ইমরানপন্থিরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে কে হবেন প্রধানমন্ত্রী?

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে এককভাবে সরকার গঠন করতে চাইলে অন্তত ১৩৪ আসনে জয়লাভ করতে হবে। তবে ইমরান খানের তেহরিক-ই-পাকিস্তান (পিটিআই) সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা, নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লীগ (পিএমএল-এন) এবং বিলওয়াল ভুট্টোর পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) এখনো সেই লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি।

পাকিস্তানের গণমাধ্যম জিও নিউজ বলছে, দেশটির জাতীয় পরিষদের মোট ২৬৫টি আসনের মধ্যে ২১০টি আসনের ফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ইমরান খানের দল পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৮৯টি আসনে জয়লাভ করেছেন।

অন্যদিকে ৬০টি আসনে জয় পেয়েছে নওয়াজ শরিফের পিএমএল-এন এবং পিপিপি জয় পেয়েছে ৪৭টি আসনে।

অর্থাৎ কোনো দলই সরকার গঠনের জন্য একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না। তাই সরকার গঠন করতে অবশ্যই জোট গঠন করতে হবে দলগুলোকে।
তবে ইতোমধ্যেই পিটিআই নেতা গহর জানিয়েছেন, দলটি কারও সঙ্গে জোট করতে চায় না।

নিয়মানুযায়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীরা যদি অন্য কোনো দলের সঙ্গে জোট করতে চান তবে নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই তিনদিনের মধ্যে জানাতে হবে। এক্ষেত্রে যদি ইমরানপন্থিরা নওয়াজের দলের সঙ্গে যোগ দেন তাহলে নওয়াজ শরিফ প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন।

জাতীয় পরিষদে স্বতন্ত্রদের জন্য একটি বড় অসুবিধা হলো, তারা সংরক্ষিত আসনগুলো থেকে বঞ্চিত হবেন। পাকিস্তানের সংরক্ষিত আসন মোট ৭০টি। এর মধ্যে নারীদের জন্য ৬০টি আর সংখ্যালঘুদের জন্য ১০টি আসন বরাদ্দ। এই আসনগুলো সাধারণত দলীয় আসনের ভিত্তিতে বণ্টন করা হয়। যেহেতু স্বতন্ত্ররা কোনো দলের অন্তর্ভুক্ত নয় তাই তারা কোনো সংরক্ষিত আসন পাবেন না।




দুমকিতে অধ্যক্ষসহ দুই শিক্ষকের বেতন-ভাতা স্থগিত

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীতে বিধিবহির্ভূত নিয়োগ, স্বেচ্ছাচারিতা, সহকর্মী শিক্ষিকার সঙ্গে অনৈতিক কার্যকলাপসহ নানা অপরাধে জড়িত থাকায় দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া আজিজ আহম্মেদ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আহসানুল হক ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক মো. এবাদুল হকের বেতন-ভাতা স্থগিত করেছে শিক্ষা অধিদপ্তর।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক গত জানুয়ারি মাসের এমপিওতে কলেজটির সব শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন-ভাতা ছাড় করলেও অধ্যক্ষ আহসানুল হক ও প্রভাষক এবাদুল হকের বেতন-ভাতা স্থগিত করা হয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তর বরিশাল বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক প্রফেসর মো. মোয়াজ্জেম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, ওই কলেজের অধ্যক্ষ আহসানুল হকের নিয়োগে অনিয়ম-দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ, জাল-জালিয়াতি ও নারী কেলেংকারির অভিযোগের প্রমাণ মেলায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর তার বেতন-ভাতা স্থগিত করেছে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও অধিভুক্ত কলেজগুলোর পরিদর্শক সমন্বয়ে গঠিত দুই সদস্যের তদন্ত টিম সরেজমিন পরিদর্শন করে।
তদন্তকালে অধ্যক্ষ আহসানুল হকের নিয়োগ সংক্রান্ত নথিপত্র, কলেজের গভর্নিং বডি গঠন কার্যক্রমের নথি পর্যালোচনা, অভিযোগকারী অভিভাবক সদস্য, সাময়িক বরখাস্তের শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের লিখিত বক্তব্যে অভিযোগের প্রমাণ পেয়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশসহ প্রতিবেদন দাখিল করেছে তদন্ত টিম।

