রাজধানীতে প্রেমিকের সঙ্গে ‘মদ্যপানে’ তরুণীর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক : রাজধানীর হাজারীবাগে প্রেমিক ও তার বন্ধুর সঙ্গে মদ্যপানে রুবি আক্তার (১৮) নামে এক তরুণীর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাজারীবাগের কালুনগর পানির পাম্প এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

জানা যায়, রুবি আক্তারের বাড়ি টাঙ্গাইলের মধুপুর এলাকায়। বর্তমানে তিনি ধানমন্ডির এক বাসায় ভাড়া থাকতেন।

হাসপাতালে নিয়ে আসা রুবির প্রেমিক মো. রিফাত বলেন, আমার আর রুবির চার মাসের সম্পর্ক। রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঘোরাফেরা শেষে গভীর রাতে আমার বন্ধু আরমানের হাজারীবাগের কালিনগরের বাসায় নিয়ে যাই। রাতে মদ খাওয়ার পর হঠাৎ রুবি অচেতন হয়ে পড়ে। পরে সোমবার সকালের দিকে তাকে ঢামেকে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরমান বলেন, ‘গতরাতেই রুবি ও রিফাত আমার বাসায় আসে। রাতে মদ খেয়ে রুবি অচেতন হয়ে পড়ে। পরে অচেতন অবস্থায় আমি, রিফাত ও শাওন মিলে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে দায়িত্বরত চিকিৎসক জানায় রুবি আর বেঁচে নেই।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আমাদের ধারণা অতিরিক্ত মদ্যপানে ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এই ঘটনায় আরমান, রিফাত ও শাওন নামে তিনজনকে পুলিশ ক্যাম্পে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। পরে তাদের হাজারীবাগ থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে।




বরিশালে বাসচাপায় ভিক্ষুক নিহত

বরিশাল অফিস :: বরিশালে যাত্রীবাহী বাসচাপায় ৭০ বছর বয়সী এক ভিক্ষুক নিহত হয়েছেন।

সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পৌনে ২টার দিকে জেলার গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া বটতলা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ভিক্ষুক উপজেলার চন্দ্রহার এলাকার বাসিন্দা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে ওই ভিক্ষুক রাস্তা পার হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. কামরুজ্জামান জানান, বাসচালককে আটক করা যায়নি। চালককে আটক করতে অভিযান চলছে।

গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রসুল মোল্লা এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় পরে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




কলাপাড়ায় বিলুপ্তির পথে মহিষ পালন

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): একটা সময় গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতে পারিবারিক খামারে মহিষ পালতে দেখা যেত। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে বিলে দেখা যেত মহিষের পাল। দলবেঁধে খাওয়া আর বিলকে মাতিয়ে রাখাই ছিল মহিষের কাজ। গ্রামের মধ্যে যাদের জমি বেশি থাকত তাদের মহিষও বেশি থাকত। মহিষের দুধ আর মাংসের জন্য লালন-পালন করত তখনকার কৃষকরা। হালচাষের জন্য ছিল মহিষের আলাদা কদর।

সময়ের পরিবর্তনে এখন আর চোখেই পড়ে না মহিষ পালন। দলবেঁধে ঘুরতে দেখা যায় না বিলে। বর্ষা মৌসুমে হালচাষে নেই মহিষের উপস্থিতি। দুধ আর মাংসের জন্য বিখ্যাত হলেও এখন আর নেই এসবের সহজলভ্যতা। হারিয়ে যেতে বসছে ঐতিহ্যের মহিষ পালন।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে হাতে গোনা কয়েকটি পরিবারে বাবা-দাদার পারিবারিক ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। একদিকে মহিষের খাদ্য সংকট অন্যদিকে গ্রামগঞ্জের খাল দখলে পানি না থাকায় একেবারে হারিয়ে যেতে বসেছে মহিষ পালন।

কৃষকরা জানান, একটা সময় আমরা বিলে মহিষ ছেড়ে দিয়ে লালন-পালন করতাম। পুরো খালে বিলে পানি আর ঘাসে পরিপূর্ণ থাকত। রোগ বালাই কম হতো। বিশেষ করে হালচাষ করার প্রধান মাধ্যম ছিল মহিষ। সকাল থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত টানা হালচাষ করা যেত। তখনকার সময় পাওয়ার টিলার ছিল না। খরচ লাগত কম হালচাষে। এখন আর মহিষ দিয়ে কেউ হালচাষ করে না। আমরা যারা মহিষ পালন করি তারা খুব কষ্টে আছি। খাবার, পানি, চিকিৎসা সব মিলিয়েই সংকট। হয়তো কয়েক বছর পর কেউ মহিষ পালন করবে না।

