মিত্রদের আধুনিক অস্ত্রগুলো জ্যামার দিয়ে অকার্যকর করে দিচ্ছে রাশিয়া

মোহাম্মাদ খান (আর্ন্তজাতিক ডেস্ক): যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা মিত্রদের আধুনিক অস্ত্রগুলো জিপিএস কোর্ডিনেট জ্যামার দিয়ে অকার্যকর করে দিচ্ছে,রাশিয়া।”

মার্কিন থিঙ্ক ট্যাঙ্ক হাডসন ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো ব্রায়ান ক্লার্ক বিবিসি নিউজকে বলেছেন যে ইউক্রেনের সাথে সংঘাতের সময় রাশিয়ার ইলেকট্রনিক-ওয়ারফেয়ার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করেছে।

তিনি বলেন, রাশিয়া এখন সামনের সারিতে শত শত ছোট, মোবাইল ইলেকট্রনিক-ওয়ারফেয়ার ইউনিট মোতায়েন করছে, অথচ প্রথম দিকে বড় এবং বহনে বেশ কষ্টকর ইউনিটের উপর নির্ভর করেছিল যা সহজেই ইউক্রেনের লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল।

“ঝিটেল জ্যামারের ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে একটি জিপিএস সংকেত জ্যাম করতে পারে জানিয়ে ক্লার্ক বলেন, “জেডিএএম বোমাগুলির মতো অস্ত্রের জন্য, যা লক্ষ্যে এটিকে গাইড করতে একটি জিপিএস রিসিভার ব্যবহার করে, এটি তার ভূ-অবস্থান হারাতে এবং লক্ষ্যবস্তু থেকে দূরে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট।”

ইউক্রেনে জয়েন্ট ডাইরেক্ট অ্যাটাক মিউনিশন বা জেডিএএম-এর কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ইউকে থিঙ্ক ট্যাঙ্ক দ্য রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউট জানুয়ারিতে ফাঁস হওয়া মার্কিন নথির উদ্ধৃতি দিয়েছে যেখানে কর্মকর্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে রাশিয়া জেডিএএমকে জ্যাম করছে জিপিএস স্থানাঙ্ক।

দ্য ডিফেন্স পোস্ট জানিয়েছে, জেডিএএম বোমাগুলি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে সরবরাহ করেছিল যা ৪৫ মাইল দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার জন্য আকাশপথে উৎক্ষেপণ করা যেতে পারে। অনেক দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মতো, তারা তাদের লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য জিপিএস স্থানাঙ্কের উপর নির্ভর করে। তাদের HIMAR দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়েও বেশি পাল্লা রয়েছে যা ইউক্রেন গত বছর পাল্টা আক্রমণে রাশিয়ান বাহিনীকে তাড়ানোর জন্য ব্যবহার করেছিল,

ইউক্রেনের পশ্চিমা মিত্ররা যে অস্ত্রগুলিকে রাশিয়ানদের তাড়ানোর জন্য ইউক্রেনকে পাল্টা আক্রমণে সাহায্য করতে পারে বলে আশা করেছিল সেগুলোর মধ্যে এসব অস্ত্রও ছিল।

কিন্তু রাশিয়ার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পশ্চিমা সরবরাহকৃত অস্ত্রের বিরুদ্ধে স্থিতিস্থাপক প্রমাণিত হয়েছে, দক্ষিণ ও পূর্ব ইউক্রেনে তার অবস্থান রক্ষার জন্য রাশিয়া যে বিশাল মাইনফিল্ড তৈরি করেছে তার মুখে পশ্চিমা ট্যাঙ্কগুলি মূলত অকার্যকর। পশ্চিমা আক্রমণাত্মক কৌশলগুলি এখনও পর্যন্ত ইউক্রেনকে একটি নিষ্পত্তিমূলক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে পারেনি।

বিজনেস ইনসাইডার অবলম্বনে।




বরিশালে ২০৬টি শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে

প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আইসিটি শিক্ষায় নিজেদেরকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে বরিশালে প্রায় ২০৬টি শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জেলার সদর উপজেলাসহ নগরীর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় প্রায় ৪৮টি ও জেলার বাকি ৯টি উপজেলায় ১৫৮টি সর্বমোট ২০৬টি শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার এ খাতকে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সর্বব্যাপী প্রয়োগ ও ব্যবহারে কারিগরি সহায়তা নিশ্চিত করনের লক্ষ্যে কাজ করছেন ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর’।

