অনলাইন গণমাধ্যমের জন্য বিজ্ঞাপন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে

আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে রাজধানীর সার্কিট হাউস রোডের তথ্য ভবনে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে এ কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনলাইন পত্রিকা ও নিউজ পোর্টালের জন্য সরকারি বিজ্ঞাপন হার নির্ধারণে নীতিমালা থাকা দরকার। এ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বর্তমান সরকারের সময়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় বর্তমান সরকারের সদিচ্ছা রয়েছে। বিগত দিনে যখন সামরিক শাসন ছিল ও সামরিক শাসন থেকে উদ্ভূত দল যখন এ দেশ শাসন করেছে এবং তাদের সাথে বিভিন্ন সময় যখন মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তি ছিল, সে সময়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার যে বাস্তবতা ছিল, সে জায়গা থেকে এখন আমরা কতটুকু এগিয়েছি, কতটুকু উন্নয়ন হয়েছে, সংখ্যাগত দিক থেকে এবং গুণগত দিক থেকে, এ তুলনামূলক বিষয়গুলো নিয়ে প্রকাশনা বের করতে হবে।

মতবিনিময়ে তিনি আরও বলেন, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম দেশের মানুষের কাছে এবং বিশ্ববাসীর কাছে আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। এখন প্রযুক্তি অনেক অগ্রসর হয়ে গেছে, মানুষের চিন্তাভাবনার পরিবর্তন এসেছে। এ বিষয়গুলো মাথায় রেখে অধিদপ্তরের কাজে নতুন নতুন বিষয় সংযোজন করতে হবে।

ছাপাখানা ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন ১৯৭৩ প্রয়োজনবোধে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও  জানান প্রতিমন্ত্রী।




ঘরে ওয়াই-ফাইয়ের গতি বাড়ানোর উপায়

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  এক ঘরে রাউটার রাখলে অন্য ঘরে ইন্টারনেটের গতি থাকে খুবই কম। এমন সমস্যায় সবাই কমবেশি পড়েন। সেলুলার নেটওয়ার্কের ইন্টারনেটের চেয়ে নিঃসন্দেহে বেশি স্পিড দেয়। কিন্তু তার পরেও ওয়াই-ফাই নিয়ে একটা অভিযোগ অনেকেরই থেকে যায়। ওয়াই-ফাইয়ের সিগন্যাল বাড়ির প্রতি কোণে একই রকম গতিতে কাজ করে না।

তবে কয়েকটি কাজ করলে আপনি ঘরের যে প্রান্তেই রাউটার রাখুন না কেন, সব জায়গায় সমান ইন্টারনেটের গতি পাবেন। জেনে নিন সেসব-

>> রাউটারটি সঠিক অবস্থানে রাখুন। রাউটারটি বাড়ির কেন্দ্রীয় কোনো স্থানে রাখার চেষ্টা করুন। যাতে সর্বাধিক কভারেজ বাড়ির বেশিরভাগ অংশে পৌঁছাতে পারে। মনে রাখতে হবে যে এক্ষেত্রে রাউটারটি একটু উঁচু জায়গায় রাখতে হবে এবং এটিকে খোলা রাখতে হবে। অর্থাৎ উপরে কোনো ঢাকনা থাকলে চলবে না।

>> একটি ওয়াই-ফাই রেঞ্জ এক্সটেন্ডার বা মেশ ওয়াইফাই সিস্টেম কেনা আমাদের পুরো বাড়িতে বিদ্যমান ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের কভারেজ বাড়ানোর একটি ভালো উপায় হতে পারে

>> হাই পারফরম্যান্স রাউটারে আপগ্রেড করুন। কেউ যদি পুরোনো রাউটার ব্যবহার করেন তবে তার কর্মক্ষমতা খুব স্বাভাবিকভাবেই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রভাবিত হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে, আরও ভালো রেঞ্জ এবং ক্ষমতা সহ আরও শক্তিশালী রাউটার কেনা একটি ভালো বিকল্প হতে পারে।