নীলগঞ্জ ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. জাকির হাওলাদার বলেন, আমাদের একটা সময় ৬০ থেকে ৭০টি মহিষ ছিল। এ গ্রামে অনেকেই মহিষ পালন করত। এখন আমাদের পরিবারে ২০টির মতো মহিষ আছে। খাবার, পানির অভাবের কারণে মহিষ পালন করা যায় না। মহিষের খাবার কিনে খাওয়ানো সম্ভব নয়। প্রতিদিন ২ মণ খাবার ও ১ মণ পানির প্রয়োজন হয়। এখন আর মহিষ দিয়ে হালচাষ হয় না। সব মিলিয়ে বিলুপ্তপ্রায় এ মহিষ জাতটি।

পশু চিকিৎসক আবু সাইদ জানান, নীলগঞ্জ ইউনিয়নে হাতে গোনা ৩-৪টা পরিবারে দেখা যায় মহিষ পালন। তবে খাদ্য ও চিকিৎসা ব্যবস্থা সহজলভ্য হলে আগ্রহ বাড়ত কৃষকদের।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. ফজলুল হক সরদার বলেন, মহিষ পালন একেবারে কমে যাচ্ছে ধারণা ভুল। কলাপাড়া উপজেলায় দুটি উৎপাদন গ্রুপ আছে। প্রত্যেক গ্রুপে ৪০ জন সদস্য আছে। কলাপাড়া উপজেলায় প্রায় ১৩ হাজার মহিষ আছে যা পারিবারিক খামারে বেড়ে উঠছে। তবে খাদ্য সংকট আছে। আমরা মুজিব কিল্লায় ও পরিত্যক্ত জঙ্গলে ঘাস উৎপাদন করা যায় কিনা এটার ব্যপারে পদক্ষেপ নেব।




বাউফলে সেতু আছে, সড়ক নেই

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর বাউফলে সেতু নির্মাণের সাত বছর হয়ে গেছে। কিন্তু এর দু’পাশে কোনো সড়ক নেই। ফলে সেতুটি কোনোভাবেই ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এতে সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করা হলেও সেতুটি উপকারে আসছে না এলাকাবাসীর।

সরজমিন দেখা যায়, উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের মল্লিকডুবা বাজারের দক্ষিণ পাশে মল্লিকডুবা-ভরিপাশা গ্রামের সীমানা খাল। খালের পশ্চিম মাথায় উত্তর-দক্ষিণমুখী সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। সেতুর দক্ষিণ পাশে পুরোপুরি ফাঁকা, বন-জঙ্গলে ভরা। নেই কোনো পথের অস্তিত্ব। সেতু থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে নুরাইপুর-ভরিপাশা পাকা সড়ক রয়েছে। আর সেতুর উত্তর পাশে মানুষ চলাচলের উপযোগী সরু মাটির কাঁচা রাস্তা রয়েছে। যা যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী। ওই মাটির রাস্তা দেড় কিলোমিটার দুরে কেশবপুর ডিগ্রি কলেজের কাছে গিয়ে পাকা সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত  হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, সেতু নির্মাণ করা হলেও সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। এজন্য সেতুটি কোনো ভাবেই ব্যবহার করা যাচ্ছে না। তাই বিকল্প বেশি দূরত্বের পথ দিয়ে চলাচল করা হয়ে থাকে।

মো. মজিব হাওলাদার বলেন, সড়কের অভাবে গাড়ি চলতে পারে না। আমাদের বিকল্প বেশি দূরত্বে পথে চলাচল করতে হয়।

মো. আনোয়ার খলিফা বলেন, এই সেতু নির্মাণ করা সরকারের টাকা অপচায় ছাড়াই কিছু না। সেতুটি দিয়ে মানুষ কিংবা যানবাহন কখনো চলাচল করেনি। মাত্র সাত বছরে  সেতুটির ঢালাইয়ের ইট-সুরকি খসে পড়ছে, রড বেরিয়ে গেছে। তিনি নিম্নমানের কাজের জন্য ঠিকাদার ও তদারক কর্মকর্তার শাস্তি দাবি করেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের  সেতু/কালভার্ট  প্রকল্পের আওতায় ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে ৩৬ ফুট দীর্ঘ ও ১৪ ফুট প্রশস্ত এই সেতুটি নির্মাণ করা হয়। এতে ব্যয় হয়েছে ২৯ লাখ ৫৭ হাজার টাকা। ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বশির গাজী বলেন, বিষয়টি আমার জানা  নেই। এমনটা হলে তা খুবই দুঃখজনক। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা  নেয়া হবে।




দেড়শ রানও করতে পারল না চট্টগ্রাম

বরিশাল অফিস :: আগের ম্যাচেই দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে দলকে প্লে অফের টিকিট এনে দিয়েছিলেন তানজিদ তামিম। তবে এলিমিনেটরে এসে ব্যর্থ হলেন এই ওপেনার। তামিমের ব্যর্থতার দিনে দায়িত্ব নিয়ে বড় ইনিংস খেলতে পারেননি কেউই। জশ ব্রাউন-টম ব্রুসরা ভালো শুরু পেয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি।

সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নিরধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রান সংগ্রহ করেছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। দলের হয়ে ২২ বলে সর্বোচ্চ ৩৪ রান করেছেন ব্রাউন।

বিস্তারিত আসছে…




এমবিবিএস হলেন কুষ্টিয়ার মুফতি হাবিব

অনলাইন ডেস্ক : গণমানুষের সেবার স্বপ্ন থেকে এমবিবিএস হয়েছেন কুষ্টিয়ার মুফতি হাবিবুর রহমান। এখন উত্তম ব্যবহার, আন্তরিকতা ও সঠিক চিকিৎসা দিয়ে গণমানুষের চিকিৎসক হয়ে ওঠতে চান তিনি। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর স্বপ্ন থেকেই তিনি এই অঙ্গনে অগ্রসর হয়েছেন।

মুফতি হাবিব জানিয়েছেন, মাদরাসায় অধ্যয়নকালে তার উস্তাজ মুফতি হাফিজুর রহমান মেহেরপুরী থেকে চিকিৎসক হওয়ার প্রেরণা লাভ করেন। পরে হাটহাজারী মাদরাসার মুফতি কিফায়াতুল্লাহ এবং মারকাযুদ দাওয়ার মুফতি আব্দুল মালেকের পরামর্শে তিনি এই পথে পা বাড়ান। খেদমতে খালক তথা সৃষ্টির সেবার মানসে তিনি এই পথে যাত্রা শুরু করেন। এরপর দীর্ঘমেয়াদী কঠিন পড়াশোনার চাপ সামলানোর পর অবশেষে লক্ষ্যকে ছোঁয়ার দ্বার প্রান্তে পৌঁছেছেন তিনি।

এ অর্জনকে বাংলাদেশের প্রথম দৃষ্টান্ত দাবি করে তিনি বলেন, আমার জানা মতে বাংলাদেশে এটাই প্রথম দৃষ্টান্ত যে একই ব্যক্তি ভালো আলেম হওয়ার পাশাপাশি এমবিবিএস ডাক্তারও হয়েছেন।

তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন, যেন আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষ্যে সৃষ্টির সেবায় নিজেকে নিয়োগ করতে পারেন।

উল্লেখ্য, মুফতি হাবিব রাজধানীর বিখ্যাত দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জামিয়া দারুল উলূম ফরিদাবাদ থেকে তাকমিল সমাপন করেন। তিনি বোর্ড পরীক্ষায় মুমতাজ মার্ক পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। এরপর তার প্রিয় উস্তাজ মুফতি হাফিজুর রহমান মেহেরপুরীর প্রতিষ্ঠান জামিয়া ইসলামিয়া মেহেরপুর থেকে ইসলামী আইনশাস্ত্রে উচ্চতর পড়াশোনা করে মুফতি হন।




তামিমদের হারাতে প্রস্তুত চট্টগ্রাম




কোরআনে বিশ্বজয়ী হাফেজ বশিরকে সংবর্ধনা দেবে ছাত্রলীগ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  বিশ্বের ৮০ দেশকে হারিয়ে ইরানে কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়া বাংলাদেশের বিশ্বজয়ী হাফেজ বশির আহমেদকে ফুলের শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা দেবে ছাত্রলীগ।



রাশিয়ার হামলায় ৩১ হাজার ইউক্রেনীয় সৈন্য নিহত: জেলেনস্কি




বরিশালে ছেলের বিরুদ্ধে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

বরিশাল অফিস :: ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় খলিলুর রহমান হাওলাদার (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে তার ছেলে পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এর আগে শনিবার রাতে খলিলুরের ১৭ বছর বয়সী ছেলে এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে স্বজনেরা অভিযোগ করেছেন। খলিলুর রহমান রানাপাশা ইউনিয়নের দক্ষিণ রানাপাশা গ্রামের হামিজ উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে। এ ঘটনায় নিহত খলিলুরের স্ত্রী সালেহা বেগমকে (৩৫) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরাদ আলী। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে খলিলুরের ছেলে। সে সেখানেই থাকে। তিন দিন আগে খলিলুর তার স্ত্রীকে মারধর করেন। মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে ফিরে খলিলুরের ছেলে বিষয়টি জানতে পারে। এ নিয়ে তর্কের জেরে শনিবার রাতে সে তার বাবা খলিলুরকে পিটিয়ে আহত করে। পরে খলিলুরের ভাই আবদুল কাদের বিষয়টি জানতে পেরে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার দুপুরে তার মৃত্যু হয়।

নলছিটি থানার ওসি মো. মুরাদ আলী বলেন, খবর শুনে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও নিহতের বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। খলিল হাওলাদারের ছেলে পলাতক। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শ্রমিক লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা রানাপাশা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শাহজাহান হাওলাদার বলেন, খলিলুরের মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। কী কারণে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে, তা তিনি জানতে পারেননি।