বাউফলের আসলামের বাঁচার আকুতি

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: মাথা গোঁজার ঠাঁই হলেও নেই দুবেলা দুমুঠো খাবারের নিশ্চয়তা। পরিবারের উপার্জনক্ষম কোনো সদস্য না থাকায় অনাহার অর্ধাহারে দিন কাটছে এক অসহায় পরিবারের। এর ওপর আবার আছে প্রতিমাসে কয়েক হাজার টাকার ওষুধের বোঝা। এমনই মানবেতর জীবনযাপন করছে পটুয়াখালীর বাউফলে আসলাম হাওলাদার নামের এক যুবকের পরিবার।

স্থানীয় ও আসলামের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আ. জলিল হাওলাদারের একমাত্র ছেলে আসলাম হাওলাদার (২৮)। বছর কয়েক আগেও ভালোভাবেই চলছিল আসলামদের পরিবার। ২০১২ সালে এসএসসি এবং ২০১৪ সালে এইচএসসি পাশ করা আসলামের জীবন হঠাৎ আকস্মিক ঝড়ে সব এলোমেলো হয়ে যায়।

২০১৫ সালের নভেম্বরে নিজ বাড়িতে গাছের ডাল কাটতে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে যায় আসলামের। প্রথমে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বরিশালে চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। ঢাকা ক্রিসেন্ট পপুলার হাসপাতালে কয়েক লাখ টাকা খরচ করে চিকিৎসা নিয়েও পুরোপুরি সুস্থ হতে পারেনি আসলাম।

সেই থেকে পঙ্গুত্ব বরণ করে বেঁচে আছে আসলাম। অন্যদিকে আসলামের বয়োবৃদ্ধ বাবা জলিল হাওলাদার এ পর্যন্ত ৩ বার ব্রেইন স্ট্রোক করে শয্যাশায়ী। প্রতিবেশী ও স্বজনদের সহায়তায় ১টি গরু পালন করে কোনোভাবে সংসার চালিয়ে যাচ্ছিলেন আসলামের মা তাছলিমা বেগম। কিন্তু বিপদ যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না পরিবারটির।

বুধবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে বাচ্চা প্রসবের সময় বাচ্চাসহ গরুটি মারা যায়। অসহায় পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস হারিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে পুরো পরিবারটি।

অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা ভেবে কান্না বিজড়িত কণ্ঠে আসলামের বাবা আ. জলিল হাওলাদার বলেন, আমার পঙ্গু ছেলেকে নিয়ে কীভাবে বাচঁব? আমি সরকারের কাছে সহযোগিতা কামনা করছি।

প্রতিবেশী মনির হাওলাদার বলেন, জলিল ভাই অসুস্থ মানুষ। তার ছেলেটাও পঙ্গু। তাদের কোনো আয় রোজগার নাই। সরকারি সহযোগিতা পেলে সে হয়তো বেঁচে থাকতে পারবে।

অপর প্রতিবেশী লিটন হাওলাদার বলেন, অনুদান পাওয়া ১টি গরুর দুধ বিক্রি করে পরিবারটি চলত কিন্তু গরুটি মারা যাওয়ায় পর থেকে তারা খুব অসহায় হয়ে গেছে। সরকারি কোনো আর্থিক সহযোগিতা পেলে পরিবারটির উপকার হবে।

সমাজের বিত্তবান মানুষ ও সরকারের মানবিক সহায়তা চেয়ে আসলাম বলেন, আমাদের সংসারে হাল ধরার কেউ নাই। ওষুধ খেতে পারি না, খাবারেও কষ্ট। আমার বাবা-মাকে নিয়ে আমি বাঁচতে চাই।

আসলামের পরিবারকে বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির গাজী ১টি গরু কিনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, প্রতিবন্ধী আসলামের পরিবারের যে কোনো সহায়তা বাউফল উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে করা হবে।




অতিথি পাখি আর লাল কাঁকড়ায় মুখরিত ‘চর বিজয়’

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : দেশের ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে অন্যতম পছন্দের গন্তব্য হয়ে উঠেছে এই সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা ভ্রমণ পিপাসু মানুষের প্রিয় একটি নাম। ‘সাগরকন্যা’ খ্যাত বাংলাদেশের দক্ষিণের এ সমুদ্র সৈকত অপূর্ব সুন্দরের এক লীলাভূমি। এখানে রয়েছে একই স্থান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার পৃথিবীর একমাত্র সৈকত। তাই কুয়াকাটা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আগমন চোখে পড়ার মতো। আর এই কুয়াকাটা ভ্রমণ পিপাসুদের মনকে আরও আনন্দময় করতে সমুদ্রের বুকে জেগে উঠেছে এক টুকরো চর।

