ছিলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী কাজী কানিজ সুলতানা। এবার জেলা থেকে মনোনয়ন চেয়েছেন আরেক সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী ঢাকা ভিকারুননিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক তানজিদা খালেক তুলি। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইনের স্ত্রী সেলিনা হোসাইনও সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী। বরগুনায় সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে সাবেক দুইজন এমপির স্ত্রীসহ মোট পাঁচজনের তৎপরতা দেখা গেছে।

তারা হলেন-জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাধবী দেবনাথ, আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জাকিয়া এলিট, সংরক্ষিত সাবেক এমপি নাসিমা ফেরদৌসী, হোসনে আরা রানী এবং জেলা মহিলা শ্রমিক লীগের সভাপতি মেহেরুন নেছা সুমী। পিরোজপুরে সংরক্ষিত আসনে তৎপর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি লায়লা পারভীন। তিনি সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএমএ আউয়ালের স্ত্রী। এ ছাড়া মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রোজিনা নাসরিনও রয়েছেন এ তালিকায়।

সার্বিক বিষয়ে আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার বলেন, বিভিন্ন জরিপের ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনোনয়নের বিষয়টি চূড়ান্ত করবেন। প্রধানমন্ত্রী যাকে যোগ্য মনে করবেন, অতীতে যে নেত্রী রাজপথে সরব ছিলেন তাকেই মনোনয়ন দেবেন।




বরিশালে ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত

বরিশাল অফিস :: বরিশাল জেলার মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার আন্দারমানিক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন খোকনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বুধবার ( ২৪ জানুয়ারী) দুপুরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব পুরবী গোলদারের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক মোঃ শহিদুল ইসলাম।

সূত্রমতে, কাজিরহাট থানায় দায়ের করা সিআর মামলা আদালত আমলে নেওয়ায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইনের ২০০৯ এর ৩৪ (১) ধারা অনুযায়ী ইউপি চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন খোকনকে তার স্বীয় পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।




বরিশালে দুই দিনব্যাপী অশ্বিনী মেলা

বরিশাল অফিস :: সত্য, প্রেম ও পবিত্রতার ধারক মহাত্মা অশ্বিনী কুমার দত্তের ১৬৯তম জন্মদিন উপলক্ষে বরিশালে দুই দিনব্যাপী অশ্বিনী মেলার উদ্বোধণ করা হবে বৃহস্পতিবার। বিকেল সাড়ে চারটায় নগরীর সরকারি বরিশাল কলেজ প্রাঙ্গণে প্রদীপ প্রজ্জলনের মধ্যদিয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার উদ্বোধণ করবেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল জাহিদ ফারুক শামীম এমপি।

দুইদিনের মেলায় শ্রদ্ধা নিবেদন, প্রদীপ প্রজ্জলন, আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনার আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় বাঙালি সংস্কৃতির নানা রকম উপকরণ নিয়ে থাকবে স্টল। মহাত্মা অশ্বিনী কুমার দত্তের স্মৃতির সম্মানে জন্মদিন উপলক্ষে চর্তুথবারের মতো দুই দিনব্যাপী অশ্বিনী মেলার আয়োজন করেছে অশ্বিনী কুমার স্মৃতি সংসদ জেলা কমিটি। কমিটির সভাপতি স্নেহাংশু কুমার বিশ্বাস জানিয়েছেন, বিভিন্ন সমাজহিতৈষী ও কল্যাণমূলক রাজনৈতিক কর্মকান্ডের কারণে অশ্বিনী কুমার দত্ত সুপরিচিত ছিলেন।

জাতীয়তাবাদী রাজনীতি, জনকল্যাণ ও উন্নয়নমূলক কাজকর্মের জন্য তাকে মহাত্মা অশ্বিনী কুমার বা আধুনিক বরিশালের রূপকার বলে অভিহিত করা হয়। তিনি ছিলেন দুর্নীতি, সামাজিক গোঁড়ামি, কুসংস্কার ইত্যাদির বিরুদ্ধে ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিবেদিতপ্রাণ। তিনি বরিশাল পৌরসভার কমিশনার, ভাইস চেয়ারম্যান এবং পরবর্তীতে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।

প্রকৃত অর্থে তিনি ছিলেন আধুনিক বরিশালের নির্মাতা এবং ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব।

সত্য-প্রেম-পবিত্রতার প্রতীক অশ্বিনী কুমার দত্ত অবিভক্ত ভারতবর্ষে বরিশালকে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও রাজনীতির অন্যতম প্রধান পীঠস্থানে পরিণত করেছেন। তার জন্যই ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে বরিশাল ব্রিটিশ সরকারের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে উঠেছিলো। অসাম্প্রদায়িক চেতনার অধিকারী মানুষটি বরিশালবাসীর কাছে ছিলেন মুকুটহীন সম্রাট। বরিশাল শহরে তার নিজের দান করা জমিতে তিনি তার বাবার নামে ব্রজমোহন বিদ্যালয় ও ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন। তার বাসস্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সরকারি বরিশাল কলেজ। ইতিহাস ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক শতবর্ষী অশ্বিনী কুমার হল এবং গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর অশ্বিনী কুমার মাধ্যমিক বিদ্যালয় তার নামে প্রতিষ্ঠিত।

মেলার দ্বিতীয় দিন শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেল চারটায় অনুষ্ঠিত সভায় স্মৃতি সংসদের সহ-সভাপতি দেবাশীষ কুন্ডুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জেলা প্রশাসক মোঃ শহিদুল ইসলাম।