সূত্র আরো জানায়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সুবিধা সমূহ প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছানো, অবকাঠামো নিরাপত্তা বিধান, রক্ষণাবেক্ষণ, বাস্তবায়ন, সম্প্রসারণ মাননিয়ন্ত্রণ ও কম্পিউটার পেশাজীবীদের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জেলার প্রান্তিক জনগোষ্ঠির ই-সার্ভিস প্রদান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ উন্নয়ন তহবিল (জেওবি)-এর অর্থ্যায়নে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর।

এ বিষয়ে বরিশাল কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ-এর অধ্যক্ষ প্রফেসর খোন্দকার অলিউল ইসলাম বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই প্রতিষ্ঠানটির শতভাগ মাল্টিমিডিয়া (ইন্টারএকটিভ বোর্ড) ক্লাস রুমসহ সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম নগরবাসীকে আকৃষ্ট করেছে। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে আইটি নির্ভর বর্তমান বিশ্বের জন্য দক্ষ করে গড়ে তুলতে নিয়মিত হাতে কলমে মাইক্রোসফট অফিস, ওয়েব ডিজাইনিং ও প্রোগ্রামিং এর মত বিষয়গুলো পাঠদান করা হয়।

এ ব্যপারে জেলা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্ত’র প্রোগ্রামার মো. আতিকুর রহমান বলেন, এসএসসি ও এইচএসসি পাস শিক্ষার্থীদের আইটি নির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০৬টি শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের মেন্টরিং, কোচিং ও মনিটরিং এর জন্য সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

একটি বাসস ফিচার




চীন-যুক্তরাষ্ট্র নতুন উত্তেজনা

মাইক্রোচিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বন্দ্ব ও উত্তেজনার মধ্যেই নতুন পদক্ষেপ নিল বেইজিং। সম্প্রতি সেমিকন্ডাক্টর তৈরির প্রধান দুটি উপাদান রপ্তানির ওপর চীন যে বিধিনিষেধ আরোপের ঘোষণা দিয়েছিল তা কার্যকর হতে যাচ্ছে। বেইজিং প্রশাসনের নতুন এই নীতি অনুসারে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনীতির দেশটি থেকে কোথাও গ্যালিয়াম ও জার্মেনিয়াম রপ্তানির জন্য বিশেষ লাইসেন্সের প্রয়োজন হবে। ইলেকট্রনিক্স ও কম্পিউটার চিপসহ সামরিক সরঞ্জামাদি উৎপাদনে এই দুটো উপাদান ব্যবহার করা হয়। মাইক্রোপ্রসেসর প্রযুক্তি শিল্পে চীন যেন খুব বেশি দূর অগ্রসর হতে না পারে সেজন্য এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়। তারই অংশ হিসেবে চীনের কাছে সেমিকন্ডাক্টর রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ওয়াশিংটন। তারপরেই চীন গ্যালিয়াম ও জার্মেনিয়াম রপ্তানির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে।

বিশ্বব্যাপী যত গ্যালিয়াম ও জার্মেনিয়াম ব্যবহার করা হয় তার সবচেয়ে বড় উত্পাদনকারী দেশ চীন। জরুরি কাঁচামাল শিল্প সংক্রান্ত জোট ক্রিটিক্যালের ম্যাটেরিয়ালস অ্যালায়েন্স সিআরএমএর হিসাব অনুসারে সারাবিশ্বে ব্যবহূত গ্যালিয়ামের ৮০ শতাংশ এবং জার্মেনিয়ামের ৬০ শতাংশ আসে চীন থেকে।

সাধারণত অন্যান্য প্রক্রিয়ার উপজাত হিসেবে এগুলো তৈরি হয়ে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি জাপান ও নেদারল্যান্ডসও চীনের কাছে চিপ প্রযুক্তি রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। সেমিকন্ডাক্টর প্রস্তুতকারী বিশ্বের প্রধান একটি কোম্পানি এএসএমএল নেদারল্যান্ডসে অবস্থিত। চীন থেকে এই ঘোষণা আসার সময়টা কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়। কারণ এর আগে হল্যান্ডসহ আরো কয়েকটি দেশ চীনের কাছে চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে এ কথা বলেন বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান বিএমও ক্যাপিটাল মার্কেটসের কলিন হ্যামিলটন।

