উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না রাখলে হারাতে পারেন দৃষ্টিশক্তিও

এতে করে দৃষ্টিশক্তও হারাতে পারেন মানুষ। হাইপারটেনশন থেকে হতে পারে হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি। দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ রেটিনায় রক্ত পরিবহনকারী রক্তবাহিকাগুলোর ক্ষতি করতে পারে।

সমস্যা তৈরি হতে পারে চোখের পেছনের স্পর্শকাতর পর্দায়। পরিবর্তন ঘটাতে পারে। রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হলে ফ্লুইড বেরিয়ে আসে।

তার ফলে রেটিনাল টিস্যুগুলোর ক্ষতি হয়। কখনো কখনো অল্প অল্প করে রক্তক্ষরণ কারণ হতে পারে। এর ফলে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যেতে পারে।

১. রেটিনার শিরা ও ধমনীর পথ রুদ্ধ হওয়া- এই সমস্যার কারণেই রেটিনার স্ট্রোক হয়।

২. ইস্কেমিক অপটিক নিউরোপ্যাথি- মস্তিষ্কের সঙ্গে চোখের সংযোগকারী স্নায়ু এই অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়। উচ্চ রক্তচাপের ফলে এই স্নায়ুগুলোতে রক্ত প্রবাহ কমে যেতে পারে, যার ফলে দৃষ্টিহানি হতে পারে।

৩. উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে যারা ভোগেন তাদের ডায়াবেটিক আই ডিজিজ হতে পারে।

৪. সাবকনজাংটিভাল হেমারেজ – রক্তচাপের আকস্মিক পরিবর্তনের ফলে চোখের সাদা অংশের সূক্ষ্ম ধমনী ফেটে যেতে পারে ও আশপাশের অংশে রক্ত বের হতে পারে।

এটি চোখের টকটকে লালভাব সৃষ্টি করে, যা খুবই উদ্বেগজনক। তবে এই সমস্যা তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিকারক ও নিজে থেকেই সারে। সামান্য ওষুধ বা কোনো চিকিৎসা ছাড়াই ২-৪ সপ্তাহের মধ্যে লালভাব দূর হয়।

৫. উচ্চ রক্তচাপ গ্লুকোমা ডেকে আনে দ্রুত। বার্ধক্যে গ্লুকোমা ও চোখের রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় হাইপারটেনশন

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাটি এখন আর শুধু বয়স্কদের অসুখ নয়। বর্তমান ট্রেন্ড কিন্তু ভয়ংকর দিকে গড়াচ্ছে। ২০-২৫ বছর বয়সেই এই সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই।

আসলে প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকা চাপ, স্ট্রেসের কারণেই বাড়ছে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা। চিকিৎসকরা বলছেন, যাদের পরিবারে হাই ব্লাড প্রেসারের ইতিহাস আছে তাদের বয়স ২০ পার হলেই বিপি মনিটর করা শুরু করতে হবে।

হু এর নির্দেশিকা অনুসারে, ব্লাড প্রেসার যদি ১৪০/৯০ এর বেশি হয়, তবে তো ওষুধ চালু করতেই হবে। তবে সঠিক নিয়মে জীবনযাত্রা পরিচালনা করতে হবে।

সূত্র: এবিপি লাইভ




মাদার তেরেসা অ্যাওয়ার্ড পেলেন বাংলাদেশের মির্জা আহমেদ

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  সেন্ট মাদার তেরেসা অ্যাওয়ার্ড-২০২৪ পেয়েছেন মির্জা আহমেদ ইস্পাহানী নামের এক বাংলাদেশি। সামাজিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ সম্মানে ভূষিত করা হয়।

শনিবার কলকাতার আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু রোডের সেন্ট জেমস স্কুলের অডিটোরিয়ামে তাকে এ সম্মাননা প্রদান করে আন্তর্জাতিক মাদার তেরেসা অ্যাওয়ার্ড কমিটি।

মির্জা আহমেদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বিশপ জয়, কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনার প্রথম সচিব (ভিসা) আলমাস হোসেন ও প্রথম সচিব (প্রেস) রঞ্জন সেন।

