বরিশালে ইদুর মারার বৈদ্যুতিক ফাঁদে কৃষকের মৃত্যু

বরিশাল অফিস :: বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলায় ধান ক্ষেতে ইদুর মারার বৈদ্যুতিক ফাঁদে স্পৃষ্ট হয়ে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারী) সকালে উজিরপুর উপজেলার জল্লা ইউনিয়নের কারফা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কৃষক গৌরাঙ্গ হালাদার (৫২) একই গ্রামের যুদিষ্ঠী হালদারের ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, বরিশাল উজিরপুর থানার ওসি জাফর আহমেদ তিনি বলেন, কৃষক গৌরাঙ্গ হালদারের জমিতে ইরি ধানক্ষেত নষ্ট করে ফেলে ইদুর তাই ইঁদুর মারতে খোলা তারের বিদ্যুৎতের সংযোগ দেয়। খুব সকালে তারের সঙ্গে কোন ইঁদুর মারা গেছে কিনা দেখতে গেলে। তারের আগে থেকে সংযোগ বন্ধ না করায় একই তারে ভুলে হাত দিলে তিনি বিদ্যুৎপৃষ্ট হয় । পড়ে স্থানীয়রা তাকে দেখতে পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পরিবারে কোনো অভিযোগ না থাকায় অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে ।




স্বামীকে মেরে নিজে প্রেসিডেন্ট হতে চেয়েছিলেন হাইতির ফার্স্টলেডি!

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ঠিক যেন সিনেমার কাহিনী! ২০২১ সালে নিজ বাড়িতে বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত হন হাইতির সবশেষ প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মইসি। এসময় আহত হন তার স্ত্রী মার্টিন মইসেও। অপ্রত্যাশিত সেই ঘটনা নাড়িয়ে দেয় গোটা বিশ্বকে। কিন্তু এখন শোনা যাচ্ছে, মইসি হত্যাকাণ্ডে কলকাঠি নেড়েছিলেন খোদ ফার্স্টলেডিই। আর তার সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন দেশটির তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ক্লাউডি জোসেফ। তাদের যোগসাজশেই অকালে প্রাণ হারান হাইতির নেতা।

সম্প্রতি মইসে হত্যা মামলায় মার্টিন মইসে, ক্লাউডি জোসেফসহ ৫০ জনকে অভিযুক্ত করেছেন হাইতির একজন বিচারক। সেই নথি ফাঁস হয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে।

আইবোপোস্ট নামে ওই সংবাদমাধ্যমটির বরাতে দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, বিচারক ওয়ালথার ওয়েসার ভলতেয়ারের নথি অনুসারে, মার্টিন মইসি নিজে প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ক্লাউডি জোসেফের সঙ্গে হাত মিলিয়ে স্বামীকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিলেন।

২০২১ সালের ৭ জুলাই হাইতির রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্সের উপকণ্ঠে অবস্থিত বাড়ির শোবার ঘরে ঢুকে জোভেনেল মইসিকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পঞ্চম বিচারক হিসেবে ওই ঘটনা তদন্তে নেতৃত্ব দেন বিচারক ওয়ালথার। গত সোমবার তার ১২২ পৃষ্ঠার নথি ফাঁস হয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে।

নথিতে মার্টিন মইসিকে ‘সন্ত্রাস এবং অপরাধমূলক যোগসাজশে’র অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। দেশটির সবশেষ প্রেসিডেন্টকে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত ৫০ জনের মধ্যে একজন তিনি।

বিবিসি খবর অনুসারে, অভিযোগপত্রে বিচারক বলেছেন, মিসেস মইসি তার স্বামীর হত্যার পরিপ্রেক্ষিতে যে বিবৃতি দিয়েছিলেন তা এতটাই অসঙ্গতিপূর্ণ ছিল যে, সেটি তাকে সন্দেহভাজন করে তোলে। প্রমাণ হিসেবে মইসি হত্যাকাণ্ডের সময় হাইতির জাতীয় প্রাসাদের মহাসচিব লিওনেল ভালব্রুনের দেওয়া একটি বিবৃতিও উল্লেখ করা হয়েছে নথিতে।

ভালব্রুন অভিযোগ করেছেন, প্রেসিডেন্ট হত্যার দু’দিন আগে প্রাসাদে এসেছিলেন ফার্স্টলেডি। এরপর প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে প্রাসাদ থেকে ‘বেশ কিছু জিনিস’ সরিয়েছিলেন তিনি। মার্টিন কী কী জিনিস সরিয়েছিলেন তা স্পষ্ট নয়। তবে আদালতের নথিতে বলা হয়েছে, তার ক্রিয়াকলাপগুলো ‘আন্দাজে’ বা ‘দৈবক্রমে’ ঘটেনি। বরং সেসময় সামনের ঘটনাগুলো সম্পর্কে পূর্ব জ্ঞান ছিল মিসেস মইসির।

