সঙ্গী প্রতারণা করছে বুঝবেন যেভাবে




ভোলায় কিশোর গ্যাংয়ের হাতে যুবক নিহত

বরিশাল অফিস :: ভোলার দৌলতখানে কিশোর গ্য়াংয়ের হাতে রাব্বি (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় মাহিদ নামের এক কিশোরের বাবাকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ওই যুবকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) আহত অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে ভোলা ইলিশা লঞ্চঘাট এলাকায় তার মৃত্যু হয়।

দৌলতখান থানার ডিউটি অফিসার মো. সাইদুল ইসলাম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত রাব্বি দৌলতখান পৌরসভার মো. জামাল মাঝির ছেলে। তিনি পেশায় জেলে ছিলেন।

স্থানীয় এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওইদিন বিকালে উপজেলার পৌর ৩ নম্বর ওয়ার্ডে বেশ কয়েকজন কিশোর ক্রিকেট খেলছিল। তার মধ্যে রাব্বির ছোট ভাই রাজিবও ছিল। একপর্যায়ে খেলা নিয়ে রাজিব ও মাহিদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

সন্ধ্যার পর চা খেতে উপজেলার সোনালী ব্যাংক এলাকায় যান রাব্বি। এ সময় তিনি শুনতে পান তার ছোট ভাই রাজিবের সঙ্গে ক্রিকেট খেলা নিয়ে মাহিদসহ বেশ কয়েকজন কিশোরের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। তখন রাব্বি মাহিদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চান।

মাহিদ রাব্বিকে জানায়, তার ছোট ভাই রাজিব ক্রিকেট খেলা নিয়ে তাকে ও তার দলের অন্যান্য কিশোরদের গালমন্দ করেছে। এতে তারা রাজিবের ওপর ক্ষুব্ধ। জানায়, তাকে যেখানে পাবে সেখানেই পেটাবে। এ কথা শুনে রাব্বি রেগে যায়। তখন মাহিদ তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। মারধরে রাব্বির মাথা প্রচণ্ড আঘাতপ্রাপ্ত হয়। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানকার চিকিৎসক তার অবস্থা গুরুতর দেখে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করেন। পরে স্বজনরা রাতেই তাকে সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। সকালের দিকে হাসপাতালটির দায়িত্বরত চিকিৎসক রাব্বিকে ঢাকা মেডিক্যাল (ঢামেক) কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে নেওয়ার পথে দুপুরের দিকে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা লঞ্চঘাট এলাকায় রাব্বির মৃত্যু হয়।

থানার ডিউটি অফিসার সাইদুল ইসলাম জানিয়েছেন, এ ঘটনায় সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত কোনও মামলা হয়নি। রাব্বির মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদনের কার্যক্রম চলছে। এছাড়াও এ ঘটনায় কিশোর মাহিদের বাবাকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, রাব্বিকে যারা পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে তারা সবাই কিশোর। তাদের সবার বয়স ১৮ বছরের নিচে।




আম্বানির ছেলের বিয়েতে আমন্ত্রিত কারা?




জাবির দুই ছাত্রের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বরিশালে মশাল মিছিল

বরিশাল অফিস :: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি মুছে ধর্ষণবিরোধী গ্রাফিতি আঁকার জেরে ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি-সম্পাদকের বহিষ্কারাদেশ ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন ও মশাল মিছিল করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে নগরের সদর রোডে এ কর্মসূচি পালন গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের নেতাকর্মীরা।

নগরের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের জেলা সমন্বয়ক হুজাইফা রহমান।

বক্তব্য দেন বরিশাল ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি একে আজাদ, ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রথিন্দ্রনাথ বাপ্পি, জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সহ-সভাপতি নয়ন সরকার, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আহ্বায়ক সিবাত আহমেদ প্রমুখ।

দুই নেতার বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়ের করা মামলা ও এক বছরের বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান বক্তারা। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায়ের হুঁশিয়ারি দেন তারা।

উল্লেখ্য, ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনের মধ্যে গত ৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিকী অনুষদের পশ্চিম পাশের দেয়ালে ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি চিত্র মুছে ধর্ষণবিরোধী দেয়ালচিত্র আঁকেন জাহাঙ্গীরনগর ছাত্র ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি অমর্ত্য রায় ও সাধারণ সম্পাদক ঋদ্ধ অনিন্দ্য গাঙ্গুলী।

তারা দুজনই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ৪৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মঙ্গলবার সিন্ডিকেট সভায় কমিটির সুপারিশে অমর্ত্য রায় ও ঋদ্ধ অনিন্দ্য গাঙ্গুলিকে এক বছরের বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বাদী হয়ে এই দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে সাভারের আশুলিয়া থানায় ‘রাষ্ট্রদ্রোহ’ মামলা দায়ের করে।