একই সঙ্গে ওই প্রতিবেদনে কলেজটির ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক মো. এবাদুল হকের নিয়োগের বৈধতা না থাকায় তার বেতন-ভাতা বন্ধেরও সুপারিশ করা হয়।




ভেজাল বীজের সংবাদ , এসআর সিড কোম্পানির প্রতিবাদ

বরিশাল অফিস :: গত ৫ ফেব্রুয়ারি দেশের বেশ কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ভেজাল শসা বীজে ভোলার কৃষকের সর্বনাশ’ নামে একটি প্রতিবেদন ও ভিডিও প্রতিবেদন প্রকাশ হয়৷

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ভেজাল বীজের কারণে ভোলার প্রায় ৫০০ একর জমির শসা পঁচে নষ্ট হয়ে গেছে। এতে কৃষকদের লাখ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় এসআর সিড কোম্পানি অ্যাগ্রো বাংলাদেশ লিমিটেড প্রতিবাদ জানিয়েছে।

কোম্পানির জেলা এরিয়া ম্যানেজার মো. মনির হোসেনের স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদলিপিতে জানানো হয়, ভেজাল বীজের কারণে শসা গাছের ক্ষতি হয়নি। কৃষকদের সঠিক পরিচর্যার অভাব, মাটির গুনগতমান ও আবহাওয়াজনিত কারণে শসা বীজের গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রতিবাদলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় ডিলার মাকসুদুর রহমানের কাছ থেকে এসআর সিড কোম্পানি টাকা পাবে। এ টাকার জেরে ডিলার মাকসুদুর রহমানের ইন্ধনে কৃষকরা গাছের সঠিক পরিচর্যা না করে মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক প্রয়োগ করেছেন। যার কারণে ফলন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসআর সিড কোম্পানির একটি প্রতিনিধি দল রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিন পরিদর্শন করে নষ্ট হওয়া গাছ ল্যাবে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে। এসআর সিড কোম্পানির সুনাম ক্ষুন্ন করার উদ্দেশে ডিলারের ইন্ধনে কৃষকরা এমন ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছে।

গেল মঙ্গলবারের প্রতিবেদনটি ছিল- প্রতি বছরের ন্যায় এবারও কৃষকরা আশা করেছিল শসা চাষ করে সংসারের খরচ মেটাবেন। কিন্তু এ আশা তাদের গুড়ে বালি। ভেজাল শসার বীজ আবাদ করে ব্যাপক লোকসানের শিকার হচ্ছেন তারা। এ অপূরণীয় ক্ষতির শিকার হয়েছেন ভোলা সদর উপজেলার কৃষকেরা। এর মধ্যে অ্যাগ্রো বাংলাদেশ লিমিটেড কোম্পানির ‘এসআর সিড’ নামের জাতের শসার বীজ এবার সর্বনাশের ক্ষতির দিকে ঠেলে দিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা। সম্প্রতি সরেজমিন গেলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও বীজ বিক্রেতারা এমন অভিযোগ করেছিলেন।




নুসরাত ফারিয়া হাসপাতালে ভর্তি




ভোলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের কম্বল বিতরণ

বরিশাল অফিস :: ভোলার লালমোহন উপজেলা দুই হাজার অসহায় শীতার্ত মানুষের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার সকালে উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড ও ৯নং ওয়ার্ডের আবাসন এলাকার মানুষের মাঝে এসব কম্বল তুলে দেন ভোলা-৩ আসনের সাংসদ নুরুন্নবী চৌধুরি শাওন।

স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সময় লালমোহন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম হাওলাদার, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আসাদুল্লাহ মেলকার উপস্থিত ছিলেন।

পরে সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরি শাওন একই ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জাটকা আহরণ থেকে বিরত থাকা ১৬৯৫ জেলে পরিবারের মাঝে ৪০ কেজি করে ভিজিএফের চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।