তার নাম হলো ‘চর বিজয়’। শীতের মৌসুম আসলেই অতিথি পাখির বিচরণ আর লাল কাঁকড়ায় মুখরিত থাকে এই চরটি।

এটি পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার কুয়াকাটা থেকে দক্ষিণ-পূর্ব কোণে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে গভীর সাগরে জেগে উঠেছে মনোমুগ্ধকর এক চর। চারদিকে অথৈ জলরাশি। তার বুকে এক টুকরা ভূমি।

এখানে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হরেক পাখির অবাধ বিচরণে মুখর থাকে। সূর্যের আলোতে চিকচিক করে ঢেউ খেলে যায়। বালিয়াড়িতে ঝরা শিউলি ফুলের মতো বিছিয়ে আছে অসংখ্য লাল কাঁকড়া। নীল দিগন্তের মাঝে এ এক অপরূপ সৌন্দর্যের হাতছানি।
লাল কাঁকড়া আর লাখ লাখ অতিথি পাখির বিচরণে আকাশ আর চর মিলে একাকার হয়ে থাকে। এ ছাড়াও এই চরটিতে রয়েছে সাদা ঝিনুকের ছড়াছড়ি। বর্তমানে লতাপাতা আর কিছু কিছু চারা গাছেরও দেখা মিলছে সেখানে। দূর থেকে প্রত্যেক ভ্রমণ পিপাসুর নজর কাড়ে দ্বীপটি। জেলেরা স্থানীয়ভাবে দ্বীপটির নামকরণ করেন ‘হাইরের চর’। ‘হাইর’ হলো মাছ ধরার জন্য জেলেদের নির্ধারিত সীমানা। তবে পর্যটক দলের সদস্যরা দ্বীপটির নাম দিয়েছেন ‘চর বিজয়’। ২০১৭ সালের বিজয়ের মাসে আবিষ্কার বলেই এই নাম। পরে জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে বন বিভাগ ওই চরে গোল, ছইলা, কেওড়া ও সুন্দর গাছের চারা রোপণ করে। বর্তমানে অস্থায়ী বাসস্থান তৈরি করে মাছ শিকার ও শুঁটকি প্রক্রিয়াজাত করছেন জেলেরা। বর্ষাকালে পুরো দ্বীপটি সাগরের জলরাশিতে ঢাকা পড়ে যায়। শীত মৌসুমে ডেরা  তৈরি করে মাছ শিকার ও শুঁটকি করার জন্য জেলেরা এখানে তিন মাস থাকেন। দ্বীপটি পূর্ব-পশ্চিমে লম্বা। দৈর্ঘ্যে প্রায় ১০ কিলোমিটার। প্রস্থে ৩ কিলোমিটার।
তবে জোয়ারের সময়  দৈর্ঘ্যে ৩ কিলোমিটার এবং  প্রস্থে ১ কিলোমিটার।

কুয়াকাটা ট্যুরিজমের গাইড পরিচালক কে এম বাচ্ছু বলেন, কুয়াকাটা থেকে মাত্র দেড় ঘণ্টায় পৌঁছানো যায় চর বিজয়ে। এটি এখন দর্শনীয় পর্যটন স্পট হয়ে গেছে।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) কলাপাড়া জোনের সাধারণ সম্পাদক মেজবাহউদ্দিন মাননু বলেন, চর বিজয় আমাদের উপকূলের মানুষের জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ। এখানে থাকা অতিথি পাখি এবং লাল কাঁকড়ার অবাধ বিচরণ বিনষ্ট করা যাবে না। বর্তমানে অস্থায়ীভাবে জেলে পল্লী তৈরি করার চেষ্টা করছে উপকূলের জেলেরা। যা এই চর বিজয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য হুমকিস্বরূপ।

এ বিষয় ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের পরিদর্শক হাসনাইন পারভেজ বলেন, কুয়াকাটায় আগত সকল পর্যটকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সেবা দেয়ার জন্য সব সময় আমরা প্রস্তুত থাকি। কুয়াকাটায় বর্তমানে ১৪টির মতো দর্শনীয় স্থান রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম একটি চর বিজয়। এটি পর্যটকদের কাছে দিন দিন খুবই জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। তাই পর্যটকদের ভ্রমণের সময় ট্যুরিস্ট পুলিশের টহল টিম তাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।




