প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর জেলেনস্কির টুইট

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি বাংলাদেশের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বৈশ্বিক শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় সকালে জার্মানিতে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের সাইড লাইনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেন ভলোদিমির জেলেনস্কি। বৈঠকের পর এক্স হ্যান্ডলে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে বৈঠকের ভিডিও শেয়ার করেছেন ভলোদিমির জেলেনস্কি।

পোস্টে জেলেনস্কি লিখেছেন, আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়াজেদের সঙ্গে দেখা করে ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি বাংলাদেশের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছি। আমরা শান্তি ফর্মুলার উপর ভিত্তি করে ইউক্রেনের ন্যায়সঙ্গত শান্তির দৃষ্টিভঙ্গির পাশাপাশি বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছি। আমি বাংলাদেশকে দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়ন ও উদ্বোধনী গ্লোবাল পিস সামিটে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়েছি।




ঋণ খেলাপি হয়েও পৌরসভার নির্বাচনে প্রার্থীতা বৈধ

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): খেলাপী ঋণ গ্রাহকের প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার অভিযোগ উঠেছে পটুয়াখালী পৌরসভার নির্বাচনে রিটানিং কর্মকর্তা বিরুদ্ধে। এমনকি জামিনদারের প্রার্থীতাও বৈধ ঘোষণা করেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

১৫ ফেব্রুয়ারী মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিনে খেলাপী ঋণ উল্লেখ করে পটুয়াখালী পদ্মা ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপক একটি চিঠি দিলেও তা গোপন করে ঋণ গ্রহীতা ও জামিনদারের মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করেছে জেলা রিটানিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কর্মকর্তা খান আবি শাহানুর খান।

এ ঘটনায় শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারী) নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা আপীল কর্তৃপক্ষ ও পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক বরাবর আপীল করেছেন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মেয়র পদ-প্রার্থী ডাঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম।

পদ্মা ব্যাংক পটুয়াখালী শাখার অফিসার মেহেদী হোসাইন এবং সিনিয়র অফিসার ও শাখা অপারেশন ম্যানেজার শাহিনুর আক্তার স্বাক্ষরিত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, আগামী ০৯ মার্চ ২০২৪ ইং তারিখে অনুষ্ঠিতব্য মেয়র পদে নির্বাচনে পটুয়াখালী জেলায় যে সকল প্রার্থীগন অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন তাদের মধ্যে মহিউদ্দিন আহম্মেদ, (জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর- ৬৮৬২২৭৮৯০৭/পিন- ১৯৭৬৭৮২৯৫০৫১১৯৬৭৩), পিতা: মোয়াজ্জেম হোসেন, মাতা- সাফিয়া বেগম, বর্তমান ঠিকানাঃ মুসলিম পাড়া, পটুয়াখালী সদর, পটুয়াখালী, একজন সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী।
চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, আবুল কালাম আজাদ, প্রোপাইটর মেসার্স আবুল কালাম আজাদ, আমাদের পদ্মা ব্যাংক পিএলসি (তৎকালীন দি ফার্মার্স ব্যাংক লিমিটেড), পটুয়াখালী শাখার একজন খেলাপী গ্রাহক। যিনি ২৮.১০.২০১৪ ইং তারিখ হতে পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড, পটুয়াখালী শাখা হতে সর্বমোট ২৪.৫০ কোটি টাকা ঋণ গ্রহণ করেছেন যা ১৬.১০.২০২২ ইং তারিখ মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে। ঋণ’র হিসাবটি নিয়মিত না করায় বিগত ০১.০২.২০২৪ ইং হতে মন্দ ও ক্ষতিজনক মানে শ্রেণিকৃত হয়ে যায় এবং উক্ত ঋণ হিসাবে মহিউদ্দিন আহম্মেদ একজন জামিনদার।

তিনি ঋণ গ্রহণ এর সময় ব্যাংক বরাবর এই মর্মে অঙ্গীকার করেছিলেন যে,আবুল কালাম আজাদ, প্রোপাইটর: মেসার্স আবুল কালাম আজাদ উক্ত ঋণ প্রদানে ব্যার্থ হলে আমি জামিনদার হিসাবে ঋণের সমুদয় টাকা প্রদান করবো।
খেলাপি ঋণ আদায়ের গ্রাহক ও জামিনদারের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ এবং জামিনদার মহিউদ্দিন আহম্মেদ প্রার্থী হয়ে থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এর জন্য আবেদন জানাচ্ছি। পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকসহ ব্যাংকের ও নির্বাচন কমিশন’র উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অনুলিপি দেয়া হয়েছে।

