ইন্টারনেট ছাড়াই হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো যাবে ছবি-ফাইল




ফোন রিস্টার্ট নাকি পাওয়ার অফ কোনটি ভালো?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ফোন নতুন অবস্থায় ব্যবহার করা খুবই আরামের। কিন্তু কিছুদিন যেতেই দেখা যায় ফোন স্লো হয়ে গেছে এবং আরও নানান সমস্যা। ফোনে এমন কিছু সমস্যা আসতে শুরু করে যার কারণে ফোন হ্যাং হয়ে যায়। এর সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা সঙ্গে সঙ্গে ডিভাইসটি বন্ধ করে দিই এবং আবার চালু করি, যাতে ফোনটি সঠিক ভাবে কাজ করা শুরু করে।

ফোনে আমাদের পাওয়ার অফ এবং রিস্টার্ট উভয় অপশন দেওয়া হয়। পাওয়ার বন্ধ করলে ফোনটি বন্ধ হয়ে যায় এবং এটি আবার অন করতে হয়। রিস্টার্ট করা হলে, ফোন স্বয়ংক্রিয় ভাবে বন্ধ এবং চালু হয়।

কিন্তু অনেকেই হয়তো ভেবে দেখেননি যে, দুটি অপশনের একই কাজ, তা সত্ত্বেও ফোনে এই দুটি অপশন দেওয়ার প্রয়োজন কী। প্রতি সপ্তাহে ফোন রিস্টার্ট করলে তা মেমোরি লিক প্রতিরোধেও সাহায্য করে। ব্যাটারি প্লাস দ্বারা প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, যখন একটি অ্যাপের কাজ করার জন্য প্রচুর পরিমাণে মেমোরির প্রয়োজন হয় তখন মেমোরি লিক হয়, কিন্তু অ্যাপ ব্যবহার না হলে মেমোরি লিক হয় না।

এক্ষেত্রে ফোন রিস্টার্ট করা কানেক্টিভিটি সমস্যায় সাহায্য করতে পারে। পুরনো স্মার্টফোনগুলো কখনো কখনো ডাটা এবং ওয়াই-ফাইয়ের সঙ্গে সংযোগ করতে অক্ষম হলে ফোন পুনরায় চালু করা যেতে পারে। ফোনের পাওয়ার অফ করলে এটি ক্যাশে ডাটা সাফ করতে সাহায্য করবে, যাতে আমাদের ফোন আরও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পারে।

ফোন বন্ধ এবং রিস্টার্ট করা ছাড়াও, আমাদের ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে চলমান অ্যাপগুলো পরিষ্কার করা উচিত। এটি ফোন চলাকালীন ব্যাটারির স্বাস্থ্যের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ফোন সাধারণত তখনই রিস্টার্ট করা যখন ফোন হ্যাং হয়ে যায় বা অ্যাপগুলো সঠিকভাবে চলে না বা সফটওয়্যারের সমস্যা দেখা দেয়। তবে এটিও একটি ভালো অভ্যাস, এর কারণে ফোনটি মসৃণভাবে চলতে থাকে।

সূত্র: মেক ইউজ অব




ফ্রিতে এআই ব্যবহার করে ছবি-ভিডিও এডিট করবেন যেভাবে

 

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) প্রযুক্তি বেশ দাপটের সাথে রাজত্ব করেছে প্রযুক্তিবিশ্বে। যেকোনো জায়গায় যেকোনো কাজে মানুষের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠছে এই প্রযুক্তি। এই পরিস্থিতিতে খ্যাতনামা সফটওয়্যার কোম্পানি অ্যাডোবি তাদের এআই বেসড্ ছবি এডিটিং অ্যাপ অ্যাডোবি এক্সপ্রেস মোবাইল চালু করল।

এই নতুন অ্যাপ্লিকেশনটি ইউজারদের ফায়ারফ্লাই জেনারেটিভ ফিল, টেক্সট-টু-ইমেজ এবং টেক্সট এফেক্টস্-এর মতো অপশনের পাশাপাশি মোবাইল ওয়ার্কফ্লোর জন্য দারুণ সব ছবি-ভিডিও এডিটিং ফিচার যুক্ত করা হয়েছে।

