অ্যাপল ছাড়ার গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন টিম কুক

মার্কিন টেক জায়ান্ট অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক প্রতিষ্ঠানটি থেকে অবসর নেওয়ার গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত পুরোপুরি তার ব্যক্তিগত অনুভূতির ওপর নির্ভর করবে। এখনই এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা তার নেই।

টিম কুক বলেন, “আমি অ্যাপল ভালোবাসি। এখানে কাজ করা আমার জীবনের সৌভাগ্য। যতক্ষণ না আমার ভেতরের কণ্ঠ বলছে যে সময় হয়েছে, ততক্ষণ পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যাব। এরপর হয়তো পরবর্তী অধ্যায়ের দিকে নজর দেব।”

টিম কুক ২০১১ সাল থেকে অ্যাপলের সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে তার যাত্রা শুরু ১৯৯৮ সালে। দীর্ঘ ২৬ বছরের এই পথচলায় তিনি অ্যাপলের চিফ অপারেটিং অফিসারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। সিইও হওয়ার পর অ্যাপলের পণ্য এবং পরিষেবার বৈপ্লবিক উন্নয়ন ঘটিয়ে তিনি প্রযুক্তি জগতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছেন।

অ্যাপলের স্মৃতিচারণ করে আবেগাপ্লুত কুক বলেন, “অ্যাপল ছাড়া আমার জীবন কেমন হবে তা কল্পনাই করতে পারি না। এখানে কাটানো সময় আমার কাছে অমূল্য।”

অ্যাপলে যোগদানের আগে টিম কুক ১২ বছর আইবিএমে কাজ করেছেন। কিন্তু অ্যাপলের সঙ্গেই তার নাম বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ব্যান হতে পারে আইফোন, বিপাকে অ্যাপল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ফোন লঞ্চ না হওয়ার আগেই তা নিয়ে শুরু হয়েছে সমালোচনা। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে বাজারে আসতে পারে আইফোন ১৭ সিরিজ। এই সিরিজের স্মার্টফোনগুলোতে থাকবে না সিম ট্রে। পাতলা ডিজাইন রাখার জন্য অ্যাপলের এই সিদ্ধান্ত।

তবে তা মানুষের নজর কাড়লেও আইনি বিপাকে পড়তে পারে অ্যাপল, চীনে ব্যান হতে পারে আইফোন ১৭ সিরিজ। এই মুহূর্তে বিশ্বের মধ্যে ফোনের বাজার চীন। আর সেখানেই যদি বিশ্বের সব থেকে প্রিমিয়াম স্মার্টফোন আইফোন ১৭ সিরিজ নিষিদ্ধ হয়, তাহলে বেশ ধাক্কা খেতে পারে অ্যাপল।

যদিও এটি কোনও ভূ-রাজনৈতিক কারণে নয়, বরং চীনের নিয়ম অমান্য করার কারণে এই সমস্যার মুখোমুখি হতে পারে অ্যাপল। চিনের নিয়ম অনুযায়ী, প্রত্যেক ফোনে ফিজিক্যাল সিম কার্ড স্লট থাকতে হবে। কিন্তু আইফোন ১৭ সিরিজে ই-সিম প্রযুক্তি আনছে অ্যাপল।




এআই অ্যাপ: মৃত্যুর সময় জানার প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা

প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই আজ মানুষের জীবনে বিশাল ভূমিকা পালন করছে। রান্নার রেসিপি থেকে শুরু করে চাকরির সিভি লেখা, স্কুলে পড়ানো, অফিসের কাজ, এমনকি নিউজ প্রেজেন্টিং—এআই সব জায়গায় তার দক্ষতার প্রমাণ দিচ্ছে।

সম্প্রতি এআই-এর সাহায্যে এমন একটি অ্যাপ তৈরি হয়েছে, যা মানুষের মৃত্যুর সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করতে সক্ষম বলে দাবি করা হচ্ছে। চলতি বছরের জুলাই মাসে এই অ্যাপটি বাজারে আসার পর থেকেই এটি নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে।

এআই কীভাবে জানাবে মৃত্যুর সময়?