এ ঘটণায় প্রতিদ্বন্দ্বি মেয়র পদ-প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহাবুদ্দিন’র মাধ্যমে একটি আপীল মোকদ্দমা দাখিল করেছেন শনিবার (১৭ফেব্রুয়ারী)।

এ বিষয়ে পদ্মা ব্যাংকের পটুয়াখালী শাখা ম্যানেজার শামীম আহমেদ বলেন, এ বিষয়ে আমরা কোন কথা বলতে চাই না। প্রয়োজন হলে আমাদের
উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেন।

পদ্মা ব্যাংক ঋণের টাকা পাওয়ার কথা স্বীকার করে আবুল কালাম আজাদ বলেন, কিস্তি বাকি আছে কিন্তু তারা ঋন খেলাপী নয়। আর মহিউদ্দিন তো জামিনদার।

পদ্মা ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) ফয়সাল আমীন বলেন, আমরা চিঠি দিয়েছি সব ঠিকই আছে। উনি ওনার ঋণটা পরিশোধ করলেইতো শেষ হয়ে যাবে।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা খান আবি শাহানুর খান বলেন, একজন কাউন্সিলর প্রার্থী ছাড়া কেউই ঋণ খেলাপী না। মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ ঋণ খোলাপী কি না? তা আমার জানা নাই। আমার যাছাই-বাছাই ছিল এই বাছাইয়ের পরে পদ্মা ব্যাংক থেকে চিঠি নিয়ে আসায় তা খুলেই দেখি নাই। কারণ তার পর আমার কোন কিছু করার নাই।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক নূর কুতুবুল আলম জানান, আমি ছুটিতে আছি। এবিষয়ে আমার ধারনা নাই। কালকে বলতে পারবো।




বরিশালে উপজেলা নির্বাচনে নতুন প্রার্থীদের প্রচারনা

বরিশাল অফিস :: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আমেজ শেষ হতে না হতেই উপজেলা পরিষদের নির্বাচন ঘোষণায় মাঠে নেমেছেন বরিশালের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। তবে মাঠপর্যায়ে এখন পর্যন্ত যারা বিরামহীন গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারনা শুরু করেছেন তারা সকলেই নতুন মুখের প্রার্থী। তাই ভোটারদের কাছেও তাদের ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা লক্ষ্য করা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার প্রবেশদ্বার গৌরনদী উপজেলায় একাধিক প্রার্থীদের নাম শোনা গেলেও মাঠপর্যায়ে দিন-রাত সমানতালে প্রচার-প্রচারনার সরগরম করে রেখেছেন সম্ভাব্য উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী তৃণমূল রাজনীতি থেকে উঠে আসা সরকারি গৌরনদী কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহবায়ক, উপজেলা বিআরডিবি’র সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ মনির হোসেন মিয়া। সেক্ষেত্রে সাধারণ ভোটারদের কাছ থেকেও তিনি ব্যাপক সাড়া পাঁচ্ছেন।

সম্ভাব্য উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মনির হোসেন মিয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার ঘোষনা দিয়েছেন। সেই লক্ষ্যে মন্ত্রী আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি গৌরনদীকে স্মার্ট উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাই আমার একমাত্র রাজনৈতিক অভিভাবক আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি’র দিকনির্দেশনায় জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চাই। তিনি আরও বলেন, ব্যক্তি উদ্যোগে মানুষের কল্যাণে কাজ করা যায়। তবে সার্বিকভাবে সমাজের সেবা করতে হলে জনপ্রতিনিধি হওয়ার বিকল্প নেই। তাই আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জনপ্রতিনিধি হওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে এলাকায় কাজ করছি।

একইভাবে দিনরাত একাকার করে নির্বাচনী মাঠে গণসংযোগ শুরু করেছেন বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা এসএম জাকির হোসেন ও যুবলীগ নেতা মাহমুদুল হক খান মামুন। উজিরপুর উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম শিপন মোল্লা এবং বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মৌরিন আক্তার আশা।