জনবল সংকটে পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ

বরিশাল অফিস :: উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীর মানুষের উন্নত চিকিৎসার একমাত্র প্রতিষ্ঠান পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। প্রতিষ্ঠানটি আগের ২৫০ শয্যা হাসপাতালের অবকাঠামো ও জনবল দিয়েই চলছে চিকিৎসাসেবার কার্যক্রম। অথচ ২৫০ শয্যা হাসপাতালে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যে মঞ্জুরকৃত পদ রয়েছে, তার অধিকাংশ পদই খালি। আর এর মধ্যে সব থেকে বেশি খালি রয়েছে চিকিৎসকদের পদ। এ ছাড়া তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির পদে জনবল সংকট চরমে। মামলা জটিলতার কারণে মাস্টাররোলেও জনবল নিতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। ফলে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা কাক্সিক্ষত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে চিকিৎসকদের ৫৮টি পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ২৩ চিকিৎসক, বাকি ৩৫ চিকিৎসকের পদ দীর্ঘদিন যাবৎ খালি। একই অবস্থা অন্যান্য পদেও।

 

হাসপাতালে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং চতুর্থ শ্রেণি মিলিয়ে সর্বমোট ৩৩০টি পদ থাকলেও এর মধ্যে ১০৩টি পদ দীর্ঘদিন যাবৎ খালি রয়েছে।

 

হাসপাতালে চিকিৎসকদের যে সব পদ খালি রয়েছে তার মধ্যে আছে সহকারী পরিচালক, সিনিয়র কনসালট্যান্ট (শিশু), সিনিয়র কনসালট্যান্ট (মেডিসিন), সিনিয়র কনসালট্যান্ট (ইএনটি), সিনিয়র কনসালট্যান্ট (অ্যানেস্থেশিয়া), সিনিয়র কনসালট্যান্ট (চক্ষু), সিনিয়র কনসালট্যান্ট (চর্ম ও যৌন), সিনিয়র কনসালট্যান্ট (কার্ডিওলজি), সিনিয়র কনসালট্যান্ট (অর্থোপেডিক), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (চক্ষু), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (রেডিওলজি ও ইমেজিং), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (প্যাথলজি), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (চর্ম ও যৌন), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (মেডিসিন), আবাসিক ফিজিশিয়ান, আবাসিক সার্জন, আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার, অ্যানেস্থেসিস্ট (তিনজন), প্যাথলজিস্ট, রেডিওলজিস্ট, মেডিক্যাল অফিসার, সহকারী রেজিস্ট্রার (সাতটি), ইমারজেন্সি মেডিক্যাল অফিসার (চারটি) ও ডেন্টাল সার্জন (একটি)।

এ ছাড়া সেবা তত্ত্বাবধায়কের একটি, উপসেবা তত্ত্বাবধায়কের একটি, পরিসংখ্যান কর্মকর্তার একটি, নার্সিং সুপারভাইজারের দুটি, সিনিয়র স্টাফ নার্স/স্টাফ নার্স চারটি, সহকারী নার্স তিনটি, সহকারী হিসাবরক্ষক একটি, অফিস সহায়ক কাম কম্পিউটার অপারেটর একটি, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ফার্মা) একটি, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ডেন্টাল) একটি, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (রেডিও), মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ফিজিওথেরাপি), মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (বায়োকেমিস্ট), মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ইসিজি) তিনটি, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (অ্যানেস্থেসিয়া) তিনটি, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ডায়ালাইসিস) তিনটি, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (বায়োমেডিক্যাল) তিনটি, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ইকো) তিনটি এবং কার্ডিওগ্রাফারের দুটি পদ খালি রয়েছে।

 

প্রতিদিন হাজারের অধিক রোগী চিকিৎসা নেয় এখানে। মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল হলেও ২৫০ শয্যা হাসপাতালের জনবল দিয়েই কাজ চালাতে হচ্ছে। যে কারণে হাসপাতালে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, পয়োনিষ্কাশনের চিত্র অত্যন্ত ভঙ্গুর। বাথরুমগুলো ব্যবহারের অযোগ্য। যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনায় পুরো হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা হুমকিতে ফেলেছে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রোগীরা আরও অসুস্থ হচ্ছে।