ভালব্রুন আরও অভিযোগ করেছেন, একই দিনে মার্টিন তাকে ডেকে বলেছিলেন, তার স্বামী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ‘আমাদের জন্য কিছুই করেননি’।

নথি অনুসারে, প্রেসিডেন্ট মইসি হত্যাকাণ্ডের আরেক সন্দেহভাজন হলেন হাইতিয়ান বিচার মন্ত্রণালয়ের সাবেক কর্মকর্তা জোসেফ ফেলিক্স বাডিও। তিনিও মিসেস মইসির বিরুদ্ধে ক্ষমতা দখলে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করেছেন। বাডিওর অভিযোগ, ফার্স্টলেডি মার্টিন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মিলে জোভেনেল মইসিকে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরানোর ষড়যন্ত্র করেছিলেন। তাদের পরিকল্পনা ছিল, নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত দেশের নেতৃত্ব দেবেন ক্লাউডি জোসেফ। এরপর নির্বাচন হলে প্রেসিডেন্ট পদে লড়বেন মার্টিন মইসি।

বিচারকের নথিতে অভিযুক্তদের গ্রেফতার ও বিচারের মুখোমুখি করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত মিসেস মইসি বা তার আইনজীবীর মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, ক্লাউডি জোসেফ মিয়ামি হেরাল্ডকে বলেছেন, মইসি হত্যাকাণ্ডে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এরিয়েল হেনরি। তিনি বিরোধীদের দমনপীড়নে হাইতির বিচার ব্যবস্থাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন বলেও অভিযোগ করেছেন সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী।

তবে মইসি হত্যাকাণ্ডে যেকোনো ধরনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধানমন্ত্রী হেনরি। এ ধরনের খবরগুলোকে ‘গুজব’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট মইসি নিহত হওয়ার দু’সপ্তাহ পরেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন হেনরি এবং তারপর থেকেই এ পদে রয়েছেন তিনি।




পাকিস্তান জোট সরকারে শাহবাজই প্রধানমন্ত্রী, প্রেসিডেন্ট জারদারি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  নানা নাটকীয়তার পর অবশেষে জোট সরকার গঠনে চুক্তিতে পৌঁছেছে নওয়াজ-শাহবাজের পিএমএল-এন এবং বিলওয়াল ভুট্টো জারদারির পিপিপি। দীর্ঘ আলোচনার পরে মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে তারা। উভয় দলের শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, তারা ‘জাতির স্বার্থে’ আবারও জোট সরকার গঠন করছেন।

পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো-জারদারি উভয় দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) এবং পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) এখন সম্পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে এবং আমরা পরবর্তী সরকার গঠনের অবস্থানে রয়েছি।

কে পাচ্ছেন কোন পদ
বিলওয়াল জানিয়েছেন, জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী হবেন শাহবাজ শরিফ এবং উভয় দলের পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হবেন তার বাবা আসিফ আলী জারদারি।

সিনেটের চেয়ারম্যান হিসেবে পিএমএল-এন নেতা ইসহাক দারের মনোনয়ন সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে বিলাওয়াল বলেন, এ বিষয়ে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে প্রতিটি দল আলাদাভাবে এর ঘোষণা দেবে।

তিনি বলেন, যদি অতীতের দিকে তাকাই, তাহলে আমরা আগের মেয়াদের তুলনায় অনেক দ্রুত ঐকমত্যে পৌঁছেছি এবং জোটের ঘোষণা দিয়েছি।

একই সংবাদ সম্মেলনে পিএমএল-এন নেতা শাহবাজ শরিফ বলেন, তিনি পিটিআই সমর্থিত প্রার্থীদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দিয়ে সরকার গঠন করতে আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু তারা যথেষ্ট আসন দেখাতে পারেনি। তিনি বলেন, পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য আমাদের কাছে পর্যাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে।

এসময় বিলাওয়াল এবং আসিফ আলী জারদারিকে তাদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। শাহবাজ বলেন, উভয় দল সিদ্ধান্ত নিয়েছে, প্রেসিডেন্ট পদে জারদারিকে যৌথ প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামানো হবে।

পিপিপি মন্ত্রিসভায় যোগ দেবে কি না এমন এক প্রশ্নের জবাবে পিএমএল-এন নেতা বলেন, প্রথম দিন থেকেই মন্ত্রিত্ব চায়নি বিলওয়ালের দল