এর আগে প্রদীপ জ্বালিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন অতিথিরা।




রোড সেফটি ফাউন্ডেশন: ২০২৩ সালে ৬৯১১ সড়ক দুর্ঘটনায় ৬৫২৪ প্রাণহানি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ২০২৩ সালে সারাদেশে ছয় হাজার ৯১১টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রাণ গেছে অন্তত ছয় হাজার ৫২৪ জনের। আহত হয়েছেন ১১ হাজার ৪০৭ জন।

শনিবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দুর্ঘটনা সংক্রান্ত বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। সংস্থাটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদ প্রতিবেদনের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

দেশের ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম এবং সংস্থার নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ১১২৮ জন শিশু, যা মোট নিহতের ১৭ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং ৯৭৪ জন নারী, যা মোট নিহতের ১৪ দশমিক ৯২ শতাংশ।

এছাড়া সমাপ্ত বছরে দুই হাজার ৫৩২টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই হাজার ৪৮৭ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ৩৮ দশমিক ১২ শতাংশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বছরজুড়ে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও নিহতের ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এই বিভাগে এক হাজার ৯৬৭টি দুর্ঘটনায় এক হাজার ৬৯৪ জন নিহত হয়েছেন। সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ৩৪৭টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৩৮৮ জন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, বিগত বছরে ১০৭টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১৪৮ জন নিহত, ৭২ জন আহত এবং ৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ২৮৭টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ৩১৮ জন নিহত এবং ২৯৬ জন আহত হয়েছেন।

২০২২ সালে দেশে দুই হাজার ৯৭৩টি দুর্ঘটনায় তিন হাজার ৯১ জনের প্রাণহানি হয়েছিল। সে হিসাবে আগের বছরের তুলনায় ২০২৩ সালে ১ দশমিক ২ শতাংশ দুর্ঘটনা বেড়েছে। তবে প্রাণহানি ১৫ দশমিক ৪১ শতাংশ কমেছে।




পটুয়াখালীতে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আদলে হচ্ছে শহীদ মিনার

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালী পৌরসভায় ভাষা শহীদদের স্মরণে ও শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য নির্মিত হচ্ছে শহীদ মিনার। ৪ কোটি ৩৩ লাখ ৭৩ হাজার ৯৭৭ টাকা ব্যয়ে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আদলে নির্মিত এটি।

জানা যায়, পটুয়াখালী পৌরসভার মাস্টার প্ল্যান চূড়ান্তকরণসহ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় শেখ রাসেল শিশু পার্কের পশ্চিম পাশে এটি নির্মিত হচ্ছে। পৌরসভার নিজস্ব অর্থায়নে একটি স্থাপত্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শহীদ মিনারটি নির্মিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পৌর মেয়র মহিউদ্দিন আহম্মেদ।

আসছে একুশে ফেব্রুয়ারিতে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মুক্ত মঞ্চ ও উদ্যানসহ শহীদ মিনার উন্মুক্ত করা হবে জানিয়ে মেয়র মহিউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, প্রায় ১০ একর জমি জুড়ে জেলা উদ্যানলী, মুক্ত মঞ্চ এবং কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আদলে নকশা প্রণয়নে কাজের ৯০ ভাগ শেষ হয়েছে।

পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন আরজু জানান, সরকারের উল্লেখিত অর্থায়নে পটুয়াখালী পৌরসভার বাস্তবায়নাধীন শহীদ মিনারটি ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আদলে করা হলেও এটি হবে আরো উন্নত ও দৃষ্টিনন্দন। এটি হবে দেশের অদ্বিতীয় শহীদ মিনার। এটি দেখতে দেশ-বিদেশের লোকজন আসবে বলে বিশ্বাস করেন পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জসিম উদ্দিন আরজু।




কনকনে শীতেও গরম পটুয়াখালীর সবজির বাজার

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর বাজার গুলোতে শীতকালীন তাজা সবজিতে ভরপুর। তবে শীতকালীন সবজির ভরা মৌসুম হলেও দাম অনেক চড়া। সবজির এমন দামে হতাশ ক্রেতারা।