>> ওয়াই-ফাই সেটিংস অপ্টিমাইজ করতে পারেন। কাছাকাছি নেটওয়ার্ক থেকে বাধা কমাতে রাউটারে ওয়াই-ফাই চ্যানেল অ্যাডজাস্ট করা দরকার। অননুমোদিত অ্যাক্সেস রোধ করতে ওয়াই-ফাইয়ের সিকিউরিটি ফিচারও এনেবল করে রাখতে পারেন।

>> বিদ্যমান ওয়াই-ফাই সিগন্যাল ক্যাপচার করতে একটি ওয়াই-ফাই রিপিটার রাখলে ভালো হয় এবং আমাদের বাড়ির বাকি অংশেও সিগন্যাল পৌঁছানোর জন্য এটি কাজে আসবে।

সূত্র: লাইফওয়্যার




পছন্দের স্বপ্ন দেখতে সাহায্য করবে এআই

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  এআইয়ের ছোয়া এখন সর্বত্র। যে কাজই করুন না কেন এআইয়ের সাহায্য পেলে তা আরও সহজ ও দ্রুততর হয়ে যায়। এখন আপনি নিজের পছন্দমতো স্বপ্নও দেখতে পারবেন। এ ব্যাপারে সাহায্য করবে এআই।

অনেকেই আছেন রাতে দুঃস্বপ্ন দেখেন। সারাদিন কাটে অস্থিরতায়। তবে এবার থেকে আপনি কী স্বপ্ন দেখবেন, তা নিজেই ঠিক করে ফেলতে পারবেন। না জেগে জেগে স্বপ্ন দেখা নয়। বরং ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে কী স্বপ্ন দেখবেন, তা আপনার ইচ্ছাতেই হবে।

স্বপ্নের জগত হাজার হাজার বছর ধরে মানুষকে কৌতুহলী করে তুলেছে। এটি এমনই এক রহস্যময় পৃথিবী, যার রহস্য মানব সভ্যতা শুরু থেকেই বোঝার চেষ্টা করে আসছে। এবার আপনি স্বপ্নের এই অনিয়ন্ত্রিত পৃথিবী নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। ক্রমাগত উন্নয়নশীল প্রযুক্তি এটি সম্ভব করেছে।

কটি প্রযুক্তি কোম্পানি আপনাকে স্বপ্নের রহস্যময় জগতে সরাসরি প্রবেশ করাবে। তার জন্য একটি চমৎকার ডিভাইস ডিজাইন করেছে। প্রোফেটিক নামের এই কোম্পানিটি সম্প্রতি হ্যালো এআই হেডব্যান্ড নামে একটি নতুন ডিভাইস তৈরি করেছে, যার সাহায্যে আপনি শুধু স্বপ্নের জগতেই প্রবেশ করতে পারবেন না, স্বপ্নের জগতকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন

কোম্পানির দাবি, এই হেডব্যান্ডের সাহায্যে আপনি ঘুমের মধ্যে আপনার পছন্দের স্বপ্ন দেখতে পারবেন। ড্রিমস অন ডিমান্ড নামে এটি প্রচার করা হচ্ছে। প্রফেটিকের মতে, তারা অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে এই ডিভাইসটি প্রস্তুত করেছে। এই ডিভাইসটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে কাজ করে।

হ্যালো এআই হেডব্যান্ড ডিভাইসটি আল্ট্রাসাউন্ড ব্যবহার করে স্বপ্নের জগতের দরজা খুলে দেয়। এর পরে ব্যবহারকারী তার স্বপ্নের জগতে প্রবেশ করতে পারেন। কোম্পানির ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হ্যালো এআই হেডব্যান্ড একটি উন্নত নিউরোটেক পরিধানযোগ্য ডিভাইস, যা ব্যবহারকারীর অবচেতনে তার মস্তিস্কে প্রবেশ করে।

আপনাকে স্বপ্নের জগতে প্রবেশ করার পর এই ডিভাইসটি আপনার উপর নিয়ন্ত্রণের ভার দেয়। ব্যবহারকারীরা তাদের স্বপ্নকেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এটিও বোঝা যায় যে প্রফেটিক এর হ্যালো এআই হেডব্যান্ডের সাহায্যে আপনি স্বপ্নের জগতে প্রবেশ করতে পারবেন এবং এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন এবং আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী স্বপ্ন দেখতে পারবেন।