একযুগ আগে নিখোঁজ নূর এখোন স্বজনদের কাছে

বরিশাল অফিস :: দীর্ঘ এক যুগ আগে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হওয়া সুনামগঞ্জের আলম নূরের (৪৫) সন্ধান মিলেছে বরিশালে। আর একযুগ পর তাকে ফিরে পেয়ে আত্মহারা নূরের স্বজনরা। তারা ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন উজিরপুর মডেল থানা পুলিশের সদস্যদের প্রতি। নূর আলমের বড় ভাইয়ের ছেলে হাবিবুর রহমান শুক্রবার সন্ধ্যায় থানায় এসে তার চাচাকে নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন। এর আগে থানায় বসে মোবাইল ফোনে ভিডিও কলের মাধ্যমে আলম নূর তার একমাত্র মেয়ের সাথে কথা বলেছেন। আলম নূর হারিয়ে যাওয়ার সময় তার একমাত্র মেয়ে শিশু থাকলেও আজ সে এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। বাবা ও মেয়ের কথোপকথনের সময় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিলো।

উজিরপুর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ তৌহিদুজ্জামান বলেন, সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ফয়জুর রহমানের ছেলে আলম নূর। যার স্ত্রী ও একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। কিছুটা মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় এক যুগ আগে বাড়ি থেকে বের হয়ে আলম নূর হারিয়ে যায়। এরপর তার স্বজনরা বিভিন্নস্থানে সন্ধান চালিয়েও দীর্ঘ ১২ বছরে কোনো খোঁজ পাননি। অপরদিকে চাচাকে ফিরে পেয়ে আলম নূরের বড় ভাইয়ের ছেলে হাবিবুর রহমান আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, তারা বিভিন্ন জায়গায় আলম নূরের সন্ধান করেও ব্যর্থ হয়েছেন। অনেকেই ভেবে নিয়েছিলেন তিনি (আলম নূর) আর বেঁচে নেই।

উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাফর আহমেদ বলেন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে আলম নূর সাতলা এলাকার একটি বাড়ির আঙ্গিনায় সন্দেহজনকভাবে প্রবেশ করে। ওই বাড়ির লোকজন চোর সন্দেহে তাকে আটক করে থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে থানায় নিয়ে আসেন। থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ কালে তার অসংলগ্ন কথাবার্তায় বোঝা যায় ওই ব্যক্তি কিছুটা মানসিক প্রতিবন্ধী। পরবর্তীতে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সে তার বাবার নাম ফয়জুর রহমান এবং ছাতক থানা বলতে পারলেও আর কিছুই বলতে পারেননি। এরপর ছাতক থানায় বার্তা পাঠানোর পর তারা নোয়াপাড়াসহ কয়েকটি গ্রামে অনুসন্ধান চালানোর পর অল্পসময়ের মধ্যেই নোয়াপাড়া গ্রামে আলম নূরের স্বজনদের খোঁজ মেলে।

ওসি বলেন, স্বজনদের খোঁজ মেলার পর ওই ব্যক্তির সাথে তাদের কথা বলানো হয়। এরপর স্বজনরা নিশ্চিত হয়ে বরিশালের উদ্দেশে আসার পর শুক্রবার সন্ধ্যায় আলম নূরকে তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আলম নূরের স্ত্রী সিলেট এলাকার একটি হাসপাতালে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে কাজ করছেন।




পায়রা সেতুতে টোল আদায়ে ডিজিটাল লুটপাট: রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালী-ঢাকা মহাসড়কের আধুনিক প্রযুক্তিতে নির্মিত ‘পায়রা সেতুর’ টোলের দুই-তৃতীয়াংশ অর্থ লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে সেতুর টোল আদায় হলেও অর্থ লুটপাট ঠেকাতে পারেনি প্রযুক্তি। সেতু উদ্বোধনের পর থেকেই অর্থ লুটের মহোৎসব অব্যাহত রেখেছে পটুয়াখালী সওজ বিভাগ।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী এএম আতিকুল্লাহর কাছে ২০২৩ সালের ৬ জুন লিখিতভাবে তথ্য চাইলেও আজ পর্যন্ত তিনি তা দেননি। পরে কৌশলে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন- ‘সেতু থেকে ২১ সালের অক্টোবর থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত টানা ৯ মাসে ৮ কোটি ৪৯ লাখ ৭৭ হাজার টাকা এবং ২০২২ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ এর জুন পর্যন্ত টানা এক বছরে ১৩ কোটি ৬৩ লাখ ১৫ হজার ৭৯৫ টাকা টোল আদায় হয়েছে।’
অথচ সূত্র বলছে, সওজের দেয়া ওই তথ্যের চেয়ে পায়রা সেতুতে দুই থেকে আড়াই গুন বেশি টোল আদায় হয়েছে।