পাকিস্তানে অর্ধেকের বেশি আসনে এগিয়ে ইমরান সমর্থিতরা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচনের অর্ধেকের বেশি আসনে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ ২৬৫ আসনের মধ্যে ১৩৯টি আসনের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইমরান সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৫৫ আসনে জয় পেয়েছেন।

অন্যদিকে নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ পেয়েছে ৪৩টি ও পাকিস্তান পিপলস পার্টি ৩৫ আসনে জয় পেয়েছে। ৬টিতে জয় পেয়েছে অন্যান্য। এখনো ১২৬ আসনের ফলাফল প্রকাশিত হয়নি। স্থগিত রয়েছে একটি।

এদিকে নির্বাচনের ফলাফলের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে নানা দিক থেকে প্রশ্ন উঠছে। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে ভোট গণনা শুরু হলেও স্থানীয় সময় শুক্রবার দুপুর ২টা পর্যন্ত ২৬৫টি আসনের মধ্যে মাত্র ১০৬টি আসনের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। তাছাড়া প্রথম দিকে যেসব প্রার্থী অনেক বড় ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন এখন শেষ দিকে দেখা যাচ্ছে তারা হেরে যাচ্ছেন।

নির্বাচনের ফলাফল ম্যানুপুলেটিং বা কারসাজি করা হচ্ছে কি না তা নিয়েও সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে। যদি তাই হয় তবে সেটি হবে পাকিস্তানের জনগণের প্রতি বড় তামাশা। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে পাকিস্তানের গণতন্ত্র, নষ্ট হবে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা।

ব্যাপক ধরপাকড়, অত্যাচার ও নিপীড়নের পরেও সবশেষ প্রকাশিত তথ্যে দেখা যাচ্ছে ইমরান খানের সমর্থিত প্রার্থীরা স্পষ্টভাবে এগিয়ে রয়েছেন।

ফলে অনেকেই মনে করছেন এবারের নির্বাচনে কেউ সরকার গঠনের জন্য একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না। তাই জোট সরকার নিয়ে নানা জল্পনা ছড়াচ্ছে।

সূত্র: আল-জাজিরা




সড়ক সংস্কারে ধীরগতি, দুর্ভোগে পর্যটকরা

 

মো:আল-আমিন পটুয়াখালী : কুয়াকাটায় সড়ক সংস্কারে ধীরগতিতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে পর্যটকসহ স্থানীয় বাসিন্দারা। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এ পর্যটন কেন্দ্র এলাকার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হচ্ছে মিশ্রীপাড়া। এখানে রয়েছে এশিয়া মহাদেশের বৃহৎ বৌদ্ধবিহার ও রাখাইন পল্লী। স্থানীয় বাজারে পাওয়া যায় রাখাইনদের হাতে তৈরি নানা পোশাক সামগ্রী। এসব পোশাক ও বৌদ্ধবিহার দেখতে পর্যটকের অন্যতম আকর্ষণ থাকে এই মিশ্রীপাড়া।

কুয়াকাটার কেন্দ্রস্থল থেকে মিশ্রীপাড়ার দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার। কিন্তু যাতায়াত সমস্যার কারণে সেখানে যেতে ভোগান্তি পোহাতে হয় পর্যটককে। কুয়াকাটা পৌর এলাকার পর থেকে লতাচাপলী ইউনিয়নের কচ্ছপ আলী থেকে লক্ষ্মীর বাজার পর্যন্ত সাত কিলোমিটার রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। সড়কের কার্পেটিং উঠে গেছে। তৈরি হয়েছে ছোট-বড় গর্ত। সড়ক দিয়ে ভ্যান, অটোবাইক, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে মাঝে মধ্যেই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে পর্যটকসহ স্থানীয়রা।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আলী হোসেন বলেন, ‘রাস্তাটি সাত বছর ধরে খানাখন্দে ভরপুর। এতে এলাকার লোকজনের চলাচলে খুবই সমস্যা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি কষ্ট হচ্ছে পর্যটকের। যারা কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে আসে তারা এ রাস্তা দিয়েই মিশ্রীপাড়ার বৌদ্ধবিহার ও রাখাইন পল্লী দেখতে যায়। তাই সড়কটি নতুন করে সংস্কার প্রয়োজন।’