তিনি বলেন, বিষয়টা খুব সহজ। আপনি যদি আমাকে চিপ না দেন, তাহলে এসব চিপ তৈরিতে যেসব উপাদান লাগে, আমরাও সেগুলো আপনাদের দেব না। বিশ্বের বৃহৎ এই দুটো দেশের মধ্যে ক্রমাগত এধরনের পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপের ফলে সম্পদের জাতীয়তাবাদীকরণ প্রবণতার বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই প্রবণতায় একটি দেশের সরকার আরেকটি দেশের ওপর প্রভাব বিস্তারের জন্য জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ উপাদান নিজেদের কাছে মজুত করে রাখে।

বার্মিংহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কেভিন হারপার বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি যে বিভিন্ন দেশের সরকার এখন বিশ্বায়নের ধারণা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। তিনি গ্যালিয়াম ও জার্মেনিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান নিয়ে গবেষণা করেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারগুলো এসব উপাদান সরবরাহ করবে এমন ধারণা এখন আর নেই। আর আপনি যদি এই চিত্রটাকে আরো বড় পরিসরে দেখেন তাহলে দেখবেন যে, পশ্চিমা শিল্প কিছুটা হলেও তাদের অস্তিত্ব রক্ষার হুমকির মধ্যে পড়েছে। গ্যালিয়াম আর্সেনাইড একটি যৌগিক পদার্থ যা গ্যালিয়াম ও আর্সেনিক দিয়ে তৈরি। হাই-ফ্রিকোয়েন্সি কম্পিউটার চিপ তৈরিতে এটি ব্যবহূত হয়।

এছাড়াও লাইট এমিটিং ডায়োডস বা এলইডি লাইট এবং সোলার প্যানেল উত্পাদনেও এই পদার্থটি ব্যবহার করা হয়। বিশ্বের সীমিত সংখ্যক কিছু কোম্পানি ইলকেট্রনিক সামগ্রীতে ব্যবহারযোগ্য নিখাদ গ্যালিয়াম আর্সেনাইড উত্পাদন করে থাকে। মাইক্রোপ্রসেসর এবং সোলার সেল তৈরি করতেও জার্মেনিয়াম ব্যবহার করা হয়। হ্যামিলটন বলেন, ভিশন গগলসেও এটি ব্যবহার করা হয় যা সামরিক বাহিনীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এর বিকল্প হিসেবে আঞ্চলিকভাবেই যথেষ্ট সরবরাহ থাকা উচিত। উন্নত মানের সেমিকন্ডাক্টর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এটা নিশ্চিত করা কঠিন যেহেতু এই খাতে চীন আধিপত্য বিস্তার করছে। তাই রিসাইক্লিংয়ের বিষয়টি বিবেচনা করা লাগতে পারে।

গত মাসে পেন্টাগনের এক মুখপাত্র বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জার্মেনিয়ামের মজুত আছে, কিন্তু তাদের কাছে সেই পরিমাণে গ্যালিয়াম নেই। ঐ মুখপাত্র আরো জানান, প্রতিরক্ষা দপ্তর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। মাইক্রোইলেকট্রনিক্সের জন্য গ্যালিয়াম ও জার্মেনিয়ামসহ যেসব গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ প্রয়োজন সেগুলোর সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য দেশের ভেতরে খনিজ পদার্থ উত্তোলনের ও প্রক্রিয়াজাতকরণের তত্পরতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। তারপরেও রপ্তানির ওপর চীনের আরোপ করা বিধিনিষেধ দীর্ঘ মেয়াদে সীমিত কিছু প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাজনৈতিক ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে এরকম একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইউরেশিয়া গ্রুপ বলছে, গ্যালিয়াম ও জার্মেনিয়াম রপ্তানির ক্ষেত্রে চীন শীর্ষস্থানীয় হলেও কম্পিউটার চিপ উত্পাদনে যেসব উপকরণের প্রয়োজন সেগুলো উত্পাদনের জন্য বিকল্প উত্স রয়েছে। তারা বলছে, এজন্য চীনের বাইরেও কিছু স্থাপনা রয়েছে।