এসব জানতে সওজের কাছে একাধিকবার তথ্য চাইলেও তারা নানা কৌশলের আশ্রয় নেন। সর্বশেষ ১৪ ফেব্রুয়ারি ওই প্রকৌশলীর কাছে গেলে তিনি আবার আবেদনের পরামর্শ দেন এবং পূর্বের আবেদন পাননি বলে দাবি করেন।
টোলের দুই-তৃতীয়াংশ লুটপাট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আপনি কি পেয়েছেন সেটা আপনার ব্যাপার। আমাকে তথ্য দিতে হলে জেনে দিতে হবে। অন্য দিকে এসব প্রসঙ্গে গণমাধ্যমে কথা বলতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সওজ। যে কারণে পায়রা সেতু সম্পর্কিত নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।

২০১৩ সালের ১৯ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কের পটুয়াখালীর লেবুখালী ফেরিঘাটসংলগ্ন পায়রা নদীর ওপর ‘পায়রা সেতুর’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর কাজ শুরু হয় ২০১৬ সালের জুলাই মাসে। ২০২১ সালে নির্মাণ শেষ হবার পর ২৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেতু উদ্বোধন করেন এবং সেতুতে যান চলাচল শুরু হয়। চট্টগ্রামের কর্নফুলী সেতুর আদলে নির্মিত ফোরলেন বিশিষ্ট ১২৬৮ মিটার দৈর্ঘ্যরে অ্যাপ্রোচ সড়কের ‘পায়রা সেতু’ নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৪৪৭ কোটি টাকা। ২০২১ সালের ৪ মার্চ যানবাহন পারাপারে সেতুর টোল নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়। ওই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ীই টোল বহাল রয়েছে।

সূত্র বলছে, সেতু খুলে দেয়ার পর টোল আদায়ে নিযুক্ত করা হয় এমএম বিল্ডার্স নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে। যানবাহন চলাচল শুরু হলে ওভার লোডেড যানবাহন পারাপারের ক্ষেত্রে স্কেল ব্যবহার না করায় অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাৎসহ অব্যস্থাপনার অভিযোগ ওঠে সওজের বিরুদ্ধে। সেতুর অব্যবস্থাপনা নিয়ে ২০২২ সালের ১৯ জানুয়ারি বিভিন্ন গনমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর স্কেল ব্যবহার শুরু করে সওজ। এতে টোলের অর্থ বাড়লেও দুর্নীতি বন্ধ হয়নি।

সূত্র বলছে, শুরু থেকেই আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে টোল আদায় করছে সওজ। ডিজিটাল পদ্ধতিতে টোল আদায় হলেও প্রতিদিন আদায় করা টোলের দুই-তৃতীয়াংশ অর্থ ভাগাভাগি ও লুটপাট করছেন সওজের কর্মকর্তা-কর্মচারী।
এছাড়াও টোল আদায়ে নিয়োজিত সংস্থা ও শ্রমিকরাও যে যার মতো অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন।

অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, পটুয়াখালীর লাউকাঠি নদীতে নির্মিত পটুয়াখালী সেতুতে গড়ে প্রতি মাসে টোল আদায় হচ্ছে প্রায় কোটি টাকা, যা বছরে দাঁড়ায় প্রায় ১১ কোটি টাকা। সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পটুয়াখালী সেতুর থেকে পায়রা সেতুতে ১৪২.৪৫ শতাংশ বেশি টোল আদায় হচ্ছে। অথচ পটুয়াখালী সেতুর সঙ্গে সমতা রেখে কোষাগারে পায়রা সেতুর টোল জমা দিয়ে আসছে পটুয়াখালী সওজ।