মিরাজ নামের একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘এটি একটি পর্যটন এলাকা। প্রতিদিন শত শত দর্শানার্থী এই রাস্তা দিয়ে ছুটে চলেন। কিন্তু রাস্তাটির অবস্থা বেহাল। ২০০৭ সালে নির্মাণের পর মাত্র একবার সংস্কার হয়েছে। এখন এটি আর স্বাভাবিক চলাচলের উপযোগী নেই। শুনেছি নতুন করে সংস্কারকাজ শুরু হয়েছে। এক কিলোমিটারের মতো করে বাকিটা ফেলে রাখা হয়েছে। রাস্তাটির দ্রুত সংস্কারকাজ শেষ হলে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটক সবারই উপকার হবে।’




কলাপাড়ায় ২ হাজার পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ২ হাজার শীতার্ত পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অধ্যক্ষ মহিববুর রহমান মহিব এমপি।

আজ (শুক্রবার)  সকাল ১০ টায় কলাপাড়া বঙ্গবন্ধু কলোনি ও পৌরসভা প্রাঙ্গনে  শীতার্তদের মাঝে এসব কম্বল বিতরণ করেন তিনি।

এ সময় কলাপাড়া উপজেলা আওয়ামী সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মোতালেব তালুকদার, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সৈয়দ নাসির,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শহিদুল ইসলাম বিশ্বাস, পৌর মেয়র  বিপুল চন্দ্র হাওলাদার, যুগ্নু সাধারণ সম্পাদক মঞ্জরুল আলম,প্যানেল মেয়র হুমায়ুন কবির, দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ আলীসহ আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতারাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।




কাউখালীতে উপজেলা প্রশাসনের কৃষির সম্প্রসারণ উদ্যোগ

বরিশাল অফিস :: পিরোজপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমানের নির্দেশনা বাস্তবায়নে অনাবাদি জমিতে কৃষির সম্প্রসারণের জন্য কাউখালী উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে ৩০ বিঘা জমিতে উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের সহোযোগিতায় মুগ ডাল এবং তিলের চাষ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার সকালে (৮ ফেব্রুয়ারি) কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের বেকুটিয়া ব্রিজের পাশে শংকরপুর মৌজার কৃষকদের ৬ বিঘা জমি অল্প খরচে চাষ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করে কৃষকদের মাঝে মুগ ডালের বীজ দেওয়া হয়েছে। রবি মৌসুমে কৃষকদের অল্প খরচে জমি আবদে আনার লক্ষ্যে এই পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কাউখালী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মহাসিন কবির, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ আরিফুর রহমান, উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা গৌতম বরণ মজুমদার।

কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজল মোল্লা বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হলো কাউখালীতে কোন অনাবাদি জমি থাকবে না।




বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু, তুরাগতীরে লাখো মুসল্লি

চন্দ্রদীপ নিউজ: গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগতীরে বাদ ফজর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে এ বছর ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। প্রথম পর্বের মতো শুক্রবার শুরু হওয়া দ্বিতীয় পর্বেও তুরাগতীরে হাজির হয়েছেন লাখো মুসল্লি।

শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বাদ ফজর মাওলানা ইলিয়াস বিন সাদ আমবয়ান করেন। তাৎক্ষণিকভাবে তা বাংলায় তরজমা করেন মাওলানা মনির বিন ইউসুফ।

এবারের ইজতেমায় ভারতের দিল্লি মারকাজের মাওলানা সাদ কান্ধলভী না এলেও এসেছেন তার তিন ছেলে। গত বুধবার মাওলানা সাদ কান্ধলভীর বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ, মেজো ছেলে মাওলানা সাঈদ ও ছোট ছেলে মাওলানা ইলিয়াসসহ ভারতের নিজামউদ্দিন মারকাজের ১৪ জনের একটি দল গত বুধবার সন্ধ্যায় টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে পৌঁছান।

এদিকে টঙ্গীর তুরাগতীরের ময়দানে অবস্থান নেওয়া মুসল্লিদের উদ্দেশে বৃহস্পতিবার বাদ ফজর থেকে বয়ান শুরু করেন মুরব্বিরা।