এরপরও ২৫০ শয্যা হাসপাতালের যে জনবল বরাদ্দ আছে তারও অধিকাংশ পদ খালি। প্রতি মাসে আমরা এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করে চিঠি দিয়েছি। ২৫০ শয্যার বিপরীতে চিকিৎসকদের যে পদগুলো আছে, সব পদে চিকিৎসক থাকলে কিছুটা হলেও কাক্সিক্ষত সেবা দেওয়া সম্ভব হতো। এ ছাড়া হাসপাতালের ক্লিনার, সুইপারের যেসব পদ রয়েছে, সেসব পদেও কর্মচারী না থাকায় হাসপাতাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি বলেন, এমনিতে বিপুলসংখ্যক রোগী, এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে রোগীর আত্মীয়-স্বজন। সব মিলিয়ে হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে তিন হাজারের বেশি মানুষের সমাগাম হচ্ছে। ফলে এত মানুষের সৃষ্ট ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করাও এখন বড় একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 




প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ : হটলাইন চালু, প্রবেশপত্র ডাউনলোডে সমস্যা হলে যোগাযোগের পরামর্শ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা পরিচালনার কাজে হটলাইন চালু করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চাকরিপ্রার্থীরা প্রবেশপত্র ডাউনলোড থেকে শুরু করে পরীক্ষা সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যা নিয়ে জানতে এ হটলাইন নম্বরে কল দিতে পারবেন।

শনিবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও টেলিটকের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে ঢুকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারছেন দ্বিতীয় ধাপের প্রার্থীরা। তবে অনেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোডে নানা সমস্যায় পড়ার কথাও জানাচ্ছেন।

অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (নিয়োগ) নাসরিন সুলতানার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, সহকারী শিক্ষক নিয়োগের দ্বিতীয় ধাপের (রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহ) ৩ বিভাগের ২২ জেলার পরীক্ষা আগামী ২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষায় সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখার জন্য নিয়োগ শাখায় একটি হটলাইন চালু করা হয়েছে। হটলাইন নম্বরটি হলো- ০২-৫৫০৭৪৯২৮

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, প্রার্থীরা প্রবেশপত্র ডাউনলোড সংক্রান্ত জটিলতায় পড়লে এ হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন। পাশাপাশি টেলিটকের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করেও সমস্যা জানাতে পারবেন।

জানতে চাইলে অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নাসরিন সুলতানা  বলেন, ‘প্রথম ধাপের পরীক্ষায় কিছুসংখ্যক প্রার্থী অভিযোগ করেছিলেন, তারা চেষ্টা করেও প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারেননি। সেটা টেকনিক্যাল সমস্যা হতে পারে। এ জন্য এবার হটলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। প্রবেশপত্র ডাউনলোডে সমস্যা হলে এ নম্বরে কল দিয়ে জানালে তাকে সব ধরনের সহায়তা করা হবে।’

অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দ্বিতীয় ধাপে খুলনা, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের ২২ জেলায় প্রার্থীরা অংশ নেবেন। এ ধাপে কেন্দ্রের সংখ্যা ৬০৩টি এবং কক্ষের সংখ্যা ৯ হাজার ৩৫৭টি। দ্বিতীয় ধাপে তিন বিভাগ থেকে আবেদন করেছেন চার লাখ ৩৯ হাজার ৪৩৮ জন চাকরিপ্রত্যাশী। এর আগে প্রথম ধাপে গত ৮ ডিসেম্বর রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের ১৮ জেলায় একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই তিন বিভাগে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৯৭ জন।

পরীক্ষার ১২ দিন পর ২০ ডিসেম্বর প্রথম ধাপের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে নির্বাচিত হন ৯ হাজার ৩৩৭ জন। বর্তমানে জেলায় জেলায় তাদের মৌখিক পরীক্ষা চলছে। জানুয়ারির মাসের মধ্যেই প্রথম ধাপে নির্বাচিতদের মৌখিক পরীক্ষা শেষ করার কথা রয়েছে।




বরিশালের গৌরনদীতে বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন

বরিশাল অফিস : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, উদ্ভাবনেই সমৃদ্ধি” এই প্রতিপাদ্যে ৪৫তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উদ্যাপণ উপলক্ষে বরিশালের গৌরনদীতে বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার (২৯) জানুয়ারী সকালে উপজেলার গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে উদ্বোধণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবু আবদুল্লাহ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রফিকুল ইসলাম, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল জলিল, মৎস্য কর্মকর্তা আবুল বাসার। মেলায় ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহন করে। শেষে মেলার স্টল পরিদর্শন করেন অতিথিরা।




যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করলো ইরান

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  জর্ডান-সিরিয়া সীমান্তে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় তিন সেনা নিহত হওয়ার ঘটনায় ইরানের দিকে অভিযোগ তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, কট্টর ইরান-সমর্থিত জঙ্গি গোষ্ঠী এই হামলা চালিয়েছে। এদিকে এমন অভিযোগের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে দিয়েছে তেহরান।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ওই হামলা এবং তিন সেনার নিহত হওয়ার বিষয়ে ইরানের সম্পৃক্ততার যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা ভিত্তিহীন। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উসকানি দেওয়ার লক্ষ্যেই এমনটা করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাসের কানানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও ওই অঞ্চলে নতুন সংঘাতে টেনে নিয়ে যারা নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছেন এটি তাদের ষড়যন্ত্র।

গাজায় ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যকার সংঘাত শুরুর পর থেকেই ইরান বলে আসছে যে, এই যুদ্ধ বন্ধ করা না গেলে তা কেবল সংঘাতের পরিধিকে আরও প্রসারিত করবে।

ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সহযোগী গোষ্ঠী ইরাকের ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স গ্রুপ জর্ডান-সিরিয়া সীমান্তের একটি ঘাঁটিসহ মোট তিনটি ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলার দাবি করেছে।

রোববার এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, যদিও আমরা এখনো এই হামলার বিষয়ে খুঁটিনাটি তথ্য সংগ্রহ করছি। তবে আমরা জানি, সিরিয়া এবং ইরাকে সক্রিয় থাকা ইরান সমর্থিত কট্টর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো এই হামলা চালিয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা এক সাথে আমাদের বেছে নেওয়া পদ্ধতিতে এই হামলার জন্য দায়ীদের খুঁজে বের করবো এবং সাজার আওতায় আনবো।

এদিকে রোববার সিরিয়ার সঙ্গে নিজ দেশের সীমান্তের ভেতরে সামরিক ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়েছে জর্ডান। ওই ঘাঁটির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ওয়াশিংটনকে সব ধরনের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা।

হামলার পর প্রথম আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে মার্কিন মিত্র জর্ডান জানিয়েছে যে, তারা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কাজ করছে। এর আগে জর্ডানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জর্ডান সরকারের মুখপাত্র মুহান্নাদ মুবাইদিনকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছিল যে, হামলাটি জর্ডানের বাইরে সিরিয়া সীমান্তের ওপারে ঘটেছে।




মঙ্গলবার থেকে ফের শুরু হচ্ছে বৃষ্টি, থাকতে পারে ৪ দিন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) থেকে ফের শুরু হচ্ছে মাঘের বৃষ্টি। পরবর্তী ৪/৫ দিন বৃষ্টি থাকতে পারে। একই সঙ্গে আগামী কয়েকদিন শীত ক্রমেই কমবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। গত সপ্তাহেও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে শৈত্যপ্রবাহের আওতা কমেছে। রোববার ৪৭ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছিলো। সোমবার (২৯ জানুয়ারি) ৩৬ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।




জর্ডানে ড্রোন হামলা ও মার্কিন সেনা নিহতের বিষয়ে যা বলছে ইরান

চন্দ্রদ্বীপ  ডেস্ক: জর্ডানে ড্রোন হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের তিন সেনা নিহত হয়েছেন। হামলায় আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৩৪ জন। সিরিয়া সীমান্তবর্তী জর্ডানের একটি সামরিক ঘাঁটিতে হওয়া এই হামলায় ইরান জড়িত থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।




চাচার সঙ্গে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

বরিশাল অফিস :: চাচার সঙ্গে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিক্ষার্থীর মৃত্যু ফাহিম (১৫)

ভোলার বোরহানউদ্দিনে চাচার সঙ্গে পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ফাহিম (১৫) নামের এক মাদরাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের মালামাল জব্দ করে থানায় নিয়ে গেছে। তবে ঘটনার পর থেকে শিক্ষার্থীর চাচা শাহীন আত্নগোপনে রয়েছেন।

রোববার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে বোরহানউদ্দিন উপজেলার পক্ষিয়া ইউনিয়নের উদয়পুর গ্রামের শবর উদ্দিন মাল বাড়িতে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন ফকির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ফাহিম ওই গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক ইউছুফ মিয়ার ছেলে। সে হাকিম উদ্দিন ফাজিল মাদরাসার ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। শাহীন এবং ফাহিম একই বাড়ির বাসিন্দা। সে সুবাদে তারা দুজন সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা। ঘটনার পর থেকে শাহীন আত্নগোপনে আছেন।