এক দশক আগে চীন যখন বিরল কিছু খনিজ পদার্থ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল, তখনো ইউরেশিয়া গ্রুপ প্রতিষ্ঠানটি একই ধরনের বক্তব্য তুলে ধরেছিল। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়েছেন যে এসব সম্পদ ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করলে তা সারা বিশ্বের পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। কারণ পরিবেশের ক্ষতি করে না এরকম নতুন সব প্রযুক্তি এসব পদার্থের ওপর নির্ভরশীল।




হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ ফরওয়ার্ড করার সময়েই তৈরি করা যাবে গ্রুপ

জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ ফরওয়ার্ড করার সময় এক এক করে ইউজার সিলেক্ট করতে গিয়ে অনেকেই বিরক্ত হন। কারণ ইউজারদের খুঁজে খুঁজে বের করতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন হয়। কিন্তু এবার ইউজারদের সুবিধার জন্য একটি বিশেষ ফিচার চালু করতে চলেছে হোয়াটসঅ্যাপ। যার ফলে এসব সমস্যায় আর পড়তে হবে না কাউকে।

সম্প্রতি হোয়াটসঅ্যাপ এমন একটি ফিচার নিয়ে কাজ করছে, যার মাধ্যমে মেসেজ পাঠানোর সময় একটি গ্রুপ তৈরি করে নিতে পারবেন ইউজাররা। হোয়াটসঅ্যাপ ট্র্যাকার হোয়াবেটাইনফো নতুন এ ফিচারের কথা প্রকাশ্যে এনেছে। তবে কবে এ ফিচারটি ইউজারদের জন্য চালু হবে তা অবশ্য জানা যায়নি। যেহেতু নতুন ফিচারটি নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ যখন কাজ শুরু করে দিয়েছে, সেহেতু এটি কার্যকর হতে খুব বেশি দেরি নেই বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপে আগ থেকে তৈরি করা কোনো গ্রুপে মেসেজ ফরওয়ার্ড করতে পারেন ইউজাররা। তবে নতুন এ ফিচারটি চালু হলে একটি মেসেজ ফরওয়ার্ড করার সময়েই হোয়াটসঅ্যাপের কন্টাক্ট লিস্টে থাকা অন্যান্য ইউজারদের নিয়ে গ্রুপ তৈরি করে নেওয়া যাবে এবং সেই সময় মেসেজও পাঠিয়ে দেওয়া যাবে। এটি চালু হলে ইউজারদের অনেক সুবিধা হবে। কারণ এতে আলাদা আলাদা করে ইউজারদের বেছে নিয়ে মেসেজ ফরওয়ার্ড করতে হবে না। বর্তমানেও অবশ্য হোয়াটসঅ্যাপে একসঙ্গে একাধিক ইউজারকে মেসেজ ফরওয়ার্ড করার সেবাটি পাওয়া যাচ্ছে।

ইউজারদের সুরক্ষায় হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ লঞ্চ করতে চলেছে নতুন ফিচার

শোনা যাচ্ছে, নতুন সিকিউরিটি ফিচার ইতোমধ্যেই অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস-এ বিটা টেস্টারদের জন্য রোলআউট শুরু হয়েছে। নতুন এ হোয়াটসঅ্যাপ প্রাইভেসি ফিচারের নাম ‘ফোন নম্বর প্রাইভেসি’। আগে এ ফিচার সম্পর্কে বলা হয়েছিল, ইউজাররা কোনো কমিউনিটিতে যুক্ত হলে তাদের ফোন নম্বর গোপন রাখতে পারবেন। সূত্রমতে, আসন্ন প্রাইভেসি ফিচারের সাহায্যে ইউজাররা হোয়াটসঅ্যাপে কোনো কমিউনিটিতে কথোপকথনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন, মেসেজে নিজেদের রিঅ্যাকশন দিতে পারবেন, কিন্তু তাদের নাম দেখা যাবে না। এমনকি গোপন থাকবে ফোন নম্বরও। হোয়াটসঅ্যাপ কমিউনিটির অন্যান্য সদস্যরা আপনার নাম বা ফোন নম্বর দেখতে পাবেন না। তবে মেটার পক্ষ থেকে এখনো জানানো হয়নি কবে ইউজারদের জন্য চালু করা হবে এ প্রাইভেসি ফিচার।