এই অ্যাপটি বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে মৃত্যুর সময় সম্পর্কে পূর্বাভাস দেয়। ব্যবহারকারীর বয়স, উচ্চতা, ওজন, বিএমআই, প্রতিদিনের শারীরিক পরিশ্রম, ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ, জীবনযাপনের ধরন, ধূমপানের অভ্যাসসহ নানা তথ্য সংগ্রহ করে এআই একটি সম্ভাব্য সময় জানায়।

অ্যাপটির ডেভেলপার ব্রেন্ট ফ্যানসন জানান, এটি ১২০০টি লাইফ এক্সপেক্টেন্সি সমীক্ষার তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি। অ্যাপটি বিনামূল্যে ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও সাবস্ক্রিপশন বাধ্যতামূলক। এরই মধ্যে এটি ১ লাখ ২৫ হাজার বার ডাউনলোড হয়েছে।

সমালোচনা এবং বাস্তবতা

বিভিন্ন চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কারো মৃত্যুর সময় নির্দিষ্ট করে বলা অসম্ভব। তবে রোগীর অবস্থা বিশ্লেষণ করে চিকিৎসকরা অনুমান করতে পারেন। এআই এই তথ্য বিশ্লেষণ করেই পূর্বাভাস দেয়।

কীভাবে কাজ করে এই অ্যাপ?

অ্যাপটি ব্যবহারকারীর জীবনযাপনের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন পরামর্শও দিয়ে থাকে। যেমন:

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা

নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম

ধূমপান বন্ধ করা

পর্যাপ্ত ঘুম

দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকা

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা

অ্যাপের ইতিবাচক দিক

এই অ্যাপটি মূলত ব্যবহারকারীদের স্বাস্থ্য সচেতন করতে সাহায্য করে। এর মাধ্যমে মানুষ তাদের জীবনযাপন পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনে দীর্ঘায়ু লাভ করতে পারে।

পর্যালোচনা

যদিও মৃত্যুর সময় নির্ধারণ নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, তবে এআই-এর এই প্রয়োগ মানুষের জীবনধারা পরিবর্তনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সচেতনতা এবং স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুলতে এটি ভূমিকা রাখতে পারে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




টিকটক: ব্যবসা প্রসারের নতুন দিগন্ত

ব্যবসায়ীদের মার্কেটিং দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তাদের সাফল্য নিশ্চিত করতে টিকটক সম্প্রতি একটি বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করেছে। রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে গত ৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত এ ইভেন্টে অংশ নেন উদ্যোক্তা, বিপণন বিশেষজ্ঞ এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা।

ওয়ার্কশপটির মূল লক্ষ্য ছিল ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের জন্য টিকটক প্ল্যাটফর্মের সম্ভাবনা তুলে ধরা। অংশগ্রহণকারীরা শিখেছেন কীভাবে টিকটকের বিভিন্ন ফিচার ও টুলস ব্যবহার করে ব্র্যান্ড প্রচার, কনটেন্ট মার্কেটিং এবং তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়।

টিকটকের বিশেষজ্ঞরা সৃজনশীল মার্কেটিংয়ের গুরুত্ব, কনটেন্ট তৈরির কৌশল এবং বাস্তব সময়ে কনটেন্ট প্রস্তুতির ওপর বিশেষ সেশন পরিচালনা করেন। এছাড়া, ব্র্যান্ডকে বিশ্বাসযোগ্য ও সৃজনশীলভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে গ্রাহকদের আস্থা অর্জনের পদ্ধতি নিয়েও আলোচনা করা হয়।

আরো পড়ুন : পাকিস্তানি টিকটকারের ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁস

ওয়ার্কশপটি ছিল এক নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম, যেখানে উদ্যোক্তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার এবং চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। এতে উঠে আসে সমস্যার সমাধান এবং নতুন কৌশল উদ্ভাবনের সম্ভাবনা।

একাধিক উদ্যোক্তা জানান, কর্মশালাটি তাদের ডিজিটাল মার্কেটিং দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করেছে। বিশেষ করে নতুন গ্রাহকদের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং ব্যবসার প্রসারে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

