পাকিস্তানকে ‘বাংলাওয়াশ’ করে টাইগারদের ইতিহাস




স্বস্তি নিয়েই লাঞ্চে বাংলাদেশ, জয়ের জন্য অপেক্ষা 




স্যাটেলাইটে যেমন দেখাচ্ছে রাওয়ালপিন্ডির আবহাওয়া




বাংলাদেশের ম্যাচসহ টিভিতে যেসব খেলা দেখবেন




পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করতে শেষ দিনে বাংলাদেশের দরকার ১৪৩ রান

চন্দ্রদ্বীপ ক্রীড়া  ::রাওয়ালপিন্ডিতে বাংলাদেশের সামনে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার হাতছানি। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথমটি জিতে আগেই টাইগাররা নিজেদের কাজ অর্ধেক সেরে রেখেছিল। দ্বিতীয় টেস্টেও জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল বাংলাদেশের। এজন্য আগামীকাল মঙ্গলবার ম্যাচের পঞ্চম ও শেষ দিনে নাজমুল হোসেন শান্তর দলকে করতে হবে ১৪৩ রান, হাতে আছে ১০ উইকেট।

আজ পাকিস্তানের দেওয়া ১৮৫ রানের লক্ষ্যে দ্বিতীয় সেশনের শেষ দিকে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। এই সেশনের প্রথম ৬ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়েই ৩৭ রান করে ফেলেন দুই ওপেনার সাদমান ইসলাম ও জাকির হাসান। ব্যাটে ঝড় তোলেন জাকির। এরপর চা বিরতিতে যায় দুই দল। বিরতি শেষে খেলা মাঠে গড়ায় মাত্র এক ওভার। এরপর আলোক স্বল্পতায় বন্ধ থাকে ম্যাচ। পরে বৃষ্টি নেমে দীর্ঘক্ষণ খেলা বন্ধ থাকায় দিনের বাকি খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন আম্পায়ার। তখন বাংলাদেশের রান বিনা উইকেটে ৪২। জাকির ২৩ বলে ৩১ ও সাদমান ১৯ বলে ৯ রানে অপরাজিত থাকেন।

রাওয়ালপিন্ডিতে ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ২৭৪ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। জবাব দিতে নেমে ২৬২ রানে থামে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ১২ রানের লিড পায় সফরকারীরা। অন্যদিকে, নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে স্বাগতিক পাকিস্তান অলআউট হয় ১৭২ রানে। ফলে পাকিস্তানের লিড দাঁড়ায় ১৮৪ রানে।

তৃতীয় দিনের ২ উইকেটে ৯ রান নিয়ে চতুর্থ দিনে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান। দিনের শুরুতেই সাইম আইয়ুবকে ফিরিয়েছেন তাসকিন আহমেদ। পাকিস্তানি ওপেনারকে ২০ রানে নাজমুল হোসেন শান্তর ক্যাচে ফেরান বাংলাদেশ পেসার। এরপর পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদেকে ২৮ রানে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের ক্যাচে বিদায় করেন আরেক পেসার নাহিদ রানা। পরে বাবর আজমকে ১১ রানে সাদমানের ক্যাচে আউট করার পর সৌদ শাকিলকেও ফেরান তিনি।

৮১ রানের মধ্যে ৬ উইকেট হারানো পাকিস্তানকে এরপর টেনে তোলার চেষ্টা করেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও আগা সালমান। সপ্তম উইকেটে ৫৫ রানের জুটি গড়ে ফেলেন তারা। ১৩৬ রানের মাথায় রিজওয়ান ফিরলে ভাঙে এই জুটি। হাসান মাহমুদের বলে লিটন দাসকে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ৭৩ বলে ৪৩ রান করেন রিজওয়ান।

এরপর সালমান ছাড়া আর কোনো পাকিস্তানি বিশেষজ্ঞ ব্যাটার ছিলেন না। রিজওয়ানকে শিকার করেই ক্ষান্ত হননি হাসান, মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলেই মোহাম্মদ আলিকে ফেরান তিনি। পরের দুই ব্যাটার আবরার আহমেদ ও মির হামজাও সালমানকে উপযুক্ত সঙ্গ দিতে পারেননি। তাতে ১৭২ রানেই অলআউট হয় পাকিস্তান। সালমান অপরাজিত থাকেন ৪৭ রানে।

গতকাল শেষ বিকেলে ২ উইকেট নেওয়া পেসার হাসান আজ নেন আরও ৩ উইকেট। টেস্টে এই প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখালেন তিনি। আজ বল হাতে সবচেয়ে বেশি দাপট দেখিয়েছেন গতিময় পেসার নাহিদ রানা। তরুণ এই পেসার তুলে নিয়েছেন পাকিস্তানের চারটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। ক্যারিয়ারে এটিই তার সেরা বোলিং। বাকি উইকেটটি তাসকিন আহমেদের। টেস্টে এই প্রথম প্রতিপক্ষের ১০ উইকেটের সবগুলো নিলেন বাংলাদেশের পেসাররা।

 




