কুয়াকাটা খালের সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ, প্রকল্প বাস্তবায়নে নকশা কর্মশালা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: উপকূলীয় এলাকার শহর উন্নয়নে প্রযুক্তিগত সহায়তা ও জলবায়ু প্রতিরোধ (সিটিসিআরপি) প্রকল্পের আওতায় সমন্বিত এবং বাসযোগ্য শহর গড়ে তুলতে পটুয়াখালীর পর্যটন নগরী কুয়াকাটা খালের সৌন্দর্য বর্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রায় দুইশ কোটি টাকা প্রকল্পের আওতায় এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক— এডিবির অর্থায়নে এলজিইডি বিভাগ এ কাজ বাস্তবায়ন করবে।
এ লক্ষ্যে জনপ্রতিনিধি, সামাজিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয়দের অংশগ্রহণে সুষ্ঠুভাবে ও সৌন্দর্যের সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে নকশ প্রণয়ন কর্মশালা করেছে এডিবি। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে কুয়াকাটায় পর্যটকদের বিনোদনে নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় কুয়াকাটা পৌরসভা অডিটোরিয়ামে ‘কুয়াকাটা খালের’ দুই পাড়ের সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিকল্পনা বিষয়ক এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আরো পড়ুন : বিদেশি প্রকৌশলী নির্ভরতা কমাতে পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে কুয়েট শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ
এ সময় পৌরসভার প্যানেল মেয়র মো. মনির শরীফের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের পরিদর্শক মো. মাহফুজ রহমান, প্যানেল মেয়র-২ মো. শহিদ দেওয়ান, কুয়াকাটা বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. খলিলুর রহমান, পর্যটন উদ্যোক্তা হাসানুল ইকবাল, কাউন্সিলর তৈয়বুর রহমান, ফজলুল হক খান, আবুল হোসেন ফরাজী, মো. মজিবর রহমান, তুলাতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল বারী আজাদ প্রমুখ।
এছাড়াও পৌর এলার প্রতিটি ওয়ার্ডের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার অর্ধশত মানুষ এ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় প্রকল্প বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আরবান ডিজাইনার ও এডিবির কনসালট্যান্ট মোহাম্মদ শামসুজ্জামান।
কর্মশালায় প্রকল্পের ধারণাগত নকশা প্রণয়ন এবং এর বাস্তবায়ন নিয়ে খোলামেলা মতামত গ্রহণ করা হয়। পর্যটকদের বিনোদনে এবং একটি বাসযোগ্য শহর গড়ে তুলতে এডিবির এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় প্রতিনিধিসহ সকল শ্রেনী পেশার মানুষ।
আরো পড়ুন : এনজিওর চাকরি ছেড়ে মাশরুম চাষে সফল পটুয়াখালীর মিলন
কুয়াকাটা খালের সৌন্দর্যবর্ধন করা হলে পর্যটকসহ স্থানীয়দের বিনোদনে নতুন মাত্রা যোগ হবে এমনটাই জানায় কুয়াকাটা পৌর কতৃপক্ষ।
খালের দুই পাড়ের এক্সেস রোড, ফুটব্রিজ, র্যাম্প, ওয়াকওয়ে, বোর্ডওয়াক, ৩টি ঘাট, বসার শেড, বোট রাইডিং, মাছ ধরার পয়েন্ট, ফ্লোটিং গার্ডেন, মার্কেট, রেস্তোরাঁ, আলোকসজ্জা, পাবলিক টয়লেট, পানীয় জলের ব্যবস্থা, মানচিত্র, নিরাপত্তা ক্যামেরা, বৃক্ষরোপণ, ঝর্ণা, ফুটব্রিজ, খাল খননসহ বিভিন্ন বিষয়ে স্থান পেয়েছে প্রস্তাবিত এই নকশায়।
জলবায়ু সহনশীল সবুজ অবকাঠামো এবং প্রকৃতিভিত্তিক পর্যটন নগরী গড়ে তুলতে এমন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।