সূত্র আরও বলছে, পটুয়াখালী – বাউফল সড়কের বগা ফেরি থেকে আনুষঙ্গিক খরচ ব্যয়ের পর প্রতিদিন গড়ে ৭৫-৭০ হাজার টাকা টোল আদায় করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। যার পরিমাণ বছরে দাঁড়ায় আড়াই কোটি টাকা। এছাড়াও গলাচিপা-বাউফল-দশমিনা রুটের সব যানবাহনকে পায়রা সেতু পাড় হয়েই গন্তব্যে যেতে হয়।
সূত্রমতে-বগা ফেরি পারাপার হওয়া এসব যানবাহন পায়রা সেতু পাড় হতে গেলে বগা ফেরির তিনগুণ টোল গুনতে হয়। যা বছরে দাঁড়ায় প্রায় ৮ কোটি টাকা।
সওজের সূত্রমতে পটুয়াখালী সেতুর থেকে পায়রা সেতু ১৪২.৪৫ শতাংশ এবং বগা ফেরি টোলের চেয়ে পায়রা সেতুতে ৬৩৫.০৫ শতাংশ বেশি টোল নির্ধারিত রয়েছে। আনুষঙ্গিক খরচ ছাড়া পটুয়াখালী ও বগা ফেরি থেকে বছরে প্রায় ১৯ কোটি টাকা টোল আদায় করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। পটুয়াখালী সেতু ও বগা ফেরির টোলের থেকে পায়রা সেতুতে আড়াই/তিনগুণ টোল আদায় করা হচ্ছে। অথচ পটুয়াখালী সড়ক বিভাগ গত বছরের ১৭ জুলাই যুগান্তরকে দেওয়া তথ্যে জানিয়েছে, ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ১৩,৬৩,১৫,৭৯৫ টাকা এবং সেতু উদ্বোধনের পর ২১ সালের অক্টোবর থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত ৮,৪৯,৭৭,০০০ টাকা টোল আদায় হয়েছে।

এদিকে পটুয়াখালী সওজের এক কর্মকর্তা বলেন, বর্তমানে পায়রা সেতু থেকে ‘অপারেশন মেন্টেনেজ’ পদ্ধতিতে প্রতিদিন ৭ লাখ টাকা আদায় করছে সিএমএস নামের একটি প্রতিষ্ঠান। যা বছরে দাঁড়ায়-২৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

সূত্র বলছে, পটুয়াখালী সওজের তৎকালীন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বেশির ভাগ অর্থ লুটপাট করেছেন যা বিশেষ কৌশলে এখনো অব্যাহত রয়েছে। পটুয়াখালী সওজের নিযুক্ত টোল আদায়কারী সিএমএস প্রতিষ্ঠান শর্তানুযায়ী টোল আদায়ের ১৬ শতাংশ লভ্যাংশ পাচ্ছে। সূত্রের দাবি টোলের অর্থ ভাগাভাগি নিয়ে সওজ কর্মকর্তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হওয়ায় এএম বিল্ডার্সের চুক্তি বাতিল করে সিএমএসকে নিয়োগ দেয় সওজ।

আরেকটি সূত্র ও অনুসন্ধানে জানা গেছে-সওজের মধ্য ভাগাভাগির দ্বন্দ্ব ও গণমাধ্যম এর পক্ষ থেকে টোল সম্পর্কিত তথ্য চাওয়া হলে ২০২৩ সালের ৯ আগস্ট পটুয়াখালী সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. রাকিবুল জাহাঙ্গীর পায়রা সেতুর টোল সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন জমা দেন। ওই প্রতিবেদনে-২০২৩ সালের ৫ আগস্ট ৫,৩৩,২৬০ টাকা, ৬ আগস্ট ৪,৬৬,৯৫৫ এবং ৭ আগস্টে ৩,৯৪,১২৫সহ মোট ১৩,৯৪,৩৪০ টাকা আদায় দেখিয়েছেন। উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জাহাঙ্গীরের প্রতিবেদন অনুযায়ী বছরে টোলের পরিমাণ দাঁড়ায় অন্তত ১৭ কোটি টাকা। অথচ সওজের দাবি ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ১৩,৬৩,১৫,৭৯৫ টাকা টোল আদায় হয়েছে।