পাসওয়ার্ড শেয়ারিং বন্ধে কড়া পদক্ষেপ ডিজনি প্লাস হটস্টারের

পাসওয়ার্ড শেয়ারিংয়ে নেটফ্লিক্সের মতো কড়াকড়ি নিয়ম করতে যাচ্ছে আরেক স্ট্রিমিং সার্ভিস ডিজনি প্লাস হটস্টার। এই মুহূর্তে প্ল্যাটফর্মটির একটি লগইন থেকে ১০টি ডিভাইস চালানো যায়। সেই সুযোগ আর থাকছে না। এক লগইনে চারটির বেশি ডিভাইস ব্যবহার করা যাবে না।

চলতি বছরের শেষ দিকেই প্রত্যেক অ্যাকাউন্টে লগইনের জন্য বিষয়টি বাধ্যতামূলক করতে চলেছে প্ল্যাটফর্মটি। সম্প্রতি এক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে বিষয়টি জানা গেছে।

যদিও ডিজনি প্লাস হটস্টারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বলছে, একটি অ্যাকাউন্টে চারজনের বেশি লগইন করা যাবে না।

এক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাসওয়ার্ড শেয়ারিংয়ের বিষয়ে আরও কড়াকড়ি করতে চলেছে ডিজনি প্লাস হটস্টার, একটা লগইনে সর্বাধিক চারটির বেশি ডিভাইস ব্যবহার করা যাবে না। চলতি বছরের শেষ দিকেই প্রত্যেক লগইনের জন্য বিষয়টি বাধ্যতামূলক করবে প্ল্যাটফর্মটি।

পাসওয়ার্ড শেয়ারিং নিয়ে দিন কয়েক আগেই কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে নেটফ্লিক্স। বিশ্বের একশ’রও বেশি দেশে তারা নতুন এ নিয়ম করেছে, যেখানে একজন ব্যবহারকারী তার বাড়ির বাইরে অন্য কারও কাছে নিয়ে যেতে পারবেন না নেটফ্লিক্স অ্যাকাউন্টটিকে। সেই অ্যাকাউন্টে অতিরিক্ত ব্যবহারকারীদের যোগ করাতে গেলেই অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে। সেই পথে হাঁটছে ডিজনি। তারা ব্যবহারকারীদের মধ্যে পাসওয়ার্ড শেয়ার করার ব্যাপারটি পুরোদমে বন্ধ করতে চাইছে।

স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলো অর্থাৎ ডিজনি, নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন, এমনকি জিও সিনেমার জন্যও ভারত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মার্কেট। প্রত্যেকটি প্ল্যাটফর্মই এ দেশে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছে।

সাম্প্রতিক একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৭ সালের মধ্যে ভারতের স্ট্রিমিং সেক্টরের মার্কেট ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের হয়ে যাবে। তালিকায় প্রথম স্থানেই রয়েছে ডিজনি প্লাস হটস্টার, তাদের ইউজার সংখ্যা প্রায় ৫০ মিলিয়ন। অন্য দিকে ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের মার্চ পর্যন্ত সময়কালে দেশের স্ট্রিমিং মার্কেটের অগ্রগতির পেছনে ৩৮% অবদান ডিজনি প্লাস হটস্টারের। এখন এই পরিস্থিতিতে প্ল্যাটফর্মের ইউজারদের মধ্যে যদি পাসওয়ার্ড শেয়ার করার প্রবণতা অনেকটা কমে যায়, তাহলে তাদের ইউজার সংখ্যা দেশে ব্যাপক হারে বেড়ে যাবে।

ফোর-ডিভাইস লগইন নীতি কার্যকর করার সিদ্ধান্তটি প্রাথমিকভাবে পাসওয়ার্ড শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে গ্রাহকদের আকর্ষণ করার জন্য আটকে রাখা হয়েছিল। সে সময় কোম্পানি আশা করেছিল যে, এই ব্যবহারকারীরা শেষ পর্যন্ত টাকা দিয়ে ডিজনি প্লাস হটস্টার সাবস্ক্রাইব করবেন। কিন্তু, প্রতিষ্ঠানটি রাজস্ব বৃদ্ধি বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে ডিজনি এখন পাসওয়ার্ড শেয়ারিং বন্ধ করতে আরও সক্রিয় অবস্থান নিচ্ছে।