সূত্র: এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়া




‘ভাইরাল ম্যানিয়া’ ৫ লাখ টাকার বাইকে আগুন, আয় মাত্র ২০০ ডলার

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: রাজধানীর বাড্ডায় আফতাব নগর হাউজিং এলাকায় ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে ‘অন্যায়ভাবে মামলা দিয়েছে’ অভিযোগ তুলে নিজের ৫ লাখ টাকার বাইক আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলেন রাসেল ওরফে জুনিয়র টাইগার শ্রফ নামে এক তরুণ। এ ঘটনা ভিডিও ধারণ করে তিনি সামাজিকমাধ্যমে পোস্টও দেন।

সেখান থেকে আয় করেন মাত্র ২০০ ডলার।

মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) জানিয়েছে, ফেসবুকসহ সামাজিকমাধ্যমে ‘ভাইরাল হিরো’ হতে রাসেল এমন কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছেন।

ডিবি দাবি করেছে, রাসেলের বিরুদ্ধে মামলা করার কোনো ঘটনা ঘটেনি। বরং তার এক বন্ধু ট্রাফিক আইন ভাঙায় তাকে মামলা করা হয়। রাসেল সেই মামলার স্লিপ দেখিয়ে নিজের পাঁচ লাখ টাকা দামের বাইকে আগুন দেন। সেটি ভিডিও করে সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশ করে আয় করেন মাত্র ২০০ ডলার।

রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মিন্টু রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান ডিবি প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, বর্তমানে আমরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বাইকারের ভিডিও দেখতে পাই। তাদের মধ্যে ছেলে-মেয়ে উভয়ই মূলত ইউটিউবার। তারা একটা গ্রুপ নিয়ে নিয়মিত দ্রুত গতিতে বাইক চালায়। এমনই একজন রাসেল নিজেকে জুনিয়র টাইগার পরিচয় দিতেন। সম্প্রতি রাসেল তার পাঁচ লাখ টাকা দামের একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেন।

পরবর্তীতে আমরা তার বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, তিনি ভিডিওতে যে মামলার তথ্য দিয়েছে আসলে এমন কোনো ঘটনা তার সঙ্গে ঘটেনি। ফুয়াদ নামে তার এক বন্ধুর মামলার কপি দেখান তিনি। বিপদজনকভাবে মোটরসাইকেল চালানো, সিগন্যাল অমান্য করা এবং অবৈধ উচ্চ শব্দের যন্ত্র সংযোজনের দায়ে ফুয়াদকে মামলা দেওয়া হয়েছিল।

প্রধান বলেন, মানিকগঞ্জের দৌলতপুর এলাকার প্রবাসী বাবা-মায়ের সন্তান রাসেল মিয়া। যিনি নিজেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাসেল ওরফে জুনিয়র টাইগার শ্রফ পরিচয় দিত। এই নামে তিনি ফেসবুক ও ইউটিউবে অন্যের বানানো নানা ধরনের কনটেন্ট পোস্ট করত যার অধিকাংশই অর্থহীন, অশালীন ও দেশের আইন বিরোধী।

রাসেলকে ‘বখে যাওয়া তরুণ’ মন্তব্য করে হারুন আরও বলেন, তিনি ২০২০ সালে এইচএসসি পাশ করার পরে আর পড়াশোনা করেনি। মাঝে কিছু সময় ইন্ডিয়ায় মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেকে জুনিয়র টাইগার শ্রফ পরিচয় দিত। সে মোটরসাইকেল স্পিডিং স্টান্ডিংসহ বিভিন্ন ভিডিও বানিয়ে ইউটিউবে ছাড়ত। এতে তার সামান্য আয় হতো। আয় বাড়াতে বাইকে আগুন দেওয়ার কাজটি করে রাসেল।

রাসেলকে গ্রেপ্তারের পর জানা যায় তারা বাবা-মা বিদেশে থাকে। রাসেল প্রতিদিন রাজধানীর পূর্বাচল ৩০০ ফিট রোড, মাওয়া আফতাব নগর এলাকায় বিকট শব্দের বাইক রেইস, হাই স্পিডিং, বাইক স্ট্যান্ট চালিয়ে আসছিল। তার আর কিছু ভিডিও মিলিয়ন ভিউ হলে সে জুয়ার সাইট প্রমোট করতে পারত। যদিও ইতোমধ্যে নিয়মিত জুয়ার সাইট প্রমোট করত রাসেল।