তারা বলছেন, অন্যান্য বছর শীতের এই সময়ে সবজি ছিল হাতের নাগালে। এবার শীতের কাঁচা বাজারে ছড়িয়েছে উত্তাপ।

সকালে উপজেলার বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি বাঁধাকপি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা ও ফুলকপি ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শসা প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ধনিয়া পাতা ৯০ থেকে ৯৫, বেগুন ৭০ থেকে ৮০, মুলা ৫০ থেকে ৫৫, টমেটো ১০০ থেকে ১১০, মরিচ ১২০ থেকে ১৩০, পুঁইশাক ২০ থেকে ২৫, শিম ১০০, বরবটি ৮০, সাদা বেগুন ১০০, তিতকরলা ৬০ থেকে ৭০, কাঁকরোল ৫০ টাকা ও মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি দরে।

ক্রেতা ওমর ফারুক বলেন, শীতে তো শাকসবজির দাম কম হওয়ার কথা। সবজির যে দাম তাতে বাজারে আসলে মনে হয় সবজির খুব সংকট। কিন্তু বাজারে তো ভরপুর সবজি তবুও চড়া দাম কেন? এত টাকা দিয়ে সবজি কিনে সংসার চালানো দায়।

বিক্রেতারা বলছেন, মোটামুটি সব ধরনের সবজির দামই বেড়েছে। শীতকালে বাজারে সাধারণত লাউ, মিষ্টি কুমড়া, ফুলকপি, বাঁধাকপি, দেশি পেঁয়াজ, ভারতীয় পিঁয়াজ, বেগুন, মুলা, লালশাক, পালংশাক, পটোল, ঢেঁড়স, বরবটি, ঝিঙা, পেঁপে, আলু, করলা, কচু, শসাসহ বিভিন্ন ধরনের সবজিতে ভরপুর থাকে। কৃষকের সবজি উৎপাদনে খচর বেড়ে যাওয়ায় খুচরা বাজারে বেড়েছে সবজির দাম।

কুয়াকাটা কাঁচামাল আড়ত মালিক সমিতির সভাপতি মো. ইয়াসিন মুসল্লী বলেন, সবজির দাম অন্যবারের তুলনায় বেশি। তবে সরবরাহের বড় কোনো ঘাটতি নেই। আগের চেয়ে পরিবহন ভাড়া একটু বেড়েছে। এরপরও মৌসুমের এই সময়ে দাম এত বেড়ে যাওয়ার কথা নয়। তবে সামনের দিকে দাম কিছুটা কমতে পারে।




জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থাকে কাজ করতে দেবে না ইসরায়েল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  যুদ্ধ শেষে জতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থাকে (ইউএনআরডব্লিউএ) গাজায় আর কার্যক্রম চালাতে দেবে না ইসরায়েল। শনিবার (২৭ জানুয়ারি) এক ইসরায়েলি মন্ত্রী এ কথা জানিয়েছেন। ইসরায়েলের দাবি, গত ৭ অক্টোবরের হামলায় ইউএনআরডব্লিউএ’র বেশ কয়েকজন কর্মী জড়িত ছিলেন।

ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে বলেছেন, আগামীতে ইউএনআরডব্লিউএ যেন আর কাজ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে চায় ইসরায়েল। এ লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ সংস্থাটির অন্যান্য প্রধান দাতাদের কাছ থেকে সমর্থন লাভের চেষ্টা করবে তারা।

ইউএনআরডব্লিউএর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের এই ‘হুমকির’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। একইসঙ্গে, জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাকে ‘হুমকি ও ব্ল্যাকমেইল’ না করার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

ইউএনআরডব্লিউএ গত শুক্রবার বলেছে, গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলায় জড়িত থাকার জন্য তাদের বেশ কয়েকজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে ইসরায়েল। তাদের এরই মধ্যে বরখাস্ত করা হয়েছে। ফৌজদারি বিচারের মাধ্যমে’ এসব কর্মীকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রধান ফিলিপ লাজারিনি।