১২ জিবি র‍্যামের নতুন স্মার্টফোন

১২ জিবি পর্যন্ত ডায়নামিক র‍্যামের নতুন স্মার্টফোন নিয়ে এলো রিয়েলমি। চ্যাম্পিয়ন সিরিজের রিয়েলমি সি৫৩ ফোনে ১২৮ জিবি স্টোরেজ ও ৭.৪৯ মিলিমিটার বডিসহ আরো অনেক ফিচার রয়েছে।

১৭ হাজার ৯৯৯ টাকা দামের রিয়েলমি সি৫৩ ডিভাইসে নিয়ে আসা হয়েছে চার্জ, স্টোরেজ ও ডিজাইনের সেগমেন্ট সেরা ফিচার। ৩৩ ওয়াট সুপারভুক চার্জারের সাহায্যে ব্যবহারকারী এখন মাত্র ৩১ মিনিটের মধ্যেই ফোন ৫০ শতাংশ চার্জ করতে পারবেন। এই সিরিজের আগের ফোন ১০ ওয়াট চার্জের সি৩৩ ডিভাইসের তুলনায় এই ফোনটির চার্জিং স্পিড শতভাগ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিশ্চিন্ত চার্জিং পারফর্ম্যান্সের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করতে সি৫৩ ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়েছে ৫,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল ব্যাটারি।

রিয়েলমি সি৫৩ ডিভাইসে টি৬১২ অক্টাকোর চিপসেটের পাশাপাশি এই সেগমেন্টের সবচেয়ে বড় স্টোরেজ সুবিধা আছে এবং ১২ জিবি পর্যন্ত ডায়নামিক র‍্যাম ও ১২৮ জিবি রম রয়েছে। এর ডিআরই র‍্যাম এক্সপানশন টেকনোলোজির মাধ্যমে ৬ জিবি র‍্যামের সাথে আরও ৬ জিবি র‍্যাম যোগ করা যাবে, মোট ১২ জিবি র‍্যামের এই সুবিধা ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত করবে। এছাড়া সি৫৩ ডিভাইসটিতে ২টি ন্যানো সিম কার্ড ও ১টি মাইক্রোএসডি কার্ড একই সাথে ব্যবহার করা যাবে। ফলে স্টোরেজ ২ টেরাবাইট পর্যন্ত বাড়ানোর সুযোগ থাকছে।

ফটোগ্রাফিপ্রেমীদের জন্য ফোনটিতে রয়েছে এফ/১.৮ অ্যাপারচার ও ৫ পিক্সেল লেন্স সহ ৫০ মেগাপিক্সেল মেইন ক্যামেরা ও এফ/৩.০ অ্যাপারচার সহ বিঅ্যান্ডওব্লিউ লেন্স। পাশাপাশি, ফোনটির সামনে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা।

ব্যবহারকারীদের ফোন দেখার অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ ও স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক করতে ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৪৫০ নিটস ব্রাইটনেস ও সর্বাধুনিক মিনি-ড্রপ সহ ৬.৭৪ ইঞ্চি ৯০ হার্জ হাই-লেভেল ফুল স্ক্রিন।




আর্থিক খাতে সেরা ৩ উদ্ভাবন পেল কোটি টাকা পুরস্কার

আর্থিক লেনদেনে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে উদ্ভাবনী আইডিয়ার জন্য তিনটি প্রতিষ্ঠানকে কোটি টাকা পুরস্কার প্রদান করেছে ফিনল্যাব বিডি। এটুআই, জাতিসংঘের মূলধন উন্নয়ন তহবিল (ইউএনসিডিএফ) এবং মাইক্রোসেভ কনসাল্টিং (এমএসসি) এর যৌথ উদ্যোগ হলো ফিনল্যাব বিডি।

সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘরের মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ‘উইমেনস ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন চ্যালেঞ্জ ২০২২’ ও ‘সিএমএসএমই ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ ২০২২’এর বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক-এর নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেটলাইফ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলা উদ্দিন আহমদ এবং ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আরএফ হুসেইন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক (যুগ্মসচিব) মো: মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া।