ইভেন্টে বিশেষজ্ঞরা টিকটকে সত্যতা ও সৃজনশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা বলেন, সঠিক কৌশল ও পরিকল্পনা দিয়ে যেকোনো ব্র্যান্ড টিকটকে দারুণ সাফল্য অর্জন করতে পারে।

টিকটকের এই উদ্যোগ ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের জন্য একটি কার্যকরী প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। ডিজিটাল মার্কেটিং দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নতুন দিগন্ত উন্মোচনে এমন কর্মশালা আরও আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন অংশগ্রহণকারীরা।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



স্মার্টফোনে ভাইরাস সনাক্ত ও অপসারণের সহজ উপায়

ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অঙ্গ হয়ে উঠেছে। তবে, প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে সাইবার হানার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পেয়েছে। স্মার্টফোনে ভাইরাস একটি সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা শুধু ডিভাইসের কার্যক্ষমতাকে প্রভাবিত করে না, বরং ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তাকেও হুমকির মুখে ফেলে। তাই স্মার্টফোনে ভাইরাস আছে কিনা তা শনাক্ত করা এবং তা থেকে মুক্তি পাওয়া জরুরি। চলুন, সহজ কিছু উপায় দেখে নেওয়া যাক, যা আপনাকে ভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করবে।

ভাইরাসের লক্ষণ:

ডিভাইসের গতি কমে যাওয়া: হঠাৎ ফোন স্লো হয়ে যাওয়া বা বারবার হ্যাং হওয়া ভাইরাসের অন্যতম লক্ষণ হতে পারে।

অপ্রত্যাশিত পপ-আপ বিজ্ঞাপন: বারবার পপ-আপ বিজ্ঞাপন বা অবাঞ্ছিত নোটিফিকেশন দেখা দিলে, তা ভাইরাসের ইঙ্গিত হতে পারে।

ডেটার অস্বাভাবিক খরচ: ইন্টারনেট ডেটার ব্যবহার যদি হঠাৎ বেড়ে যায়, তা ম্যালওয়্যার বা ভাইরাসের কারণে হতে পারে।

অবাঞ্ছিত অ্যাপের উপস্থিতি: ফোনে এমন অ্যাপ দেখা, যা আপনি ডাউনলোড করেননি, এটি ভাইরাসের লক্ষণ হতে পারে।

ব্যাটারি দ্রুত শেষ হওয়া: ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকা ম্যালওয়্যার বা ভাইরাস দ্রুত ব্যাটারির চার্জ শেষ করে দিতে পারে।

ভাইরাস অপসারণের উপায়:

1. বিশ্বস্ত অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করুন: একটি রিলায়েবল অ্যান্টিভাইরাস অ্যাপ ইনস্টল করুন এবং ফোনটি স্ক্যান করুন। এটি ভাইরাস শনাক্ত ও অপসারণে সহায়তা করবে।

2. সন্দেহজনক অ্যাপ আনইনস্টল করুন: এমন কোনো অ্যাপ দেখতে পেলে, যা আপনি ডাউনলোড করেননি বা সন্দেহজনক মনে হয়, তা অবিলম্বে সরিয়ে দিন।

3. ক্যাশে এবং অপ্রয়োজনীয় ডেটা পরিষ্কার করুন: ফোনের সেটিংসে গিয়ে অ্যাপগুলোর ক্যাশে এবং অপ্রয়োজনীয় ডেটা মুছে ফেলুন।

4. ফ্যাক্টরি রিসেট করুন: প্রয়োজনে ফোন ফ্যাক্টরি রিসেট করুন, তবে এর আগে আপনার গুরুত্বপূর্ণ ডেটার ব্যাকআপ নিতে ভুলবেন না।

 

ভবিষ্যতে ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকার টিপস:

ফোন সবসময় আপডেট রাখুন।

অজানা বা অবিশ্বস্ত লিঙ্কে ক্লিক এড়িয়ে চলুন।

অপ্রয়োজনীয় বা সন্দেহজনক অ্যাপ ডাউনলোড থেকে বিরত থাকুন।

সতর্কতার সঙ্গে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে স্মার্টফোনকে সাইবার হানার হাত থেকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব। আপনার ডিভাইস সুরক্ষিত রাখুন এবং নিরাপদে থাকুন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ওপেনএআইয়ের বিজ্ঞাপন পরিকল্পনা: নতুন আয়ের উৎস হতে পারে এআই প্রযুক্তি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ওপেনএআই, তাদের চ্যাটজিপিটি সহ অন্যান্য পণ্যতে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের চিন্তা-ভাবনা করছে। প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য আগামী বছরের মধ্যে লাভজনক ব্যবসায়ে রূপান্তর ঘটানো, এবং এই উদ্দেশ্যে তারা বিজ্ঞাপন ব্যবস্থা যুক্ত করতে চায়।

সম্প্রতি ফিন্যান্সিয়াল টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ওপেনএআইয়ের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) সারাহ ফ্রায়ার জানিয়েছেন, “বিজ্ঞাপন কখন এবং কোথায় প্রয়োগ করা হবে, তা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তবে বিজ্ঞাপন যুক্ত করার আগে তা সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হবে।”

তাদের বিজ্ঞাপন কার্যক্রমের জন্য ইতিমধ্যেই একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে, যার মধ্যে গুগলের সাবেক বিজ্ঞাপন বিভাগের প্রধান শিবকুমার ভেঙ্কটারমনও রয়েছেন। সারাহ ফ্রায়ার আরো বলেন, “আমাদের ব্যবসায়িক মডেল দ্রুত বিকশিত হচ্ছে, এবং আমরা এই ক্ষেত্র থেকে বড় সম্ভাবনা দেখছি।”

বর্তমানে, ওপেনএআইয়ের প্রধান আয়ের উৎস হলো এপিআই ফি। বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং ডেভেলপাররা ওপেনএআইয়ের তৈরি চ্যাটজিপিটি বা জিপিটি-৪ এর মতো মডেল ব্যবহার করে এপিআই ফি পরিশোধ করে তাদের এআই পণ্য তৈরি করেন। তবে ভবিষ্যতে, ওপেনএআই বিজ্ঞাপন মডেলের মাধ্যমে নতুন আয়ের পথ খুঁজে পেতে পারে, এমনটিও ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।

বর্তমানে ওপেনএআইয়ের মধ্যে যে অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তা ভবিষ্যতে প্রযুক্তি শিল্পে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



কোভিড নিয়ে জার্মান গবেষকদের নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য

কোভিড সংক্রমণ মানুষের মস্তিষ্কে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে বলে জানিয়েছে জার্মানির শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠান হেলমহোল্টজ মিউনিখ ও লুডভিগ-ম্যাক্সিমিলিয়ানস-ইউনিভার্সিট্যাট। গবেষণায় দেখা গেছে, SARS-CoV-2 ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিন মস্তিষ্কের প্রতিরক্ষামূলক স্তর মেনিনজেস এবং মাথার খুলিতে সংক্রমণের পর ৪ বছর পর্যন্ত স্থায়ী থাকতে পারে।

গবেষকরা জানিয়েছেন, এই স্পাইক প্রোটিন দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ তৈরি করে, যা মস্তিষ্কের বার্ধক্য দ্রুত বাড়িয়ে তোলে। এর ফলে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। গবেষণায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে দীর্ঘ কোভিডে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে মাথাব্যথা, ঘুমের ব্যাঘাত, এবং ‘মস্তিষ্কের কুয়াশা’ বা জ্ঞানের দুর্বলতা দেখা দিতে পারে।

গবেষণাটি পরিচালনার জন্য গবেষকরা একটি এআই-চালিত ইমেজিং কৌশল ব্যবহার করেন, যা ভাইরাল প্রোটিনের ত্রি-মাত্রিক ভিজ্যুয়ালাইজেশন সরবরাহ করতে সক্ষম। এটি কোভিড-১৯ রোগী এবং ইঁদুরের টিস্যু নমুনায় স্পাইক প্রোটিন সনাক্ত করতে সাহায্য করে।