এর প্রতিক্রিয়ায় ইউএনআরডব্লিউএ’র একটি ‘জরুরি ও বিস্তৃত স্বাধীন পর্যালোচনা’র প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তার মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, তারা আপাতত ইউএনআরডব্লিউএ’তে আর কোনো অর্থ সহায়তা দেবে না। ইসরায়েলে হামলার ঘটনায় সংস্থাটির ১২ কর্মী জড়িত থাকতে পারেন বলে অভিযোগ করেছে তারা।

যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং ইতালি জানিয়েছে, তারাও জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থায় অর্থ সহায়তা স্থগিত করছে।




‘ওসি মহসীন’ সেজে ৭০০ নারীর সঙ্গে প্রতারণা যুবকের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ‘প্রিন্টিং প্রেস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন (৩০)। পেশায় প্রেসের কর্মী হলেও স্থানীয়দের কাছে তিনি ‘ফেসবুক মাস্টার’। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ অনলাইনের বিভিন্ন আইডির সমস্যা সমাধান করে ‘মাস্টার’ উপাধি পেয়েছেন।

আর এ যোগ্যতা কাজে লাগিয়ে অভিনব প্রতারণায় নামেন এই যুবক। ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপে পুলিশ কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা, মন্ত্রীসহ বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্যক্তিদের নামে আইডি খুলে শতশত নারীদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে প্রতারণা করে আসছিলেন।

সম্প্রতি রাজধানীর তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীনের নামে ফেসবুক আইডি ও হোয়াটসঅ্যাপ খুলেন আনোয়ার। আর এর মাধ্যমে ৭৭১ নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন। সবশেষ আপত্তিকর ছবি আদান-প্রদানের ঘটনায় বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী নারী থানায় এসে হাজির হন।

এতে ওসি মহসীন নিজে বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করেন। তদন্তে নেমে শুক্রবার গাইবান্ধার স্টেশন রোডের দাশ বেকারি মোড়ের ইসলাম প্রিন্টিং প্রেস নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রেফতার করা হয় আনোয়ারকে।

শনিবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) লিটন কুমার সাহা।

তিনি বলেন, আনোয়ার মাত্র পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করলেও ইন্টারনেট ঘেঁটে ফেসবুকসহ প্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞ হয়ে ওঠেন। এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ব্যক্তি, মন্ত্রী, পুলিশ কর্মকর্তা, জনপ্রিয় ব্যক্তিদের ছবি ব্যবহার করে তাদের নামে ফেসবুক আইডি খুলত। এরপর বিভিন্ন নারীদের টার্গেট করে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করত। তাদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে আপত্তিকর ছবিসহ টাকা-পয়সা হাতিয়ে নিত।

ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার আরও বলেন, আনোয়ারকে গ্রেফতারের পর তার কম্পিউটার ও মোবাইলে রাষ্ট্রপতি, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও খনিজ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, তেজগাঁও থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন, চিত্রনায়ক শান্ত খান, অভিনেতা ও মডেল আব্দুন নুর সজল, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নামে ফেসবুক আইডি পাওয়া যায়। এরমধ্যে কয়েকটি আইডি ডিজেবল পেলেও বাকিগুলো সচল অবস্থায় ছিল।

তিনি বলেন, আনোয়ার কখনো ওসি, কখনো নায়ক, কখনো জনপ্রতিনিধি সেজে প্রতারণা করতেন। ভুয়া আইডি খুলে এ পর্যন্ত তিনি ৭০০ এর বেশি নারীর সঙ্গে কথা বলতেন। শিক্ষার্থী, গৃহিণী, প্রবাসী, মডেল সবাই আছেন এ তালিকায়। ম্যাসেঞ্জারে কথা বলার পর হোয়াটসঅ্যাপেও তাদের সঙ্গে কথা বলতেন। কথা বললেও কারো সঙ্গে ভিডিও কলে আসতেন না তিনি।