নতুন অ্যাপ উন্মুক্তের কথা জানিয়ে অ্যাডোবি এক্সপ্রেস এবং ডিজিটাল মিডিয়া সার্ভিসেসের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট গোবিন্দ বালাকৃষ্ণান বলেন, এখন বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ইউজাররা নিজেদের আইডিয়া ও কন্টেন্টের প্রচারের জন্য এই ধরনের টুলের সাহায্য নিচ্ছেন।

এক্ষেত্রে অ্যাডোবি এক্সপ্রেস মোবাইল এখন থেকে ব্র্যান্ডের অ্যাডোবি এক্সপ্রেস ও ফায়ারফ্লাই জেনারেটিভ এআই –দুটি সার্ভিসকে মিলিয়ে মিশিয়ে ম্যাজিকাল ওয়েব বা মোবাইল কন্টেন্ট তৈরি করবে। এই বিষয়ে আগ্রহ বাড়াতে সংস্থাটি নতুন অ্যাপে উপলক্ষ্যে কিছু ফিচারের তালিকা সামনে নিয়ে এনেছে।

নতুন অ্যাপে যে-সব সুবিধা পাবেন

টেক্সট-টু-ইমেজ

এআই টুলে দীর্ঘদিন ধরেই এই ফিচার পাওয়া যাচ্ছে। এতে ইচ্ছেমতো শব্দ-বাক্য টাইপ করলেই ফায়ারফ্লাই স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই অনুযায়ী ছবি তৈরি করে। ব্যবহারকারীরা নির্দিষ্ট প্রম্পট দিয়ে যেকোনো আর্টিফিশিয়াল ছবি তৈরি করতে পারেন।

জেনারেটিভ ফিল

এটি ছবি থেকে কোনো অবজেক্ট মুছে ফেলা বা তাতে নতুন কিছু যুক্ত করার কাজে আসবে। এছাড়া যদি কোনো ছবির ফ্রেম বড় করতে হয় তাহলে সেটির বাকি অংশ ফিল করা যাবে এই ফিচারের সাহায্যেই।

টেক্সট ইফেক্ট

এই ফিচার এআইয়ের সাহায্যে টেক্সট স্টাইল প্রস্তুত এবং ইফেক্ট অ্যাপ্লাই বিকল্প দেবে।

ভিডিও

অ্যাডোবি এক্সপ্রেস, বেশ কিছু টেম্পলেট অফার করবে যা ভিডিও তৈরির সময় ছবি এবং মিউজিক একত্রিত করতে কাজে আসবে। এছাড়া এতে অ্যানিমেশন তৈরি এবং রিয়েল-টাইম ক্যাপশনে ভিডিও ক্লিপ যুক্ত করা যাবে।

কুইক অ্যাকশন

দ্রুত ছবি-ভিডিও এডিটের জন্য এই সহজ অপশন ব্যবহার করা যাবে। এমনকি এর মাধ্যমে ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ থেকে শুরু করে ছবি রিসাইজও করা যাবে।

 




ফোন পানিতে পড়ে গেলে করণীয় 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  দৈনন্দিন জীবনে অনেকেই স্মার্টফোনের ওপর নির্ভরশীল। বিভিন্ন কাজে আমরা ফোনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি। তবে একটু অসতর্ক থাকলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। এসব দুর্ঘটনার মধ্যে একটি হলো ফোন পানিতে পড়ে যাওয়া বা বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া।



আজ এক ঘণ্টা বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট সেবা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : কুয়াকাটায় স্থাপিত দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের (সি-মি-উই-৫) রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আজ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে এক ঘণ্টা ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ পরিষেবা বন্ধ থাকবে। গতকাল বুধবার বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, কুয়াকাটায় স্থাপিত দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা কেবলটির মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ পরিষেবা বন্ধ থাকবে। ফলে গ্রাহকরা সাময়িকভাবে ইন্টারনেটে ধীরগতির সম্মুখীন হতে পারেন বা ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হতে পারে।