আর্থিক খাতে সেরা আইডিয়া দিয়ে পুরস্কার পাওয়া এই তিন উদ্ভাবক হলো- ডানা ফিনটেক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক (এমটিবি) ও আপন ওয়েলবিয়িং। উদ্ভাবনী আইডিয়ার জন্য ডানা ফিনটেককে ৭৫ লাখ টাকা, এমটিবিকে ৫০ লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং আপন ওয়েলবিয়িংকে ৫০ লাখ টাকার ডেমো চেক প্রদান করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে আইডিয়াগুলো পরীক্ষণ ও বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংক-এর নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক বলেন, ‘আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণকে আরো ত্বরান্বিত করতে হলে আর্থিক সেবাখাতে উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণ এবং নতুন নতুন ফিনটেক প্রোডাক্ট উদ্ভাবন অত্যন্ত জরুরি। এটুআই প্রকল্প সবসময় উদ্ভাবনী সংস্কৃতি ধারণ করে এবং তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণের সুযোগ করে দিতে চায়। আর্থিক অন্তর্ভুক্তির জন্য দেশের ইকোসিস্টেমের সঙ্গে উদ্ভাবনের সম্পর্ক তৈরি করতে হবে। যদি আমরা পেমেন্ট সিস্টেমকে ক্যাশলেস করতে পারি তাহলে নাগরিক সেবাগুলো আরও প্রান্তিক পর্যায়ে নেয়া ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির আওতায় আনা সম্ভব হবে। এগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে সরকার যে স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে সেই লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব। সবার সহযোগিতায় একটি বৈষম্যহীন আর্থ-সমাজ গঠনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বাংলাদেশ ব্যাংক।’

মেটলাইফ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলা উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বীমা সেবা, জনশক্তি ও বিনিয়োগের মাধ্যমে মেটলাইফ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আর্থিক সেবা পাওয়ার সুবিধা মানুষের জীবনযাত্রার মান বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এজন্যই আর্থিক অন্তর্ভুক্তির সম্প্রসারণে কাজ করাকে মেটলাইফ অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। ফিনল্যাব প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আমরা দেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আমাদের সহায়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক (যুগ্মসচিব) মো: মামুনুর রশীদ ভুঁইয়া বলেন, ‘ফিনান্সিয়াল ইনোভেশন ল্যাব (ফিনল্যাব বিডি) একটি মহৎ উদ্যোগ। যা নতুন নতুন ফিনটেক প্রোডাক্ট উদ্ভাবন এবং পাইলটিং এর মাধ্যমে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণকে ত্বরান্বিত করবে এবং আমি বিশ্বাস করি, ফিনল্যাব বিডি কর্তৃক আয়োজিত ফিনটেক ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ-২২ এর মাধ্যমে নির্বাচিত উদ্ভাবকরা নতুন ফিনান্সিয়াল ইনোভেটিভ প্রোডাক্ট তৈরির সুযোগ পাবে, যা নারীদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের আর্থিক অভিগম্যতা তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।’

ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আরএফ হুসেইন বলেন, ‘এটুআই ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন উদ্ভাবনকে সহযোগিতা করে এসেছে। উদ্ভাবনসুলভ এই কাজটা করে যাওয়ার জন্য এটুআইকে ধন্যবাদ। এ ধরনের আয়োজন উদ্ভাবকদের অনুপ্রাণিত করবে। ভবিষ্যতে আরও নতুন নতুন উদ্ভাবনী আইডিয়া আসবে। এর মধ্য দিয়ে দেশের পিছিয়ে থাকা মানুষরা আর্থিক অন্তর্ভুক্তির আওতায় আসবেন। প্রযুক্তির সহযোগিতায় অন্তর্ভুক্তিমূলক ক্যাশলেস সমাজ গঠন সম্ভব হবে।’




এক্স দিয়ে টুইটারের নতুন লোগো!