আবার কেউ তাকে দেখতে চাইলে কিংবা সন্দেহ করলে সঙ্গে সঙ্গে ব্লক দেন আনোয়ার। তিনি মূলত মেয়েদের সঙ্গে আপত্তিকর কথাবার্তা বলতেন। তাদের মধ্যে কারো কারো সঙ্গে ছবিও আদান-প্রদান করেন। আবার কারও কারও কাছে টাকাও দাবি করেন।

এ বিষয়ে মামলার বাদী তেজগাঁও থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, গ্রেফতার আনোয়ারের ডিভাইস বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ৭৭১ নারীর সঙ্গে ‘ওসি মহসীন’ সেজে তিনি চ্যাটিং করেছেন। এটি পুলিশের জন্য মানহানিকর, ব্যক্তি মহসীনের জন্যও মানহানিকর।

তিনি বলেন, চ্যাটিংয়ে বিভিন্ন নারী ওসি মহসীন ভেবে সহযোগিতার জন্য নক করেছিলেন। আর আনোয়ার তাদের সঙ্গে প্রথমে ভালোভাবে কথা বলেন। এরপর ধীরে ধীরে অশ্লীলভাবে চ্যাটিং করেন। অনেক নারী সন্দেহ হরে লিখেছেন, ‘আপনি ওসি মহসীন তো’। অনেকেই আনোয়ারের কথার প্রতিবাদও করেছেন চ্যাটিংয়ে।




ফেব্রুয়ারিতে বাড়তে পারে করোনা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  শীতে ফ্লু ভাইরাস, রাইনোভাইরাস এবং শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাসের মতো অন্যান্য মৌসুমি ভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে যায়। এর মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে করোনার নতুন উপধরন জেএন.১। গত ডিসেম্বরে (২০২৩) করোনায় সংক্রমণের হার বেড়েছে চার গুণের বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনার মূল চিত্র এর থেকেও বেশি। শীত কমলে চলতি বছরের (২০২৪) ফেব্রুয়ারি মাসে করোনা সংক্রমণ কয়েক গুণ বাড়তে পারে। তবে, করোনার নতুন ধরন নিয়ে আতঙ্ক হওয়া কিছু না থাকলেও সচেতনতার প্রয়োজন রয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সারাদেশে শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩৯১ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩৪ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৮ দশমিক ৭০ শতাংশ। শনাক্ত রোগীদের ৩২ জনই ঢাকা মহানগরে এবং একজন করে কক্সবাজার ও চাঁদপুরে। তবে, এসময়ে আক্রান্তদের মধ্যে কারো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সারাবিশ্বে করোনা সংক্রমণের প্রায় অর্ধেকেই নতুন এ ধরনের সংক্রমণ দ্বারা হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (ডব্লিউএইচও) এটিকে কড়া নজরে রেখেছে এবং করোনার এ উপধরনকে ‘ভ্যারিয়েন্ট অব ইন্টারেস্ট’ বা ‘আগ্রহের বৈকল্পিক’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করেছে। নতুন ধরন জেএন.১-এর লক্ষণ আগের ধরনগুলোর মতোই (যেমন জ্বর, সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, মাথাব্যথা, স্বাদ বা গন্ধ হারানো ও ক্লান্তি ইত্যাদি)। এছাড়া গুরুতর লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে শ্বাসকষ্ট, বুকব্যথা, ডায়রিয়া ও বিভ্রান্ত বোধ করা।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, করোনার মূল চিত্র অনেক বেশি। সাধারণ মানুষ ঠান্ডা জ্বর মনে করে নিয়মিত পরীক্ষা করছেন না।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত (২৬ জানুয়ারি ২০২৪) দেশে করোনা রোগীর সংখ্যা ২০ লাখ ৪৬ হাজার ৯৩৫ জন। মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৪৮১ জনে। মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে ৯১ শতাংশের বয়স ৪০ বছরের বেশি। মৃতদের মধ্যে পুরুষ ৬৪ শতাংশ, ৩৬ শতাংশ নারী। আর মোট আক্রান্তের ৫১ শতাংশ ও মৃতের ৩০ শতাংশ ঢাকা মহানগরের। ঢাকার পর সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে ২০ শতাংশ ও খুলনা বিভাগে ১২ শতাংশ।

দেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ। এ বছর শনাক্ত হয় ৫ লাখ ১৩ হাজার ৫১০ জন। মারা যায় ৭ হাজার ৫৫৯ জন। এর পরের বছর ২০২১ সালে শনাক্ত হয় ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৯ জন। মারা যায় ২০ হাজার ৫১৩ জন। এ বছরের ২৮ জুলাই সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জন শনাক্ত হয়। ২০২২ সালে শনাক্ত হয় ৪ লাখ ৫১ হাজার ৫৮৬ জন। মারা যায় এক হাজার ৩৬৮ জন। আর গত ২০২৩ সালে শনাক্ত হয় ৯ হাজার ১৮৯ জন। মারা গেছে ৩৭ জন।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) উপদেষ্টা মুশতাক হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, শীতকালে বাংলাদেশে করোনা রোগী কিছুটা কম থাকে। তবে, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি শীত কমলে সংক্রমণ বাড়তে পারে। বর্তমানে করোনার নতুন উপধরন জেএন.১-এর কারণে সংক্রমণ হারও বেড়েছে।

নতুন এ উপধরন সম্পর্কে তিনি বলেন, নতুন উপধরন মারাত্মক না হলেও সংক্রমণ হার অনেক বেশি। আমদের মনে রাখতে হবে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য করোনা মৃত্যুর কারণ হতে পারে। তাই ষাটোর্ধ্ব ও কোমরবিডি (দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভোগা) রোগাক্রান্তদের জন্য হুমকি হতে পারে। তাই এ সংক্রমণ থেকে বাঁচতে বেশি প্রয়োজন সচেতনতা।

নতুন এ ধরনের বিরুদ্ধেও করোনা টিকা কার্যকর জানিয়ে মুশতাক হোসেন বলেন, যারা মেডিকেল বা হাসপাতালে কাজ করেন। যাদের বয়স ৬০ এর বেশি, কোমরবিডিটি আছে তাদের মাক্স পরা জরুরি। এছাড়া যারা এখনো চতুর্থ ডোজের টিকা নেননি তাদের দ্রুত টিকা নেওয়া উচিত।

অন্যদিকে, বিশ্বজুড়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের গত ২৫ জানুয়ারির তথ্যমতে, ২৩১ দেশে একদিনে ১৩ হাজার ৩৮০ জনের করোনা শনাক্ত এবং মৃত্যু ১০৯ জনের। এসময়ে সবচেয়ে বেশি নয় হাজার ২৫২ শনাক্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে, আর মৃত্যু হয়েছে ৪৮ জনের। এরপর অস্ট্রেলিয়ায় শনাক্ত ১ হাজার ৮৩৫ জন, জার্মানিতে ৮৬১ জন, পোল্যান্ডে ৫৯৪ জন। আর ভারতে শনাক্ত ১৯৮ জন ও মৃত্যু একজনের।

বাংলাদেশে ফের করোনা সংক্রমণের শঙ্কা দেখা দেওয়ায় দেশব্যাপী নতুন করে তৃতীয় ও চতুর্থ ডোজ টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এর পরিপ্রেক্ষিতে ফাইজার কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কার্যক্রমের প্রথম, দ্বিতীয় এবং বুস্টার ডোজ বিতরণ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানীর ৯টি জায়গায় দেওয়া হচ্ছে করোনা টিকা।

নির্দেশনা অনুযায়ী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (মিটফোর্ড হাসপাতাল), শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতাল, ফুলবাড়িয়া সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে দেওয়া হচ্ছে টিকা।

এর পরবর্তী ধাপে ঢাকার বিভিন্ন বিশেষায়িত ইনস্টিটিউট ও সরকারি হাসপাতাল, ঢাকার বাইরের সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে ভ্যাকসিন বিতরণের মাধ্যমে কোডিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