অধ্যাপক আলি এরতুর্ক বলেন, “কোভিড সংক্রমণের ফলে সৃষ্ট দীর্ঘমেয়াদী স্নায়বিক প্রভাবগুলো মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য গুরুতর হুমকি। এর মাধ্যমে মস্তিষ্কের বার্ধক্য দ্রুত ঘটে এবং নিউরোডিজেনারেটিভ রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।”

এই গবেষণা থেকে স্পষ্ট, কোভিডের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব এখনো আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেল হোস্ট অ্যান্ড মাইক্রোব জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাটি ভবিষ্যৎ চিকিৎসার জন্য নতুন দিক নির্দেশনা দিতে পারে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ফাইভ-জি সেবায় ফাইবার নেটওয়ার্ক নিয়ে বিতর্ক

মোবাইল অপারেটররা দেশে ফাইভ-জি সেবা চালু করতে নিজস্ব ফাইবার নেটওয়ার্ক গড়ার কথা বলছে। তাদের যুক্তি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর অধিকাংশ ফাইবার ঝুলন্ত, যা দুর্ঘটনাপ্রবণ এবং ব্যয়বহুল। অন্যদিকে, বেসরকারি ফাইবার সেবাদাতারা মনে করছে, এটি বাস্তবায়িত হলে বিনিয়োগ ও ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

বর্তমানে দেশে সরকারি-বেসরকারি ছয় প্রতিষ্ঠানের ১ লাখ ৭২ হাজার কিলোমিটার ফাইবার নেটওয়ার্ক রয়েছে। এর মধ্যে ৪৫ হাজার মোবাইল টাওয়ারের মাত্র ১৫ হাজার টাওয়ার ফাইবারের সঙ্গে যুক্ত। মোবাইল অপারেটররা দাবি করছে, নিরবচ্ছিন্ন ফাইভ-জি সেবার জন্য কমপক্ষে ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ টাওয়ারে ফাইবার সংযোগ প্রয়োজন।

বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, ফাইবার নেটওয়ার্ক যদি পুরোপুরি আন্ডারগ্রাউন্ডে নেওয়া হয়, তাহলে নিরবচ্ছিন্ন নেটওয়ার্ক পাওয়া সম্ভব। অপরদিকে, মোবাইল অপারেটরদের মতে, ঝুলন্ত ফাইবার দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, তারা দীর্ঘদিন ধরে ফাইবার নেটওয়ার্ক স্থাপনে বিনিয়োগ করেছে এবং এই বিনিয়োগের সুরক্ষা প্রয়োজন। ফাইবার অ্যাট হোমের চেয়ারম্যান মঈনুল হক সিদ্দিকী বলেন, “আমাদের সেবার জন্য গ্রাহকরা নির্ভরশীল। যদি মোবাইল অপারেটররা নিজেরাই ফাইবার নেটওয়ার্ক তৈরি করে, তাহলে আমাদের লাইসেন্সের কোনো মূল্য থাকবে না।”

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) বিষয়টি বিশ্লেষণ করছে। বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী জানিয়েছেন, টেকসই সমাধানের জন্য সব পক্ষের মতামত নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




নাম্বার সেভ ছাড়াই হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ পাঠানোর সহজ উপায়

বর্তমানে যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপ। তবে অনেক সময় কোনো নাম্বার সেভ না করেও মেসেজ পাঠানোর প্রয়োজন হতে পারে। এ সমস্যার সহজ সমাধান নিয়ে হাজির হোয়াটসঅ্যাপ। এখানে উল্লেখ করা হলো নাম্বার সেভ না করেই মেসেজ পাঠানোর ৫টি কার্যকর পদ্ধতি:

১. হোয়াটসঅ্যাপের বিল্ট-ইন ফিচার ব্যবহার করুন
প্রথমে যাকে মেসেজ পাঠাবেন তার নম্বর কপি করুন। এরপর হোয়াটসঅ্যাপ খুলে New Chat অপশনে যান। কপি করা নাম্বার পেস্ট করে সেখান থেকে চ্যাট শুরু করুন।