তিনি বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয় এবং পারস্পরিক পরামর্শের মাধ্যমে সমস্যাগুলোর সমাধান করা হয়। তবে এর মানে এই নয় যে, আমরা তাদের দাবি মেনে নিচ্ছি বা তারা আমাদের দাবি মেনে নিচ্ছে। তাদের নিজস্ব মতামত রয়েছে। কিন্তু মধ্যবিন্দুতে পৌঁছানোই আসল রাজনৈতিক সাফল্য।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পিএমএল-এন সুপ্রিমো নওয়াজ শরিফ এবং পিপিপির শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশনার ভিত্তিতে পরে মন্ত্রিত্ব সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এসময় নতুন জোট সরকারের অংশীদার হওয়ায় মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট-পাকিস্তান, ইস্তেহকাম-ই-পাকিস্তান পার্টি এবং পাকিস্তান মুসলিম লীগ-কায়েদকেও ধন্যবাদ জানান শাহবাজ শরিফ।

সূত্র: জিও নিউজ




রাশিয়ার ওপর আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ইউক্রেন যুদ্ধের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে রাশিয়ার ওপর আরও কড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপের উদ্যোগ নিচ্ছে পশ্চিমা বিশ্ব। মূলত আগামী শনিবার ইউক্রেনের ওপর রাশিয়ার হামলার দুই বছর পূর্ণ হচ্ছে।



অনুদানের টাকা ফিরিয়ে দিলেন জয়া




মার্কিন যুদ্ধজাহাজসহ ইসরায়েলি জাহাজে হামলার দাবি হুথিদের




গাজার উত্তরাঞ্চলে খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করে দিলো ডব্লিউএফপি




আজ টিভিতে যেসব খেলা দেখবেন




দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আরও স্মার্ট করা হবে: প্রতিমন্ত্রী

বরিশাল অফিস :: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যক্ষ মো. মহিববুর রহমান বলেছেন, ১৯৬৫ সালের ভয়াবহ বন্যায় আমি আমার ভাই-বোনকে হারিয়েছি, বাড়ি-ঘর হারিয়েছি। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা দুর্যোগপ্রবণ এলাকার মানুষ হিসেবে আমাকে এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের সঙ্গে সঙ্গে আমি এ মন্ত্রণালয়কেও স্মার্ট মন্ত্রণালয় হিসেবে গড়ে তুলতে চেষ্টা করব। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আমরা আরও স্মার্ট হব।

তিনি আরও বলেন, আগামী বাজেটে দেশের দুর্যোগপ্রবণ এলাকাগুলোর চাহিদা অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড় বহুমুখী আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেল কুয়াকাটা রাখাইন নারী মার্কেট মাঠে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) স্বেচ্ছাসেবকদের উদ্বুদ্ধকরণ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

 

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের সব মুজিব কেল্লাকে শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার জন্য আমার মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছি। যাতে প্রতিটি মুজিব কেল্লা সর্বদা ব্যবহার হয়।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আমি আপনাদের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আগামী দিনগুলোতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে সিপিপিকে সম্পৃক্ত করা হবে। যে সমস্ত স্বেচ্ছাসেবক অসহায়, দুস্থ রয়েছেন, তাদের ঈদ, কোরবানিতে প্রণোদনা দেওয়া হবে। এছাড়া মৃত স্বেচ্ছাসেবকদের পরিবারকে ও অসুস্থ স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তার পরিমাণ বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করছি।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন দুর্যোগ ও ত্রাণ অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক মো. মিজানুর রহমান, দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রবিউল ইসলাম, উপসচিব ফারুক হোসেন, কেয়ার বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর মিস্টার রামদাস, সিপিপির মহাসচিব কাজী শফিকুল আজম, আই ও এম এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মিস্টার আব্দুস সাত্তার ইসোয়েভ, জাগো নারী ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক হোসনেয়ারা হাসি, দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রবিউল ইসলাম ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আলমগীর হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিপিপির পরিচালক প্রশাসন মো. আহমেদুল হক।

এর আগে নয়জন অসুস্থ সিপিপি স্বেচ্ছাসেবককে আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হয়। এছাড়া এসময় ১০ হাজার জেলের মধ্যে বয়া বিতরণ করা হয়। পরে অনুষ্ঠানস্থলে সিপিপি স্বেচ্ছাসেবকদের উদ্যোগে মাঠ মহড়া ও রাখাইন শিল্পীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।




যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রের ভেটো