ছবিকে স্টিকারে রুপ দেবে হোয়াটসঅ্যাপ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  প্রতিনিয়ত কয়েকশ কোটি ব্যবহারকারী হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ আদান-প্রদান করছেন। বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ। আপনিও হয়তো প্রতিনিয়ত চ্যাট করছেন কারও না কারও সঙ্গে। ছবি, ভিডিও, ফাইল শেয়ার করছেন বন্ধুদের সঙ্গে।

চ্যাট করার সময় নিশ্চয়ই বিভিন্ন স্টিকার শেয়ার করেন। এখন থেকে আপনার যে কোনো ছবি হোয়াটসঅ্যাপে বদলে যাবে স্টিকারে। আইওএস ব্যবহারকারীদের এই ফিচার আগেই হাতের কাছে এগিয়ে দিয়েছিল হোয়াটসঅ্যাপ। এবার সেই একই ফিচারের সুবিধা পাবেন উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা।

ফিচারটি কিছু বিটা পরীক্ষকদের জন্য উপলব্ধ যারা মাইক্রোসফ্ট স্টোরে প্রকাশিত উইন্ডোজ আপডেটের জন্য সর্বশেষ হোয়াটসঅ্যাপ ইনস্টল করেছেন। বাকি ব্যবহারকারীর জন্য, আপডেটটি আগামী দিনে মাইক্রোসফট স্টোরে চালু করা হবে। এই ফিচার সরাসরি উইন্ডোজ অ্যাপের মধ্যে ছবি থেকে স্টিকার তৈরি করে ব্যবহারকারীর সময় এবং শ্রম বাঁচাতে সাহায্য করবে

দেখে নেওয়া যাক কোনো ছবিকে স্টিকারে রূপান্তরিত করতে হলে উইন্ডোজে ইউজারদের ঠিক কী করতে হবে-

>> সবার প্রথমে যেতে হবে স্টিকার ট্রে-তে।- বড় “+” চিহ্নে ক্লিক করতে হবে যা আরও স্টিকার খুঁজতে ব্যবহৃত হয়।
>> “ক্রিয়েট স্টিকার” পপ আপ আসবে।
>> “ইউজ আ ফটো” অথবা “জেনারেট উইথ এআই” অপশনের মধ্যে থেকে যে কোনো একটা বেছে নিতে হবে।
একবার তৈরি হয়ে গেলে, কাস্টম স্টিকারটি ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্টিকার ট্রেতে সেভ হয়ে যাবে।

এই ফিচারে অনেক ইউজারের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছে। হোয়াটসঅ্যাপ ব্যাকআপ-যার মধ্যে চ্যাট হিস্টোরি, ছবি এবং ভিডিও রয়েছে তা এখন সেই ব্যবহারকারীদের জিড্রাইভ স্টোরেজের সঙ্গেই গণনা করা হবে। এতে বিনামূল্যের হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরাও যেমন থাকবেন, তেমনই পেইড অ্যাপটি যারা ব্যবহার করেন তারাও রয়েছেন।

মেটা-মালিকানাধীন মেসেজিং প্ল্যাটফর্মটি আরও জানিয়েছে যে, এই স্টোরেজ পরিবর্তনের বিষয়টি ২০২৪ সালের প্রথমার্ধে অ্যান্ড্রয়েডে সব হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য প্রযোজ্য হবে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া




ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে আয় করবেন যেভাবে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  বর্তমানে ফেসবুক শুধু ছবি, ভিডিও বা মনের অবস্থা বন্ধুদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার প্ল্যাটফর্ম না। বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া সাইট ফেসবুক থেকে এখন আয় করা যায় লাখ লাখ টাকা। এখানে প্রতি মুহূর্তে কয়েকশ কোটি মানুষ লগইন করছেন।