তবে একই সময়ে কক্সবাজার ল্যান্ডিং স্টেশন থেকে (সি-মি-উই-৪) সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে ব্যান্ডউইডথ সেবা যথারীতি চালু থাকবে।




মোবাইলের অব্যবহৃত অ্যাপ যেভাবে অটো আর্কাইভ করবেন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে আগের চেয়ে অনেক বেশি স্টোরেজ দেওয়া থাকলেও প্রয়োজনের থেকে বেশি অ্যাপ থাকলে ডিভাইসের স্টোরেজ দখল করে নেয়।

সম্প্রতি অ্যান্ড্রয়েড একটি অপশন চালু করেছে যেখানে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই আর্কাইভ হয়ে যাবে ফোনের অব্যবহৃত অ্যাপ।

২০২৩ সালের এপ্রিলে প্লে স্টোরের মাধ্যমে চালু হয় অ্যান্ড্রয়েডের অটো-আর্কাইভ। এ ফিচারটি ব্যবহারকারীরা যেসব অ্যাপ ব্যবহার করছেন না, সেগুলো বাদ দিয়ে ফোনে নতুন অ্যাপ ইনস্টল করার জায়গা তৈরি করে।

এটি কার্যকর ফিচার হলেও কেবল তখনই পাওয়া যেত যখন ফোনের স্টোরেজ শেষ। সম্প্রতি গুগল এ ফিচার আপডেট করেছে। এখন ফোনে যতটুকু স্টোরেজই থাকুক না কেন, চালু করা যাবে অটো আর্কাইভ ফিচারটি। গুগলের প্লে স্টোরের একটি টগলের মাধ্যমেই ব্যবহারকারীরা এ ফিচার চালু করতে পারবেন।

গুগল বলছে, এ ফিচারটি কেবল তখনই অ্যাপগুলো আর্কাইভ করবে যখন একজন ব্যবহারকারীর ফোনের জায়গা একেবারে কমে আসবে। কেউ ফোনে অনেক ফাঁকা জায়গা নিয়ে ফিচারটি চালু করা হলেও, স্টোরেজের সংকট না দেখা দেওয়া পর্যন্ত অ্যাপগুলো আর্কাইভ করা হবে না।

যেভাবে ফিচারটি চালু করবেন

অটো-আর্কাইভ ফিচারটি চালু করতে প্রথমে অ্যান্ড্রয়েডের প্লে স্টোর অ্যাপটি চালু করতে হবে। সেখান থেকে নিজের প্রোফাইল ছবিতে ট্যাপ করতে হবে। এরপরে ‘সেটিংস’ অপশনে যেতে হবে। সেটিংসের ‘জেনারেল’ বিভাগে প্রবেশ করলেই ‘অটোমেটিকালি আর্কাইভ অ্যাপস’ নামের টগলটি চালু করে দিতে হবে।

যখন ফোন বিভিন্ন অ্যাপ আর্কাইভ করা শুরু করবে, প্লে স্টোরে ব্যবহারকারীর অ্যাপ লাইব্রেরির ‘আর্কাইভড’ শিরোনামের নিচে অ্যাপগুলোর তালিকা দেখা যাবে।




ফ্রিতে ব্যবহার করা যাবে গুগল এআই ফিচার




ভারতের অস্ত্র বিক্রিতে রেকর্ড, রপ্তানি ৮৫ দেশে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  প্রতিরক্ষা খাতে ক্রমশ আত্মনির্ভর হয়ে উঠছে ভারত। এক সময় অস্ত্রের জন্য অন্যদের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকা দেশটি বর্তমানে বিশ্বের ৮৫টি দেশে অস্ত্র বিক্রি করছে। সম্প্রতি ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ জানিয়েছেন, বিভিন্ন দেশে ভারতের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রির অংক প্রথমবারের মতো ২১ হাজার কোটি রুপি পেরিয়েছে।