২. হোয়াটসঅ্যাপ লিংক ব্যবহার করুন
নাম্বার সেভ না করে https://api.whatsapp.com/send?phone=xxxxxxxxxx লিংকটি ব্রাউজারে লিখুন। এখানে xxxxxxxxxx এর স্থানে দেশের কোডসহ (যেমন, +৮৮ বাংলাদেশ) ফোন নম্বর যোগ করুন। এরপর Continue to Chat ক্লিক করুন। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চ্যাট শুরু করবে।

৩. ট্রুকলার অ্যাপের সাহায্যে
ট্রুকলার অ্যাপ ওপেন করে প্রয়োজনীয় নম্বরটি সার্চ করুন। স্ক্রল করে হোয়াটসঅ্যাপ বাটনে ট্যাপ করলে সরাসরি চ্যাট উইন্ডোতে চলে যাবে।

৪. গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্যবহার করুন
গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট চালু করে বলুন, “Send a WhatsApp Message to [নম্বর]।” এরপর আপনার মেসেজটি বলুন। গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট সেটি মেসেজ হিসেবে পাঠিয়ে দেবে।

৫. সিরি শর্টকাট (আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য)
আইফোনে Siri Shortcut অ্যাপ চালু করে Allow Untrusted Shortcut অপশন চালু করুন। WhatsApp to Non-Contact শর্টকাট ডাউনলোড করুন। এরপর ফোন নম্বর এন্টার করে চ্যাট শুরু করুন।

এই পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করে সহজেই নাম্বার সেভ না করেও যেকোনো হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ইলন মাস্কের নতুন উদ্যোগ: এআই গেম স্টুডিও

বিশ্বজুড়ে আলোচিত প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক এবার গেম জগতে পা রাখলেন। টেসলা, স্পেসএক্স, এক্স (সাবেক টুইটার), ও নিউরালিংকের মালিক ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান এক্সএআই এবার তৈরি করতে যাচ্ছে এআই প্রযুক্তির গেম স্টুডিও। এ উদ্যোগের লক্ষ্য বর্তমান গেমশিল্পে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর আধিপত্য ভেঙে গেমকে আরও চমৎকার ও সৃজনশীল করে তোলা।

সম্প্রতি ডজকয়েনের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিলি মার্কাস এক্স প্ল্যাটফর্মে গেমশিল্পের বর্তমান অবস্থা নিয়ে সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, গেমাররা সবসময় করপোরেট লোভ ও মিথ্যা প্রচারের বিপক্ষে ছিল, তবে এখন গেম নির্মাতা ও সাংবাদিকরা এ প্রবণতার শিকার হচ্ছেন। এর জবাবে ইলন মাস্ক বলেন, “বড় করপোরেট স্টুডিওর আধিক্যের কারণে গেমশিল্প সৃজনশীলতা হারাচ্ছে। এক্সএআই একটি এআই গেম স্টুডিও তৈরি করবে, যা গেমকে নতুন করে চমৎকার করে তুলবে।”

ইলন মাস্ক এর আগেও গেমশিল্পের মতাদর্শগত প্রভাব নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা করেছেন। সম্প্রতি এক্সবক্স গেম ‘অ্যাভাউড’ প্রোনাউন সিলেকশন ফিচার যুক্ত করায় তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এমনকি মাইক্রোসফটের গেম বিভাগের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বৈষম্যের অভিযোগও করেন।

এক্সএআই প্রতিষ্ঠা হয় ২০২৩ সালের জুলাই মাসে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি বেশ কিছু প্রযুক্তিগত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। গত মার্চে এক্সএআই তাদের ‘গ্রোক’ নামের এআই চ্যাটবটকে ওপেন সোর্স করার ঘোষণা দেয়, যা চ্যাটজিপিটির বিকল্প হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইলন মাস্কের নেতৃত্বে এক্সএআই গেম স্টুডিও গেমশিল্পে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। এ উদ্যোগ কেবল প্রযুক্তি নয়, সৃজনশীলতা ও স্বাধীনতার ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনবে বলে আশা করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম