ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ট্রাফিক পুলিশের উচ্ছেদ অভিযান

বরিশাল অফিস :: বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ ও বিএমপি কমিশনার জিহাদুল কবির বিপিএম সেবা,পিপিএম এর নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বরিশাল নগরীর ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে বিএমপি ট্রাফিক পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ( ৮ই ফেব্রুয়ারী) সকালে নগরীর জেলখানার মোড় থেকে নাজির পোল ও চকবাজার এলাকার ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।

এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের এডিসি রুনা লায়লা বলেন, ইতিপূর্বে আপনারা দেখেছেন বরিশাল নগরীর সদর রোড এলাকায় ভ্রাম্যমান হকার,ফলের দোকান এবং অবৈধ পার্কিংয়ের কারনে যানজট লেগেই থাকতো।

নগরবাসীকে এসব ভোগান্তি থেকে মুক্ত করতে গত ২২ জানুয়ারী বিসিসি মেয়র এবং বিএমপি কমিশনারের একটি মিটিং অনুষ্ঠিত হয়।সেই মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মেয়র মহোদয় ও পুলিশ কমিশনারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে আজকে আমরা এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছি।এর মাধ্যমে ইনশাআল্লাহ আমরা সদর রোড এলাকাকে হকারমুক্ত করেই ছাড়বো।

উক্ত কার্যক্রমের সময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএমপি ট্রাফিক বিভাগের সহকারী কমিশনার মোঃ আব্দুল লতিফ,টি আই বিদ্যুৎ চন্দ্র দে,টি আই আঃ রহিম,সার্জেন্ট বাশার,প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার কর্মীসহ ট্রাফিক পুলিশের অন্যান্য সদস্যরা।




প্রথমবার ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্রের কড়া ধমক

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ভূখণ্ড গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর পেরিয়ে গেছে চার মাস। এই দীর্ঘ সময়ে দেশটির সবচেয়ে বড় মিত্র ও মদদদাতা যুক্তরাষ্ট্র কখনোই দেশটিকে কড়াভাবে কিছু বলেনি। বরং জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে ইসরায়েলকে রক্ষার চেষ্টা করেছে। কিন্তু সর্বশেষ গতকাল বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন ইসরায়েলকে কড়া ধমক দিয়েছেন।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী গতকাল বুধবার তেল আবিবে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ৭ অক্টোবর হামাস যা করেছে, সেই ঘটনাকে লাইসেন্স হিসেবে ব্যবহার করে অন্যদের ‘মানবেতর’ হিসেবে বিবেচনা করার কোনো সুযোগ ইসরায়েলের নেই।

ইসরায়েল গাজায় যেভাবে নির্বিচারে ফিলিস্তিনিদের হত্যা করছে, সেদিকে ইঙ্গিত করে অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, ‘ইসরায়েলের অন্যদের মানবেতর হিসেবে বিবেচনা করার কোনো লাইসেন্স নেই।’

ব্লিঙ্কেন বলেন, ‘গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলিদের সঙ্গে সবচেয়ে ভয়ংকর উপায়ে অমানবিক আচরণ করা হয়েছিল। সেদিনের পর থেকে (হামাসের হাতে বন্দী) জিম্মিরা প্রতিদিন অমানবিক আচরণের শিকার হয়েছে। তবে এটি কখনোই অন্যদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করার লাইসেন্স হতে পারে না।’

ইসরায়েলি গণমাধ্যমগুলো ব্লিঙ্কেনের এই মন্তব্যকে ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কড়া ধমক বলেই উল্লেখ করেছে। ব্লিঙ্কেনের বক্তব্যের মধ্যে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় বেসামরিক হতাহত ও যুদ্ধের সময় সেখানকার মানবেতর পরিস্থিতি নিয়ে ইসরায়েলের প্রতি হোয়াইট হাউসের অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ। বুধবার ব্লিঙ্কেনের দেওয়া বক্তব্য এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কঠোর।

ব্লিঙ্কেন গতকালের সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেছেন, ‘গত ৭ অক্টোবরের হামলার সঙ্গে গাজার সিংহভাগ মানুষের কোনো সম্পর্ক নেই। গাজার অনেক পরিবারের বেঁচে থাকা নির্ভর করে ইসরায়েলি সহায়তার ওপর। তারাও তো আমাদেরই পরিবারের মতো। তারাও আমাদের মা, বাবা, ছেলে ও মেয়ের মতো। যারা ভালো জীবিকা অর্জন করতে চায়, বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে চায় এবং স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে চায়। তাদের প্রকৃত পরিচয়ই এটা।’

এদিকে, গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, অঞ্চলটিতে হামাসের বিরুদ্ধে বিজয়ের অতি সন্নিকটে তাঁর দেশ। গাজায় ইসরায়েলের একমাত্র লক্ষ্য হলো চূড়ান্ত বিজয়। তবে ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেও বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনার পরিকল্পনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র, মিসর ও কাতার। এ অবস্থায় গাজার ভবিষ্যৎ আবারও সংশয়ে পড়ে গেছে।




স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ছাড়া ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক নয়: সৌদি আরব

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: অনেক দিন ধরেই ইসরাইল ও সৌদি আরবের মধ্য কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা চালিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। ইতোমধ্যেই সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনসহ কয়েকটি দেশ ওয়াশিংটনের মধ্যস্থতায় ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেছে।

বিষয়টি নিয়ে সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতি জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি না দেওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকবে না বলে যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বুধবার সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়েছে।

তবে এর আগের দিন মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন কিরবি বলেন, সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে সৌদি আরব ও ইসরাইল আগ্রহী বলে তারা জানতে পেরেছেন।

এরপরই সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিবৃতি দিল। এতে বলা হয়েছে, কিরবির ওই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ফিলিস্তিনের বিষয়ে নিজেদের দৃঢ় অবস্থানের কথা ওয়াশিংটনকে পরিষ্কার করতে এ বিবৃতি দেওয়া হলো।

এদিকে মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিঙ্কেনও সৌদি-ইসরাইল সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, সৌদি যুবরাজ ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্কের ব্যাপারে তার আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তবে তিনি চান গাজায় যুদ্ধের অবসান হোক।

গত সোমবার সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ব্লিঙ্কেনের বৈঠক হয়। এর পরদিন মঙ্গলবার কাতারের রাজধানী দোহায় এক সংবাদ সম্মেলনে ব্লিঙ্কেন এসব কথা বলেন।




পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন ২৯ ফেব্রুয়ারি

বরিশাল অফিস :: জেলা আইনজীবী সমিতির ২০২৪-২০২৫ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনী তফসিল ৪ ফেব্রুয়ারি ঘোষাণা করা হয়েছে।

পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনছার আলী কর্তৃক ঘোষিত তফসিলে রয়েছে- ১১ ফেব্রুয়ারি রবিবার বেলা ১১টা হতে দুপুর ২.৩০টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল ও গ্রহণ এবং বিকাল ৩ ঘটিকায় মনোনয়নপত্র বাছাই ও বিকাল ৪টায় বৈধ প্রার্থীগণের তালিকা প্রকাশ।

১৩ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার দুপুর ১টার মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার এবং বিকাল ৩টায় প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ। ১৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুর ১টায় প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীগণের পরিচিতি সভা।

২৯ ফেব্রুয়ারি বৃহষ্পতিবার সকাল ১০ ঘটিকা হতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশনের অপর দুই সদস্য হলেন আলহাজ্জ অ্যাডভোকেট আবুল কাশেম খান ও অ্যাডভোকেট আশীষ কুমার চক্রবর্তী।




ইমরান খানকে কারাগারে রেখেই পাকিস্তানে নির্বাচন আজ




টিভিতে যেসব খেলা দেখবেন 




বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ কোনটি?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ কোনটি জানেন কি? অনেকেই হয়তো বলবেন দুবাইয়ের নাম। কিন্তু এবার অর্থাৎ ২০২৩ সালে বিশ্বের ধনী দেশের তালিকায় সবার উপরে আছে অন্য একটি দেশ। সেটি হচ্ছে আয়ারল্যান্ড। ২০২৩ সালে প্রকাশিত রিপোর্টে ধনী দেশের তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে আয়ারল্যান্ড।

এই ছোট দেশটি ২০২৩ সালে বিশ্বের সবচেয়ে সমৃদ্ধ দেশ হয়ে উঠেছে। স্বল্প জনসংখ্যা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে দেশটি এ অর্জন করেছে। বিশ্বের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান এ দেশে বিনিয়োগ করেছে।

তালিকায় এর পরের স্থানেই আছে লুক্সেমবার্গ। খুব সামান্য ব্যবধানে আয়ারল্যান্ডের পেছনে রয়েছে এই দেশটি। মাথাপিছু আয়ের দিক থেকে এটি আয়ারল্যান্ডের চেয়ে এগিয়ে। এদেশে বার্ষিক গড় মাথাপিছু আয় ৭৩ লাখ টাকার বেশি। মানে এখানে একজন মানুষ দৈনিক ২০ হাজার টাকা আয় করেন।

২০২৩ সালের ধনী দেশের তালিকায় পরবর্তীতে আছে সিঙ্গাপুর। এই দেশটির জনসংখ্যা প্রায় ৫৯ লাখ ৮১ হাজার। দেশটি বহু বছর ধরে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের জন্য কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়েছে। এখানে মাথাপিছু গড় বার্ষিক আয় ৫৩ লাখ টাকা। অর্থাৎ এখানে প্রতিদিন একজন মানুষ ১৪ হাজার টাকার বেশি আয় করেন

এরপরের অবস্থানেই আছে উপসাগরীয় দেশ কাতারের নামও রয়েছে। মানব উন্নয়ন সূচকের ভিত্তিতে, জাতিসংঘ কাতারকে একটি উচ্চ উন্নত অর্থনীতি দেশ বলে অভিহিত করেছে। এদেশে বার্ষিক মাথাপিছু আয় ৫১ লাখ টাকার বেশি। বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাসের মজুদ এ দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।

তবে অর্থনৈতিক দিক থেকে প্রথম স্থানে থেকেও ধনী দেশের তালিকায় শীর্ষে নেই আমেরিকা। এই তালিকায় নবম স্থানে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে এর জিডিপি ৮০ হাজার ডলারের কাছাকাছি। আরও অবাক করা বিষয় হলো এই তালিকায় নেই প্রযুক্তির শীর্ষে থাকা চীন, রাশিয়া, জার্মানি, ব্রিটেন ও ফ্রান্সের নামও।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া




সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ: আজ ফাইনালে মুখোমুখি বাংলাদেশ-ভারত

আর একটা ম্যাচ। মঞ্চ সেই কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়াম। প্রতিপক্ষও সেই ভারত। এ ম্যাচ জিতলেই সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা থাকবে বাংলাদেশেই। ২০২১ সালে ভারতকে হারিয়েই বাংলাদেশের মেয়েরা হয়েছিল দক্ষিণ এশিয়ার সেরা।

তিন বছর আগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে বাংলাদেশ দুইবার হারিয়েছিল ভারতকে। লিগপর্ব ও ফাইনালের ফল ছিল ১-০। চলতি টুর্নামেন্টে লিগম্যাচেও ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা।

এবার বাংলাদেশের মেয়েদের চোখ দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে ট্রফি নিজেদের কাছেই রেখে দেওয়া। সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হবে বাংলাদেশ ও ভারতের মেয়েদের ফাইনালযুদ্ধ। ফাইনাল শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিরতরণ করবেন যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী নাজমুল হাসান পাপন এমপি।

বাংলাদেশ নারী ফুটবলে দীর্ঘ সময় প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন গোলাম রব্বানী ছোটন। বাংলাদেশ মেয়েদের যতগুলো টুর্নামেন্ট জিতেছে সবগুলোই ছোটনের কোচিংয়ে। এই প্রথমবার মেয়েদের কোনো টুর্নামেন্টের ফাইনালে ডাগআউটে থাকবেন অন্য কোচ। তিনি সাইফুল বারী টিটু। ছোটনের নেতৃত্বে আসা ট্রফি অবশ্যই ধরে রাখতে চাইবেন সাইফুল বারী টিটু।

ফাইনালপূর্ব মিডিয়া ব্রিফিংয়ে সাইফুল বারী টিটু বলেন, ‘চার দলের টুর্নামেন্টে প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। আর ফাইনালের বিষয়টা ভিন্ন। সব ম্যাচ জেতা মেয়েরা খুব বেশি উজ্জীবিত। ওরা এর আগেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। আমার মনে হয় ওদের খুব বেশি কিছু বলতে হবে না। ওরা জানে ওদের কি করতে হবে।’

সেই মঞ্চ, সেই প্রতিপক্ষ-বাংলাদেশের পরিকল্পনা কি থাকছে? জবাবে সাইফুল বারী টিটু বলেন, ‘একটা দলের সাথে দ্বিতীয়বার খেলা হলে দুই কোচের জন্যই সমস্যা সমান। দুই দলেরই সম্ভাবনাও সমান। কারণ দুই দলই প্রতিপক্ষকে চিনে যায় এবং পরস্পর সম্পর্কে ধারনাটাও পায়। আমরা পরস্পরের বিপক্ষে খেলেছি। সবাই অ্যানালাইসিস করার সুযোগ পাবে। ওদের সঙ্গে একজন অ্যানালিস্টও আছে দেখলাম। আর ফাইনালে তো একটা স্নায়ুচাপের বিষয় থাকেই। তবে আমাদের মেয়েদের যতটুকু দেখেছি তাদের বাড়তি কোনও চাপ নেই। তারা ম্যাচটা উপভোগ করতে চায়। প্রথম ম্যাচ প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ হয়েছে এটায় কোনও সন্দেহ নাই।’

ভারত দলকে শক্তিশালী উল্লেখ করে বাংলাদেশ কোচ বলেছেন, ‘ওদের বেশ কিছু ভালো ফুটবলার রয়েছে। সমশক্তির দলগুলোর মধ্যে যেটা হয়, যারা কম ভুল করবে তারাই জিতবে। আমাদেরর ওই লক্ষ্যটাই থাকবে ভুল যত কম করা যায়। এত কষ্ট করে ফাইনালে এসে সবাই চাইবে শিরোপা জিততে। মেয়েরা তো শিরোপা জিতলে তার স্বীকৃতিও পায়। সে জন্য তারা শিরোপা জয়ের জন্য উদগ্রীব থাকে। আমার ধারনা তারা নিজেদেরর সর্বোচ্চটা দিয়েই চেষ্টা করবে। ভারতের এই দলে অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ খেলা কয়েকজন ফুটবলার রয়েছে। তাদের বিশ্বমানের ফুটবলারদের সঙ্গে মোকাবিলার অভিজ্ঞতা রয়েছে যেটা আমাদের নেই। তবে দল নিয়ে আশাবাদী। আমি মনে করি ফাইনালে আমার কিছুই বলতে হবে না। ওরা জানে ওদের কি করতে হবে। ওরা নিজেদের সর্বোচ্চটা দেওয়ার জন্যই মাঠে নামবে। ওদেরকে আলাদা ভাবে মোটিভেট করার প্রয়োজন নাই।’

বাংলাদেশ ফাইনাল জিতলে অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার ‘চ্যাম্পিয়ন অধিনায়কদের’ তালিকায় নাম লিখিয়ে ফেলবেন। আফঈদার জন্য প্রথম ফাইনাল না। তবে অধিনায়ক হিসেবে প্রথম ফাইনাল। কোনো টেনশন এবং চাপ?

জবাবে আফঈদা খন্দকার বলেছেন, ‘ফাইনাল ম্যাচে যতটুকু টেনশন থাকার অতটুকুই আছে। এর বেশি না। আর চাপ নিচ্ছি না। যতটা কঠোর পরিশ্রম করেছি, তার ওপর আত্মবিশ্বাস আছে। এই টুর্নামেন্টে জন্য আমরা এতদিন কঠোর পরিশ্রম করেছি। সেই পরিশ্রমের ওপর আত্মবিশ্বাস রেখেই ফাইনালে মাঠে নামবো। দল জিতলে, আমি জিতবো। আমার টার্গেট দলকে জেতানো। ফাইনালে সুযোগ কম আসবে। যেগুলোআসবে সেগুলো কাজে লাগাতে হবে।’




বাংলাদেশের সাথে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদারের প্রতিশ্রুতি সুনাকের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণে এবং অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা অংশীদারত্ব জোরদারে শেখ হাসিনাকে সমর্থন করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাঠানো এক চিঠিতে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী এ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

সুনাক বলেন, আপনি একটি ঐতিহাসিক পঞ্চম মেয়াদে যাত্রা শুরু করায় এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের আকর্ষণীয় উন্নয়ন লাভের প্রতিফলন ঘটায়-আমি আমাদের দু’দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে এবং এলডিসি থেকে উত্তরণে বাংলাদেশের প্রতি আমার সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের অংশীদারত্ব দু’দেশের জনগণের মধ্যকার বন্ধুত্বের শক্তিশালী বন্ধনের এক গভীর ঐতিহাসিক সম্পর্কের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। আমি আশা করছি, অধিকার এবং স্বাধীনতার অগ্রগতির পাশাপাশি রাজনৈতিক জীবনে সমঝোতার পরিবেশে বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারে।