অনেকে নিজেদের তৈরি করা রিল, ভিডিও শেয়ার করেন নিজের প্রোফাইলে। অনেকের আবার ব্লগিং, রিল বানানো থেকে মজার মজার কনটেন্ট তৈরি করা এখন পেশায় পরিণত হয়েছে। আগে এটি শুধু নেশা ছিল। তবে ফেসবুক, ইনস্টগ্রামে এখন এই রিল বানিয়েই অর্থ উপার্জন করা যায়।

এজন্য কেউ কেউ আলাদা পেজ বানিয়ে সেখানে পোস্ট করেন। তবে সেটা না করেও আরেকটি পথ খোলা রয়েছে। নিজের প্রোফাইলকে সেক্ষেত্রে একটি পেজে পাল্টে ফেলা যায়। ফেসবুকেই সেই অপশন রয়েছে। জেনে নিন কীভাবে আপনার ফেসবুক প্রোফাইলটিকে পেজে রূপান্তরিত করতে পারবেন।

>> প্রথমে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি ওপেন করুন।
>> সেখান থেকে থ্রি ডট মেনুতে গেলে হেল্প অ্যান্ড সাপোর্ট যে অপশন রয়েছে সেটিতে ক্লিক করুন।
>> এবার সেখান থেকে হেল্প সেন্টারে যেতে হবে। সেখানেই ইউজিং ফেসবুক অপশনে যান।
>> এই অপশনে পেজেস অপশনটায় যেতে হবে। ওর মধ্যে বেছে নিতে হবে ‘ক্রিয়েট অ্যান্ড ম্যানেজ আ পেজ’।
>> এবারে ‘গেট স্টার্টেড’ অপশনে যেতে হবে। সেখানে গেলে পর পর কিছু অন স্ক্রিন নোটিফিকেশন আসবে। সেগুলো একে একে ফলো করুন।
>> এরপরের পেজে গেলে নিজের চয়েসগুলো রিভিউ করার অপশন আসবে। সেটি করে নিতে হবে। কারণ এরপর আপনার প্রোফাইলের চেহারাটাই যাবে বদলে।
>> এরপর ‘পাবলিশ পেজ হোয়েন ডান’ অপশনে যেতে হবে।
>> সেখানে এই অপশনকে টার্ন অফ করে দিন।
>> টার্ন অফ করে দিলে ফেসবুক নিজে থেকে আপনার পেজ পাবলিশ করতে পারবে না।
>> এবার একবার নিজের সেটিংস চেক করে নিন।
>> প্রোফাইল পেজ হওয়ার জন্য তৈরি হয়ে গেলে ফেসবুকের পক্ষ থেকেই তা জানানো হবে। এরপর পেজটি পাবলিশ করে দিতে পারেন। তাহলেই প্রোফাইল পেজে বদলে যাবে।

সূত্র: ফেসবুক হেল্প সেন্টার




ক্ষমা চাইলেন মার্ক জাকারবার্গ

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : অনলাইনে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতির বিষয়ে মার্কিন কংগ্রেসের শুনানির সময় ক্ষতিগ্রস্ত বাবা-মায়েদের দিকে তাকিয়ে ক্ষমা চেয়েছেন মেটার প্রধান নির্বাহী (সিইও) মার্ক জাকারবার্গ। এদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যৌন নিপীড়ন বা হয়রানির শিকার হয়ে মারা যাওয়া সন্তানদের ছবি নিয়ে সিনেট ফ্লোরে এসেছিলেন বাবা-মায়েরা।

জাকারবার্গ বলেন, আপনারা যা কিছুর মধ্য দিয়ে গেছেন, এ জন্য আমি দুঃখিত। আপনাদের পরিবার যে ক্ষতির শিকার হয়েছে, এ রকম হওয়া উচিত নয়। আর এ কারণে আমরা এত বিনিয়োগ করি। যেন এমনটি যেন আর কারও সঙ্গে না হয়। আর এ জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাব। খবর দ্য গার্ডিয়ান।

বুধবার কংগ্রেসে ‘বিগ টেক অ্যান্ড দ্য অনলাইন চাইল্ড সেক্সুয়াল এক্সপ্লয়টেশন ক্রাইসিস’ শীর্ষক শুনানিতে যে পাঁচজন নির্বাহীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, তাদের একজন জাকারবার্গ। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন- এক্স-এর লিন্ডা ইয়াকারিনো, টিকটকের শো জি চিউ, স্ন্যাপের ইভান স্পিগেল এবং ডিসকর্ডের জেসন সিট্রন।

মার্কিন জনপ্রতিনিধিদের অভিযোগ, বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো অনলাইনে যৌন হয়রানি থেকে শিশুদের রক্ষায় যথেষ্ট ভূমিকা রাখছে না। তারা আরও কঠোর আইন চান। একই সঙ্গে এখন পর্যন্ত নেওয়া পদক্ষেপ বিষয়ে নির্বাহীদের কাছ থেকে ব্যাখ্যা চান মার্কিন জনপ্রতিনিধিরা।

মার্কিন সিনেট জুডিশিয়ারি কমিটির এক বিবৃতিতে বলা হয়, অনলাইনে শিশু যৌন নিপীড়ন বা হয়রানির অভিযোগ  তদন্তের জন্য এ শুনানি ডাকা হয়েছে।




সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রেমের সম্পর্ক গোপন রাখবেন যে কারণে




পুরোনো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিলিট করবেন কিভাবে?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া সাইট ফেসবুক। যেখানে প্রতি মুহূর্তে কয়েকশ কোটি মানুষ লগইন করছেন। তবে অনেকেই আছেন হয়তো শুরুতে ফেক আইডি ব্যবহার করতেন কিংবা পুরোনো আইডিটি এখন ব্যবহার করতে চাইছেন না। তারা চাইলে পুরোনো বা ফেক অ্যাকাউন্টটি পুরোপুরি ডিলিট করে দিতে পারেন।

সহজেই পুরোনো অ্যাকাউন্টটিকে বন্ধ করে ফেলতে পারবেন। আর তারপরে যখনি কেউ আপনার নাম খুঁজবে, তাকে আর সেই অ্যাকাউন্টটি দেখাবে না ফেসবুক। জেনে নিন কীভাবে করবেন কাজটি-

>> আপনার মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি লগইন করুন।

>> উপরের ডানদিকে কোণায় আপনার প্রোফাইল ফটোতে ক্লিক করুন।

>> “সেটিংস অ্যান্ড প্রাইভেসি” অপশনটি সিলেক্ট করুন।

>> এবার “সেটিংসে”-এ ক্লিক করুন।

>> “ইওর ফেসবুক ইনফরমেশন” অপশনটিতে ক্লিক করুন।

>> এবার “ডিঅ্যাক্টিভেশন অ্যান্ড ডিলিটেশন” অপশনটি দেখতে পারেন, তাতে ক্লিক করুন।

>> “ডিলিট ইওর অ্যাকাউন্ট”-এ ক্লিক করুন।

>> আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড আবার লিখতে হবে।

>> লেখা হয়ে গেলে, আবার “ডিলিট ইওর অ্যাকাউন্ট”-এ ক্লিক করুন।

ফেসবুক আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলার জন্য ১৪ দিন সময় দেবে। এরমধ্যে আপনি যদি চান, তাহলে অ্যাকাউন্টটিকে আবার পুনরুদ্ধার করতে পারেন। ১৪ দিন পরে, আপনার অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণরূপে মুছে ফেলা হবে। তখন আপনি চাইলেও আর সেই অ্যাকাউন্ট ফিরে পাবেন না।

এমনকি আপনি যখনই আপনার অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে দেবেন, তার সব ছবি ভিডিও মুছে যাবে। তাই তা আগে থেকে সেভ করে রাখতে পারেন।

সূত্র: ফেসবুক হেল্প সেন্টার




সোশ্যাল মিডিয়া ভুল ব্যবহারের হতে পারে বিচ্ছেদ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  বর্তমানে সবাই সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্ত। আসলে কর্মব্যস্ত এই জীবনে একটু আধটু সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেই মানুষ সামাজিক হতে চান। এ কথা ঠিক যে, সোশ্যাল মিডিয়া মানুষকে একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত রাখে।