বরিশালে দালাল নির্ভর অবৈধ হাসপাতাল

বরিশাল অফিস :: ভুয়া ডাক্তার, টেকনোলজিস্ট, মানহীন মেশিন সংবলিত ল্যাব, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই প্যাথলজির ভুয়া রিপোর্ট প্রদানসহ দালাল নির্ভর ব্যক্তি মালিকানাধীন ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ছড়াছড়ি বরিশালে। এসব প্রতিষ্ঠানের খপ্পরে পরে গ্রামাঞ্চল ও শহরতলী থেকে আসা রোগীরা সর্বস্বান্ত হচ্ছেন।

সূত্রমতে, বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় ১২৯টি ও জেলার দশ উপজেলায় ১৩৩টি বৈধ ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এর বাইরে শত শত বেসরকারি অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বাণিজ্য করে যাচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মাঝে মধ্যে অভিযান চললেও স্বাস্থ্য বিভাগ ও সিভিল সার্জনের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ম্যানেজ করে রমরমা ব্যবসা চলছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, নগরীর সদর রোড, গির্জা মহল্লা মোড়, আগরপুর রোড, কাকলির মোড়, বাটারগলি, বিবির পুকুর পাড়, অশ্বিনী কুমার হল চত্বর, শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের সামনে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য। তাদের মধ্যে নির্দিষ্ট পার্সেন্টেজের বিনিময়ে রোগী ভাগিয়ে নেওয়ার তুমুল প্রতিযোগিতা চলছে। দালালরা ওৎপেতে থাকে নগরীর রূপাতলী, নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল ও লঞ্চ টার্মিনালে বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে আসা রোগীদের জন্য। দালালরা তাদের পছন্দের ডাক্তার ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগীদের নিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।

সূত্রমতে, নগরীতে সব থেকে বেশি ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে উঠেছে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে। এখানে ৩০টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ক্লিনিক রয়েছে। প্রতিটিতেই জড়িত রয়েছেন হাসপাতালের কোনো না কোনো চিকিৎসক কিংবা কর্মকর্তা-কর্মচারী। এ ছাড়া কিছু চিকিৎসক প্রতি রোগীর পরীক্ষা-নিরীক্ষার ওপর পাচ্ছেন সর্বনিন্ম ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ কমিশন। এসব চিকিৎসকের কাছ থেকে রোগী নিজেদের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে আসতে রয়েছেন মার্কেটিং কর্মী নামধারী দালাল। ঠিক একই অবস্থা বরিশাল সদর হাসপাতালের সামনেও। এ হাসপাতালের সীমানা থেকে প্রায় ৫০ গজের মধ্যেই রয়েছে একাধিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ক্লিনিক। এসব প্রতিষ্ঠানের নেপথ্যেও রয়েছেন ওই হাসপাতালের চিকিৎসক এবং কর্মচারী। অভিযোগ রয়েছে, শুধু ডাক্তার এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীই নন; একের পর এক গড়ে ওঠা ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতারা। তাদের নেতৃত্বেই এসব প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত রোগীদের জিম্মি করে গলাকাটা হচ্ছে।

ভুক্তভোগী রোগীর স্বজন ঝালকাঠির সদর উপজেলার বিনয়কাঠি এলাকার বাসিন্দা হাকিম হাওলাদার বলেন, মাকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য নগরীর বাটার গলিতে এসে দালালের খপ্পরে পরেছি। প্রথমে দালালরা ভুল বুঝিয়ে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে ভুয়া ডাক্তার দেখানো শেষে প্রেসক্রিপশনের প্যাডে আটটি পরীক্ষা করতে বলে ৬ হাজার ৩০০ টাকা ও ডাক্তার ফি আরও ৮০০ টাকা নিয়েছে। কিন্তু তার মায়ের রোগ ভালো হয়নি।

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) বরিশাল জেলার সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, নগরীতে কত ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে তার সংখ্যা জানার জন্য আমরা সিভিল সার্জনের কাছে আবেদন করেছিলাম। তবে সিভিল সার্জন থেকে আমাদের বলা হয় স্বাস্থ্য বিভাগে যেতে। সেখানে আবেদন করার পর তারা বলছে, হালনাগদ নেই। তারা মাঠেনেমে এর একটি তালিকা প্রস্তুত করবেন। কিন্তু আজও আমরা তালিকা পাইনি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনার পর সারাদেশে অভিযান হলেও বরিশালে কোনো অভিযান পরিচালিত হয়নি। এতে করে সচেতন মানুষ মনে করছেন কোনো সমঝোতার কারণে এমনটা হয়েছে। এ ছাড়া সির্ভিল সার্জনের কাছে অভিযোগ দিয়েও কোন সুফল মিলছেনা।

বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডাঃ শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল জানান, অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিক, ল্যাব ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে প্রায়ই আমরা অভিযান পরিচালনা করি। বর্তমানেও অভিযান চলমান রয়েছে।




জাতিসংঘের মার্কিন-ব্রিটিশ কর্মীদের ইয়েমেন ছাড়ার নির্দেশ হুথিদের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ইয়েমেনে জাতিসংঘ মিশনে কর্মরত মার্কিন ও ব্রিটিশ কর্মীদের দেশটি ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। ইয়েমেন ত্যাগের জন্য তাদেরকে এক মাস সময় দেওয়া হয়েছে।