২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ১৬ হাজার কোটি রুপির প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানি করেছিল ভারত। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে সেটি ৩২ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

রাজনাথ সিং জানিয়েছেন, ভারতের লক্ষ্য ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে এই অংক ৩৫ হাজার কোটিতে নিয়ে যাওয়া। কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রতিরক্ষা সামগ্রী বিক্রির ওপরে ভারত বিশেষ নজর দিয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

এক দশক আগে, ২০১৩-১৪ সালে ভারতের অস্ত্র বিক্রির পরিমাণ ছিল মাত্র ৬৮৬ কোটি রুপির। ২০২৩-২৪ সালে সেই অংকটাই ২১ হাজার ৮৩ কোটি রুপিতে পৌঁছেছে।

ভারত যে ৮৫টি দেশে প্রতিরক্ষা সামগ্রীর জোগান দিচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ইসরায়েল, রাশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, সৌদি আরব, ফিলিপাইনস, পোল্যান্ড, চিলি প্রভৃতি।

আন্তর্জাতিক বাজারে সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে ভারতের ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের। তাছাড়া ডর্নিয়ের-২২৮ যুদ্ধবিমান, রকেট লঞ্চার, অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র, নাইটভিশন ডিভাইস, রাডারসহ একাধিক সামগ্রী বিভিন্ন দেশকে বিক্রি করেছে ভারত।

ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, ব্রাজ়িল, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ডসহ অন্তত ৩৪টি দেশকে বুলেট প্রতিরোধী জ্যাকেট সরবরাহ করে ভারত। ভারত থেকে বন্দুকের গুলি কেনে ১০টি দেশ।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্সের মতো দেশও ভারত থেকে প্রতিরক্ষা খাতে প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম কেনে। মরিশাস, মালদ্বীপ কিনেছে দ্রুতগতির জলযান।

ভারত এবং রাশিয়া যৌথভাবে তৈরি করেছে ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র। সম্প্রতি ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়া এই ক্ষেপণাস্ত্র কেনার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানা গেছে।

সূত্র: আন্দবাজার পত্রিকা, টাইমস অব ইন্ডিয়া




বিশ্বের শক্তিশালী এমআরআই মেশিনে মস্তিষ্কের প্রথম চিত্র প্রকাশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : আবিষ্কৃত হলো বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এমআরআই স্ক্যানার, ইসেলট। মানব মস্তিষ্কের স্ফটিকের মতো স্বচ্ছ ছবি তুলেছে এই স্ক্যানার। সম্পূর্ণ নির্ভুল সেই ছবি। এই ছবি দেখে মস্তিষ্কের গোপনীয়তা ও রোগ সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়ার আশা করছেন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা।

ফ্রান্সের অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের (সিইএ) গবেষকরা ২০২১ সালে কুমড়ো স্ক্যান করার জন্য এই মেশিনটি প্রথম ব্যবহার করেছিলেন। তিন বছর পর দাঁড়িয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা মানুষের মস্তিষ্কের ছবির পাশাপাশি তার পুরো শরীরের ছবি তোলার জন্য এই মেশিনটিতেই সবুজ সংকেত দিয়েছেন।

গত কয়েক মাসে প্রায় ২০ জন সুস্থ মানুষের এমআরআই (ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং) স্ক্যান করা হয়েছে এই মেশিন দিয়েই। এই প্রকল্পে কাজ করা বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ভিগনাউড বলেছেন, আমরা এটিতে এমন এক লেভেলের নির্ভুলতা দেখেছি যা আগে কখনও দেখা যায়নি।

প্যারিসের দক্ষিণে মালভূমি দে স্যাক্লে এলাকায় এই গবেষণা কেন্দ্রটি অবস্থিত। নতুন যন্ত্রটির মাধ্যমে প্রচলিত এমআরআই মেশিনের তুলনায় ১০ গুণ বেশি স্বচ্ছ ছবি পাওয়া যায়।