এছাড়াও টোলের দুর্নীতি ঢাকতে ২০২৩ সালের ২৬ আগস্ট পটুয়াখালী সওজের তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মাসুদ খান বরগুনা সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী প্রকাশ চন্দ্র বিশ্বাসকে সমন্বয়ক করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন।

এছাড়াও ওই বছরের ৩১ অক্টোবর নামকাওয়াস্তের একটি অডিট করে সওজ।
সূত্র বলছে, সওজ তাদের আর্থিক দুর্নীতি ঢাকতেই এসব তদন্ত ও অডিট করেছে। এ তদন্ত-অডিট নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলতেও নারাজ সওজ।

এসব প্রসঙ্গে কথা বলতে তৎকালীন পটুয়াখালী সওজের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মাসুদ খানের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত মুঠোফোনে কল ও খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি সারা দেননি। আর পটুয়াখালী সওজের বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মাসুদ করিম এবং বরিশাল জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী একেএম আজাদ রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে, তারাও সাড়া দেননি।




বরিশালে মেঘনা নদীতে নিখোঁজের তিনদিন পড় মাদ্রাসায় ছাত্রের লাশ উদ্ধার

বরিশাল অফিস :: বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলার মেঘনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার তিনদিন পরে মাদ্রাসায় ছাত্র হাফেজ সাব্বির হোসেন (১৯) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি একই সাথে অধ্যায়নরত ঢাকার মোহাম্মদ বায়তুল আমান মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন ।

উদ্ধারকৃত মাদ্রাসা ছাত্র হাফেজ মোঃ সাব্বির হোসেন ঢাকা হাজারীবাগ এলাকার বাসিন্দা মোঃ মাহতাব হোসেনের ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, বরিশাল হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক মো: তরিকুল ইসলাম তিনি জানান, বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলার বড়জালিয়া গ্রামের খালার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন সাব্বির। বুধবার দুপুরে মেঘনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে সাঁতার না জানার কারণে নদীতে ডুবে নিখোঁজ হন। শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে একটি ইটভাটার পাশে ভাসমান অবস্থায় লাশটি স্থানীয়রা দেখতে পেলে নৌ পুলিশকে খবর দিলে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে লাশ ময়না তদন্তের পরে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি জানান,সাব্বিরের গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা চরহোগলা গ্রামের তবে তিনি ছোটবেলা থেকে ঢাকায় হাজারীবাগ এলাকায় বসবাস করতেন। তিনি যে মাদ্রাসায় পড়াশোনা করতেন একই সাথে সেই মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন।




মহিপুরে ২৪ কেজির দাতিনা মাছ ১ লাখ ২৫ হাজারে বিক্রি

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়েছে ২৪ কেজি ওজনের দুটি দাতিনা মাছ। এফবি মায়ের দোয়া নামে একটি ট্রলারে মাঝি লক্ষি মিয়ার জালে মাছ দুটি ধরা পড়ে। পরে মাছ দুটি ডাকের মাধ্যমে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকায় কেনেন মৎস্য ব্যবসায়ী সজীব হোসেন।

এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারে এ মাছ দুটি গত তিন দিন আগে গভীর সাগরে ধরা পড়ে। এরপর শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে মৎস্য বন্দর মহিপুরের কুতুবদিয়া ফিস এ মাছ দুটি বিক্রির জন্য উঠানো হয়।

এ বিষয় মাঝি লক্ষি মিয়া বলেন, সচরাচর দাতিনা মাছ তেমন একটা পাওয়া যায় না। আমরা সাগরে ইলিশ ধরার জন্য জাল ফেলি। তখন হঠাৎ দেখি বড় কোনো মাছ, প্রথমে ভেবেছিলাম কোরাল মাছ পরে কাছাকাছি গিয়ে দেখি দুটি দাতিনা মাছ।

মহিপুর কুতুবদিয়া ফিসের মালিক বলেন, দাতিনা মাছ দুটি ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা মণ হিসেবে কেজি প্রতি ৬ হাজার টাকা দরে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। মাছ দুটির ওজন ছিল ২৪ কেজি ৬৫০ গ্রাম।