আড়াই কোটি ডোজ টিকা সংগ্রহ
সরকারের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) সূত্রে জানা গেছে, আড়াই কোটি ডোজ টিকা সংগ্রহ নিশ্চিত করেছে। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে চতুর্থ ডোজ হিসেবে এসব টিকা দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা টাস্কফোর্স বিভাগের সদস্যসচিব ডা. মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন বলেন, আমরা প্রয়োজনীয় টিকাকেন্দ্রে পাঠিয়ে দিয়েছি। টিকা কার্যক্রম চলছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্মুখসারির স্বাস্থ্যকর্মী, ৬০ বছর এবং তদূর্ধ্ব বয়সী জনগোষ্ঠী, দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ১৮ বছর এবং তদূর্ধ্ব বয়সী জনগোষ্ঠী, স্বল্প রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রাপ্ত বয়স্ক (১৮ বছর এবং তদূর্ধ্ব) জনগোষ্ঠী ও অন্তঃসত্ত্বা নারীদের প্রাধান্য দিয়ে টিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সবাইকে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে গিয়ে টিকা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।




২২ জেলায় বইছে শৈত্যপ্রবাহ, তাপমাত্রা কমতে পারে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  সর্বনিম্ন রাতের তাপমাত্রা দেশের উত্তরাঞ্চলে কিছুটা বেড়েছে। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে কমে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের আওতা বেড়েছে। শনিবার (২৭ জানুয়ারি) দুই বিভাগ (১৬ জেলা) ও ছয় জেলাসহ মোট ২২ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে।

আগামী ২৪ ঘণ্টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। তবে এরপর রাতের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করতে পারে। একই সঙ্গে চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও উত্তরাঞ্চলে এখনও শীতের তীব্রতা রয়েছে। তীব্র শীতে জনজীবনে জবুথবু অবস্থা। বিঘ্নিত হচ্ছে স্বাভাবিকতা।

তবে সারাদেশে ঘন কুয়াশা পরিস্থিতির ক্রমেই উন্নতি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা

শুক্রবার সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। শনিবার সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বেড়ে হয়েছে ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তবে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি থেকে কমে হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত রাতে ঢাকায় শীত অনেকটা বেড়ে গিয়েছিল।

শনিবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাস তুলে ধরে আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী-অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং দেশের অন্যত্র কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন চলাচল ব্যাহত হতে পারে

তিনি আরও জানান, কিশোরগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, মৌলভীবাজার, যশোর, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা জেলাসহ রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

এ সময়ে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও জানান আবুল কালাম মল্লিক।

রোববার সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। সোমবার সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পরবর্তী পাঁচদিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা রয়েছে বলে পূর্বাভাসে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।




খান ইউনিসে তুমুল লড়াই, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হাসপাতাল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  গাজায় হামাস ও ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে তুমুল লড়াই চলছে। বিশেষ করে খান ইউনিসে। সেখানের নাসের হাসপাতাল এরই মধ্যে পুরোপুরি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছে রোগীরা।

কয়েক দিন ধরেই খান ইউনিসে অব্যাহত বোমা হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। তাছাড়া আল-দাহারা এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।

এদিকে গাজায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৬ হাজার ৮৩ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন ৬৪ হাজার ৪৮৭ জন। তাছাড়া হামাসের হামলায় এক হাজার ১৩৯ জন ইসরায়েলি এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন।

অন্যদিকে ইসরায়েলকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় গণহত্যা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিচার আদালত। শুক্রবারের (২৬ জানুয়ারি) এ রায়ে বলা হয়েছে, ইসরায়েলকে নিশ্চিত করতে হবে যে তার বাহিনী গাজায় আর গণহত্যা চালাবে না ও ‘কথিত’ গণহত্যার প্রমাণ সংরক্ষণ নিশ্চিত করবে।

শুক্রবার গাজা উপত্যকায় গণহত্যা নিয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার করা মামলার রুল জারি করেন আন্তর্জাতিক বিচার আদালত। এতে গাজায় গণহত্যা বন্ধে সম্ভাব্য সব ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ইসরায়েলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে গাজায় ইসরায়েলকে তাৎক্ষণিকভাবে সামরিক অভিযান বন্ধের নির্দেশ আদালত দেননি।

সূত্র: আল-জাজিরা