তিনি বলেন, এ মূল্যবোধগুলো কমনওয়েলথ পরিবারের মূল ভিত্তি এবং এগুলো প্রাণবন্ত গণতান্ত্রিক সমাজ তৈরি করে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগকে আকৃষ্ট করে

সুনাক বলেন, আমি অভিবাসনের বিষয়ে সহযোগিতাকে আমাদের দ্বিপাক্ষিক এজেন্ডার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছি। আপনি যুক্তরাজ্যে থাকা অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকদের ফেরত নেওয়ার জন্য সদয়ভাবে একটি টেকসই ও সুবিন্যস্ত পথকে সমর্থন করেছেন। আমাদের পারস্পরিক সহযোগিতার বৃহত্তর এজেন্ডার অংশ হিসেবে এ ব্যবস্থা চূড়ান্ত হওয়ার প্রত্যাশা করছি।

তিনি বলেন, আমাদের দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং বিকাশকে অব্যাহত রাখতে আমি আপনার সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় আছি।




রাঙ্গাবালীতে চেয়ারম্যানের প্রতি ইউপি সদস্যদের অনাস্থা

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউপি চেয়ারম্যান এ.কে শামসুদ্দিন আবুকে অনাস্থা দিয়েছে সকল মেম্বাররা।

বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাঙ্গাবালী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে অনাস্থার বিষয়টি প্রকাশ করেন ইউপি সদস্যরা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ১ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার জালাল ডাক্তার। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের ১২ জন সদস্যের প্রত্যেকেই উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে পরিষদের সকল সদস্যরা স্বাক্ষর করে চেয়ারম্যান আবু শামসুদ্দিনের অনাস্থার জন্য। পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন।

লিখিত বক্তব্য ও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, যে চরমোন্তাজ ইউপি চেয়ারম্যান এ কে শামসুদ্দিনের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতি অর্থ আত্মসাৎ ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে চরমোন্তাজ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও সদস্যাবৃন্দ মোট ১২ জন অনাস্থা প্রকাশ করেন। চরমোন্তাজ ইউনিয়ন পরিষদের সব উন্নয়নমূলক কাজ কাবিখা, কাবিটা, টি আর, এল জি এসপি, এডিপি, মৎস, চল্লিশ দিন এবং উন্নয়নমূলক তহবিলের সকল কাজকর্ম চেয়ারম্যান একা করেন। ইউপি সদস্যদেন নামমাত্র সিপিসি করা হয়। কিন্তু কোনো কিছু আলোচনা না করে আগাম স্বাক্ষর ও রেজুলেশন করেন। ইউনিয়ন পরিষদের রেজুলেশন কোনো সদস্য বা সদস্যাদেরকে না পড়িয়ে শুধুমাত্র সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। বিগত এক বছর যাবত ইউনিয়ন পরিষদের কোনো সদস্য বা সদস্যাগণকে সম্মানি ভাতা দেওয়া হয়নি। জন্মনিবন্ধন এবং টেক্সের কোনো হিসাব নিকাশ না দিয়ে নিজে আত্মসাত করেন। ৯ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. বেলায়েত হোসেনের কাছ থেকে সারের ডিলার ও টিউবওয়েল বাবদ দুই লাখ ৮০ হাজার টাকা নেন, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. বেল্লালের কাছ থেকে টিউবওয়েল বাবদ দুই লাখ টাকা, ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আলী আক্কাসের কাছ থেকে মুজিববর্ষের ঘর ও টিউবওয়েল বাবদ ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. আলমগীর হোসেনের কাছ থেকে মুজিববর্ষের ঘর বাবদ ৬০ হাজার টাকা নেন। এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদের অনেক অনিয়ম জন সাধারণের মধ্যে পরিলক্ষিত হয়। জনগণের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি টাকা আত্মসাৎ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চরমোন্তাজ ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. জালাল ডাক্তার, ২ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. মিজু গাজি, ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. আলি আক্কাস সরদার, ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. সুক্কুর বয়াতি, ৫ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. মাইনুল, ৬ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. বেল্লাল খান, ৭ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. মোসারেফ মাতবর , ৮ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. আলমগীর মাল, ৯ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. লোকমান চৌকিদার, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মোসা. মোর্সেদা বেগম, মোসা. হেনা বেগম ও মোসা. রুনু খান।

এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, অনিয়ম দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারীতার অভিযোগে চেয়ারম্যানের অনাস্থা চেয়ে সকল ইউপি সদস্যরা স্বাক্ষর করে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক মহোদয় সিদ্ধান্ত নিবেন।