নাহিদের বোলিং তোপে এলোমেলো পাকিস্তান 




বাংলাদেশের ম্যাচসহ টিভিতে যেসব খেলা দেখবেন




পাকিস্তানের অস্বস্তি বাড়িয়ে দিন শেষ করল বাংলাদেশ




বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্টসহ টিভিতে খেলার সূচি




রাওয়ালপিন্ডিতে ২৬৪ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম টেস্টে ১০ উইকেটের জয় তুলে বাংলাদেশ একই মাঠে দ্বিতীয় টেস্ট খেলছে সিরিজ–জয়ের দারুণ সুযোগে চোখ রেখে। প্রথম দিনের পুরোটাই কেড়ে নিয়েছে বৃষ্টি। আজকের দ্বিতীয় দিনেই খেলা হয়েছে প্রথমবার। আর তাতে দিন শেষে হাসিমুখে মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশ দল।

দিনের শুরুটা হয়েছিল প্রথম ওভারেই তাসকিন আহমেদের বলে আবদুল্লাহ শফিকের বোল্ড দিয়ে। এরপর সাইম আইয়ুব ও শান মাসুদ ফিফটি করলেও দুজনকেই ফিরিয়ে দিনটি নিজের করে নিতে শুরু করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। বাংলাদেশের এই অফ স্পিনার পরে ফিরিয়েছেন টেল এন্ডারে খেলা খুররম শেহজাদ, মোহাম্মদ আলী আর আবরার আহমেদদেরও। পূর্ণ করেছেন টেস্ট ক্রিকেটে দশমবার ইনিংসে পাঁচ উইকেটের মাইলফলক।

মিরাজের পাঁচ উইকেট পাওয়ার দিনে পাকিস্তানের মাঝ ইনিংসে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিলেন বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। ৩১ রান করা বাবরকে এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেছেন সাকিব, রিজওয়ানকে দারুণ বলে স্লিপে ক্যাচ বানিয়েছেন নাহিদ রানা। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে নেওয়া পাঁচ বোলারের চারজনই নামের পাশে উইকেট লেখাতে পেরেছেন। এর মধ্যে ৬১ রানে ৫ উইকেট মিরাজের, শরীফুল ইসলামের বদলি নামা তাসকিনের সাফল্য ৫৭ রানে ৩ উইকেট। সাকিব ও নাহিদ নিয়েছেন একটি করে উইকেট, হাত শূন্য শুধু হাসান মাহমুদের। পাকিস্তানের রান ২৭৪–এর বেশ আগেই থামতে পারত, যদি চারটি ক্যাচ মিস না হতো।

দিনের শেষ বেলায় ব্যাটিংয়ে নামার পর বাংলাদেশ ব্যাট করেছে ২ ওভার। মীর হামজার প্রথম বলে সাদমান ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যাওয়ার পর অবিচ্ছিন্ন থেকেই মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি। বিনা উইকেটে ১০ রান নিয়ে দিন শেষ করা বাংলাদেশ কাল মাঠে নামবে পাকিস্তানের চেয়ে ২৬৪ রানে পিছিয়ে থেকে।

আহমেদের বলে আবদুল্লাহ শফিকের বোল্ড দিয়ে। এরপর সাইম আইয়ুব ও শান মাসুদ ফিফটি করলেও দুজনকেই ফিরিয়ে দিনটি নিজের করে নিতে শুরু করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। বাংলাদেশের এই অফ স্পিনার পরে ফিরিয়েছেন টেল এন্ডারে খেলা খুররম শেহজাদ, মোহাম্মদ আলী আর আবরার আহমেদদেরও। পূর্ণ করেছেন টেস্ট ক্রিকেটে দশমবার ইনিংসে পাঁচ উইকেটের মাইলফলক।

মিরাজের পাঁচ উইকেট পাওয়ার দিনে পাকিস্তানের মাঝ ইনিংসে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিলেন বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। ৩১ রান করা বাবরকে এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেছেন সাকিব, রিজওয়ানকে দারুণ বলে স্লিপে ক্যাচ বানিয়েছেন নাহিদ রানা। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে নেওয়া পাঁচ বোলারের চারজনই নামের পাশে উইকেট লেখাতে পেরেছেন। এর মধ্যে ৬১ রানে ৫ উইকেট মিরাজের, শরীফুল ইসলামের বদলি নামা তাসকিনের সাফল্য ৫৭ রানে ৩ উইকেট। সাকিব ও নাহিদ নিয়েছেন একটি করে উইকেট, হাত শূন্য শুধু হাসান মাহমুদের। পাকিস্তানের রান ২৭৪–এর বেশ আগেই থামতে পারত, যদি চারটি ক্যাচ মিস না হতো।

দিনের শেষ বেলায় ব্যাটিংয়ে নামার পর বাংলাদেশ ব্যাট করেছে ২ ওভার। মীর হামজার প্রথম বলে সাদমান ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যাওয়ার পর অবিচ্ছিন্ন থেকেই মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি। বিনা উইকেটে ১০ রান নিয়ে দিন শেষ করা বাংলাদেশ কাল মাঠে নামবে পাকিস্তানের চেয়ে ২৬৪ রানে পিছিয়ে থেকে।