এ বিষয় মৎস্য পাইকার সজিব হোসেন বলেন, দাতিনা মাছ মূলত সচরাচর ঘাটে তেমন একটা আসে না। আজ হঠাৎ দেখে ডাকের মাধ্যমে কিনে নিলাম। মাছ দুটি ৬ হাজার টাকা কেজি দরে কিনেছি, এখন বিক্রির জন্য ঢাকায় পাঠাব। আশা করছি ভালো দামে বিক্রি করতে পারব।

এ বিষয় কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, নদ-নদী এবং সাগরের কাছাকাছি এলাকায় এই প্রজা‌তির মাছ পাওয়া যায় না। এরা মূলত গভীর সাগরের মাছ। এ মা‌ছের ফুলকা বিদেশে রপ্তানি করা হয়, যা দি‌য়ে ওষুধ তৈ‌রি করা হয়। মহিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে দাতিনা ভোল মাছ তেমন একটা দেখা যায় না। তবে এই প্রজাতির মাছগুলো খুবই সুস্বাদু।




দুমকিতে মাঠে আ.লীগের অর্ধ-ডজন নেতা

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই পটুয়াখালীর দুমকিতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ডামাডোল বাজতে শুরু করেছে। চলতি মাসের শেষ বা মার্চ মাসের প্রথম দিকে তফসিল ঘোষণার আভাসে উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় নির্বাচনী আলোচনায় সরব হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ। এবার দলীয় প্রতীক না থাকার কেন্দ্রীয় ঘোষণায় তৃণমূলের নেতাকর্মী ও প্রত্যন্ত এলাকায় সাধারণ মানুষের আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রার্থী মনোনয়নের দ্বিধাদ্বন্দ্ব এড়াতে দলীয় মার্কাবিহীন নির্বাচনে পছন্দের প্রার্থীকে সমর্থনের সুযোগ পেয়ে তৃণমূলের নেতাকর্মীরাও বেজায় খুশি।

আ.লীগের প্রতীক না থাকলেও ক্ষমতাসীন আ.লীগের অন্তত হাফ ডজন প্রার্থীর নাম আলোচনায় এসেছে। দিনে-রাতে এসব সম্ভাব্য প্রার্থী ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট ও সমর্থন আদায়ে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে দলমত নির্বিশেষে আলোচনার রয়েছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি, ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক এডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান। নির্বাচনে হারলে সাধারণত অনেকেই মাঠ ছেড়ে চলে যান কিন্তু মেহেদি হাসান মিজানের বেলায় হয়েছে উল্টো। তুমুল প্রতিদন্ধিতাপূর্ণ নির্বাচনে স্বল্প ব্যবধানে হারলেও তিনি রাজনীতির মাঠ ছা্ড়েননি। বরং এই পাঁচ বছর মানুষের সুখ-দুঃখে ছুটে গেছেন। বিভিন্ন ধরণের জনহিতকর কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন।

এ কারণে তার পক্ষে সর্ব মহলে জোর আলোচনা চলছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তার নিজ গ্রামের সাধারণ মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছে।

তিনি ছাড়াও নির্বাচনের মাঠে বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ হাওলাদার, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান সিকদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও আঙ্গারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম মর্তুজা, জেলা কৃষকলীগ নেতা ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির বাদশা, মাল্টা প্রবাসী আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কাওসার আমীন হাওলাদার গণসংযোগ চালাচ্ছেন।

অপরদিকে, ভাইস চেয়ারম্যান পদে আ.লীগ নেতা মো. রেজাউল হক রাজন ও আবুল বাশার, তিতাস গ্যাসের সাবেক ডিজিএম সরদার আ. রশিদ, ব্যবসায়ী ফিরোজ আলম মৃধা, মহিলা আ.লীগের সভাপতি ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদা ইয়াসমিন, মহিলা আ.লীগ নেত্রী নাজমুন নাহার শিরিণ, তাহেরা আলী রূমা প্রার্থী হতে পারেন।

বিএনপির প্রার্থিতার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল বলে জানান সম্ভাব্য প্রার্থীরা।




আজ টিভিতে যা দেখবেন




জাপানকে সরিয়ে জার্মানি এখন বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে নিজের অবস্থান জার্মানির কাছে হারিয়েছে জাপান।