রোববার টুইটারে লোগো পরিবর্তনের ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই নতুন লোগো নিয়ে হাজির হলেন টুইটার প্রধান ইলন মাস্ক। টুইটার প্ল্যাটফর্ম থেকে নীল পাখিকে বিদায় দিয়ে এক্স দিয়ে উন্মুক্ত করলেন নতুন লোগো।

টুইটার হেডকোয়ার্টারের দেয়ালে নতুন লোগোর ছবিও পোস্ট করছেন মাস্ক। জানালেন, এক্স হিসেবেই পরিচিতি পাবে টুইটার। এমনকী এক্সডটকম ওয়েবসাইট দিয়েও টুইটারে প্রবেশ করা যাবে।

এর আগেও একবার টুইটার থেকে পাখিকে বিদায় জানিয়ে সারমেয়র মুখকে লোগো করেছিলেন তিনি। ব্যবহারকারীদের পছন্দ না হওয়ায় তা দ্রুত পরিবর্তন করা হয়।

মাস্ক জানিয়েছেন, তিনি এক্স কর্পোরেশন নামের সঙ্গে জুড়ে দিলেন টুইটারকে। নতুন যে অ্যাপ আসবে তা এক্স নামেই পরিচিত হবে।

এরই মধ্যে নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টের ছবি পরিবর্তন এক্স সাইন করেছেন মাস্ক। যদিও ব্যবহারকারীরা টুইটারের নীল পাখিকে ভীষণ মিস করবেন বলে জানাচ্ছেন অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

গত বছর ৪৪ বিলিয়ন ডলারে টুইটারের মালিকানা কিনে নেন মাস্ক। এরপর প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসায়িক নাম এক্স কর্পোরেশনে পরিবর্তন করেন।

বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্ক টুইটারে কেনার পর এর বিজ্ঞাপনী আয় ৫০ শতাংশ কমেছে। বহুল আলোচিত ব্লু ব্যাজ সাবস্ক্রিপশন চালু করেও টুইটারের ব্যবসায়িক অবস্থান লাভজনক অবস্থায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে তিনি সাফল্য পাচ্ছেন না।

টুইটারের নগদ প্রবাহ এখনও পর্যন্ত নেগেটিভ অবস্থানে রয়েছে। কারণ বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত আয় প্রায় ৫০ শতাংশ কমেছে। এছাড়াও একটি বড় ঋণের বোঝা রয়েছে। সম্প্রতি এমনটাই জানিয়েছিলেন ইলন মাস্ক।




স্টার্ট-আপরাই স্মার্ট বাংলাদেশের মেরুদণ্ড হবে : পলক

স্টার্ট-আপরাই স্মার্ট বাংলাদেশ ও অর্থনীতির মেরুদণ্ড হবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।

রোববার (৩০ জুলাই) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত স্টার্ট-আপ বাংলাদেশ সামিটের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিক্রমে আগামী বছর থেকে নিয়মিত বাংলাদেশে স্টার্ট-আপ সামিট করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া স্টার্ট-আপ ব্রিজ, কোটি টাকার ফান্ড অব ফান্ড এবং স্মার্ট বাংলাদেশ এক্সেলেটর নজর কেড়েছে। এসব ঘোষণা দিয়ে তিনি স্টার্ট-আপদের এগিয়ে নিয়েছেন। আমাদের তরুণরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণা দিয়ে বেশ ভালো করছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান বলেন, স্টার্ট-আপরা পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত না হয়েও বিদেশি বিনিয়োগ প্রাপ্তির সুবিধা নিশ্চিত করে। সাধারণত বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ থেকে অর্জিত আয় দেশে নিয়ে যাওয়া ও স্থানীয় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন। প্রকৃতপক্ষে এক্ষেত্রে আইনগত কোনো বাধা নেই। তালিকাভুক্ত কোম্পানির ক্ষেত্রে এটা বৈধ। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তরা ডিভিডেন্ড ও ক্যাপিটাল গেইন সুযোগ পান। ফান্ড অব ফান্ডে বাংলাদেশি কর্পোরেট ও বিদেশিরাও বিনিয়োগ করবে।

বক্তব্যে স্টার্ট-আপ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামি আহমেদ বলেন, প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলেও বিভিন্ন দেশ থেকে ৭২ জন বিনিয়োগকারী ও ৩ হাজার উদ্যোক্তা সামিটে অংশ নিয়েছেন। তারা আমাদের তরুণদের সম্ভাবনা দিয়েছেন। আশা করি- আগামী বছর আরো বড় পরিসরে এই আয়োজন করা হবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. সামসুল আরেফিন, ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি ভ্যান গুয়েন।