আবার অনেক পুরোনো স্মৃতিও ফিরিয়ে আনে। তবে এই সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে বহু সম্পর্কের মধ্যেই কিন্তু ফাটল দেখা দেয়।

বৈবাহিক সম্পর্ক, পারিবারিক জীবন, লাভ লাইফ, বন্ধু-বান্ধব, সব সম্পর্কেই বাড়ছে দূরত্ব। সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি করছে। অনেক ক্ষেত্রে এই সোশ্যাল মিডিয়া থেকেই জন্ম নেয় সন্দেহ।

আর সেই সন্দেহ থেকেই শুরু হয় বাদ-বিবাদ। এমনকি সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের জন্য সম্পর্কে বিচ্ছেদও ঘটে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ক্ষেত্রে কয়েকটি ভুল করলে সম্পর্কে কলহ সৃষ্টি হতে পারে। জেনে নিন কী কী-

সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত ব্যবহার

অবসর পেলেই সঙ্গীকে ছেড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মনোযোগ দেন অনেকেই। এরপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় কাটান সোশ্যাল মিডিয়ায়। আপনার এই অভ্যাস সঙ্গীর ভালো না লাগাই স্বাভাবিক।

সঙ্গী পাশে থাকার সময়ও যদি আপনি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন বা সঙ্গী যদি সব সময় আপনাকে অনলাইনে অ্যাকটিভ দেখেন তাহলে বিবাদ হতেই পারে। এজন্য সঙ্গী পাশে থাকলে তাকে সময় দিন ও সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত ব্যবহারে অভ্যাস ত্যাগ করুন।

সঙ্গীর পোস্টে লাইক ও কমেন্ট না করা

বন্ধু-বান্ধব থেকে আত্মীয়-স্বজন সবার পোস্টেই হয়তো আপনি লাইক ও কমেন্ট করেন, তবে ভালোবাসার মানুষের কোনো পোস্ট দেখলেই হয়তো তা এড়িয়ে যান।

এই ভুল করবেন না আর। সঙ্গী সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো কিছু পোস্ট করলে তাতেও লাইক-কমেন্ট করুন। তবেই আপনাদের মধ্যে বাড়বে ঘনিষ্ঠতা। সম্পর্ক হবে দৃঢ়। আর অন্যান্যরাও আপনাদের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করবেন।

সঙ্গীর সঙ্গে ছবি পোস্ট না করা

সোশ্যাল মিডিয়ায় মাঝেমধ্যে আপনার সঙ্গীর সঙ্গে তোলা ছবি শেয়ার করুন। সুন্দর ক্যাপশন দিন। তবেই তো খুশি হবে আপনার ভালোবাসার মানুষ।

সঙ্গীর পোস্ট দেখে হিংসা করা

সোশ্যাল মিডিয়ায় সঙ্গীর করা পোস্টে লাইক বা কোনো কমেন্ট দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে নিজেদের মধ্যে ঝগড়া বা অশান্তি ডেকে আনবেন না। এই বিষয়টিকে খুব সহজভাবে দেখুন।

মুখোমুখি কথা না বলা

ফোনে কথা বলা বা অনলাইন কমিউনিকেশনে অনেক সময় মনের ভাব ঠিকমতো প্রকাশ করা যায় না, ফলে ভুল বোঝাবুঝি আরও বাড়ে।

সেখান থেকেই বিতর্কের জন্ম হয়। তাই সঙ্গীর সঙ্গে সামনাসামনি কথা বলুন। এতে আপনারা একে অপরের আবেগ, অনুভূতি বুঝতে সক্ষম হবেন।

গোপনীয়তা বজায় না রাখা

সোশ্যাল মিডিয়া মানুষকে ব্যক্তিগত তথ্য ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে উৎসাহিত করে। তবে অনেকে না বুঝেই নিজেদের ব্যক্তিগত বিষয় বা অন্তরঙ্গ মুহূর্তগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে ফেলেন।

যা একেবারেই করা উচিত নয়। গোপন বিষয় সব সময় নিজেদের মধ্যে রাখা উচিত। গোপনীয়তার অভাবেই একে অপরের প্রতি বিশ্বাস ভেঙে যেতে পারে।

সূত্র: বোল্ডস্কাই