আজ টিভিতে যা দেখবেন




ইমরানের আর্জি প্রত্যাখ্যান করল আইএমএফ




আবারও বিয়ে করলেন ক্রিকেটার আল আমিন




জাপায় গৃহবিরোধ : শক্তিশালী হচ্ছেন রওশন, দুর্বল জিএম কাদের




সাগরে জেলের জালে ধরা পড়ল ৪০ কেজির সেইল ফিশ

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আলীপুর মৎস্য বন্দরে ৪০ কেজি ওজনের একটি পাখি মাছ (সেইল ফিশ) বিক্রি করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে মাছটি নিয়ে আসেন এক জেলে।
পরে বন্দরের জালাল ঘরামি নামে এক পাইকার ১৩ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন।

ওই জেলে বলেন, গত তিনদিন আগে মাছটি আমরা জালে পেয়েছি, আজকে আলীপুর এসে বিক্রি করলাম। সাধারণত বছরে দু-একবার এরকম বড় আকারের পাখি মাছ পাওয়া যায়।

মৎস্য ব্যবসায়ী জয়নাল ঘরামি বলেন, এ মাছগুলো বেশ দ্রুত গতিসম্পন্ন তাই অনেকে পাখি নামেও চিনে থাকে। বছরের এ মৌসুমে মাছগুলো জেলেদের জালে ধরা পরে। বেশ সুস্বাদু হওয়ায় এই মাছের চাহিদা অনেক বাজারে।

পাইকার জালাল ঘরামি বলেন, আজকের মাছটি ১৩ হাজার টাকায় কুয়াকাটার গাজী রেস্তোরাঁ কিনে নিয়েছে। আমি মূলত মাছ কিনে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করি।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, মাছগুলো খেতে বেশ সুস্বাদু হওয়ার দেশের বাইরে বেশ চাহিদা রয়েছে। এর ইংলিশ নাম সেইল ফিশ।




প্রতিবেশীর ‘গাছ খাওয়ায়’ ছাগল আটক, মালিককে বেঁধে নির্যাতন 

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় প্রতিবেশীর মরিচ খেতে গিয়ে ছাগল গাছ খাওয়ার অভিযোগে মালিককে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে।

উপজেলার আরোজবেগী গ্রামের গুচ্ছগ্রামে আজ শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

পরে সকাল ১০টার দিকে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দশমিনা সদর ইউনিয়নের আরোজবেগী ৭ নম্বর ওয়ার্ড গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা মো. মোস্তফা ফকির। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে প্রতিবেশী মো. খোকন সরদারের ছাগল তাঁর মরিচ খেতে ঢুকে গাছ খায়। সে কারণে মোস্তফা ছাগল নিয়ে বেঁধে রাখেন।
খোকন আজ শুক্রবার সকালে ছাগল চাইতে গেলে মোস্তাফা, তাঁর স্ত্রী এবং পুত্রবধূ খোকনকে গাছের সঙ্গে বেঁধে লাঠি দিয়ে মারধর শুরু করেন। খোকনের স্ত্রী তাঁর স্বামীকে রক্ষা করতে গেলে তাঁকেসহ ৮ ও ১০ বছরের দুই শিশু সন্তানকেও মারধর করেন তাঁরা। পরে স্থানীয়রা খোকনকে উদ্ধার করে দশমিনা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

আহত খোকন সরদার বলেন, ‘মোস্তফা আর আমি গুচ্ছ প্রামের পাশাপাশি ঘরে বাস করি। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ছাগলে নাকি মোস্তফার খেতের মরিচ চারা খায়। মোস্তফা ছাগল নিয়ে বেঁধে রাখে। আমি সকালে স্থানীয় ইউপি সদস্যের কাছে গিয়ে বললে, তিনি আমাকে ছাগল চাইতে বলেন। আমি সকালে ছাগল চাইতে গেলে মোস্তফা, তাঁর স্ত্রী ও পুত্রবধূ আমাকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে ঘরের সামনে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে দশমিনা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করায়। আমি উপজেলা প্রশাসনের কাছে এমন কাজের জন্য বিচার দাবি করি।’

খোকনের স্ত্রী আজকের বলেন, ‘আমাদের ছাগলের বাচ্চা নাকি মোস্তফার খেতের মরিচের চারা খাইছে। আমার স্বামী সকালে ছাগল চাইতে গেলে আমাকে মারধর করে, আমার ছোট শিশু সন্তানকে মারে এবং আমার স্বামীকে মারধর করে টানাহেঁচড়া করে নিয়ে তার ঘরের সামনে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। আমি এর বিচার চাই।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য সিকদার দেলোয়ার বলেন, ‘বিষয়টি জানান পর আমি ছাগল আনতে পাঠিয়েছি। কিন্তু তারপর কি হয়েছে জানি না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখলাম হাত–পা বেঁধে গাছের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় খোকন। এটা একটি দুঃখজনক ঘটনা।’

এ বিষয়ে জানতে মোস্তফার বাড়ি গেলে তাঁকে পাওয়া যায়নি।

দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, ‘ঘটনার বিষয় আপনার মাধ্যমে শুনলাম। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’