মৃত ফাহিমের পরিবার জানায়, দুপুর ১টার দিকে শাহীন বাড়ির পুকুরে বিদ্যুৎ সংযোগে মাছ ধরতে যায়। সঙ্গে ফাহিমকে নিয়ে পুকুরে থাকা একটি কলাগাছের ভেলার ওপর বসে বিদ্যুৎ সংযোগে তারা দু’জন মাছ ধরছিল। এসময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পুকুরেই ফাহিমের মৃত্যু হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে মাছ ধরা অনেক ঝুঁকির। এরপরও শাহীন প্রায়ই এই ঝুঁকি নিয়ে মাছ ধরত। তার দেখাদেখি এখন স্থানীয় অনেক যুবক অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে মাছ ধরা শিখছে। শাহীনের কারণেই শিক্ষার্থী ফাহিমের এমন মৃত্যু হয়েছে। শাহীন বিত্তশালী লোক। যার কারণে ফাহিমের পরিবার আইনে পদক্ষেপে যেতে ভয় পাচ্ছে।

ওসি জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত চলমান রেখেছে। ফাহিমের মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবারকে থানায় ডেকে নিয়ে মামলা করার কথা বলা হয়েছে। তবে তারা মামলা করতে ইচ্ছুক নয়।




নবজাতকের পিঠ কাটা প্রসঙ্গে ‘আমি তো বাচ্চা মেরে ফেলি নাই’

বরিশাল অফিস : বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার একটি ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশনের সময় নবজাতকের পিঠ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানালে উল্টো ওই চিকিৎসকের তোপের মুখে পড়েন শিশুটির স্বজনরা। এমনকি বাধা দেয়া হয় সংবাদ সংগ্রহেও। এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক বলছেন, ‘আমি তো বাচ্চা মেরে ফেলি নাই, মেরে ফেলেছি? বলেন? এইটুকু কাটলে কি মানুষ মারা যায়?’

শনিবার রাতে তালতলীর দোয়েল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। তালতলী উপজেলার বড় বগী ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের তালতলী বাজারের বাসিন্দা মোহাম্মদ সোহাগের স্ত্রী লিপি আক্তারের সিজারিয়ান অপারেশনের সময় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী শিশুটির স্বজনরা জানান, প্রসব ব্যথা উঠলে শনিবার দুপুরে লিপি আক্তারকে নিয়ে যাওয়া হয় তালতলীর দোয়েল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। পরে রাতে লিপি আক্তারের সিজারিয়ান অপারেশন করান ক্লিনিকের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রুনা রহমান।

অপারেশনের একপর্যায়ে নবজাতকের কান্নার শব্দ শুনলেও বের করা হচ্ছিলো না অপারেশন থিয়েটার থেকে। দীর্ঘ সময় পর নবজাতককে স্বজনদের কাছে দেয়া হলে তখন নবজাতকের পিঠ কাটা দেখতে পান স্বজনরা। কাটা স্থান থেকে তখনো বের হচ্ছিলো রক্ত। তবে অভিযোগ অস্বীকার না করলেও সিজারিয়ান অপারেশনের সময় শিশুর পিঠ কাটার পক্ষে নানা যুক্তি দেন চিকিৎসক রুনা রহমান।

শিশুটির বাবা মোহাম্মদ সোহাগ বলেন, অপারেশনের পর অপারেশন থিয়েটারে নবজাতকের কান্নার শব্দ শুনতে পাই আমরা। এর প্রায় এক ঘণ্টা পর শিশুটিকে আমাদের কাছে দেয়া হয়।

এর কিছুক্ষণ পর আমার স্ত্রী লিপিকে অপারেশন থিয়েটার থেকে বের করা হয়। তখন তিনি সিজারিয়ান অপারেশনের সময় নবজাতকের পিঠ কেটে ফেলার কথা আমাদের জানান। তারপর আমরা যাচাই করে এর সত্যতা পাই। তখনো আমার সন্তানের কাটা স্থান থেকে রক্ত পড়ছিল। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানালে চিকিৎসক রুনা রহমান আমাদের ওপর চড়াও হন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক রুনা রহমান বলেন, আপনি আমার সুবিধা দেখবেন, আমি আপনার সুবিধা দেখবো। আমি তো বাচ্চা মেরে ফেলি নাই, মেরে ফেলেছি? বলেন? এইটুকু কাটলে কি মানুষ মারা যায়? এ বিষয়ে বরগুনার তালতলী থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, এ ঘটনায় আমরা এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। ভুক্তভোগী নবজাতকের পরিবার থেকে লিখিত অভিযোগ দেয়া হলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।