আলেকজান্ডার ভিগনাউড বলেন, হাসপাতালগুলোতে ব্যবহৃত মেশিনগুলি সাধারণত তিনটি টেসলার বেশি হয় না। বিজ্ঞানীরা এই শক্তিশালী স্ক্যানারটির সঙ্গে একটি কম্পিউটার স্ক্রিনে তোলা ছবিগুলোকে একটি সাধারণ এমআরআই দ্বারা তোলা ছবির সঙ্গে তুলনা করেছেন। এই মেশিনের সাহায্যে সেরিব্রাল কর্টেক্সকে পুষ্ট করে এমন ক্ষুদ্র সেরিবেলামের বিবরণ দেখতে পাওয়া যায়। যা এতদিন অসম্ভব ছিল।

ফ্রান্সের গবেষণা মন্ত্রী ও পদার্থবিদ সিলভি রিটেইলিউ, নিজে একজন পদার্থবিদ। তিনি বলেন “নির্ভুলতা খুব বিশ্বাসযোগ্য। এটি বিশ্বে প্রথম মস্তিষ্কের প্যাথলজিগুলির জন্য আরও ভাল সনাক্তকরণ এবং চিকিৎসার সুযোগ দেবে। ’

শুধু ফ্রান্স নয়, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়াও এমন শক্তিশালী এমআরআই যন্ত্র তৈরিতে কাজ করছে। কিন্তু এসব যন্ত্রে এখনো রোগীকে স্ক্যান করা শুরু হয়নি।




টিভি চ্যানেলের অবৈধ সম্প্রচারে আইনগত ব্যবস্থা : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সরকার অনুমোদিত দেশি ও বিদেশি টেলিভিশন চ্যানেলের ফিড শুধু বৈধ কেবল ও ডিটিএইচ অপারেটররা গ্রাহকের কাছে পৌঁছতে পারবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

আজ মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দেশি-বিদেশি টেলিভিশন চ্যানেলের অবৈধ সম্প্রচার বন্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ সংক্রান্ত এক সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দিন আহমেদ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার অনুমোদিত দেশি ও বিদেশি টিভি চ্যানেলের ফিড শুধু বৈধ কেবল ও ডিটিএইচ অপারেটররা গ্রাহকের কাছে পৌঁছতে পারবে।

তাদের বাইরে অন্য কেউ এ কাজ করলে তা বেআইনি ও অবৈধ। এ বেআইনি কাজ বন্ধে সরকার আইনগত ব্যবস্থা নেবে। এ বেআইনি কাজের কারণে সরকার রাজস্ব হারায় এবং বিভিন্নভাবে বিদেশে অর্থ পাচার হয়। একই সঙ্গে দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, ‘বিদেশি চ্যানেলের অবৈধ সম্প্রচারের মাধ্যমে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধে যে ক্লিনফিডের ব্যবস্থা করা হয়েছে তা বাস্তবায়ন ব্যাহত হয়। বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে এসংক্রান্ত আইনের বাস্তবায়ন করা হবে। যারা অবৈধ সেট টপ বক্সের মাধ্যমে অবৈধভাবে চ্যানেলগুলো দেখাচ্ছে, ক্লিনফিডের ব্যবস্থা না করে ইচ্ছামতো বিজ্ঞাপনসহ চ্যানেল দেখাচ্ছে, তাদের কারণে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সরকার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এ সময় বলেন, ‘অবৈধ সেট টপ বক্স যেগুলো বাজারজাত করা হচ্ছে এবং আমদানি করা হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন অভিযান আরো জোরদার করবে। আমরা একটা কঠোর বার্তা দিতে চাই যেন কেউ কোনোভাবে সেট টপ বক্স অবৈধভাবে আমদানি না করে এবং সেটা বাজারজাত না করে। বাংলাদেশের নিরাপত্তার স্বার্থে, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধির স্বার্থে, বিদেশে অর্থ পাচার রোধে এবং আমাদের শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ সংরক্ষণের উদ্দেশে আমরা এ অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে যাচ্ছি। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় একসঙ্গে মিলে আমরা শক্ত অবস্থান গ্রহণ করছি।’